Readymix Soil

Readymix Soil Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Readymix Soil, Nurseries & Gardening Store, Awla Kandi, Gosaibari, Dhunot, Bogura.

Potting Mixes-A Recipe for the Perfect GardenOne of the biggest mistakes new gardeners make is choosing the wrong pottin...
28/09/2020

Potting Mixes-A Recipe for the Perfect Garden

One of the biggest mistakes new gardeners make is choosing the wrong potting soil. Because soil is so crucial to a plant’s growth, it’s no surprise that making a mistake here can be devastating.

It doesn’t help that figuring out what type of potting soil is best can be a confusing process. With all of the commercial options available, it’s hard to know what ingredients are best or if they’re safe, or if making your own potting soil is a better option.

First, we’ll take a look at what a good potting soil should do, then we’ll dive into the different types on the market as well as how to make your own. By the end of this article, you’ll come out knowing exactly how to make your own soil.

স্বল্প সময়ে জৈব সার তৈরির কলাকৌশলজৈব পদার্থ হলো মাটির প্রাণ বা হৃদপিণ্ড। মাটির স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য জৈব পদার্থের প্...
27/09/2020

স্বল্প সময়ে জৈব সার তৈরির কলাকৌশল
জৈব পদার্থ হলো মাটির প্রাণ বা হৃদপিণ্ড। মাটির স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য জৈব পদার্থের প্রয়োজন। সাধারণভাবে জৈব পদার্থ হলো গাছপালা ও জীবজন্তুর মৃতদেহ মাটিতে পচে যে পদার্থের সৃষ্টি হয় তাই। জৈব পদার্থ হতে সংগৃহীত, প্রক্রিয়াজাতকৃত বা রূপান্তরিত সারই হলো জৈব সার। আমাদের দেশে প্রচলিত জৈব সারের মধ্যে কম্পোস্ট সার খুবই জনপ্রিয়। বাংলাদেশে চার ধরনের কম্পোস্ট সার ব্যবহার করা হয়। যেমন সাধারণ কম্পোস্ট, কুইক কম্পোস্ট, ভার্মি কম্পোস্ট এবং ট্রাইকো কম্পোস্ট।


কুইক কম্পোস্ট হলো এমন একটি জৈব সার যা স্বল্প সময়ে তৈরি করা যায় এবং এর মধ্যে গাছের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানও বেশি থাকে।

কুইক কম্পোস্ট সারের উপকারিতা :
সাধারণ কম্পোস্ট সার তৈরি করতে ২ থেকে ৩ মাস লেগে যায়। কৃষক পর্যায়ে সবসময় সাধারণ কম্পোস্ট সার প্রস্তুত করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই কুইক কস্পোস্ট সার খুব কম সময়ে এবং সহজ উপায়ে তৈরি করা যায় অর্থাৎ মাত্র ১৪-১৫ দিন সময়েই কুইক কম্পোস্ট সার তৈরি করা যায়। ইহা মাটিতে পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান সহজলভ্য করে। মাটিতে থাকা অনুজীবের ক্রিয়াকলাপ বৃদ্ধি করে। গাছের শিকড় ও অঙ্গজ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। সবজি ফসলে মালচিংয়ের কাজ করে। সর্বোপরি মাটির উর্বরতা সুরক্ষা করে এবং ফসল উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

কুইক কম্পোস্ট তৈরির প্রয়োজনীয় উপকরণ ও অনুপাত : পচা গোবর, কাঠের গুড়া এবং খৈল। উপকরণগুলোর মিশ্রণের অনুপাত হবে পচা গোবব : কাঠের গুড়া : খৈল= ৪: ২: ১ ।

কুইক কম্পোস্ট প্রস্তুত প্রণালি :
১ ভাগ খৈল ভালোভাবে গুড়া করে ২ ভাগ কাঠের গুড়া বা চালের কুড়া এবং ৪ ভাগ পচা গোবর বা হাঁস মুরগির বিষ্ঠার সাথে ভালো করে মিশাতে হবে। পরিমিত পরিমাণ পানি এমনভাবে মিশাতে হবে যেন সব উপাদান খুব ভালোভাবে মিশে। উপাদান ভালোভাবে মিশলে এক ধরনের খামির মতো তৈরি হয়। ওই মিশ্রণের খামি দিয়ে এমন করে বল তৈরি করা যায়। বলটি কোমর পরিমাণ বা ১ মিটার ওপর থেকে ছেড়ে দেয়া হয় তাহলে যদি বলটি একদম ভেঙে না যায় আবার একে বারে লেপ্টে না যায় তাহলে বুঝতে হবে পানির পরিমাণ ঠিক আছে। পরবর্তীতে মিশ্রণটি স্তূপ করে রেখে দিতে হবে যেন ভেতরে জলীয় বাষ্প আটকিয়ে পচনক্রিয়া সহজতর হয়। স্তূপটির পরিমাণ ৩০০ থেকে ৪০০ কেজির মধ্যে হওয়া উত্তম।

