Green City Landscape

Green City Landscape "Stay With Green"

আমের গুটি ঝরে পড়ার কারণ এবং গুটি ঝরা রোধে করণীয়।যেসব কারণে আমের গুটি ঝরে যায়:১. আম বাগানে রসের ঘাটতি হলে আমের গুটি ঝর...
27/02/2025

আমের গুটি ঝরে পড়ার কারণ এবং গুটি ঝরা রোধে করণীয়।

যেসব কারণে আমের গুটি ঝরে যায়:
১. আম বাগানে রসের ঘাটতি হলে আমের গুটি ঝরে যেতে পারে।
২. দিনে গরম রাতে ঠান্ডা অর্থাৎ তাপমাত্রার তারতম্য হলে আমের গুটি ঝরে যেতে পারে।
৩. আম বাগানে বোরন সারের ঘাটতি হলে আমের গুটি ঝরে পড়ে যেতে পারে।
৪. হপারপোকা ও অন্যান্য শোষক পোকার আক্রমণে আমের গুটি ঝরে যেতে পারে।
৫. ছত্রাক জনিত কারণে আমের গুটি ঝরতে পারে‌।
৬. আম গাছে হরমনের ঘাটতি হলে আমের গুটি ঝরে পড়ে যেতে পারে।

আমের গুটি ঝরা রোধে আপনার করণীয় কি:
১. আম বাগানের মাটির চাহিদা অনুযায়ী সেচ প্রয়োগ করতে হবে, যদি বৃষ্টি না হয় তাহলে ১৫ দিন পর পর সেচ প্রয়োগ করতে হবে।
২. হপারপোকা বা শোষক পোকার আক্রমণের কারণে আমের গুটি ঝরে গেলে ইমিডাক্লোরোপিড জাতীয় কীটনাশক এক লিটার পানিতে এক মিলি হাড়ে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
৩. আমের গুটি ঝরা রোধে সলুবর বোরন ১ লিটার পানিতে এক গ্রাম হাড়ে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
৪. ছত্রাক জনিত কারণে আমের গুটি ঝরে গেলে কার্বনডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক এক লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
৫. হরমোনের অভাবজনিত কারণে আমের গুটি ঝরে গেলে হরমোন জাতীয় পণ্য স্প্রে করতে হবে।

উপরে যে সমস্যা ও সমাধান গুলো বলা হলো, এর মধ্য থেকে আপনার বাগানে যে সমস্যা সেটাকে চিহ্নিত করে সেই অনুযায়ী আপনাকে ট্রিটমেন্ট নিতে হবে।
কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান পেতে আমাদের এই পেইজ এর সঙ্গে থাকুন।

ছাদ বাগান বা ইনডোর বাগানে টপে ইপসম সল্ট (ম্যাগনেসিয়াম সালফেট) কেন ব্যবহার করা জরুরী 🔰এপসম সল্ট হচ্ছে একটি রাসায়নিক যৌগ য...
15/02/2025

ছাদ বাগান বা ইনডোর বাগানে টপে ইপসম সল্ট (ম্যাগনেসিয়াম সালফেট) কেন ব্যবহার করা জরুরী

🔰এপসম সল্ট হচ্ছে একটি রাসায়নিক যৌগ যেখানে ম্যাগনেসিয়াম, সালফার ও অক্সিজেন রয়েছে। ইপসম সল্ট বা ম্যাগনেশিয়াম সালফেট গাছের জন্য বেশ উপকারী একটি জিনিস। এর ব্যবহার জানা থাকলে গাছের অনেক সমস্যার সহজেই সমাধান করা যায়।

ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে গাছে কিছু লক্ষণ দেখা যায়। যার মাধ্যমে বুঝতে হবে গাছে ম্যাগনেসিয়ামের অভাব হয়েছে। আসুন জেনে নিই লক্ষণ গুলো:
* পুরোনো গাছ ঝিমিয়ে পড়লে
* টবে বসানো নতুন চারা ঝিমিয়ে পড়লে
* গাছের পাতার রং ফ্যাকাশে বা হলুদ হয়ে গেলে
* গাছের পাতা কুঁকড়ে গেলে
* গাছের বৃদ্ধি কমে গেলে
* গাছ দুর্বল হয়ে গেলে
* গাছের ফুল, ফল কম হলে বা ছোট হলে
এইসব লক্ষণ দেখা দিলে বুঝতে হবে গাছে ম্যাগনেসিয়াম সালফেটের অভাব হয়েছে।

🔰✅✅ব্যবহারঃ
৩ ভাবে এপসম সল্ট গাছে ব্যবহার করা যায়।

১. স্প্রে এর মাধ্যমে পাতায় ব্যবহার
২. পানিতে মিশিয়ে টবের মাটিতে ব্যবহার
৩. রিপটিং এর সময় সরাসরি মাটিতে ব্যবহার।

১. স্প্রে এর মাধ্যমে পাতায় ব্যবহারের নিয়মঃ
এক লিটার পানিতে ১ টেবিল চামচ এপসম সল্ট নিয়ে ভালো ভাবে মিশিয়ে পাতায় ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে।
* মাসে ১ বার। গাছের যতই সমস্যা থাকুক না কেন ১ বারের বেশি স্প্রে করা যাবে না।
* ভোর বেলা অথবা সন্ধ্যার সময় এই স্প্রে করতে হবে।
কখনোই রোদ্রের মাঝে স্প্রে করা যাবে না।

এপসম সল্ট স্প্রে করার ৩ দিন আগে ও ৩ দিন পরে অন্য কোনো সার বা কীটনাশক বা অন্য কোনো কিছু গাছে স্প্রে করা যাবে না।

২. টবের মাটিতে ব্যবহারের নিয়মঃ
এক লিটার পানিতে ২ টেবিল চামুচ এপসম সল্ট নিয়ে ভালো ভাবে মিশিয়ে টবের মাটিতে দিতে হবে।

* অথবা সরাসরি টবের মাটিতেও দেয়া যাবে। সেক্ষেত্রে টবের ওপরের মাটি আগে নিড়ানি (টবের ওপরের মাটি খুঁচিয়ে নেয়া) দিয়ে নিতে হবে। তারপর ১০ ইঞ্চি / ১২ ইঞ্চি টবের জন্য ১ চামচ এবং এর ছোট টবে হাফ চা চামুচ এপসম সল্ট দিতে হবে। এরপর মাটির সাথে মিশিয়ে ভালোভাবে পানি দিয়ে দিতে হবে।
* মাসে ১ বার ব্যবহার করতে হবে।

