Plantologi

Plantologi Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Plantologi, Dhaka.

  plant
19/06/2022

plant

 #পিস_লিলি  #স্প্যাতিফেলাম  বৈজ্ঞানিক নাম : Spathiphyllum sp.মৃদু আলোতে ঘরের ভেতর বেঁচে থাকার ক্ষমতা সম্পন্ন হাউজপ্লান্ট...
25/02/2022

#পিস_লিলি #স্প্যাতিফেলাম
বৈজ্ঞানিক নাম : Spathiphyllum sp.
মৃদু আলোতে ঘরের ভেতর বেঁচে থাকার ক্ষমতা সম্পন্ন হাউজপ্লান্টগুলোর মধ্যে পিস লিলি অন্যতম। যদিও দক্ষিণ আমেরিকার বৃষ্টি অরণ্যে এর রয়েছে বিলাসবহুল আবাস তবুও গৃহসজ্জায় রয়েছে পিস লিলির নিয়মিত ব্যবহার। এই গাছ গৃহের ভেতর জমে থাকা ভ্যাপসা ভাব, দুর্গন্ধ, আসবাপত্র ও বিষাক্ত বায়বীয় পদার্থ শোষণ করার ক্ষমতা রাখে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে এ গাছগুলোর অত্যধিক জরুরি। ঝামেলাহীন পরিচর্যায় অনায়াসে বেড়ে উঠে এরা। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা NASA তাদের একটি গবেষণা পত্রে পিস লিলিকে সেরা ১০টি বাতাস বিশুদ্ধকারী গাছের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। এই গবেষণায় বলা হয়েছে পিস লিলি ঘরের বাতাসে বিদ্যমান বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ যেমন কার্পেট থেকে উৎপন্ন ফর্মালডিহাইড শতকরা ৬০ ভাগ কমায়; প্লাস্টিকের পণ্য থেকে উৎপন্ন ট্রাইক্লোরোইথিলিন শতকরা ২৩ ভাগ কমায়; ঘরের রং থেকে উৎপন্ন বেনজিন শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ কমায় এবং বাতাস থেকে জাইলিনের মত পদার্থ দূর করে থাকে।

★গঠন:
লম্বাটে, চকচকে পাতার গাছ এটি। গাঢ় সবুজ পাতার সঙ্গে শ্বেতশুভ্র ফুলের মেলবন্ধনে গাছটি হয়ে যায় অনেক বেশি দৃষ্টিনন্দন। প্রজাতিভেদে ১৫ ইঞ্চি থেকে ৬ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে এই গাছ। কিছু কিছু পিস লিলি গাছ হয় যাদের পাতায় ডোরা থাকে। এদের ভ্যারিগেটেড পিস লিলি বলে।

★ফুল:
পিস লিলির ফুল দুধসাদা বর্ণের হয়ে থাকে আর ফুল তাজা থাকে প্রায় ২-৩ সপ্তাহ। সাদা ফুলের জন্যই এ গাছের নাম পিস লিলি। গ্রীষ্মকালে ফোটা অসংখ্য পিস লিলি ফুল সুবাস ছড়ায় গৃহের অভ্যন্তরে। পিস লিলির সাদা অংশটি আসলে ফুল নয়। সাদা পাপড়িটি যে হালকা হলুদ বা সবুজাভ লম্বা দন্ডটিকে ঘিরে থাকে, সেটিই হ’ল ফুল বা সঠিকভাবে পুষ্পমঞ্জরী।

★পিস লিলির পরিচর্যা:
*ঘরের মধ্যেই ভাল থাকে পিস লিলি। বারান্দা বা জানালার পাশে অল্প রোদেও রাখা যেতে পারে। তবে বেশি রোদে এরা মানিয়ে নিতে পারে না একেবারেই।
*শুকনো পাতা ছাটাই করা উচিৎ।
*নিয়মিত পানি দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। মাটি একটু শুকিয়ে এলেই পানি দিতে হবে। সপ্তাহে দু’-তিন বার পানি দেওয়াই যথেষ্ট।
*মাঝেমাঝে স্প্রে করে গাছের পাতার জমাটবদ্ধ ধুলা পরিষ্কার করে দেয়া যায়।
*টবে ভাল মাটি দিয়ে রোপন করা উচিৎ।
*বসন্ত ও গরমকালে বেশি ফুল ফোটে, তাই শীতের শেষে জৈব সার দেয়া যেতে পারে। এ ছাড়াও বছরে কয়েক বার তরল সার দিতে হয়।
*গাছ ঝিমিয়ে পড়লে বা পাতা খয়েরি হয়ে যেতে থাকলে, বুঝতে হবে, মাটিতে পানি বেশি হয়ে শিকড়ে পচন ধরেছে।
*পচা পাতা গাছের কাছে জমিয়ে না রেখে দ্রুত ফেলে দিতে হবে। গাছের পাতা ও ফুলের রং হালকা হতে শুরু করলে গাছটিকে ঠাণ্ডা ও তাপ কম পৌঁছায় এমন স্থানে রাখতে হবে। কারণ অতিরিক্ত তাপ লাগলে পাতা ও ফুলের রং হালকা হতে শুরু করে।
*অতিরিক্ত রোদে পাতার রং বিবর্ণ হয়ে যেতে পারে। সপ্তাহে এক দু'বার হালকা রোদ দেয়া ভালো।
*০৭ থেকে ১০ দিন পরপর টবের মাটি ওলটপালট করে দিতে হবে, এতে গাছের মাটির নিচের ক্ষতিকর গ্যাস বের হয়ে যাবে। তবে খুবই সাবধানে কাজটি করতে হবে যাতে গাছের শিকড়ের কোনো ক্ষতি না হয়।