শীতকালে স্তূপের ওপর চটের বস্তা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। স্তূপ করার ২৪ ঘণ্টা পর হতে মিশ্রণের ভেতরের তাপমাত্রা বাড়তে থাকে এবং ৪৮-৭২ ঘণ্টার মধ্যে স্তূপের তাপমাত্রা ৬০০-৭০০ সে. এ পৌঁছায়। ওই পরিমাণ তাপমাত্রা অনুভূত হলে স্তূপ ভেঙে মিশ্রণ ওলট-পালট করে ১ ঘণ্টা সময়ের জন্য মিশ্রণকে ঠাণ্ডা করে নিতে হবে এবং পুনরায় স্তূপ করে রাখতে হবে। স্তূপে বেশি পরিমাণ তাপ অনুভূত হলে খৈলের সমপরিমাণ পচা গোবর বা হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা পুনরায় মিশিয়ে দিতে হবে। স্তূপের এ অবস্থায় অ্যামোনিয়ার মতো গন্ধ বের হবে। স্তূপটি প্রতি ২-৩ দিন পর পর ওলট-পালট করে পুনরায় স্তূপ করে রেখে দিতে হবে। এভাবে ওলট-পালট করতে থাকলে ১৪-১৬ দিনের মধ্যেই ওই মিশ্র জৈবসার জমিতে প্রয়োগ করার উপযোগী হয়। সার উপযোগী হওয়ার অন্যতম প্রধান লক্ষণ হলো এ সময় কোনো রকম গরম বা গন্ধ থাকবে না এবং কালো বাদামি বর্ণ ধারণ করবে, শুকনা এবং ঝুরঝুরে হবে।

সাবধানতা :
মিশ্রণটি উঁচু ও ছায়াযুক্ত স্থানে করতে হবে। স্তূপের নিচে পলিথিন শিট দিতে হবে যেন মিশ্রণে থাকা প্রয়োজনীয় পুষ্টি গুণাগুণ মাটিতে চলে না যায়।

পুষ্টি উপাদান :
কুইক কম্পোস্টের প্রতি ১০০ কেজিতে ২.৫৬% নাইট্রোজেন, ০.৯৮% ফসফরাস, ০.৭৫% পটাশিয়াম পাওয়া যায়। তাছাড়া পরিমিত মাত্রায় ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং অন্যান্য গৌন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়।

প্রয়োগমাত্রা :
জমির উর্বরতা ও ফসলের ওপর জমিতে কুইক কম্পোস্ট প্রয়োগের মাত্রা নির্ভর করে। সাধারণভাবে সবজি ফসলের জন্য প্রতি শতকে ৬ থেকে ১০ কেজি পরিমাণ প্রয়োগ করা যায়। এক্ষেত্রে জমি শেষ চাষের সময় শতাংশপ্রতি ৬ কেজি এবং পরবর্তীতে ২ বারে ৪ কেজি হারে নালা করে দিতে হবে। ধানের জমিতেও কুইক কম্পোস্ট দেয়া যেতে পারে। ধানের কুশি স্তরে শতাংশ প্রতি ৪ কেজি হারে ছিটিয়ে প্রয়োগ করা যেতে পারে।

সংরক্ষণ :
কুইক কম্পোস্ট ছায়ায় এমনভাবে শুকাতে হবে যেন হাতের মুঠোয় নিয়ে চাপ দিলে তাতে কোনো রস না দেখা যায়। এ অবস্থায় ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য চটের/পাটের বস্তায় বা মাটির পাত্রে সংরক্ষণ করা যায়।
ফসল উৎপাদনের প্রধান মাধ্যম মাটি। জৈব পদার্থ মাটির প্রাণ। কুইক কম্পোস্ট ব্যবহার করে মাটির জৈব উর্বরতা রক্ষা করুন। কারণ জীবন ও সভ্যতার বিকাশে মাটির ভূমিকা অপরিসীম।

জানা-অজানাসবুজ সার[ষষ্ঠ শ্রেণির কৃষিশিক্ষা বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ে ‘সবুজ সার’-এর কথা উল্লেখ আছে]সাধারণত কোনো উদ্ভিদকে সবুজ...
27/09/2020

