ঝর্ণাধারা

ঝর্ণাধারা ঝর্ণাধারা is our home sweet home, located at Gopalgonj, Bangladesh . We are living here with naturel beauty & arts. You are alwayes most welcome here.

04/06/2025
মহাদেশিক বিচ্যুতিঃ প্যানজিয়াএটা যতোটা না বিজ্ঞানময়, মনে হয় তার চেয়ে বেশি অ্যাডভেঞ্চার গল্প। গল্পটি পৃথিবীর ভূতাত্ত্বিক স...
12/06/2021

মহাদেশিক বিচ্যুতিঃ প্যানজিয়া

এটা যতোটা না বিজ্ঞানময়, মনে হয় তার চেয়ে বেশি অ্যাডভেঞ্চার গল্প। গল্পটি পৃথিবীর ভূতাত্ত্বিক সৃষ্টি নিয়ে। সাড়ে চারশো কোটি বছর আগে সৃষ্টি হওয়া এ পৃথিবী শুরুতেই আজকের ভৌগলিক ম্যাপ পেয়ে গেছে এমন নয়। সৃষ্টির প্রথম দিকে অথৈ জলোসমুদ্রে খুব কমই স্থলভাগ ছিল, অনেকটা ছোট ছোট দ্বীপের মত বিচ্ছিন্নভাবে। এসবের আগ্নেয়গিরি থেকে ক্রমউৎগত লাভা ও টেকটোনিক প্লেটের নড়ন-চড়নে বিস্তৃত হতে থাকে স্থলভাগ। এই হিস্ট্রি শুরু করার আগে একটু প্রথম দিককার কথা বলে নেয়া যাক।

৪.৫ বিলিয়ন বছর আগে (১ বিলিয়ন=১০০ কোটি) সূর্য থেকে পৃথিবী সৃষ্টি হয়।চাঁদ সৃষ্ট হয় পৃথিবীর সাথে মঙ্গল-সাইজের একটা গ্রহ থিয়া ‘Theia’.(১) এর সংঘর্ষের মাধ্যমে। অভিকর্ষজ বলের কারণে ভারী পদার্থগুলো পৃথিবীর কোরের দিকে এসে জমা হতে থাকে। অক্সিজেন, সিলিকনের মত হালকা পদার্থগুলো ওপরে উঠে আসে। পৃথিবীর গঠনের শুরুর দিকে ধূমকেতু ও গ্রহাণুপুঞ্জের আঘাতে ভূমি তৈরি ত্বরান্বিত হয়, প্রাণ সৃষ্টির জন্য দরকারি কার্বনভিত্তিক জৈব যৌগও ধূমকেতু থেকেই আসে বলে বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন। ধীরে ধীরে (মিলিয়ন বছর) ধরে পৃথিবী শীতল হতে থাকে। গলিত লাভার শীতল-কঠিন অবস্থাই পৃথিবীর প্রথম ভূমি।প্রাথমিক দিকের ভূমি উপাদান হল গ্রানাইট। এই গ্রানাইট পানি,নানা খনিজ পদার্থের সাথে বিক্রিয়ায় রাসায়নিকভাবে পরিবর্তিত হয়ে যে ভূমিরূপ ধারণ করে,এর নাম Creighton. এটাই মহাদেশের শৈশবিক অবস্থা।

মহাদেশিক বিচ্যুতি (Continental Drift) বর্ণনা করতে প্রথমেই যে শব্দটি চলে আসে, সেটি হল ‘টেকটোনিক প্লেট’। প্রায় ৩ বিলিয়ন বছর আগে টেকটোনিক প্লেট তৈরি হয়, ভূগর্ভস্থ ম্যাগমা ও খনিজ পদার্থ নিয়ে(২)।

