Rajshahi Angur Bari

Rajshahi Angur Bari Wellcome to our Rajshahi Angur bari, Grape tree care, Fruit production, Next generation tree production, Adding improved varieties to the Rooftop Garden
(1)

19/03/2026
ইপসম সল্ট (ম্যাগনেসিয়াম সালফেট)এপসম সল্ট হচ্ছে একটি রাসায়নিক যৌগ যেখানে ম্যাগনেসিয়াম, সালফার ও অক্সিজেন রয়েছে। ইপসম সল্ট...
26/09/2025

ইপসম সল্ট (ম্যাগনেসিয়াম সালফেট)

এপসম সল্ট হচ্ছে একটি রাসায়নিক যৌগ যেখানে ম্যাগনেসিয়াম, সালফার ও অক্সিজেন রয়েছে। ইপসম সল্ট বা ম্যাগনেশিয়াম সালফেট গাছের জন্য বেশ উপকারী একটি জিনিস। এর ব্যবহার জানা থাকলে গাছের অনেক সমস্যার সহজেই সমাধান করা যায়।

ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে গাছে কিছু লক্ষণ দেখা যায়। যার মাধ্যমে বুঝতে হবে গাছে ম্যাগনেসিয়ামের অভাব হয়েছে। আসুন জেনে নিই লক্ষণ গুলো:
* পুরোনো গাছ ঝিমিয়ে পড়লে
* টবে বসানো নতুন চারা ঝিমিয়ে পড়লে
* গাছের পাতার রং ফ্যাকাশে বা হলুদ হয়ে গেলে
* গাছের পাতা কুঁকড়ে গেলে
* গাছের বৃদ্ধি কমে গেলে
* গাছ দুর্বল হয়ে গেলে
* গাছের ফুল, ফল কম হলে বা ছোট হলে
এইসব লক্ষণ দেখা দিলে বুঝতে হবে গাছে ম্যাগনেসিয়াম সালফেটের অভাব হয়েছে।

ব্যবহার: ৩ ভাবে এপসম সল্ট গাছে ব্যবহার করা যায়।

১. স্প্রে এর মাধ্যমে পাতায় ব্যবহার
২. পানিতে মিশিয়ে টবের মাটিতে ব্যবহার
৩. রিপটিং এর সময় সরাসরি মাটিতে ব্যবহার।

১. স্প্রে এর মাধ্যমে পাতায় ব্যবহারের নিয়ম

এক লিটার পানিতে ১ টেবিল চামচ এপসম সল্ট নিয়ে ভালো ভাবে মিশিয়ে পাতায় ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে।
* মাসে ১ বার। গাছের যতই সমস্যা থাকুক না কেন ১ বারের বেশি স্প্রে করা যাবে না।
* ভোর বেলা অথবা সন্ধ্যার সময় এই স্প্রে করতে হবে।
কখনোই রোদ্রের মাঝে স্প্রে করা যাবে না।

এপসম সল্ট স্প্রে করার ৩ দিন আগে ও ৩ দিন পরে অন্য কোনো সার বা কীটনাশক বা অন্য কোনো কিছু গাছে স্প্রে করা যাবে না।

২. টবের মাটিতে ব্যবহারের নিয়ম

এক লিটার পানিতে ২ টেবিল চামুচ এপসম সল্ট নিয়ে ভালো ভাবে মিশিয়ে টবের মাটিতে দিতে হবে।

* অথবা সরাসরি টবের মাটিতেও দেয়া যাবে। সেক্ষেত্রে টবের ওপরের মাটি আগে নিড়ানি (টবের ওপরের মাটি খুঁচিয়ে নেয়া) দিয়ে নিতে হবে। তারপর ১০ ইঞ্চি / ১২ ইঞ্চি টবের জন্য ১ চামচ এবং এর ছোট টবে হাফ চা চামুচ এপসম সল্ট দিতে হবে। এরপর মাটির সাথে মিশিয়ে ভালোভাবে পানি দিয়ে দিতে হবে।
* মাসে ১ বার ব্যবহার করতে হবে।

৩. রিপটিং এর সময় সরাসরি মাটিতে ব্যবহারের নিয়ম

রিপটিং শক অর্থাৎ টবে নতুন কোনো চারা বসালে বা পুরোনো কোনো গাছ বড় টবে রিপটিং করার সময় অনেক সময় গাছ ঝিমিয়ে পরে। এটা রিপটিং শকের কারণে হয়ে থাকে।

ব্যবহারের নিয়ম : প্রতি টবের মাটির সাথে ১/২ চামচ এপসম সল্ট ব্যবহার করতে হবে।

* সব ধরনের গাছে যেমন ইন্ডোর প্ল্যান্ট,আউটডোর প্ল্যান্ট, ফুল গাছ , ফল গাছ , সবজি গাছে দেয়া যাবে।

সতর্কতা:

যে সবজি গুলো সরাসরি বা রান্না করে খাওয়া হয় যেমন বিভিন্ন ধরণের শাক, শশা, ধনিয়া পাতা ইত্যাদি তে এপসম সল্ট স্প্রে না করে মাটিতে দেয়া ভালো।

উপকারিতা :

