Plant House

Plant House Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Plant House, Nurseries & Gardening Store, Dhaka.

Happy Sunny Day ☀
21/06/2024

Happy Sunny Day ☀

Flowers are dedicated themselves to weather.
20/06/2024

Flowers are dedicated themselves to weather.

14/10/2023
এক বিকেলের সৌন্দর্য...  #প্রকৃতি  #ফুল  #নার্সারি  #ছাদবাগান  #বৃক্ষ
13/10/2023

এক বিকেলের সৌন্দর্য...

#প্রকৃতি #ফুল #নার্সারি #ছাদবাগান #বৃক্ষ

শুভ্র জবা.... #ফুল  #জবা  #প্রকৃতি  #বৃক্ষ  #নার্সারি
12/10/2023

শুভ্র জবা....

#ফুল #জবা #প্রকৃতি #বৃক্ষ #নার্সারি

প্রশান্তি....  #নার্সারি  #প্রকৃতি  #বৃক্ষ
10/10/2023

প্রশান্তি....

#নার্সারি #প্রকৃতি #বৃক্ষ

07/10/2023

প্রকৃতির সাথে ভালোবাসা হোক।

#প্রকৃতি #বৃক্ষ #সবুজ

শৈশবের হই-হুল্লোড়, ছোটাছুটি আর খেলার সাথিদের সঙ্গে ধুলোবালিতে গড়াগড়ির দিনগুলোর কথা মনে পড়লেই হয়তো বুকের ভেতর মে...
14/04/2021

শৈশবের হই-হুল্লোড়, ছোটাছুটি আর খেলার সাথিদের সঙ্গে ধুলোবালিতে গড়াগড়ির দিনগুলোর কথা মনে পড়লেই হয়তো বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে ওঠে। দিনমান দৌড়াদৌড়ির এত শক্তি আমরা কোথায় পেতাম? আর এমন কীই-বা করতাম আমরা যা এত শক্তি জোগাত? শৈশবের নানা খেলাধুলা আর শারীরিক কসরতের মধ্যেই লুকিয়ে ছিল সেই সব ব্যায়াম যা আমাদের শরীরকে বেড়ে উঠতে আর সুগঠিত হতে সহায়তা করত। শিশুদের এসব ব্যায়ামে সহায়তা করুন আর আপনি নিজেও ওদের সঙ্গে যোগ দিয়ে ফিরে যান শৈশবে।

দড়ি লাফ
অল্প সময়ে শরীরের বাড়তি মেদ ঝরানো এবং সহনশক্তি বাড়ানোর কাজে দড়ি লাফের জুড়ি নেই। এটা এমন একটা ব্যায়াম যা ঘরে-বাইরে সবখানেই চর্চা করা যায়। বিপণিবিতান তো বটেই পাড়া-মহল্লার দোকানেই সস্তায় সুন্দর সব স্কিপিং রোপ পাওয়া যায়। কয়েকটা কিনে বাড়িতে রাখুন। শিশুদের খেলতে দিন, সঙ্গে নিজেও খেলুন। এই ব্যায়ামে হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের সক্ষমতা বাড়বে। পাশাপাশি শরীরের গতি, ভারসাম্য এবং সমন্বয়ের চর্চা হবে। আধা ঘণ্টা দড়ি লাফে প্রায় ৫০০ ক্যালরি পোড়ানো সম্ভব।

বানর ঝুলনি
শরীরে শক্তি বাড়াতে হলে একটু আদিম আর বুনো হতে হবে! অনেক স্কুলের মাঠেই মাঙ্কি বার বা বানর ঝুলনি থাকে। শিশুরা এমনিতেই এটা পছন্দ করে। ঝুলে ঝুলে একটু একটু করে সামনের দিকে এগোনো কিংবা দলবেঁধে একসঙ্গে ঝুলে থাকা। দুই হাত, কাঁধ, পিঠসহ শরীরের ওপরের অংশকে সুগঠিত করতে এটা দারুণ কার্যকর। বাড়ির উঠোনে এমনকি ঘরের বারান্দাতেও ছোট্ট পরিসরে এই বানর ঝুলনি বানিয়ে নিতে পারেন।

