পাতাবাহার

পাতাবাহার কেমন আছেন! আপনার ইনডোর প্ল্যান্টগুলো কেমন আছে! কমপ্লিট ইনডোর গার্ডেনিং ইবুক - epatabahar.com/apnar-indoor-garden

বায়োফিলিয়া (Biophilia) কী, জানেন?​আমরা কংক্রিটের জঙ্গলে বসবাস করে অভ্যস্ত মানুষ। ঢাকা শহরের যেদিকেই তাকান, সবুজ দেখতে না...
12/06/2026

বায়োফিলিয়া (Biophilia) কী, জানেন?

​আমরা কংক্রিটের জঙ্গলে বসবাস করে অভ্যস্ত মানুষ। ঢাকা শহরের যেদিকেই তাকান, সবুজ দেখতে না পেলেও ধূসর কংক্রিটের দেখা মিলবে চোখ অর্ধেক খুলে তাকালেও। দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি! এই হাঁসফাঁস পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে আমরা সুযোগ হলেই প্রকৃতির সান্নিধ্যে পালিয়ে যাই। তাই না?

​গ্রিক ভাষায় 'বায়ো' অর্থ জীবন, 'ফিলিয়া' অর্থ গভীর ভালোবাসা বা আকর্ষণ। বায়োফিলিয়া বলতে বোঝায় জীবন্ত প্রকৃতির প্রতি সহজাত আকর্ষণ। আমরা শত শত বছর ধরে ইট-পাথরের জঙ্গলে বসবাস করলেও আমাদের ডিএনএতে আদিম অরণ্যের প্রতি ভালোবাসা খোদাই করে বসিয়ে দেওয়া আছে। এটাই বায়োফিলিয়া।

​বায়োফিলিয়া নিয়ে বিশাল আলাপ করা যাবে। আজকে আমরা ওদিকে যাব না। আজকের আলাপ হবে এমন একটি গাছ নিয়ে, যার পাতা আপনার মনের অশান্তি দূর করে মনে প্রশান্তি ফিরিয়ে আনবে।

​গাছের নাম মন্সটেরা। শুনলে ভয় ভয় লাগে, তাই না? এই গাছে দৈত্য-দানব থাকে? ভূত-প্রেত, পেত্নি? ভ্যাম্পায়ার? নাকি দেশি রাক্ষস-খোক্কস?

​ভয় নেই। গাছের নাম মন্সটেরা হলেও প্রাচীন এই অভিজাত ইনডোর গাছে এরা কেউ বসবাস করে না। বিশাল বড় পাতা, পাতায় আবার গোল ছিদ্র, চারপাশের খাঁজকাটা রূপ দেখে তৎকালীন উদ্ভিদবিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছিলেন মন্সটেরা। ইনডোরে এই গাছের পাতা মাঝারি আকারের হলেও আদিম প্রাকৃতিক পরিবেশে এরা আসলেই বৃহদাকার ধারণ করে।

​মন্সটেরা সেই মায়ান বা অ্যাজটেক সভ্যতা থেকে বর্তমান সময়ে দাপটের সঙ্গে টিকে রয়েছে। সেই সময়েও একে প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ গাছ হিসেবে বিবেচনা করা হতো, এখনো হয়। ভিক্টোরিয়ান যুগে দূরদেশ থেকে জাহাজে করে এনে বিশাল গ্রিনহাউজে মন্সটেরা রাখা হতো। কারণ, মন্সটেরা ছিল উচ্চ সামাজিক মর্যাদা জাহির করার বস্তু। সবচেয়ে দামি ইনডোর প্ল্যান্টের তালিকা যদি করতে হয়, মন্সটেরা থাকবে তার ওপরের দিকেই।

​আধুনিক সময়েও কিছু কিছু মন্সটেরা নিলামে প্রায় ৩০ থেকেব৪০ হাজার ডলারেওবিক্রি হয়েছে। বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় অর্ধ কোটি টাকা!

প্রখ্যাত ফরাসি চিত্রকর অঁরি মাতিস তো মন্সটেরার প্রেমে পড়ে এটি নিয়ে বেশ কিছু চমৎকার চিত্রকর্ম করেছিলেন। তার হাত ধরে মন্সটেরা আধুনিক যুগে আরও বেশি সামাজিক মর্যাদার বিষয় হয়ে ওঠে। এখনো দেশ-বিদেশের সম্ভ্রান্ত বাড়িতে বা অফিসে যান, আর কিছু থাকুক বা না থাকুক, কোনো এক কোণে মন্সটেরা থাকবেই।

​দেখুন তো, ধান ভানতে শিবের গীত গেয়ে যাচ্ছি মনে হচ্ছে! আসলে মন্সটেরা এমন এক গাছ, যা নিয়ে পাতার পর পাতা লিখে ফেলা যাবে, তবুও শেষ করা যাবে না।

​উচ্চ সামাজিক মর্যাদার প্রতীক এই গাছের একটা অদ্ভুত গুণ আছে। প্রথমে বায়োফিলিয়ার কথা উল্লেখ করেছিলাম, মনে আছে?

