Mahas Musings

Mahas Musings "Sharing my journey to remind you that you’re not alone in yours. “�

09/04/2026
আজকে নতুন এক্ট কেক এর ট্রাই করেছি। এটা এত মজা হয়েছে,আমি নিজেই অনেকগুলো খেয়ে ফেলেছি। এবং চা এর সাথে বেস্ট একটা কম্বিনেশ...
09/04/2026

আজকে নতুন এক্ট কেক এর ট্রাই করেছি। এটা এত মজা হয়েছে,আমি নিজেই অনেকগুলো খেয়ে ফেলেছি। এবং চা এর সাথে বেস্ট একটা কম্বিনেশন। 😍

যেহেতু কেকে অনেক চিনি থাকে, চা টা কিন্তু সুগারফ্রী।




কথায় আছে কারো সাথে রাগ/জিদ/অভিমান হলে,তার সাথে সেই বিষয়ে কথা বলার আগে ৩ দিন সময় নিন। ৩ দিন পর আপনি কোনো স্ট্রং কারণ খ...
05/04/2026

কথায় আছে কারো সাথে রাগ/জিদ/অভিমান হলে,তার সাথে সেই বিষয়ে কথা বলার আগে ৩ দিন সময় নিন। ৩ দিন পর আপনি কোনো স্ট্রং কারণ খুঁজে পাবেন না ওই রাগের।

এক্ষেত্রে নিজেকে নিজে ৩ টা প্রশ্ন করতে পারেন:
১. সেই মানুষটার কাছ থেকে আপনি কি পেয়েছেন?
২. সেই মানুষটা আপনার কাছ থেকে কি পেয়েছে?
৩. সেই মানুষটার জন্য আপনার কি কি সমস্যায় পরতে হয়েছে?

এই ৩ টা প্রশ্নের উত্তর গভীরভাবে ভাবলে অন্য কারো উপর আর কোনো অভিমান থাকবে না, বরং নিজের deep sense reflection সামনে আসবে।
তখন অন্যকে আর দোষী মনে হবে না, মনে হবে নিজেকে আরো একটু better করি। নিজের ইমোশনের যত্ন নেই।



মা হওয়ার পরে পৃথিবীর যত প্রবলেমই আসুক, যুদ্ধ/জুলাই আন্দোলন যাই হোক,সবার আগে চিন্তা হয় আমার বাচ্চাটার জন্য। নিজের জন্যও ...
05/04/2026

মা হওয়ার পরে পৃথিবীর যত প্রবলেমই আসুক, যুদ্ধ/জুলাই আন্দোলন যাই হোক,সবার আগে চিন্তা হয় আমার বাচ্চাটার জন্য।
নিজের জন্যও কোনো চিন্তা আসে না।

শুধু আমরই কি এমন হয় নাকি সব মায়েদেরই হয়!?

#মা

゚viralシ

মেয়েদের teenage টাইমটা খুবই নাজুক একটা সময়। অতি আবেগ, অতি রাগ, অতি অভিমান,সবকিছু এত অতি থাকে যে, অনেক সময় right/worng...
29/03/2026

মেয়েদের teenage টাইমটা খুবই নাজুক একটা সময়। অতি আবেগ, অতি রাগ, অতি অভিমান,সবকিছু এত অতি থাকে যে, অনেক সময় right/worng বিবেচনা করার ক্ষমতা থাকে না।

এই নাজুক সময়টা থাকে প্রেমে পড়ার বয়স। teenage মেয়েদেরকে ইমপ্রেস করার মতো ভোমরার অভাব থাকে না। কোনো ছেলে কোনো মেয়ের পিছনে একটু effort দিলেই ম্যাক্সিমাম ক্ষেত্রেই প্রেমের শুরু হয়ে যায়। আর ভুল করাও শুরু হয় তখন থেকে।

যেই টপিকটা নিয়ে আজকে বলব এটা একটু সেনসিটিভ। কিন্তু এই ব্যপারে কথা বলা শুরু করাটাও দরকার ।

প্রেমের একটা part হচ্ছে সেক্স। এই বয়সে মেয়েদের মাঝে একটা ভুল ধারণা থাকে একবার কারো সাথে সেক্স হয়ে গেল মানেই এখন এই ছেলে ছাড়া আর ভাবা যাবে না। তখন অনেক সময় অনেক toxic রিলেশনশিপে থাকলেও বের হতে পারে না। দিন দিন নিজের লাইফ/career সব নষ্ট হতে থাকে।