জানা-অজানা
সবুজ সার
[ষষ্ঠ শ্রেণির কৃষিশিক্ষা বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ে ‘সবুজ সার’-এর কথা উল্লেখ আছে]

সাধারণত কোনো উদ্ভিদকে সবুজ অবস্থায় চাষ দিয়ে মাটির সঙ্গে মেশানোর ফলে পচে যে জৈব সার উৎপন্ন হয় তাকে সবুজ সার বলে। মাটির উর্বরতা বাড়ানোর জন্য কৃষকরা এই সার ব্যবহার করে। কচি অবস্থায় যেসব গাছের কাণ্ড ও পাতা রসালো হয়, শিকড় মাটির গভীরে প্রবেশ করে এবং মূলে গুটি হয়, সেসব গাছই সবুজ সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেমন—ধৈঞ্চা, শণ, বরবটি, শিম, খেসারি, মুগ, মাষকলাই, ছোলা প্রভৃতি।

বাংলাদেশে ধৈঞ্চা ও শণগাছ সবুজ সার হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। সাধারণত উঁচু ও মাঝারি জমিতে শণ এবং অপেক্ষাকৃত নিচু জমিতে ধৈঞ্চা সবুজ সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বছরের যে সময় জমি অনাবাদি থাকে সে সময় জমিতে কৃষকরা সবুজ সারের উদ্ভিদ ধৈঞ্চা বা শণের চাষ করে। এ গাছগুলো বড় হলে তা কেটে মাটিতে মিশিয়ে দেয়। সেই গাছ ও পাতা পচে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয় সবুজ সার। আমাদের মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। সবুজ সার ব্যবহারে মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বাড়ে, পাশাপাশি নাইট্রোজেনের পরিমাণও বাড়ে। ফলে অনুর্বর মাটি অপেক্ষাকৃত বেশি উর্বর হয়। এ সার ব্যবহারে বেলে মাটির পানি ধারণক্ষমতা বাড়ে এবং মাটির অভ্যন্তরে বাতাস চলাচলেও সুবিধা হয়। পরীক্ষা করে দেখা গেছে, সবুজ সার ব্যবহারে ফসলের ফলন বৃদ্ধি পায়। যেখানে প্রতি বিঘায় ১২-১৪ মণ ধান হয়, সেখানে সবুজ সার ব্যবহারে প্রতি বিঘায় ১৭ মণেরও বেশি ফলন পাওয়া যায়। রাসায়নিক সারের তুলনায় এ সার সস্তা এবং কৃষকরা খুব সহজেই জমিতে তা তৈরি করতে পারে। তা ছাড়া রাসায়নিক সারের মাত্রাধিক ব্যবহারে ফসলের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু সবুজ সারে এ ধরনের কোনো আশঙ্কা নেই; বরং জমিতে কোনো ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ থাকলে এ সার তা নষ্ট করে ফেলে।

★ শিং কুচি বা Horn meal* শিং কুচি বাগানে নাইট্রোজেন বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি উদ্ভিদের জন্য একটি উচ্চ নাইট্রোজেন খা...
27/09/2020

★ শিং কুচি বা Horn meal

* শিং কুচি বাগানে নাইট্রোজেন বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি উদ্ভিদের জন্য একটি উচ্চ নাইট্রোজেন খাবার যা প্রচুর পরিমাণে পাতা বিশেষত শাকসবজী উৎপাদন করে। পাতার প্রোটিন তৈরি করতে নাইট্রোজেনের প্রয়োজন। সুতরাং যে গাছগুলিতে প্রচুর পরিমাণে সবুজ পাতা থাকে তারা শিং কুচি থেকে উপকৃত হয়।
* শিং কুচি প্রাকৃতিক পণ্য নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ এবং ধীরে ধীরে মাটিতে ছেড়ে দেয়।
মুখ্য সুবিধা:

জৈব সার

নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ (16% পর্যন্ত) এবং পর্যাপ্ত পরিমান ফসফরাস রয়েছে।
নাইট্রোজেনের ধীর রিলিজ, 4-6 সপ্তাহ পরে মুক্তি পেতে শুরু করে। 12 মাস পর্যন্ত শেষ।
ফসল এবং ক্রমবর্ধমান ফলের জন্য আদর্শ।

* শিং কুচি হচ্ছে উদ্ভিদ বৃদ্ধি বুস্টার। এটি গাছের বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি মাটির গঠন এবং কাঠামো বাড়ানোর জন্য সেরা, এটি মাটিতে অনুজীবীয় ক্রিয়াকলাপ বাড়ায়। জৈব সার গাছের সব পর্যায়ে ব্যবহার করা যায়। বৃদ্ধি এবং কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নাই।