​মন্সটেরার বিশাল পাতা, পাতায় নিখুঁত জ্যামিতিক প্যাটার্নে খাঁজকাটা, এগুলো মানুষের মনে প্রশান্তি তৈরি করে। অনেক পরিবেশ মনস্তাত্ত্বিকের মতেই মন্সটেরার পাতার প্রতি মানুষের আকর্ষণের পেছনে মনস্তাত্ত্বিক কারণ রয়েছে। মন্সটেরার পাতা আমাদের মনে প্রকৃতির প্রতি যে ভালোবাসা খোদাই করে রাখা হয়েছে সেটা অনুভব করায়। বায়োফিলিয়া নিয়ে আলাপ করার কারণ ছিল এটাই।

​মন্সটেরা মানসিক অস্থিরতা ও ক্লান্তি কমায়। ইট-পাথরের শহরে সারাদিনের নানা অস্থিরতার পর বাসায় ফিরে এই মানসিক চাপ কমানোর জন্য মন্সটেরা চমৎকার একটা অপশন হতে পারে। অনেকেই বলেছেন তাদের মন্সটেরা গাছ তাদের ইমোশনাল সাপোর্ট হিসেবে সাহায্য করেছে। মন্সটেরা ঘরে রাখার উপকারিতা এতটাই বেশি, ছোট একটা ফেসবুক পোস্টে সম্পূর্ণ তুলে ধরা সম্ভব নয়।

​শুধু আভিজাত্য নয়, মনের গোপন প্রকৃতিপ্রেম জাগিয়ে তোলা এবং মানসিক অশান্তি দূর করার জন্য হলেও ঘরে মন্সটেরা রাখা দরকার। এতে উপকার বৈ অপকার হবে না।

পাতাবাহার পেজ Follow করেছেন তো! ইনডোর প্ল্যান্টগুলোর অজানা কথা, এপার্টমেন্টে ইনডোর গার্ডেনিংয়ের এক্সপার্ট টিপস নিয়মিত পেতে এখনি Follow করে রাখুন 💝

মিলেনিয়াল একটা গাছের গল্প করা যাক। যে গাছের নব্বইয়ের দশকে হঠাৎ করে ইউরোপে আগমন, তারপর বাদবাকিটা শুধুই ইতিহাস।​জামিওক্যাল...
11/06/2026

মিলেনিয়াল একটা গাছের গল্প করা যাক। যে গাছের নব্বইয়ের দশকে হঠাৎ করে ইউরোপে আগমন, তারপর বাদবাকিটা শুধুই ইতিহাস।

​জামিওক্যালকাস জামিফোলিয়া। এভাবে বললে অবশ্য অনেকেই ভ্রু কুঁচকে তাকাবেন। মনে মনে ভাববেন আরে, এ কোথাকার কোন এলিয়েনের নামধাম তুলে এনেছে! গাছের গল্প শুনতে এলুম, এ তো দেখি আগডুম বাগডুম বকে যাচ্ছে!

​তবে যদি বলি জি জি প্ল্যান্ট, অনেকেই মাথা দুলিয়ে জানাবেন এবার তারা চিনেছেন। অনেকের বাড়িতেই এই চমৎকার ইনডোর প্ল্যান্ট আছে।

​মজার ব্যাপার হলো, মিলেনিয়াল বললেও জি জি প্ল্যান্টের ইতিহাস বহু পুরোনো৷ ইতিহাসের বহু আঁকবাঁক বদল হয়েছে, কিন্তু পূর্ব আফ্রিকার ভয়ংকর রুক্ষ পরিবেশেও জি জি বেঁচে রয়েছে বহাল তবিয়তে।

মিলেনিয়াল বলার কারণ হলো, এই গাছ পূর্ব আফ্রিকাতে দেখা গেলেও আধুনিক ঝা-চকচকে জগতের সঙ্গে এর দেখা মেলে নব্বইয়ের মাঝামাঝি সময়ে। নেদারল্যান্ডসের কিছু বাগানি আফ্রিকায় এই গাছ দেখেই বুঝতে পেরেছিলেন, এটি ইনডোর প্ল্যান্ট হিসেবে সারা বিশ্বের মানুষের মন জয় করে নেবে। তাদের ভাবনা ভুল হয়নি।

​সেই সময়ে যখন প্রথম জি জি প্ল্যান্টকে ইউরোপে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়, তার অল্প সময়েই এই গাছের চাহিদা আকাশচুম্বী হয়ে ওঠে। যার ফলশ্রুতিতে পৃথিবীজুড়ে এই গাছ ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমান সময়ে আমাদের দেশেও জি জি প্ল্যান্ট অত্যন্ত জনপ্রিয় ইনডোর প্ল্যান্ট হিসেবে পরিচিত।

​এই গাছের এত জনপ্রিয়তার কারণ কী?

