তরুমেলা

তরুমেলা If you want to create a garden on the rooftop or veranda of your house, then you will always have '?

সবুজ মানেই সতেজতা, সবুজ মানেই প্রশান্তি।
যান্ত্রিক কোলাহলপূর্ণ এই শহরে সবুজের এতটুকু উপস্থিতিও যেন অনেকখানি প্রশান্তি এনে দেয়। দুঃখজনক হলেও সত্যি, ক্রমেই নিষ্প্রাণ হয়ে উঠছে আমাদের এই প্রাণের শহর, নাগরিক কোলাহলে সজীবতা হারাচ্ছে প্রতিদিন।

তবে দারুণ ব্যাপার হলো, বর্তমান সময়ে অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠছেন নিজের বাড়ির ছাদ কিংবা বারান্দার ছোট্ট জায়গাতেই শখের বাগান তৈরি করার প্রতি। খেয়াল করে দেখবেন, অধিকাংশ

বাড়ির ছাদেই এখন রয়েছে সবুজের ছোঁয়া।

আপনিও যদি নিজ বাড়ির ছাদে শখের ও ভালোবাসার বাগান তৈরি করতে ইচ্ছুক হন তবে প্রয়োজনীয় তথ্য, সঠিক পরিকল্পনা ও সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে আপনিও দারুণভাবে নিজ হাতে গড়ে তুলতে পারবেন শখের বাগান। আপনার শখের বাগান গড়ে তুলতে আপনাদের পাশে সবসময় আছে 'তরুমেলা' ।

তরুমেলা
"শহরের মাঝে, প্রকৃতির খোঁজে"

তরুমেলার সার্ভিসসমূহ:

১. বারান্দা বাগানের ডিজাইন ও প্রয়োজনীয় গাছ
২. ছাদ বাগানের ডিজাইন ও প্রয়োজনীয় গাছ
৩. ভার্টিক্যাল গার্ডেনিং ডিজাইন ও প্রয়োজনীয় গাছ
৪. ল্যান্ডস্ক্যাপিং ডিজাইন ও প্রয়োজনীয় গাছ
৫. যাবতীয় কৃষিসেবা
৬. সার ও কিটনাশক সরবরাহ
৭. টেলি-কৃষিসেবা

-----------নগর কৃষি তথ্যবাতায়ন---------  *******পর্ব ০৫********প্রতিটি গাছেরই ঠিকমতো সুস্থ ও স্বাভবিকভাবে বেড়ে উঠার জন্য...
06/07/2021

-----------নগর কৃষি তথ্যবাতায়ন---------
*******পর্ব ০৫********

প্রতিটি গাছেরই ঠিকমতো সুস্থ ও স্বাভবিকভাবে বেড়ে উঠার জন্য মাটি প্রয়োজন। গাছের মূল মাটির নিচে থাকে। এই মূলের মাধ্যমেই গাছ ঠিকভাবে গড়ে ওঠে। তাই গাছের বেড়ে উঠা সম্পূর্ণ নির্ভর করে মাটির উপর। আমরা যারা শহরে বাস করি এবং ছাদ বাগান করতে চাই তাদের ক্ষেত্রে চাই হালকা ওজন, পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ও পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা সম্পন্ন মাটি। শুধু বাইরে থেকে মাটি এনে তাতে গাছ লাগালাম আর গাছ বেড়ে উঠবে তা কিন্তু সঠিক নয়।

গাছের পুষ্টি সরবরাহ করতে পারে এবং বিভিন্ন রোগ যাতে না হয় আর আগাছামুক্ত গাছের বৃদ্ধির জন্য পটিং মিক্স একটি মিডিয়া। এই পটিং মিক্স কি, কেন প্রয়োজন, কিভাবে ঘরেই তৈরি করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করা যাক।

পটিং মিক্স ছাদ বাগান বা ঘরের আঙিনায় টবে লাগানো গাছের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ক্রমবর্ধমান মিডিয়াম। কর্ণেল ইউনিভার্সিটিতে ১৯৬০ সালে জেমস কুডলি ও তার টিম কর্ণেল মিক্স নামে একটা মিক্স উদ্ভাবন করেন যা পটিং মিক্স হিসেবে খুবই জনপ্রিয়। বিভিন্ন দেশে পটিং মিক্সের উপাদান স্থানীয় উৎস অনুযায়ী বিভিন্ন রকম হতে পারে। যেমনঃ আমেরিকাতে প্রধানত পিট মস, কম্পোস্ট, পারলাইট, ভার্মিকুলাইট ইত্যাদি মিক্স করে পটিং মিক্স তৈরি করা হয়। আমাদের দেশে পিট মসের বদলে কোকোপিট বা কোকোডাস্ট এবং পারলাইট- ভার্মিকুলাইটের বদলে ঝামা ইটের টুকরা ব্যবহার করে পটিং মিক্স তৈরি করা যায়। এ ধরনের তৈরিকৃত মাটি যেমন গাছের বৃদ্ধি নিশ্চিত করে তেমনি পানি নিষ্কাশন ভাল হওয়ায় পানি জমে গাছের মারা যাওয়ার ভয় থাকে না।
পটিং মিক্সের উপাদান

(১) কোকোপিট বা কোকোডাষ্ট
মাটির সাবস্টিটিউট হিসেবে এটা ব্যবহার করা হয়। কখনও কখনও কোকোপিটের বদলে পিট মসও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

কোকোপিট মূলত নারকেলের ছোবড়া থেকে তৈরি হয়। ৫ কেজি/৫০০ গ্রাম এমন বড় বড় হালকা ওজনের কোকোপিটের ব্লক হিসেবে পাওয়া যায় যা দেখতে চারকোণা ইটের মতো।

