Engr. Debashish Bhattacharjee

  • Home
  • Engr. Debashish Bhattacharjee

Engr. Debashish Bhattacharjee Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Engr. Debashish Bhattacharjee, Sylhet City, .

6 Storey Residential Building at Akhalia, Sylhet.Client: Mr. Saiful Islam
17/01/2026

6 Storey Residential Building at Akhalia, Sylhet.
Client: Mr. Saiful Islam

4 Storey Residential Building at Norshing Tilla, Sylhet.Plot Area: 6 Decimal (2 unit)
17/01/2026

4 Storey Residential Building at Norshing Tilla, Sylhet.
Plot Area: 6 Decimal (2 unit)

14/01/2026

ভূমিকম্প হানা দিচ্ছে বারবার
তাই জেনে রাখা ভাল


নতুন বিল্ডিং বা কাঠামো নির্মাণ করার ক্ষেত্রে করণীয়:

১। যে কোন বিল্ডিং-এর নকশা তৈরি করার পূর্বেই স্ট্রাকচারাল নকশার বিধিগুলোর অনুসরণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে সঠিক স্ট্রাকচারাল নকশা না হলে ভূমিকম্পরোধক বিল্ডিং হবে না।

২। বিল্ডিং ডিজাইনের আগেই অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা মাটির গুনাগুণ বিশ্লেষণ ও মাটির ধারণক্ষমতা নির্ভূলভাবে নির্ণয়পূর্বক রিপোর্ট তৈরি করতে হবে।

৩। বিল্ডিং নির্মাণের সময় অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের (সিভিল ইঞ্জিনিয়ার) তদারকি রাখতে হবে যাতে গুণগত মান ঠিক থাকে।

৪। সঠিক অনুপাতে গুনগতমানের সিমেন্ট, রড, বালির ব্যবহার হচ্ছে কিনা দেখতে হবে। কংক্রিটের চাপ বহন ক্ষমতা কোনো অবস্থাতেই ৩০০০ পিএসআই-এর নিচে নামানো যাবেনা । তার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে নির্মানাধীন সাইটে দায়িত্বে নিয়োজিত সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদেরকে কিউব অথবা সিলিন্ডার টেস্ট করতে হবে। কংক্রিটের মিক্সাচারে অতিরিক্ত পানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ঢালাই’র পরে পানির ব্যবহার করে কংক্রিটের কিউরিং করতে হবে।

৫। উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন রড পরীক্ষাপূর্বক ব্যবহার করতে হবে। রডের বহন ক্ষমতা ৬০ হাজার পিএসআই-এর কাছাকাছি থাকতে হবে। স্ক্র্যাপ বা গার্বেজ থেকে প্রস্তুতকৃত রড ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে ।

৬। বিল্ডিং-এর প্ল্যান ও এলিভেশান দুই দিকই সামাঞ্জ্য থাকতে হবে।

৭। নির্ধারিত ডিজাইনের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত ফ্লোর নির্মাণ করবেন না। বিল্ডিং কোড অনুসারে এক্সপানশান ফাঁক রাখতে হবে।

৮। বেশি পরিমান সরু ও উঁচু বিল্ডিং-এর পাশ হঠাৎ করে কমাবেন না। যদি কমাতে হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক ডাইনামিক বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।

৯। বিল্ডিং-এর উচ্চতা যদি ভবনের প্রস্থের ৪ (চার) গুণের অধিক হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক ডাইমানশন বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।

১০। ‘সেটব্যাক’ বা হঠাৎ করে বিল্ডিং-এর পাশের মাপঝোপ কমানো যাবেনা। যদি কমাতেই হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক বিশ্লেষণ করে সাইট অ্যাফেক্ট জেনে ডিজাইন করতে হবে।

১১। জটিল কাঠামোগত প্লানের জন্য অবশ্যই ত্রিমাত্রিক ভূমিকম্প বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।

১২। ‘শেয়ার ওয়াল’ বা কংক্রিটের দেয়াল সঠিক স্থানে বসিয়ে ভূমিকম্পরোধ শক্তির পরিমাণ বাড়াতে হবে।

১৩। সামপ্রতিক সময়ে যে হারে Flat Slab (বিম ছাড়া কলাম ও স্ল্যাব) বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে, তা মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প হলেই ধ্বসে যাবে। সুতরাং বিম, কলাম ও স্ল্যাব বিশিষ্ট বিল্ডিং তৈরি করতে হবে।

