বৃক্ষনগরী-Plant valley

বৃক্ষনগরী-Plant valley বৃক্ষনগরী-Plant valley is a trusted Online plant shop. You can find here various kinds of Flower seeds, Plants, vegetable seeds, Garden items, and many more.

We deliver all over Bangladesh. To know more please Inbox us. বৃক্ষনগরী-Plant valley একটি বিশ্বস্ত অনলাইন প্ল্যান্ট শপ। আপনি এখানে বিভিন্ন ধরণের ফুলগাছ,ফুলের বীজ,ইনডোর প্লান্ট,ফলগাছ,শাক-সব্জি চারা,শাক-সব্জি বীজ, বাগানের আইটেম,টব এবং আরও অনেক কিছু পাবেন। আমরা সারা বাংলাদেশে ডেলিভারি করি। আরও জানতে আমাদের ইনবক্স করুন

27/05/2026
লাগবে নাকি?
26/09/2025

লাগবে নাকি?

আলহামদুলিল্লাহ!!!   #মাচা_ছাড়া  #টবে_লাগানো_শিম গাছের বীজ নিতে ইনবক্স করুন।সারাবাংলাদেশ ডেলিভারি দেয়া হয়।রিভিউ কমেন্টে:
21/09/2025

আলহামদুলিল্লাহ!!!
#মাচা_ছাড়া #টবে_লাগানো_শিম গাছের বীজ নিতে ইনবক্স করুন।
সারাবাংলাদেশ ডেলিভারি দেয়া হয়।

রিভিউ কমেন্টে:

 #বারোমাসি  #সাজিনা  #বীজ পেতে ইনবক্স করুন।🌿 **টবেই বারোমাস সজিনা চাষ – ঘরে বসে ঔষধি ফল-শাকের ভাণ্ডার!** 🌿আপনি কি জানেন?...
20/09/2025

#বারোমাসি #সাজিনা #বীজ পেতে ইনবক্স করুন।

🌿 **টবেই বারোমাস সজিনা চাষ – ঘরে বসে ঔষধি ফল-শাকের ভাণ্ডার!** 🌿

আপনি কি জানেন? সজিনা শুধু সুস্বাদু নয় — এটা প্রকৃতির ছোট্ট ফার্মেসি! 💊 রোগ প্রতিরোধ থেকে শুরু করে রোগ নিরাময় — সবের জন্যই সজিনা অমৃতের মতো। আর ভাবছেন শুধু জমিতেই হবে? না ভাই — টবেও সজিনা চাষ সম্ভব, আর তাও বারোমাস!

একবার লাগালে 5-8 বছর পর্যন্ত ফল পাবেন — আর সারা বছর তাজা সজিনা পাবেন ঘরের ছাদেই! 😍

---

✅ **প্রথম ধাপ: টব আর মাটি ঠিক করুন**

🔹 **টব:** 18-24 ইঞ্চি গভীর ও চওড়া টব/ড্রাম নিন (প্লাস্টিক বা মাটির টব উভয়ই চলবে)
🔹 **মাটির মিশ্রণ (ঝুরঝুরে + পুষ্টিকর):**

- 50% বাগানের মাটি
- 20% বালি (পানি ঝরে যাবে)
- 30% কম্পোস্ট/গোবরের সার
- সামান্য চুন (pH ঠিক রাখতে)
- হাড়গুঁড়ো বা ফসফেট মিশালে শিকড় শক্ত হবে → ফলন বাড়বে!

⚠️ টবের তলায় অবশ্যই ছিদ্র রাখুন — পানি জমলে গাছ মরে যাবে!

---

🌱 **দ্বিতীয় ধাপ: চারা বা বীজ লাগানো**

✔️ **চারা লাগানো ভালো:** 1-1.5 ফুট উঁচু সুস্থ চারা টবে লাগান।
✔️ **বীজ থেকে চাইলে:** 2-3টি বীজ একসাথে বপন করুন → চারা গজালে সবচেয়ে শক্তিশালীটি রাখুন।
☀️ **রোদের ব্যবস্থা:** প্রতিদিন কমপক্ষে 6-8 ঘণ্টা সরাসরি রোদ লাগতে হবে। ছাদ বা বারান্দা পারফেক্ট!