৩. রিপটিং এর সময় সরাসরি মাটিতে ব্যবহারের নিয়মঃ
রিপটিং শক অর্থাৎ টবে নতুন কোনো চারা বসালে বা পুরোনো কোনো গাছ বড় টবে রিপটিং করার সময় অনেক সময় গাছ ঝিমিয়ে পরে। এটা রিপটিং শকের কারণে হয়ে থাকে।

👉 ব্যবহারের নিয়ম : প্রতি টবের মাটির সাথে ১/২ চামচ এপসম সল্ট ব্যবহার করতে হবে।

🌲🌲সব ধরনের গাছে যেমন ইন্ডোর প্ল্যান্ট,আউটডোর প্ল্যান্ট, ফুল গাছ , ফল গাছ , সবজি গাছে দেয়া যাবে।

⚠️সতর্কতাঃ
যে সবজি গুলো সরাসরি বা রান্না করে খাওয়া হয় যেমন বিভিন্ন ধরণের শাক, শশা, ধনিয়া পাতা ইত্যাদি তে এপসম সল্ট স্প্রে না করে মাটিতে দেয়া ভালো।

✅উপকারিতাঃ
* গাছের সালোক সংশ্লেষণে ইপসম সল্ট বেশ ভালো কাজ করে।

* এটির প্রয়োগে ফলের মিষ্টতা বাড়ে। সেইসঙ্গে ফল, ফুল ঝরে পড়াও কমায়।

* অনেক সময় টবের মাটি থেকে গাছ নাইট্রোজেন ও ফসফরাস নিতে পারে না। ইপসম সল্ট এ ক্ষেত্রে ভালো মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

* টবে আগাছা হতে দেয় না।

* কিছু পোকার আক্রমণের হাত থেকে গাছকে রক্ষা করে, এটি গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

*গাছের পাতার রং সুন্দর এবং উজ্জ্বল (চকচকে) হয়।

*গাছকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

* ফুলের রং গাড়ো এবং উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।

* ফুল ও ফলের আকার বড় হতে সাহায্য করে।

* শিম জাতীয় গাছের পচন রোধ করে ইপসম সল্ট।

👉কৃষি বিষয়ক প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে আমাদের সাথে থাকুন অথবা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন।

♻গাছের ফুল ঝরে পড়ার সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আজ আলোচনা করবো,তার আগে গাছে প্রচুর ফুল আনতে আপনি কি গাছের কি পরিচর্যা করবেন।🪴...
10/02/2025

♻গাছের ফুল ঝরে পড়ার সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আজ আলোচনা করবো,
তার আগে গাছে প্রচুর ফুল আনতে আপনি কি গাছের কি পরিচর্যা করবেন।

🪴গাছের গোড়ার মাটিকে অতিরিক্ত শুকিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না।
🪴ফুল আসার সময় হলে, নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ সার প্রয়োগ করা যাবে না।
🪴এইসময় পটশ জাতীয় সার প্রয়োগ করতে হবে।
🪴 গাছে ফ্লোরা ব্যাবহার করবেন।
🪴এছাড়া সম্ভব হলে, অনুখাদ্য ব্যাবহার করবেন।

👉এবার বলবো আজকের পোস্টের মূল বিষয়বস্তু নিয়ে, অর্থাৎ গাছের ফুল ঝরে পড়ার কারন নিয়ে।

🪴পরাগায়নের সময় কোনকিছু স্প্রে করা যাবে না।
🪴দিনের তাপমাত্রা 30° সেলসিয়াসের বেশি হলেও ফুল ঝরে যেতে পারে।
🪴আবার রাতে 16° সেলসিয়াসের নিচে হলেও সমস্যা।
🪴বোরন সারের ঘাটতি হলেও ফুল ঝরে যাবে।
🪴ছত্রাকের আক্রমন হলে ফুল ঝরে যাবে।
🪴এছাড়া অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, পোকার আক্রমন, পুষ্টির অভাব, গোড়ায় জল জমে থাকা, সঠিক পরাগায়ন না হলে, গাছের ফুল ঝরে পড়ে যায়।

👉এই সমস্যাগুলির মধ্যে, কোন সমস্যাটা আপনার গাছে রয়েছে দেখুন। তারপর নিচের সমাধানগুলি দেখতে পারেন।

🪴অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের পরও যেন গাছের গোড়ায় জল না জমে, সেদিকে নজর দিতে হবে।
🪴গাছের পুষ্টির অভাব দূর করতে, প্রয়োজনীয় সার প্রয়োগ করতে হবে।
🪴পোকার আক্রমন হলে, আগাম ব্যাবস্থা ও পরবর্তী ব্যবস্থাপনা নিতে হবে।
🪴পরাগায়নের সময় কোনো কীটনাশক প্রয়োগ করা যাবে না।
🪴এই সময় জিব্বেরেলিক অ্যাসিড ব্যাবহার করতে পারেন।
🪴অল্প প্রয়োজনীয়তা হলেও বোরন সার ব্যাবহার করতে হবে।

*ছাদ বাগান টিপস ও কৃষি পরামর্শ পেতে পেইজটি লাইক ফলো দিয়ে যুক্ত হন আমাদের সাথে।

🟢🟡টবের কেঁচো, শামুক ও পিঁপড়ে দূর করার উপায়ইট পাথরের জঙ্গলে একটুখানি সবুজের স্পর্শ পেতে অনেকেই বারান্দা বা ছাদে টবে গাছ ল...
03/02/2025

🟢🟡টবের কেঁচো, শামুক ও পিঁপড়ে দূর করার উপায়
ইট পাথরের জঙ্গলে একটুখানি সবুজের স্পর্শ পেতে অনেকেই বারান্দা বা ছাদে টবে গাছ লাগান। গাছের যত্নে শুধু পানি ও সার দিলেই হবে না। খেয়াল রাখতে হবে অন্যান্য দিকেও।

♻️গাছে যদি কেঁচো, শামুক, পিঁপড়ে, নেমাটোড ও পোকর আক্রমণ হয় তাহলে গাছ ধীরে ধীরে মরে যায়।

