FnF Architects & Engineers

FnF Architects & Engineers Services: Planning & Architectural, Structural, Interior Designing,
Soil test, Supervising construc

মানসম্মত ও নিরাপদ ভবন নির্মাণ নিশ্চিত করতে গঠিত হচ্ছে 'বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি অথরিটি (BBRA)Bangladesh Building Regul...
21/11/2025

মানসম্মত ও নিরাপদ ভবন নির্মাণ নিশ্চিত করতে গঠিত হচ্ছে 'বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি অথরিটি (BBRA)

Bangladesh Building Regulatory Authority (BBRA) এর প্রধান কার্যাবলী

১। রেজিস্টার্ড পেশাজীবীদের মাধ্যমে স্থাপত্য নকশা, স্ট্রাকচারাল নকশা, ইলেক্ট্রিক্যাল নকশা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মেকানিক্যাল, প্লাম্বিং ও ফায়ার সেইফটি বিষয়ক নকশাসমূহ প্রস্তুতসহ নকশা ভেটিং কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে একটি আইটিবেইজড অনলাইন প্ল্যাটফর্ম গঠন।

২। ভবন নির্মাণের সাথে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের জন্য লাইসেন্সিং সিস্টেম প্রবর্তন ও হালনাগাদকরন।

৩। BNBC 2020 অনুযায়ী ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুসরণসহ ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত নকশা (স্থাপত্য, স্ট্রাকচারাল, ইলেকট্রিকাল ও অন্যান্য) ভেটিং ও অনুমোদন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ/ পরামর্শ প্রদান।

৪। ভবনের নির্মাণ কাজ চলাকালীন BNBC 2020 যথাযথভাবে প্রতিপালন এবং নির্মাণ কাজের গুনগতমান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে কার্যকর ও যুগোপযোগী পরিবীক্ষণ সিস্টেম প্রবর্তন / পরামর্শ প্রদান।

৫। National Council for Licensing of Building Professionals (NClbp) গঠনের মাধ্যমে কার্যকর লাইসেন্সিং সিষ্টেম প্রতিষ্ঠাকরণ।

৬। Quasi- Judicial Dispute Resolution Body গঠন।

৭। আধুনিক ও উন্নততর নির্মাণ সামগ্রী ও প্রযুক্তি সমন্বয়ের লক্ষ্যে বিল্ডিং কোড নিয়মিত হালনাগাদ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

৮। BNBC অনুযায়ী অন্যান্য নির্ধারিত কার্যাবলী।

15/11/2025
New DREAM for US!!!!!
16/10/2025

New DREAM for US!!!!!

বাড়ি নির্মাণে যাদের বাজেট খুবই সীমিত, তাদের জন্য আমাদের কিছু পরামর্শ🏠 আরেকজন দারুণ ডিজাইনে বাড়ি করেছে কিংবা ফেসবুক ইউটিউ...
11/10/2025

বাড়ি নির্মাণে যাদের বাজেট খুবই সীমিত, তাদের জন্য আমাদের কিছু পরামর্শ

🏠 আরেকজন দারুণ ডিজাইনে বাড়ি করেছে কিংবা ফেসবুক ইউটিউবে দারুণ একটা বাড়ির ডিজাইন পছন্দ হয়েছে, সেভাবেই নিজের বাড়ি করতে হবে এমন চিন্তা বাদ দিন।

🏠 ইউটিউবে একটা বাড়ির ছবি দেয়া আছে, সেখানে তারা বলছে ৬ লক্ষ টাকায় এমন ১ তলা বাড়ি হবে এমন সব বিজ্ঞাপন দেখে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাড়ি করবেন না। ওগুলো শুধুমাত্র বিজ্ঞাপন। এইসব বিজ্ঞাপন মানুষকে আকৃষ্ট করার জন্য তৈরি করা হয়, যা বাস্তবের সাথে কোন মিল থাকেনা।

🏠 ১ তলা বাড়ি করতেই আপনি হিমশিম খাচ্ছেন, সেখানে ৩ তলার ফাউন্ডেশন দিয়ে ১ তলা বাড়ি করার চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। ভবিষ্যতে সন্তানের জন্য অতিরিক্ত ফাউন্ডেশন দিয়ে রাখবেন, এটা একটা ভুল চিন্তা ভাবনা। আপনার সন্তানের যখন এই ১ তলা বাড়িতে বাকি ২ তলা করার সামর্থ্য হবে ততদিনে এই বাড়ির মেয়াদ অর্ধেকটাই কিন্তু শেষ হয়ে যাবে। তার সময়ে এই বর্তমানের বাড়ির ডিজাইন তার কাছে পুরাতন হয়ে যাবে। সে তার মতো করে চিন্তা করবে। তার ব্যবস্থা তাকে করতে দিন। নাহলে ফাউন্ডেশনের ঐ অতিরিক্ত টাকা আজীবন মাটির তলেই থেকেই যাবে।

🏠 আপনার কাছে সম্পূর্ণ বাড়ি করার টাকা নেই, তাহলে কিছু কিছু করে কাজ শেষ করুন। প্লাস্টার বাদ দিন, ইটের গায়ে পয়েন্টিং করে রাখুন। ফ্লোরে টাইলস এর চিন্তা বাদ দিন। পরে টাকা হলে প্লাস্টার করুন। সুযোগ তো থাকেই। ৩ রুমের দরকার? আপাতত ২ রুমই নাহয় করুন, পরে আরেক রুম!