এই ক্ষেত্রে একমাত্র বাবা/মা পারেন,স্পেশালি মায়েরাই পারেন মেয়েদের এই কঠিন সময়টা থেকে বের করে আনতে।

আপনার মেয়ে সে ভুল করে কারো সাথে জড়িয়ে গেলেও সে আপনারই মেয়ে। তাঁকে ভালো করে কিছু জিনিস বুঝিয়ে দিতে হবে।

>সেক্স একবার হয়ে গেলে(তা নিজের ইচ্ছায় /অনিচ্ছায় হোক, বয়সের ভুলে হোক, আবেগে হোক আর জোর জবরদস্তি করে হোক ) আর মুখ দেখানো যাবে না, জীবন stop করিয়ে দিতে হবে।
এই ধারণা থেকে মেয়েদের বের করে আনতে হবে।

(ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেতো সবরকম যিনাহ থেকেই দূরে থাকতে বলা হইছে।)

>সেক্ষেত্রে আপনি যদি এই এপ্রোচ এ থাকেন, সেক্স একবার হয়ে গেলে তুমি শেষ সেক্ষেত্রে মনে রেখেন, সেক্স আপনার মেয়েকে শেষ করবে না।
আপনার মেয়েকে ধ্বংস করবে আপনার চিন্তা।

>বাচ্চারা যখন বাবা মায়ের কাছে সেফলি সব ইমোশন্স explore করতে পারে, ওই বাচ্চা ভুল করে কম। বাবা মায়ের কাছে বলা যাবে না বা বললে তাঁদের রিঅ্যাকশন খুব খারাপ হবে এইটা জানা বাচ্চাদের ভুলের পরিমান বেশি থাকে।

>কাউকে পছন্দ করো সমস্যা নাই, টাইম নাও, যদি দেখো তার সাথে রিলেশনশিপ থাকা অবস্থায় তোমার growth হচ্ছে তার মানে তুমি সঠিক মানুষের সাথে আছো।
এর উল্টো হইলে সে ভুল মানুষ তোমার জন্য।

টাইম নাও, re check এন্ড re think

>দুই চার সেক্স হইলে ই যে তার সাথে সারাজীবন থাকতে হবে, not necessarily.
ব্যস, এতটুকু ই।

মেয়েকে যখন এইসব হিসাব শিখাবেন,মেয়ে জানবে
> প্রেগন্যান্ট অবস্থায় তাকে যখন কেউ ছেড়ে যায়, এটা তার দোষ না, নিজেকে blame করার কিছু নাই।

> হাই স্কুল সুইট হার্ট যখন তার সাথে physically intamate হয়, এর পর ছেলেটার জীবন as usual থাকে। বিয়ের আগে প্রেগন্যান্সি মেয়েদের জীবনে stop করে দেয়।

> বাচ্চা হয়ে গেলে যদি হাসব্যান্ড ধানাই পানাই শুরু করে, তখনো জীবন থামাতে হয় না।মানুষ যেকোনো বয়সে restart দিতে পারে।যে তোমাকে চায় না, তার কাছে তুমি begging করবা না। প্রেগন্যান্সি, বাচ্চা যেন তোমার দুর্বলতা না হয়।

মেয়েকে এইভাবে বড় করেন, ট্রাস্ট me, আপনার মেয়ে কোনো দিন ও ভুল করতে পারবে না। ইনশাআল্লাহ তার ভুল হবে না।সে জানবে, mummy has my back, no matter what.

আপনি সারাজীবন থাকবেন না এই সত্য মেনে মেয়েকে বড় করবেন। কোনো paralysing thought মেয়ের মাথায় ঢুকাবেন না।

আপনি আমি মিলে সমাজ।আমরা যা করবো তাই নিয়ম, বুঝছেন?

আপনার জীবন, আপনার মেয়ে আপনি সাজাবেন ঠিক যেমন আপনি চান।

Lets not hope for better society.
Lets create one.

❤️Save our daughters from paralysing thoughts.

#বাংলাকাউন্সেলিং

"টাকা অনেক কিন্তু শান্তি নেই? কেন হচ্ছে এমন?"যৌথ আয় ও কর্মব্যস্ত জীবনে বরকত লাভের উপায়⤵️⤵️​স্বামী-স্ত্রী দুজনেই কাজ করছে...
02/02/2026

"টাকা অনেক কিন্তু শান্তি নেই? কেন হচ্ছে এমন?"

