যশোর জেলা ::: আয়তন: ২৫৭০.৪২ বর্গ কিমি। অবস্থান: ২২°৪৮´ থেকে ২৩°২২´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°৫১´ থেকে ৮৯°৩৪´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। সীমানা: উত্তরে ঝিনাইদহ এবং মাগুরা জেলা, দক্ষিণে সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলা, পূর্বে নড়াইল ও খুলনা জেলা, পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ।
জনসংখ্যা ২৪৭১৫৫৪; পুরুষ ১২৭৭৬৫০, মহিলা ১১৯৩৯০৪। মুসলিম ২১৭০৯৭৩, হিন্দু ২৯৩৮৪১, বৌদ্ধ ৫১১১, খ্রিস্টান ৭৯ এবং অন্যান্য ১৫৫০।
জলাশয় প্রধান নদী: ভৈরব, চ
িত্রা, বেতনা, কপোতাক্ষ ও মুক্তেশ্বরী।
প্রশাসন যশোর জেলা গঠিত হয় ১৭৮১ সালে। জেলার আটটি উপজেলার মধ্যে মনিরামপুর উপজেলা সর্ববৃহৎ (৪৪৪.৭২ বর্গ কিমি) এবং জেলার সবচেয়ে ছোট উপজেলা অভয়নগর (২৪৭.১৯ বর্গ কিমি)।
২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে জেলা ই-সেবাকেন্দ্র চালু হওয়ার পর তথ্য-প্রযুক্তিতে অগ্রগতির জন্য ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা যশোর জেলাকে ‘বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা’ হিসেবে ঘোষণা দেন। সে সময় তিনি ‘ন্যাশনাল ই-সার্ভিস সিস্টেম’-এর উদ্বোধন করেন। এ সিস্টেমের আওতায় যশোর জেলার ২৩২টি সরকারি দপ্তরে যেকোনো সেবার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়।
এ ছাড়া ই-সেবা সার্ভিসের জন্য ১৭টি দেশের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে ২০১১ সালে যশোরের জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজুর রহমানকে ই-এশিয়া-২০১১ পুরস্কার দেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জেলা প্রশাসকের হাতে পুরস্কারের সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেন। এ ছাড়া ২০১২ সালে তিনি বর্ষসেরা জেলা প্রশাসকের সুখ্যাতি অর্জন করেন। তৎকালীন তথ্য-প্রযুক্তি ও যোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা ফারুক মোহাম্মদ তাঁর হাতে তুলে দেন ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১২ পুরস্কার।
শিক্ষার হার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
গড় হার ৫১.২৯%; পুরুষ ৫৬.১৫%, মহিলা ৪৬.০৯%
বিশ্ববিদ্যালয় ১, মেডিকেল কলেজ ১, আইন কলেজ ১, হোমিওপ্যাথিক কলেজ ১, কলেজ ৭৮, পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউশন ১, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৫১৬, প্রাথমিক বিদ্যালয় ১২৫৪, মাদ্রাসা ৩৫৯