স্তরে স্তরে আমাদের পৃথিবী
স্তরে স্তরে আমাদের পৃথিবী

পৃথিবীর লিথোস্ফিয়ার স্তরে এর অবস্থান, আরো স্পষ্ট করলে, টেকটোনিক প্লেট নিয়েই লিথোস্ফিয়ার গঠিত। এর সুনির্দিষ্ট কোন আকার নেই, দৈর্ঘ্যে ১৫ থেকে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। মহাসাগরের নিচের প্লেট; মহাদেশেরগুলোর তুলনায় অনেক কম গভীর হয়ে থাকে। পুরো পৃথিবীর টেকটোনিক প্লেটকে প্রধাণত সাত-আট ভাগে ভাগ করা হয়। এছাড়াও অসংখ্য ছোট-ছোট প্লেট আছে। প্লেটগুলো চলমান, খুবই ধীরগতিতে; বছরে সর্বোচ্চ ১০০ মিলিমিটারের মত(৩)। এতটুকু নড়াচড়াতেই কিন্তু ওপরে প্রলয়ঙ্করী সুনামি, ভূমিকম্প ঘটে যায়!

এ টেকটোনিক প্লেট থিয়োরির ওপর ভিত্তি করেই মহাদেশীয় বিচ্যুতি ধারণা তৈরি। ১৯১২ সালে আলফ্রেড ভেগেনার সর্বপ্রথম এ ধারণা দেন। তাঁর মাথায় এটি আসার কারণটি মজার। একই রকমের ফসিল আবিষ্কৃত হয় এমন দুই জায়গা থেকে যেগুলো কিনা পরস্পর থেকে বিশাল সমুদ্র-ব্যবধানে দূরে।

চিত্রঃ Mesosaurus ফসিল ,এটি একই সাথে ব্রাজিল ওদক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া যায়। এটি একটি স্বাদুপানির কুমির জাতীয় প্রাণী।
চিত্রঃ Mesosaurus ফসিল ,এটি একই সাথে ব্রাজিল ওদক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া যায়। এটি একটি স্বাদুপানির কুমির জাতীয় প্রাণী।

মাঝের বিশাল নোনাপানির সমুদ্র ভেঙে আসা এর পক্ষে মোটেই সম্ভব ছিল না। তখন আলফ্রেড ধারণা করেন, নিশ্চয়ই এই দুই মহাদেশই একসময় এক ছিল! কিন্তু কীভাবে এটা সম্ভব ছিল, সেই ধারণা তাঁর ছিল না!

চিত্রঃ চিহ্নিত রঙের জায়গাগুলো থেকে একই রকম ফসিল পাওয়া যায়।মহাদেশগুলো ক্রমান্বয়ে যেভাবে দূরে সরে গেল।এখানে দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার একীভূত থাকার অংশটা খুব স্পষ্ট।
চিত্রঃ চিহ্নিত রঙের জায়গাগুলো থেকে একই রকম ফসিল পাওয়া যায়।মহাদেশগুলো ক্রমান্বয়ে যেভাবে দূরে সরে গেল।এখানে দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার একীভূত থাকার অংশটা খুব স্পষ্ট।

এখন প্রশ্ন আসতে পারে – এই প্লেট কীভাবে নড়ে। এর মূল কারণ ভূ-অভ্যন্তরের তাপ নির্গমন। ভূ-প্রস্তর খুব ভালো তাপনিরোধী। ছোট ছোট ভূমিখণ্ড এক হয়ে যখন অনেক বড় হয়ে যায়, তখন লাভার অতিরিক্ত তাপ সহ্য করতে না পেরে ভেঙে লাভা বেরিয়ে পড়ে। সহজভাবে বললে, তাপ লাভাসহ ভূমির স্তর ভেদ করে ওপরে উঠে আসে, আর এর ফলে দুপাশের টেকটোনিক প্লেট (চিত্রে তীরচিহ্নিত) সরে আসে। লাভা নির্গমনমুখে আগ্নেয়গিরি সৃষ্টি হয়।

4

যে কয়েকটি জায়গা থেকে মহাদেশীয় বিচ্যুতি লক্ষ্য করা যায়, এর মধ্যে আইসল্যান্ড অন্যতম। উত্তর আমেরিকান ও ইউরেশীয় প্লেট ঠিক আইসল্যান্ডের মাঝে অবস্থিত। GPS এর মাধ্যমে ঐ জায়গার অবস্থান মেপে দেখা গেছে প্রতি বছর এ দুই মহাদেশ পরস্পরকে এক ইঞ্চি করে দূরে ঠেলে দিচ্ছে! এক শতাব্দী পর ইউরোপ এবং আমেরিকা পরস্পর থেকে ৮ ফুট দূরে সরে যাবে!

