Adenium e-Garden

Adenium e-Garden Adenium is a genus of flowering plants in the family Apocynaceae first described as a genus in 1819.

Adenium e-Garden is a Desert Bloom Studio where we will reproduce a premium Adenium for your happiness.

এডেনিয়ামের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসটা ভীষণ ভাইটাল। ভাইটাল, কেননা এই মাসে শীত শেষে গরম পড়তে শুরু করে এবং এডেনিয়ামও শীতঘুম সেরে...
01/10/2025

এডেনিয়ামের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসটা ভীষণ ভাইটাল। ভাইটাল, কেননা এই মাসে শীত শেষে গরম পড়তে শুরু করে এবং এডেনিয়ামও শীতঘুম সেরে জেগে ওঠে। ফলে, এডেনিয়ামের নতুন চারা বসানো থেকে শুরু করে পুরনো গাছের প্রতিস্থাপন ও ফুল পাবার আগের মুহূর্তের জরুরি পরিচর্যার আবশ্যিক সময় হচ্ছে এই ফেব্রুয়ারি।

এডেনিয়াম পাঁপড়ির বিচারে দু’রকমের হয়—সিঙ্গল পেটাল ও ডাবল পেটাল। এই গাছ বছরে তিন বার ফুল দেয়। সমস্ত পাতা ঝরিয়ে এর শীতঘুম শুরু হয় ডিসেম্বর মাস থেকে। এই সময় কালেভদ্রে শুধু জল ছাড়া আর কিচ্ছু খায় না সে, ফুল দেওয়ার প্রশ্নই থাকে না। এর ঘুম ভাঙে ফেব্রুয়ারির শুরুতে। তারপর উপোষ ভেঙে সে তেড়েফুঁড়ে খেয়ে গায়ের জোর বাড়িয়ে পাতা গজিয়ে ডাল ছেড়ে ফুল দিতে শুরু করে মার্চের শেষ ও এপ্রিলের শুরু থেকে।

আমরা সকলেই জানি যে, এডেনিয়াম খুব রোদ ভালোবাসে। ভীষণ খরা সহ্য করতে পারে সে। কেননা, এই গাছ মরুভূমির গাছ। একইসঙ্গে গোলাপের মতোই হাজার রঙের সৌন্দর্যময় ভ্যারাইটি রয়েছে এই গাছের, তাই এই গাছকে বাংলায় ‘মরুগোলাপ’ও বলা হয়। এই গাছ ছাদে বা ব্যালকনি বাগানে করতে হলে, এমন জায়গায় টব রাখতে হবে, যেখানে সাত থেকে আট ঘন্টা সরাসরি রোদ আসে। ভালো রোদ না-পেলে এই গাছ ফুল দেবে না। তাই যারা এবার নতুন এডেনিয়াম করবেন, তাঁরা এই বিষয়টি অবশ্যই মাথায় রাখবেন।

এডেনিয়াম যারা করেন, শুধু ফুলের জন্য করেন না, এর গাছের সৌন্দর্যও দারুণ। গাছ বলতে এর কাণ্ডের সৌন্দর্য। যাকে বলা হয়, ‘কর্ডেক্স’। সেটা মোটা হয়ে হয়ে ঘটের আকার নেয়, তখন ফুলওয়ালা সমগ্র গাছটি চমৎকার একটি ফুলদানি বলে মনে হয়। সিঙ্গল পেটাল এডেনিয়ামের ডাল মাটিতে পুঁতলেই তা থেকে নতুন একটি গাছ পাওয়া যায়। কিন্তু ডালের গাছের কর্ডেক্স সাধারণত মোটা হয় না। কর্ডেক্স মোটা পেতে হলে আপনাকে বীজের গাছ চাষ করতে হবে। বাজারে বীজের চারা বা বীজের চারায় কলম করে সেটা বিক্রি হয়। সেগুলো বিভিন্ন সাইজের হয়ে থাকে। এবার আপনার পছন্দ অনুযায়ী একদম ছোট চারাও নিতে পারেন অথবা একটু বড়। কিংবা একেবারে তৈরি গাছ।

