Alokita Fatickchari (আলোকিত ফটিকছড়ি)

Alokita Fatickchari (আলোকিত ফটিকছড়ি) Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Alokita Fatickchari (আলোকিত ফটিকছড়ি), Home improvement, ফটিকছড়ি, Chittagong.

27/10/2016

ফটিকছড়ি উপজেলায় দুইটি থানা , একটি পৌরসভা,
আটারোটি ইউনিয়ন, ১০২টি মৌজা এবং ১৯৯টি ...
ফটিকছড়ি থানার ইউনিয়নগুলো হচ্ছে,.

12/12/2013

রাত ১০টা ১ মিনিটে জল্লাদ
শাহজাহানের নেতৃত্বে ছয়জন
ফাঁসি কার্যক্রম শেষ করেন।।

10/12/2013

আজকের প্রজন্ম নেতৃবৃন্দের
সাথে ফটিকছড়ি থানা ওসি’র
মতবিনিময়
ওসি’র মতবিনিময় নেতৃবৃন্দের
সাথে ফটিকছড়ি থানার নবাগত
অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ শাহাজান
ভুঁইয়ার মতবিনিময় হয় গত ৭ ডিসেম্বর।
ফটিকছড়ি থানায় মত
বিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন
সংগঠনের কেন্দ্রীয়
সভাপতি বোরহান আহমেদ, নাজমুল
হাসান তপু, এম.এ তাহের মুন্সী, এ.এস.
এম মিনহাজুল ইসলাম, এম. আনোয়ার
হোসেন মাস্টার, অধ্যাপক এন.এম.
রহমতুল্লাহ, রায়হান খান ঝুমন,
শফিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, ছৈয়দ আজগর
সুমন, উমর ফারুক সিকদার, ছাদেক
আলী সিকদার, ছৈয়দ গোফরান
উদ্দিন ফরহাদ, মুহাম্মদ জামাল
উদ্দিন, আফাজ উদ্দিন বাপ্পী,
এমরান ফরহাদ প্রমুখ। -বিজ্ঞপ্তি

10/12/2013

মতবিনিময় সভায় পেয়ারম্নল ইসলাম
আ.লীগ হতে মনোনয়ন পাবার
প্রত্যাশা মন হতে মুছে যায়নি
নিজস্ব সংবাদদাতা, নাজিরহাট
গত সংসদ
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের
মনোনীত প্রার্থী আলহাজ এটিএম
পেয়ারম্নল ইসলাম বলেছেন,
আগামী ১০ম জাতীয় সংসদ
নির্বাচনে ফটিকছড়ি হতে আওয়ামী লীগ
কিংবা মহাজোট হতে চূড়ামত্ম
মনোনয়নে একাধিক ব্যক্তির নাম
শোনা গেলেও আওয়ামী লীগের
ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।
এখনো আওয়ামী লীগ হতে মনোনয়ন
পাবার প্রত্যাশা আমার মন
হতে শতভাগ মুছে যায়নি। দীর্ঘ ৩৯
বছর রাজনৈতিক জীবনে দলের
প্রতি আমার অশেষ, অবদান
বিবেচনা করে জননেত্রী শেখ
হাসিনা আগামী ১০ম জাতীয়
সংসদ নির্বাচনের জন্য
আওয়ামী লীগ
কিংবা মহাজোটের প ক্ষ
ফটিকছড়ি উপজেলা হতে আমাকেই
চূড়ামত্ম মনোনয়ন দেবেন।
নিজ গ্রামের বাড়ি কিপাইত
নগরে ৮ ডিসেম্বর ১০ম জাতীয় সংসদ
নির্বাচনের বিষয়ে আওয়ামী লীগ
ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের
সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব
কথা বলেন। উপজেলা আওয়ামীলীগ
নেতা শাহা আলম সিকদারের
সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন
দিদার বশর দুদু, এইচ এম আবু তৈয়ব,
হাসান সরোয়ার আলম, তসলিম বিন
জহুর, ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের
মধ্যে কাজী মাহামুদুল হক, ফারম্নক
উল আজম, আবু তালেব প্রমুখ।
পেয়ারম্নল ইসলাম আরো বলেন, শেখ
হাসিনার আস্থাভাজন
বলে ফটিকছড়িতে ৪২টি ব্রিজ,
৭১টি প্রাথমিক
বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ ও
একাধিক সড়কসহ ৩শ’ কোটি টাকার
উন্নয়ন করেছি। ৪শ’ বেকার
যুবককে চাকরির সুযোগ করেছি।
রাবার ড্যাম করে উপজেলার লাখ
লাখ একর জমি আবাদের
উপযোগী করেছি। নির্বাচিত
সবাইকে সাথে নিয়ে আগামীতে ফটিকছড়িতে হাজার
কোটি টাকার উন্নয়নে কাজ করব।
উলেস্নখ্য, আগামী দশম জাতীয়
সংসদ নির্বাচনের জন্য চট্টগ্রাম-২
ফটিকছড়ি উপজেলা হতে আওয়ামী লীগের
মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সাংসদ
রফিকুল আনোয়ারের
মেয়ে খাদিজাতুল আনোয়ার সনি।
সুত্র্র- দৈনিক পুর্বকোণ

