JIBA Welcome to JIBa
Bringing beauty to your home & confidence to your style. Home décor | Fashion | Everyday elegance

02/04/2026

আপনার ছোট্ট সোনামণির জন্য এটা কেমন হবে??

01/04/2026

✨ Smart Study, Happy Kids! ✨
3–13 বছর বয়সী বাচ্চাদের জন্য perfect adjustable study desk 💺📚
Comfortable design + healthy posture = better focus & learning
🎯 Limited stock! এখনই অর্ডার করুন
📩 Inbox us for details & price

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সেনাবাহিনী ঘোষণা করেছে যে, তাদের সমন্বিত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে একটি মার্কিন MQ-9 R...
31/03/2026

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সেনাবাহিনী ঘোষণা করেছে যে, তাদের সমন্বিত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে একটি মার্কিন MQ-9 Reaper ড্রোন ভূপাতিত করেছে। ড্রোনটি ভোরে সনাক্ত করা হয় এবং ট্র্যাক করার পর নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে ধ্বংস করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে ইসফাহান প্রদেশের আকাশসীমায়।
এছাড়াও, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কেশম দ্বীপ এলাকায় একটি LUCAS একমুখী আক্রমণকারী ড্রোনও ভূপাতিত করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক এই ঘটনাগুলোর মাধ্যমে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দ্বারা ভূপাতিত শত্রু ড্রোনের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪৭-এ।

ইরান–ইসরায়েল যুদ্ধ: ৩০ দিনে বদলে যাওয়া বাস্তবতা 🔥আজকের বড় খবর—ইরানের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের শিল্পনগরী বিয়ারশেভা কেঁপে উ...
30/03/2026

ইরান–ইসরায়েল যুদ্ধ: ৩০ দিনে বদলে যাওয়া বাস্তবতা 🔥
আজকের বড় খবর—ইরানের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের শিল্পনগরী বিয়ারশেভা কেঁপে উঠেছে। আগুন, ধোঁয়া আর বিস্ফোরণে পুরো এলাকা অচল হয়ে পড়েছে। প্রথমে লুকানোর চেষ্টা হলেও বাস্তবতা আর চাপা থাকেনি।
ইরান আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল—“আমাদের শিল্পে আঘাত করলে, তোমাদের শিল্পও রক্ষা পাবে না।” এখন সেই কথারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
শুধু ইসরায়েল নয়, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও টার্গেটে এসেছে। আইরন ডোম নিয়েও প্রশ্ন উঠছে—আধুনিক মিসাইল প্রযুক্তি কি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে?
অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও টার্গেট করা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জ্ঞান ও প্রযুক্তির কেন্দ্রগুলো কি এখন যুদ্ধের নতুন ফ্রন্ট?
এদিকে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে তেল-গ্যাস বাজারে বড় ধাক্কার আশঙ্কা। অনেক দেশ ইতিমধ্যে বিকল্প পথ খুঁজতে ব্যস্ত।
৩০ দিন আগে যে যুদ্ধকে “দ্রুত শেষ” বলা হয়েছিল, আজ সেটাই দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতে রূপ নিয়েছে। প্রশ্ন এখন একটাই—
👉 এই যুদ্ধ কোথায় গিয়ে থামবে?

🚨 Day 27‼️💥🔥🇮🇱🇺🇸/ 🇮🇷জ্বলন্ত টয়লেট, নাকি জ্বলন্ত মিথ্যা? — USS Gerald Ford-এর “Damage Control” গল্প ভেঙে পড়ছে!এটা শুধু ...
26/03/2026

