Ambience Housing & Development Pvt Ltd.

Ambience Housing & Development Pvt  Ltd. Housing Company

09/04/2025

বাড়ি করার জন্য ভালো জমি খোঁজার চেয়ে ভালো প্রতিবেশী খুঁজুন, ভালো বাড়িতে বসবাসের স্বার্থকতা তখনই পাবেন যখন ভালো প্রতিবেশী পাবেন।

যাচাই পদ্ধতিঃ১। প্রথমে বিভাগ ঘর থেকে আপনার বিভাগ বাছাই করুন।২। এরপর জেলা ঘরে ক্লিক করলে আপনার বিভাগের অধীন সকল জেলা দেখত...
12/07/2023

যাচাই পদ্ধতিঃ

১। প্রথমে বিভাগ ঘর থেকে আপনার বিভাগ বাছাই করুন।

২। এরপর জেলা ঘরে ক্লিক করলে আপনার বিভাগের অধীন সকল জেলা দেখতে পাবেন, আপনার জেলায় ক্লিক করুন।

৩। উপজেলার ঘরে ক্লিক করলে আপনার জেলার সকল উপজেলার নাম দেখতে পাবেন, আপনার উপজেলার নামে ক্লিক করুন।

৪। এরপর মৌজা ঘরে ক্লিক করলে আপনার উপজেলার যে সকল মৌজার খতিয়ান চুড়ান্ত হয়েছে, সে সকল মৌজার নাম দেখতে পাবেন। আপনার জমিটি যে মৌজায় অবস্থিত সেই মৌজার নামে ক্লিক করুন।
ওয়েবসাইটঃ https://ldtax.gov.bd/

#ভূমিসেবা


#ভুমিউন্নয়নমন্ত্রানালয়

রেজিষ্ট্রেশন সংক্রান্ত -> জমি, বাড়ী, প্লট, ফ্ল্যাটের নতুন রেজিষ্ট্রেশন ফি সংক্রান্ত গেজেট। ২০২৩ সালের জুলাই ১ তারিখ হতে ...
06/07/2023

রেজিষ্ট্রেশন সংক্রান্ত ->
জমি, বাড়ী, প্লট, ফ্ল্যাটের নতুন রেজিষ্ট্রেশন ফি সংক্রান্ত গেজেট। ২০২৩ সালের জুলাই ১ তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে :

21/04/2023

তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম
🌙 ঈদ মুবারক
❣️❣️

✅ ওয়ারিশ সম্পত্তি বা পৈত্রিক সম্পত্তি ক্রয়ের আগে তিনটি ডকুমেন্ট দেখে নিবেন। তিনটি ডকুমেন্ট না থাকলে ক্রয় বায়নাপত্র লেনদে...
06/03/2023

✅ ওয়ারিশ সম্পত্তি বা পৈত্রিক সম্পত্তি ক্রয়ের আগে তিনটি ডকুমেন্ট দেখে নিবেন। তিনটি ডকুমেন্ট না থাকলে ক্রয় বায়নাপত্র লেনদেন করবেন না। জমি রেজিস্ট্রার হলেও পরবর্তীতে কিন্তু জমি নামজারিতে সমস্যা হয়।

#ডকুমেন্ট_গুলো_হলো

১)প্রথম, ওয়ারিশ সনদ পত্র।
২)দ্বিতীয়, পারিবারিক ভাগবন্টন রেজিষ্ট্রেশন দলিল।
৩)তৃতীয়, নামজারি খতিয়ান। তারপর অন্যান্য কিছু বিষয় দেখতে হবে।

যেমন বিক্রেতা যে সুত্রে মালিক হলো, তার পূর্বের মালিক কোন সুত্রে মালিক তার দলিল খতিয়ান কপি যাচাই বাছাই করে নিবে।

এই তিনিটি ডকুমেন্ট জার কাছে না থাকবে তার দখলে থাকুক বা পারিবারিক মৌখিক বন্টন হউক আপনি ক্রয় করবেন না। অনেকেই মৃত পিতা মাতার নামের সম্পত্তি অন্যান্য ভাইবোন ওয়ারিশদের না জানিয়ে গোপনে বিক্রি করে দেয়,,,কেউ কেউ যতটুকু অংশ পাবে তার বেশি বিক্রি করে ফেলে,,, কেউ কেউ আছেন ভালো পজিশনের জমি বিক্রি করে দেন। কেউ কেউ আছেন ওয়ারিশদের অংশও বিক্রি করে ফেলেন। কেউ কেউ আছেন পারিবারিক মৌখিক ভাবে ভাগের অংশ বিক্রি করেন।