​প্রথমত, এই গাছ খুবই সুন্দর। পাতার ওপরে প্রাকৃতিকভাবেই চকচকে একটা ভাব আছে। দেখে মনে হয় কেউ যেন মোম পালিশ করে দিয়েছে। 'ব্ল্যাক র‍্যাভেন' নামে কুচকুচে বেগুনি-কালো রঙের একধরনের জি জি প্ল্যান্ট আছে, যেগুলো দেখতেও অপার্থিব কিছু মনে হয়, আবার দামও অনেকটাই বেশি।

​সৌন্দর্যের পাশাপাশি এদের পরিচর্যা একেবারেই কম হলেও সমস্যা হয় না। ঘরে আলো কম থাকলেও দিব্যি সুস্থ-স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকে। একেবারে প্রথম গাছ লাগাতে যাচ্ছেন এমন বাগানিদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে এরা থাকে, কারণ এরা সহজে মারা যায় না। একই সাথে ঘরের বাতাসের নানা দূষিত পদার্থ তারা টেনে নেয়, এটাও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।

​অভিজ্ঞ ইনডোর বাগানিদের পাশাপাশি যারা অনভিজ্ঞ, সদ্যই এই পথে পা বাড়িয়েছেন, নিজের ঘরের সৌন্দর্য আরেকটু ফুটিয়ে তোলার কথা ভাবছেন, তাদের জন্য জি জি প্ল্যান্ট হতে পারে দারুণ নির্বাচন।

ইনডোর প্ল্যান্টগুলোর পিছনের গল্প, বাংলাদেশি এপার্টমেন্টে রাখার জন্য এক্সপার্ট টিপস নিয়মিত পেতে আমাদের ফলো করতে পারেন 💝

শাশুড়ির জিহবাকে কম বেশি সবাই সমীহ করে। আর সে-ই শাশুড়ি যদি হয় জীবন মানে জি বাংলায় দেখানো শাশুড়ি, তাহলে ব্যাপারটা সমীহের ব...
10/06/2026

শাশুড়ির জিহবাকে কম বেশি সবাই সমীহ করে। আর সে-ই শাশুড়ি যদি হয় জীবন মানে জি বাংলায় দেখানো শাশুড়ি, তাহলে ব্যাপারটা সমীহের বদলে আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ঠিক কী না আপনারাই বলেন।

চমৎকার একটা ইনডোর গাছ আছে। দেখতে শুনতে সুন্দর। হ্যান্ডসাম বা বিউটিফুল। শুধু দর্শনধারীই নয়, তার রয়েছে বহু গুণ। বিয়ের বাজারে তাকে তোলা হলে আদর্শ পাত্র বা পাত্রী বলে চোখ বুজে মেনে নেয়া যাবে।

অথচ এমন একটা গাছের নাম না-কি স্নেক প্ল্যান্ট! এ কেমনতর অবিচার! একে তো এই গাছের নাম স্নেক প্ল্যান্ট, মরার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে বিশ্বের অনেক দেশেই একে ডাকা হয় শাশুড়ির জিহবা নামে!

অথচ এই গাছ অত্যন্ত কঠোর পরিবেশেও বেঁচে থাকতে পারে। আর দশটা গাছ যে পরিবেশ বহু আগে মারা যাবে স্নেক প্ল্যান্ট তেমন পরিবেশে আরাম আয়েশের সাথেই বেঁচে থাকে। এর নাম হওয়া উচিৎ ছিল হয় ব্যস্ত মানুষের বন্ধু নয়ত কই মাছের প্রাণ। কিন্তু না, কোনো এক বেরসিক একে বানিয়ে দিলো সাপ।

স্নেক প্ল্যান্টের জন্ম সেই সুদূর আফ্রিকায়। কঙ্গো থেকে নাইজেরিয়ার কঠিন পরিবেশে মানুষ থুড়ি গাছ হওয়া এই উদ্ভিদ কালের পরিক্রমায় বাংলাদেশেও চলে এসেছে। অনেকের ঘরের কোণে বা ডেস্কের শোভা বাড়াতে দেখা যায় স্নেক প্ল্যান্টকে।

