07/04/2025
পহেলা বৈশাখ ১৪৩২-এ 'আনন্দ শোভাযাত্রা' নাকি 'মঙ্গল শোভাযাত্রা', কিংবা 'বৈশাখি শোভাযাত্রা' যে নামেই হোক শোভাযাত্রার আয়োজন চলছে। রাতদিন চারুকলার ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে প্রাক্তনরাও অংশ নিচ্ছে এর আয়োজনে। চারুকলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তনী হিসেবে আজ গিয়েছিলাম আমার প্রিয় ক্যাম্পাসে। সকালে টগর ফোন করে খানিক অভিমানের সুরেই বললো, কিরে তুই আসলিনা যে! আমি ওয়াদা করেছি, আজ যাবোই। টগর চারুকলার শিক্ষক, আমাদের সতীর্থ বন্ধু এবং এবারের নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব। ক্যাম্পাসে গিয়ে টগরের সাথে দেখা হয়নি— সে সিরিয়াল মিটিংয়ে ব্যস্ত। ঢাবি'র ভিসি এসেছেন। দেখা হলো চারুকলার আরেক শিক্ষক, সতীর্থ বন্ধু জুয়েলের সাথে। আরেক সতীর্থ বন্ধু দীপন ছাড়াও শিশু একাডেমি ফরিদপুরে ছবি আঁকায় আমার প্রথম শিক্ষক কবির স্যারের ছেলে— স্নেহভাজন ভাষ্কর এজাজ ছাড়াও আরো অনেকের সাথে আড্ডা হলো। দীর্ঘদিন পর নিজের ক্যাম্পাসে নির্ভয়ে গেলাম। অবশ্য আরেক প্রাক্তনী শাহিদুল ইসলাম প্রায় সারাক্ষণ ক্যাম্পাসে আমার সাথে থেকে সময় দিয়েছে। সে-ই ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সব কিছু দেখালো।
এবারের শোভাযাত্রায় পতিত স্বৈরাচারের মুখাবয়ব থাকবে সর্বাগ্রে। থাকবে শহীদ মুগ্ধ'র পানির বিশালাকার প্রতীকী বোতল। বাংলাদেশের সাহসের প্রতীক জাতীয় পশু বেঙ্গল টাইগার, জাতীয় মাছ ইলিশ, ঐতিহ্যবাহী পালকি। বিশেষ আয়োজনে পটশিল্পীদের আঁকা পটশিল্প— বনবিবি, গাজী এবং বেহুলা। সাথে থাকবে নানারকম মুখোশ।
আমি বরাবরের মতো কথা বলবো, পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম— আমাদের সময়ে শুরু হওয়া অর্থাৎ ১৩৯৬ সনের পহেলা বৈশাখের প্রথম শোভাযাত্রা 'আনন্দ শোভাযাত্রা' হিসেবেই দেখতে চাই।