🏠 ঘরের মেঝে পাকা করা বাদ দিন। মাটির ফ্লোরই হোকনা? টাকা হলে মেঝে পাকা করুন। নিজের বাড়িই তো! আরেকজন কি মনে করবে এসব মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। মাটির সাথে ১/২ বস্তা সিমেন্ট মিশিয়ে দিন, ভালো ফলাফল পাবেন।

🏠 কোন ইঞ্জিনিয়ার, মিস্ত্রি, ফেসবুক কিংবা বিখ্যাত ঠিকাদার বাড়ির খরচ ১০ লক্ষ হতে পারে বলেছে? এগুলো সবই কিন্তু আনুমানিক। একটা বাড়ির সকল প্রকার ডিজাইন ও বাড়িতে ব্যবহার হবে এমন প্রতিটি মালামালের নাম, পরিমাণ ও বাজার মূল্যে এস্টিমেট করুন। তাহলেই সঠিক খরচ জানতে পারবেন।

🏠 ইঞ্জিনিয়ার আর্কিটেক্টকে দিয়ে ডিজাইন করালে তো তারা অনেক টাকা দাবী করে। এই টাকাটা বাঁচাতে নিজেরা মাঝেমধ্যে ডিজাইন করেন, নেট থেকে অন্যের বাড়ির ডিজাইন নামিয়ে বাড়ি করছেন। এতে লস আপনারই হয়। কেন হয়? একজন অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্টকে যদি আপনি আপনার চাহিদা ও বাজেট বলে থাকেন, তিনি আপনাকে সেভাবেই ডিজাইন করে দিবে। ফলে বাজেটের ভিতরেই বাড়ি হবে। অতিরিক্ত অর্থের অপচয় এতে রোধ হয়। এখন আপনি যদি ১০ হাজার টাকায় অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার আর্কিটেক্ট দিয়ে ভালো মানের ডিজাইন চান তাহলে তো আর হবেনা। একটা ভালো ডিজাইন করতে ১০/২০ হাজার বেশি গেলেও আপনার বাড়তি খরচটা রোধ হয়, ভালো মানের ডিজাইন হয়। ১৫/২০ লক্ষ টাকা খরচ করে একজন আর্কিটেক্ট পড়ালেখা করেছেন ৫০০ টাকায় একটা থ্রিডি ডিজাইন করে দেবার জন্য নয়। হ্যাঁ ২০০ টাকাতেও আর্কিটেক্ট পাবেন। দর্জির কাজ মুচি দিয়ে করালে যাহয় তেমন হবে আর কি!

🏠 অনেকেই তো একটা বাড়ির ফ্লোর প্লান এবং সামনের একটা থ্রিডি ডিজাইন পাইলেই মনে করেন যাক বাবা আমি সব ডিজাইন পেয়ে গেছি। কিন্তু একটা টিনের বাড়ির জন্যেও যে ১৫/২০ পাতার ডিজাইন দরকার তা আপনি আসলে জানেন না। একটা ৪/৫ তলা বাড়ির ডিজাইন ৮০/১০০ পাতা হয়।

🏠 টাকা বাঁচাতে ইলেকট্রিক্যাল ও প্লাম্বিং ডিজাইন করছেন না এতে ক্ষতি কার? আপনার। ইলেকট্রিক্যাল ও প্লাম্বিং ডিজাইন মিস্ত্রির উপর ছেড়ে দিচ্ছেন। আপনার বাড়ির ইলেকট্রিক্যাল লোড কত হবে, কোন কাজে কোন ধরণের ক্যাবল ব্যবহার হবে তা কি আপনার মিস্ত্রি হিসাব করে কাজে ব্যবহার করছে? সে তার মুখস্থ বিদ্যার প্রেক্ষিতে এগুলো করছে। স্যানিটারি ডিজাইনের ব্যাপারেও তাই। যেখানে ৪ ইঞ্চি পাইপে কাজ হবে সেখানে আপনি ৬ ইঞ্চি পাইপ ব্যবহার করে খরচ বাড়াচ্ছেন।

🏠 কোন ক্যাবল বা পাইপ কোনদিক থেকে টানলে আপনার খরচ কম হবে এটার সঠিক ডিজাইন ইলেকট্রিক্যাল ও প্লাম্বিং ডিজাইনে থাকে। এতেই তো অনেক টাকার খরচ সেইভ হয় আপনার।

🏠 পর্যাপ্ত টাকা নেই, রঙ করা বাদ দিন।

🏠 সেগুন কাঠের দরজা দিতে হবে, এমন কোন হাদিস নেই।

🏠 থাই গ্লাস দিতেই হবে এমনও কোন নিয়ম নেই। জানালার কাজ হবে এবং দীর্ঘস্থায়ী এমন বহু কিছুই আছে। এগুলো ব্যবহার করুন। এগুলো নিজেই চিন্তা করে বের করুন। সবকিছুতে ফেসবুক ইউটিউব নয়।

🏠 বাড়িতে পুরাতন কিছু যদি নতুন বাড়িতে ব্যবহার করার মতো থাকে, প্রয়োজনে তা ব্যবহার করুন।