এদের রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত সহজ। হুট করে মারা যাবে কী না এই চিন্তা নেই। শত ব্যস্ততার মধ্যে আলাদা করে দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই এই গাছের জন্যে। সে একাই একশো। বরঞ্চ ঘরের কোণে বা টেবিলে যদি এদের রাখা হয় এরা রাতের বেলা ফ্রেশ অক্সিজেনের যোগান দেবে আপনাকে।

নামে স্নেক থাকতে পারে, তবে কিছু বন্ধু বা আত্মীয়রূপী সাপের মতো নয় এরা। এরা আপনার কোনো ক্ষতি তো করবেই না উল্টো বহু উপকারে আসবে। ঘরের কোণে একটা স্নেক প্ল্যান্ট রাখুন আর ঘরে রাতের অক্সিজেনের আরেকটু সরবরাহ নিশ্চিত করে ফেলুন।

প্রাচীন দুটো গ্রিক শব্দ রয়েছে। Algaos অর্থ উজ্জ্বল, Nema মানে সুতো। এই দুটো এক করে এমন এক ইনডোর প্ল্যান্টের নাম রাখা হয়ে...
09/06/2026

প্রাচীন দুটো গ্রিক শব্দ রয়েছে। Algaos অর্থ উজ্জ্বল, Nema মানে সুতো। এই দুটো এক করে এমন এক ইনডোর প্ল্যান্টের নাম রাখা হয়েছে যে-ই নাম একেবারে খাপে খাপ মিলেছে গাছের সাথে।

অত্যন্ত সুন্দর এই গাছের নাম এগ্লোনিমা।

ইনডোর প্ল্যান্ট অনেক ধরনের হয়। কোনোটা আলো আধারিতে, কোনোটা বারান্দা বা পশ্চিমের জানালার পাশে উজ্জ্বল আলোতে। কোনোটা থাকে ঘরের কোণে, কোনোটা রান্নাঘরের পাশে। কোনোটা আবার ড্রয়িং রুমের শোভা বর্ধন করে।

আমাদের সবার বাসাতেই পড়ার বা অফিশিয়াল কাজকর্ম করার টেবিল থাকে। দেখা যায় ফ্ল্যাটের বারান্দা বা ঘরের বিভিন্ন স্থানে নানা প্রজাতির সুন্দর বা উপকারী বিভিন্ন গাছ দখল করে রাখলেও টেবিল বা ডেস্কটা থেকে যায় ফাঁকা।

অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না টেবিল বা ডেস্কে কোন গাছটা রাখলে সুন্দর লাগবে বা ভালো থাকবে।

এগ্লোনিমা হলো সে-ই প্রজাতির গাছ যেটা আরামে টেবিল বা ডেস্কের ছোট একটা জায়গা নিয়ে কোনো সমস্যা ছাড়াই বেঁচে থাকতে পারে। এগ্লোনিমা বেশ কয়েক রঙের হয়। সবুজ পাতার ভ্যারাইটিগুলো অল্প আলোতে সহজে করা যায়।* এগ্লোনিমা টেবিলে রেখে কাজের ফাঁকে ফাঁকে বা পড়ায় ফাঁকি দিয়ে ওটার সঙ্গে গল্প করলে মন ভালো বৈ খারাপ হবে না!

এগ্লোনিমাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যে অতিরিক্ত পরিশ্রমের প্রয়োজন নেই। অতিরিক্ত সময় বা অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন পড়ে না।

সারা দুনিয়া জুড়েই এগ্লোনিমার ভীষণ জনপ্রিয়তা রয়েছে। এর কারণ অবশ্য শুধু সৌন্দর্য বর্ধনই নয়, এর রয়েছে বেশ কিছু উপকারী গুণাবলী। ঘর থেকে ক্ষতিকারক বেঞ্জিন দূর করার ক্ষেত্রে বেশ বড়সড় ভূমিকা পালন করে এগ্লোনিমা।

এগ্লোনিমা ঘরে রাখলে ঘরের সৌন্দর্য তো বৃদ্ধি পাবেই, একইসাথে ঘর থেকে কিছু বিষও দূরে সরিয়ে দেয়া যাবে।

যারা বুঝতে পারছিলেন না টেবিল বা ডেস্কের জন্যে কোন গাছটি সবচেয়ে উপযুক্ত হবে, তারা আশা করি দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে উঠতে পেরেছেন।

*আপনার ইনডোর গার্ডেন ইবুক থেকে (Link in bio)