১৪। দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ারকে “বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড” অনুসরণ করে বিল্ডিং-এর প্ল্যান/ ডিজাইন করে ভূমিকম্প রোধক বিল্ডিং নির্মাণ করতে হবে।

১৫। নিচের তলা পার্কিং-এর জন্য খালি রাখতে হলে, ঐ তলার পিলারগুলো বিশেষভাবে ডিজাইন করতে হবে। প্রয়োজনমতো কংক্রিটের দেওয়াল দিয়ে পিলারগুলোতে বেষ্টনীবদ্ধ করতে হবে।

১৬। বিল্ডিং-এর ‘বিমের’ থেকে ‘পিলারের’ শক্তি বেশি করে ডিজাইন করতে হবে। কমপক্ষে ২০% বেশি করতে হবে।

১৭। মাটির গুণাগুণের ওপর ভিত্তি করে যথাযথ ফাউন্ডেশন প্রকৌশলগতভাবে যাচাই বাছাই করে ডিজাইন করতে হবে।

১৮। ৫ ইঞ্চি ইটের দেয়ালগুলো ভূমিকম্পের জন্য আদৌ নিরাপদ নয়। তাই এই দেয়ালগুলো ছিদ্রযুক্ত ইটের ভিতরে চিকন রড দিয়ে আড়াআড়ি ও লম্বালম্বিভাবে তৈরি করে ‘লিন্টেলের’ সাথে যুক্ত করে দিতে হবে। সবদিকে ‘লিন্টেল’ দিতে হবে। বিশেষ করে দরজা বা জানালার খোলা জায়গায় চিকন রড দিয়ে ৫ ইঞ্চি ইটের দেয়াল যুক্ত করতে হবে।

১৯। মনে রাখতে হবে, নতুন বিল্ডিং নির্মাণে ভূমিকম্প-প্রতিরোধক নিয়মাবলি প্রয়োগ করলে, শুধুমাত্র ২-৩% নির্মাণ খরচ বৃদ্ধি পায়।

#ভূমিকম্পের_সময়ে_করণীয়:

১। মানসিকভাবে শান্ত থাকুন ও অন্যদের শান্ত রাখুন।

২। বিল্ডিংটি বিম ও কলামের কাঠামোর ওপর নির্মিত হলে কলামের গা ঘেঁষে থাকুন। আর বিল্ডিংটি দেয়াল-নির্ভর হলে বাইরের কাছাকাছি কোনো কক্ষে অবস্থান নিন। যাতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে গেলেও উদ্ধার-কর্মীদের খুঁজে পেতে সুবিধা হয়।

৩। লিফট্ ব্যবহার করবেন না।

৪। বিদ্যুৎ চলে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে টর্চ ব্যবহার করুন।

৫। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছিন্ন হতে পারে, সজাগ থাকুন।

৬। মাথায় হেলমেট, কুশন বা বালিশ দিয়ে দরজার নিচে অথবা লোহার টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন।

৭। মাটির বাড়ি ও পরিত্যক্ত বিল্ডিং থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকুন।

ভূমিকম্পের সময় রাস্তায় থাকলে করণীয়:
১। খোলা জায়গায় অবস্থান নিন, শান্ত ও সচেতন থাকুন।

২। দৌড় দেবেন না।

৩। ঝুঁকিপূর্ণ বাড়িঘর থেকে দূরে থাকুন।

৪। মাটির বাড়ি থেকে নিরাপদ জায়গায় চলে আসুন।

৫। পুরাতন বিল্ডিং থেকে দূরে থাকুন।

৬। বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরে থাকুন।

৭। ঢালু জায়গা বা দেয়াল থেকে দূরে থাকুন।

চলন্ত গাড়িতে থাকাকালীন সময়ে করণীয়:

১। চলন্ত গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ করে রাখুন।

২। খোলা জায়গায় গিয়ে গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ করে অবস্থান নিন।

৩। বৈদ্যুতিক তার থেকে গাড়িটি দূরে কোথাও পার্কিং করুন।

৪। দেয়ালের পাশে বা গাছের নিচে গাড়ি পার্কিং করবেন না।

৫। যদি খোলা জায়গা না থাকে, তাহলে গাড়ির গা ঘেঁষে বসে পড়ুন।

ছবিতে যে সিরামিক/ফেয়ার ফেস ব্রিকের ওপর সাদা সাদা দাগ দেখা যাচ্ছে, এর প্রধান কারণ হলো Efflorescence (এফ্লোরেসেন্স)।Efflo...
09/01/2026