✅আসুন জেনে নিই কীভাবে ঘরোয়া ও রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করে গাছের দূর করার কেঁচো, শামুক ও পিঁপড়ে দূর করার উপায়-

# টবের মাটি তৈরি করার সময় ১ কেজি পরিমান নিম খৈল মাটির সাথে মাশিয়ে দিলে কেচো, শামুক ও পিঁপড়ে হবে না। পরবর্তীতে ১ বা ২ চামচ নিম খৈল ১৫ দিন পর পর টবের চারিপাশে ছড়িয়ে দিলে কেঁচো, শামুক ও পিঁপড়ে দূর হবে।

# ৩/৪ টি ডিমের খোসা (টবের আকার অনুযায়ি ডিমের খোসা কম বা বেশি হতে পারে) হাত দিয়ে যতটা সম্ভব ভেঙ্গে (একেবারে গুরো না করে) টবের চারিপাশে ছড়িয়ে দিলে ও মাটির সাথে মিশিয়ে দিলে কেঁচো, শামুক দূর হবে।

# ৫ গ্রাম কার্বোফুরান গ্রুপের কীটনাশক টবের চারিপাশে ছড়িয়ে দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিন কেঁচো, শামুক, পিঁপড়ে ও নেমাটোড দূর হবে।

# কয়েক টুকরা শসা লম্বা লম্বি করে কেটে সারা রাত রেখে দিলে সকালে দেখবেন শামুক জড়ো হয়ে আছে। শামুক সহ শসা ফেলে দিলে শামুক চলে যাবে।

# শুকনো মরিচ গুরা টবের চারিপাশে ছিটিয়ে দিলে কেচো, শামুক ও পিঁপড়ে দূর হবে।

# বিকেলের দিকে গাছে ১ চা চামচ ডিটারজেন্ট ১ লিটার পানির সাথে মিশিয়ে মাসে ৩/৪ বার স্প্রে করলে ভালো গাছের পোকা ও পিঁপড়া দূর হবে।

♦️*ছাদ বাগান টিপস ও কৃষি পরামর্শ পেতে পেইজটি লাইক ফলো দিয়ে যুক্ত হন আমাদের সাথে।

♦️ছাদ বাগানীদের  জন্য ১২ টি টিপস বা কৃষি পরামর্শ ♦️১. মাটির সাথে অবশ্যই কিছু কোকোপিট মেশাবেন। গাছের গোড়া স্যাতস্যাতে হতে...
03/02/2025

♦️ছাদ বাগানীদের জন্য ১২ টি টিপস বা কৃষি পরামর্শ ♦️

১. মাটির সাথে অবশ্যই কিছু কোকোপিট মেশাবেন। গাছের গোড়া স্যাতস্যাতে হতে দিবেন না। স্যাতস্যাতে হলে অসংখ্য রোগ হবে। মাটি ভেজা থাকবে তবে স্যাতস্যাতে না। কেকোপিট মেশালে পানি কম দিলেও হবে। কোকোপিট (নারকেলের ছোবলার গুড়া) পানি ধরে রাখে। অতি বৃষ্টি হলে গোড়ায় পানি জমতে দেয় না। হালকা হওয়ায় ছাদে ওজনের চাপ পড়ে না। এছাড়া কোকোপিটে কিছু পুষ্টি উপাদান আছে। যা গাছের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। কোকোপিটে চারা দ্রুত গজায়, বড় হয়। মাটির চেয়ে কোকোপিটে চারা ভালো হয়।

২. গাছের জন্য বিরিয়ানি হলো সরিষার খৈল-পচা পানি। মাটির হাড়িতে খৈল পচাতে হবে। কমপক্ষে ৫ দিন। ৭ দিন কিংবা বা ১৫ দিন হলে উত্তম। অল্প পানিতে পচিয়ে তার সাথে আরো পানি মিশিয়ে দিতে হবে। এটি গাছের জন্য অত্যন্ত উপকারী। একটু গন্ধ হয়, তাই অল্প একটু গুড় দিতে পারেন। ছাদে হাড়িতে পচালে বাসায় গন্ধ আসবে না। বৃষ্টির সময় খৈল-পচা পানি দেবেন না। পুকুরের নিচে থাকা পাক কাদা গাছের জন্য খুব উপকারী।

৩. আমরা জানি, মাটিতে অসংখ্য ক্ষতিকর ছত্রাক থাকে। যা গাছকে মেরে ফেলার জন্য যথেস্ট। তাই মাটি রেডি করার সময় কিছুটা বায়োডামা সলিট দিবেন। এটি উপকারী ছত্রাক। মাটিতে ক্ষতিকারক উপাদানগুলো মেরে ফেলে। আবার জৈব সারের কাজও করে। গাছের জন্য মাটি হবে ঝুরঝুরে, হালকা।

৪. যাই লাগান না কেন, ভালো জাতের বীজ কিনা নিশ্চিত হয়ে নেবেন। ভালো বীজে ভালো ফসল হবে। নতুবা যতই যত্ন নেন না কেন, সব পরিশ্রম বেলাশেষে জলে যাবে। বীজ থেকে নিজে চারা করা উত্তম। কারণ বাজার থেকে যে চারা কিনবেন সেটার জাত ভালো হবে সে নিশ্চয়তা কোথায়? ছত্রাকনাশক দিয়ে বীজ শোধন করে নেয়া উত্তম। পদ্ধতি হলো- ছত্রাকনাশক দেয়া পানিতে কিছুটা সময় বীজ ভিজিয়ে রাখতে হবে। ম্যানসার, মেটারিল দুটি ছত্রাকনাশক।

৫. গাছ বেশি তো ফলন বেশি- এটি ভুল ধারণা। অল্প জায়গায় বেশি গাছ লাগানো যাবে না। গাছ পাতলা করে লাগাতে হবে। বেশি লাগালে গাছ প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবে না। একটি ফলের ক্রেটে মাত্র দুটি গাছ। একটি টবে একটি গাছ। ক্রেট বা টবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

৬. ছাদে মাচা দেয়া সমস্যা। কারণ ঘুঁটি থাকে না। এ জন্য ফলের ক্রেটের চারপাশে লাঠি বেঁধে সহজে মাচা দেয়া যায়। লতাপাতা জাতীয় গাছ লাগানোর পাত্র একটু গভীর হলে উত্তম। গাছের জন্য সবচেয়ে বেশি ভালো জৈব সার হলো পাতা-পচা সার, তারপর ভার্মি কম্পোস্ট, তারপর গোবর সার। পাতা-পচা সার সহজলভ্য নয়। দাম বেশি। কিন্তু ভার্মি কম্পোস্ট সহজলভ্য। মাটির সঙ্গে মিনিমাম ৪০% জৈব সার দেয়া উত্তম।