লাভার চাপে ভূ-গর্ভের স্তর যখন প্রসারিত হয়, তখন সেই প্রসারিত অংশকেও পৃথিবীর পরিধির কোথাওই অবস্থান নিতে হয়। কারণ, পরিধি তো আর বাড়তে পারে না! ভূগর্ভের ভেতর যেখানে দুই স্তর পরস্পরকে ছেদ করে, (চিত্র-খ) এর নাম “Subduction Zone”- এর বাংলা করার সাহস করছি না!

5

6
এভাবে পৃথিবী শত কোটি বছর ধরে মহাদেশীয় ভাঙাচোরার মধ্য দিয়ে চলছে। এর আভিধানিক নাম “সুপারকন্টিনেন্ট সাইকেল থিয়োরি”। এই সুপারকন্টিনেন্ট ধারার প্রথমটির নাম “ভালবারা”(Vaalbara), প্রায় ৩.৮-২.৮ বিলিয়ন বছর আগে সৃষ্ট। তার পরেরগুলো যথাক্রমে আর, ক্যানরল্যান্ড, কলাম্বিয়া, রোডেনিয়া, প্যান্টোনিয়া। সর্বশেষটি, অর্থাৎ প্যান্টোনিয়া পরিবর্তিত হয়েই প্যানজিয়া’র (Pangea) সৃষ্টি হয়, এ প্যানজিয়াই (৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে সৃষ্ট) হল বর্তমানকালের দৃশ্যমান মহাদেশগুলোর আদি-অকৃত্রিম রূপ (৪)।

চিত্রঃ Pangea র সময় মহাদেশগুলোর একীভূত অবস্থা
চিত্রঃ Pangea র সময় মহাদেশগুলোর একীভূত অবস্থা

সবগুলো মহাদেশ একীভূত থাকার কারণে পুরো স্থলভাগ জুড়ে জলবায়ু বৈচিত্র্য ছিল কম। গ্রীষ্মে প্রচণ্ড খরা ও শীতে তুষারাচ্ছন্ন পৃথিবীতে প্রাণিবৈচিত্র্য এভাবেই নিজেদের মানিয়ে নিয়েছিল। বাধ সাধে ২৫০ মিলিয়ন বছর আগে,যখন প্যানজিয়া’র ভাঙন শুরু হয়! সাথে সাথেই এখনকার মহাদেশগুলোর গড়ন তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ ভাঙন প্রক্রিয়া শুরু করে এক মহাবিপর্যয়ের;পৃথিবীর ইতিহাসে সবচে’ বড় প্রাণিবৈচিত্র্য বিলুপ্তির, নাম Permian–Triassic extinction!

এ বিপর্যয়ে তখনকার প্রায় শতকরা নব্বই শতাংশ প্রাণীই বিলুপ্ত হয়ে যায়! প্রাণিজগতের মাঝে বিপুল বিবর্তন সাধিত হয়! এই মহাদেশীয় বিচ্যুতির ফসল হিমালয়, আল্পস পর্বতমালা, গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের মত গিরিখাত। ফ্রান্স থেকে ইটালি, সুইতজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, স্লোভেনিয়া তক বিস্তৃত আল্পস পর্বতমালা ,আফ্রিকান ও ইউরোপের টেকটোনিকপ্লেটের সংঘর্ষে তৈরি। উত্তরমুখী ইন্ডিয়ান প্লেটের সাথে ইউরেশীয় প্লেটের সংঘর্ষে হিমালয় গঠিত হয়। আরিজোনায় অবস্থিত পৃথিবীর সবচে’বড় প্রাকৃতিক খালটির দৈর্ঘ্য ২৭৭ মাইল, প্রস্থে ১৮ মাইল আর ১ গভীরতায় মাইল! গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন যেন একটি টাইম মেশিন! এর পরতে পরতে কালের বিবর্তনের সাক্ষ্য!