এডেনিয়ামের টব কেমন হবেঃ

যদি আঙুল-সাইজের চারা আনেন, তাহলে সেটা তিন থেকে চার ইঞ্চি পটে প্রতিস্থাপন করবেন। চারাটি যদি ছোট্ট পট বা পলিব্যাগে থাকে, তাহলে খুব সাবধানে তাকে সেখান থেকে প্রথমে বার করুন। তারপর মাটিশুদ্ধ শেকড়-অংশটা জলে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন। মাটি নরম হয়ে গলে গেলে সাবধানে মাটি ধুয়ে মাটি থেকে শেকড়শুদ্ধ গাছটা আলাদা করে ফেলুন। খেয়াল রাখবেন, শেকড়ে যেন আঘাত না-লাগে বা ছেঁড়ে। এবার এক চিমটে ছত্রাকনাশক (সাফ) ও আধ চা-চামচ এপসম সল্ট (সম্ভব হলে এর সঙ্গে দু’ফোঁটা হিউমিক এসিড) মিশিয়ে গাছের শেকড়-অংশটা মিনিট পনেরো ডুবিয়ে রাখুন। তারপর তুলে খোলা বাতাসে চারাটি রেখে দিন।

গাছের কর্ডেক্স মোটা করার জন্য এই গাছ প্রথম থেকেই বনসাই-পদ্ধতিতে চাষ করতে হয়। প্রয়োজনের চেয়ে ছোট টবে চারা বসাতে হয়। অন্য গাছের চারা যেমন প্রথমে আমরা মোটামুটি আট ইঞ্চি টবে প্রতিস্থাপন করি, এক্ষেত্রে কিন্তু তিন থেকে চার ইঞ্চি টবে চারা বসাবো। এই গাছ জমা জল একেবারেই পছন্দ করে না, গোড়া পচে সটান মারা যায়। তাই টবের তলায় বেশ কিছু ফুটো করে দিতে হবে, যাতে জল দেওয়ার পর এক মুহূর্তও তা না-জমে থেকে মাটি ভিজিয়ে নীচ দিয়ে বেরিয়ে যায়। টবের এই ড্রেনেজ সিস্টেম এডেনিয়ামের ছোট-বড় সমস্ত রকম গাছের জন্যই মেন্টেইন করতে হবে। এটা ঠিক রাখলে এবং ডিরেক্ট সানলাইট পেলে বর্ষার টানা বৃষ্টিতেও এ-গাছের ক্ষতি হয় না।

এডেনিয়ামের মাটি কেমন হবেঃ

এডেনিয়ামের জন্য সঠিক খাবার সরবরাহ করবে, কিন্তু জল জমতে দেবে না; এমন মাটি তৈরি করে নিতে হবে। দোআঁশ মাটি এক ভাগ, বালি এক ভাগ, ভার্মি কম্পোস্ট বা এক বছরের পুরনো গোবর অথবা পাতাপচা সার এক ভাগ এবং বাকি এক ভাগে থাকবে সমান পরিমাণে কাঁকর ও কাঠ কয়লার টুকরো; এর সঙ্গে প্রতি টবের হিসেবে হাফ চামচ হাড়গুঁড়ো, হাফ চামচ শিং-কুচি, হাফ চামচ নিমখোল, এক চা-চামচ ফাঙ্গিসাইড ভালো করে মিশিয়ে নিলেই উপযুক্ত মাটি তৈরি হয়ে যাবে। এই মাটি ছোট থেকে বড় সমস্ত রকমের এডেনিয়ামের চারা রোপণ ও রি-পটিং করার জন্য উপযুক্ত মাটি। এই মাটি দিয়ে টবের আশিভাগ ভর্তি করে ঠিক মধ্যিখানে চারার শেকড়-অংশটা বসিয়ে চারপাশের মাটি ভালো করে চেপে দিন, তারপর পর্যাপ্ত জল ঢেলে দিন। চারদিন গাছশুদ্ধ টবটি ছায়ায় রেখে, পঞ্চমদিন থেকে ফুলসানলাইটে রাখুন।