৭. নিম কীটনাশককে ক্ষতিকারক পোকা-মাকড় খুব অপছন্দ করে। এটি দিলে তারা বিরক্ত বোধ করে। গাছে বাসা বাঁধতে পারে না। প্রতি সাত দিনে একবার সব গাছের পাতায় নিম কীটনাশক স্প্রে করতে হবে। মাসে একবার ইপসম সল্ট স্প্রে করে দেয়া উত্তম। একইভাবে মাসে একবার পানির সঙ্গে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড মিশিয়ে স্প্রে করা ভালো।

৮. ডাটা, পুইশাক, লালশাক, ধনেপাতা এসব লাগাতে পারেন। মাত্র ২৫ দিনে খেতে পারবেন। লালশাক লাগালে নেট দিয়ে ঘিরে দেবেন। শাকপাতা লাগালে দ্রুত আউটপুট পাবেন। যা আপনাকে প্রেরণা দেবে। পুইশাক গাছের পাতায় দাগ হলে পাতা কেটে দিন। অথবা ছত্রাকনাশক স্প্রে করেন। অথবা গাছ উঠিয়ে আবার লাগান। ইউরিয়া সার দিলে পুইশাক দ্রুত বাড়বে। শশা গাছের বৃদ্বির জন্য ডিএপি সার দিলে ভালো হবে। শশা গাছে ছাড়া ছাড়া ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হয়। খুব রোদ, গাছের গোড়ায় মালচিং করে দিয়ে উত্তম ফল মিলবে। মালচিং হলো গাছের গোড়ায় বিশেষ পলিথিন কিংবা শুকনো পাতা, খড় দিয়ে ঢেকে দেয়া।

৯. ফুল আসার পরে প্রানোফিক্স অথবা মিরাকুরান গাছের পাতায় শেষ বিকালে স্প্রে করবেন। বাসায় দুইটি গ্রুপের ছত্রাকনাশক রাখা ভালো। যেমন- ম্যানসার, মেটারিল। ১৫ দিনে একবার স্প্রে করবেন। এগরোমিন্ড গোল্ড অনুখাদ্য বা অন্য কোনো অনুখাদ্য বাসায় রাখতে হবে। মাসে কমপক্ষে একবার স্প্রে করবেন। অতিরিক্ত গরম, বৃষ্টি, খাদ্যের অভাব, গাছ রোগাক্রান্ত, আবহাওয়া দ্রুত আপডাউন করা ইত্যাদি কারণে ফুল ঝরে পড়তে পারে। আবার পরাগায়ন না হলে ঝরে পড়তে পারে। এ জন্য হাতের মাধ্যমে পরাগায়ন করতে হবে। পুরুষ ফুলের পরাগদণ্ড নারী ফুলে গর্ভে ঘষে দিতে হবে।

১০. ছাদ বাগানে গাছ মারা যাওয়ার অন্যতম কারণ পানি বেশি বা কম দেয়া। যতটুকু লাগে ঠিক ততটুকু পানি দিতে হবে। কোন গাছের কি চাহিদা, রোগ একটু স্টাডি করলে সহজে সফল হতে পারবেন।

১১. গাছের পাতার নিচে খেয়াল করবেন। গাছের পোকা মারার জন্য সেক্স ফোরেমান ফাঁদ লাগাবেন। ডগা ছিদ্র বা ফল ছিদ্র হলে সাইপারমেত্রিন গ্রুপের কীটনাশক দিতে হবে। ঢেড়স গাছ বেশি রোদ পড়ে এমন জায়গায় লাগাবেন। বেগুন, ঢেড়স, লালশাক, পুইশাক, ধনেপাতা, ডাটা শাক- এসব গাছের খুব যত্ন করতে হয় না।

১২. রসুন আর লবঙ্গ বেটে সেই পানি গাছে স্প্রে করলে পোকা কম আসবে। মরিচ গাছে নেপথলিন বেঁধে দিন, পোকা কম আসবে। পাতা কোকড়ালে ইমিটাফ ও ভেকটিন কীটনাশক দিন। কোকড়ানো পাতা ফেলে দিন। সবকিছু করছেন, তারপরও কাজ হচ্ছে না। এক্ষেত্রে গাছের জায়গা বদল করেন, উঠিয়ে অন্যত্র লাগান।

♦️*ছাদ বাগান টিপস ও কৃষি পরামর্শ পেতে পেইজটি লাইক ফলো দিয়ে যুক্ত হন আমাদের সাথে।

আম গাছে মুকুল আসছেনা?শুধু নতুন পাতা বের হচ্ছে। নো টেনশন, জেনে নিন সমাধান । 🥭 জানুয়ারি শেষের দিকে।ইতিমধ্যেই সকলের আম গাছগ...
25/01/2025

আম গাছে মুকুল আসছেনা?শুধু নতুন পাতা বের হচ্ছে। নো টেনশন, জেনে নিন সমাধান । 🥭

জানুয়ারি শেষের দিকে।ইতিমধ্যেই সকলের আম গাছগুলিতে মুকুল এসে গেছে কিন্তু আপনার বা অনেকের বাগানের বাকি গাছগুলোতে মুকুল আসবে আসবে করছে। তবে এখনো যদি আপনার আম গাছে মুকুল না এসে থাকে, তাহলে টেনশনের কোন কারন নেই, ছোট্ট একটা পদক্ষেপ নিতে পারেন ইনশাআল্লাহ ভালো কাজে আসবে ।
জাতগত পার্থক্যের কারনে প্রত্যেকটা গাছে মুকুল আসার ধরন ও কিন্তু একটু আলাদা হয়ে থাকে । যেমন –