(২)ভার্মিকম্পোস্ট
ভার্মিকম্পোস্ট একটি জৈব সার যা উর্বরতা বাড়াতে ব্যবহার করা হয়। এক মাসের বাসি গোবর বা তরি-তরকারির ফেলে দেওয়া অংশ, ফলমূলের খোসা, উদ্ভিদের লতাপাতা, পশুপাখির নাড়িভুঁড়ি হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা, ছোট ছোট করে কাটা খড়কুটো খেয়ে কেঁচো মল ত্যাগ করে এবং এর সাথে কেঁচোর দেহ থেকে এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ বের হয়ে যে সার তৈরি হয় তাঁকে কেঁচো কম্পোস্ট বা ভার্মি কম্পোস্ট বলা হয়। এ সার সব ধরনের ফসল ক্ষেতে ব্যবহার করা যায়। এটি পৃথিবীতে অধিক ব্যবহৃত জৈব সারের অন্যতম, পরিবেশবান্ধব সার।

(৩) পার্লাইট
দেখতে সাদা নুড়ি পাথরের মতো। এর বদলে ভার্মিকুলাইট অথবা ইটের গুঁড়া বা ছোট পাথরের টুকরা ব্যবহার করা যায়।

পার্লাইট মূলত আগ্নেয়শিলা থেকে আসে। একে ভল্কানিক রক বা ভল্কানিক গ্লাসও বলা হয়। আগ্নেয়গিরির লাভা থেকে একে সংগ্রহ করা হয়। এরপর একে ছোট ছোট টুকরায় ভাগ করে ৮৫০°- ৯০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করা হয়। ফলে ছোট ছোট এয়ার পকেট তৈরি হয় যার যেকারণে এটার সত্যিকারের সাইজ থেকে ১৫ গুণ বড় হয়। এজন্য খুবই নিমিষেই আঙুল দিয়ে গুড়ো করা যায়।

পটিং মিক্স তৈরিতে সতর্কতা অবলম্বন
ক) যখন অর্গানিক বা জৈব পদার্থ নিয়ে কাজ করা হবে তখন মুখে মাস্ক পড়ে নিতে হবে।

খ) উপাদান গুলো মিশানোর সময় অবশ্যই হাতে গ্লোভস বা দস্তানা পরা উচিৎ।

গ) চোখকে নিরাপদ রাখতে চশমা পরা উচিৎ।

ঘ) ডাস্টযুক্ত উপাদানের জন্য স্প্রে বোতল ব্যবহার করতে হবে।

ঙ) ঝড়ো আবহাওয়ায় পটিং মিক্স তৈরি থেকে বিরত থাকা।

চ) কাজ শেষে খুব ভালো করে হাত ধোঁয়া।

পটিং মিক্স তৈরির পদ্ধতি
~ ৬০% কোকোপিট
~ ২০% ভার্মিকম্পোষ্ট
~ ১৫% পার্লাইট
~ ৫% নিম মিক্স

প্রথম ধাপ

একটি বড় প্লাস্টিকের পাত্রে কোকোপিটের ব্লক নিয়ে তা ছোট টুকরো করে গরম পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিতে হবে।ফলে কোকোপিট সম্পূর্ণ পানি টেনে নিয়ে ছোট্ট থেকে বড় হয়ে যাবে। হাত দিয়ে পরে তা ঝুড়ঝুড়ে করে দিতে হবে।

দ্বিতীয় ধাপ

আলাদা আর একটা বড় পাত্র বা বালতিতে কোকোপিটের গুড়ো এবং ভার্মিকম্পোস্ট মিশিয়ে নিতে হবে। ভার্মিকম্পোস্ট মিশানোর আগে অবশ্যই সিভ বা চালুনি দিয়ে কম্পোস্ট চেলে নিতে হবে যাতে কোনো দলা না থাকে।

তৃতীয় ধাপ

এরপর এতে পার্লাইট যোগ করতে হবে।

চতুর্থ ধাপ

খুব ভালোভাবে উপাদান গুলো মিশিয়ে নিতে হবে হাতের গ্লোভস পরে।

প্রয়োজনীয় টিপস
ক) পটিং মিক্স তৈরির ক্ষেত্রে বড় কন্টেইনার নিতে হবে। অথবা ছাদে প্লাস্টিকের পেপার বিছিয়ে নিয়েও পটিং মিক্স তৈরি করা যায়।

খ) কোকোপিট দ্রুত ভিজানোর জন্যে গরম পানি ব্যবহার করা উচিত।

গ) ডাস্টের মধ্যে মাইক্রোস্কোপিক সিলিকা থাকে ফুসফুসে অক্সিজেন গ্রহণে বাধা দেয়।তাই অবশ্যই বাসায় পটিং মিক্স তৈরির সময় মুখে মাস্ক পরে নিতে হয়।

ঘ) যদি বাইরে থেকে পটিং মিক্স কেনা হয় তাহলে লক্ষ্য করতে হবে প্যাকেটের গায়ে অস্ট্রেলিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস মার্ক( AS 3743) আছে কিনা

#নগরকৃষি_তথ্য_বাতায়ন
#তরুমেলা

-----------নগর কৃষি তথ্যবাতায়ন---------  *******পর্ব ০৪********বৃষ্টির পানি গাছের জন্য অনেক উপকারী। কারণ এতে থাকে নাইট্র...
02/07/2021

-----------নগর কৃষি তথ্যবাতায়ন---------
*******পর্ব ০৪********

বৃষ্টির পানি গাছের জন্য অনেক উপকারী। কারণ এতে থাকে নাইট্রোজেন, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, সালফেট ও নাইট্রেট আয়ন। বৃষ্টির পানি আপনার ট্যাপের পানির চেয়ে অনেক পুষ্টিসমৃদ্ধ। এ কারণে বর্ষাকালে গাছের পাতাগুলো আরো চির সজীব হয়ে ওঠে।