যৌথ আয় ও কর্মব্যস্ত জীবনে বরকত লাভের উপায়⤵️⤵️

​স্বামী-স্ত্রী দুজনেই কাজ করছেন, মাস শেষে অনেক টাকা ঘরে আসছে, তবুও মাস শেষ হতে না হতেই পকেট খালি? ঘরে শান্তি নেই, বাচ্চার জন্য সময় নেই, ইবাদতেও মন নেই? এর মূল কারণ হলো 'বরকত'-এর অভাব। বরকত মানে হলো অল্প জিনিসে বেশি উপকার পাওয়া।

​ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহ.) যথার্থই বলেছেন— "রিজিক মানে শুধু টাকার পাহাড় নয়; বরং রিজিক হলো সেই বরকত যা আপনাকে শান্তিতে রাখে।"

​১. রিজিকের প্রশস্ততায় মহান আল্লাহর ঘোষণা

​আমাদের মনে রাখা উচিত, রিজিক দাতা আল্লাহ। আমরা কেবল পরিশ্রম করি। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন:
​وَمَا مِن دَابَّةٍ فِي الْأَرْضِ إِلَّا عَلَى اللَّهِ رِزْقُهَا
​অর্থ: "আর পৃথিবীতে বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই যার রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই।" (সূরা হুদ: ৬)
​সুতরাং, ক্যারিয়ারের পেছনে ছুটতে গিয়ে রিজিকদাতাকে ভুলে গেলে সেই আয়ে কখনো স্বস্তি আসবে না।

​২. সকালের বরকত ও বিশেষ দোয়া (ফজরের পর)

​রাসূলুল্লাহ (সা.) উম্মতের সকালের সময়ের জন্য বরকতের দোয়া করেছেন। সকালে দুজনে একসাথে অন্তত ৫ মিনিট বসে এই দোয়াটি পড়ুন:
​اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا
​উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইলমান নাফিআ, ওয়া রিজকান তায়্যিবা, ওয়া আমালান মুতাক্বাব্বালা।
​অর্থ: "হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিজিক এবং কবুলযোগ্য আমল প্রার্থনা করছি।" (সুনানে ইবনে মাজাহ: ৯২৫)

​৩. শুকরিয়া ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

​স্বামী-স্ত্রী দুজনে মিলে যখন আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবেন, আল্লাহ তখন নেয়ামত বাড়িয়ে দেবেন। কুরআন বলছে:
​لَئِن شَكَرْتُمْ لَأَزِيدَنَّكُمْ ۖ وَلَئِن كَفَرْتُمْ إِنَّ عَذَابِي لَشَدِيدٌ
​অর্থ: "যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করো, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের (নিয়ামত) বাড়িয়ে দেব; আর যদি অকৃতজ্ঞ হও, তবে মনে রেখো আমার শাস্তি বড়ই কঠোর।" (সূরা ইবরাহিম: ৭)

​৪. একসাথে খাবার গ্রহণ: সুন্নতি সমাধান

​কর্মব্যস্ততার কারণে একসাথে খাওয়া হয় না অনেকেরই। অথচ একসাথে খাওয়ায় বরকত আছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "তোমরা একত্রে খাবার খাও এবং আল্লাহর নাম (বিসমিল্লাহ) নাও, এতে তোমাদের বরকত দেওয়া হবে।" (আবু দাউদ)

​৫. অভাব দূর করতে 'ইস্তিগফার'-এর শক্তি

​যদি দেখেন আয় বাড়ছে কিন্তু অভাব দূর হচ্ছে না, তবে বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়ুন। পবিত্র কুরআনে নূহ (আ.)-এর ভাষায় আল্লাহ বলেন:
​فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا وَيُمْدِدْكُم بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ
​অর্থ: "আমি বলেছি, তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও (ইস্তিগফার করো), নিশ্চয়ই তিনি অতি ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের ওপর অজস্র ধারায় বৃষ্টি বর্ষণ করবেন এবং তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দেবেন।" (সূরা নূহ: ১০-১২)
​আমল: রাতে ঘুমানোর আগে দুজনে অন্তত ১০০ বার "আস্তাগফিরুল্লাহ" পড়ুন।

​৬. নিয়মিত সদকা বা দান করা

​বেতন পাওয়ার পর নিজের প্রয়োজন মেটানোর আগেই কিছু অংশ আল্লাহর রাস্তায় দান করে দিন। এটি সম্পদের 'ফিল্টার' হিসেবে কাজ করে।
​হাদিস: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "দান করলে সম্পদ কমে না।" (সহীহ মুসলিম)