ছবিতে যে সিরামিক/ফেয়ার ফেস ব্রিকের ওপর সাদা সাদা দাগ দেখা যাচ্ছে, এর প্রধান কারণ হলো Efflorescence (এফ্লোরেসেন্স)।

Efflorescence (এফ্লোরেসেন্স) কি?
ইট, সিরামিক, কংক্রিট বা প্লাস্টারের ভেতরে থাকা দ্রবণীয় লবণ পানি দিয়ে গলে উপরে উঠে এসে সাদা গুঁড়া বা দাগ হিসেবে জমে থাকা।
সহজ ভাষায়
ইটের ভেতরে থাকে লবণ + পানি, যখন লবণ উপরে উঠে আসে ও পানি শুকিয়ে যায় ঠিক তখনই যে সাদা দাগ দেখা যায় তাকেই এফ্লোরেসেন্স বলে।

কেন এমন হয়? (মূল কারণ)

1. ইট, মর্টার বা সিমেন্টে দ্রবণীয় লবণ থাকা
ইট বা সিমেন্টের ভেতরের লবণ পানির সাথে মিশে বাইরে আসে।

2. পানি ঢোকা বা ভেজাভাব
বৃষ্টি, কিউরিং পানি, অথবা দেয়ালের ভেতর আর্দ্রতা থাকলে লবণ গলে উপরে উঠে আসে।

3. পানি শুকানোর সময় লবণ জমে থাকা
পানি শুকিয়ে গেলে লবণ সাদা দাগ হিসেবে রয়ে যায়।

4. ইট বসানোর পর ঠিকমতো ক্লিনিং না করা
মর্টারের লবণ বা সিমেন্ট ওয়াশ ঠিকমতো পরিষ্কার না হলে সমস্যা বাড়ে।

এটা কি ক্ষতিকর?

❌ স্ট্রাকচারাল ক্ষতি করে না

✅ তবে দেখতে খারাপ লাগে (এস্থেটিক সমস্যা)

দীর্ঘদিন放লে কিছু ক্ষেত্রে ইটের সারফেস দুর্বল হতে পারে

সমাধান কী?

তাৎক্ষণিক সমাধান

শুকনো ব্রাশ দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করা
পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা (চাপ দিয়ে নয়)

ভালো সমাধান

হালকা ভিনেগার + পানি (1:10) দিয়ে পরিষ্কার
বাজারে পাওয়া Efflorescence Cleaner ব্যবহার

স্থায়ী প্রতিরোধ

1. ভালো মানের লো-সল্ট ইট ব্যবহার।
2. সঠিক অনুপাতে মর্টার মিক্স।
3. কাজ শেষে ইট ভালভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করা।
4. কাজ সম্পূর্ণ শুকানোর পর।
👉 Water Repellent / Clear Sealer কোটিং দেওয়া।

ভবিষ্যতে এড়াতে চাইলে

বৃষ্টির পানি ঢোকার পথ বন্ধ
প্যারাপেট ও স্ল্যাবে proper waterproofing
ইট বসানোর আগে অতিরিক্ত ভেজানো বন্ধ।

 #সেফটি ট্যাংক চেম্বার: একটি আদর্শ সেপটিক ট্যাঙ্কে অন্তত দুটি অথবা তিনটি চেম্বার থাকা উচিত। প্রথম চেম্বারে কঠিন বর্জ্য জ...
01/01/2026

#সেফটি ট্যাংক চেম্বার:
একটি আদর্শ সেপটিক ট্যাঙ্কে অন্তত দুটি অথবা তিনটি চেম্বার থাকা উচিত। প্রথম চেম্বারে কঠিন বর্জ্য জমা হয় এবং দ্বিতীয় চেম্বারে তরল বর্জ্য এবং তৃতীয় চেম্বারে পানি পরিশোধিত হয়ে সোকয়েলে প্রবাহিত হয়।