07/12/2013

নবান্ন উৎসব ফটিকছড়ির কৃষক
পরিবারে
এস এম মোরশেদ মুন্না, নাজিরহাট
আমনের সমারোহে ফটিকছড়ির
প্রতিটি ধানি জমি সোনালি ধানে ছেয়ে গেছে।
হেক্টরপ্রতি উচ্চ ফলনশীল জাতের
উৎপাদন সাড়ে ৫ হতে ৬ টন।
ফলে ফটিকছড়ির প্রতিটি কৃষক
পরিবারে চলছে নবান্নের আগাম
উৎসব।ইতিমধ্যে ফটিকছড়িতে ৩০
ভাগ জমির ধান কাটা সম্পন্ন
হয়েছে। ধান কাটা আর
ঘরে তুলতে ব্যসত্ম হয়ে পড়েছেন কৃষক
পরিবারের সদস্যরা।
সময়মত বৃষ্টিপাত হওয়া, সারের
ন্যায্যমূল্য, ভাল ও সঠিক পরামর্শ,
রোগবালাই কম, সর্বোপরি কৃষকের
অধিক তদারকির
কারণে মাঠজুড়ে সোনালি আমনের
ব্যাপক উৎপাদন হয়েছে। গত বোরো,
আমন দুই মৌসুমে বাম্পার ফলন
হওয়াতে চলতি আমন
মৌসুমে উপজেলার চাষীরা অনেক
উদ্দীপনা নিয়ে আমনের চাষ
করেছেন এবং সফলও হয়েছেন। ফলন
দেখে বোঝা যায়, কৃষকের এমন
উদ্দীপনা বৃথা যায়নি।
চলতি আমনের ব্যাপক ফলন
দেখে কৃষকরাও বেজায় খুশি।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন
ঘুরে জানা গেছে, চলতি আমন
মৌসুমে কৃষকরা উচ্চ ফলনশীল জাতের
বিআর ১১, ২২, ৩২, ৩৯, ৪০ ও ৪১
কামত্মা ইরি, পায়জম,
দিনাজপুরী পায়জম ও
দিনাজপুরী সাদা পায়জম
এবং স্থানীয় জাতের মধ্যে বিন্নি,
কালিজিরা ও গিগচ রোপণ
করেছেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
সূত্রে জানা গেছে, বছরের ১ জুলাই
হতে আগস্ট পর্যমত্ম আমন রোপণের
উৎকৃষ্ট সময় হলেও শুরম্নতে অনাবৃষ্টির
কারণে উপজেলার বেশিরভাগ
জায়গায় কৃষকরা সময়মত চারা রোপণ
করতে পারেনি। তাই
চলতি বছরে ধানকাটা শেষ
হতে একটু সময় লাগবে।
এছাড়া চলতি বছরে আমনের
বীজতলা প্রস্ত্ততের সময় শেষের
দিকে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের
ফলে পানিজমে বীজতলা নষ্ট
হয়ে যাওয়াতে গত বছরের
চেয়ে উপজেলায় আমনের
লক্ষমাত্রা ১ হাজার ৮২০ হেক্টর কম
ধরা হয়েছে। গত বছর
ফটিকছড়ি উপজেলায় আমনের
লক্ষযমাত্রা ধরা হয়েছিল ২২
হাজার ৩৬০ হেক্টর জমি। চলতি বছর
আমনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ২০
হাজার ৫৪০ হেক্টর জমি। অর্জিত
হয়েছে ২১ হাজার ৩ শত হেক্টর জমি।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়
লক্ষমাত্রার চেয়ে অর্জন ৭৬০ হেক্টর
বেশি।
এ ব্যাপারে দৌলতপুরের
চাষী মেহাম্মদ মোজাফ্ফর জানান,
গত আমন বোরো দুই মৌসুমে আমার
ফলন অনেক ভাল হয়েছিল।
চলতি আমনের ফলন
দেখে আমি অনেক খুশি।
সঠিক পরিচর্যা ও সময়মত
বৃষ্টিপাতের কারণে আমার
জমিতে আমনের ব্যাপক উৎপাদন
হয়েছে। নানুপুরের মোহাম্মদ
আলী আকবর জানান, গত
বোরো মৌসুমে বন্যার ফলে আমার
ফলন ভাল হয়নি। ফলে চলতি আমন
মৌসুমে আমি খুব
বেশী মনোযোগী ছিলাম চাষের
প্রতি। শুভনছড়ির নাছির উদ্দীন
জানান, আমার এলাকার মানুষের
প্রধান চাষাবাদ হচ্ছে ধান চাষ।
ফলে শুভনছড়ির বিসত্মীর্ণ একর
জমিতে ধানের চাষাবাদ হয়। গত
আমন বোরো দুই মৌসুমে আমাদের
ফলন অনেক ভাল হয়েছিল। কঠোর
পরিশ্রম আর আবহাওয়া আমাদের
অনুকূলে ছিল বলে এ এলাকার সবার
আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। এ
ব্যাপারে উপজেলার উপ
সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ
কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহ আলম
জানান, উপজেলায় গত দুই মৌসুম
বাম্পার ফলন হয়েছে।
ফলে কৃষকরা অনেক
বেশি আত্মবিশ্বাসী।
এছাড়া বিভিন্ন সময়ে কৃষকদের
আমরা অনেক সহযোগিতা করেছি।
উৎপাদন
দেখে মনে হচ্ছে কৃষকরা আমাদের
পরামর্শ
ভালভাবে কাজে লাগাতে পেরেছেন।