🏠 শোনেন, বর্তমানে ১০/১২ লক্ষ টাকায় ২/৩ রুমের পূর্নাংগ ১ তলা, ১০/২০ লক্ষ টাকায় ২ তলা বাড়ি হয়না।

🏠 আপনার বাজেট যদি ৪/৫ লক্ষ টাকা হয় তাহলে ২/৩ রুমের সাধারনভাবে সেমিপাকা টিনশেড বাড়ি হবে।

🏠 ২০/২২ বছরের অভিজ্ঞতায় অনেক মানুষকে শুধুমাত্র ভুল পরিকল্পনা এবং ২০ হাজার টাকা ডিজাইন চার্জ বাঁচাতে গিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার গচ্চা দিতেও দেখেছি। ১ কোটি টাকার বাড়ি করবে, অথচ ৫০ হাজার টাকা ডিজাইন চার্জ দিতে গেলেও অনেক বাড়ির মালিক মনে করেন "এই ইঞ্জিনিয়ার আমার বাড়ি করার সব টাকা নিয়ে গেলো।" অনেকে বলে থাকেন, অমুক আমার কাছে ডিজাইনের জন্য ১০ হাজার চেয়েছে আপনি ৩০ হাজার চাইছেন কেন? ভাই, আপনি কি জানেন এমন ভুরিভুরি ইঞ্জিনিয়ার আছে যারা আপনার ২ তলা বাড়ির ডিজাইন করতেও ২ লক্ষ টাকা ডিজাইন চার্জ চাইবে, সেটাতো আর বলেন না আপনি! ১০০০ টাকাতেও ক্যামেরা মোবাইল পাওয়া যায়, ১ লক্ষতেও কিন্তু ক্যামেরা মোবাইল পাওয়া যায়। জিনিস যেটা ভালো দাম তার সবসময় একটু বেশিই হয়।

🏠 ৫/১০ হাজার টাকায় যারা বাড়ির ডিজাইন করে, তাদের ডিজাইনের মান নিয়ে আমি সন্দেহ প্রকাশ করি। সস্তা কোনকিছুই ভালো না। সেদিন একজন গ্রাহক আমাকে দেখালেন একজন ইঞ্জিনিয়ার ২৫ হাজার টাকায় একটা ৩ তলা বাড়ির সকল প্রকার ডিজাইন করে দিবেন এবং ইঞ্জিনিয়ারকে যখন ডাকবেন তখন তিনি সাইট ভিজিট করবেন, তাও ঐ ২৫ হাজার টাকাতেই। যে ইঞ্জিনিয়ারের মধ্যে কোয়ালিটি আছে তিনি কখনও এতো সস্তা হননা।

🏠 বাড়ির ফ্লোর প্লান ও বাইরের ডিজাইন কেমন হবে এই কাজগুলি করার দায়িত্ব আর্কিটেক্ট এর, কোন ইঞ্জিনিয়ারের নয়। কিছু ইঞ্জিনিয়ার এগুলো পারলেও আর্কিটেক্ট এর মতো তিনি পারবেন না, কারন আর্কিটেক্ট এই কাজেই পারদর্শী। আবার আর্কিটেক্টও কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ জানেন না। ইঞ্জিনিয়ারের কাজ ফাউন্ডেশন, কলাম, বীম, ছাদ ইত্যাদি নিয়ে।

🏠 ৮০% মানুষ জীবনে একবারই বাড়ি করে। সুতরাং আবেগ থেকে নয়, বিবেক দিয়ে বাড়ি করুন।

🏠 ঋণ যাতে না করতে হয়, পকেটে যেটুকু আছে সেটুকুতেই যদি টিনের বাড়িও হয় তাই করুন।

🏠 টিনের বাড়িতে গরম বেশি? টিনের উপর তার দিয়ে একটু উঁচু করে মাচা তৈরি করে শাক সবজি লাগিয়ে নিন।

🏠 ১ তলা ফাউন্ডেশনে ২ ফুট গর্ত করতে হয়, ৪ টা ১২ মিলি রড দিতে হয় এমন কোন মুখস্থ বিদ্যা আবিষ্কার হয়নি। আপনার জমির মাটির ধরন,কলাম থেকে কলামের দূরত্ব, বাড়িটির মোট ওজন কত এগুলো বের করেই একজন ইঞ্জিনিয়ারের ডিজাইন করার কথা। টাকার জন্য অথবা সস্তা পারিশ্রমিকের জন্য বেশিরভাগ ইঞ্জিনিয়ার সঠিক ওজন হিসাব না করে আগে করা আছে এমন একটা ডিজাইন আপনাকে ধরিয়ে দিচ্ছে। আর আপনি ভাবছেন ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে ডিজাইন করিয়েছি, আমার বাড়ি তো ভালোই!