👉জলরোধী আধার যা কংক্রিট, প্লাস্টিক বা ফাইবারগ্লাস দিয়ে তৈরি হয় এবং এটি পয়ঃবর্জ্য (টয়লেট ও রান্নাঘরের জল) প্রাথমিক শোধন ও ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষত যেখানে পৌর স্যুয়ারেজ লাইন নেই; এটি বর্জ্যের কঠিন অংশকে তরল অংশ থেকে আলাদা করে, ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে কঠিন অংশকে পচায় এবং পরিশোধিত জলকে ড্রেন ফিল্ডের মাধ্যমে মাটিতে মিশে যেতে সাহায্য করে।
সেফটি টাংকির কার্যপ্রণালী:
বর্জ্য প্রবেশ: টয়লেট, সিঙ্ক, শাওয়ার থেকে আসা নোংরা জল (কালো ও ধূসর জল) ট্যাঙ্কে প্রবেশ করে।
স্তরবিন্যাস: ট্যাঙ্কটি বর্জ্যকে যথেষ্ট সময় ধরে রাখে যাতে এটি তিনটি স্তরে বিভক্ত হয়:
উপরের স্তর (Scum): তেল, চর্বি ও ফেনা ভেসে উপরে জমা হয়।
মাঝের স্তর (Effluent): তরল বর্জ্য থাকে।
নীচের স্তর (Sludge): কঠিন বর্জ্য জমা হয়ে নিচে থিতিয়ে পড়ে।
অ্যানারোবিক পচন: ট্যাঙ্কটিতে থাকা ব্যাকটেরিয়া কঠিন বর্জ্যকে পচাতে সাহায্য করে।
বর্জ্য নিষ্কাশন: তরল বর্জ্য ট্যাঙ্কের আউটলেট পাইপ দিয়ে বেরিয়ে ড্রেন ফিল্ড বা সোক পিটে (શોখ পিট) যায়, যা মাটির মাধ্যমে জল পরিশোধনে সাহায্য করে।
স্লudge অপসারণ: সময়ের সাথে সাথে জমা হওয়া স্লudge বা কাদা পাম্প করে বের করে পরিষ্কার করতে হয়।

🦺সেফটি টাংকি বা সেপটিক ট্যাঙ্কের মাপ নির্ভর করে ধারণক্ষমতা ও ব্যবহারের উপর, তবে সাধারণ গ্রামীণ/শহুরে ব্যবহারের জন্য একটি আদর্শ মাপ হলো ১৫০০ মিমি × ৭৫০ মিমি × ১০০০ মিমি (৫ ফুট × ২.৫ ফুট × ৪ ফুট), যা প্রায় ১০০০ লিটার ধারণ করতে পারে; দৈর্ঘ্য-প্রস্থের অনুপাত ২ থেকে ৮ গুণ হতে পারে এবং নূন্যতম প্রস্থ ৬০ সেমি ও গভীরতা ১ মিটার রাখা উচিত, সাথে শক্তিশালী ভিত ও পর্যাপ্ত প্লাস্টারিং জরুরি।
সাধারণ মাপ ও ডিজাইন:
সাধারণ ব্যবহার: ১৫০০ মিমি (দৈর্ঘ্য) x ৭৫০ মিমি (প্রস্থ) x ১০০০ মিমি (গভীরতা)।
দৈর্ঘ্য-প্রস্থ: ট্যাংকের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ২ থেকে ৮ গুণ হতে পারে।
নূন্যতম মাপ: প্রস্থ ৬০ সেমি এবং তরলের গভীরতা ১ মিটার হতে হবে।
নির্মাণ ও নিরাপত্তা:
ভিত্তি (Base): ১:৩:৬ বা ১:২:৪ অনুপাতে সিসি (RCC) ঢালাই করতে হবে, পুরুত্ব কমপক্ষে ১২৫ মিমি।
ইটের গাঁথুনি: সিমেন্ট মসলা দিয়ে ইটের গাঁথুনি এবং ভিতরের দেয়ালে ১:৩ অনুপাতে ১২ মিমি পুরু প্লাস্টার করতে হবে।
কভার (Cover): ভারী কাজের জন্য ২৫০ মিমি পুরু কভার এবং সাধারণ কাজের জন্য ১৫০ মিমি পুরু কভার ব্যবহার করা যেতে পারে, যার মধ্যে পরিদর্শন ও প্রবেশাধিকারের জন্য ম্যানহোল থাকবে।

✌️গ্যাস: সেপটিক ট্যাঙ্কে মিথেন, হাইড্রোজেন সালফাইড এর মতো বিষাক্ত গ্যাস তৈরি হয়, তাই পরিষ্কার করার সময় অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে এবং কখনই গ্যাস মুক্ত না করে প্রবেশ করা উচিত নয়।