ধরুন, অদূর ভবিষ্যতের পৃথিবী। ক্ষমতাধর দেশগুলোর বেপরোয়া পারমাণবিক যুদ্ধ অথবা সেই মহাপ্রাচীন উল্কার আধুনিক কোনো ক্ষুদ্র সং...
08/06/2026

ধরুন, অদূর ভবিষ্যতের পৃথিবী। ক্ষমতাধর দেশগুলোর বেপরোয়া পারমাণবিক যুদ্ধ অথবা সেই মহাপ্রাচীন উল্কার আধুনিক কোনো ক্ষুদ্র সংস্করণের আক্রমণ বা জলবায়ুর নেতিবাচক পরিবর্তনের ফলে দুনিয়াজুড়ে দুর্ভিক্ষ শুরু হয়েছে।

পৃথিবীতে ফসল ফলছে না, পুড়ে বা অন্যান্য কারণে নষ্ট হয়ে গেছে অধিকাংশ গাছপালা। অল্প কিছু মানুষ তখনো কষ্টেসৃষ্টে টিকে আছে। খাবারের তীব্র সংকট। কীভাবে ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাবে মানবজাতি বুঝে উঠা যাচ্ছে না।

এহেন পরিস্থিতির জন্যে বিশ্বের বেশ কিছু দেশ নিজেদের দেশের মান্যগণ্যদের রক্ষা করার জন্যে ভল্ট তৈরি করে রেখেছে। এসব ভল্ট পারমাণবিক বোমার আঘাতেও টিকে থাকবে। তবে মান্যগণ্য না হলে অবশ্য চাচা আপন পরাণ বাঁচা।

মান্যগণ্যরা বাঁচলেই তো শুধু হবে না, পৃথিবীকে পুনরায় সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা করতে হবে। নচেৎ তারাও বেশিদিন টিকে থাকবে না।

পৃথিবী যদি কখনো এমন পরিস্থিতিতে পড়ে, এই পরিস্থিতি পার হওয়ার পর পুনরায় যেন গড়ে তোলা যায় সেই উদ্দেশ্যে নরওয়ের স্বালবার্ডে (Svalbard) এ একটা ডুমসডে ভল্ট বানানো আছে।

অন্যান্য ভল্টের সঙ্গে এর পার্থক্য হলো এখানে কোনো মানুষ আশ্রয় পাবে না। এখানে আশ্রয় পেয়েছে বীজ। একশো, দুশো বা পাঁচশো, হাজার নয়। লাখে লাখে। সঠিক সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াবে ১৩,৫৫,৫৬১ ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির বীজ। আমাদের ১৩,০০০ বছরের চেনা পরিচিত কৃষি ইতিহাসের প্রায় সকল ধরনের বীজ।

উত্তর মেরু থেকে মাত্র তেরোশো কিলোমিটার দূরে, স্পিটজবার্জেনের প্রত্যন্ত বরফাবৃত দ্বীপ স্বালবার্ডের এক পাহাড়ের প্রায় চারশ ফুট গভীরে লুকিয়ে রাখা হয়েছে এই মহানিরাপদ ভল্ট, যার পোশাকি নাম 'স্বালবার্ড গ্লোবাল সিড ভল্ট'।

২০০৮ সালে চালু হওয়া এই বীজ ব্যাংকটি আসলে গোটা পৃথিবীর জন্য আশীর্বাদ হিসেবে কাজ করছে। দুনিয়ার যেকোনো দেশের মূল বীজ ব্যাংক যদি কোনো যুদ্ধ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধ্বংস হয়ে যায়, তবে এখান থেকে সেই জাতের বীজ তুলে নিয়ে আবার নতুন করে পৃথিবীর বুকে চাষাবাদ শুরু করা সম্ভব হবে।

​পাহাড়ের বুক চিরে ভেতরে ঢুকে যাওয়া এই সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্তে রয়েছে তিনটি বিশাল কক্ষ, যেখানে প্রাকৃতিকভাবেই তাপমাত্রা সবসময় মাইনাস ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা হয়। একেক কক্ষে প্রায় ১৫ লাখ বীজের নমুনা সংরক্ষণ করা যায়। প্রচণ্ড এই ঠাণ্ডায় বীজগুলো শত শত বছর ধরে একদম সতেজ এবং অঙ্কুরোদগমযোগ্য অবস্থায় ঘুমিয়ে থাকতে পারে।

দুনিয়ার এত জায়গা বাদে এখানে এই ভল্ট করার কারণ হলো যদি কখনো কৃত্রিম বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বা রেফ্রিজারেশন সিস্টেম পুরোপুরি বিকল হয়ে যায়, তাও চারপাশের পারমাফ্রস্ট অর্থাৎ প্রাকৃতিকভাবে জমে থাকা বরফ এই বীজগুলোকে আগামী কয়েক দশক ধরে অনায়াসে হিমায়িত রাখবে। এই ভল্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী যে এটি পারমাণবিক বোমা বা শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতও অনায়াসে সয়ে নিতে পারে।

