02/02/2024
গ্রীষ্মকালে আমরা ঘন ঘন ও দীর্ঘ সময় ধরে এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করি। সঠিক ব্যবহারবিধি না জানার কারণে ও কিছু ভুল ব্যবহারে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচসহ অবাঞ্ছিত সার্ভিসিং ঝামেলা এবং গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি হয়ে থাকে।এয়ার কন্ডিশনার সঠিকভাবে কীভাবে ব্যবহার করবেন আসুন জেনে নিই একনজরে।সর্বপ্রথম এয়ার কন্ডিশনারটি কম তাপমাত্রায় সেট করার বদ অভ্যাস থেকে বিরত থাকুন, বরং পর্যাপ্ত মাত্রায় টেম্পারেচার সেট করুন, কারণ এতে আপনার সুস্বাস্থ্য ও সুষ্ঠু ব্যবহারবিধি উভয় নিশ্চিত করবে। এমনকি আমরা যারা এক স্থানে স্থির হয়ে বসে অথবা শুয়ে থাকি অথবা হালকা পরিশ্রম করি, তাদের জন্য শ্রহণযোগ্য ঘরের তাপমাত্রা সাধারণত ২৭ সে. থেকে ২৮ সে. এর মধ্যে থাকে। লক্ষণীয় বিষয় হলো, যখন এয়ার কন্ডিশনার চলমান থাকে তখন সেট তাপমাত্রা থেকে অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা ২ সে. বেশি হয়ে থাকে। শুধু এই একটি মাত্র অভ্যাস যা ২০% পর্যন্ত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারে।
দ্বিতীয়ত, ফিল্টারটি ঘন ঘন পরিষ্কার করা উচিত। অত্যধিক ধুলো-বালি এয়ার কন্ডিশনারের ফিল্টারের নেট বা জাল ব্লক করে দেয় এবং এয়ার ফ্লো কম ও বন্ধ করে দেয়, যা রীতিমতো অস্বস্তিকর। ভালোভাবে ঠান্ডা বাতাস তো পৌঁছাবেই না, পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিলও বাড়াবে।
তৃতীয়ত, ব্যবহৃত রুমের মেইনটেন্যান্স স্ট্রাকচার ও কাঠামো উন্নত করুন। দুর্বল ও লিকযুক্ত দরজা এবং জানালার কাঠামো এবং বড় ফাঁক প্রতিরোধের জন্য জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। যেমন আঠালো টেপ দিয়ে জানালার ফাঁক সিল করা, এবং কাচের জানালার বাইরে স্বচ্ছ প্লাস্টিকের ফিল্মের একটি স্তর পেস্ট করা, সানশেড পর্দা ব্যবহার করা এবং ইনডোর ওয়াল স্টিকার লাগানো যেতে পারে। কাঠের বোর্ড বা প্লাস্টিকের বোর্ড, দেয়ালের বাইরের অংশে সাদা রং করা ইত্যাদি বাইরের দেয়াল দিয়ে ঠান্ডা বাতাস হ্রাসের প্রবণতা এবং নিয়মিত বিদ্যুৎ খরচ কমাবে ২০ শতাংশের অধিক।