🏠 সারাজীবনের সঞ্চয় দিয়ে, ঋণ করে একটা বাড়ি করলেন। আপনার বাড়ি ধ্বংস হতে একটা মাঝারি ধরণের ভূমিকম্পই যথেষ্ট। হ্যাঁ, ভূমিকম্প তো আল্লাহর সৃষ্টি, সেখানে ইঞ্জিনিয়ার কি করবে? না। আল্লাহ না চাইলে পৃথিবীর কেউ টিকে থাকবেনা। কিন্তু আল্লাহ আপনাকে বিবেক বুদ্ধি দিয়েছেন কোনটা ভালো কোনটা মন্দ তা নির্ধারণ করার জন্য। তিনি আপনাকে এটা বলেননি, চলন্ত গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে আল্লাহ সাহায্য করবে কিনা সে পরীক্ষা দিতে।

🏠 আপনার সব ইচ্ছা একজীবনে পূরন হবে এমন কোন নিয়ম নেই। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বাড়ি করুন, অন্যের ডিজাইন দেখে নয়।

সংগ্রহীত

14/09/2025

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে
দলিলে ব্যবহত ১০০ টি শব্দ যা জানলে দলিল পড়তে পারবেন সহজে।
1️⃣ মৌজা 🏡 (গ্রাম)
➡️ যে নির্দিষ্ট এলাকা বা গ্রামকে সরকারিভাবে ভূমি রেকর্ডে চিহ্নিত করা হয়, তাকে মৌজা বলে। জমির পরিচয় সবসময় মৌজা দিয়ে শুরু হয়।

2️⃣ জে.এল. নং 🔢 (মৌজা নম্বর/গ্রামের নম্বর)
➡️ প্রতিটি মৌজার একটি আলাদা নম্বর থাকে। দলিলে “জে.এল. নং” উল্লেখ থাকে যাতে মৌজা সঠিকভাবে চিহ্নিত করা যায়।

3️⃣ ফর্দ 📑 (দলিলের পাতা)
➡️ জমির দাগ, পরিমাণ, সীমা ইত্যাদি যেসব বিবরণী দলিলের আলাদা অংশে লেখা থাকে, তাকে ফর্দ বলে।

4️⃣ খং 📖 (খতিয়ান)
➡️ খতিয়ান মানে জমির রেকর্ডবুক। জমির মালিক, দাগ নম্বর, পরিমাণ ইত্যাদি সেখানে লেখা থাকে।

5️⃣ সাবেক ⏳ (আগের/পূর্বের)
➡️ পূর্ববর্তী জরিপ বা পুরোনো রেকর্ড বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন: সাবেক দাগ, সাবেক খতিয়ান।

6️⃣ হাল 📅 (বর্তমান)
➡️ সর্বশেষ জরিপে জমির যে রেকর্ড হয়েছে তাকে হাল বলা হয়। যেমন: হাল দাগ, হাল খতিয়ান।

7️⃣ বং ✍️ (বাহক)
➡️ পুরোনো দলিলে নিরক্ষর ব্যক্তি হলে, অন্য কেউ তার হয়ে নাম লিখতো। সেই লেখককে বং (বাহক) বলা হতো।

8️⃣ নিং 🚫📚 (নিরক্ষর)
➡️ যিনি লিখতে পড়তে জানেন না, তাকে দলিলে “নিং” বলে উল্লেখ করা হতো।

9️⃣ গং 👥 (অন্যান্য অংশীদার)
➡️ একাধিক মালিক বা অংশীদার থাকলে তাদের বোঝাতে শেষে “গং” লেখা হতো।

🔟 সাং 🏘️ (সাকিন/গ্রাম)
➡️ যে গ্রামে দলিলে উল্লেখিত ব্যক্তি বসবাস করেন, তাকে বোঝায়।

1️⃣1️⃣ তঞ্চকতা ⚠️ (প্রতারণা)
➡️ কারো সাথে প্রতারণা করে দলিল তৈরি করলে তা তঞ্চকতা দলিল বলে।

1️⃣2️⃣ সনাক্তকারী 👤 (চেনেন এমন ব্যক্তি)
➡️ বিক্রেতাকে যিনি ব্যক্তিগতভাবে চিনেন এবং সাক্ষী দেন।

1️⃣3️⃣ এজমালি 🤝 (যৌথ)
➡️ একাধিক অংশীদারের সম্মিলিত মালিকানা বোঝাতে ব্যবহৃত শব্দ।

1️⃣4️⃣ মুসাবিদা 🖊️ (দলিল লেখক)
➡️ যিনি দলিল লিখতেন, তাকে মুসাবিদা বলা হতো।

1️⃣5️⃣ পর্চা 📃 (প্রাথমিক খতিয়ান কপি)
➡️ খতিয়ানের অফিসিয়াল নকল, যা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

1️⃣6️⃣ বাস্তু 🏠 (বসতভিটা)
➡️ যে জমিতে বাড়িঘর তৈরি হয়েছে।

1️⃣7️⃣ বাটোয়ারা ⚖️ (সম্পত্তির বণ্টন)
➡️ যৌথ সম্পত্তিকে অংশীদারদের মধ্যে ভাগ করার প্রক্রিয়া।

1️⃣8️⃣ বায়া 🏷️ (বিক্রেতা)
➡️ যিনি জমি বিক্রি করেন।

1️⃣9️⃣ মং ➕ (মোট)
➡️ যোগফল বোঝাতে ব্যবহার হয়।

2️⃣0️⃣ মবলক 🧮 (মোট পরিমাণ)
➡️ জমির মোট পরিমাণ বা মূল্য।

2️⃣1️⃣ এওয়াজ 🔄 (সমমূল্যের বিনিময়)
➡️ কোনো জমি বিক্রি না করে বিনিময়ের মাধ্যমে দেওয়া হলে তাকে এওয়াজ বলে।