তবে বর্ষাকালে অতিবৃষ্টির ফলে অনেক গাছ মারাও যেতে পারে। বর্ষাকালে গাছের এই ক্ষতিকর দিক এবং কীভাবে সমাধান করা যায় ও গাছের ফলন বাড়ানো যায় জেনে নিন-

>> বর্ষাকালে অতিবৃষ্টি ক্যাকটাস বা সাকুলেন্ট সদস্যদের গাছের জন্য ক্ষতি বয়ে আনে। তাই এদের খোলা আকাশের নিচে না রাখাই ভালো। এই জাতীয় গাছগুলোকে ছায়ার মধ্যে বা ঘরের মধ্যে রাখা উচিত।

>> গাছে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। যেকোনো ঘরোয়া গাছের জন্য এমন টব বা পাত্র বাছাই করা দরকার যেটায় পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনমত ছিদ্র থাকে।

যদি বৃষ্টির পরও টবে পানি জমা দেখা যায়; তাহলে টব একদিকে কাত করে পানি ফেলে দিতে হবে। আর মাটি না শুকালে একটু খুচিয়ে দিতে হবে যাতে সম্পূর্ণ মাটি শুকিয়ে যায়।

>> বর্ষা মৌসুমেও গাছে কি পানি দেয়া উচিত? এর উত্তর হলো, না। অতি বৃষ্টির ফলে গাছে পানির ঘাটতি পূরণ হয়। তাই গাছের মাটি না শুকানো পর্যন্ত পানি দেয়া উচিত নয়।

>> গরমে যেমন টবের মাটি কয়েক ইঞ্চি নিচ পর্যন্ত ভরাট করতে হয়, তেমনই বর্ষাকালে বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য টবে মাটি দিয়ে ভরাট করে দেওয়া উচিত যাতে পানি তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।

>> অতিবৃষ্টির সময় অবশ্যই এমন ধরণের মাটি নির্বাচন করতে হবে; যাতে মাটি খুব দ্রুত পানি শুষে নিতে পারে। আর তাই এর জন্য এঁটেল মাটি ব্যবহার করা উপযোগী। মাটি তৈরির ক্ষেত্রে মাটির সাথে সার মেশানোর সাথে সাথে বালু ও নুড়িপাথর বেশি পরিমাণে মিশিয়ে নিতে হবে।

#নগরকৃষি_তথ্য_বাতায়ন
#তরুমেলা

-----------নগর কৃষি তথ্যবাতায়ন---------  *******পর্ব ০৩********🥀🥀গোলাপ চাষ🌹🌹🌹🌹গোলাপ মূলত শীতকালীন ফুল। গোলাপ ফুল হলো সৌন...
06/06/2021

-----------নগর কৃষি তথ্যবাতায়ন---------
*******পর্ব ০৩********

🥀🥀গোলাপ চাষ🌹🌹

🌹🌹গোলাপ মূলত শীতকালীন ফুল। গোলাপ ফুল হলো সৌন্দর্য্য ও লাবন্যের প্রতীক। তবে বর্তমানে এর চাহিদা ও সৌন্দর্য্যের কারণে সারা বছরই গোলাপ চাষ করা হচ্ছে। বর্ণ, গন্ধ ও কমনিয়তায় গোলাপকে ফুলের রানী বলা হয়ে থাকে। পৃথিবীর সব দেশেই কমবেশি সারাবছর গোলাপের চাষ হয়ে থাকে। বাংলাদেশে বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন জেলাতে গোলাপের চাষ করা হচ্ছে। গোলাপের চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় গোলাপ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

🌎🌎জলবায়ু ও মাটিঃ গোলাপ প্রধানত শীত এবং নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডীয় একটি ফুল। বেশি উষ্ণ বা আর্দ্র আবহাওয়ায় গোলাপের গাছ ভালো হয় না। ২০-৩০ ডিগ্রী সে. তাপমাত্রা, ৮৫% আপেক্ষিক আর্দ্রতা এবং ১০০-১২৫ সেমি গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত গোলাপ চাষের জন্য উপযোগী। ৬.০-৬.৫ pH মানযুক্ত সুনিষ্কাশিত এবং উর্বর দোঁআশ মাটি গোলাপ চাষের জন্য উত্তম।

🌹🥀গোলাপের জাতঃ পৃথিবীতে বিভিন্ন জাতের গোলাপ রয়েছে। তার মধ্যে বাংলাদেশে চাষ হয় এমন কিছু জাতসমূহ হলোঃ মিরান্ডি, পাপা মেলান্ড, ডাবল ডিলাইট, তাজমহল, প্যারাডাইস, ব্লু-মুন, মন্টেজুমা, টাটা সেন্টার, সিটি অব বেলফাষ্ট ইত্যাদি।

🌹রোপণ সময়ঃ বাংলাদেশে অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারী মাস পর্যন্ত গোলাপের চারা রোপণের জন্য উপযুক্ত সময়।

🌹🌹গোলাপের বংশবৃদ্ধিঃ গোলাপ গাছ বীজ, কাটিং, গুটি কলম এবং চোখ কলমের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে থাকে। শুধুমাত্র প্রজনন বা ফসল উন্নয়ন কর্মসূচীর ক্ষেত্রে বীজের মাধ্যমে গোলাপের বংশবিস্তার হয়ে থাকে। তবে নতুন গাছ উৎপন্নের প্রধান পদ্ধতি হলো বাডিং বা চোখ কলম, যার মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে ফুলের উৎপাদন করা হয়ে থাকে। যে জাতটির বংশবৃদ্ধি করা হয় তার চোখ অপর একটি সুবিধামতো আদিজোড় বা (rootstock) এর উপর স্থাপন করা হয়ে থাকে। আদিজোড় গাছের সজীবতা, উৎপাদনশীলতা, ফুলের গুনাবলী, ঝোপের স্থায়ীত্ব, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, মাটি ও আবহাওয়ার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও পালন করে থাকে। আদিজোড়ের কাটিংসমূহ (পেন্সিল আকৃতি) গ্রীষ্মের শেষে তৈরি করা হয়ে থাকে এবং নার্সারিতে সারি করে ২৫ -৩০ সেমি দূরত্বে রোপন করা হয়। প্রায় ৬ মাস পর এইসব কাটিংসমূহ বাডিং এর জন্য উপযুক্ত আকৃতির কান্ড তৈরি করে থাকে। গোলাপের ক্ষেত্রে মূলত T-বাডিং করা হয়ে থাকে।