একটু লক্ষ্য করলে দেখবেন কিছু আম গাছের পত্র মুকুলের কোল থেকে মুকুলটা হয় , যার কোন পাতা হয় না, পুরোটাই মুকুল নিয়ে বের হয়।
কিছু গাছে আবার আগে পাতা বের হয় , পাতা বের হওয়ার পর মুকুল আসতে শুরু করে।
কিছু কিছু গাছের ক্ষেত্রে আবার প্রচুর নতুন পাতা বের হয় , সাথে প্রত্যেকটা পাতার কোল থেকে মুকুল আসতে দেখা যায় ৷ মাঝে মাঝে কিছু গাছে মুকুলের মধ্যে খুব ছোট ছোট পাতা বের হয়। মুকুল যত বড় হয় ততই সেই পাতাগুলো শুকিয়ে ঝরে পড়ে যায় ।

সুতরাং যাদের গাছে এখন নতুন পাতা বের হচ্ছে, তাদের গাছ এখন গ্রোথ নিচ্ছে। নতুন গ্রোথ নিচ্ছে মানেই যে সেই গাছে মুকুল আসবে না তা কিন্তু নয়। আবার এই নয় যে, নতুন পাতা বেরোলে সব গাছে মুকুল আসবে। সেটা নির্ভর করে গাছের বয়স এবং গাছের গঠনের উপর ভিত্তি করে ।

তবে যাদের আমগাছ গুলো ফল দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিণত , তারপর ও নতুন পাতা বের হচ্ছে মুকুল না এসে , তাদেরও চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই, মাঝে মাঝে আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে গাছে মুকুলের পরিবর্তে নতুন পাতা আসে এবং মুকুল ও আগে পরে বের হয় । আপনার মুকুল না আসা আম গাছের বয়স যদি ৩ বছরের বেশি হয়ে থাকে সাথে গাছও যদি যথেষ্ট হেলদি থেকে থাকে , তাহলে সেই গাছে এবার ফল নেওয়া জন্য নিচের দেখানো নিয়মে চেষ্টা করতে পারেন সামান্য কিছু পরিচর্যার মাধ্যমে ।

পরিচর্যা গুলো হলো :

▪️প্রথমেই মনে রাখতে হবে সম্পূর্ণ গাছেই যদি নতুন ডাল বের হয়ে গিয়ে থাকলে, তাহলে গাছকে ফোর্স না করে আগামী বছরের অপেক্ষায় থাকলে ভালো হবে।

▪️যে গাছ গুলোর মধ্যে কিছু কিছু ডালে নতুন পাতা সবে বের হতে শুরু করেছে এবং মুকুল এর দেখা নেই, সেই গাছের নতুন ডালের গোড়া থেকে ভাল করে কেটে দিন। কাটা জায়গায় ছত্রাক নাশক স্প্রে করে দিন ।

▪️বিগত ১৫ দিনের মধ্যে যদি কোনো PGR( plant growth regulator) স্প্রে না করে থাকেন, তাহলে এখন মিরাকুলান বা ফ্লোরা ১-২ বার স্প্রে করে দিন। মিরাকুলান হলে প্রতি লিটার জলে দুই এম এল এবং ফ্লোরা হলে প্রতি লিটার জলে হাফ এম এল । তবে দুটোর যেকোনো একটি দু’বার ব্যাবহার করা যাবে না, বরং দুটো দুইবার পাল্টে পাল্টে স্প্রে করুন।

▪️ PGR স্প্রে করার দুইদিন পর হাফ চা চামচ পটাশিয়াম সালফেট এবং দুই গ্রাম বোরন মিশিয়ে ভালো করে স্প্রে করে দিতে হবে গোটা গাছে। সেইসঙ্গে এই মিশ্রণ মাটিতেও প্রয়োগ করতে হবে।

PGR টা আবার কি?

Pgr হল (Plant. Growth Regulator) অর্থাৎ সোজা বাংলায় বলতে গেলে গাছের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক। সহজ ভাষায় যাকে গাছের ভিটামিনও বলা যেতে পারে। যা অত্যন্ত কার্যক্ষমতা সম্পন্ন উদ্ভিদ বৃদ্ধি উদ্দীপক যা গাছের ফলন বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করা হয়।

আপাতত এইটুকু পরিচর্যায় যথেষ্ঠ, যার ফলে একটু দেরীতে হলেও আপনার গাছে মুকুল চলে আসবে ইনশাআল্লাহ ।

পরিশেষে, যদি মনে করেন লেখা গুলো বাগানীদের উপকারে আসবে, তাহলে ফেসবুকের পোস্ট টি শেয়ার করুন, নেক্সটে কোন বিষয়ে জানতে চান কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

ছাদ বাগানে সহজ পদ্ধতিতে সার প্রয়োগ সম্পর্কে জেনে নিন....সাধারণত চারা রোপণের পর গাছ মাটির সাথে লেগে গেলে রাসায়নিক সার প্র...
22/01/2025

ছাদ বাগানে সহজ পদ্ধতিতে সার প্রয়োগ সম্পর্কে জেনে নিন....

সাধারণত চারা রোপণের পর গাছ মাটির সাথে লেগে গেলে রাসায়নিক সার প্রয়োগ শুরু করতে হয়। সেটা ১৫ থেকে ২০ দিন হতে পারে।
প্রতি মাসে তিনবার সার প্রয়োগ করতে হবে।

👉প্রথমবার: এক লিটার পানি নিন। উক্ত পানিতে হাফ চা চামচ করে ইউরিয়া (সাদা সার) + এমওপি/পটাশ (লাল সার) + টিএসপি (মেটে সার) এবং এক চিমটি করে সালফার অথবা বোরণ দুটোর যেকোন একটি দিতে হবে।
সকল সার গলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এবার ভালোভাবে পানির সাথে মিশিয়ে প্রয়োজনমত গাছের গোড়ায় ঢেলে দিতে হবে। মাটি ভেজা থাকলে শুকানোর পর গোড়ায় দিবেন।

👉দশ দিন পর: দ্বিতীয় বার: এক লিটার পানি নিন। উক্ত পানিতে হাফ চা চামচ ইউরিয়া + এক চিমটি দস্তা দিতে হবে। সকল সার গলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
এবার ভালোভাবে পানির সাথে মিশিয়ে স্প্রে করে গাছ ভালোবাবে ভিজিয়ে দিতে হবে এবং প্রয়োজনমত গোড়ায় ঢেলে দিতে হবে। মাটি ভেজা থাকলে শুকানোর পর গোড়ায় দিবেন।