এডেনিয়ামের খাবারঃ

ছোট্ট চারা বসানোর পর পরবর্তী কুড়ি থেকে পঁচিশদিন খাবার দেওয়ার প্রয়োজন নেই। গাছকে নতুন মাটিতে জমিয়ে বসতে এটুকু সময় অন্তত দিন। মাটিতে থাকা খাবার এই সময় সে আরামসে খেতে পারবে। এরপর যখন খাবার দেওয়া শুরু করবেন, তখনও ঐ কুড়ি-পঁচিশ দিনের গ্যাপ রাখবেন। ছোট চারাকে এই সময় টব প্রতি এক চামচ বাদাম খোল ভেজানো জল বা দশঃছাব্বিশঃছাব্বিশ বা জিরোঃবাহান্নঃচৌত্রিশ এক লিটার জলে দু’গ্রাম মিশিয়ে দেবেন। আর দেবেন ফাঙ্গিসাইড একই পরিমাণে। এই খাবারগুলো একটু ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেবেন।

বড় গাছের জন্য মাসে একবার টব প্রতি বাদাম খোল এক চামচ এক লিটার জলে ভিজিয়ে দেবেন। সিঙ্গল সুপার ফসফেট টব প্রতি এক চা-চামচ দেবেন। পনেরো দিন অন্তর সরষের খোল ভেজানো জল পাতলা করে দিয়ে যাবেন। এর সঙ্গে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দশঃছাব্বিশঃছাব্বিশ বা জিরোঃবাহান্নঃচৌত্রিশ এনপিকে এক লিটার জলে দু’গ্রাম টব প্রতি দিয়ে যাবেন। সঙ্গে দেবেন ফাঙ্গিসাইড। ব্যস, আর কিচ্ছু লাগবে না।

এবার বলি জলের কথা। গাছে জল দেবেন মাটি শুকিয়ে আসছে দেখলে তবেই। ভেজা মাটিতে জল দেবেন না, মাটি খটখটে হয়ে শুকিয়েও যেতে দেবেন না। এটা ছোট-বড় সব ধরণের গাছের জন্যই সমানভাবে মেন্টেইন করবেন।

এডেনিয়াম (মরুভূমির গোলাপ নামেও পরিচিত) গাছের পরিচর্যা অন্যান্য গাছের চেয়ে সহজ, এর জন্য পর্যাপ্ত সূর্যালোক, সঠিক মাটি এবং পরিমিত জল প্রয়োজন।
এডেনিয়াম গাছের পরিচর্যা:
আলো:
এই গাছ সরাসরি রোদ খুব পছন্দ করে এবং প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টা সরাসরি সূর্যালোকের প্রয়োজন হয়। সুস্থ বৃদ্ধি ও ফুল ফোটার জন্য পর্যাপ্ত সূর্যালোক গুরুত্বপূর্ণ।
মাটি:
এডেনিয়ামের জন্য এমন মাটি ব্যবহার করা উচিত যা জল নিষ্কাশনে সক্ষম। ৪০% মাটি, ৩০% কম্পোস্ট এবং ৩০% নুড়ি/বালি মিশিয়ে একটি পটিং মিডিয়া তৈরি করা যেতে পারে।
জল:
মাটি খটখটে হয়ে গেলে জল দিন, তবে অতিরিক্ত ভেজা মাটিতে জল দেওয়া উচিত নয়।
তাপমাত্রা:
তাপমাত্রা কমে গেলে অ্যাডেনিয়াম সুপ্তাবস্থায় চলে যেতে পারে এবং পাতা ঝরে যেতে পারে। এই সময় গাছগুলিকে ঠান্ডা থেকে রক্ষা করতে ঘরের ভিতরে রাখা ভালো।
সার:
সুপ্তাবস্থায় খুব অল্প আলোর প্রয়োজন হয় এবং এই সময়ে অন্ধকার গ্যারেজ বা শেডে রাখা যেতে পারে।
রোগ ও পোকা:
অ্যাডেনিয়াম গাছের রোগ ও পোকা দমনে সঠিক সময়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
সার প্রয়োগ:
ফুল আনার জন্য বিশেষ কোনো বিশেষ যত্নের প্রয়োজন নেই, তবে গাছের স্বাস্থ্যের জন্য সঠিক সময়ে সঠিক সার প্রয়োগ করা উচিত।