ব্যাপারে ফটিকছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লিটন
দেবনাথ জানান, আমি উপজেলার
বেশিরভাগ ইউনিয়ন
ঘুরে দেখেছি আশাতীত ফলন
হয়েছে ফটিকছড়িতে। আমাদের
সহযোগিতা এবং কৃষকের
হাড়ভাঙা পরিশ্রমের ফল আমনের
বাম্পার ফলন।
সুত্র - দৈনিক পুর্বকোণ
Just now

01/12/2013

ফটিকছড়ি আসনে স্বতন্ত্র
প্রার্থী হবেন পেয়ারম্নল ইসলাম
নিজস্ব সংবাদদাতা, নাজিরহাট
গত সংসদ
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের
মনোনীত প্রার্থী আলহাজ এটিএম
পেয়ারম্নল ইসলাম আগামী ১০ম
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য
আওয়ামী লীগের পক্ষ
ফটিকছড়ি উপজেলা হতে মনোনয়ন
না পেয়ে নিজের
জনপ্রিয়তাকে ধরে রাখতে স্বতন্ত্র
প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র
সংগ্রহ করবেন বলে জানিয়েছেন। ২
ডিসেম্বর তিনি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
ও জমা দেবেন বলে জানান।
নিজ গ্রামের বাড়ি কিপাইত
নগরে অনির্ধারিত এক সভায় ২৯
নভেম্বর পেয়ারম্নল ইসলাম এ
সিদ্ধামত্ম নেন।
যেখানে সাংবাদিকসহ
উপজেলা আওয়ামী লীগের
একাধিক নেতা উপস্থিত ছিলেন।
এতে এটিএম পেয়ারম্নল ইসলাম
বলেন, নবম জাতীয় সংসদ
নির্বাচনে আমি ফটিকছড়িতে রেকর্ড
সংখ্যক ভোট পেলেও ষড়যন্ত্রের
মাধ্যমে আমাকে এমপি হতে দেয়া হয়নি।
এর বিচার আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনাকে দিয়েছি। এরপরও
আমি আমার প্রাণপ্রিয়
ফটিকছড়িবাসীর
দিকে তাকিয়ে গত সাড়ে ৫
বছরে ফটিকছড়িতে ৩০০
কোটি টাকার উন্নয়ন করেছি।
এছাড়া দলের জন্যে ১১
এপ্রিলে শোডাউন
করতে গিয়ে ভুজপুরে জামাত
শিবিরের দানবীয়তার শিকার
হয়েছি। যা বিশ্ববাসী মিডিয়ার
মাধ্যমে দেখেছে।
আরপিওতে দলবদলের সুযোগ
দেয়া হয়েছে। আমার দলবদল করার
কোন ইচ্ছা নাই। জেনারেল
জিয়াউর রহমান ছাত্রদল
এবং জেনারেল এরশাদ
আমাকে জাতীয় পার্টি করার
প্রসত্মাব দিয়েছিলেন।
আমি তাদের প্রসত্মাব
ফিরিয়ে দিয়েছি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ
বুকে লালন
করে আওয়ামী লীগকে অাঁকড়ে ধরেছি।
আমি ত্যাগ করেছি, ভোগ করি নাই।
এমনকি রাজনীতির জন্য
পরিবারকেও সময় দিতে পারিনি।
দীর্ঘ ৩৯ বছর আওয়ামী লীগ
করে আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে অসংখ্য
নেতা-কর্মী সৃষ্টি করেছি,
এমপি বানিয়েছি। অথচ আজ এ রকম
একটি মুহূর্তের সম্মুখীন হবো,
তা কখনো ভাবিনি। তিনি বলেন,
প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ামত্ম
করতে আওয়ামী লীগের অনেক ভুল
আছে। বিভিন্ন উপজেলায়
ত্যাগী নেতাদের বাদ
দেয়া হয়েছে। যারা অবশ্য স্বতন্ত্র
প্রার্থী হয়ে নিজেদের
জনপ্রিয়তাকে ধরে রাখবে। এ সময়
বক্তব্য রাখেন ইঞ্জিনিয়ার হারম্নন,
আলহাজ মুজিবুল হক, নাজিম উদ্দিন
মুহুরী, এইচ এম আবু তৈয়ব, শাহ আলম
সিকদার, দিদার বশর,
চেয়ারম্যানদের মধ্যে উপস্থিত
ছিলেন মাহামুদুল হক, ফারম্নক উল
আজম, আবু তালেব প্রমুখ।
উলেস্নখ্য, আগামী দশম
জাতয়ী সংসদ নির্বাচনের জন্য
চট্টগ্রাম-২
ফটিকছড়ি উপজেলা হতে আওয়ামী লীগের
মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সাংসদ
রফিকুল আনোয়ারের
মেয়ে খাদিজাতুল আনোয়ার সনি।
সুত্র- দৈনিক পুর্বকোণ। ।