* গাছের সালোক সংশ্লেষণে ইপসম সল্ট বেশ ভালো কাজ করে।

* এটির প্রয়োগে ফলের মিষ্টতা বাড়ে। সেইসঙ্গে ফল, ফুল ঝরে পড়াও কমায়।

* অনেক সময় টবের মাটি থেকে গাছ নাইট্রোজেন ও ফসফরাস নিতে পারে না। ইপসম সল্ট এ ক্ষেত্রে ভালো মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

* টবে আগাছা হতে দেয় না।

* কিছু পোকার আক্রমণের হাত থেকে গাছকে রক্ষা করে, এটি গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

*গাছের পাতার রং সুন্দর এবং উজ্জ্বল (চকচকে) হয়।

*গাছকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

* ফুলের রং গাড়ো এবং উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।

* ফুল ও ফলের আকার বড় হতে সাহায্য করে।

* শিম জাতীয় গাছের পচন রোধ করে ইপসম সল্ট।

আঙুর চারা লাগানোর উপযুক্ত সময় হলো শীতের শেষ থেকে বর্ষার শুরু পর্যন্ত (বাংলাদেশ ও ভারতের জন্য মাচ এবং এপ্রিল ), তখন মাটিত...
03/09/2025

আঙুর চারা লাগানোর উপযুক্ত সময় হলো শীতের শেষ থেকে বর্ষার শুরু পর্যন্ত (বাংলাদেশ ও ভারতের জন্য মাচ এবং এপ্রিল ), তখন মাটিতে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা থাকে এবং চারার বৃদ্ধি ভালো হয়। শীতপ্রধান দেশগুলোতে (USA, Canada, UK, Japan, Australia) বসন্তকাল (March–April) হলো চারা লাগানোর সেরা সময়।
চাষের জন্য উপযুক্ত জাত হলো—Baikunur,Dixon, Green Long, Velez,Lora's, Black Magic,white muscot etc এবং বিভিন্ন বিদেশী জাত। বাংলাদেশের আবহাওয়ায়ও কলম করা/ গ্র্যাফটিং আঙুরের চারা ভালো ফল দেয়।

চারা রোপণের জন্য গর্ত করতে হবে প্রায় ২.৫–৩ ফুট চওড়া ও ২.৫ ফুট গভীর। প্রতিটি গর্তে মাটির সঙ্গে ২০–২৫ কেজি গোবর সার, ২০০ গ্রাম হাড়গুঁড়া, ১০০ গ্রাম কাঠের ছাই মিশিয়ে নিতে হবে। গাছের দূরত্ব রাখতে হবে সারি থেকে সারি ৮–১০ ফুট এবং গাছ থেকে গাছ ৬–৮ ফুট। আঙুর গাছ লতানো বলে সাপোর্ট বা ট্রেলিস সিস্টেম দিতে হবে, যাতে ডালপালা ছড়িয়ে বেড়ে উঠতে পারে।

প্রতি ২০–২৫ দিন অন্তর আগাছা পরিষ্কার করতে হবে এবং গাছের গোড়ায় মাটি আলগা করতে হবে। প্রতি মৌসুমে বর্ষার আগে ও শীতকালে ৫–৭ কেজি করে পচা গোবর সার, ২০০–২৫০ গ্রাম হাড়গুঁড়া ও কিছু কাঠের ছাই দিতে হবে। ফুল আসার আগে জৈব তরল সার (ভার্মিওয়াশ বা কলার খোসার তরল সার) ব্যবহার করলে ফলন অনেক বেড়ে যায়।

আঙুর গাছ খোলা রোদ পছন্দ করে, তাই প্রতিদিন কমপক্ষে ৭–৮ ঘণ্টা সরাসরি রোদ থাকা প্রয়োজন। শুষ্ক মৌসুমে ৭–১০ দিন অন্তর সেচ দিতে হবে। তবে জলাবদ্ধতা হলে শিকড় নষ্ট হয়ে যায়।

রোগ-পোকা নিয়ন্ত্রণে জৈব পদ্ধতি সবচেয়ে কার্যকর। নিমতেল স্প্রে (৫ মি.লি. + ১ লিটার পানি + সামান্য সাবান) ১০–১২ দিন অন্তর ব্যবহার করতে হবে। ফলের মাছি, এফিড ও মিলিবাগ দমনে রসুন-লঙ্কা-আদা পেস্ট ফিল্টার করে স্প্রে করা যায়। গাছের গোড়ায় ছাই ব্যবহার করলে ছত্রাক ও পচন প্রতিরোধ হয়।

ফলন বাড়াতে নিয়মিত ডাল ছাঁটাই /সঠিক পুনিং করতে হবে। নতুন ডালে সাধারণত বেশি ফুল-ফল ধরে। কলার খোসা, হাড়গুঁড়া ও কাঠের ছাই ব্যবহার করলে ফলন ও আকার দুটোই উন্নত হয়। যত্ন সহকারে চাষ করলে ২–৩ বছরের মধ্যেই আঙুর গাছ বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে সক্ষম হয়।

#আঙ্গুরবাগান #রাজশাহীআঙ্গুরবাড়ি #আঙ্গুর

২৬ দিনে গাছের সাইজ
23/08/2025

২৬ দিনে গাছের সাইজ

Address

Rajpara Rajshahi
Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rajshahi Angur Bari posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share