---

💧 **তৃতীয় ধাপ: যত্ন নিন — গাছ নিজেই ফল দেবে!**

🔹 **পানি:** গরমকালে নিয়মিত পানি দিন — কিন্তু টবে পানি জমতে দেবেন না।
🔹 **সার:** প্রতি মাসে 200-250 গ্রাম জৈব সার দিন। ফুল-ফলের সময় তরল জৈব টনিক দিলে ফলন বেড়ে যাবে!
✂️ **ছাঁটাই (Pruning):**

- গাছ 3-4 ফুট হলে ডগা কেটে দিন → পাশ থেকে নতুন ডাল আসবে → ঝোপালো গাছ = বেশি ফল!
- প্রতি বছর ফল শেষে পুরনো ডাল কেটে ফেলুন → নতুন ডাল আসবে → ফলন দ্বিগুণ!

---

🐞 **চতুর্থ ধাপ: পোকা-টোকা ও ঝুঁকি এড়ানো**

🔸 সজিনা খুব টফ! পোকা-মাকড় কম ধরে।
🔸 মাঝে মাঝে শুঁয়োপোকা দেখা দিলে — নিমপাতার রস বা জৈব কীটনাশক স্প্রে করুন।
🌀 **ঝড়-বাতাসে ডাল ভাঙার ঝুঁকি?** — গাছকে বাঁশ/খুঁটির সাথে বেঁধে রাখুন — নিরাপদ!

---

🍃 **পঞ্চম ধাপ: ফলন আর উপভোগ!**

✔️ চারা লাগানোর 6-8 মাসের মধ্যে ফুল-ফল দেখা যাবে!
✔️ PKM-1, PKM-2 বা খাটো জাত ব্যবহার করলে — প্রায় বারোমাস ফল পাবেন!
✔️ একবার লাগালে 5-8 বছর নিয়মিত ফলন — বিনিয়োগ একবার, লাভ বহুবার!

---

📌 **বোনাস টিপস:**

🔸 বড় টব = বড় গাছ = বেশি ফল!
🔸 ছাঁটাই নিয়মিত করুন — গাছ হবে ঘন, ফল হবে ঢের!
🔸 ছাদে রাখুন — রোদ পাবে ভালো → ফলন হবে দ্বিগুণ!
🔸 বাচ্চাদের সঙ্গে চাষ করুন — প্রকৃতির সঙ্গে পরিচয় + স্বাস্থ্যকর খাবার!



💚 **সজিনা চাষ মানে — স্বাস্থ্য, সম্পদ আর সুখের যোগান!**
🏡 টবেই শুরু করুন আজই — কাল থেকে নয়!

#টবে_সজিনা #বারোমাসি_সবজি #ঘরের_বাগান #সজিনা_চাষ_টিপস #ছাদবাগান #জৈব_চাষ #স্বাস্থ্যকর_জীবন #সজিনা_টিপস #বাড়িতে_চাষ ৃষি

ছবি: সংগৃহীত

Royal Rose 😍🥰😯 #বগুড়া_সদর হোমডেলিভারি ফ্রিবৃক্ষনগরী-Plant valley  #বৃক্ষনগরী_Plantvalley
24/08/2025

Royal Rose 😍🥰😯

#বগুড়া_সদর হোমডেলিভারি ফ্রি

বৃক্ষনগরী-Plant valley #বৃক্ষনগরী_Plantvalley

শুভ রাত্রি টবে  #গোলাপ_চাষ পদ্ধতি ও গোলাপের পরিচর্যাঃগোলাপ মূলত শীতকালীন ফুল। গোলাপ ফুল হলো সৌন্দর্য্য ও লাবন্যের প্রতীক...
16/01/2025

শুভ রাত্রি টবে #গোলাপ_চাষ পদ্ধতি ও গোলাপের পরিচর্যাঃ

গোলাপ মূলত শীতকালীন ফুল। গোলাপ ফুল হলো সৌন্দর্য্য ও লাবন্যের প্রতীক। তবে বর্তমানে এর চাহিদা ও সৌন্দর্য্যের কারণে সারা বছরই গোলাপ চাষ করা হচ্ছে। বর্ণ, গন্ধ ও কমনিয়তায় গোলাপকে ফুলের রানী বলা হয়ে থাকে। পৃথিবীর সব দেশেই কমবেশি সারাবছর গোলাপের চাষ হয়ে থাকে। বাংলাদেশে বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন জেলাতে গোলাপের চাষ করা হচ্ছে। গোলাপের চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় গোলাপ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

জলবায়ু ও মাটিঃ গোলাপ প্রধানত শীত এবং নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডীয় একটি ফুল। বেশি উষ্ণ বা আর্দ্র আবহাওয়ায় গোলাপের গাছ ভালো হয় না। ২০-৩০ ডিগ্রী সে. তাপমাত্রা, ৮৫% আপেক্ষিক আর্দ্রতা এবং ১০০-১২৫ সেমি গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত গোলাপ চাষের জন্য উপযোগী। ৬.০-৬.৫ pH মানযুক্ত সুনিষ্কাশিত এবং উর্বর দোঁআশ মাটি গোলাপ চাষের জন্য উত্তম।