🚨 Day 27‼️💥🔥🇮🇱🇺🇸/ 🇮🇷
জ্বলন্ত টয়লেট, নাকি জ্বলন্ত মিথ্যা? — USS Gerald Ford-এর “Damage Control” গল্প ভেঙে পড়ছে!
এটা শুধু ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ (damage control) নয় — এটা হলো “নিয়ন্ত্রণ করা গল্প” ভেঙে পড়ার বাস্তব উদাহরণ।
অফিশিয়াল দাবি কী?
নাবিকরা নাকি টয়লেটে আগুন লাগিয়েছে, লন্ড্রি সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ভেন্টিলেশন বন্ধ হয়ে গেছে, আর ১০০-এর বেশি বেড অচল হয়ে গেছে — সবই USS Gerald R. Ford (CVN-78)-এ!
একটু ভাবুন তো…
আপনাকে বলা হচ্ছে — একটা বাথরুমের আগুন এত বড় ক্ষতি করেছে, যে পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক, নিউক্লিয়ার চালিত এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারকে মাসের পর মাস মেরামতে থাকতে হচ্ছে!
সত্যিই কি এটা বিশ্বাসযোগ্য?
এরই মধ্যে নতুন তথ্য আসছে — গ্রিসের Souda Bay-তে কয়েকদিন নয়, মাসের পর মাস ধরে মেরামত চলছে।
এটা “ছোটখাটো দুর্ঘটনা” গল্পটাকে পুরো ভেঙে দেয়।
কারণ বাস্তবতা হলো:
👉 আধুনিক ক্যারিয়ারগুলো ভাগ করা (compartmentalized)
👉 আগুন নিয়ন্ত্রণের শক্তিশালী ব্যবস্থা থাকে
👉 প্রতিটি সিস্টেমের ব্যাকআপ থাকে
👉 ক্রুদের কঠোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়
তাহলে একটি ছোট আগুন কীভাবে এত বড় ক্ষতি করতে পারে?
এখন বিকল্প ব্যাখ্যা সামনে আসছে —
সম্ভবত সমুদ্র থেকে কোনো অজ্ঞাত আঘাত (impact) লেগেছে, যা ইরানের সক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত হতে পারে।
হঠাৎ করে সবকিছু মিলতে শুরু করে—
✔ ক্ষতির মাত্রা
✔ দীর্ঘ সময় মেরামত
✔ রহস্যময় নীরবতা
কারণ যদি সরাসরি আঘাতের কথা স্বীকার করা হয়,
তাহলে সেটা শুধু লজ্জার নয় —
এটা মার্কিন নৌ শক্তির দুর্বলতা প্রকাশ করে দেবে।
তাই গল্পটা ঘুরে যায়… “জ্বলন্ত টয়লেট”-এ।
🌍 বিশ্ব কিন্তু এই গল্প সহজে নিচ্ছে না।
মস্কোতে এই ঘটনা নিয়ে রাগ নয় — বরং হাস্যরস চলছে।
কারণ যখন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক শক্তি এমন ব্যাখ্যা দেয়, যা ক্ষতির সাথে মেলে না — তখন প্রশ্ন ওঠে।
তবে এখানে একটা বড় irony আছে…
রাশিয়া যখন আমেরিকাকে নিয়ে হাসে, তখন নিজেদের ইতিহাসও সামনে আসে —
বহু সমস্যায় জর্জরিত তাদের ক্যারিয়ার “Admiral Kuznetsov”,
যেটা বছরের পর বছর মেরামতের পর অবশেষে অবসরের পথে।
👉 তাই এটা শুধু উপহাস নয়
👉 এটা “projection”ও হতে পারে
শেষ কথা:
আধুনিক সামরিক শক্তির আসল লড়াই শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে নয়—
গল্পের মধ্যেও।
কে সত্য বলবে?
কে লুকাবে?
কে নিয়ন্ত্রণ করবে বর্ণনা?
আর যখন বাস্তব ক্ষতি আর অফিসিয়াল গল্পের মধ্যে ফারাক এত বড় হয়ে যায়…
তখন মানুষ প্রশ্ন করা শুরু করে—
কি পুড়েছে সেটা নয়…
কি আঘাত করেছে সেটা।

26/03/2026

ফেরিতে ওঠার সময় গাড়িতে থাইকেন না।পাম্পে গ্যাস নেয়ার সময় গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়াবেন।লেভেল ক্রসিং এর উপর গাড়ি বন্ধ হয়ে গেলে দ...
26/03/2026

ফেরিতে ওঠার সময় গাড়িতে থাইকেন না।

পাম্পে গ্যাস নেয়ার সময় গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়াবেন।