29/11/2013

সুন্দরপুরে আগুনে পোড়া পরিবারগুলো খোলা আকাশের
নিচে
বিশ্বজিৎ রাহা, ফটিকছড়ি
উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের পাঁচ
পুকুরিয়া গ্রামে গত ২৬ নভেম্বর
দিবাগত রাতে সংঘটিত
অগ্নিকান্ডে একই পরিবারের দুই
শিশু তাদের মাসহ ৩জন
পুড়ে যাওয়ার পর অবশিষ্ট
পরিবারগুলো সহায় সম্বলহীন
অবস্থায় খোলা আকাশের
নিচে দিন যাপন করছেন।
এদিকে ভারতের প্রতিষ্ঠিত
পত্রিকা ইন্ডিয়ান টাইমস’এ
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন,
এক পরিবারকে পুড়িয়ে মেরেছে’’
শীর্ষক খবরে উক্ত ঘটনাকে নাশকতার
মাধ্যমে উক্ত পরিবারকে নিধন
করা হয়েছে বলে গতকাল ২৮ নভেম্বর
খবর প্রচারিত হয়েছে। এ
নিয়ে দেশের বেশ
কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থা তৎপর
হয়ে উঠেছে। তবে এ প্রতিবেদক
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য
ফটিকছড়ি হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য
পরিষদের সাধারণ সম্পাদক
এডভোকেট উত্তম কুমার মহাজন,
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের
সাধারণ সম্পাদক মাস্টার রতন
কান্তি চৌধুরীর সাথে আলাপ
করলে তারা কেউ নাশকতার
কথা বলেননি। তবে নিহতরা ঘর
থেকে বের হতে না পারার
বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ।
অপরদিকে ক্ষতিগ্রস্তদের
পাশে সাহায্যের হাত
বাড়িয়ে দিয়েছেন বিভিন্ন
ব্যক্তিবর্গ। গতকাল ফটিকছড়ি পৌর
সদর বিবিরহাট বাজারের
ব্যবসায়ীরা চাঁদা তুলে প্রায় ৪০
হাজার টাকা ও শীত বস্ত্র
দিয়েছেন। এডভোকেট উত্তম কুমার
মহাজনও ব্যক্তিগত
সহযোগিতা দিয়েছেন
বলে জানান।
এছাড়া আরো বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ
সাহায্যের হাত
বাড়িয়ে দিয়েছেন। সুন্দরপুর
ইউপি চেয়ারম্যান মো. শহীদুল আজম
সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিবর্গের
প্রতি সাহায্যের আহবান
জানিয়েছেন। উলেস্নখ্য গত ২৬
নভেম্বর রাত আনুমানিক ২টার
দিকে আগুন লেগে উক্ত গ্রামের
রেবতী চরন নাথের ছোট
ছেলে প্রবাসী মিলন নাথের
স্ত্রী সুমী রানী নাথ (২৫), শিশুপুত্র
শাওন নাথ (১)
এবং শিশুকন্যা বর্ষা নাথ (৩)
আগুনে পুড়ে মর্মান্তিকভাবে মৃত্যুবরণ
করেন। এছাড়া তার অপর ৪ভাইয়ের
ঘরসহ মোট ৫টি ঘর আগুনে পুড়ে ছাই
হয়ে যায়।
সুত্র- দৈনিত পুর্বকোণ