গোলাপের জাতঃ পৃথিবীতে বিভিন্ন জাতের গোলাপ রয়েছে। তার মধ্যে বাংলাদেশে চাষ হয় এমন কিছু জাতসমূহ হলোঃ মিরান্ডি, পাপা মেলান্ড, ডাবল ডিলাইট, তাজমহল, প্যারাডাইস, ব্লু-মুন, মন্টেজুমা, টাটা সেন্টার, সিটি অব বেলফাষ্ট ইত্যাদি।

রোপণ সময়ঃ বাংলাদেশে অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারী মাস পর্যন্ত গোলাপের চারা রোপণের জন্য উপযুক্ত সময়।

গোলাপের বংশবৃদ্ধিঃ গোলাপ গাছ বীজ, কাটিং, গুটি কলম এবং চোখ কলমের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে থাকে। শুধুমাত্র প্রজনন বা ফসল উন্নয়ন কর্মসূচীর ক্ষেত্রে বীজের মাধ্যমে গোলাপের বংশবিস্তার হয়ে থাকে। তবে নতুন গাছ উৎপন্নের প্রধান পদ্ধতি হলো বাডিং বা চোখ কলম, যার মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে ফুলের উৎপাদন করা হয়ে থাকে। যে জাতটির বংশবৃদ্ধি করা হয় তার চোখ অপর একটি সুবিধামতো আদিজোড় বা (rootstock) এর উপর স্থাপন করা হয়ে থাকে। আদিজোড় গাছের সজীবতা, উৎপাদনশীলতা, ফুলের গুনাবলী, ঝোপের স্থায়ীত্ব, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, মাটি ও আবহাওয়ার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও পালন করে থাকে। আদিজোড়ের কাটিংসমূহ (পেন্সিল আকৃতি) গ্রীষ্মের শেষে তৈরি করা হয়ে থাকে এবং নার্সারিতে সারি করে ২৫ -৩০ সেমি দূরত্বে রোপন করা হয়। প্রায় ৬ মাস পর এইসব কাটিংসমূহ বাডিং এর জন্য উপযুক্ত আকৃতির কান্ড তৈরি করে থাকে। গোলাপের ক্ষেত্রে মূলত T-বাডিং করা হয়ে থাকে।

টবে গোলাপের চাষপদ্ধতিঃ

টবের স্থানঃ খোলামেলা ও আলো বাতাসপূর্ণ এমন স্থানে গোলাপের টব রাখতে হবে যেখানে গাছ সকালের সূর্য কিরণসহ ৬-৮ ঘন্টা রোদ পায়। বিকেলের রোদ (বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে) না লাগানোই ভালো, কেননা এতে ফুলের রং ফ্যাকাসে হয়ে যেতে পারে। লক্ষ রাখতে হবে গোলাপ গাছে যাতে চারিদিক হতেই আলো পড়ে। কেননা একদিকে আলো পেলে গাছটি কেবল আলোর দিক দিয়েই বাড়বে। এজন্য টবসহ গাছটি মাঝে মাঝে ঘুরিয়ে নিতে হবে। গ্রীষ্মের প্রখর রোদ থেকে টবের গোলাপ গাছকে রক্ষা করার জন্য পর্যায়ক্রমে রোদ ও ছায়ায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে টব রাখলে গাছ ভালো থাকবে এবং ফুলও বেশি দিন পাওয়া যাবে।

মাটি তৈরিঃ এঁটেল মাটি গোলাপ চাষের জন্য উপযোগী নয়। টবের জন্য সার মাটি এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে মাটি বেশ ফাঁপা থাকে এবং পানি জমে না থাকে। ১ ভাগ দোআঁশ মাটি, ৩ ভাগ গোবর সার বা কম্পোষ্ট, ১ ভাগ পাতা পচা সার, আধা ভাগ বালি (নদীর সাদা বালি হলে ভাল হয়) দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে তাতে এক মুঠো সরিষার খৈল ও এক চামচ চুন মিশিয়ে ১টি ২০ সেমি (৮ ইঞ্চি) টবে ১ মাস রেখে দিতে হবে। এই ১ মাস টবে পানি দিয়ে মাটি উল্টে পাল্টে দিতে হবে। এতে মাটির মিশ্রণ ভালো হবে। অনেকে মাটির মিশ্রণে ব্যবহৃত চা পাতা ব্যবহার করেও ভালো ফল পেয়েছেন। টবে নিচের কয়েক সেমি পরিমাণ অংশে ইট বা মাটির হাড়ি পাতিলের ভাংগা টুকরা এমনভাবে বিছিয়ে দিতে হয় যাতে টবের মাটি এগুলোর উপর থাকে। এতে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের সুবিধা হবে।