বর্তমানে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশ থেকে পাঠানো তের লাখেরও বেশি বৈচিত্র্যময় উদ্ভিদের বীজের নমুনা এখানে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে অ্যালুমিনিয়ামের থ্রি-প্লাই প্যাকেটে সিলগালা করে সংরক্ষণ করা হয়েছে। যার মধ্যে ধান, গম, বার্লি থেকে শুরু করে বিলুপ্তপ্রায় হাজারো বুনো জাতের উদ্ভিদের বীজ রয়েছে

আমরা মানবজাতি খুবই অদ্ভুত প্রজাতি। আমাদের অত্যাচারে হাজার হাজার প্রজাতির গাছপালা, শস্য দুনিয়ার বুক থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। আমরা যেন প্রতিযোগিতায় নেমেছি কীভাবে পৃথিবীকে যত দ্রুত সম্ভব বসবাসের অযোগ্য করে তোলা যায়। আবার সেই আমরাই বীজ লুকিয়ে রাখছি যেন এমন পরিস্থিতিতে পড়লে বেঁচে ফেরা যায়।

স্বালবার্ডের গ্লোবাল সিড ভল্ট পৃথিবীর জন্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর একটা নিঃসন্দেহে। শুধু এতটুকুই প্রার্থনা থাকবে কখনো যেন এই স্বালবার্ডের বীজ ভাণ্ডার খালি করে ফেলার পরিস্থিতি যেন কখনো আমাদের দেখা না লাগে।

যান্ত্রিক এই যুগে আমাদের প্রধান শত্রু কে বলতে পারেন? ব্যস্ততা? এ আই? প্রযুক্তির উন্নতি? না অন্যকিছু? আমার মনে হয় বর্তমান...
06/06/2026

যান্ত্রিক এই যুগে আমাদের প্রধান শত্রু কে বলতে পারেন? ব্যস্ততা? এ আই? প্রযুক্তির উন্নতি? না অন্যকিছু?

আমার মনে হয় বর্তমান সময়ে আমাদের প্রধান শত্রু সময়। সময় কখন কোনদিক দিয়ে পার হয়ে যাচ্ছে টের পাওয়া যাচ্ছে না, ধরে বা আটকে রাখা যাচ্ছে না।

এই দিন শুরু হয়, ওই মাস বা বছর পার হয়ে যায়।

সময়ের অভাবে কতকিছু করার ইচ্ছে থাকলেও করা হয়ে ওঠে না। বুকশেলফের কত বই ধরার সুযোগ হয় না, সেইন্ট মার্টিনে প্রবাল দেখা হয়ে ওঠে না, সময় না থাকায় বারান্দার কোণে বা ঘরের বুক কেসের পাশে শখের গাছটা লাগানো হয় না। বারান্দা পড়ে থাকে রুক্ষ, বিবর্ণ হয়ে। অথচ একটু সবুজের ছোঁয়া পেলে ঘরের বা বারান্দার চেহারাই বদলে যেত।

অনেকেই ইনডোর প্ল্যান্ট রাখতে চান ঘরে বা বারান্দায়। কিন্তু সময় বা সঠিক জ্ঞান না থাকায় সে সাহস করে উঠতে পারেন না।

ইনডোরে হয় এমন বহু গাছপালা আছে যেগুলো একেবারে কম সময়ে, অল্প যত্নেই নিজের সৌন্দর্য বিকশিত করতে পারে। তারা আপনার মূল্যবান সময়ও তেমন একটা খরচ করবে না, আবার ঝক্কিও পোহাতে হবে না বেশি।

এখন কোথায় খুঁজবেন এমন গাছ, কে-ই বা দেবে এসব গাছের যত্নের গাইডলাইন? বারবার তো একে ওকে নক করে বিরক্ত করা যায় না, সময়ও নষ্ট হয়।

এই কারণে আমরা একটা ই-বুক নিয়ে এসেছি যেখানে ৮টি ইনডোর গাছ নিয়ে পরিপূর্ণ গাইড লাইন আছে।

কোন গাছ কোন ঘরে ভালো হয়, কীভাবে মাটি বা পানি দেবেন, পোকামাকড়ের যন্ত্রণা দেখা দিলে কী করতে হবে, কীভাবে এক গাছ থেকেই কয়েকটা গাছ বানাবেন তার সকল প্রশ্নের উত্তর রয়েছে এই ই-বুকে।