28/11/2013

ফটিকছড়ি উত্তরপাইংদং সংঘারাম বিহারে কঠিন
চীবর দান
ফটিকছড়ি উপজেলার সংঘারাম বৌদ্ধবিহার
কমপ্লেক্সে সম্প্রতি দানোত্তম কঠিন চীবর দান
অনুষ্ঠিত হয়। ভদন্ত জ্যোর্তিময় থের-র
সভাপতিত্বে ১ম পর্বে জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকা
উত্তোলন, বুদ্ধপূজা, সংঘদান, ভাষ্কর কাজল
বড়ুয়া নির্মিত বুদ্ধ প্রতিবিম্ব দান,
ভিক্ষুসংঘকে পিন্ডদান করা হয়। মঙ্গলাচরণ করেন
ভদন্ত লোকশ্রী ভিক্ষু। বক্তব্য দেন সজল বড়ুয়া।
পঞ্চশীল প্রার্থনা করেন চয়ন বড়ুয়া।
ধর্মদেশনা করেন ভদন্ত অমৃতানন্দ ভিক্ষু ও
বোধিরত্ন ভিক্ষু।
বিকালে দ্বিতীয় পর্বে কঠিন চীবর দান ও
সদ্ধর্মসভায় সভাপতিত্ব করেন ভদন্ত ধর্মময়
মহাথের। উদ্বোধনী ভাষণ দেন বিহারধক্ষ্য ভদন্ত
ধর্মশ্রী ভিক্ষু। বক্তব্য রাখেন ধর্মপাল বড়ুয়া,
আর্যমিত্র বড়ুয়া। পঞ্চশীল প্রার্থনা করেন পেনু
বড়ুয়া। প্রধান ধর্মদেশক ছিলেন ভদন্ত শাক্যবংশ
ভিক্ষু। ধর্মদেশনা করেন প্রধান অতিথি ভদন্ত
দীপংকর থের, রাহুল রত্ন ভিক্ষু ও লোকশ্রী ভিক্ষু।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রুবেল বড়ুয়া।-বিজ্ঞপ্তি
সুত্র- দৈনিক পুর্বকোণ