টবে গোলাপের চাষপদ্ধতিঃ

🏜️🏜️টবের স্থানঃ খোলামেলা ও আলো বাতাসপূর্ণ এমন স্থানে গোলাপের টব রাখতে হবে যেখানে গাছ সকালের সূর্য কিরণসহ ৬-৮ ঘন্টা রোদ পায়। বিকেলের রোদ (বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে) না লাগানোই ভালো, কেননা এতে ফুলের রং ফ্যাকাসে হয়ে যেতে পারে। লক্ষ রাখতে হবে গোলাপ গাছে যাতে চারিদিক হতেই আলো পড়ে। কেননা একদিকে আলো পেলে গাছটি কেবল আলোর দিক দিয়েই বাড়বে। এজন্য টবসহ গাছটি মাঝে মাঝে ঘুরিয়ে নিতে হবে। গ্রীষ্মের প্রখর রোদ থেকে টবের গোলাপ গাছকে রক্ষা করার জন্য পর্যায়ক্রমে রোদ ও ছায়ায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে টব রাখলে গাছ ভালো থাকবে এবং ফুলও বেশি দিন পাওয়া যাবে।

🌱🌱মাটি তৈরিঃ এঁটেল মাটি গোলাপ চাষের জন্য উপযোগী নয়। টবের জন্য সার মাটি এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে মাটি বেশ ফাঁপা থাকে এবং পানি জমে না থাকে। ১ ভাগ দোআঁশ মাটি, ৩ ভাগ গোবর সার বা কম্পোষ্ট, ১ ভাগ পাতা পচা সার, আধা ভাগ বালি (নদীর সাদা বালি হলে ভাল হয়) দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে তাতে এক মুঠো সরিষার খৈল ও এক চামচ চুন মিশিয়ে ১টি ২০ সেমি (৮ ইঞ্চি) টবে ১ মাস রেখে দিতে হবে। এই ১ মাস টবে পানি দিয়ে মাটি উল্টে পাল্টে দিতে হবে। এতে মাটির মিশ্রণ ভালো হবে। অনেকে মাটির মিশ্রণে ব্যবহৃত চা পাতা ব্যবহার করেও ভালো ফল পেয়েছেন। টবে নিচের কয়েক সেমি পরিমাণ অংশে ইট বা মাটির হাড়ি পাতিলের ভাংগা টুকরা এমনভাবে বিছিয়ে দিতে হয় যাতে টবের মাটি এগুলোর উপর থাকে। এতে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের সুবিধা হবে।

🏺🏺টবের আকারঃ টবের আকার নির্ভর করে যে গোলাপের চাষ করা হবে তার জাতের উপর। ছোট জাতের জন্য ২০ সেমি (৮ ইঞ্চি) টব, বড় জাতের জন্য ৩০ সেমি (১২ ইঞ্চি) বা আরো বড় টব ব্যবহার করতে হবে। তবে প্রথম বছর যে আকারের টবে গাছ বসানো হবে পরের বছর বড়- আকারের টবে গাছ স্থানান্তর করলে বড় আকারের বেশি ফুল পাওয়া যাবে।

🕰️🕰️টবে চারা বসানোর সময়ঃ বছরের যে কোন সময়ই টবে গোলাপের চারা বসানো যায়। তবে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ও জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাস চারা লাগানোর উত্তম সময়। এ সময় চারা লাগালে বেশি দিন ধরে ফুল পাওয়া যাবে। এছাড়াও গাছের পরিচর্যা করতে সুবিধা হবে এবং গাছে রোগ ও পোকার আক্রমণ তুলনামুলকভাবে কম হয়ে থাকে।

🌹টবে চারা বসানোঃ চারাগাছ বা কলমচারা মাটির গোল্লাসহ পলিথিন ব্যাগে অথবা ছোট মাটির টবে কিনতে পাওয়া যায়। চারাটি যদি টবের হয়, তাহলে টব থেকে পুরো মাটিসহ চারাটি এমনভাবে নিতে হবে যাতে ভেংগে না যায় বা শিকড়ের কোন ক্ষতি না হয়। ভেজা মাটির গোল্লাসহ চারা সংগ্রহ করলে তা একটু শুকিয়ে নিতে হবে। চারা বসাবার আগেই গাছের অপ্রয়োজনীয় পুরোনো বা মরা ডাল পালা হালকা ভাবে ছেঁটে দিতে হবে। এরপর চারাটি টবের মাঝখানে সোজা করে বসিয়ে টবের ওপরে কিছু কম্পোষ্ট সার দিয়ে গাছের গোড়ারমাটি হালকা চাপ দিয়ে বসিয়ে দিতে হবে। চারা এমনভাবে বসাতে হবে যাতে কুঁড়ি বের হবার গিট/ পর্ব টি মাটির ওপরেই থাকে।

💦💦সেচঃ টবে বসানোর পর অন্তত ২-৩ বার পানি সেচ দিতে হবে। চারা অবস্থায় গাছ যাতে প্রখর রোদ বা বৃষ্টির ঝাপ্টা থেকে রক্ষা পায় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রথম অবস্থায় ৩/৪ ঘণ্টা এবং ধীরে ধীরে বাড়াতে বাড়াতে ৬-৭ ঘণ্টা রোদ পাওয়ার ব্যবস্থা করলে গোলাপের ফলন ভালো হবে। পানি সেচের সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে গাছের গোড়ায় পানি দাঁড়িয়ে না থাকে। কচি পাতা ও কুঁড়ি ছাড়ার সময় পানি বেশি প্রয়োজন হয়ে থাকে। এ সময় সকাল সন্ধ্যা সেচ দেওয়া উচিত। ঝাঁঝরি দিয়ে ডালপালাসহ সমস্ত গাছটিই পানি দিয়ে ভিজিয়ে দিতে হবে।