👉দশ দিন পর: তৃতীয় বার: এক লিটার পানি নিন। উক্ত পানিতে হাফ চা চামচ ইউরিয়া + সালফার অথবা বোরণ দুটোর মধ্যে প্রথমবার যেটি নিয়েছেন সেটি বাদে অন্যটি নিতে হবে।
সকল সার গলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এবার ভালোভাবে পানির সাথে মিশিয়ে স্প্রে করে গাছ ভালোবাবে ভিজিয়ে দিতে হবে এবং প্রয়োজনমত গোড়ায় ঢেলে দিতে হবে। মাটি ভেজা থাকলে শুকানোর পর গোড়ায় দিবেন।
প্রথম ও তৃতীয় বারের বেলায় একবার সালফার দিলে আরেকবার বোরণ এভাবে বদলিয়ে নিতে হবে।

🔷🔷সার মিশ্রিত পানির পরিমাণ: সার মিশ্রিত পানির পরিমাণ গাছের বয়স ও ধরণ অনুসারে ভিন্ন ভিন্ন হবে। চারা, ছোট গাছের জন্য অল্প পরিমাণ পানি দিতে হবে।
যে সকল গাছ পানি কম সহ্য করতে পারে, সেগুলো পানির পরিমাণ কম দিতে হবে। মোদ্দা কথা হলো- যতটুকু পানি দিলে ২৪ ঘন্টায় শুকিয়ে যাবে ততটুকু পরিমাণ পানি গোড়ায় দিতে হবে।
স্প্রে করার ক্ষেত্রে গাছ ভিজাতে যতটুকু লাগে ততটুকু দিতে হবে। পড়ন্ত বিকেলে স্প্রে করতে হবে। গোড়ায় যেকোন সময় দেয়া যাবে।
এভাবে তৃতীয় বারের পর পুনরায় প্রথমবারের ন্যায় চক্রাকারে সার প্রয়োগ চলতে থাকবে।

➡️ জৈব সার, হারের গুড়া, নিম খৈল, শিং কুচি মাটির সাথে এক মুঠো করে মিশিয়ে দিতে পারেন প্রতি টবে।

👉থিয়োভিট ২ গ্রাম পরিমান প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

➡️বোরন সার ১ গ্রাম ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।

👉সরিষা খৈল ৭ দিন পচিয়ে সেই পচা পানি গাছের গোড়ায় দিবেন।

👉ছাদ বাগান টিপস ও কৃষি পরামর্শ পেতে পেইজটি লাইক ফলো দিয়ে যুক্ত হন আমাদের সাথে,ধন্যবাদ।

টবের নাগা মরিচ/বোম্বাই মরিচ চাষ পদ্ধতি।বোম্বাই মরিচ মূলত প্রচণ্ড ঝালের কারণে সর্বাধিক পরিচিত। সবার প্রিয়ও বলা চলে। একটু ...
22/01/2025

টবের নাগা মরিচ/বোম্বাই মরিচ চাষ পদ্ধতি।

বোম্বাই মরিচ মূলত প্রচণ্ড ঝালের কারণে সর্বাধিক পরিচিত। সবার প্রিয়ও বলা চলে। একটু চেষ্টা করলেই ফলাতে পারবেন বোম্বাই মরিচ। বাসার ছাদে, বারান্দায়, ভবনের চারপাশে টবে বোম্বাই মরিচের ফলন ভালো হয়। তাই আজ থেকেই চেষ্টা করে দেখুন। চাষের নিয়ম-কানুন জেনে নিন এখনই-

বীজ বা চারা:

যেকোনো বাজারে বীজ কিনতে পাওয়া যায়। তবে নতুনদের জন্য চারা কেনাই ভালো। নার্সারি, হর্টিকালচার সেন্টার বা গ্রামের হাট-বাজার থেকেও বোম্বাই মরিচের চারা কেনা যায়। তবে জাত ও চারার মান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। এছাড়া বীজ থেকেও চারা উৎপাদন করে রোপণ করা যায়।

চাষের নিয়ম:

প্রতিটি চারা টবে লাগানোর আগে মাটি প্রস্তুত করে নিতে হবে। প্রতিটি ১০ ইঞ্চি টবের জন্য ১/৩ গোবর (২ ভাগ মাটি, ১ ভাগ গোবর), ২ চিমটি টিএসপি, ১ চিমটি ইউরিয়া, ১ চিমটি পটাশ সার, অল্প পরিমাণ সরিষার খৈল দিয়ে ৪-৫ দিন মাটি রোদে শুকাতে হবে। তারপর এ মাটিতে চারা লাগাতে হবে। চারা যদি সবল না হয় তাহলে দিনে ২-৩ বার ইউরিয়া মিশ্রিত পানি স্প্রে করলে চারা সবল হয়ে যাবে।

সপ্তাহে ১ দিন মাটি খুঁচিয়ে আলগা করে দিতে হবে। আগাছা দেখা দিলে সরিয়ে দিতে হবে। চারা লাগানোর ২০-২৫ দিনের মধ্যেই গাছে ফুল আসবে। আর সেই ফুল থেকে আস্তে আস্তে ধরতে শুরু করবে আপনাদের প্রিয় বোম্বাই/নাগা মরিচ। মরিচ যত বেশি দিন গাছে থাকবে তত ঝাল হবে।

খুব নিচের শাখাগুলো কেটে/ভেঙে ফেলতে হবে। এমনটি না করলে গাছের জোর কমে যাবে, মরিচের আকার হবে ছোট। গাছ কড়া রোদে রাখতে হবে, ছায়ায় থাকলে মরিচ ধরবে না। ১টা মরিচ গাছ অনেক দিন ফল দেবে। আর ১টা গাছে যে পরিমাণ মরিচ ধরে তা খেয়েই শেষ করা কঠিন।

পোকা দমন:

মরিচ গাছে পোকা আক্রমণ করতে পারে। তবে ২-৪ টা গাছ হলে পোকা-মাকড় হাতেই মেরে দমন করা যায়। গাছ বেশি হলে কীটনাশক ব্যবহার করা যায়। তবে শাক-সবজিতে কীটনাশক ব্যবহার না করাই ভালো।

ফলন:

মরিচ যত বেশি দিন গাছে থাকবে; তত বেশি ঝাল হবে। নিচের শাখাগুলো কেটে ফেলতে হবে। না হলে মরিচের আকার হবে ছোট। গাছ কড়া রোদে রাখতে হবে, ছায়ায় থাকলে মরিচ ধরবে না। ১টি গাছ অনেক দিন ফল দেবে।