28/11/2013

মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভের
বিতর্কিত কার্যক্রম ফটিকছড়িতে
বিশ্বজিৎ রাহা, ফটিকছড়ি
ফটিকছড়িতে দু’ মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ
সোসাইটির বিরম্নদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের
সুপারিশ করেছে ফটিকছড়ি উপজেলা সমবায়
কর্মকর্তা। এ সংক্রামত্ম বিসত্মারিত প্রতিবেদন
তিনি ইতোমধ্যে জেলা সমবায়
কর্মকর্তা বরাবরে পাঠিয়েছেন বলে জানা গেছে।
মাল্টিপারপাস কোম্পানি দুটি হচ্ছে, নানুপুর
মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লি. ও
আল মুমত্মাসির উন্নয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতি লি.।
উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. আমান উলস্নাহ্
খান প্রেরিত প্রতিবেদনে উলেস্নখ করা হয়েছে,
নানুপুর মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ
সোসাইটি নামে সমিতির নিবন্ধন নেয়া হলেও
বিভিন্ন ব্যক্তিকে প্রদেয় ঋণ ফরমে ‘শামিত্ম কো-
অপারেটিভ ব্যাংকিং’ এর
শাখা সমিতি হিসেবে এটি যাবতীয় কার্যক্রম
চালিয়ে যাচ্ছে। যা এক ধরনের
প্রতারণা বলে প্রতিবেদনে উলেস্নখ করা হয়েছে।
এছাড়া ঋণ কার্যক্রমের ব্যাপারে উলেস্নখ
করা হয়েছে, জনৈক সদস্যকে দু লাখ
টাকা ঋণপ্রতি কিসিত্মতে ৬ হাজার টাকা করে ৪০
সপ্তাহের মধ্যে পরিশোধের শর্ত বেঁধে দেয়া হয়।
এতে সমিতির আদায় হয় মোট দু লাখ ৪০ হাজার
টাকা। এতে ১০ মাসে উক্ত ঋণ গ্রহীতাকে ৪০
হাজার টাকা সুদ দিতে হয়, যা সম্পূর্ণ বেআইনি ও
অবৈধ বলে উলেস্নখ করা হয়। এছাড়া গত অডিট
বর্ষে উক্ত সমিতি শামিত্ম কেন্দ্রীয়
সমিতি থেকে ৮০ লাখ টাকা তথাকথিত ঋণ
নিয়ে ১৭ লাখ টাকা ঋণের সুদ পরিশোধ করেছে।
আরো বহুবিধ অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ
উলেস্নখ করা হয়েছে উক্ত সমিতির বিরম্নদ্ধে।
একটি সমিতির নামে নিবন্ধন নিয়ে অপর
একটি সমিতির শাখা সমিতি হিসেবে এভাবে অবৈধ
ঋণ কার্যক্রম বা দাদন ব্যবসা চালানো ঘোরতর
অন্যায় বলে প্রতিবেদনে উলেস্নখ করা হয়েছে।
এছাড়া উক্ত শামিত্ম সেন্ট্রাল সমিতির
বিরম্নদ্ধে নগরীর ডবলমুরিং থানা সমবায়
কর্মকর্তা অনুরূপ একটি প্রতিবেদন
জেলা অফিসে জমা দিলেও রহস্যজনক
কারণে এসবের বিরম্নদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ
করা হচ্ছে না। এ ব্যাপারে অনুসন্ধানে জানা যায়,
ইতোপূর্ব ফটিকছড়ি সমবায় অফিসে কাজ করা এক
কর্মচারী বর্তমানে ডবলমুরিং অফিসে কাজ করছে।
সে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের বিনিময়ে এসব ফাইল
কৌশলে গায়েব
করে ফেলে বলে ফটিকছড়িতে চাউর আছে।
অপরদিকে আল মুমত্মাসিম উন্নয়ন বহুমুখী সমবায়
সমিতি লি. নিয়ম বহির্ভূতভাবে ফটিকছড়ি সদর ও
আজাদী বাজারে দুটি অফিস খুলে গ্রাহকদের
অতিরিক্ত মুনাফার লোভ দেখিয়ে মোটা অংকের
আমানত গ্রহণ করে। কিন্তু তাদের কার্যক্রম
সন্দেহজনক হওয়ায় অনেক গ্রাহক তাদের
আমানতের টাকা ফেরৎ চাইলে এক পর্যায়ে উক্ত
সমিতি ফটিকছড়ি সদর কার্যালয়টি বন্ধ
করে দিয়ে আজাদী বাজারেরটি চালু রাখে।
অবশেষে হতাশ আমানতকারীদের
মধ্যে হারম্নয়ালছড়ি ইউপির জনৈক
নাসিমা আক্তার, ফাতেমা বেগম, রাহেনা আক্তার,
হাছিনা বেগম, রহিমা বেগম প্রমুখ বাদী হয়ে উক্ত
সমিতির বিরম্নদ্ধে সংশিস্নষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট
একটি অভিযোগ দাখিল করলে উপজেলা সমবায়
কর্মকর্তা এটি তদমত্ম করে সত্যতা পেয়ে তাদের
বিরম্নদ্ধের প্রতারণার
দায়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ
করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন পেশ
করেছেন বলে জানান। এ ব্যাপারে নানুপুর
মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ
সোসাইটি লিমিটেডের সভাপতি রম্নবেল বড়ুয়ার
বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি তার সমিতিতে কোন
দুর্নীতি হয়নি বলে দাবি করে উল্টো প্রশ্ন করেন,
দুর্নীতি করলে এবার আমি উপজেলা সমবায় অফিস
থেকে পদক কিভাবে পেলাম? এ ব্যাপারে সমবায়
কর্মকর্তা আমান উলস্নাহ্ খানের বক্তব্য
চাইলে তিনি বলেন, সমবায়
উদ্যোক্তা হিসেবে এবার মোট দশজনকে পদক
দেয়া হয়েছে। তার মধ্যে রম্নবেল বড়ুয়াও একজন।
তবে এটি সমবায় উদ্যোক্তা হিসেবে দেয়া। কিন্তু
দুর্নীতি তো সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।
অপরদিকে আল মুমত্মাসির সমবায়ের কর্ণধার মো.
জিয়াউর রহমানের বক্তব্য জানার জন্য তার
মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার ফোন করা হলেও
তিনি ফোন ধরেননি। এ ব্যাপারে জেলা সমবায়
কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনকারী উপ সমবায়
নিবন্ধক মুরাদ আহমদের বক্তব্য
জানতে চাইলে তিনি এ ধরনের কোন প্রতিবেদন
তার হাতে আসেনি জানিয়ে বলেন, প্রতিবেদন
পেলে তিনি অবশ্যই ব্যবস্থা নেবেন। প্রতিবেদন
না পাওয়ার পেছনে ইতোপূর্বে ফটিকছড়িতে কর্মরত
সেই কর্মচারীরই হাত আছে কিনা, তা-ই
ক্ষতিগ্রস্তদের প্রশ্ন।
সুত্র- দৈনিক পুর্বকোণ