🧺🧺সার প্রয়োগঃ টব বসাবার ১ মাস পর থেকে ১৫-৩০ দিন অন্তর অন্তর সার দিতে হবে। শীতের ঠিক পরেই অর্থাৎ মার্চের শেষে বা এপ্রিলের প্রথম দিকে টবের উপরের ৮/১০ সেমি মাটির স্তর তুলে দিয়ে খালি জায়গায় পচা গোবর সার ও নতুন ফাঁপা মাটি দিয়ে ভরে দিতে হবে। এর পর খড় বা পাতা দিয়ে ঢেকে গ্রীষ্মের প্রখর রোদ থেকে গাছের শিকড়কে রক্ষা করতে হবে। শীতকালে গাছ ছাটার পর, প্রতি টবে ৩ মুঠা গুঁড়া গোবর সার ও ১ মুঠা স্টিমড হাড়ের গুঁড়া বা স্টেরামিল প্রয়োগ করিতে হইবে। পরবর্তীতে পুরো শীতকালে ১ মাস পর পর ১ মুঠা করে স্টিমড্ বোন মিল বা স্টেরামিল প্রয়োগ করতে হবে।

গোলাপ গাছে বেশি ফুল উৎপাদনের জন্য পাতার সার ও ফলিয়ার স্প্রের জনপ্রিয়। কয়েকটি রাসায়নিক সার মিশিয়ে এই সার প্রস্তুত করতে হয়। শীতকালে সকাল ৮টার মধ্যে ফলিয়ার স্প্রে করতে হয়। দুই প্রকারের পাতা সার গাছে ব্যবহার করা হয়, ১টি গাছের স্বাস্থ্য ও ফুল ভাল করার জন্য অপরটি ট্রেস এলিমেন্টের জোগান দেয়ার জন্য, যেমন- ইউরিয়া, ডাই-অ্যামোনিয়াম সালফেট ও ডাই-পটাশিয়াম ফসফেট প্রতিটি ১০ গ্রাম করে ১০ লিটার পানিতে গুলে স্প্রে দ্রবণ তৈরি করতে হবে। ট্রেস এলিমেন্টের জন্য ম্যাগনেশিয়াম সালফেট ২০ গ্রাম, ম্যাঙ্গানিজ সালফেট ১৫ গ্রাম, ফেরাস সালফেট ১০ গ্রাম, বোরাক্স ৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে প্রতি লিটার পানিতে উল্লেখিত মিশ্রণটির ২ গ্রাম করে গুলিয়ে স্প্রে করতে হবে। দুইটি পাতা সারের সাথেই কীটনাশক বা বালাইনাশক মিশিয়ে স্প্রে করা যায় কিন্তু দুটি সার এক সাথে মিশিয়ে স্প্রে করা যাবে না।

পাতার সার টবের গোলাপের জন্য অপরিহার্য এবং জমির গোলাপের জন্য উপকারী। পাতার দু’দিকেই ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে। রাসায়নিক তরল সারের পরিবর্তে গোবর ও সরিষার খৈল ৪/৫ দিন পানিতে পচিয়ে তরল করে সপ্তাহে ২ দিন করে ব্যবহার করা যাবে। গাছের নতুন ডাল-পালা বাড়াতে ও ফুলের আকার বড় করতে এ ধরনের তরল সার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তরল সারের অভাবে ছোট মাছপঁচা পানি গাছের গোড়ায় দেওয়া যাবে। দুর্বল গাছে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম করে ইউরিয়া মিশিয়ে সকাল বিকাল পাতায় স্প্রে করলে গাছ তাজা থাকে।

🚿🚿চুন-পানি প্রয়োগঃ প্রতি লিটার পানিতে ১ চামচ গুড়ো চুন পরিস্কার পানিতে ভালোভাবে গুলে পাতলা ন্যাকড়ায় ছেঁকে প্রতি ৩ মাস পর পর দিতে হয়। চুন-পানি দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে অন্য কোন সার না দিয়ে শুধু পানি দিতে হবে।

⚔️⚔️গাছ ছাঁটাইঃ মৃত ও রোগআক্রান্ত ডাল অপসারনের জন্য, গাছের উপযুক্ত আকৃতি প্রদানের জন্য, প্রতিটি ডালে ফুল আসার জন্য এবং প্রয়োজনীয় রোদ্র পাওয়ার জন্য নিয়মিত গাছ ছাটাই করতে হয়। গোলাপ হলো প্রচুর শাখা বিস্তারকারী গুল্ম জাতীয় গাছ। গাছের ফুল দেওয়া শেষ হলেই গাছ ছেঁটে দিতে হবে। নিয়মিত গাছ ছাঁটাই করলে বেশি ও বড় আকারের ফুল পাওয়া যায়। বর্ষার পর অক্টোবর-নভেম্বর মাস ছাঁটাইয়ের জন্য উপযুক্ত সময়। সাধারণত ২০-২৫ সেমি (৮-১০ ইঞ্চি) বড় রেখে ডাল ছেঁটে দিতে হয়। ডাল এমনভাবে কাটতে হবে যাতে থেঁতলে বা ছিঁড়ে না যায়। এ জন্য ধারালো ছুরি ব্যবহার করতে হয়। সাদা, হলুদ, হালকা হলুদ ও দো-রঙা জাতের গোলাপ গাছ খুব হালকা ছাঁট আর লাল জাতের গোলাপ গাছে শক্ত ছাঁট দিতে হবে।