মৌখিক ভাগ কোনো দলিল নয়। মৌলিক বন্টনের কোনো মূল্য নেই। মৌখিক কথার দাম নেই। এক লোক দীর্ঘ বছর ধরে পারিবারিক মৌখিক ভাগ করা জমি ভোগদখল করে আসছে,,, জমিটার মূল্য অন্যান্য জমির ছেয়ে অনেক বেশি,,, বেশি দাম হওয়াতে তারই এক ভাই জমিটির অংশ দাবি করলো,,, সবাই যতই বলে মৌখিক ভাগের কথা, ভাই তা মানতে রাজি নয়,,, ভাই বোলতেছে মৌখিক ভাগ মানিনা, পুনরায় ভাগবন্টন করতে হবে।

তারা মৌখিক ভাগ না করে পারিবারিক বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করে নিলে ভাই কখোই দাবী করলে তা আইন সম্মত হতো না। তাই বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়ারিশ সনদ, বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল, জার আছে তার সম্পত্তিতে কখনোই কোনো ওয়ারিশ ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করতে পারবেনা। ওয়ারিশ সনদ পত্রটি প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশ সম্পত্তির মালিক। বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশের সম্মত্তিতে বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করা হয়। আবার দেখতে হবে ওয়ারিশ সনদ সঠিক কিনা, প্রত্যেক ওয়ারিশের নাম সঠিকভাবে উল্লেখ্য আছে কিনা,,, বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিলে প্রত্যেক ওয়ারিশের স্বাক্ষর নাম ঠিকানা সঠিক ভাবে উল্লেখ্য কিনা।

অনেকেই বোনের অংশ না দিয়ে, বিক্রি করে দেন, জিনি ক্রয় করেন সেই লোক বিপদে পড়ে। কারণ ক্রেতা বিক্রেতার কাছ থেকে জেনে নেওয়া উচিত ছিলো বিক্রেতা কোন সুত্রে সম্পত্তির মালিক, সেই সব ডোকোমেন্ট দেখা উচিত ছিলো। পৈতৃক সম্পত্তি হলে বা ওয়ারিশ সম্পত্তি হলে ক্রয়ের আগে ওয়ারিশ সনদ, রেজিষ্ট্রেশন করা বন্টন নামা দলিল,নামজারি খতিয়ান। এগুলো দেখা। এগুলো না দেখে ক্রয় করলে অন্যান্য ওয়ারিশরা অভিযোগ সালিস মামলা করলে জমি ছেড়ে দিতে বাধ্য হবেন।

তথ্য সংগ্রহ

31/12/2022
কোরবানি মানে শুধু পশুহত্যা নয়, মনের পশু হত্যা করার দিন'।ঈদে অভুক্ত, নিরন্ন ও দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। তার...
09/07/2022

কোরবানি মানে শুধু পশুহত্যা নয়, মনের পশু হত্যা করার দিন'।
ঈদে অভুক্ত, নিরন্ন ও দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। তারা যেন কোনোভাবেই বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। ঈদ সবার জন্য। সবার অংশগ্রহণে ঈদুল আজহা হয়ে উঠুক আনন্দময়।
আমরা আমাদের প্রিয় গ্রহক শুভানুধ্যায়ীসহ সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা-অভিনন্দন।
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম
🌙 ঈদ মুবারক
❣️❣️

ঈদ মোবারক
01/05/2022

ঈদ মোবারক

20/07/2021

ঈদ মুবারাক🌙🌙
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!
❣️❣️❣️

30/06/2021

জমি কেনার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো অবশ্যই জেনে নিবেন......
একখণ্ড জমির মালিক কে না হতে চায়? এই ইচ্ছা পূরণের জন্য অবশ্যই আপনাকে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে জমি বিক্রেতার মালিকানা এবং জমির বিভিন্ন দলিল ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করতে হবে। নইলে বিপদে পড়তে পারেন, এমনকি প্রতারিতও হতে পারেন।

জমি কেনার প্রধান ও পূর্বশর্ত হচ্ছে, ক্রেতা হিসেবে আপনাকে সাবধান এবং সচেতন হতে হবে। হুট করে দলিলপত্রাদি যাচাই না করে জমি কেনা উচিত নয়। অনেক
সময় দালালদের কথায় প্ররোচিত হয়ে জমি কিনতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়ার ঘটনাও রয়েছে।

এবার জেনে নিন জমি কেনার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিবেন-

প্রথমেই জমি সংক্রান্ত সকল কাগজপত্রের ফটোকপি চেয়ে নিন মালিকের কাছ থেকে। যেমন- সি.এস খতিয়ান, আর.এস খতিয়ান, বি.এস/ঢাকা সিটি জরিপের
খতিয়ানসহ হাল সনের খাজনার দাখিলাসহ সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র।