2️⃣2️⃣ হিস্যা 🔹 (অংশ)
➡️ একাধিক অংশীদারের জমির নির্দিষ্ট ভাগকে হিস্যা বলে।

2️⃣3️⃣ একুনে ➗ (যোগফল)
➡️ জমির পরিমাণ, দাগ নম্বর বা টাকার হিসাব যোগ করলে যা দাঁড়ায়।

2️⃣4️⃣ জরিপ 📏 (ভূমি পরিমাপ)
➡️ সরকারি পরিমাপের মাধ্যমে জমির রেকর্ড তৈরি করার কাজ।

2️⃣5️⃣ চৌহদ্দি 📐 (সীমানা)
➡️ জমির চারপাশের সীমা বা গণ্ডি।

2️⃣6️⃣ সিট 🗺️ (মানচিত্রের অংশ)
➡️ নকশার মধ্যে নির্দিষ্ট ভাগ বা অংশকে সিট বলে।

2️⃣7️⃣ দাখিলা 🧾 (খাজনার রশিদ)
➡️ জমির সরকারি খাজনা পরিশোধ করলে যে রশিদ দেওয়া হয়।

2️⃣8️⃣ নক্সা 🗺️ (মানচিত্র)
➡️ জমির পরিমাপের চিত্র।

2️⃣9️⃣ পিং 👨 (পিতা)
➡️ দলিলে “পিং” মানে বিক্রেতা/ক্রেতার পিতা।

3️⃣0️⃣ জং 👨‍👩‍👧 (স্বামী)
➡️ নারীর দলিলে তার স্বামীকে “জং” হিসেবে লেখা হতো।

3️⃣1️⃣ দাগ নং 🔢 (জমির নম্বর)
➡️ প্রতিটি জমির নিজস্ব আলাদা নম্বর থাকে, যা দাগ নং নামে পরিচিত।

3️⃣2️⃣ স্বজ্ঞানে 🧠 (নিজের জ্ঞানে)
➡️ কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছায় ও নিজের জ্ঞানে দলিলে সাক্ষর করেছেন।

3️⃣3️⃣ সমুদয় 🌍 (সব কিছু)
➡️ সব মিলিয়ে বোঝাতে ব্যবহার হয়।

3️⃣4️⃣ ইয়াদিকৃত 🙏 (আল্লাহর নামে শুরু)
➡️ পুরোনো দলিলে “বিসমিল্লাহ”র পরিবর্তে এই শব্দ ব্যবহৃত হতো।

3️⃣5️⃣ পত্র মিদং ✉️ (চিঠির মাধ্যমে)
➡️ পত্র বা ডকুমেন্টের মাধ্যমে কিছু করা বোঝায়।

3️⃣6️⃣ বিং 📜 (বিস্তারিত)
➡️ পুরো বিবরণ লিখতে গেলে “বিং” দিয়ে শুরু হতো।

3️⃣7️⃣ দং 🏞️ (দখলকারী)
➡️ জমি যার দখলে আছে।

3️⃣8️⃣ পত্তন ⏱️ (সাময়িক বন্দোবস্ত)
➡️ অস্থায়ীভাবে জমির ব্যবহার করার অনুমতি।

3️⃣9️⃣ বদলসূত্র 🔁 (জমি বিনিময়)
➡️ জমি বিক্রি না করে বিনিময়সূত্রে আদান-প্রদান।

4️⃣0️⃣ মৌকুফ 🙌 (মাফকৃত)
➡️ খাজনা বা কোনো দায় মওকুফ করা হলে।

4️⃣1️⃣ দিশারী রেখা ➡️ (দিক নির্দেশক রেখা)
➡️ জরিপে জমির অবস্থান নির্ধারণের রেখা।

4️⃣2️⃣ হেবা বিল এওয়াজ 🎁 (বিনিময়ে জমি দান)
➡️ বিনিময়ের ভিত্তিতে দানকৃত জমি।

4️⃣3️⃣ বাটা দাগ ✂️ (বিভক্ত দাগ)
➡️ একটি বড় দাগ ভাগ করে ছোট ছোট অংশে নেওয়া হলে।

4️⃣4️⃣ অধুনা 📆 (বর্তমান)
➡️ বর্তমানে যা আছে।

4️⃣5️⃣ রোক 💰 (নগদ অর্থ)
➡️ নগদ টাকার বিনিময়ে লেনদেন।

4️⃣6️⃣ ভায়া 📄 (পূর্বের দলিল)
➡️ জমির আগের মালিকানার দলিল বোঝাতে ব্যবহৃত।

4️⃣7️⃣ দানসূত্র 🕊️ (দানকৃত সম্পত্তি)
➡️ দান হিসেবে দেওয়া জমি।

4️⃣8️⃣ দাখিল-খারিজ 🔄 (মালিকানা পরিবর্তন)
➡️ নতুন মালিকের নামে সরকারি খতিয়ান সংশোধন।

4️⃣9️⃣ তফসিল 📝 (সম্পত্তির বিবরণ)
➡️ জমির আকার, পরিমাণ, সীমা ইত্যাদির বিস্তারিত তালিকা।

