GBbanker5.com

GBbanker5.com concupiscence

04/04/2026
মৃত্যুশয্যায় মহাবীর আলেকজেন্ডার তার সেনাপতিদের ডেকে বলেছিলেন, আমার মৃত্যুর পর আমার তিনটা ইচ্ছা তোমরা পূরণ করবে।১. আমার প...
04/04/2026

মৃত্যুশয্যায় মহাবীর আলেকজেন্ডার তার সেনাপতিদের ডেকে বলেছিলেন, আমার মৃত্যুর পর আমার তিনটা ইচ্ছা তোমরা পূরণ করবে।

১. আমার প্রথম ইচ্ছা হচ্ছে:
শুধুমাত্র আমার চিকিৎসকরাই আমার কফিন বহন করবেন।

২. আমার দ্বিতীয় ইচ্ছা হচ্ছে:
আমার কফিন যে পথ দিয়ে যাবে সেই পথে আমার অর্জিত সকল সোনা, দামি রত্ন, ধন সম্পদ ছড়িয়ে দিবে।

৩. আর শেষ ইচ্ছা হচ্ছে:
কফিন বহনের সময় আমার দুই হাত কফিনের বাইরে ঝুলিয়ে রাখবে।

তার সেনাপতি তখন এই বিচিত্র অভিপ্রায়ের কারণ জানতে চাইলেন।

একটি দীর্ঘশ্বাস ফেলে আলেকজান্ডার বললেন, আমি দুনিয়ার সামনে তিনটি শিক্ষা রেখে যেতে চাই।

★ আমার চিকিৎসকদের কফিন বহন করতে বলেছি এই কারণে, যাতে লোকে বুঝতে পারে যে চিকিৎসক মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে না। তারা ক্ষমতাহীন আর মৃত্যুর থাবা থেকে রক্ষা করতে অক্ষম।

★ যাবার পথে সোনা-দানা ছড়িয়ে রাখতে বলেছি এই কারণে, সোনা-দানার একটা কণাও আমার সঙ্গে যাবে না। এগুলো পাওয়ার জন্য সারাটা জীবন ব্যয় করেছি, কিন্তু নিজের সঙ্গে কিছুই নিয়ে যেতে পারছি না। মানুষ বুঝুক এসবের পেছনে ছোটা মানে সময়ের অপচয়।

★ কফিনের বাইরে আমার দুই হাত ঝুলিয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে বুঝানোর জন্য যে, পৃথিবীতে আমি খালি হাতে এসেছিলাম আর আজ পৃথিবী থেকে খালি হাতেই বিদায় নিচ্ছি।

সবাইকে পবিএ ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।
20/03/2026

সবাইকে পবিএ ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।

মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আমাদের কত টাকা রয়ে যায়, অথচ বেঁচে থাকতে আমরা টাকা খরচ করি না। সেদিন এক ধনকুবের মারা গেলেন। বিধবা স্ত...
17/03/2026

মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আমাদের কত টাকা রয়ে যায়, অথচ বেঁচে থাকতে আমরা টাকা খরচ করি না। সেদিন এক ধনকুবের মারা গেলেন। বিধবা স্ত্রী মৃত স্বামীর ২০০ কোটি টাকার ওয়ারিশ হয়েই (স্বামীর) ড্রাইভারকে বিয়ে করে ফেলল। ড্রাইভার মনে মনে ভাবল, এতদিন জানতাম আমি আমার মালিকের জন্য কাজ করছি, এখন দেখি আমার মালিকই আমার জন্য শ্রম দিয়ে গেছেন!