✅অন্যান্য বিষয়:ট্যাঙ্কটি মজবুত ও সুরক্ষিত করতে ডিজাইন অনুযায়ী লোহার অ্যাঙ্গেল বা অন্যান্য কাঠামো ব্যবহার করা হয়, যা ট্যাংকের ধারণক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল।
ট্যাঙ্কের আকার নির্ধারণে ব্যবহারকারীর সংখ্যা এবং বর্জ্যের পরিমাণ বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।
👷এই মাপগুলো একটি সাধারণ নির্দেশিকা; আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের সাথে
পরামর্শ করে সঠিক ডিজাইন ও মাপ নির্বাচন করা উচিত।

ফেয়ার ফেস কংক্রিট এর বিস্তারিতঃফেয়ার ফেস কংক্রিট বলতে ঐ কংক্রিট কে বুঝানো হয়, যেটার ফর্মওয়ার্ক খুলে ফেলার পর সরফেসটা এতট...
31/12/2025

ফেয়ার ফেস কংক্রিট এর বিস্তারিতঃ

ফেয়ার ফেস কংক্রিট বলতে ঐ কংক্রিট কে বুঝানো হয়, যেটার ফর্মওয়ার্ক খুলে ফেলার পর সরফেসটা এতটাই মসৃণ হয় যে সেটাকে নতুন করে ফিনিশিং করার জন্য প্লাস্টারের প্রয়োজন পরে না।

সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে ইন্টেরিয়র এবং এক্সটেরিয়র উভয় ডিজাইনেই সৌন্দর্য ও দীর্ঘস্থায়িত্বের কথা বিবেচনা করে ম্যাটেরিয়ালসের নানান পরিবর্তন-পরিবর্ধন, সংযোজন-বিয়োজন ও নতুনত্ব যোগ হচ্ছে। তেমনি একটি ম্যাটেরিয়ালস ‘ফেয়ার ফেস প্লাস্টার’। ফেয়ার ফেস প্লাস্টার ইন্টেরিয়র ও এক্সটেরিয়র উভয় স্থানেই ব্যবহার করা যায়। ফেয়ার ফেস প্লাস্টার ব্যবহার করলে আর নতুন করে পেইন্ট করতে হয় না। এটি দেখতে সুন্দর এবং দীর্ঘস্থায়ী।

ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কিভাবে তৈরি হয়ঃ

ফেয়ার ফেস হচ্ছে, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সিমেন্ট বেইজ এক ধরনের প্লাস্টার। এটি মূলত ৬০ শতাংশ সাদা সিমেন্ট ও ৪০ শতাংশ গ্রে সিমেন্ট এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্টোন চিপসের সমন্বয়।

ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কাজঃ

ইটের শুকনো দেয়ালে ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের আস্তর লাগাতে হয়। সাধারণ বালু সিমেন্টের আস্তর করার মতোই ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের আস্তর করতে হয়। সাধারণ প্লাস্টার করার পরও ফেয়ার ফেস প্লাস্টার করা যায়। সে ক্ষেত্রে সাধারণ প্লাস্টারকে রাফ করে নিতে হয়।

স্থায়িত্বঃ

ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের পুরুত্ব ৮ মিলিমিটার। ফেয়ার ফেস প্লাস্টার দেখতে উজ্জ্বল ছাই রঙা ধরনের। সিমেন্ট বেইজ হওয়ায় এটি অত্যন্ত মসৃণ ও গ্লসি হয়ে থাকে। একবার ব্যবহার করলে সারাজীবন চলে। সাধারণত ২০-৩০ বছরের স্থায়িত্বের গ্যারান্টিতে ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কাজ করা হয়।

গ্রুভঃ

ইন্টেরিয়র এবং এক্সটেরিয়র উভয় স্থানেই ব্যবহার করা গেলেও এক্সটেরিয়েরই ব্যবহার করা হয় বেশি। ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কাজ করার সময় ইচ্ছে অনুযায়ী গ্রুভ ব্যবহার করা যায়। সাধারণত প্রতি ২ ফিট পর পর ১-২ ইঞ্চি গ্রুভ ব্যবহার করা হয়। ইচ্ছে করলে এর কম-বেশিও করা যায়।

কিউরিংঃ

ফেয়ার ফেস প্লাস্টার কাজ করার পর তিন থেকে সাত দিন কিউরিং করলে ভালো হয়। আস্তরে চুল ছেঁড়া দাগ হয় না।

বাংলাদেশে কোথায় পাবেন?

বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি দেশের ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের প্রিমিক্স পাউডার পাওয়া যায়।
যেগুলো হচ্ছে দুবাইয়ের কনমিক্স, জার্মানির বিএসএফ, ভারতের ড. ফিক্সিট ও ফসরক।
তবে দুবাইয়ের কনমিক্স কোম্পানি বেশ সুনামের সাথে তাদের কনস্ট্রাকশন কেমিক্যাল বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মার্কেটিং করে আসছে।
টাইলসের বড় শোরুমগুলোতে খোঁজ করলেও ফেয়ার ফেস প্লাস্টার পাওয়া যাবে।

মূল্যঃ

সাধারণত প্রতিবর্গ ফুট ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা মূল্যে কাজ করা যায়। তবে হাইরাইজ বিল্ডিংয়ের বাইরে কাজ করতে স্ক্যাফোল্ডিং( মাচা ) তৈরি করতে হয়। মাচা বাবদ আরো পাঁচ টাকা লাগতে পারে।

দেখতে অত্যন্ত মসৃণ, আভিজাত্য ও অনন্য সুন্দর হওয়ায় বাংলাদেশে এর চাহিদা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। ঢাকা শহরের ও অন্যান্য বিভাগীয় শহরের অনেক অভিজাত এলাকায় অনেক বিল্ডিংয়েই ব্যবহৃত ফেয়ার ফেস প্লাস্টার আপনার নজর কাড়বে। এটি দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি চলে যুগের পর যুগ।
ArchVista DesignConsultant

ভূমিকম্পের পর বিল্ডিংয়ে সব ফাটলই গুরুতর নয়আজকের ভূমিকম্পে দেশের অনেক বিল্ডিং এ ছোটখাটো ফাটল দেখা গেছে। কিন্তু ফাটল মান...
22/11/2025

ভূমিকম্পের পর বিল্ডিংয়ে সব ফাটলই গুরুতর নয়
আজকের ভূমিকম্পে দেশের অনেক বিল্ডিং এ ছোটখাটো ফাটল দেখা গেছে। কিন্তু ফাটল মানেই আপনার বিল্ডিং ঝুঁকিপূর্ণ যে তা কিন্তু না। বেশিরভাগ ফাটলই সাধারণ রিপেয়ারেই ঠিক হয়ে যায়।
সাধারণত দুই ধরণের ফাটল দেখা যায়।
Non Structural Crack- গুরুতর না
Structural Crack- গুরুতর

✅ যে ফাটলগুলো সাধারণত খুব বেশি মারাত্মক না,
সেগুলো Non-Structural Cracks। এগুলো স্ট্রাকচারের লোড ক্যাপাসিটিতে প্রভাব ফেলে না
১. প্লাস্টার ক্র্যাক
শুধুমাত্র প্লাস্টার ফেটে যায় কিন্তু মূল বিম/কলামে ফাটল ধরেনা। উপর থেকে দেখে মনে হতে পারে বিম/কলাম এর ফাটল। এক্ষেত্রে সরু তার বা সরু কিছু দিয়ে দেখতে হবে ফাটলের গভীরতা কেমন।

২. হেয়ারলাইন ক্র্যাক (< 0.5 mm)
খুবই সূক্ষ্ম ফাটল; বেশিরভাগ সময় শুধু উপর থেকে দেখা যায়।

৩. শ্রিংকেজ বা টেম্পারেচার ক্র্যাক
তাপমাত্রা ওঠা–নামা বা ম্যাস স্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে সাধারণত হয়ে থাকে।

৪. পেইন্ট/ফিনিশিং ক্র্যাক
শুধুই বাহিরের লেয়ারের রং কিংবা ফিনিশিং এ ফাঁটল ধরে, মূল কাঠামো নিরাপদ থাকে।

৫. ইটের জয়েন্ট বা মেসনরি ক্র্যাক
ইট-বালুর জয়েন্টে ফাটল ধরে এটা খুব সাধারণ এবং সহজে ঠিক করা যায়।

👉 এসব ফাটল দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। রিপেয়ার করলেই সমাধান হয়ে যাবে।

ভূমিকম্পের পর এ ধরনের ক্র‍্যাক দেখলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নেওয়া জরুরি

১. ফাটলের গভীরতা
ফাটল যদি ৩ মিমি এর বেশি চওড়া হয় এবং গভীর মনে হয় তাহলে সেটা স্ট্রাকচারাল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

২. ফাটলের স্থান
জানালা, দরজার ফ্রেম, অথবা লোড-বিয়ারিং ওয়াল/কলাম/বিম–এর আশেপাশে ফাটল দেখা গেলে এটি সাধারণত স্ট্রাকচারাল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