5️⃣0️⃣ খারিজ ✔️ (খাজনা আলাদা করা)
➡️ যৌথ খাজনা আলাদা করে প্রত্যেক মালিককে আলাদা রশিদ দেওয়া।

5️⃣1️⃣ খতিয়ান 📖 (ভূমির রেকর্ড)
➡️ জমির মালিকানার অফিসিয়াল রেকর্ড।

5️⃣2️⃣ এওয়াজসূত্র 🔄 (বিনিময়ের সূত্রে পাওয়া জমি)
➡️ জমি বিনিময়ের মাধ্যমে পাওয়া মালিকানা।

5️⃣3️⃣ অছিয়তনামা 🪦 (উইল)
➡️ মৃত্যুকালে সম্পত্তি বণ্টনের নির্দেশ।

5️⃣4️⃣ নামজারি 🖊️ (মালিকানা রেকর্ড পরিবর্তন)
➡️ দলিল অনুযায়ী নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করা।

5️⃣5️⃣ অধীনস্থ স্বত্ব 📉 (নিম্ন মালিকানা)
➡️ মূল মালিকের অধীনে ভোগ করা মালিকানা।

5️⃣6️⃣ আলামত ❌ (চিহ্ন)
➡️ মানচিত্র বা জমির উপর দাগ/চিহ্ন।

5️⃣7️⃣ আমলনামা 🧾 (দখল দলিল)
➡️ জমি কার দখলে আছে, সেই প্রমাণ দলিল।

5️⃣8️⃣ আসলি 🏡 (মূল জমি)
➡️ আসল বা প্রাথমিক জমি।

5️⃣9️⃣ আধি 🌾 (ফসল ভাগ)
➡️ জমি চাষ করে অর্ধেক ফসল মালিক ও অর্ধেক চাষির মধ্যে ভাগ হতো।

6️⃣0️⃣ ইজারা 📑 (সাময়িক চুক্তি)
➡️ নির্দিষ্ট খাজনা বা ভাড়া দিয়ে জমি ভোগ করার চুক্তি।

6️⃣1️⃣ ইন্তেহার 📢 (ঘোষণা)
➡️ জমি বিক্রি/বন্দোবস্ত সংক্রান্ত প্রকাশ্য ঘোষণা।

6️⃣2️⃣ এস্টেট 🏰 (জমিদারি সম্পত্তি)
➡️ জমিদারের অধীনে থাকা বৃহৎ সম্পত্তি।

6️⃣3️⃣ ওয়াকফ 🕌 (ধর্মীয় সম্পত্তি)
➡️ মসজিদ, মাদরাসা বা ধর্মীয় কাজে উৎসর্গকৃত জমি।

6️⃣4️⃣ কিত্তা 🪧 (ভূমিখণ্ড)
➡️ ছোট অংশে বিভক্ত জমি।

6️⃣5️⃣ কিস্তোয়ার জরিপ 📏 (ভূমি পরিমাপ)
➡️ কিত্তা ধরে জমির মাপজোখ।

6️⃣6️⃣ কায়েম স্বত্ব ⛓️ (চিরস্থায়ী মালিকানা)
➡️ স্থায়ীভাবে জমির মালিকানার অধিকার।

6️⃣7️⃣ কবুলিয়ত 🖋️ (স্বীকার দলিল)
➡️ জমি ভোগ বা চুক্তি স্বীকার করে লেখা দলিল।

6️⃣8️⃣ কান্দা ⛰️ (উঁচু জমি)
➡️ উঁচু জায়গায় অবস্থিত জমি।

6️⃣9️⃣ কিসমত 🔹 (ভাগ করা অংশ)
➡️ জমি ভাগ হয়ে যে অংশ দাঁড়ায়।

7️⃣0️⃣ খামার 🚜 (নিজস্ব জমি)
➡️ মালিকের নিজের দখলে থাকা জমি।

7️⃣1️⃣ খিরাজ 💵 (খাজনা)
➡️ জমির বিনিময়ে সরকারকে প্রদেয় ট্যাক্স।

7️⃣2️⃣ খসড়া 📝 (প্রাথমিক রেকর্ড)
➡️ জরিপের প্রথম খসড়া নথি।

7️⃣3️⃣ গর বন্দোবস্তি 🚫 (অবণ্টিত জমি)
➡️ কোনো বন্দোবস্ত করা হয়নি এমন জমি।

7️⃣4️⃣ গির্ব 🏦 (বন্ধক)
➡️ জমি বন্ধক দিয়ে টাকা নেওয়া।

7️⃣5️⃣ জবরদখল 🚷 (জোর করে দখল)
➡️ অনুমতি ছাড়া অন্যের জমি দখল করা।

7️⃣6️⃣ জোত 👨‍🌾 (প্রজাস্বত্ব)
➡️ কৃষকের ভোগদখল অধিকার।

7️⃣7️⃣ টেক 🏞️ (পলি জমি)
➡️ নদীর পলি জমে নতুন জমি তৈরি।

7️⃣8️⃣ ঢোল সহরত 🥁📢 (প্রকাশ্য ঘোষণা)
➡️ ঢোল পিটিয়ে জমি সংক্রান্ত ঘোষণা।

7️⃣9️⃣ তহশিল 📍 (রাজস্ব এলাকা)
➡️ খাজনা সংগ্রহের জন্য বিভক্ত এলাকা।

8️⃣0️⃣ তামাদি ⏰ (সময়সীমা অতিক্রান্ত)
➡️ নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলে দলিল বা দাবি অকার্যকর হয়ে যায়।