নিরেট সত্যটি হচ্ছে, অনেক টাকার মালিক হওয়ার চেয়ে সুস্থ শরীর এবং দীর্ঘজীবন লাভ করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই অন্ধের মতো টাকার পিছনে না ছুটে সুস্থ জীবন যাপন করার চেষ্টা করা উচিত।

জীবনের নানা ঘটনা প্রবাহে আমার এই কথার সত্যতা উপলব্ধি করা যায়। যেমন:

১. দামি এবং অনেক ফাংশন ওয়ালা মোবাইল ফোনের ৭০%-ই অব্যবহৃত থেকে যায়।

২. একটি বিলাসবহুল ও দ্রুতগতি সম্পন্ন গাড়ির ৭০% গতি কখনোই দরকার হয় না।

৩. প্রাসাদতুল্য মহামূল্যবান অট্টালিকার ৭০% অংশে কেউ বসবাস করে না।

৪. আলমারি ভর্তি পোশাক পরিচ্ছদের বেশিরভাগই কোনোদিন পরা হয়ে ওঠে না।

৫. মানুষের সারা জীবনের পরিশ্রমলব্ধ অর্থ সম্পদের ৭০%-ই আসলে অন্যের জন্য। জমানো অর্থ যাদের জন্য আপনি রেখে যাবেন, আপনার জন্য বছরে একবার প্রার্থনা করার সময়ও তাদের হবে না।

তাহলে করণীয় কী?

১. অসুস্থ না হলেও নিয়ম করে মেডিকেল চেকআপ করান।

২. পিপাসার্ত না হলেও পানি পান করুন।

৩. কারো ওপর রাগ পুষে রাখবেন না। মানুষকে ক্ষমা করতে শিখুন।

৪. আপনার সিদ্ধান্ত সঠিক জেনেও কখনো কখনো ছাড় দিন।

৫. যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, মাঝে মাঝে সঙ্গীর সাথে নিরিবিলি কোথাও বসে গল্প করুন, বাইরে খেতে নিয়ে যান।

৬. ক্ষমতাবান হলেও বিনয়ী হোন।

৭. সুযোগ পেলেই পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে বেড়িয়ে পড়ুন।

৮. ভালো ভালো বই পড়ুন, মজার মজার সিনেমা দেখুন, পছন্দের গান শুনুন।

৯. মাঝে মাঝে সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত, চাঁদের আলো, কুয়াশা, খোলা আকাশ দেখুন। বছরে একবার হলেও বৃষ্টিতে ভিজুন। আর দিনে অন্তত কিছুটা সময় গায়ে রোদ লাগান।

১০. টাকা-পয়সা কম থাকলেও তৃপ্ত থাকুন। মনে রাখবেন, পৃথিবীর অধিকাংশ ধনী লোক মানসিক অশান্তিতে থাকে।

সবশেষে বলি, জীবন তো একটাই, তাই মন খুলে বাঁচুন।

- মা, আমার একটা অনুরোধ রাখবে?"- তুই চাইলে আমি কি না করতে পারি? বল, তোর সব কথা আমি রাখব। - তোমার বৌমা বলছিল তোমার বয়স হয়ে...
11/03/2026

- মা, আমার একটা অনুরোধ রাখবে?"

- তুই চাইলে আমি কি না করতে পারি? বল, তোর সব কথা আমি রাখব।

- তোমার বৌমা বলছিল তোমার বয়স হয়েছে! এখন তোমার শরীরে একটু বিশ্রাম প্রয়োজন। আর এই বাড়িটাও খুব একটা বড় না — ছোট ঘুপচি! তোমার কাশিটাও বেড়ে গেছে। আর ডায়াবেটিস তো আছেই, হার্টের সমস্যা, হাড়ের সমস্যা, আরো কত কি!

- হ্যাঁ রে, মনে হয় আর বেশিদিন...!

- আহ থামো তো মা! তোমার সব সময় দেখাশোনার জন্য কাউকে রাখতে হবে।

- আচ্ছা আমাকে তাহলে গ্রামের বাড়িতে...।

- না না, তোমাকে বৃদ্ধাশ্রমের স্পেশাল ব্র্যাঞ্চে ভর্তি করালে কেমন হয়? এটাই বলছিল তোমার বৌমা। ওখানে অনেকে থাকবে তোমার মতোই। তাদের সাথে গল্প করতে পারবে। এ বাড়িতে তো কেউই নেই! আমি ব্যবসায় দৌড়াচ্ছি, তোমার বৌমা অফিসে আর মিঠু তো সারাদিনই স্কুলে। ওখানে তুমি আরামেই থাকবে মা। এটাই আমার, মানে আমাদের চাওয়া।

- আচ্ছা তুই চাইলে তাই হবে।

- থ্যাংকস মা। আচ্ছা, কাল বিকেলেই কিন্তু ওখানে যাচ্ছো তাহলে! তোমার ব্যাগ গুছিয়ে রাখবে।

পরের দিন ট্রাফিক জ্যামে আটকে আছে মা-ছেলে। নীরবতা ভাঙলেন মা, "বাবা ওখানে আমাকে দেখতে যাবি তো? পারলে একটা ফোন কিনে দিস আমাকে!"