​৭. জুমুআর দিনের বিশেষ দোয়া

​শুক্রবার আসর থেকে মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়টি দোয়া কবুলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে দুজনে মিলে ঘরের বরকতের জন্য মোনাজাত করুন। আল্লাহ যেন আপনাদের হালাল উপার্জনকে সহজ করে দেন এবং হারাম থেকে দূরে রাখেন।


৮. ঘরে প্রবেশের দোয়া ও সালাম (শান্তির মূলমন্ত্র)

​সারাদিন বাইরে কাজ শেষে যখন ঘরে ফিরবেন, তখন এই আমলটি ঘর থেকে অভাব দূর করতে জাদুর মতো কাজ করে।
​আমল: ঘরে ঢোকার সময় ডান পা দিয়ে প্রবেশ করুন এবং উচ্চস্বরে পরিবারের সবাইকে সালাম দিন। ঘরে কেউ না থাকলেও সালাম দিন। এরপর নিচের ছোট দোয়াটি পড়ুন:
​اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَ الْمَوْلَجِ وَخَيْرَ الْمَخْرَجِ
​উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খইরাল মাওলাজি ওয়া খইরাল মাখরাজ।
​অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে বরকতময় প্রবেশ এবং বরকতময় বাহির হওয়া প্রার্থনা করছি। (আবু দাউদ)

​৯.সূরা আল-ওয়াকিয়াহ পাঠ (দারিদ্র্য মুক্তির গ্যারান্টি)

​যাঁদের আয়ে বরকত হয় না বা অভাব লেগেই থাকে, তাঁদের জন্য এই সূরাটি একটি বড় নিয়ামত।
​কুরআনের শিক্ষা: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— "যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়াহ তিলাওয়াত করবে, সে কখনো দারিদ্র্যের শিকার হবে না।" (বায়হাকি, মিশকাত)
​পরামর্শ: রাতে মাগরিব বা এশার পর স্বামী-স্ত্রী মিলে অন্তত একবার এই সূরাটি পাঠ করার অভ্যাস করুন। তিলাওয়াত করতে না জানলে মোবাইলে অডিও ছেড়ে দিয়ে দুজনে মন দিয়ে শুনতে পারেন।

​১০. সূরা আল-বাকারাহ তিলাওয়াত (ঘর থেকে অশান্তি দূর করতে)

​অশান্তি ও কলহ দূর করার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর। শয়তান সেই ঘরে থাকতে পারে না যেখানে সূরা বাকারাহ পড়া হয়।
​হাদিস: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— "তোমরা তোমাদের ঘরগুলোকে কবরস্থান বানিও না। নিশ্চয়ই শয়তান সেই ঘর থেকে পালিয়ে যায় যেখানে সূরা আল-বাকারাহ পাঠ করা হয়।" (সহীহ মুসলিম)
​পরামর্শ: অন্তত তিন দিনে একবার এই সূরাটি ঘরে তিলাওয়াত করার চেষ্টা করুন।

​১১. নামাজের পর তাসবিহে ফাতেমি (ক্লান্তি দূর করতে)

​সারাদিন কাজ করার পর শরীর ও মনে যে ক্লান্তি আসে, তা দূর করার জন্য এটি মা ফাতিমা (রা.)-কে শিখিয়ে দেওয়া স্বয়ং রাসূল (সা.)-এর ফর্মুলা।
​আমল: রাতে ঘুমানোর আগে অথবা প্রতি নামাজের পর:
​সুবহানাল্লাহ (৩৩ বার)
​আলহামদুলিল্লাহ (৩৩ বার)
​আল্লাহু আকবার (৩৪ বার)
​উপকারিতা: এটি পড়লে ক্লান্তি দূর হয় এবং কাজে অভাবনীয় শক্তি ও বরকত পাওয়া যায়।

​১২.আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা

​বিস্ময়কর হলেও সত্য, আত্মীয়দের সাথে ভালো ব্যবহার এবং তাদের খোঁজ-খবর রাখা রিজিক বাড়ার অন্যতম শর্ত।
​হাদিস: নবীজি (সা.) বলেছেন— "যে ব্যক্তি তার রিজিক প্রশস্ত করতে চায় এবং আয়ু বাড়াতে চায়, সে যেন তার আত্মীয়দের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখে।" (সহীহ বুখারী)
​পরামর্শ: দুজনে মিলে সিদ্ধান্ত নিন যে সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের বাবা-মা ও নিকট আত্মীয়দের ফোন দেবেন বা তাদের জন্য ছোট কোনো উপহার পাঠাবেন।