সাইকেল চালানো
সাইকেল চালানো এমন এক ব্যায়াম যা সাঁতারের মতোই প্রায় পুরো শরীরে কাজ করে। সাইকেল চালিয়ে ঘেমে-নেয়ে ওঠা যায়। সাইকেল চালানো যেমন শ্বাসযন্ত্রসহ হৃৎপিণ্ডের জন্য ভালো, তেমনি তা মাংসপেশি সুগঠিত করা থেকে শুরু করে শরীরকে শক্তিশালী রাখতে সহায়ক। শিশুদের সাইকেল চালানোর সুযোগ দিন। শিশুর শারীরিক বৃদ্ধির জন্যও এটা দারুণ কার্যকর।

দৌড়ানো
শৈশব, কৈশোর, তারুণ্য, যৌবন সব সময়ের জন্যই দৌড় এক দারুণ ব্যায়াম। শিশুরা মনের আনন্দে দৌড়াতে পারলেও বড়দের জন্য দৌড়ানোটা কষ্টকর হয়ে ওঠে। খোলা মাঠে দৌড়ানোর সুযোগ পেলে খুবই ভালো। শিশুদের মাঠে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। আর তা না হলে উদ্যানে বা ভোরের রাস্তায় দৌড়ানোর অভ্যাস তৈরি করতে পারেন।

হুলা হুপ
হুলা হুপ বা কোমরে চাকতি ঘোরানো দারুণ মজার এক খেলা। একসময়, বিশেষ করে কিশোরীদের মধ্যে এই কোমরে চাকতি ঘোরানো খেলা দারুণ জনপ্রিয় ছিল। একবার এই ঘূর্ণি আয়ত্ত করে ফেলতে পারলে শিশুরা এতেই মত্ত হয়ে থাকতে চাইবে। প্রতি ১০ মিনিটেই ১০০ ক্যালরি পোড়ানো সম্ভব এই চাকতি ঘোরানোয়।

সাঁতার কাটা
সাঁতার শিশুদের জন্য এত ভালো আর প্রয়োজনীয় একটা ব্যায়াম যে, সম্ভব হলে সব স্কুলেই সাঁতারের ব্যবস্থা রাখতে পারলে ভালো হতো। এটা শিশুদের শরীর গঠনে দারুণ উপকারী। পুরো শরীরেই ব্যায়াম হয় সাঁতারে। মাংসপেশির গঠন, ফুসফুস ও হৃৎপিণ্ড শক্তিশালী করা এবং শরীরে সহনশক্তি বাড়ানোয় সাঁতার দারুণ উপকারী।

জাতিসংঘের শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর বলেছেন, ‘আমরা করোনার দ্বিতীয় বছরে প্রবেশ করেছি। বিশ্বজুড়...
07/04/2021

জাতিসংঘের শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর বলেছেন, ‘আমরা করোনার দ্বিতীয় বছরে প্রবেশ করেছি। বিশ্বজুড়ে সংক্রমণের হার বৃদ্ধি অব্যাহত আছে, তাই স্কুলগুলো খোলা রাখতে বা পুনরায় খোলার পরিকল্পনায় অগ্রাধিকার দিতে কোনো প্রচেষ্টাই বাদ দেওয়া উচিত হবে না।’ গতকাল মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

ইউনিসেফপ্রধান জানান, শিশুদের ওপর স্কুল বন্ধের বিরূপ প্রভাবের বিষয়ে অভূতপূর্ব প্রমাণ এবং স্কুলগুলো মহামারির চালিকা শক্তি নয় বলে জোরালো নজির থাকা সত্ত্বেও অনেক দেশই স্কুলগুলো বন্ধ রেখেছে, তা–ও প্রায় এক বছর ধরে। মহামারির চূড়ান্ত পর্যায়ে লকডাউনের কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় বিশ্বব্যাপী ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যেখানে স্কুলগামী শিশুদের এক-তৃতীয়াংশই দূরশিক্ষণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পায়নি। ফলে স্কুলগুলো বন্ধ রাখায় তা বিপর্যয় নিয়ে এসেছে।