❤️এডেনিয়ামের  🌟 যত্ন ও পরিচর্যা 🌟1) মাটি তৈরি: এডেনিয়ামের জন্য একটু আলাদা মাটি বানাতে হয়। 30% মাটি 40% গোবর সার 20% মোটা...
01/10/2025

❤️এডেনিয়ামের 🌟 যত্ন ও পরিচর্যা 🌟
1) মাটি তৈরি: এডেনিয়ামের জন্য একটু আলাদা মাটি বানাতে হয়। 30% মাটি 40% গোবর সার 20% মোটা বালি 5% নিমখোল 5% লাল পটাশ। ( ছোটো চারা গাছ হলে পটাশ দেবেন না) এগুলো ভালো করে মিশিয়ে ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে বা মার্চের প্রথমের দিকে গাছ রিপট করবেন সাথে ডাল কাটাই ছাঁটাই করবেন।

2) জল: এডেনিয়ামের বেশি জল প্রয়োজন হয়না এটা সত্যি কিন্তু সেটা বড়ো গাছের ক্ষেত্রে। ছোটো গাছ গুলোকে জলের অভাব দিলে গাছের করডেক্স ভালো হবে না সাথে করডেক্স গুলো শুকিয়ে যাবে। করডেক্সে এডেনিয়াম খাবার সংগ্রহ করে রাখে। তাই গাছ বড়ো না হওয়া পর্যন্ত জল দিতে থাকবেন।

3) রোগ প্রতিরোধ: এই গাছে সেইরকম রোগ নেই বললেই চলে। শুধুমাত্র একটাই সমস্যা সেটা হলো পচন ধরা। বেশি জল হলেও চলবে না কম জল হলে ও চলবে না যখন আপনার গাছ ছোটো। তাই মাঝে মাঝে সাফ ফাঙ্গিসাইড গাছে স্প্রে করবেন ও জলে গুলে মাটিতে দেবেন। গাছকে সম্পূর্ণ রোদে রাখবেন।

4) ফুলের সমস্যা: সবার প্রথমে গাছকে বড়ো করে নেবেন ফুলের চিন্তা না করে। তারপর ফুল না আসলে অল্প পরিমাণে DAP জলে গুলে গাছে দেবেন ও জল দেওয়া কম করে দেবেন গাছে। কুড়ি ঝরে যাওয়ার সমস্যা হতে পারে তারজন্য কুড়ি দেখা দিলেই গাছে জল দেবেন নাহলে ঝরে যাবে।

5) অতিরিক্ত খাবার: এইগাছে একবার খাবার দিলেই চলে কিন্তু আপনি মাসে একবার লাল পটাশ তার একমাস পর অল্প গোবর সার এগুলো দিতে পারেন। অনেকে বলেন খোল পচা জল না দিতে গাছ পচে যেতে পারে কিন্তু আমি দিয়ে থাকি কোনো সমস্যা হয়না।

6) গ্রাফটেড এডেনিয়াম: সাধারণত V ও ট্যাবলেট গ্রাফটিং হয়ে থাকে। এটা একটি ট্যাবলেট গ্রাফটিং। গ্রাফটিং নিয়ে আর কিছু লিখলাম না। লেখার থেকে YT যে যেকোনো vdo দেখলে ভালো বুঝতে পারবেন।

**এডেনিয়াম লাগানোর পদ্ধতি ও পরিচর্যা **ডেজার্ট রোজ, এডেনিয়াম অবেসাম, এডেনিয়াম এরাবিকাম, এডেনিয়াম বোহেমিয়ান, এডেনিয়াম  সক...
17/09/2025