- মা তুমি ফোন দিয়ে কি করবে? ওখানে ল্যান্ডফোন আছে তো!

- তোর বাবা মারা যাওয়ার পর আত্মীয়স্বজনরা যখন আমাদের ঘরবাড়ি দখল করে নিল, তোর ছোট বোনকে কোলে নিয়ে আর তোর হাত ধরে আমি অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছিলাম। মনে আছে তোর?

- মনে আছে মা।

- সেদিন তুই বারবার জিজ্ঞাসা করছিলি, মা আর কতদূর?

- এসব কথা এখন বলছ কেন মা?

- আজ আমার কেন জানি সেই দিনটার কথা খুব মনে পড়ছে। সেদিন আর আজকের মধ্যে কোথায় জানিস? সেদিন তুই আমার সাথে গিয়েছিলি, আর আজ আমি তোর সাথে যাচ্ছি!

কিছুক্ষণ পর একটা বাড়ির সামনে এসে গাড়ি থামাল। সবকিছু নিরীক্ষণ করে ছেলে বলে উঠল, "নামো মা, এটাই তোমার বৃদ্ধাশ্রম। বলেছিলাম না, তোমার পছন্দ হবে। তোমার জন্য দোতালার দক্ষিণের ঘরটা বুকিং দিয়ে রেখেছি।"

টিং ডং টিং ডং (দরজা খুললো)

হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ ! হ্যাপি বার্থ ডে টু ডিয়ার 'মা'!

দরজা খুলতেই চমকে গেলেন মা। আরে ওই তো তার একমাত্র নাতি আর বৌমা কেক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। একসাথে এত বেলুন আগে কখনো দেখেননি তিনি। এমন আয়োজন করে কেউ কখনও তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছাও জানায়নি। আরে, ওই তো তার মেয়ে আর জামাই দাঁড়িয়ে। ওদেরও ডেকে এনেছে তার পাগল ছেলেটা।

"হ্যাপি বার্থ ডে মা।"

"আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না", মা কান্না ভেজা কন্ঠে বললেন, "এটা কার ঘর?"

- নামফলকটা দেখনি? বাবার নামে বাড়ির নাম রেখেছি। এই পুরো বাড়িটাই আমাদের। ভাড়া বাসায় তোমাকে আর থাকতে হবে না। এবার তুমি আরামে থাকতে পারবে।

- তুই না! এমন কেউ করে? (মা চোখের জল মুছতে মুছতে জোরে জোরে মাথা নাড়ছেন। আনন্দে কথা বলতে পারছেন না।)

আয়োজন শেষে সবাই ঘুমাতে যাবে, এমন সময় পেছন থেকে মায়ের ডাক! হাতের ব্যাগটা আতিপাতি খুঁজে একটা কৌটা বের করে ছেলের হাতে ধরিয়ে দিলেন।

নে এটার আর দরকার হবে না! ভেবেছিলাম যদি বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসিস, সেদিনই ইঁদুর মারা বিষটা খেয়ে নেব।

ধুর মা, কি যে বলো! এটা তো আমি কাল রাতেই পাল্টে তোমার ক্যালসিয়ামের ওষুধ ভরে রেখেছি। তুমি ঘুমাও।

জনমদুখিনী মায়ের আজ আর কিছু চাওয়ার নেই। আর কিছু না হোক তার ছেলেকে অন্তত মানুষ করতে পেরেছেন তিনি। যাক, আজকের ঘুমটা সত্যিই আরামের হবে, ঘুমের ট্যাবলেট খেতে হবে না।