27/11/2013

নিচিন্তাপুরে ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের জন্মোৎসব ২৯
ও ৩০ নভেম্বর
ফটিকছড়ি উপজেলাধীন নিচিন্তাপুর সৎসঙ্গ শাখার
উদ্যোগে আগামী ২৯ ও ৩০ নভেম্বর (শুক্র ও
শনিবার) সৎসঙ্গের প্রতিষ্ঠাতা যুগপুরুষোত্তম্
পরমপ্রেমময় ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের ১২৬তম শুভ
জন্মোৎসব বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠিত
হবে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ধর্মসভা, মাতৃ
সম্মেলন, ভক্তি সংগীতাঞ্জলি, পবিত্র গীতাপাঠ,
প্রসাদ বিতরণ ও অষ্টপ্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞ।
এতে সকল সনাতনী ভক্তবৃন্দকে সকল মাঙ্গলিক
কর্মযজ্ঞে উপস্থিত থাকার জন্য উৎসব
উদ্যাপন পরিষদের পক্ষ থেকে অনুরোধ
জানানো হয়েছে।-বিজ্ঞপ্তি

27/11/2013

ফটিকছড়িতে বিষপানে গৃহবধূর আত্মহত্যা
নিজস্ব সংবাদদাতা, ফটিকছড়ি
ফটিকছড়িতে রেজিয়া আক্তার নামের এক গৃহবধূ
বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন।
ফটিকছড়ি থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার
প্রত্যন্ত অঞ্চল মানিকপুর গ্রামের মো. ইদ্রিসের
স্ত্রী রেজিয়া আক্তারের (২৫) সাথে তার দেবরের
ঝগড়া হয়। এসময় দেবর রেজিয়াকে মারধর করে।
বিষয়টি তার স্বামীকে জানালে কোন
ব্যবস্থা না নেওয়ায় সোমবার বিকালে অভিমান
করে বিষপানে আত্মহত্যা করেন তিনি। সংবাদ
পেয়ে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ সোমবার রাতে লাশ
উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে। এ ব্যাপারে থানায়
রেজিয়ার পিতা মুন্সী আলম বাদী হয়ে অপমৃত্যু
মামলা দায়ের করেন।