হেনরিয়েটা ফোর বলেন, ‘স্কুলের বাইরে থাকা শিশুর সংখ্যা ২ কোটি ৪০ লাখ বৃদ্ধি পেতে চলেছে। এটি এমন মাত্রায় বাড়ছে যা আমরা গত অনেক বছরেও দেখিনি। অথচ এটি কাটিয়ে ওঠার জন্য আমরা কঠোর লড়াই করেছি। শিশুদের পড়া, লেখা ও প্রাথমিক গাণিতিক সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একবিংশ শতাব্দীর অর্থনীতিতে সাফল্য অর্জনে যে দক্ষতার প্রয়োজন, তা হ্রাস পেয়েছে। তাদের স্বাস্থ্য, বিকাশ, নিরাপত্তা এবং সার্বিক কল্যাণের বিষয়টি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের ওপর দিয়ে ক্ষতির পরিমাণ হবে সর্বাধিক।’

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক বলেন, স্কুলকেন্দ্রিক খাবারের অভাবে শিশুরা ক্ষুধার্তই থেকে যাচ্ছে এবং এতে তাদের পুষ্টিগত অবস্থা খারাপের দিকে ধাবিত হচ্ছে। তাদের সমবয়সীদের সঙ্গে প্রতিদিনের যোগাযোগের অভাব এবং চলাফেরা কমে যাওয়ায় তারা শারীরিক সুস্থতা হারাচ্ছে এবং তাদের মানসিক অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিচ্ছে।

স্কুলগুলো প্রায়ই যে সুরক্ষা জাল নিশ্চিত করে তা না থাকলে তারা নির্যাতন, শিশুবিয়ে ও শিশুশ্রমের শিকার হওয়ার আরও বেশি ঝুঁকিতে পড়বে। এ কারণেই অন্য সব বিকল্প বিবেচনা করার পরই সর্বশেষ উপায় হিসেবে স্কুলগুলো বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

হেনরিয়েটা ফোর বলেন, স্কুলের কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ে সংক্রমণের ঝুঁকি নিরূপণ করা মূল নির্ধারক হওয়া উচিত। যখনই সম্ভব দেশজুড়ে স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত পরিহার করা উচিত। যেসব স্থানে উচ্চ মাত্রায় কমিউনিটি সংক্রমণ রয়েছে, যেখানে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা চরম চাপের মধ্যে রয়েছে এবং যেখানে স্কুল বন্ধ রাখা অত্যাবশ্যক হয়ে দাঁড়ায়, সেসব স্থানে সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এই সুরক্ষাব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে যেসব শিশু তাদের বাড়িতে সহিংসতার ঝুঁকিতে রয়েছে, যারা স্কুল টিফিন বা আহারের ওপর নির্ভরশীল এবং যাদের বাবা-মাকে কাজের জন্য বাইরে যেতেই হয়, তাদের শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া নিশ্চিত করা।

লকডাউনের ক্ষেত্রে, কর্তৃপক্ষ বিধিনিষেধ উঠিয়ে নিতে শুরু করার পর প্রথমেই যে প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেবে, তার মধ্যে অবশ্যই স্কুল থাকা উচিত। দূরশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে না পারা শিক্ষার্থীরা যাতে পিছিয়ে না থাকে, তা নিশ্চিত করার জন্য ঘাটতি পূরণে বাড়তি ক্লাস নেওয়াকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। যদি আরও এক বছর শিশুদের স্কুল বন্ধ থাকার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে প্রজন্মান্তরে তার ফল ভোগ করতে হবে।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Plant House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share