অফলন্ত লেবু গাছে ফল ধরানোর উপায় ও ফল ঝরা রোধের উপায়।প্রতি গাছে ১০ কেজি পচা গোবর  ১০০ গ্রাম টি এস পি, ৭৫ গ্রাম এমওপি সার ...
21/01/2025

অফলন্ত লেবু গাছে ফল ধরানোর উপায় ও ফল ঝরা রোধের উপায়।

প্রতি গাছে ১০ কেজি পচা গোবর ১০০ গ্রাম টি এস পি, ৭৫ গ্রাম এমওপি সার ও ১৫ গ্রাম বোরন সার বর্ষার আগে ও পরে লেবু গাছ হতে দেড়হাত দূরে গোলাকার ৬ ইঞ্চি গভীর নালা করে সার প্রয়োগ করার পর মাটি দিয়ে চেপে হালকা সেচ দিয়ে দিবেন। ফুল আসলে ও ফল মটর দানার মত হলে প্লানোফিক্স ( ১ মিলি/৪.৫ লিটার পানি)/মিরাকুলান (১ মিলি/ লিটার পানি)/👉ফ্লোরা ( ২ মিলি/লিটার পানিতে ) মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। গাছের মরা ডাল পালা ছেটে দিতে হবে।

✅ফ্লোরা
ধান, সবজি, ফুল আর ফলে; বাড়বে ফলন ফ্লোরা দিলে।

ফ্লোরা একটি তরল জাতীয় বহুগুণ সম্পন্ন পণ্য যা ব্যবহারে একদিকে গাছের শিকড়, পাতা ও কান্ডের খাদ্যসঞ্চয়ের ক্ষমতা বাড়ে অপরদিকে, উদ্ভিদের ফুল ও ফলের ফলন বৃদ্ধি হয়।ফ্লোরা কোনোভাবেই সরাসরি কীটপতঙ্গ ধ্বংস করেনা তবে এটি ব্যবহারে গাছ শক্তিশালী হয়ে উঠে যার ফলে গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়।

পানিতে সহজে মিশে যাওয়ার উপযোগী এ পণ্যটি ব্যবহারে বিভিন্ন ফসলে বিভিন্ন রকম সুবিধা বা উপকারীতা পাওয়া গেলেও ফ্লোরার মূল কাজ হলো ফলন বর্ধক হিসেবে কাজ করা। ফসল ভেদে ফ্লোরা ব্যবহারে ২০-৪০% পর্যন্ত নিশ্চিত ফলন বৃদ্ধি হয় যা কৃষক পর্যায়ে প্রমানিত এবং সর্বজন স্বীকৃত। ফ্লোরা এ সি আই ক্রপ কেয়ার এর সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্র্যান্ড গুলোর মধ্যে একটি যেটি কৃষক পর্যায়ে এক নামে চেনে।

ফ্লোরা অত্যন্ত নিরাপদ একটি পণ্য যার কোন রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এ পণ্যটি ফসলের জমিতে, আবাদী যেকোনো জলাশয় সহ সকল ধরনের কৃষি জমিতে ব্যবহার করা যায়। এছাড়াও, বারান্দা এবং ছাদ বাগানেও ফ্লোরা নিশ্চিন্তে ব্যবহার উপযোগী।

✅ব্যবহারের সুবিধা
ফ্লোরা একটি পরিবেশবান্ধব পন্য।
গাছ স্বাস্থ্যবান হয় এবং অধিক পাতা ও ডালপালা গজায় ।
অধিক শিঁকড় গজানোর ফলে মাটি থেকে অধিক পুষ্টি গ্রহন করে।
ফুল-ফলের রঙ চকচকে ও সম আকৃতির বড় হয়।
সর্বোপরি ফলন বৃদ্ধি পায় ২০-৩০% পর্যন্ত।

✅প্রয়োগ পদ্ধতি: লেবু চাষে

ফসল
আম, লিচু, পেয়ারা, কলা, তরমুজ, কুল, লেবু

প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৫ শতাংশ জমির জন্য

২.৫ মি লি/১ লিটার পানি

ফসল পর্যায় অনুযায়ী

➡️১ম প্রয়োগঃ মুকুল আসার ২০ দিন আগে।

➡️২য় প্রয়োগঃ মুকুল আসার সময়।

➡️৩য় প্রয়োগঃ গুটি ধারনের সময়।

মিশ্রণ এবং স্প্রে করার সেরা উপায়-পানির সাথে মিশিয়ে স্প্রে করুন।

ছাদ বাগানে গাছ লাগানোর পর যদি আপনার গাছ বৃদ্ধি না পায় করণীয়। ➡️ তাহলে নিচের নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করুন। সঠিক যত্নে আপনার ...
21/01/2025

ছাদ বাগানে গাছ লাগানোর পর যদি আপনার গাছ বৃদ্ধি না পায় করণীয়।

➡️ তাহলে নিচের নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করুন। সঠিক যত্নে আপনার গাছ সুন্দর ও স্বাস্থ্যবান হবে।

⬛১. মাটি তৈরি:

গাছ লাগানোর এক মাস আগে মাটি প্রস্তুত করতে হবে। মাটির জন্য প্রয়োজন:

✅৩০% বালি মাটি বা গার্ডেন সয়েল

✅৩০% মোটা দানার বালি

✅২০% চালা নুড়ি বা গ্রাভেল

✅২০% ভালো মানের ভার্মি কম্পোস্ট

✅হাড়ের গুঁড়ো (টব প্রতি ১ কাপ)

✅সরিষার খোল (টব প্রতি আধা কাপ)

✅চুন (টব প্রতি ১ চা চামচ)

এগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে একটি বস্তায় রেখে মুখ আটকে ছায়াযুক্ত স্থানে রাখুন। মাঝে মাঝে হালকা পানি ছিটিয়ে মাটি আর্দ্র রাখুন।

➡️২. চারা নির্বাচন ও টব প্রস্তুতি:

ছোট, ২-৩ ডালের চারা নির্বাচন করুন।

৬ ইঞ্চি টবে চারা লাগাবেন।

চারা লাগানোর আগে পলিব্যাগ কেটে চারা বের করুন এবং চারার চারপাশের মাটি হালকাভাবে সরান।