একবার অফিসের বস সামান্য কারণে ম্যানেজারকে সবার সামনে অনেক জোরে জোরে বকাঝকা করছিল। ম্যানেজার ভীষণ ক্ষেপে গেল, কিন্তু সে ন...
28/02/2026

একবার অফিসের বস সামান্য কারণে ম্যানেজারকে সবার সামনে অনেক জোরে জোরে বকাঝকা করছিল। ম্যানেজার ভীষণ ক্ষেপে গেল, কিন্তু সে নিজের বসকে তো কিছু বলতে পারছিল না।
এখন এই রাগ সে কোথায় ঝাড়বে?

ম্যানেজার যখন বসের কেবিন থেকে বের হলো, তখন সবার প্রথম যে কর্মচারী তার সামনে পড়ল, ম্যানেজার তার উপরেই সমস্ত রাগ ছাড়লো।

কর্মচারী ও ভীষণ রেগে গেল,কিন্তু সে ম্যানেজারকে তো কিছু বলতে পারছিল না।
সে যখন অফিস থেকে বের হল, তখন সে দারোয়ানকে বিনা কারণে উল্টোপাল্টা কথা শুনিয়ে চলে গেল।

দারোয়ান ভীষণ ক্ষেপে গেল, কিন্তু কর্মচারীকে তো কিছু বলতে পারল না। দারোয়ান যখন বাসায় ফিরল তখন তার স্ত্রী তার সামনে পড়ল এবং সে তার স্ত্রীকে বিনা কারণে উল্টাপাল্টা কথা শোনালো।
তারপর কি হলো?
দারোয়ানের স্ত্রীও ভীষণ ক্ষেপে গেল কিন্তু সেটা স্বামীকে তো কিছু বলতে পারল না।
সামনে বসে তাদের বাচ্চা টিভি দেখছিল।
রাগে স্ত্রী তার বাচ্চাকে দুটো থাপ্পর মারলো, আর বলল সারাদিন শুধু টিভি দেখা?
পড়াশোনার মধ্যে তো একদম নেই।
দিন দিন নিষ্কর্মা হয়ে যাচ্ছ।

বাচ্চাটি কাঁদলো লাগলো এবং ভিতরে ভিতরে রাগে ফুসে উঠলো।
সে ঘরের বাইরে চলে এলো।
রাস্তার উপর একটা কুকুর বসে ছিল। বাচ্চাটি রেগে পাথর তুলে কুকুরটিকে মারতে লাগলো।
কুকুর ভাবলো আমি তো কিছুই করিনি, তারপরও পাথর মারছে কেন?

কুকুরটি রাস্তায় দৌড়াতে লাগলো এবং রেগে সে এক ব্যক্তিকে কামড় দিয়ে বসলো।
কুকুটিক কাকে কামড় বসালো জানো?

সেই অফিসের বসকে, যে সবার প্রথম ম্যানেজারকে বকাঝকা করছিল।
আর সেই বস যতদিন বেঁচে ছিল, এটাই ভাবছিল আমি তো প্রতিদিন কুকুরটিকে খাবার দেই। তাহলে কুকুরটি আমাকে কেন কামড় দিল?

আসলে কর্মের ফল কখনো আমাদের পিছু ছাড়ে না।

আমরা আমাদের ব্যবহার দিয়ে বুঝে না বুঝে প্রতিদিন কত মানুষকে কষ্ট দেই আর সে কষ্টই কোন না কোনভাবে আমাদের কাছে ফিরে আসে।

জীবনে কোন কিছু বিনা কারণে হয় না।

যা কিছু ভালো বা মন্দ আমাদের সাথে হয় তার কারণ আমাদের কোনো না কোনো কর্মের ফল।

তাই সব সময় নিজের আচার ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে।

বিনা কারণে কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করা উচিত নয়।
কারো মনে কষ্ট দেয়া উচিত নয়।।।

একদিন এক ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করল। সেখানে কোনো খাওয়ার জিনিস না পেয়ে সে একটি হীরার টুকরো গিলে ফেলল...
27/02/2026

একদিন এক ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করল। সেখানে কোনো খাওয়ার জিনিস না পেয়ে সে একটি হীরার টুকরো গিলে ফেলল। এদিকে হীরা চুরি হওয়ার কারণে রাজপ্রাসাদে হুলুস্থুল কাণ্ড বেধে গেল!