★ কাজঃ

=পুষ্পবৃক্ষ, ফলমূল এবং পাতার বিকাশ বৃদ্ধি করে।

=উদ্ভিদের পুষ্টি সমৃদ্ধি বৃদ্ধি করে।

=গাছের বৃদ্ধি ও ফলনের মান উন্নত করে।

=চকচকে পাতা, বড় ফুল, গাছের বৃদ্ধি, মূলের বিকাশ ইত্যাদির জন্য ব্যবহৃত হয়।

=সবুজ পাতার বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়।

=মূল বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়।

=মাটির গঠন উন্নত করে।

*আপনার বাগানে নাইট্রোজেন উৎস হিসাবে যুক্ত করার সময়, সর্বদা এটি মাটিতে মিশ্রিত করুন

*শিং কুচি একটি কম্পোস্ট পচন অ্যাক্টিভেটর হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

বিভিন্ন সারের কাজ, অভাবজনিত লক্ষণ ও মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের ফলাফলসার সাধারণত গাছপালার বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে থাকে। বাংলাদ...
27/09/2020

বিভিন্ন সারের কাজ, অভাবজনিত লক্ষণ ও মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের ফলাফল

সার সাধারণত গাছপালার বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে থাকে। বাংলাদেশের কৃষিতে মূলত ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি, এমওপি সার ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এ সারগুলোর কাজ, ঘাটতি বা অভাবজনিত লক্ষণ,মাত্রা অতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক নিম্নে উল্লেখ করা হলো-

ইউরিয়া সারের কাজঃ ইউরিয়া একটি নাইট্রোজেন সংবলিত রাসায়নিক সার, যা ব্যাপক হারে ফসলের জমিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ থাকে ৪৬%। ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে যা শিকড়ের বৃদ্ধি বিস্তাররে সহায়তা করে থাকে। গাছের ও শাকসবজির পর্যাপ্ত পরিমাণ পাতা, ডালপালা ও কান্ড উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে। ইউরিয়া সার ক্লোরোফিল উৎপাদনের মাধ্যমে গাছপালাকে গাঢ় সবুজ বর্ণ প্রদান করে থাকে। কুশি উৎপাদনসহ ফলের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। উদ্ভিদের শর্করা ও প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে থাকে। এছাড়াও গাছের অন্যান্য সব আবশ্যক উপাদানের পরিশোষণের হার বাড়িয়ে থাকে।

নাইট্রোজেনের অভাবজনিত লক্ষণঃ মাটিতে নাইট্রোজেন পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি বা অভাব দেখা দিলে ক্লোরোফিল সংশ্লেষণের হার অনেকাংশে কমে যায়। ফলে গাছ তার স্বাভাবিক সবুজ রং হারিয়ে ফেলে। এছাড়াও পাতার আকার ছোট হয়ে শাখা প্রশাখার বৃদ্ধি হ্রাস পেয়ে গাছ খাটো হয়ে যায়। পাতার অগ্রভাগ থেকে বিবর্ণতা শুরু হয় এবং বৃন্ত ও শাখা প্রশাখা সরু হয়ে যায়। গোলাপি অথবা হালকা লাল রঙের অস্বাভাবিক বৃন্ত হয়। পুরাতন পাতার মধ্যশিরার শীর্ষভাগ হলুদাভ-বাদামি বর্ণ ধারণ করে পাতা অকালেই ঝরে পড়ে। ফুল ও ফলের আকার কিছুটা ছোট হয়ে ফলন কমে যায়।

ইউরিয়া বেশি মাত্রায় প্রয়োগের ফলাফলঃ

ইউরিয়া সারের প্রয়োগ মাত্রা বেশি হলে গাছ দুর্বল হয়ে যায়। গাছে ফুল ও ফল উৎপাদন কিছুটা বিলম্বিত হয়ে যায়। এছাড়াও পোকামাকড় ও রোগ আক্রমণের পরিমাণ বেড়ে যায়। অনেক সময় পাতার অংশ ভারি হয়ে গাছ হেলে যায়। অতিরিক্ত নাইট্রোজেন প্রয়োগের কারণে অনেক ফল পানসে হয়ে যায়।