26/11/2013

সাংবাদিক আবুল কাশেম এর
জীবনি :--
------ ------
দৈনিক
সংবাদের সাবেক বিশেষ
প্রতিনিধি ও দৈনিক ইনকিলাবের
সাবেক অর্থনৈতিক সম্পাদক, প্রবীণ
সাংবাদিক আবুল কাসেম গত ৫
নভেম্বর সোমবার রাত ১২টা ২০
মিনিটে চট্টগ্রাম মেডিকেল
কলেজ (চমেক)
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
অবস্থায় বার্ধক্যজনিত
কারণে ইন্তেকাল করেছেন
(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।
পাঁচ ভাই পাঁচ বোনের
মধ্যে তিনি সবার বড়। তিনি ভাই-
বোন, আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য
গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার
সমবয়সী বন্ধু বর্ষিয়ান সাংবাদিক
এবিএম মুছাকে একটু দেখার শেষ
ইচ্ছা থাকলেও সম্ভব হয়নি।
জানা যায়, দেশের কৃতিসন্তান
আবুল কাসেম চট্টগ্রামের
ফটিকছড়ি উপজেলাধীন
সমিতিরহাট ইউপির নিশ্চিন্তাপুর
গ্রামের চিকন তালুকদার বাড়ীর
মরহুম আমিনুল রহমানের বড়পুত্র। বৃটিশ
আমলে ফটিকছড়ির
রোসাংগিরী হাই স্কুল হতে হিন্দু
ছাত্রদের পেছনে ফেলে তিনিই
প্রথম ‘ফাষ্ট ডিভিশনে’ ম্যাট্রিক
পাশ করেছিলেন। এ জন্য
মাইজভান্ডার দরবার শরীফের
তৎকালীন সাজ্জাদানশীন পীর
সৈয়দ গোলামুর রহমান
মাইজভান্ডারী; প্রকাশ-
বাবা ভান্ডারী কেবলা তাকে ডেকে পাঠিয়ে উন্নত
লেখা-
পড়া চালিয়ে যেতে আর্থিক
ভাবে পুরুস্কৃত করেছিলেন।
চট্টগ্রামের
একটি কলেজে ভর্তি হবার পরই বৃটিশ
আমলে চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত
দৈনিক আজান পত্রিকায় যোগ
দিয়ে তিনি সাংবাদিকতা জীবনে প্রবেশ
করেন। পরবর্তীতে তিনি প্রখ্যাত
ব্যক্তিত্ব মাওলানা আকরাম
খাঁ প্রকাশিত দৈনিক
আজাদী পত্রিকায় যোগদান করেন।
মাওলানা আকরাম খাঁ ও
মাওলানা ভাসানী তাকে খুবই
স্নেহ করতেন। ‘মুসলিম
আওয়ামী লীগ’ থেকে শুধু
‘আওয়ামী লীগে’ পরিণত করার
যে কনভেনশন হয়েছিল;
সে কনভেনশনে তিনি এবং সাংবাদিক
এবিএম
মুছাকে শর্তসাপেক্ষে ঢুকানো হয়েছিল।
কিন্তু তিনি ওই সম্মেলনের গোপন
সিদ্ধান্ত শর্তানুযায়ী প্রকাশ
না করলেও এবিএম মুছা তা প্রকাশ
করে দিয়েছিলেন। এ
প্রতিবেদকের কাছে এমনটি স্মরণীয়
ঘটনা তিনি বলেছিলেন।
তিনি দীর্ঘ সময় ধরে দৈনিক
আজাদীর অর্থনৈতিক সম্পাদক
হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পরবর্তীতে মাওলানা এমএ মান্নান
দৈনিক ইনকিলাব প্রকাশ করলে তাঁর
অনুরোধে দৈনিক
ইনকিলাবে যোগদান করেন। ২০০৪
সালের দিকে তিনি বার্ধক্যজনিত
কারণে দৈনিক ইনকিলাব
থেকে অব্যাহতি নেন। ব্যক্তিগত
জীবনে ‘চিরকুমার’ এ বর্ষিয়ান
সাংবাদিক নিজের জন্য কিছুই
করেননি। তার নিজ এলাকায় বিদ্যুৎ,
স্কুল, কাটিরহাট-যোগিরহাট সড়ক ও
হালদা নদীর উপর দু’বার ব্রীজ
নির্মাণের ব্যবস্থা করেছিলেন।
তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও
বঙ্গসেনানী শহীদ জিয়াউর রহমান
অত্যন্ত স্নেহ করতেন
এবং প্রয়োজনে ডেকে নিয়ে পরামর্শও
নিতেন। বিগত ৭/৮ বছর তিনি প্রায়
অসুস্থ হলেও ঢাকায় থাকতেন
এবং সচিবালয়ে প্রতিদিনই ছিল
তার সরব পদচারণা। প্রধান তথ্য
অফিসারের কার্যালয়ে প্রায়
অবস্থান করে সময় কাটাতেন। দু’মাস
পূর্বে তিনি নিজ বাড়ীতে যাবার
পর পায়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। ফলে আর
ঢাকা ফিরতে পারেননি। গত ২৩
অক্টোবর বিকেলে নিজ
বাড়ীতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরদিন সকালে তাকে চট্টগ্রামের
মির্জারপুলস্থ একুশে হাসপাতালের
ভর্তি করা হয়।
বেলা ৪টা থেকে তার মূখের
আওয়াজ এবং চোখ দু’টো বন্ধ
হয়ে যায়। সে থেকে জীবন-মৃত্যুর
সন্ধিক্ষণে ছিলেন এ প্রবীণতম
সাংবাদিক। পরে চট্টগ্রাম
মেট্রোপলিটন হাসপাতালে স্কেন
করালে তার ব্রেন ষ্টোক ধরা পড়ে।
অবস্থা গুরুতর দেখে তাকে চট্টগ্রাম
মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
অবশেষে গত সোমবার রাত ১২টা ২০
মিনিটে চমেক
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ
করেন।
তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ তরিকত
ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ও
সাবেক এমপি সৈয়দ নজিবুল বশর
মাইজভান্ডারী, বিএনপির
কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য
বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়জী,
আ’লীগ নেতা এটিএম পেয়ারুল
ইসলাম,
ফটিকছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান
আফতাব উদ্দীন চৌধুরী, আ’লীগ
নেতা ড.মাহমুদ হাসান, ফখরুল
আনোয়ার, মাসিক ফটিকছড়ি ও
চট্টগ্রাম পোস্ট সম্পাদক-প্রকাশক
সৈয়দ তারেকুল আনোয়ার
এবং ফটিকছড়ি প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ
সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ
শোক ও সমাবেদনা প্রকাশ করেছেন।
গত ৫ নভেম্বর সকাল ১১টায় স্থানীয়
সমিতিরহাট বাজারস্থ
মাঠে নামাজে জানাযা আদায়
শেষে তাকে পারিবারিক
কবরস্থানে দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০০৩ সালের মাসিক
ফটিকছড়ি ও চট্টগ্রাম পোস্টের
বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে বিভিন্ন
ক্ষেত্রে অবদানের স্কৃকৃতি স্বরুপ
যে ১০জনকে সম্মাননা দেয়া হয়,
তন্মধ্যে বরেণ্য সাংবাদিক আবুল
কাসেম অন্যতম।

Address

ফটিকছড়ি
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alokita Fatickchari (আলোকিত ফটিকছড়ি) posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share