গাছ ছাঁটাইয়ের পর ডাইব্যাক রোগের আক্রমণ হতে পারে। সুতরাং গাছ ছাঁটাইয়ের আগে ও পরে কীটনাশক ও ছত্রাক নাশক দুটোই প্রয়োগ করতে হবে।

🐛🐛রোগ-পোকা দমনঃ শুঁয়ো পোকা বা অনিষ্টকারী অন্য যে কোন পোকা দেখা মাত্র ধরে মেরে ফেলতে হবে। লাল মাকড়সার আক্রমণ ও ডাইব্যাক রোগই বেশ মারাত্মক। গোলাপ গাছের নানা অংশ কালো হয়ে মরে যাওয়া। এ রোগটিকেই ডাইব্যাক বলে। গাছের রোগাক্রান্ত অংশটি কেটে ফেলে ডাইথেন এম-৪৫ ২ গ্রাম/ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

🌱চারা সংগ্রহঃ চারা সংগ্রহের সময় সুস্থ ও ভালো চারা সংগ্রহ করা উচিত। চারা সংগ্রহের সময় এর গোড়ার মাটির গোল্লাটি অবিকল আছে কিনা তা ভালো করে দেখে নিতে হবে। মাটির গোল্লাসহ চারার গোড়ার শিকড় বেরিয়ে থাকা অবস্থার চারা গাছ না নেওয়াই ভালো। অভিজ্ঞ লোকের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্বস্ত ও পরিচিত নার্সারি থেকে চারা সংগ্রহ করা উত্তম।
#নগরকৃষি_তথ্য_বাতায়ন
#তরুমেলা

অফিস বা বাসায় যদি কিছু ইনডোর প্লান্ট থাকে তাহলে পরিবেশটাই হয়ে ওঠে চমৎকার। বর্তমানে ইট পাথরের যান্ত্রিক শহরে এক চিলতে স্ব...
05/06/2021

অফিস বা বাসায় যদি কিছু ইনডোর প্লান্ট থাকে তাহলে পরিবেশটাই হয়ে ওঠে চমৎকার।

বর্তমানে ইট পাথরের যান্ত্রিক শহরে এক চিলতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ও মানসিক প্রশান্তির জন্য গাছের গুরুত্বের প্রয়োজনীয়তার কোন জুড়ি নেই। আর গাছ যদি আপনার সাথে বাইরেই নয় ঘরেও থাকে তখন মন থাকবে চনমনে।

তাই আপনাদের জন্য আমরা নিয়ে এসেছি প্রশান্তির ক্ষুদ্রতম উপহার "অন্দর-১"

🏷️ প্যাকেজের নামঃ "অন্দর-০১"
💵 মূল্যঃ ১২৯৯ টাকা মাত্র

প্যাকেজে যা যা থাকছেঃ
🌱 লাকি ব্যাম্বু গাছ - ০১ টি
🌱 এরিকা পাম গাছ - ০১ টি
🌱 ডায়মন্ড কচু গাছ - ০১ টি
🌱 চিরুনি মিরিন্ডা গাছ - ০১ টি
🌱 ক্যালথিয়া গাছ - ০১ টি
🌱 পিস লিলি গাছ - ০১ টি

🎍 ৬ টি প্লাস্টিকের টব (গাছের সাইজ অনুযায়ী)

প্যাকেজের সাথে ফ্রি পাচ্ছেনঃ
✔️ রেডিমিক্স সয়েল ও সেটআপ

💰 ডেলিভারি চার্জঃ ১৫০ টাকা (ঢাকার ভিতরে)

🌟 প্যাকেজটি বুকিং দিতে প্যাকেজের নামসহ যোগাযোগ করুন আমাদের পেইজের ইনবক্সে ।

এছাড়াও আপনার প্যাকেজটি বুকিং দিতে কল / হোয়াটসঅ্যাপ করুন এই নাম্বারেঃ
📞 +880 1580567948

#তরুমেলা #প্যাকেজ

বিশ্ব পরিবেশ দিবস (সংক্ষেপে WED) প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক কর্মোদ্যোগ আর জনসচেতনতার মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতার ল...
05/06/2021

বিশ্ব পরিবেশ দিবস (সংক্ষেপে WED) প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক কর্মোদ্যোগ আর জনসচেতনতার মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতার লক্ষ্যে পালিত দিবস। এই দিনটিতেই জাতিসংঘের মানবিক পরিবেশ কনফারেন্স (United Nations Conference on the Human Environment) শুরু হয়েছিল। এই কনফারেন্স হয়েছিল ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দের ৫ থেকে ১৬ জুন অবধি। এই কনফারেন্স ঐ বছরই চালু করেছিল জাতিসংঘের সাধারণ সভা। তখন থেকেই প্রতি বৎসর এই দিবস পালিত হয়ে আসছে।দিবসটি প্রথম পালিত হয় ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে। প্রতি বছরই দিবসটি আলাদা আলাদা শহরে, আলাদা আলাদা প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পালিত হয়। এ বছর পরিবেশ দিবসের থিম ‘বাস্ততন্ত্রের পুনরুদ্ধার করা’। এবার এই গুরুত্বপূর্ণ দিবস পালনের জন্য এবার আয়োজক দেশ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে পাকিস্তানকে। উত্তর গোলার্ধে দিবসটি বসন্তে, আর দক্ষিণ গোলার্ধে দিবসটি শরতে পালিত হয়।

#তরুমেলা

--------নগরকৃষি তথ্য বাতায়ন--------               -----পর্ব ০২------ফুলে ফুলে ভরে যাক বারান্দা💐🌷🥀। গাছের ফোটা ফুলেই হয়ে ...
04/06/2021

