19/01/2020
“জীবনের মূল ভিত্তি হলো পানি। মানবদেহের ৭০ শতাংশই পানি। পানির অপর নাম জীবন। একথাটা আপনার কমবেশি সবাই জানেন। পানি আমাদের শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখা, হজম ও শোষণে সহায়তা, কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ ও ওজন কমাতে সাহায্য করে পানি।
অপর্যাপ্ত পানি পান না হলে মুখের শুষ্কতা, মাথাব্যথা, শুষ্ক ত্বক, মাথা ঘোরা ও শারীরিক শক্তি কমে যেতে পারে সতর্ক করেন তিনি।
শরীলের বিশেষ কিছু রোগ নিরাময় হয়ে থাকে যা ঘাম ও প্রস্রাবের মাধ্যমে মানবদেহ থেকে পানি সাথে বেরিয়ে যায়। যার কারনে আমাদের শরীলে পানির ঘাটতি পড়ে যায়। তা পূরণে জন্য দরকার পানি পান। তবে বিশেষজ্ঞরা দৈনিক ৮-১০ গ্লাস পানি পানের পরামর্শ দিলেও সব ব্যক্তির স্বাস্থ্য ও শারীরিক চাহিদা এক নয়।
পানির পরিমাণ ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে একেক রকম হয়। প্রচুর পানি পান কারও কারও শরীর আর্দ্র রাখতে ও এনার্জি দিতে সহায়তা করলেও কাউকে কাইকে বারবার টয়লেটে যাওয়ার ঝামেলায় ফেলতে পারে।
তাই দিনে কতটুকু পানি খেতে হবে তা জানতে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। পিপাসা পেলেই পানি পান করতে হবে, পিপাসা মিটলে তা কমিয়ে দিতে হবে। আবার তাপমাত্রা খুব বেড়ে গেলে ও অতিরিক্ত শরীরচর্চা করলে যে ঘাম হয় তা পুষিয়ে নিতে হবে পানি পান করে।
ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট মনীষা অমোকান বলেন, প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির দৈনিক তিন লিটার পানি পান করা উচিত। পেশি গঠনের জন্য পুরুষদের তুলনামূলকভাবে বেশি পানির প্রয়োজন হয়। পুরুষদের জন্য তিন লিটার ও নারীদের আড়াই লিটার পানি পান করা দরকার।
অন্যভাবে বলতে গেলে বলতে হয়, তৃষ্ণা মেটাতে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু পানি পান করতে হবে।
পানি পান করলে বিপাক হার বাড়ে ও ক্ষুধা কমে যায়। আধা লিটার পানি পান করলে বিপাক হার প্রায় ৩০ শতাংশ বাড়তে পারে। খাবার খাওয়ার আধা ঘণ্টা আগে পানি পান করলে কম পরিমাণ ক্যালরি গ্রহণে সহায়তা করতে পারে। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে সঠিক পরিমাণে পানি পান করলে তা ওজন কমাতেও সহায়তা করে। নিয়মিত সঠিক পরিমান পানি পান করলে শরীলের ওজন কমাতে সাহায্য করে। মেয় এবং ভুরি কমানের জন্য বিশেষ প্রয়োজন।