রাজামশাই জ্যোতিষীকে ডাকলেন। গণনা করে জ্যোতিষী বলল, হীরার টুকরোটি একটি ইঁদুর খেয়ে ফেলছে।

সেনাপতি হীরা উদ্ধারের জন্য ঢেঁড়া পিটিয়ে পুরস্কার ঘোষণা করল। এরপর এক শিকারী রাজসভায় এসে বলল, সে ইঁদুর মেরে হীরা উদ্ধার করবে।

শিকারী যখন ইঁদুরটির খোঁজে বের হলো তখন দেখতে পেল, হাজার হাজার ইঁদুর একে অন্যের সাথে দল বেঁধে রয়েছে। আর একটা মাত্র ইঁদুর সবার থেকে আলাদা এক জায়গায় একটি ইটের ওপর বসা যেন সে সিংহাসনে বসে আছে।

শিকারী তখন ওই ইঁদুরটিকে হত্যা করে তার পেট চিরে হীরার টুকরো বের করে রাজার হাতে তুলে দিল।

রাজামশাই অনেক খুশি হয়ে শিকারীকে তার প্রাপ্য পুরস্কার বুঝিয়ে দিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, হাজার হাজার ইঁদুরের মধ্যে তুমি কিভাবে বুঝলে যে ওই ইঁদুরটাই হীরা চুরি করেছে?

শিকারী মৃদু হেসে জবাব দিল, এটা খুবই সহজ মহারাজ! মূর্খ যখন হঠাৎ বিত্তবান হয়ে যায়, তখন নিজেকে অন্যের থেকে আলাদা মনে করে, নিজের জাতির সঙ্গে চলাফেরা এবং মেলামেশা বন্ধ করে দেয়। এই মূর্খ ইঁদুরটাও তাই করেছিল। হীরা চুরি করে নিজেকে সবচেয়ে ধনী এবং ইঁদুরদের রাজা ঘোষণা করে আলাদা ভাবে বসে ছিল।

নীতিকথা: হঠাৎ অর্থাগমে স্বজন বা বন্ধু-বান্ধব ভুলে গেলে ধ্বংস সন্নিকটে।

যতবার পড়ি, ততবারই চোখে পানি চলে আসে…এই দুনিয়াকে কেন “মুমিনের কারাগার” বলা হয়—এই গল্পটা পড়লেই হয়তো তার উত্তর খুঁজে পাওয়া ...
27/02/2026