লেভেল ক্রসিং এর উপর গাড়ি বন্ধ হয়ে গেলে দ্রুত নেমে যাবেন।

ট্রেনের ছাদে উঠবেন না।

লাফ দিয়ে লঞ্চ ধরার চেষ্টা করবেন না।

অতিরিক্ত গতিতে মোটরসাইকেল চালাবেন না।

মহাসড়কে ছোট গাড়ি নিয়ে উঠবেন না।

আল্লাহ সবাইরে নিরাপদে রাখুক। এবারের ঈদটা একটা ট্রমা হয়ে গেলো জনগণ আর সরকার উভয়ের জন্যই।💔

Day 22: ‼️🔥💥🇮🇱🇺🇸/ 🇮🇷:“ডিয়েগো গার্সিয়া পেল এক কঠিন সতর্কবার্তা: ‘নিরাপদ ঘাঁটি’ লক্ষ্য করে ইরানের হামলা, দূরত্বের ধারণা ...
21/03/2026

Day 22: ‼️🔥💥🇮🇱🇺🇸/ 🇮🇷:
“ডিয়েগো গার্সিয়া পেল এক কঠিন সতর্কবার্তা: ‘নিরাপদ ঘাঁটি’ লক্ষ্য করে ইরানের হামলা, দূরত্বের ধারণা ভেঙে গেল”
এটা কোনো পরীক্ষা ছিল না। এটা ছিল সরাসরি বার্তা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান থেকে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে ডিয়েগো গার্সিয়ার দিকে — একটি দূরবর্তী মার্কিন-যুক্তরাজ্য সামরিক ঘাঁটি, যাকে এতদিন অপ্রবেশযোগ্য মনে করা হতো। এগুলো প্রতিহত করা হয়েছে কি না, সেটা যাই হোক, বার্তাটা ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছে।
এই ঘাঁটিটি কোনো সাধারণ জায়গা নয়। এখান থেকেই মার্কিন B-2 বোমারু বিমান ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে। তেহরান আগেই প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল — আর এখন তারা দেখাতে চাইছে, কোনো জায়গাই আর নিরাপদ নয়।
দূরত্বই এখানে খেলাটা বদলে দিচ্ছে।
প্রায় ৩,৮০০ কিলোমিটার দূরে — যা বিশ্লেষকদের ধারণার সীমার কাছাকাছি, বা তারও বাইরে। এতে একটা বড় প্রশ্ন উঠে আসে: ইরান কি নতুন দীর্ঘ-পাল্লার সক্ষমতা দেখালো, নাকি তারা কাছাকাছি কোনো অগ্রবর্তী অবস্থান থেকে হামলা চালিয়েছে?
যেভাবেই হোক, বার্তাটা একটাই:
পেছনের ঘাঁটিগুলো আর নিরাপদ নয়।
এবং সময়টাও গুরুত্বপূর্ণ।
যুক্তরাজ্য ডিয়েগো ব্যবহারের অনুমতি দেয় →
এরপরই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়
এটা কাকতালীয় নয়। এটা প্রতিশোধের কৌশল।
এবার অনিশ্চয়তাও যোগ করুন:
একটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যর্থ হয়েছে।
অন্যটি হয়তো প্রতিহত করা হয়েছে — বা হয়তো নয়।
এমনকি মার্কিন কর্মকর্তারাও পুরোপুরি নিশ্চিত নন।
কঠিন বাস্তবতা:
আপনাকে ঘাঁটিতে আঘাত করতেই হবে না যুদ্ধের মোড় ঘোরাতে।
শুধু দেখাতে হবে, আপনি সেখানে পৌঁছাতে পারেন।
আর যদি এটা সত্যি হয়, তাহলে “নিরাপদ অঞ্চল” ধারণাটা এক রাতেই শেষ।

🚨 স্ট্রেইট অব হরমুজে কেন প্রবেশ করতে ভয় পাচ্ছে আমেরিকা?বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী নৌবাহিনী, ১১টি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার ও...
20/03/2026