**এডেনিয়াম লাগানোর পদ্ধতি ও পরিচর্যা **

ডেজার্ট রোজ, এডেনিয়াম অবেসাম, এডেনিয়াম এরাবিকাম, এডেনিয়াম বোহেমিয়ান, এডেনিয়াম সকোট্রানাম, এরকম আরও অনেক নাম দিয়ে যে ফুল কে আমরা চিনি সেটা মূলত পাঁচটি প্রজাতি থেকে এসেছে। তবে আজ আমরা সেই প্রজাতি নিয়ে আলাপ করবোনা।
এর লাগানোর পদ্ধতি ও পরিচর্যা নিয়ে জানার চেস্টা করবো।
এডেনিয়ামের আদিনিবাস আফ্রিকার মরুঅঞ্চল । মরুভূমির কঠিন পরিস্থিতিতে বেঁচে থাকার জন্য এরা পানিকে নিজের শেকড়ের মধ্যে সঞ্চয় করে রাখে, যাতে করে পরবর্তী বৃষ্টিপাত হওয়া অবধি সে বেঁচে থাকতে পারে। আর এ জন্যই এডেনিয়ামের কডেক্স গুলো মোটা আকার ধারণ করে। কাজেই যারা এই গাছের কডেক্স কে মোটা দেখতে চান এবং অনেকটা বনসাইয়ের চেহারা দিতে চান, তারা এই গাছে বেশী পানি দেয়া থেকে বিরত থাকবেন।
যদিও এই গাছ মরুভূমি অঞ্চলের ফুল, সুখের বিষয় হল পর্যাপ্ত রোদ, উষ্ণ আবহাওয়া ও ভাল ড্রেইনেজ এর ব্যাবস্থা থাকলে যে কোন পরিবেশে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে এরা।
এই আলোচনা আমরা একটি পরিনত এডেনিয়াম গাছ, যার বয়স কমপক্ষে এক থেকে দেড় বছর হয়েছে, সেই গাছ কিভাবে, কোথায়, কখন লাগাতে হয় তা নিয়ে করবো।

#গাছ_লাগানোঃ

#কোন_সিজনেঃ
শীতকালে এডেনিয়াম গাছেরা ঘুমায়, সেজন্য সেই সময় না করাই ভাল। শীতের শেষে বসন্তের শুরুতে করাই উত্তম।

#পটের_আকারঃ
বড় পাত্রে এডেনিয়াম লাগালে গাছ মাটি থেকে প্রচুর পানি ও খাদ্য গ্রহন করবে, তাই গাছের গোড়া বেশী মোটা ও সুন্দর হবেনা এবং গাছ লম্বা হয়ে যাবে। গাছের কডেক্স অনুযায়ী টব নির্বাচন করতে হয়। টব পাল্টানোর সময় গাছের গোড়া থেকে সবদিকে সর্বোচ্চ দুই থেকে তিন আঙুল পরিমান বড় পাত্র এডেনিয়াম এর পটিং এর জন্য উপযুক্ত। গাছের কডেক্স যতক্ষন না মোটা হয়ে ঐ টবের কিনারা অবধি পৌঁছচ্ছে, ততদিন টব পাল্টানো ঠিক না। এর পর প্রতিবার নুতন করে টব পাল্টানোর সময় পূর্বের মাপের থেকে ২ থেকে ৩ সেন্টিমিটার বড় টবে এডেনিয়াম লাগাতে হবে।