​১৩.অপচয় বর্জন করা

​টাকা আয় করার চেয়েও বড় হলো সেই টাকার অপচয় রোধ করা। আল্লাহ অপচয়কারীকে পছন্দ করেন না।
​কুরআনের বাণী: إِنَّ الْمُبَذِّرِينَ كَانُوا إِخْوَانَ الشَّيَاطِينِ
​অর্থ: "নিশ্চয়ই অপচয়কারীরা শয়তানের ভাই।" (সূরা বনী ইসরাঈল: ২৭)
​পরামর্শ: দুজনে মিলে মাসের বাজেটে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানোর চেষ্টা করুন। যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকুই খরচ করলে বাকি টাকায় আল্লাহ বরকত ঢেলে দেবেন।

​আপনার জন্য একটি ছোট রুটিন (পরামর্শ):

সময় [ ফজর]

আমল ( দোয়া কবুলের সময়; রিজিকের বিশেষ দোয়া (৭ বার) ও মাসনুন দোয়া।)

সময় [অফিস সময়]

আমল( কাজের ফাঁকে মনে মনে 'আস্তাগফিরুল্লাহ' বা 'সুবহানাল্লাহ' পাঠ করা।)

সময় [রাত/এশা]

আমল ( সূরা ওয়াকিয়াহ তিলাওয়াত এবং তাসবিহে ফাতেমি পড়ে ঘুমানো।)

সময় [সাপ্তাহিক ]

আমল (কিছু টাকা আল্লাহর পথে দান (সদকা) করা।)

সংসার মানে কেবল টাকা জমানো নয়, সংসার মানে হলো একসাথে জান্নাতের পথে হাঁটা। কাজের ব্যস্ততা যেন আপনাদের সালাত এবং আল্লাহর জিকির থেকে দূরে না সরিয়ে দেয়। মনে রাখবেন, আল্লাহকে সময় দিলে আল্লাহ আপনার সময়ের বরকত বাড়িয়ে দেবেন।
আল্লাহ আপনাদের দাম্পত্য জীবনে এবং আয়ে অবারিত বরকত দান করুন। আমিন।

​ #সংসার #বরকত #রিজিক #স্বামী_স্ত্রী #শান্তি #সাফল্য #ইসলামিক_জীবন #হালাল_রিজিক #বরকতের_আমল #নামাজ #দোয়া #ফজর #ইস্তিগফার #সদকা #সুন্নাহ #ইসলামিক_পোস্ট #অনুপ্রেরণা #সফলতা

29/01/2026

কিছু মানুষ আছে ভিড়ের মাঝে দাড়িয়ে থাকলেও আলাদা মনে হয়।

দেখতে খুব সাধারণ,কিন্তু নজর আটকে থাকে। এরা সাধারণত low-maintenance।

বাইরে থেকে সিম্পল মনে হয়, কিন্তু ভেতরে ভেতরে অসম্ভব শক্ত থাকে এরা।

Low-maintenance হওয়া মানে চাওয়া পাওয়া কম এমন কিছু না, বা নিজের প্রতি কম যত্ন নেওয়া না।

এর মানে হলো, নিজের ভেতরে শান্তি রাখা। নিজের প্রয়োজনীয় জিনিস কে বুঝতে পারা,

এবং অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো ছাড়তে পারা।

এরা কোনো কিছুতে validation খোঁজে না। একা থাকুক অথবা ভিড়ের মাঝে দুটোই তাদের জন্য কমফোর্ট।

কথা কম বলে, কিন্তু প্রয়োজন হলে পরিষ্কার বলে। কারণ এরা জানে, সব কথা জোরে বলতে হয় না।

সম্পর্কে এরা সবচেয়ে বেশি ভুল বোঝা হয়। অনেকেই ভাবে, এরা বুঝি কম ভালোবাসে।

আসলে এরা ভালোবাসে গভীরভাবে, কিন্তু প্রকাশ করেনা।

Low-maintenance মানুষ attention চায় না, presence চায়। দামি কিছু নয়, এক কাপ চা, নিঃশব্দ বিকেল, মন দিয়ে শোনা,

