19/02/2025
দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে শিবিরের একটি অংশকে সবসময় গুপ্ত থাকার প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য উঠেছে৷ কিন্তু প্রশ্ন হলো, গুপ্ত থাকার মূল উদ্দেশ্য কী?
যদি গুপ্ত থেকে দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করা যায়, ছাত্র-ছাত্রীদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হওয়া যায়, সমাজে ন্যায় ও আদর্শের বীজ বোনা যায়, মানুষের অধিকার আদায় নিশ্চিত করা যায়, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বুকে কাঁপন ধরানো যায়—তাহলে দেশের মানুষ সেই শিবিরকে স্বাগত জানাবে। কারণ, মানুষের চোখে তখন শিবির শুধু একটি সংগঠন নয়, বরং একটি আদর্শের প্রতীক হয়ে উঠবে।
ইতিহাসের পাতায় আমরা দেখি, অনেক সংগ্রামী গোষ্ঠী গুপ্ত থেকে লড়াই করেছে, কিন্তু তাদের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি ছিল জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ। দেশের জনগনের সাথে শিবিরের সেই নিবির সম্পর্কে রয়েছে৷ এর জ্বলন্ত উদাহরণ, ফিলিস্তিনের হামাস জনগোষ্ঠি, তারা সবাই জনগণের সমর্থন ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফল হয়েছে।
শিবির কেন গুপ্ত থেকেও তাদের রাজনীতি চালিয়ে যেতে পারে, সেই বিশ্লেষণ করুন। যদি কোনো রাজনৈতিক দল গোপনে থেকেই তাদের সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে, তাহলে সমস্যাটা কোথায়?
শিবিরের মতো অন্য দলগুলো কেন গুপ্ত থেকে রাজনীতি করতে পারে না? কারণ হলো..
কোনো দলের পোস্ট মানেই ক্ষমতা প্রদর্শন, ব্যানার-পোস্টার টাঙানো, শক্তি দেখিয়ে চাঁদাবাজি, হল নিয়ন্ত্রণ— এসবের জন্যই মূলত প্রকাশ্যে আসা প্রয়োজন হয়।
কিন্তু যদি কেউ নীরবে, সাধারণ মানুষের মতো থেকেই রাজনীতি করে যায়, তাহলে এতে কী কী অসুবিধা হতে পারে? একটু ব্যাখ্যা করবেন?
বড় অাশ্চর্যের বিষয় হলো, একটা রাজনৈতিক দলের নেতা বিদেশ থেকে ভিডিও কলে দল পরিচালনা করেন, কিন্তু তাদের পাতি নেতারা অন্য সংগঠনকে "গুপ্ত দল" বলে সমালোচনা করেন। এটা কতটা যুক্তিসঙ্গত? যখন আপনি নিজেই জনগণ থেকে দূরে থাকেন, তখন অন্যকে গুপ্ত বলার অধিকার আপনার কতটুকু?