যারা শহরে ব্যস্ত জীবনে আটকে পড়েছেন, ফ্ল্যাটে একটু সবুজের অভাবে হাঁসফাঁস করছেন, ইতোপূর্বে গাছপালা ঘরে লাগানোর অভিজ্ঞতা নেই কিন্তু ভাবছেন ঘরে কিছু গাছপালা থাকলে কতই-না ভালো হতো তাদের জন্যে এই ই-বুক সকল সমস্যার সমাধান করে দেবে।

আমাদের ই-বুকে সেরা গাছ বাছাই থেকে শুরু করে নিজের একটা শান্তির ইনডোর গার্ডেন তৈরি হওয়া পর্যন্ত সকল সমস্যার সমাধান ধাপে ধাপে সাজানো রয়েছে।

ধরুন, গাছে পানি লাগবে না-কি লাগবে না এটা অনভিজ্ঞদের জন্যে বুঝে উঠা কিছুটা কঠিন। অথচ মাটিতে আঙুল ছুঁইয়েই কিন্তু বলে দেয়া যায় পানি লাগবে বা লাগবে না।

এই ইবুকে এসব সহজ বিষয় থেকে শুরু করে কঠিন বিষয়েও আলোচনা করা হয়েছে যেন কেউ ইনডোর বাগান করতে গিয়ে বিপদে পড়লেও সমস্যার সমাধান যেন থাকে হাতের মুঠোয়।

যারা এখন ইনডোর গাছ করছেন বা যারা নিজের বা পরিবারের জন্যে ঘরকে সবুজময় করতে ইচ্ছুক তাদের জন্যে আমাদের ই-বুক অনেক কাজে আসবে। তাই প্রয়োজন মনে করলে, ইবুকটি সংগ্রহে রাখলে উপকৃত হবেন বলেই আমাদের বিশ্বাস।

সৌহার্দ্যে আপনার দিনটি পরিপূর্ণ হোক!
27/05/2026

সৌহার্দ্যে আপনার দিনটি পরিপূর্ণ হোক!

ব্যস্ততা এখন আমাদের দেয় না আর অবসর। চাকরি-বাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য, ঘরের শত কাজ, বাচ্চা কাচ্চা সামলিয়ে এই যুগে অবসর খুঁজে ব...
17/05/2026

ব্যস্ততা এখন আমাদের দেয় না আর অবসর। চাকরি-বাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য, ঘরের শত কাজ, বাচ্চা কাচ্চা সামলিয়ে এই যুগে অবসর খুঁজে বের করা খুব কঠিন।

চাইলেও এসব কারণে অনেক শখ পূরণ করার সুযোগ হয় না। যেমন ধরুন, অনেকেই চায় নিজস্ব একটা বাগান, বা ব্যালকনি ভর্তি হয়ে থাকবে সবুজ পাতায়, লাল নীল, হলুদ, বেগুনি রঙ বেরঙের নানা ফুলে। এমন দৃশ্য যে কারো মনকে প্রশান্তি দিতে পারে।

কিন্তু সমস্যা কোথায়? এদের যত্ন নিতে হয় নিয়মিত, সময় দিতে হয়, মনোযোগ দাবী করে। সময় ম্যানেজ করার ভয়েই অনেকে নিজেদের শখ বিসর্জন দিয়ে দেন।

যদি আপনার বাসায় এমন একটা গাছ থাকে সেটা কম যত্নেই টিকে থাকে, আর প্রতিটা কোণে এনে দেয় ছোট্ট প্রাণবন্ত সৌন্দর্য, কেমন হয় সেক্ষেত্রে? বার্ডস নেস্ট গোল্ডেনই সেই পারফেক্ট চয়েজ!

সুন্দর পটে সেটাপ করা, ন্যাচারাল ইনডোর সয়েল, কেয়ার গাইড

কোথায় রাখলে সুন্দর লাগে?
স্টাডি / ডাইনিং টেবিল
অফিস ডেস্ক
সোফার পাশে
জানালার ধারে
ফ্রিজের ওপরে
ড্রেসিং টেবিলে

মানে বাসার যেখানেই রাখুন লো লাইটেও এটা ভাল থাকে, মানিয়ে যায়। সতেজতা ছড়ায়।

কেন গাছটি বেছে নেবেন?
সহজে মরে না, বছরের পর বছর টিকে থাকে
পটে সেট করা
সবার প্রিয় ইনডোর প্ল্যান্ট

৩ টি চারা কম্বো করা হয়েছে যেন নিয়েই বাসার কয়েক রুমে রাখতে পারেন।

💝 আমাদের সব আইটেম হোম ডেলিভারি সহ। ইচ্ছেমত পছন্দ করে জাস্ট কনফার্ম করুন। কোনো এক্সট্রা চার্জ নেই।

তাই পছন্দ হলে নিয়ে নিন আজই!

