31/08/2020
পাহাড় উপকূলে ও সমতলে গাছ লাগায় সবাই মিলে , বস্তুত গাছ আমাদের জীবন ও জীবিকার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছে। বিভিন্ন মৌলিক চাহিদার পাশাপাশি দারিদ্র বিমোচনে ও ভূমিকা রাখে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় একমাত্র হাতিয়ার হল বৃক্ষরোপণ। শুধুমাত্র গাছই পারে আমাদের এই পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে তুলতে। যখন বিশ্বের মানচিত্রে পৃথিবীর ফুসফুস আহত গ্রস্ত ,যখন সারা বিশ্ব তোলপাড় জলবায়ু পরিবর্তন কারণ নিয়ে তারও দুই যুগ আগে থেকে নীরবে-নিভৃতে বিনামূল্যে মানুষকে বৃক্ষরোপণের উৎসাহ দিচ্ছেন প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুল। তিনি এই পর্যন্ত নিজ উদ্যোগে ১০ লক্ষ গাছের চারা বিতরণ করেছে। তিনি তাঁর কর্ম ব্যস্ত জীবনের ফাঁকে সময় পেলে ছুটে যান স্কুলে কলেজের বাচ্চাদের মাঝে,তিনি বাচ্চাদের উৎসাহিত করেন গাছ লাগানোর জন্য। আবার সময় পেলে চলে যান গ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে তাদের কাছে গিয়ে তিনি তাদেরকে উৎসাহিত করেন গাছ লাগানোর জন্য এবং গাছ তারা কিভাবে লাগাবে এবং গাছটি তাদের কি ভাবে উপকার করবে এ বিষয়ে তাদেরকে অবগত করেন। প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুল পেশায় একজন দক্ষ বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার কর্মরত আছেন ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান প্রকৌশলী হিসাবে।
কথায় আছে রতনে রতন চেনে,তাই তিনি তার বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলেছেন একাধিক ফুলের বাগান উল্লেখযোগ্য একটি ফুলের বাগানে গোলাপের চারা রয়েছে ১০০০টি। তিনি সারাদিন শত ব্যস্ততার মধ্যে থাকলেও তিনি ভাবেন আমাকে বৃক্ষরোপণ করতে হবে প্রয়োজন অর্থকরী তাই তিনি রাত জেগে বাড়ির প্ল্যান ডিজাইন করেন আর এর থেকে আয়কৃত অর্থ তিনি গরীব অসহায় মানুষকে দান করেন আর গাছ কিনে মানুষকে বিতরণ করেন। ইঞ্জিনিয়ার টুটুল বলেন ‘’স্বপ্ন মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। প্রথমে যখন আমি সামাজিক কাজ শুরু করি তখন লিটন নার্সারি থেকে কিছু গাছ কিনতাম এই কাজগুলো নিয়ে আমার গ্রামে প্রাইমারি স্কুলে ছাত্রীদের মাঝে বিতরণ করতাম অনেক সময় লিটন নার্সারীর এই ভদ্রলোক আমাকে অনেক টাকার গাছ বাকীও দিতেন আবার যখন আমার কাছে টাকা হতো তখন আমি তাকে পরিশোধ করে দিতাম’’ এভাবেই তার পথচলা আর এভাবে চলতে চলতে তিনি বিতরণ করে ফেলেছেন ১০ লক্ষ গাছের চারা। তিনি বলেন তিনি তাঁর জীবনে দশায় এই ১০ লক্ষ গাছের চারা ২০ লক্ষী চারাতে পরিণত করতে চান।
আমরা অনেকেই আছি আমাদের কর্মব্যস্ততা কারণে আমরা দেশকে নিয়ে ভাবার সময় পাইনা কিন্তু এরকম ইঞ্জিনিয়ার টুটুল এর মত মানুষ যারা দেশকে নিয়ে ভাবে যারা দেশের কথা বলে যারা পরিবেশের কথা চিন্তা করে তাদের মত মানুষ এখনো কিছু আছে যারা নীরবে-নিভৃতে দেশের জন্য কাজ করে চলছে।