ড্রেনেজ ভালো করতে টবের ছিদ্রের স্থানে ভাঙা হাঁড়ির টুকরো ব্যবহার করুন।

➡️৩. প্রথম ৩০ দিন যত্ন:✅

গাছ লাগানোর পর প্রথম ৩০ দিন শুধু পানি দিন।

এ সময়ে গাছ মাটির সঙ্গে মানিয়ে নেয় এবং মূল তৈরি করে।

➡️৪. খাবার দেওয়া:✅

৩০ দিনের পর গাছে নাইট্রোজেনযুক্ত সার দেওয়া শুরু করুন।

প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম ১৩-৪০-১৩ সার মিশিয়ে ৭ দিন পরপর দিন।

গাছ বড় হলে ২০-২০-২০ সার ব্যবহার চালিয়ে যান।

➡️৫. পানি দেওয়া:💧

নিয়মিত কম পরিমাণে পানি দিন।

মাটি পুরোপুরি শুকানোর আগে পানি দেবেন না।

পানি এমনভাবে দিন যাতে তা দ্রুত মাটিতে শোষিত হয় এবং ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে টবের নিচ দিয়ে সামান্য পানি বের হয়।

➡️৬. কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ:

প্রয়োজন হলে পাতার নিচে কীটনাশক ও মাকড়নাশক স্প্রে করুন।

ফাঙ্গাল সমস্যা না হলে ফাঙ্গিসাইড বা রেডোমিল গোল্ড ব্যবহার করবেন না।

➡️৭. প্রুনিং:

সঠিক সময়ে গাছের ডাল ছাঁটুন (প্রুনিং)।

প্রুনিংয়ের পর গাছকে প্রয়োজনীয় খাবার দিন।

➡️৮. নিয়মিত যত্ন:

নিয়মিত গাছের যত্ন নিন, পানির পরিমাণ এবং আলো-বাতাসের ব্যবস্থা ঠিক রাখুন।

এই নিয়মগুলো অনুসরণ করলে আপনার গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পাবে এবং সুস্থ থাকবে। সময় দিন এবং ভালোবাসা দিন – আপনার গাছ আপনাকে সুন্দর ফল দেবে।

ছাদ বাগানে গাছ লাগানোর পর যদি আপনার গাছ বৃদ্ধি না পায় করণীয়। ➡️ তাহলে নিচের নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করুন। সঠিক যত্নে আপনার ...
19/01/2025

ছাদ বাগানে গাছ লাগানোর পর যদি আপনার গাছ বৃদ্ধি না পায় করণীয়।

➡️ তাহলে নিচের নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করুন। সঠিক যত্নে আপনার গাছ সুন্দর ও স্বাস্থ্যবান হবে।

⬛১. মাটি তৈরি:

গাছ লাগানোর এক মাস আগে মাটি প্রস্তুত করতে হবে। মাটির জন্য প্রয়োজন:

৩০% বালি মাটি বা গার্ডেন সয়েল

৩০% মোটা দানার বালি

২০% চালা নুড়ি বা গ্রাভেল

২০% ভালো মানের ভার্মি কম্পোস্ট

হাড়ের গুঁড়ো (টব প্রতি ১ কাপ)

সরিষার খোল (টব প্রতি আধা কাপ)

চুন (টব প্রতি ১ চা চামচ)

এগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে একটি বস্তায় রেখে মুখ আটকে ছায়াযুক্ত স্থানে রাখুন। মাঝে মাঝে হালকা পানি ছিটিয়ে মাটি আর্দ্র রাখুন।

➡️২. চারা নির্বাচন ও টব প্রস্তুতি:

ছোট, ২-৩ ডালের চারা নির্বাচন করুন।

৬ ইঞ্চি টবে চারা লাগাবেন।

চারা লাগানোর আগে পলিব্যাগ কেটে চারা বের করুন এবং চারার চারপাশের মাটি হালকাভাবে সরান।

ড্রেনেজ ভালো করতে টবের ছিদ্রের স্থানে ভাঙা হাঁড়ির টুকরো ব্যবহার করুন।

➡️৩. প্রথম ৩০ দিন যত্ন:

গাছ লাগানোর পর প্রথম ৩০ দিন শুধু পানি দিন।

এ সময়ে গাছ মাটির সঙ্গে মানিয়ে নেয় এবং মূল তৈরি করে।

➡️৪. খাবার দেওয়া:

৩০ দিনের পর গাছে নাইট্রোজেনযুক্ত সার দেওয়া শুরু করুন।

প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম ১৩-৪০-১৩ সার মিশিয়ে ৭ দিন পরপর দিন।

গাছ বড় হলে ২০-২০-২০ সার ব্যবহার চালিয়ে যান।

➡️৫. পানি দেওয়া:

নিয়মিত কম পরিমাণে পানি দিন।

মাটি পুরোপুরি শুকানোর আগে পানি দেবেন না।

পানি এমনভাবে দিন যাতে তা দ্রুত মাটিতে শোষিত হয় এবং ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে টবের নিচ দিয়ে সামান্য পানি বের হয়।

➡️৬. কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ:

প্রয়োজন হলে পাতার নিচে কীটনাশক ও মাকড়নাশক স্প্রে করুন।

ফাঙ্গাল সমস্যা না হলে ফাঙ্গিসাইড বা রেডোমিল গোল্ড ব্যবহার করবেন না।

➡️৭. প্রুনিং:

সঠিক সময়ে গাছের ডাল ছাঁটুন (প্রুনিং)।

প্রুনিংয়ের পর গাছকে প্রয়োজনীয় খাবার দিন।

➡️৮. নিয়মিত যত্ন:

নিয়মিত গাছের যত্ন নিন, পানির পরিমাণ এবং আলো-বাতাসের ব্যবস্থা ঠিক রাখুন।

এই নিয়মগুলো অনুসরণ করলে আপনার গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পাবে এবং সুস্থ থাকবে। সময় দিন এবং ভালোবাসা দিন – আপনার গাছ আপনাকে সুন্দর ফল দেবে।

👉কৃষি বিষয়ক প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে নিকটস্থ উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন।পোষ্টটি ভালো লাগলে একটা শেয়ার করুন 🙏

Address

290/a Mohanagar West Veiw Khilgao Railgate
Dhaka
1209

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Green City Landscape posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Green City Landscape:

Share