চিত্রঃ স্যাটেলাইট থেকে তোলা গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের ছবি
চিত্রঃ স্যাটেলাইট থেকে তোলা গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের ছবি

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সাত হাজার ফুট উঁচু ক্যানিয়নে শত শত সামুদ্রিক প্রাণীর ফসিল পাওয়া গেছে! সাত হাজার ফুট উচ্চতায় পানি ওঠার মত অবস্থা পৃথিবীতে কোনো সময়ই ছিল না। এর একমাত্র সমাধান, গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন একদা (২৫০ মিলিয়ন বছর আগে) সমুদ্রের তলায় ছিল!

উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার সংযোগকারী পাথুরে অঞ্চলটি ১৭ মিলিয়ন বছরে গঠিত হয়। এটি পৃথিবীর জলবায়ুর খুব গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন সাধন করে। আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে পানির মুক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়।দুই অঞ্চলের ভৌগলিক পরিবেশ ও জীবকুলের মাঝে পার্থক্য গড়তে থাকে।

এই ভৌগলিক বিবর্তন থেমে নেই,নিশ্চল নেই টেকটোনিক প্লেট। একটা সুনামি, সিডরই প্রকৃতির কাছে আমাদের অসহায়ত্ব বুঝিয়ে দেয়। দশ-বিশ, কিংবা একশো বছরের পর্যবেক্ষণও কোনভাবেই প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর কোন পারিসংখ্যানিক প্যাটার্ন বের করার জন্য যথেষ্ট নয়। প্রকৃতির প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে মানুষের এ লড়াই চলছে সেই আদিকাল থেকে, এখনো।

প্রকৃতি কোটি বছরে পৃথিবীকে যতো ভাগে না ভাগ করেছে, মানুষ তার কিয়দাংশ সময়েই নিজেদের ভাগ করেছে এর চাইতে বহুগুণ বেশি। মানুষ কি সভ্যতাকে আরো অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে? প্রশ্নের উত্তরটি কিন্তু আমাদের হাতেই!

ঝর্ণাধারা পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক।
13/05/2021

ঝর্ণাধারা পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা
ঈদ মোবারক।

Happy  27th Birthday to  Abu Rayhan Wishing you a happy birthday to you
18/08/2020

Happy 27th Birthday to Abu Rayhan
Wishing you a happy birthday to you

05/08/2020
ঝর্ণাধারা পরিবারের সবাইকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক
01/08/2020

ঝর্ণাধারা পরিবারের সবাইকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা
ঈদ মোবারক

বর্তমানে বাজারে টাকার অঙ্কে ঠিক এ রকম, ১০০ ইউরোতে পাওয়া যায় প্রায় ১১১.২৩ ডলার। অর্থাৎ ইউরোর দাম ডলারের থেকে বেশি। আবার ১...
03/04/2020