🚨 স্ট্রেইট অব হরমুজে কেন প্রবেশ করতে ভয় পাচ্ছে আমেরিকা?
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী নৌবাহিনী, ১১টি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার ও ৩০০ আধুনিক যুদ্ধজাহাজ থাকার পরও কেন United States হরমুজ প্রণালীতে সরাসরি প্রবেশ করছে না?
একটি বিশ্লেষণে দেখা যায়, Pentagon যতই পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ ফাইটার ও টমাহক মিসাইলের গল্প বলুক, বাস্তবতা হচ্ছে—US Navy এখনো একটি তেলবাহী জাহাজও নিরাপদে এই প্রণালী দিয়ে পার করতে পারেনি।
বর্তমানে ১০০টিরও বেশি সুপারট্যাঙ্কার Strait of Hormuz-এর বাইরে ইঞ্জিন বন্ধ করে অপেক্ষা করছে। ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ১০০ ডলারের বেশি ছাড়িয়েছে এবং বীমা খরচ বেড়ে ৪ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
পশ্চিমা বিশ্ব অর্থনৈতিক চাপে থাকলেও তথাকথিত পরাশক্তি আমেরিকা দূর থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। কারণ তারা জানে, এই প্রণালীতে কেবল শক্তি বা অস্ত্র দিয়ে কিছু করা সম্ভব নয়—এখানে কৌশলগতভাবে এগিয়ে আছে Iran।
ইরান তার ভৌগোলিক অবস্থানকে একটি “ডেথ ট্র্যাপ”-এ পরিণত করেছে। এই জলপথের ব্যবহারযোগ্য অংশ মাত্র ৬ নটিক্যাল মাইল। এক পাশে রয়েছে দুর্গম Zagros Mountains।
দশকের পর দশক ধরে ইরান একটি অসম যুদ্ধ কৌশল গড়ে তুলেছে, যা আমেরিকার জন্য ভেদ করা অত্যন্ত কঠিন। মাত্র ১,৫০০ ডলারের একটি মাইন দিয়েই বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া সম্ভব—যেমনটি ঘটেছিল USS Samuel B. Roberts-এর ক্ষেত্রে ১৯৮৮ সালে।
গত কয়েক দশকে ইরান উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও গোপন “মিসাইল সিটি” তৈরি করেছে। তারা প্রয়োজনে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দিচ্ছে, যা আমেরিকার জন্য বড় সামরিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ।
আমেরিকা হয়তো আকাশপথে হামলার কথা বলছে, কিন্তু ইরানের আসল শক্তি লুকিয়ে আছে পাহাড়ের গভীরে গোপন টানেলে। সেখান থেকে মোবাইল লঞ্চারের মাধ্যমে যে কোনো সময় ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়া সম্ভব—সাথে রয়েছে শত শত আইআরজিসি স্পিডবোট ও কামিকাজে ড্রোন।
Strait of Hormuz বর্তমানে বৈশ্বিক ভূরাজনীতির সবচেয়ে উত্তপ্ত কেন্দ্রগুলোর একটি।
আমেরিকান জেনারেলরা জানেন, এই সংকীর্ণ জলপথে যদি একটি মিসাইলও সঠিকভাবে আঘাত হানে, তাহলে তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোর আগুনে পুরো বৈশ্বিক অর্থনীতি স্থবির হয়ে যেতে পারে।
মার্কিন মিডিয়া হয়তো বলছে তারা বাইরে থেকে ইরানকে নিয়ন্ত্রণ করছে, কিন্তু বাস্তবতা হলো—এই “কিলবক্স”-এ তাদের মূল্যবান যুদ্ধজাহাজ প্রবেশ করাতে তারা ঝুঁকি নিতে চায় না।
ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ও ইরানের উন্নত মিসাইল প্রযুক্তির কারণে এখানে বড় যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ।
আজ আমেরিকা ও Israel বুঝতে পারছে—শুধু শক্তি দিয়ে সাময়িক আগ্রাসন চালানো যায়, কিন্তু যখন ইরানের মতো একটি রাষ্ট্র কৌশলগতভাবে খেলায় নামে, তখন সুপারপাওয়ারদেরও পিছিয়ে যেতে হয়।

এই যুদ্ধ যদি আরও ২ মাস ধরে চলে, তাহলে ইরানের উন্নত প্রযুক্তির মিসাইলের আঘাতে মাত্র ২২,০৭২ বর্গ কিলোমিটারের ছোট্ট ইসরায়েল...
17/03/2026