--------নগরকৃষি তথ্য বাতায়ন--------
-----পর্ব ০২------

ফুলে ফুলে ভরে যাক বারান্দা💐🌷🥀। গাছের ফোটা ফুলেই হয়ে যাবে বারান্দার সাজ। প্রায় সব ধরনের ছোট ও মাঝারি ফুলগাছ বারান্দার টবে লাগাতে পারবেন। বারান্দা ছোট হলে সিলিং থেকে ঝুলিয়ে দিতে পারেন দূর্বা কিংবা ঘাসফুলের ছোট্ট টব। রেলিংয়ের সঙ্গে গাছ রাখার জন্য রাখতে পারেন র্যাক। সেখানে ফুলের গাছ সারি বেঁধে রাখতে পারবেন কিংবা বারান্দার এক কোণে বানাতে পারেন ছোট্ট র্যাক। সেখানে বিভিন্ন লেয়ারে গাছ রাখতে পারেন। আবার এক কোণে ছোট, মাঝারি, বড়—তিন লেয়ারে গাছ দিয়েও সাজাতে পারেন। যেমন—প্রথমে নিচে থাকতে পারে ছোট বেলি, নয়নতারা, সন্ধ্যামালতী। মাঝারি লেয়ারে রাখতে পারেন গোলাপ, কামিনী কিংবা টগর। মাটি থেকে দ্বিতীয় লেয়ারের উচ্চতা হবে দুই থেকে আড়াই ফুট। আর সবার ওপরের লেয়ারে রাখতে পারেন ঝুমকো জবা, মাধবীলতা কিংবা বাগানবিলাসের ছোট ঝাড়।

🌱🌿🍀 দেয়ালের রঙের সঙ্গে সামঞ্জস্য

🌷বারান্দার দেয়ালে রঙের সঙ্গে সামঞ্জস্য করে রাখতে হবে ফুলগাছ। ছোট বারান্দার সাদা বা অফহোয়াইট দেয়ালের সঙ্গে যেকোনো গাঢ় রঙের ফুলের গাছ মানাবে। যেমন—নয়নতারা, লাল গোলাপ, সন্ধ্যামালতী। কমলা, লাল, হালকা নীল রঙের বারান্দায় দেয়ালের সামনে হালকা রঙের ফুলের গাছ লাগাতে পারেন। যেমন—হাইব্রিড টগর, বেলি, কাঠগোলাপ।

✍️✍️✍️যত্ন

🍀 গাছগুলো পর্যাপ্ত রোদ পাচ্ছে কি না খেয়াল রাখুন।

🍀 গাছ রোদ কম পেলে অল্প পানি দিন। আর রোদ বেশি হলে বেশি পানি দিন।

🍀 প্রতি সপ্তাহে টবের মাটি খুঁচিয়ে আলগা করে দিন। এতে গাছের শিকড় সহজে বাড়বে।

🍀 গাছের পাতায় বেশি ধুলো জমলে পানি দিয়ে হালকা স্প্রে করুন।

🍀 সূর্যের আলো একেবারেই পায় না এমন হলে সপ্তাহে অন্তত এক দিন গাছগুলোকে রোদ্রস্নান করান।

🍀 পঁচা পাতা, হলুদ বা খয়েরি কাণ্ড গাছের কাছে না জমিয়ে রেখে ফেলে দিন।

🍀 মাসে একবার গাছে সার দিন।
#নগরকৃষি_তথ্য_বাতায়ন
#তরুমেলা

বারমাসি ফুলের সুবাস, রকমারি ফুলের সৌন্দর্য, কে না অবলোকন করতে চায়!!!!!বর্তমানে ইট পাথরের যান্ত্রিক শহরে এক চিলতে স্বস্তি...
03/06/2021

বারমাসি ফুলের সুবাস, রকমারি ফুলের সৌন্দর্য, কে না অবলোকন করতে চায়!!!!!

বর্তমানে ইট পাথরের যান্ত্রিক শহরে এক চিলতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ও মানসিক প্রশান্তির জন্য গাছের গুরুত্বের প্রয়োজনীয়তার কোন জুড়ি নেই। আর সেটা যদি বারমাসি ফুলের গাছ হয় তাহলেতো কোন কথাই নেই.....

তাই আপনাদের জন্য আমরা নিয়ে এসেছি প্রশান্তির ক্ষুদ্রতম উপহার "বাগিচা-১"

🏷️ প্যাকেজের নামঃ "বাগিচা-০১"
💵 মূল্যঃ ১২৯৯ টাকা মাত্র

প্যাকেজে যা যা থাকছেঃ
🌱 গন্ধরাজ গাছ - ০১ টি
🌱 জবা গাছ - ০১ টি
🌱 বেলি গাছ - ০১ টি
🌱 রঙ্গন গাছ - ০১ টি
🌱 সন্ধ্যামালতি গাছ - ০১ টি
🌱 গোলাপ গাছ - ০১ টি
🌱 অপরাজিতা গাছ - ০১ টি
🎍 ৭টি প্লাস্টিকের টব (গাছের সাইজ অনুযায়ী)

প্যাকেজের সাথে ফ্রি পাচ্ছেনঃ
✔️ রেডিমিক্স সয়েল ও সেটআপ

💰 ডেলিভারি চার্জঃ ১৫০ টাকা (ঢাকার ভিতরে)

🌟 প্যাকেজটি বুকিং দিতে প্যাকেজের নামসহ যোগাযোগ করুন আমাদের পেইজের ইনবক্সে ।

এছাড়াও আপনার প্যাকেজটি বুকিং দিতে কল / হোয়াটসঅ্যাপ করুন এই নাম্বারেঃ 📞 +880 1580567948

#তরুমেলা #প্যাকেজ

---------নগরকৃষি তথ্য বাতায়ন--------             --------পর্ব-০১--------🏵️🌹🥀🌺 বাড়ির সামনে বাগান করার জায়গা নেই তো কি হয়ে...
03/06/2021