বর্তমানে বাজারে টাকার অঙ্কে ঠিক এ রকম, ১০০ ইউরোতে পাওয়া যায় প্রায় ১১১.২৩ ডলার। অর্থাৎ ইউরোর দাম ডলারের থেকে বেশি। আবার ১ পাউন্ডে পাওয়া যায় প্রায় ১.৪৩ ডলার। অর্থাৎ পাউন্ডের দাম ডলারের থেকে কিছুটা বেশি। অন্যদিকে ১ ডলারে পাওয়া যায় প্রায় ৬৩.৪৯ রুপি এবং ১ ডলারে পাওয়া যায় প্রায় ৮৪ টাকা। এর অর্থ রুপি এবং টাকার থেকে ডলারের দাম বেশি।
কিন্তু ডলার এহেন মহা শক্তিমান হয়ে উঠল কি করে?
এ প্রশ্নের উত্তর জানতে, নজর দিতে হবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং তার পরবর্তী সময়ের দিকে। সেই সময় থেকেই ডলার ধীরে ধীরে পৃথিবীর বুকে অন্যতম শক্তিশালী মুদ্রা হিসেবে স্থান করে নেয়। এমনকি ইউরো কিংবা ব্রিটিশ পাউন্ডের তুলনায়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের অর্থনৈতিক অবস্থা বেশ কিছুটা খারাপ হয়ে পড়ে। ধাক্কা আসে এশিয়ার অর্থনীতিতেও। সময়টা ১৯৪৪ সাল। এ সময় অবস্থা সামাল দিতে মাঠে নামে ‘বিশ্ব ব্যাংক’। ঠিক হয়, এক আউন্স সোনার দাম হবে ৩৫ ডলার। এখান থেকেই শুরু।
ইউরোপের পূর্ণ নির্মাণে এ সময় ‘মার্শাল প্ল্যান’ বলে বিখ্যাত একটি পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এ পরিকল্পনায় ইউরোপিয়ান দেশগুলিকে ডলার সাহায্য দেওয়া হয়। এটাই ছিল ডলারের উত্থানের দ্বিতীয় কারণ।
তৃতীয় কারণটি আরও জোরালো। আন্তর্জাতিক রিজার্ভ কারেন্সি হিসেবে ডলারের ব্যবহার বাড়তে থাকে। অর্থাৎ ‘ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ’ হিসেবে সবার আগে নিজের জায়গা করে নেয়।
কাঁচা তেল বা জ্বালানি তেলের দামের সঙ্গে ডলারের দামের একটা নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। আমেরিকা তেলের অন্যতম বড় আমদানিকারক। ফলে ডলারের দাম বাড়া-কমার সঙ্গে তেলের দামেরও হেরফের হয়। এটিও একটি কারণ ডলার শক্তিমান হওয়ার।
এ সবক’টি ঐতিহাসিক কারণ। এ কারণগুলির ফলে ডলার বিশ্ব অর্থনীতিতে তার জায়গা পাকাপোক্ত করে নিয়েছে। কিন্তু এ দীর্ঘদিনের শক্তপোক্ত অবস্থান ছাড়াও আরও তিনটি প্রধান কারণ আছে, ফলে ডলার বর্তমান সময়েও এতটা শক্তিশালী।
এর একটি কারণ এখনও পর্যন্ত ডলার যে কোন কিছুর পরিপ্রেক্ষিতে অন্যতম নির্ভরযোগ্য সম্পদ। অর্থাৎ অন্য কোন মুদ্রা, সোনা বা শেয়ার তার দাম অস্বাভাবিক ভাবে পড়তে উঠতে পারে। কিন্তু সেই তুলনায় ডলার অনেকটাই স্থিতিশীল। এ প্রসঙ্গে মনে রাখতে হবে ডলার সব থেকে বেশি ছাপা হওয়া মুদ্রার মধ্যে একটি।
অপর কারণ, পৃথিবীতে ডলার ব্যাপকভাবে অন্য দেশের মুদ্রা এবং পণ্যের লেনদেনে ব্যবহার করা হয়। এর পরের কারণটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ডলার এমন এক মুদ্রা যেটিকে কেনাবেচা করার জন্য বাজারটি যথেষ্ট সংগঠিত। ফলে পৃথিবীর প্রায় সমস্ত মানুষই ডলার কেনাবেচা করতে পারেন। এছাড়াও আন্তর্জাতিক কমেডিটি বাজারে ডলারের মাধ্যমেই কেনাবেচা করা হয়।
এছাড়াও আরও কিছু কারণ আছে। আছে বেশ কিছু জটিল অর্থনৈতিক ব্যাখ্যা। সেই জটিল ব্যাখ্যার দিকে না গিয়েও বলা যায় আজকের দুনিয়ায় এ কারণগুলির জন্য ডলার এতটাই শক্তিশালী।
অতএব এখন থেকে মাঝেমাঝে হিসেব করে নেবেন আপনার জমা টাকা কিংবা সম্পত্তি ডলারের হিসেবে কত। আর ডলারের ওঠা-নামার সঙ্গে সঙ্গে সেটা কতটা বাড়ল বা কমলো। বিদেশে গিয়ে অবশ্যই ডলার ভাঙানোর আগে যাচাই করে নেওয়া উচিত ডলারের ওই দিনের দাম ঠিক কতো।