যতবার পড়ি, ততবারই চোখে পানি চলে আসে…

এই দুনিয়াকে কেন “মুমিনের কারাগার” বলা হয়—
এই গল্পটা পড়লেই হয়তো তার উত্তর খুঁজে পাওয়া যায়।
জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবী
তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ (রা:)।
তিনি প্রতিদিন নবীজি (সা:)–এর পেছনে ফজরের নামাজ আদায় করতেন।
কিন্তু নামাজে সালাম ফিরানোর সাথে সাথেই
তিনি আর মসজিদে বসে থাকতেন না,
তাড়াতাড়ি বাড়ির দিকে চলে যেতেন।
অথচ অন্য সাহাবিরা ফজরের পর সূর্য উদয় হওয়া পর্যন্ত
রাসূলুল্লাহ (সা:)–এর কাছে বসে থাকতেন,
বয়ান শুনতেন, জিকির করতেন,
রূহানী প্রশান্তিতে সময় কাটাতেন।
কয়েকদিন ধরে একই ঘটনা দেখে
সাহাবিদের মাঝে আলোচনা শুরু হলো—
“তালহা (রা:) কেন নামাজ শেষ করেই চলে যান?”
একসময় বিষয়টি নবীজি (সা:)–এর কানে পৌঁছালো।
তিনি মমতাভরা কণ্ঠে বললেন,
“আগামীকাল ফজরের নামাজ শেষে তালহা যেন আমার সাথে দেখা করে।”
পরের দিন ফজরের নামাজ শেষ হলো।
তালহা (রা:) অপেক্ষা করছেন,
মাথা নিচু, চোখে লজ্জা আর ভক্তি।
নবীজি (সা:) তাকে ডাকলেন।
অত্যন্ত কোমল কণ্ঠে জিজ্ঞেস করলেন—
“হে তালহা! আমি কি তোমাকে কোনো কষ্ট দিয়েছি?
আমি কি তোমার কোনো হক নষ্ট করেছি?”
এই প্রশ্ন শুনে তালহা (রা:) ভেঙে পড়লেন।
চোখ ভিজে গেল অশ্রুতে।
কাঁপা কণ্ঠে বললেন—
“ইয়া রাসূলাল্লাহ (সা:)!
আমার জীবন আপনার জন্য উৎসর্গ হোক।
আপনি আমার কোনো হক নষ্ট করেননি।”
নবীজি (সা:) আবার বললেন—
“তাহলে তুমি প্রতিদিন নামাজ শেষে আমার কাছে না বসে
তাড়াতাড়ি চলে যাও কেন?”
এবার তালহা (রা:) অঝোরে কাঁদতে কাঁদতে বললেন—
“ইয়া আল্লাহর রাসূল (সা:)…
আমার এবং আমার স্ত্রীর জন্য একটি মাত্র পোশাক আছে।
আমি যখন সেই পোশাক পরে নামাজ পড়তে আসি,
আমার স্ত্রী তখন অপেক্ষা করেন।
আর যখন তিনি নামাজ পড়েন,
আমি তখন অপেক্ষা করি।
ফজরের সময় আমি তাকে একা রেখে আসি,
যাতে এসে নামাজ আদায় করতে পারি।
যদি নামাজ শেষে এখানে বসে থাকি,
তাহলে তার নামাজ কাজা হয়ে যাবে,
ইয়া রাসূলাল্লাহ (সা:)…
এই কারণেই আমি সালাম ফিরিয়েই দৌড়ে চলে যাই।”
এই কথা শুনে
রাসূলুল্লাহ (সা:)–এর চোখে অশ্রু চলে এলো।
দাড়ি বেয়ে গড়িয়ে পড়তে লাগলো চোখের পানি।
একটি দম্পতি—
যাদের একটি মাত্র পোশাক,
অভাবের চরম সীমা,
তবুও নেই কোনো অভিযোগ,
নেই কোনো অজুহাত,
আছে শুধু আল্লাহর ইবাদতের প্রতি অটল ভালোবাসা।
তখন নবীজি (সা:) মমতায় ভরা কণ্ঠে বললেন—
“হে তালহা!
নিশ্চয়ই তুমি জান্নাতে যাবে।”
আল্লাহু আকবার…
কী গভীর ঈমান!
কী অদ্ভুত ত্যাগ!
কী অসীম ধৈর্য!
একটা মাত্র পোশাক ছিল—
তবুও অভিযোগ ছিল না।
অভাব ছিল—
তবুও ইবাদতে শিথিলতা ছিল না।
কষ্ট ছিল—
তবুও আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা কমেনি।
আর আমরা?
অগণিত নিয়ামত পেয়েও
কত অভিযোগ করি!
কত অজুহাত দেই!
কখনো সময় নেই,
কখনো ক্লান্তি,
কখনো ব্যস্ততা…
এই গল্পটা পড়লেই বুক কেঁপে ওঠে,
চোখ ভিজে যায় অজান্তেই।
তখন মনে হয়—
দুনিয়া সত্যিই মুমিনের জন্য কারাগার,
আর ধৈর্যশীলদের জন্যই
আল্লাহ প্রস্তুত করে রেখেছেন
অশেষ পুরস্কার।
হে আল্লাহ,
আপনি আমাদের অভিযোগ কমিয়ে দিন,
শুকরিয়া বাড়িয়ে দিন,
আর ইবাদতের প্রতি ভালোবাসা দান করুন।
আমীন।

অনলাইন থেকে সংগৃহীত!

Address

All World
World

Telephone

+8801913887626

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GBbanker5.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share