৩. ফাটলের ধরন
ভার্টিক্যাল ক্র‍্যাক (সোজা নিচে উপরে)
ডায়াগোনাল / ৪৫° ক্র‍্যাক
কলামে X বা Y আকারের ক্র‍্যাক
বিম বা স্ল্যাবের নিচে লম্বা ক্র‍্যাক
সিঁড়ির মতো দেখতে ক্র‍্যাক
কলাম বিম সংযোগস্থলে (Joint) ক্র্যাক
এ ধরনের ফাটল বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্ট্রাকচারাল হয়ে থাকে।

৪. বিল্ডিংয়ের দুই অংশের লেভেল আলাদা হওয়া (Differential Settlement after quake)

৫. যদি ফাটলের মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। এক্ষেত্রে প্রথম দিন ফাটলের পরিমাণ মেপে রাখতে হবে, কয়েকদিন পর্যবেক্ষণ করে ফাটলের মাত্রা দেখতে পারেন। যদি ফাটল বাড়ে ফাটলের মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে তাহলে বিপদজনক।

👉 এ ধরণের ক্র‍্যাক হলে অবহেলা করা ঠিক হবে না।
🔍 কীভাবে বুঝবেন কোন ফাটল বিপজ্জনক?
(Quick Checks)
- ফাটল এর চওড়া 3 mm এর বেশি
- ফাটল দীর্ঘ ও গভীর
- ফাটল ধীরে ধীরে বাড়ছে
- ফাটল কি কলাম/বিম কিংবা ছাদে?
যদি এ ধরনের ফাটল হয় তবে অবশ্যই একজন স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারের সাথে পরামর্শ করে দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
অভিজ্ঞতাহীন কারও মতামত শুনে সিদ্ধান্ত নেবেন না।
প্রয়োজন ছাড়া চিপিং বা কোনো স্ট্রাকচারাল অংশ ভাঙবেন না।

✔️ কি করবেন? (Recommended Action)
১. প্রথমে জায়গাটা পরিষ্কার করে ফাটলের ছবি তুলুন।
২. ফাটলের চওড়া, গভীরতা নোট করুন।
৩. একজন সিভিল/স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার কে দেখান (বিশেষ করে যারা রেট্রোফিটিং এর কাজ করেন)।
৪. ইঞ্জিনিয়ার এর পরামর্শ অনুযায়ী রিপেয়ার/রেট্রোফিট করুন।
© Collected

বাড়ি নির্মাণ করছেন বা করবেন? এই পোষ্ট অবশ্যয় টাইমলানে রেখে দিন  নির্মাণ কাজে সহযোগী হবে আপনার বাড়িটা যেন শুধু মাত্র মাথ...
05/07/2025

বাড়ি নির্মাণ করছেন বা করবেন?
এই পোষ্ট অবশ্যয় টাইমলানে রেখে দিন নির্মাণ কাজে সহযোগী হবে
আপনার বাড়িটা যেন শুধু মাত্র মাথা গোজার স্থান না হয়। আপনার বাড়ি করতে হবে ভেবে চিন্তে প্রকৌশলীর পরামর্শে। বাড়ি করার পূর্বে মূল শর্ত হলো প্ল্যানিং। প্ল্যান করে বাড়ি করা হলে আপনি আপনার জমির সঠিক মূল্যায়ন করতে পারবেন ।

বাড়ি করার ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে।

* বিভিন্ন রুমের আদর্শ এবং সর্বনিম্ন মাপ
* রুমের অবস্থান
* সৌন্দর্য
* পর্যাপ্ত আলো বাতাস এর সুব্যাবস্থা
* নিরাপত্তা
* ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
* আপনার এলাকার নিয়ম অনুযায়ী কতটুকু জমি ছেড়ে বাড়ি করতে হবে , তার পরিমাণ ।
★★ রুমে মাপ এবং অবস্থানঃ