8️⃣1️⃣ তফসিল 📃 (বিবরণ)
➡️ সম্পত্তির বিস্তারিত তালিকা।

8️⃣2️⃣ নামজারি 📜 (মালিকানা পরিবর্তন)
➡️ নতুন মালিকের নাম অন্তর্ভুক্তি।

8️⃣3️⃣ নথি 📑 (রেকর্ড)
➡️ সরকারি অফিসে জমির কাগজ।

8️⃣4️⃣ দেবোত্তর 🛕 (দেবতার সম্পত্তি)
➡️ মন্দির বা দেবতার নামে উৎসর্গ করা জমি।

8️⃣5️⃣ দখলী স্বত্ব ✊ (দখল মালিকানা)
➡️ দীর্ঘদিন ভোগদখল করে মালিকানা অর্জন।

8️⃣6️⃣ দশসালা বন্দোবস্ত 📅 (১০ বছরের বন্দোবস্ত)
➡️ দশ বছর মেয়াদে জমির চুক্তি।

8️⃣7️⃣ দাগ নম্বর 🔢 (ক্রমিক জমি নম্বর)
➡️ নির্দিষ্ট প্লটের নম্বর।

8️⃣8️⃣ দরবস্ত 🌐 (সব কিছু)
➡️ সামগ্রিকভাবে বোঝাতে ব্যবহৃত।

8️⃣9️⃣ দিঘলি 🏞️ (খাজনা প্রদানকারী)
➡️ নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা দেওয়া মালিক।

9️⃣0️⃣ নক্সা ভাওড়ন 🗺️ (পূর্ব জরিপ মানচিত্র)
➡️ আগের জরিপে আঁকা মানচিত্র।

9️⃣1️⃣ নাম খারিজ ❌ (পৃথককরণ)
➡️ যৌথ জমি থেকে কারও নাম বাদ দেওয়া।

9️⃣2️⃣ তুদাবন্দি 📏 (সীমানা নির্ধারণ)
➡️ জমির সীমানা ঠিক করার কাজ।

9️⃣3️⃣ তরমিম 🛠️ (সংশোধন)
➡️ দলিল বা রেকর্ডে ভুল থাকলে তা সংশোধন।

9️⃣4️⃣ তৌজি 📕 (স্থায়ী বন্দোবস্ত রেকর্ড)
➡️ জমিদারির স্থায়ী রেকর্ড।

9️⃣5️⃣ দিয়ারা 🌊 (চর জমি)
➡️ নদীর পলিতে গঠিত নতুন জমি।

9️⃣6️⃣ ট্রাভার্স 📐 (জরিপ রেখা)
➡️ জরিপে জমি মাপার জন্য আঁকা রেখা।

9️⃣7️⃣ খাইখন্দক 🕳️ (গর্ত/জলাশয় জমি)
➡️ জমিতে প্রাকৃতিক গর্ত বা জলাশয় থাকলে।

9️⃣8️⃣ চর 🏝️ (পলি জমি)
➡️ নদীর তীরে নতুন তৈরি জমি।

9️⃣9️⃣ চৌহদ্দি 🔲 (সীমানা)
➡️ জমির চারপাশের সীমা।

1️⃣0️⃣0️⃣ খাস 🏛️ (সরকারি জমি)
➡️ যেসব জমির মালিকানা সরকারের অধীনে।

#দলিল #নকশা #খতিয়ান

28/07/2025
একটি বিল্ডিং এর পুরো কাজকে যেভাবে ভাগ করবেন। ১. গঠন = ৩৫%২। ইটের কাজ = 6%৩। কাঠের কাজ = ৫%৪. মেটাল কাজ = 2%৫। প্লাম্বিং ...
18/06/2025

একটি বিল্ডিং এর পুরো কাজকে যেভাবে ভাগ করবেন।

১. গঠন = ৩৫%
২। ইটের কাজ = 6%
৩। কাঠের কাজ = ৫%
৪. মেটাল কাজ = 2%
৫। প্লাম্বিং এবং স্যানিটারি = 6%
৬. বৈদ্যুতিক কাজ = 7%
৭. প্লাস্টারের কাজ = ৪%
৮. সাধারণ ফ্লোরের টাইলসের কাজ = 6%
৯। টয়লেট এবং কিট ওয়াল টাইলস কাজ = 3%
১০। অ্যালুমিনিয়ামের কাজ = ৪%
১১। ইএমই (লিফটের, জেনারেটর, সাবস্টেশন) = 10%
১২. রং এর কাজ = 3%
১৩। অন্যান্য নাগরিক কাজ = 6%
১৪। ইউটিলিটি সংযোগ এবং বিল = 3%
মোট = ১০০%

✪ শক্তি ~ ৩৫%
- ফুটিং এবং কলাম প্যাডেস্টাল = 20%
- গ্রেড বিম, ইউজিডব্লিউআর টপ স্ল্যাব = 5%
- GF কলাম, সিঁড়ি ইত্যাদি = 4%
- 1ম ফ্লোর স্ল্যাব = 9%
- সাধারণ মেঝে কলাম (5x3%) = 15%
- ২য় তলা স্ল্যাব থেকে ছাদ স্ল্যাব (৫x৮) = ৪০%
- ছাদের টপ = ৭%
TOTAL = 100% (৩৫% যেভাবে আসবে।)

