07/05/2026
ইনডোর বাগান কিংবা বারান্দা বাগান করা শুরু করতে চাই? কী কী কিনবো? সার, সরঞ্জাম?
যদি বাগান করার অভিজ্ঞতা না থাকে তাহলে শুরুতে টব, মাটি, গাছের সাথে প্রাথমিক পর্যায়ে লাগবে এরকম সার ও সামগ্রী কিনলেই হবে। প্রাইমারী একটা তালিকা যারা বাগান করা শুরু করবেন কী কী সার ও সরঞ্জাম কিনবেন?
- মাটি, টব ও গাছ তো কিনবোই। তার সাথে লাগবে গাছের খাবার।
- কম্পোস্ট-
একটা গাছের ছোটো থেকে বড় হতে , বলা যায় শিশু থেকে কিশোর হতে নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ সার লাগে। যা পাওয়া যায় কম্পোস্ট সারের মধ্যে। যেমন- পুরনো শুকনো গোবর, পাতা পঁচা সার, ভার্মিকম্পোস্ট ইত্যাদি। আমাদের পেইজ Lazy mumma shop এ মিশ্র জৈব সার পাবেন ১ কেজির প্যাকেটে।😊
এই কম্পোস্ট টবের মাটি তৈরীর সময় দিতে পারি। আবার প্রতি ১-২ মাসে টবের মাটির সাথে অল্প কম্পোস্ট মিশিয়ে দিলে গাছ তার বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবে।
-নিম খৈল
এছাড়া যখন মাটি তৈরী করবো, নিম খৈল মিশিয়ে দিলে মাটি সুরক্ষিত থাকে। নিম খৈল কমপোস্টের সাথেও মিশিয়ে দিতে পারি। মাটিতে ক্ষতিকারক পোঁকামাকড়ের উপদ্রব কম হয়।
নিম খৈলের ১ কেজির প্যাকও পেয়ে যাবেন আমাদের পেইজে।😁
- নিমতেল
মাটির সাথে গাছও রোগপোঁকা থেকে দূরে রাখতে প্রতি ১-২ মাসে বা মাসে ২ বারও নিমতেল পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারি। নিমতেলের ১০০ মিলি বোতল পাবেন আমাদের কাছে।
- ইপসম সল্ট
যদি ইনডোর গার্ডেনিং করি বা বারান্দা বাগান করতে চাচ্ছি, গাছের পাতা এক্ষেত্রে মূল আকর্ষণ। তাই পাতা সবুজ রাখতে প্রতি ১-২ মাসে ইপসম সল্ট স্প্রে করতে পারি।
এতে পাতায় একটা চকচকে ভাব আসে, গাছও হেলথি থাকবে। এই ইপসম সল্ট টবভেদে ১-২ চামচ মাটির সাথেও ২-৩ মাসে একবার মিশিয়ে দিতে পারি।
ইপসম সল্টের ১ কেজি প্যাকেটও পাবেন আমাদের কাছে।
😜
- সীউইড এক্সট্রাক্ট-
গাছকে এক্সট্রা কেয়ার দিতে চাইলে প্রতি ২-৩ মাসে একবার করে সীউইড পানির সাথে মিশিয়ে টবের মাটিতে দিলে গাছ তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পায়। শিকড় মজবুত হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। যাদের বাগানের যত্ন করার সময় হয় না। তাদের জন্য এটা বেশ হেল্প করে। সব ধরনের গাছে দেওয়া যায়। আমাদের কাছে বায়োভিটা সীউইড এক্সট্রাক্ট লিকুইড পাবেন।
- স্প্রে বোতল-
আমরা যেহেতু গরমের দেশ, তাই গাছে পানি স্প্রে করলে আদ্রতা বজায় থাকে। এছাড়া সার স্প্রে করার জন্যও স্প্রে বোতল প্রয়োজন।
আমাদের পেইজে ২ আর ৩ লিটারের প্রেসার স্প্রে পাবেন। 😊
- গ্লাভস
যারা মাটি ধরতে অস্বস্তি বোধ করেন, আবার বাগানের কাজে পোঁকামাকড়ের ভয় পান, তাদের গার্ডেনিং গ্লাভস ব্যবহার করা উচিৎ। দুই ধরনের গার্ডেনিং গ্লাভস পাবেন আমাদের কাছে।
-বেলচা- মাটির কাজের জন্য খুব প্রয়োজন হয় বেলচা । টবের মাটি আলগা করা, মাটি তৈরী সহ নানান কাজে বাগানীর বেলচা লাগেই। রাবার হ্যান্ডেল বেলচা আছে আমাদের পেইজে।😊
-সরিষার খৈল
সরিষা খৈল নাইট্রোজেনের খুব ভালো উৎস। দামেও কম। এটা পানিতে ভিজিয়ে গাছে দিলে গাছের বেড়ে উঠতে দারুণভাবে কাজ করে। তবে নিয়ম মেনে দিতে হয়। সরিষার খৈল গুড়া সরাসরি টবের মাটিতে দেওয়া যায়। সমস্যা একটাই ভিজিয়ে রাখলে দুর্গন্ধ হয়।🥹
- ছত্রাকনাশক বা ফাঙ্গিসাইড
গাছে , মাটিতে ছত্রাকের সমস্যা হতে পারে। তাই একটা রুটিন করে ২-৩ মাসে একবার করে ছত্রাকনাশক পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করলে ছত্রাকের সংক্রমন থেকে নিরাপদ থাকা যায়। সাফ ছত্রাকনাশকের ১০০ গ্রাম প্যাক পাচ্ছেন আমাদের কাছে।
কোকোপোল-
ইনডোর বাগান বা বারান্দা বাগান করলে লতানো কোনো গাছ যেমন- মানিপ্লান্ট, ফিলোডেনড্রোন নিলে সাপোর্ট স্টিক লাগে।এটাও আমাদের কাছ থেকে নিতে পারবেন।😁
মোটামুটি এগুলো প্রাথমিকভাবে একটা ওর্নামেন্টাল বাগানের জন্য যথেষ্ট। পণ্যগুলো নিতে চাইলে এখানে ইনবক্স করতে পারেন অথবা ভিজিট করতে পারেন।