#বেড_রুম :
বেড রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত ১০ ফিট বাই ১২ ফিট।
~অবস্থান : যেদিকে সর্বোচ্চ ন্যাচারাল গিফট পাওয়া যাবে অর্থাৎ পর্যাপ্ত আলো বাতাস যেদিকে পাওয়া যায়। যেনো ব্যালকনি তে বসলেই ভেসে আসে দখিনা বাতাস । তবে সাধারণত একটা বিল্ডিং এর কর্ণার সাইডে বেড রুম দেওয়া হয় । এক বেড রুম থেকে আরেক বেড রুমের দূরত্ব বা অবস্থান এমন হবে যেন সম্পূর্ণ প্রাইভেসি বজায় থাকে। অর্থাৎ এক রুমের থেকে অন্য রুমের ভ্যান্তরীন দৃশ্য সহজেই দৃষ্টি-গোচর হবে না ।
#গেষ্ট_রুম :
গেস্ট রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই নয় ফিট
~অবস্থান : সিঁড়ির কাছাকাছি ।
#ডায়নিং :
ডায়নিং রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই দশ ফিট
~অবস্থান :রান্না ঘরের পাশে হলে ভাল হয় ।
#বাথরুম_টয়লেট :
বাথ রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত
ছয় ফিট বাই চার ফিট ।
~অবস্থান :
কমন বাথরুম হলে সবাই যাতে সহজেই ব্যাবহার করতে পারে এমন স্থানে ।
টয়লেটে অবশ্যই এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করবেন । এটা এয়ার ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে টয়লেটের দূর্গন্ধ দূর করার পাশাপাশি আপনার টয়লেট এর ফ্লোর শুকনা রাখবে ।
#কিচেন :
কিচেন রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই সাত ফিট
~অবস্থান :
কিচেনে রান্নার সময় রান্নার গ্যাস বা ধোয়া যেন অন্য রুমে প্রবেশ না করতে পারে ।
রান্না ঘরের পরিবেশ ফ্রেস রাখার জন্য, কিচেনেও এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করা উচিত ।
#ব্যালকনি :
চওড়া তিন ফিটের কম নয় ।
#সিড়ি :
আট ফিট চওড়া হলে ভাল হয় অবস্থান : মেইন রাস্তার পাশে অথবা রাস্তা থেকে সর্বনিম্ন দূরত্বে।

Upcoming 6 Storeyed Residential Building at Mohammedpur, Majortilla, Sylhet.
02/07/2025

Upcoming 6 Storeyed Residential Building at Mohammedpur, Majortilla, Sylhet.

Elevation,  3D sketch & 3D rendered view of a real project. Plot Area: 3.0 DecimalLocation : Madina Market,  Sylhet.
05/04/2025

Elevation, 3D sketch & 3D rendered view of a real project.

Plot Area: 3.0 Decimal
Location : Madina Market, Sylhet.

𝐌𝐢𝐧𝐢𝐦𝐮𝐦 𝐬𝐢𝐳𝐞 𝐨𝐟 𝐂𝐨𝐥𝐮𝐦𝐧:If All Bars in a beam & Column is 16 mm diafy = 400 MPa & f'c = 25MPaMinimum Peripheral Column si...
02/04/2025

𝐌𝐢𝐧𝐢𝐦𝐮𝐦 𝐬𝐢𝐳𝐞 𝐨𝐟 𝐂𝐨𝐥𝐮𝐦𝐧:

If All Bars in a beam & Column is 16 mm dia

fy = 400 MPa & f'c = 25MPa

Minimum Peripheral Column size =
ldh of Beam Reinforcement
+ Bend Dia of Beam Reinforcement with 90° Hook/2
+ Min Clear Space between Beam & Column Bar =

283mm + 6db / 2 + 25mm + 16mm / 2 + 38.5mm = 366.5mm + 6 * 16mm / 2

+ Bar dia of Column/2 + Clear Cover of Column

= 𝟰𝟬𝟮𝗺𝗺 𝗼𝗿 𝟭𝟲 𝗜𝗻𝗰𝗵

𝗠𝗶𝗻𝗶𝗺𝘂𝗺 𝗦𝗶𝘇𝗲 𝗼𝗳 𝗜𝗻𝘁𝗲𝗿𝗶𝗼𝗿 𝗖𝗼𝗹𝘂𝗺𝗻 𝗺𝘂𝘀𝘁 𝗯𝗲 𝗰𝗼𝗻𝗳𝗶𝗿𝗺𝗲𝗱 𝗯𝘆 𝗖𝗵𝗲𝗰𝗸𝗶𝗻𝗴 𝗦𝘁𝗿𝗼𝗻𝗴 𝗖𝗼𝗹𝘂𝗺𝗻 & 𝗪𝗲𝗮𝗸 𝗕𝗲𝗮𝗺.

Address

Sylhet City

3200

Telephone

+8801712650805

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Engr. Debashish Bhattacharjee posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Engr. Debashish Bhattacharjee:

  • Want your business to be the top-listed Home Improvement Business?

Share