★বংশ বৃদ্ধি করার জন্য পট পরিবর্তন :
পূর্ণ বয়স্ক গাছের গোঁড়ায় মাটি থেকে ১-২ ইঞ্চি নিচেই শক্ত একটি অংশ থাকে। এই অংশ থেকে নিচের দিকে শিকড় ও উপরের দিকে পাতা বের হয়। এই অংশকে রাইজোম বলে। টবের মাটি উপরে থেকে সরিয়ে রাইজোমের অর্ধেক পরিমাণ অংশ পর্যন্ত মাটি সাবধানে সরিয়ে ফেলতে হয়। এরপর ধারালো ছুরি দিয়ে পাতা ও শিকড়সহ রাইজোমটি আকার অনুযায়ী লম্বালম্বি কয়েক টুকরো করে প্রতিটি টুকরো আলাদা করে ছোট টবে লাগানোর মাধ্যমে বংশ বৃদ্ধি করা যায়। রাইজোম কাটার সময় পচা বা শিকড় বিহীন শক্ত রাইজোম বাদ দিতে হয়। নতুন টবে গাছটি যাতে সোজা থাকে সে জন্য গাছের পাশে কাঠি পুতে, সেই কাঠির সাথে সোজা করে গাছটি বেঁধে দিতে হয়।
অনেক সময় পূর্ণ বয়স্ক রাইজোমের পাশে যুক্ত অবস্থায় বর্ধিত একটি অংশ দেখা যায়, যার সাথে পাতা ও শিকড় যুক্ত থাকে। রাইজোমের সাথে সংযুক্ত বর্ধিত এই অংশকে ক্রাউন বলে। এই ক্রাউনকে রাইজোম থেকে আলাদা করে, নতুন টবে লাগিয়েও গাছের বংশ বৃদ্ধি করা যায়।

★পিস লিলির রোগ ও পরিচর্যা:
গাছের পাতায় মাঝে মাঝে সাদা ছোপ ছোপ দেখা যায়, এটা এক ধরনের ফাঙ্গাল ইনফেকশন। সাবান পানি দিয়ে আক্রান্ত স্থানটি মুছে ফেলতে হবে ফলে পাতা পরিষ্কার হয়ে যাবে। গাছের ধূলো পরিষ্কার করতে পালকের ডাস্টার ব্যবহার করা যাবে না। কারণ এ ধরনের ডাস্টার থেকে ছোট ছোট পোকা গাছের পাতায় গিয়ে গাছের ক্ষতি করতে পারে। পানি দিয়ে গাছ পরিষ্কার করা সবচেয়ে ভালো।

গাছে মাঝে মাঝে এফিড, মাইট আক্রমণ করে। গাছের পাতায় পিচ্ছিল ক্ষরণ, পাতায় মাকড়সার জালের মতো গুটি দেখা যায়, বা পাতা কুঁকড়ে গেলে মাইট আক্রান্ত হয়েছে বলে ধরে নিতে হয়। আক্রান্ত অংশ কেটে ফেলা ও উপযুক্ত কীটনাশক দিতে হয়।
গাছের গোড়া বা পাতার গোড়ায় লম্বা শিরার মত কালো দাগ ছত্রাক আক্রমণের লক্ষণ। আক্রান্ত পাতা সাথে সাথে কেটে ফেলতে হয়। আক্রমণ বেশী হলে সম্পূর্ণ গাছ ফেলে দিতে হয়। আর কম হলে সুস্থ রাইজোম কেটে নতুন পটে লাগাতে হয়। ছত্রাকনাশক দিয়েও গাছ রোগমুক্ত করা যায়।

★★★বিষাক্ততা :
পাতায় ক্যালসিয়াম অক্সালেট থাকার কারণে শিশুদের নাগালের বাইরে রাখতে হয়। সেই সাথে পোষা কুকুর বা বিড়াল থেকেও গাছটি দুরে রাখতে হবে।

  plant       syngonium  likes indirect bright light.
29/08/2021

plant


syngonium likes indirect bright light.

20/08/2021


Dragon Tail
12/08/2021

Dragon Tail

Nanouk
11/08/2021

Nanouk

Address

Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Plantologi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Plantologi:

Share