্রস্তুতিঃ
পটে পানি জমে থাকা এডেনিয়ামের জন্য খুব ক্ষতিকারক। সেজন্য পট প্রস্তুতি ও পটিং মিশ্রন তৈরী করার ক্ষেত্রে বেশ কিছু সতর্কতার প্রয়োজন আছে যেন কোনভাবেই পটে পানি জমে না থাকে।
প্রথমেই দেখতে হবে পটের নিচে পানি নিষ্কাশনের জন্য যথেস্ট পরিমান ছিদ্র আছে কিনা। এরপর সেই ছিদ্রের উপর ভাংগা খোলা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। তার উপরে একসারি ইটের খোয়া দিতে হবে এমনভাবে যেন পটের তলা না দেখা যায়। তার উপর একসারি মোজাইকের দানার সমান ছোট ছোট পাথরকুচি দিতে হবে এমনভাবে যেন নিচের ইটের খোয়া আর না দেখা যায়। এর উপর আবার মোটাদানার সিলেট স্যান্ড এমনভাবে দিতে হবে যেন নিচের পাথরকুচি আর দেখা না যায়।

#পটিং_মিশ্রনঃ
বিদেশে বিভিন্ন গাছ লাগানোর জন্য তৈরী পটিং মিশ্রন পাওয়া যায়, এবং একইভাবে এডেনিয়ামের জন্যও তৈরী মিশ্রন পাওয়া যায়। আমাদের দেশেও নাকি ইদানিং পাওয়া যাচ্ছে, তবে যেহেতু তা আমাদের সকলের নাগালের মধ্যে পাওয়া যায়না সেই মিশ্রন আমাদেরই তৈরী করে নিতে হবে। যেই উপাদানগুলো আমাদের কাছে সহজলভ্য সেরকম উপাদান দিয়ে তৈরী মিশ্রনের কথা এখানে বলা হল।
কোন একটি পাত্রকে মাপের একক ধরলে সেই পাত্রের মাপ অনুযায়ী,

মাটি ................................ ১.০ পাত্র
ভারমি কম্পোস্ট .................. ১.০ পাত্র
সিলেট স্যান্ড ................... ২.০ পাত্র
নূড়ি পাথর ....................... ১.০ পাত্র
সাদা বালি ....................... ১/২ পাত্র
সুরকি ............................. ১/২ পাত্র
ধানের খোসা/চিটা ..............১/২ পাত্র
পুরনো গোবর সার ............. ১/২ পাত্র
কাঠ কয়লার ছোট দানা ...... ১/২ পাত্র
হাড়ের গুড়ো ..................... ১/২ পাত্র
নীম খৈল এর গুড়ো ........... ১/২ পাত্র
পাতা পচাঁ ........................ ১/২ পাত্র
ছাই ................................ ১/২ পাত্র

২১/২২ দিন এই উপাদান গুলো মিশিয়ে তৈরী রাখতে হবে গাছ লাগানোর জন্য।

#গাছ_লাগানোঃ
যে গাছটি লাগানো হবে সেটি আগের টব থেকে সাবধানে তুলে এর নিচের সব মাটি ভাল করে পরিস্কার করে নিতে হবে এবং ট্যাপের পানি ছেড়ে তাতে ধুয়ে নিতে হবে। এবার এই গোড়াটি ছত্রাকনাশকের দ্রবনে দশমিনিট চুবিয়ে রেখে লাগানোর পূর্বে ভাল করে বাতাসে শুকিয়ে নিতে হবে।
এখন গাছের কডেক্স এর যেই অংশ আগে মাটির নিচে ছিল সেই পরিমান মাটির নিচে রেখে এমনভাবে পট করতে হবে যেন মিশ্রন দেয়া সম্পন্ন হলে এর মিশ্রনের উপরিভাগ পটের কিনারা থেকে এক ইঞ্চি নিচে থাকে।
এই নূতন লাগানো গাছটি এখন এক বা দুইদিন ছায়াতে রেখে তারপর রোদে রাখতে হবে এবং নিয়মিত অল্প পরিমাণ পানি দিতে হবে।

তথ্যসুত্রঃ তথ্যমূলক নিবন্ধন ।
সাত্তার খাঁন।

এডেনিয়ামের যাত্রা শুরু।
28/08/2025

এডেনিয়ামের যাত্রা শুরু।

Address

Putina Bazar
Dhaka
1720

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adenium e-Garden posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share