---------নগরকৃষি তথ্য বাতায়ন--------
--------পর্ব-০১--------

🏵️🌹🥀🌺 বাড়ির সামনে বাগান করার জায়গা নেই তো কি হয়েছে? এক চিলতে বারান্দাতেই সাজিয়ে নিতে পারেন স্বপ্নের বাগান। আর ছাদে জায়গা থাকলে তো কথাই নেই! তবে টবে ফুল ও ফল গাছ লাগানোর আগে কিছু নিয়ম কানুন জেনে রাখা জরুরি। সঠিক পরিচর্যা করতে পারলে ছোট্ট টবের গাছটিও বেড়ে উঠবে আপন সজীবতায়।💮🌸💐

🌷🌼 প্রথমেই টবের জন্য উপযুক্ত গাছ নির্বাচন করুন। দীর্ঘজীবী অথবা বৃক্ষজাতীয় গাছ টবে বেশিদিন বাঁচে না। নানা ধরণের মৌসুমি ফুল টবের জন্য সবচেয়ে ভালো। সব মৌসুমের ফুল কিছু কিছু করে লাগাতে পারেন। এতে সারা বছরই বিভিন্ন ফুলের দেখা মিলবে আপনার টবে। গোলাপ, গাঁদা, বেলি, অপরাজিতা, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, নয়নতারা, গন্ধরাজ গাছ লাগাতে পারেন বারান্দায় রাখা টবে। ছাদে জায়গা থাকলে বড় বা মাঝারি টবে হাসনাহেনা, জুঁই, বাগানবিলাস, টগর, জবা কিংবা শিউলি ফুল গাছ রাখা যেতে পারে। ফুলের পাশাপাশি ফল গাছও লাগাতে পারেন টবে। তবে এজন্য পর্যাপ্ত রোদ, আলো বাতাস ও প্রশস্ত জায়গা থাকা প্রয়োজন। সবচেয়ে ভালো হয় বাড়ির সামনের খোলা জায়গা অথবা ছাদে রাখা টবে ফলের গাছ লাগালে। পেয়ারা, আমলকী, জাম্বুরা, ট্রবেরি, ডালিম, লেবু, মরিচ গাছ ছাদে বা ড্রামে লাগানো যেতে পারে।

🌺🌺 টবে চারা রোপণের আগে দোঁআশ মাটির সঙ্গে তিন ভাগের এক ভাগ পরিমাণ জৈব সার মিশিয়ে মাটি তৈরি করে নিতে হবে। সঙ্গে একমুঠো হাঁড়ের গুঁড়া, দুই চামচ চুন, দুই মুঠো ছাই মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে টবের মাটির উর্বরতা অটুট থাকবে দীর্ঘদিন। চারাটি যেন সতেজ ও প্রাণবন্ত হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। গাছ লাগানোর পর আস্তে আস্তে চাপ দিয়ে গোড়ার মাটি শক্ত করে পানি দিন সামান্য। গাছ লাগানোর পরপরই কড়া রোদে রাখবেন না। কয়েক দিন ছায়ায় রেখে সহনশীল করে তারপর রোদে দিন। সকাল ও বিকালের হালকা রোদে দিতে পারেন প্রথম কিছুদিন। দ্রুত বেড়ে ওঠা শুরু করলে গাছকে সোজা রাখার জন্য বাঁশের কঞ্চি বা স্টিক ব্যবহার করতে পারেন। তবে টবের গাছ খুব বড় হতে দেবেন না। বাড়তি অংশ ছেঁটে দিন কিছুদিন পর পর। মাসে একবার নিড়ানির সাহায্যে গোঁড়ার মাটি খুঁচিয়ে জৈব সার দিন। গাছের ফুল শুকিয়ে গেলে একটু নিচ থেকে ডালসহ কেটে দিন। নতুন পাতা গজানোর সময় এক চিমটি ইউরিয়া সার এক লিটার পানিতে গুলে গাছের গোঁড়ায় দিন। ট্যাবলেট সারও দিতে পারেন। ফুলের আকৃতি বড় হবে। গাছে কীটনাশক দিন নিয়মিত। খুব প্রয়োজন না হলে এক টব থেকে অন্য টবে গাছ স্থানান্তর করতে যাবেন না।

🏵️ ছাদ ও বারান্দার পাশাপাশি ঘরে কিংবা সিঁড়িতেও রাখতে পারেন টবসহ বিভিন্ন গাছ। মানিপ্লান্ট, ড্রেসিনা, পাম, পাতাবাহার ইত্যাদি গাছ রাখতে পারেন ভেতরে। সেক্ষেত্রে সপ্তাহে একদিন টবটি বারান্দায় রাখার চেষ্টা করুন। টবের গোঁড়ায় একবারে বেশি পানি দেবেন না। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে গাছ রাখা উচিত নয়।

*****জেনে নিন*****

☘️☘️ ছোট টবে বড় গাছ লাগানো যেমন অনুচিত তেমনি বড় টবে ছোট গাছও বেমানান দেখায়।

☘️☘️ টবের নিচে ছিদ্র থাকতে হবে অবশ্যই। যাতে অপ্রয়োজনীয় পানি চুইয়ে পড়তে পারে। ছিদ্রটি ছোবড়া বা ইটের টুকরো দিয়ে ঢেকে তারপর টবে মাটি রাখুন।

☘️☘️ খুব ভারি টবের নিচে প্লেট রাখা জরুরি। প্রয়োজনে কয়েকটি ইটের উপর বসাতে পারেন টব।

🍀🍀 ফুল শুকানো শুরু করলেই ছেঁটে দিন। এতে দীর্ঘদিন ধরে ফুল ফুটাতে সক্ষম হবে আপনার প্রিয় গাছটি।

#নগরকৃষি_তথ্য_বাতায়ন
#তরুমেলা

Address

35/1 Kadamtala School Road, Kadamtala, Bashabo, Shabujbag
Dhaka
1214

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তরুমেলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to তরুমেলা:

Share