এই যুদ্ধ যদি আরও ২ মাস ধরে চলে, তাহলে ইরানের উন্নত প্রযুক্তির মিসাইলের আঘাতে মাত্র ২২,০৭২ বর্গ কিলোমিটারের ছোট্ট ইসরায়েলকে গাজার মতো পরিস্থিতিতে পৌঁছাতে খুব বেশি সময় লাগবে না।
ইতোমধ্যেই ইরানের ৫৪ দফা মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের বহু এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে—অনেকে একে “মিনি গাজা” বলতেও শুরু করেছে।
অন্যদিকে, প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার দূর থেকে যুদ্ধ বিমান নিয়ে এসে বিশাল ১৬ লাখ ৪৮ হাজার বর্গকিলোমিটারের ইরানে কতটা ক্ষতি করা সম্ভব—তা সময়ই বলে দেবে। এত দীর্ঘ দূরত্ব পাড়ি দিয়ে নিয়মিত হামলা চালানো সহজ নয়। এতে খরচ বাড়ে, সৈন্যদের মনোবলেও চাপ পড়ে।
গত কয়েকদিনের পরিস্থিতিতেই তার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। আগের মতো কার্যকর পারফরম্যান্স দিতে পারছে না যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ বিমানগুলো। ইতোমধ্যে একাধিক ট্যাঙ্কার ও এফ-১৬ ভূপাতিত হওয়ার খবরও সামনে এসেছে।
সময় যত যাচ্ছে, ততই লক্ষ্যভ্রষ্ট হচ্ছে তাদের আক্রমণ, আর বিপরীতে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে।
সবচেয়ে বড় সংকট তৈরি হয়েছে এয়ারবেস নিয়ে। ইরানের নির্ভুল মিসাইল হামলায় ইসরায়েল ও জর্ডানের একাধিক বিমান ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যুদ্ধ বিমান ল্যান্ডিং করানোই কঠিন হয়ে পড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের কাছে এয়ারবেস ব্যবহারের অনুমতি চাইছে যুক্তরাষ্ট্র—তবে সবাই ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে না।
প্রতিকূল আবহাওয়া, ড্রোন হামলার ঝুঁকি এবং সীমিত ল্যান্ডিং সুবিধা—সব মিলিয়ে আকাশ যুদ্ধ এখন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের জন্য দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।
অন্যদিকে, বাঙ্কার থেকে বের হয়েই মিসাইল ও ড্রোন ছুড়ে ইরান তাদের প্রতিপক্ষকে চাপে রাখছে—যা এই যুদ্ধকে আরও জটিল ও দীর্ঘমেয়াদী করে তুলছে।

ইসরায়েলের “অজেয় প্রতিরক্ষা” ধারণা কি আজ ভেঙে পড়লো?প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের তিন স্তরের...
14/03/2026

ইসরায়েলের “অজেয় প্রতিরক্ষা” ধারণা কি আজ ভেঙে পড়লো?
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের তিন স্তরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা—Iron Dome, David’s Sling এবং Arrow-3—ভেদ করে হাইফায় আঘাত হেনেছে। এতে বহু হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
দশকের পর দশক ধরে ইসরায়েল বিশ্বের কাছে দাবি করেছে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রায় অদম্য। বিলিয়ন ডলারের প্রযুক্তি, উন্নত রাডার এবং বহুস্তরীয় প্রতিরক্ষা—সবকিছুই তৈরি হয়েছিল একটি ধারণার উপর:
“আমরা আঘাত করবো, কিন্তু আমাদের আঘাত করা কঠিন হবে।”
কিন্তু সাম্প্রতিক এই ঘটনার পর অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—আধুনিক যুদ্ধের বাস্তবতায় কি আর কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ নিরাপত্তা দিতে পারে?
৪৫ বছর ধরে নানা নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইরান তাদের সামরিক প্রযুক্তি উন্নত করেছে। আর এখন মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্য নতুনভাবে আলোচনায় এসেছে।
ইতিহাস বারবার একটি শিক্ষা দিয়েছে—
কোনো জাতিকে শক্তি দিয়ে দমন করা যায়, কিন্তু প্রতিরোধের ইচ্ছাকে কখনো পুরোপুরি নিভিয়ে দেওয়া যায় না।
মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা এখন কোথায় গিয়ে থামবে—সেটাই বিশ্ব দেখছে।

11/03/2026

ড্রোন হামলার শিকার থেকে এখন অ্যান্টি-ড্রোন বিশেষজ্ঞ — ইউক্রেন।

Address

Narayanganj
Narayanganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when JIBA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share