এই ছোট জিনিসগুলোই এদের কাছে বড়। এরা কম জিনিসে সুখ খুঁজে, এজন্য চাওয়া পাওয়া কম থাকে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এরা সহজ, কিন্তু দুর্বল নয়। চুপ থাকতে পারে, কিন্তু অসম্মান সহ্য করে না।

তাই কাউকে তার বাহ্যিক রূপ দিয়ে মাপবেন না। অনেক সময় সবচেয়ে গম্ভীর মানুষগুলোই সবচেয়ে শান্ত থাকে। আবার সবচেয়ে শান্ত মানুষগুলোই সবচেয়ে অশান্ত হয়ে যায়।

14/01/2026

আমার মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছা করে প্রত্যেকটা মানুষকে বলি, যেন তারা সাদকা করে... বেশি বেশি করে সাদকা করে। এমন করে সাদকা করেন, যেন আপনি নিজেই ভয় পেয়ে যান।

দেখেন আপনার অর্থ করি, টাকা পয়সা এগুলো আপনার না। আল্লাহ আপনাকে নিয়ামত হিসাবে দিয়েছেন। তিনি চাইলে কেড়েও নিতে পারেন।
আর সাদকা করলে, কখনও আপনার অর্থ কমবে না, বরং আরও বৃদ্ধি পাবে।

আপনার কাছে ১০০ টাকা আছে, ১০ টাকা সাদকা করেন। সহিহ নিয়তে নিয়মিত করেন।

কেই আমার কাছে financial advice চাইলে, আমি প্রথমেই বলি donate, donate, donate!

এখন পর্যন্ত কোনো মানুষ পাবেন না যারা কিনা রেগুলার সাদকা করে bankrupt হয়ে গেছে!

সাদকা করার সময় শয়তান আপনাকে "subtraction" এর ম্যাথ বুঝাবে অর্থাৎ আপনার তো অর্থ কমে যাচ্ছে... আপনি তখন শয়তানকে "multiplication" এর ম্যাথ বুঝাবেন... রিজিক মাল্টিপ্লাই হবে ইনশাআল্লাহ, ভয়ের কোনোই কারণ নাই......

ভাই, পাগল এর মতন সাদকা করেন...
রিজিকের টেনশন কইরেন না, ওইটা দেখবেন কিভাবে কিভাবে জানি চলে আসছে এবং চলে আসবেই.....

আমি এরকম মিরাকেল ছোট থেকে দেখতে দেখতে এখন প্রায় অভস্ত হয়ে গেছি আলহামদুলিল্লাহ। এখন ক্লোজ মানুষদেরও মিরাকেল দেখি, কীভাবে লাইফ চেঞ্জ হয়ে গেছে!
:
সংগৃহীত

03/01/2026

সংসার একটা সুন্দর জিনিস। শান্তির জায়গা। ছোট হোক,বড় হোক, একদম সিম্পল সাদামাটা অথবা খুব লাক্সারিয়াস যেমনই হোক-সংসার সুন্দর।(যদি আপনার পার্টনার খারাপ নাহয়)

খারাপের তো আবার অনেক সংজ্ঞা আছে। আপনি যেমন চাচ্ছেন আপনার পার্টনার সেরকম না/তেমন সাংসারিক না, কিন্তু কোনো কিছু নিয়ে আপনাকে কোনো প‍্যারা দেয় না-অনেকের কাছে সেটাও খারাপ। 😕 আবার নেশা করে এসে বউ পিটায় সেটাও খারাপ। যেই ধরনের খারাপ কিছু কোন মানুষের মাঝে থাকা ঠিক না,সেই খারাপ মানুষ নিয়ে সংসারের কথা বলছি না,এটা আলাদা বিষয়।

সংসারের একটা পানির বোতলের জন্যও এত মায়া কই থেকে আসে মেয়েরা নিজেরাও জানে না!
এইরকম ছোট ছোট সব মায়া মিলিয়ে যত মায়া হয়, তার এক-তৃতীয়াংশ মায়াও যদি আমরা আমাদের পার্টনারকে করি- দেখবেন সংসার আরো সুন্দর হয়ে যাবে।

দিনশেষে এই মানুষটার জন্যই কিন্তু আজকে আপনার সংসার। মানুষটার মায়া ছাড়া যত লাক্সারিয়াস সংসারই থাকুক না কেন, একটা সময় সেইগুলো ফিকে লাগবে।

#মায়া #জীবন

Address

Mirpur DOHS
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahas Musings posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share