রুবি/ চুনি / ইয়াকুতইংল্যান্ডের রাজমুকুট তাদের বিজিত ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি। এই রাজ মুকুটে আছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজা রা...
31/01/2020

রুবি/ চুনি / ইয়াকুত

ইংল্যান্ডের রাজমুকুট তাদের বিজিত ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি। এই রাজ মুকুটে আছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজা রানীদের হীরা-মনি মুক্তার অমূল্য সমাহার যা তারা বিজিত অঞ্চল থেকে লুটে নিয়েছিল। রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ যে রাজমুকুটের মালিক তাতে রয়েছে কোহিনূর, ব্লাক প্রিন্স রুবি সহ অারো অনেক মহামূল্যবান সব রত্ন। অথচ এগুলোর অধিকাংশের মালিকানা একসময় ছিল মুসলিম সালতানাতের হাতে। এই যেমন ব্লাকপ্রিন্স রুবিটি ছিল ১৪ শতকের গ্রানাডার মুসলিম যুবরাজ আবু সাইদের । ১৩৬৫ সালে ব্রিটিশরা তার কাছ থেকে এটির দখল নেয়। আজকে ইতিহাস নয়, রুবি যাকে বাংলায় বলে চুনি, এই পাথর নিয়ে জেনে নেয়া যাক কিছু তথ্য:

চুনি বা রুবি হচ্ছে উজ্জ্বল লাল রঙ এর স্বচ্ছ রত্ন পাথর। আরবিতে এ পাথরকে ইয়াকুত পাথর বলা হয়।
রুবি শব্দের উৎপত্তি ঘটেছে ল্যাটিন শব্দ রুবিনস থেকে যার অর্থ লাল। এক কথায় এটি হচ্ছে লাল হিরা।

রুবি স্বীকৃত মূল্যবান চার পাথরের একটি। অন্য তিন মুল্যবান পাথর হচ্ছে পান্না, নীলকান্তমণি, এবং হীরা।

প্রাচীন কাল থেকে বার্মার মগক ভ্যালী রুবি পাথরের জন্য বিখ্যাত। বর্তমানে থাইল্যান্ডে সবচেয়ে বেশি রুবিখনি রয়েছে। এছাড়াও মাদাগাস্কার, শ্রীলঙ্কা ও ভারত ও এদিক থেকে এগিয়ে রয়েছে।

পান্নার ন্যায় প্রায় সকল রুবিতে কিছু না কিছু অসম্পুর্নতা থাকে। এই অসম্পূর্ণতা দিয়েই রুবির কৃত্রিমতা বিচার করা হয়ে থাকে।

বেশিরভাগ আধুনিক রুবির কিন্তু চিকিৎসা হয়! রুবিকে বিভন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি, ফাটল ভরাট, নির্দিষ্ট আকার প্রদানের কাজগুলো করা হয়ে থাকে।

ভালো মানের রুবির দাম হীরের চেয়েও অনেক বেশি। মুল্যবান রুবির প্রতি ক্যারেট প্রায় ১ লাখ ডলারে বিক্রি হয় ।

১৮৫০ সাল থেকেই গয়নায় নকল রুবির প্রচলন শুরু হয়। কাচের টুকরো তে লাল রঙের কাজ করায় তা যে কোন দামী রুবির চেয়েও দামী মনে হত।

১৯৫০ সালে আবিষ্কৃত লিবার্টি বেল রুবি হচ্ছে এখন পর্যন্ত আবিস্কৃত সবচেয়ে বড় রুবিখন্ড। প্রায় চার পাউন্ড ওজনের রুবিটি ২০১১ সালে চুরি হয়ে যায়।

Sunrise Ruby হলো বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে দামি ইয়াকুত পাথর, যার মূল্য প্রায় ৩০ মিলিয়ন মর্কিন ডলার।

প্রকৃতিগত ভাবে এশিয়ান নারীরা রুবি পাথরের জুয়েলারী বেশী পছন্দ করে! সত্যি কি অদ্ভুত সবকিছু !