✪ ব্রিক ওয়ার্ক ~ 6%
- GF ইটের কাজ = 6%
- ১ম তলা ইটের কাজ = ১৮%
- ২য় তলা ইটের কাজ = ১৮%
- ৩য় তলা ইটের কাজ = ১৮%
- ৪র্থ তলা ইটের কাজ = ১৮%
- ৫ম তলা ইটের কাজ = ১৮%
-ছাদের টপ ইটের কাজ = ৪%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ কাঠের কাজ ~ 5%
- দরজার ফ্রেম = 40%
- প্রধান দরজা শাটার = 15%
- পারটেক্স ডোর শাটার = ৩৫%
- বিড়ালের দরজা এবং আনুষাঙ্গিক = 10%
TOTAL = 100% (৫% যেভাবে হবে)

✪ মেটাল কাজ ~ 2%
- জানালার গ্রিল = ৫৫%
- ভেরান্দা রেলিং = ২০%
- সিঁড়ি রেইলিং = 10%
- প্রধান দরজা, জেন-সাব, সেফটি গ্রিল = 15%
TOTAL = 100% (২% যেভাবে হবে।)

✪ প্লেম্বিং এবং সেনিটারি কাজ~ 6%
- ইউপিভিসি উল্লম্ব লাইন ডাক্ট থেকে = ২৫%
- জিআই লাইনের কাজ = 30%
- ফিক্সচার এবং ফিটিং = 40%
- নিচ তলা = ৫%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ ইলেকট্রিক্যাল~ 7%
- স্ল্যাবের ভিতরে আটকে রাখা = ১০%
- ওয়ালে তৈরি করা হচ্ছে আই/সি এমকে বক্স=১৫%
- ক্যাবলিং এর কাজ = 55%
- সুইচ-সকেট = 20%
TOTAL = 100% (৭% যেভাবে হবে।)

✪ প্লাস্টার ~ ৪%
- সিলিং প্লাস্টার = ২০%
- অভ্যন্তরীণ ওয়াল প্লাস্টার = ৫০%
- বাইরের প্লাস্টার/ইটের মুখোমুখি = 30%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)

✪ সাধারণ ফ্লোরের টাইলস ~ 6%
- সাধারণ মেঝে এবং ভেরান্দা = 75%
- সিঁড়ি, সাধারণ লবি এবং লিফট প্রাচীর = 20%
- GF লিফট লবি, দেয়াল, অভ্যর্থনা = 5%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ টয়লেট ও কিট ওয়াল টাইলস ~ 3%
- বাথ ওয়াল = ৬০%
- রান্নাঘরের দেয়াল = ২০%
- বাথ ফ্লোর = 9%
- বাথ কাউন্টার টপ = ৪%
- রান্নাঘরের মেঝে = 3%
- কিচেন কাউন্টার টপ =৪%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

✪ অ্যালুমিনিয়াম কাজ ~ ৪%
- আউটার ফ্রেমিং- উইন্ডো স্লাইডিং = 40%
- গ্লাস শাটার- জানালা স্লাইডিং = 30%
- ভেরান্দা স্লাইডিং = ২০%
- টয়লেট উচ্চ জানালা = 5%
- কমন এলাকা = 5%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)

✪ EME ~ 10%
- লিফট = ৫০%
- জেনারেটর = ২৫%
- সাবস্টেশন = ২০%
- PABX, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ইত্যাদি = 5%
TOTAL = 100% (১০% যেভাবে হবে।)

✪ পেইন্টের কাজ ~ 3%
- পুটি পর্যন্ত = 40%
- অভ্যন্তরীণ দেয়াল এবং সিলিং 1ম কোট = 20%
- অভ্যন্তরীণ দেয়াল এবং সিলিং ২য় কোট = 15%
- বাইরের রঙ/সিরামিক টাইটস = ২৫%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

✪ অন্য পৌর কাজ ~ 6%
- সীমানা প্রাচীর = 30%
- লাইন টেরেসিং/ ছাদ টপ পেভার = 15%
- লোগো, বাগান পরিচর্যা এবং অন্যান্য = ৪%
- GF BBC = 14%
- জিএফ পেভমেন্ট এবং ফুটপাথ দেব = ১০%
- লিন্টেল, এফ/ স্ল্যাব, ড্রপ ওয়াল, কাউন্টার ল্যাব = ২০%
- কেবল ট্রে = 1%
- স্যানিটারি ডাক্ট কভার, সিলিং ইত্যাদি = ৪%
- রিসেপশন ডেস্ক, লেটার বক্স = 2%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ ইউটিলিটি সংযোগ এবং বিল ~ 3%
- ডেসা/ডিসকো = ৩৫%
- তিতাস = ২০
- ওয়াসা = 15%
- ইউটিলিটি বিল = 30%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

(সংগৃহীত)

Address

Mainamoti Saheber Bazar, Ranir Banglo Road, Burichang
Cumilla

Telephone

01976157715

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FnF Architects & Engineers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share