22/07/2026
একজন বৃক্ষুপ্রেমী হিসেবে এই কুলাজ্ঞারের বিচার চাই।
মৌলভীবাজারে ১২০০ কমলার গাছ কাচা ফল সহ কেটে ফেলেছে বন বিভাগের কর্মকর্তা প্রীতম।
ধরলাম, তারা বন বিভাগের জায়গায় গাছ লাগিয়েছে। অবৈধ্যভাবেই লাগিয়েছে। কিন্তু ১২০০ ফল ধরা কমলার গাছ এভাবে কেটে ক্ষতি না করে, ফল সহ গাছ বাজেয়াপ্ত করা যেত,বা ফল পাকা পর্যন্ত কি সময় দেয়া যেত না? ফল পাকার পরে গাছগুলোর কাটলেও তো মানা যেত। এতগুলো বিশাল সাইজের ফলজ গাছ একদম ফল সহ কিভাবে একটা মানুষ কেটে নস্ট করতে পারে?
বন বিভাগের শত শত একর জায়গা বন উজার করে কেটে রোহিংগাদের রাখা হয়েছে। বন বিভাগের জায়গা, পাহাড় দখল করে শত শত মানুষ বসবাস করছে। এতে সমস্যা নেই। কারণ সেখানে সন্ত্রা* এগুলো দখল করে ভাড়া দেয়।
সাধারণ নিরিহ কিছু মানুষ কমলার চাষ করাতেই অপরাধ? আর এভাবে এই গরীব লোকদের এত কষ্টের গাছগুলো কেটে ফেলা কি কোন অপরাধ নয়? শুনেছি ১০ লাখ টাকা চাদা চেয়ে না পেয়ে এই কর্মকর্তা গাছগুলো কেটেছেন।
সেই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জরিমান দিতে হবে এই প্রিতম নামের কর্মকর্তাকে। এবং তাকেও শাস্তি পেতে হবে। মৌলভীবাজারের স্থানীয় প্রশাসন এবং রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ এবং সরকারের কাছে আবেদন এই ঘটনায় অবশ্যই সবাই মিলে তাকে শাস্তির আওতায় আনবেন।