এ কাগজগুলো দিয়ে মালিকানা স্বত্ত্ব পরীক্ষা করে দেখতে হবে। জমির তফসিল অর্থাৎ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ জানতে হবে।

এছাড়া সি.এস খতিয়ান, এস.এ খতিয়ান, আর.এস/বি.এস খতিয়ান ও ঢাকা সিটি জরিপের খতিয়ান পাশাপাশি মিলিয়ে দেখতে হবে জেলা, মৌজা, থানা, দাগ নম্বর
ইত্যাদি মিল আছে কিনা।

যদি না মিলে তবে ওই মৌজার সি.এস নকশা, আর.এস./বি.এস ও ঢাকা সিটি জরিপের নকশা জোগাড় করে তার তুলনা করে দেখতে হবে সি.এস দাগ ভেঙে কয়টি
আর.এস. দাগ বা সিটি জরিপের দাগ সৃষ্টি হয়েছে এবং সেগুলো কি কি। এরপর ভূমি রেকর্ড রুম থেকে ওই খতিয়ানগুলোর সই-মুহুরি নকল নিয়ে মালিকের নাম নিশ্চিত করতে হবে।

বিক্রেতার জমিটি তার অন্যান্য শরীকদের সঙ্গে অংশনামা হয়েছে কিনা তা দেখতে হবে। বিক্রেতা যদি বলেন যে আপোষমুলে বণ্টন হয়েছে, কিন্তু রেজিস্ট্রি হয়নি। তবে ফারায়েজ অনুযায়ী বিক্রেতা যেটুকু অংশের দাবিদার শুধু সেটুকু কিনাই নিরাপদ হবে।

বিক্রেতা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হলে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান বিক্রেতা বা তিনি যার মাধ্যমে প্রাপ্ত তার নামে অস্তিত্ব (যোগসূত্র) মিলিয়ে দেখতে হবে। জমি বিক্রেতার মালিকানা স্বত্ব বা বিক্রয়ের বৈধ অধিকার আছে কিনা তাও দেখতে হবে। অর্থাৎ জমির মালিক নাবালক বা অপ্রকৃতিস্থ কিনা তাও লক্ষ্য রাখতে হবে। নাবালক হলে আদালতের মাধ্যমে অভিভাবক নিযুক্ত করে বিক্রয়ের অনুমতি নিতে হবে। এছাড়া শরিকদের সঙ্গে বিক্রেতার সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টননামা (ফরায়েজ) দেখে নিতে হবে।

বিক্রেতা যদি তার কেনা জমি বিক্রি করতে চান, তাহলে বিক্রেতার ক্রয় দলিল বা ভায়া দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা নিশ্চিত করে নিতে হবে।

জমি কেনার আগে সব অংশীদারকে নোটিশ দিতে হবে। যাতে পরবর্তীতে মোকদ্দমা হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে। সাব–রেজিস্ট্রারের অফিসে তল্লাশি দিয়ে জমির সর্বশেষ বেচাকেনার তথ্য জেনে নেওয়া যেতে পারে। এছাড়া বিবেচ্য ভূমি কোনো আদালতে মামলা–মোকদ্দমাভুক্ত কি না, তাও জেনে নিতে হবে। মামলাভুক্ত জমি কেনা ঠিক হবে না।

এবার দেখতে হবে বিক্রেতা ওই জমির ব্যাপারে কাউকে আমমোক্তার নিযুক্ত করেছেন কিনা, এছাড়া ব্যাংক কিংবা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে বন্ধক রেখেছেন কিনা। বিবেচ্য ভূমি খাস, পরিত্যক্ত/অর্পিত, অধিগ্রহণকৃত বা অধিগ্রহণের জন্য নোটিশকৃত কি না এ বিষয়টিও জানতে হবে। এ ব্যাপারে তহশিল, উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল এ শাখা থেকে জেনে নিতে পারবেন।

জমির মালিকানা স্বত্ব সঠিক পাওয়ার পর আপনাকে সি.এস/আর.এস/বি.এস/ঢাকা সিটি জরিপের নকশা নিয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখতে হবে নকশা অনুযায়ী ওই
জমিটি সেই দাগের কিনা।

এরপর বিক্রয়ের জন্য নির্দিষ্ট জমিটি বর্তমানে কে দখলে আছে, কিনতে গেলে কোনও কারণে ভোগ দখলে বাধাগ্রস্থ হবেন কিনা, কিংবা রাস্তা বা পথাধিকারের কোন বাধা -নিষেধ আছে কিনা তাও সরেজমিনে যাচাই করে নিতে হবে।

Address

Chandpur
3600

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ambience Housing & Development Pvt Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ambience Housing & Development Pvt Ltd.:

Share