লেখা: Sabbir Ahmed
কৃতজ্ঞতা:https://www.google.com/url?q=https://www.gia.edu/ruby-history-lore&sa=U&ved=2ahUKEwjgzoH5zKrnAhVhzjgGHTGrBBwQwaICMA56BAgLEA0&usg=AOvVaw2Xe-nkcA6CQoMImkPxpzAI

নিচের যে জিনিস গুলোর  ছবি দেখতে পাচ্ছেন সেগুলো ছিল শের-ই-মহীশূর টিপু সুলতানের । ১৭৯৯ সালে টিপু সুলতান ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডি...
30/01/2020

নিচের যে জিনিস গুলোর ছবি দেখতে পাচ্ছেন সেগুলো ছিল শের-ই-মহীশূর টিপু সুলতানের । ১৭৯৯ সালে টিপু সুলতান ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ডিউক অব ওয়েলিংটনের কাছে পরাজিত হয়ে নিহত হওয়ার পর তার প্রাসাদ লুন্ঠন করে ব্রিটিশ বাহিনী।
মেজর থমাস হার্ট , চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধের পর টিপু সুলতান এবং তার পিতার ব্যবহার করা অস্ত্র সহ বেশ কিছু জিনিস লুট করে ব্রিটেনে নিয়ে আসেন। এরপর বংশ পরম্পরায় এগুলো তার পরিবারের কাছেই থেকে যায়। সম্প্রতি ২০১৯ সালে থমাস হার্টের উত্তরসূরিরা চিলেকোঠার ঘর পরিষ্কার করার সময়ে দেখতে পান একটি বাক্সে ধুলো ভর্তি কাগজের মধ্যে কী যেন রাখা আছে। সেগুলো নামাতেই তাদের চক্ষু চড়কগাছ। সেই কাগজের মধ্যেই লুকানো ছিল বাঘছাপ ওয়ালা বন্দুক ও স্বর্ণখচিত তরবারি সহ কয়েকটি জিনিস। বাড়ির ছাদ থেকে হঠাৎ এসব জিনিস পেয়ে হকচকিয়ে যায় ওই ব্রিটিশ পরিবার।
এগুলোর মধ্যে আরো রয়েছে টিপুর ব্যবহার করা একটি পান দানি। এছাড়া তার তরবারিটিতে বুলেটের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই বুলেটের আঘাতেই টিপু সুলতান মারা যান। এছাড়া টিপুর পিতা হায়দার আলী খানের স্বর্ণ খচিত একটি তরবারিও রয়েছে ওই গুপ্তধনের মধ্যে।
চিলেকোঠায় অযত্নে পড়ে থাকা ২২০ বছরের পুরোনো এমন ঐতিহাসিক জিনিসের সন্ধান পেয়ে ব্রিটেনের সাধারণ একটি পরিবার রাতারাতি অগাধ অর্থবিত্তের মালিক হয়ে উঠবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে ।

কৃতজ্ঞতা: Sabbir Ahmed
তথ্যসূত্র: Metro news UK. https://www.google.com/url?q=https://www.indiatoday.in/world/story/uk-family-finds-indian-treasure-worth-millions-looted-under-british-rule-lying-in-attic-1473309-2019-03-08&sa=U&ved=2ahUKEwjF4-zA6avnAhVKXn0KHfGcAXUQFjAWegQICRAB&usg=AOvVaw2kWgwcvm5BdF4FwpnSvas8

লইট্যা মাছের ফ্রাই চলছে
06/12/2019

লইট্যা মাছের ফ্রাই চলছে

24/09/2019

Address

603/1, Ansarcamp Road, Bedgram
Gopalganj

Telephone

01938475767

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ঝর্ণাধারা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share