দশ বছর আগে যদি হাতে থাকত! ইনডোর গার্ডেনিং নিয়ে সব অভিজ্ঞতা গুছিয়ে ইবুকটাতে লেখার পর এমন মনে হচ্ছে। নেটে অসংখ্য পোস্ট, ভি...
15/05/2026

দশ বছর আগে যদি হাতে থাকত! ইনডোর গার্ডেনিং নিয়ে সব অভিজ্ঞতা গুছিয়ে ইবুকটাতে লেখার পর এমন মনে হচ্ছে।

নেটে অসংখ্য পোস্ট, ভিডিও আছে কিন্তু ছড়ানো। গোছানো না। আবার অনেক কনটেন্টই বাংলাদেশের আবহাওয়া ও এপার্টমেন্টের জন্য প্র্যাকটিক্যাল না।

গত দশ বছরে নিজেরা গাছ করে, এমন অসংখ্য সোর্স থেকে পড়ে, দেখে শিখে এখন ইনডোরও সবুজময় করতে পেরেছি।

শুরু করা থেকে সবচেয়ে সহজে কিভাবে আপনার একটা ইনডোর গার্ডেন করবেন তার গাইডেন্স থাকছে এই এক্সক্লুসিভ ইবুকে।

ইবুকটায় কী আছে?
এই ইবুকে ৮টা সিলেক্টেড ইনডোর প্ল্যান্ট নিয়ে কমপ্লিট গাইড আছে। কোন গাছ কোন রুমে রাখবেন, কীভাবে পানি দেবেন, কেমন মাটি দেবেন, পোকা এলে কী করবেন, কীভাবে সাজাবেন, আর কীভাবে ১টা গাছ থেকে ৩/৪টা বানাবেন।

এটা কাদের জন্য?
যারা শহরে থাকেন, ব্যস্ত লাইফ, ফ্ল্যাটে একটু সতেজতা চান কিন্তু জানেন না কোথা থেকে শুরু করবেন - ঠিক তাদের জন্য। আগে কখনো গাছ করেননি? কোনো সমস্যা নেই। ইবুকে একদম সেরা ইনডোরের গাছ বাছাই থেকে শুরু করে আপনার নিজের একটা ইনডোর গার্ডেন পাওয়া পর্যন্ত সহজ ধাপে সাজানো। যেমন ধরুন পানি দেয়ার ফিংগার মেথড শিখবেন, মানে আঙুল দিয়ে মাটি চেক করলেই বুঝবেন পানি লাগবে কি না। এভাবেই সাজানো পুরো বই।

🎁 কমেন্টে আপনার জন্য ইবুক থেকে ৮টি ইনডোর গাছের সহজ রেফারেন্স কার্ড শেয়ার করছি। ছবিসহ চমৎকারভাবে এখানে প্রতিটা গাছের বেসিক আলো, পানি ও বৈশিষ্ট্য দেয়া আছে। এটা চাইলে প্রিন্ট করে বা গ্যালারিতে রেখে দিতে পারেন।

ইবুকটি নিয়ে আরো জানতে জাস্ট indoor লিখে মেসেজ করুন।

রুমের কর্নারে দেখুন। যখনি কেউ ইনডোরের গাছ সাজেশন চান জি জি প্ল্যান্ট প্রথমে বলতে হয়। রোদের আলো অল্প বা একেবারেই নেই এমন ...
13/05/2026

রুমের কর্নারে দেখুন। যখনি কেউ ইনডোরের গাছ সাজেশন চান জি জি প্ল্যান্ট প্রথমে বলতে হয়।

রোদের আলো অল্প বা একেবারেই নেই এমন রুমেও এই সজীব সবুজ পাতার গাছটা বেশ থাকে। আর কী চাই!

ঠিক এভাবেই শত শত গাছের মধ্যে নিজেদের করে দেখা সেরা কিছু গাছ আলাদা করেছি।

এই ইনডোর প্ল্যান্টগুলো সংগ্রহ করা থেকে এপার্টমেন্ট সাজানো পর্যন্ত একদম সহজ করে দেখিয়েছি।

কোথায়?! একটা ইবুকে। আগামীকাল সকালে দেখবেন প্রিভিউ। ইনডোর গার্ডেনিং নিয়ে এক্সপার্ট গাইড এমন একটা ইবুক কী আপনার কাজে লাগবে? একটা রিএক্ট দিয়ে জানাতে পারেন 🪴

Address

Schoolpara, Ishwardi, Pabna, Rajshahi
Ishurdi
6620

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পাতাবাহার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share