টিএসপি, ডিএপি বা ফসফেট জাতীয় সারের কাজঃ

টিএসপি (ট্রিপল সুপার ফসফেট) ও ডিএপি (ডাই এ্যামোনিয়াম ফসফেট)-এই দুটোই হলো ফসফেট জাতীয় রাসায়নিক সার। এই সার দুটোতে শতকরা ২০ ভাগ ফসফরাস থাকে। টিএসপিতে শতকরা ১৩ ভাগ ক্যালসিয়াম এবং ১.৩ ভাগ গন্ধক রয়েছে। ডিএপিতে ফসফেট ছাড়াও ১৮% নাইট্রোজেন বিদ্যমান থাকে যার কারণে ডিএপি সার প্রয়োগ করলে বিঘা প্রতি ৫ কেজি ইউরিয়া সার কম দিতে হয়।

ফসফরাস জাতীয় সার কোষ বিভাজনে অংশগ্রহণ করে। শর্করা উৎপাদন ও আত্তীকরণে সহায়তা করে। গাছের মূল বা শিকড় গঠন ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। গাছের কাঠামো শক্ত করে গাছকে নেতিয়ে পড়া থেকে রক্ষা করে থাকে। ফলের পরিপক্কতা ত্বরান্বিত করে থাকে। ফুল, ফল ও বীজের গুণগত মান বাড়াতে সহায়তা করে থাকে।

ফসফরাসের ঘটতিজনিত লক্ষণঃ মাটিতে ফসফরাসের ঘাটতি দেখা দিলে কাণ্ড ও মূলের বৃদ্ধি হ্রাস পায়। গাছের শাখা প্রশাখা কুণ্ডলিকৃত বা পাকানো হয়ে যায়। গাছের পুরোনো পাতা অসময়ে ঝরে পড়ে। ফুলের উৎপাদন, পার্শ্বীয় কাণ্ড এবং কুড়ির বৃদ্ধি অনেকাংশে কমে যায়। পাতার গোড়া রক্তবর্ণ বা ব্রোনজ রং ধারণ করে থাকে। পাতার পৃষ্ঠভাগ নীলাভ সবুজ বর্ণ ধারণ করে এবং পাতার কিনারে বাদামি বর্ণ হয়ে শুকিয়ে যায়। এছাড়াও গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়।

ফসফরাসের মাত্রা বেশি হলেঃ ফসফরাস প্রয়োগের পরিমাণ বেশি হলে ফলন কমে যায়। গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং অকাল পরিপক্বতা পরিলক্ষিত হয়।

এমপি সার বা পটাশ সারের কাজঃ এমওপি বা মিউরেট অব পটাশ সারে শতকরা ৫০ ভাগ পটাশিয়াম থাকে। এমওপি উদ্ভিদ কোষের ভেদ্যতা রক্ষা করে। উদ্ভিদে শর্করা বা শ্বেতসার দ্রব্য পরিবহনে সহায়তা করে। লৌহ ও ম্যাংগানিজের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। উদ্ভিদে প্রোটিন বা আমিষ উৎপাদনে সহায়তা করে থাকে। উদ্ভিদে পানি পরিশোষণ, আত্তীকরণ ও চলাচলে অর্থাৎ সার্বিক নিয়ন্ত্রণে অংশগ্রহণ করে। গাছের কাঠামো শক্ত করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। নাইট্রোজেন ও ফসফরাস পরিশোষণে সমতা বজায় রাখে।

এমওপি সারের ঘাটতিজনিত লক্ষণঃ গাছে পটাশ সারের ঘাটতি দেখা গেলে পুরাতন পাতার কিনারা থেকে বিবর্ণতা শুরু হয়। পরে পাতার আন্তঃশিরায় বাদামি বর্ণের টিস্যু দেখা যায়। এছাড়াও পাতার উপরিভাগে কুঞ্চিত হতে বা ভাঁজ পড়তে থাকে। গাছ বিকৃত আকার ধারণ করে এবং গাছের ছোট আন্তঃপর্বসহ বৃদ্ধি কমে যায়। পরবর্তীতে প্রধান কাণ্ডটি মাটির দিকে হেলে পড়ে। গাছে পোকামাকড় ও রোগবালাইয়ের আক্রমণ বেড়ে যায়।

পটাশের পরিমাণ বেশি হলেঃ জমিতে বা গাছে পটাশ প্রয়োগের পরিমাণ বেশি হলে ক্যালসিয়াম ও বোরনের শোষণ হার কমে যায়। ফলে বোরনের অভাবজনিত লক্ষণ দেখা যায়। পানি নিঃসরণের হার কমে যায় এবং গাছের বৃদ্ধি অস্বাভাবিকভাবে হ্রাস পায়।

Address

Awla Kandi, Gosaibari, Dhunot
Bogura
5851

Telephone

01905995112

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Readymix Soil posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share