টবের আকারঃ টবের আকার নির্ভর করে যে গোলাপের চাষ করা হবে তার জাতের উপর। ছোট জাতের জন্য ২০ সেমি (৮ ইঞ্চি) টব, বড় জাতের জন্য ৩০ সেমি (১২ ইঞ্চি) বা আরো বড় টব ব্যবহার করতে হবে। তবে প্রথম বছর যে আকারের টবে গাছ বসানো হবে পরের বছর বড়- আকারের টবে গাছ স্থানান্তর করলে বড় আকারের বেশি ফুল পাওয়া যাবে।

টবে চারা বসানোর সময়ঃ বছরের যে কোন সময়ই টবে গোলাপের চারা বসানো যায়। তবে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ও জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাস চারা লাগানোর উত্তম সময়। এ সময় চারা লাগালে বেশি দিন ধরে ফুল পাওয়া যাবে। এছাড়াও গাছের পরিচর্যা করতে সুবিধা হবে এবং গাছে রোগ ও পোকার আক্রমণ তুলনামুলকভাবে কম হয়ে থাকে।

টবে চারা বসানোঃ চারাগাছ বা কলমচারা মাটির গোল্লাসহ পলিথিন ব্যাগে অথবা ছোট মাটির টবে কিনতে পাওয়া যায়। চারাটি যদি টবের হয়, তাহলে টব থেকে পুরো মাটিসহ চারাটি এমনভাবে নিতে হবে যাতে ভেংগে না যায় বা শিকড়ের কোন ক্ষতি না হয়। ভেজা মাটির গোল্লাসহ চারা সংগ্রহ করলে তা একটু শুকিয়ে নিতে হবে। চারা বসাবার আগেই গাছের অপ্রয়োজনীয় পুরোনো বা মরা ডাল পালা হালকা ভাবে ছেঁটে দিতে হবে। এরপর চারাটি টবের মাঝখানে সোজা করে বসিয়ে টবের ওপরে কিছু কম্পোষ্ট সার দিয়ে গাছের গোড়ারমাটি হালকা চাপ দিয়ে বসিয়ে দিতে হবে। চারা এমনভাবে বসাতে হবে যাতে কুঁড়ি বের হবার গিট/ পর্ব টি মাটির ওপরেই থাকে।

সেচঃ টবে বসানোর পর অন্তত ২-৩ বার পানি সেচ দিতে হবে। চারা অবস্থায় গাছ যাতে প্রখর রোদ বা বৃষ্টির ঝাপ্টা থেকে রক্ষা পায় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রথম অবস্থায় ৩/৪ ঘণ্টা এবং ধীরে ধীরে বাড়াতে বাড়াতে ৬-৭ ঘণ্টা রোদ পাওয়ার ব্যবস্থা করলে গোলাপের ফলন ভালো হবে। পানি সেচের সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে গাছের গোড়ায় পানি দাঁড়িয়ে না থাকে। কচি পাতা ও কুঁড়ি ছাড়ার সময় পানি বেশি প্রয়োজন হয়ে থাকে। এ সময় সকাল সন্ধ্যা সেচ দেওয়া উচিত। ঝাঁঝরি দিয়ে ডালপালাসহ সমস্ত গাছটিই পানি দিয়ে ভিজিয়ে দিতে হবে।

সার প্রয়োগঃ টব বসাবার ১ মাস পর থেকে ১৫-৩০ দিন অন্তর অন্তর সার দিতে হবে। শীতের ঠিক পরেই অর্থাৎ মার্চের শেষে বা এপ্রিলের প্রথম দিকে টবের উপরের ৮/১০ সেমি মাটির স্তর তুলে দিয়ে খালি জায়গায় পচা গোবর সার ও নতুন ফাঁপা মাটি দিয়ে ভরে দিতে হবে। এর পর খড় বা পাতা দিয়ে ঢেকে গ্রীষ্মের প্রখর রোদ থেকে গাছের শিকড়কে রক্ষা করতে হবে। শীতকালে গাছ ছাটার পর, প্রতি টবে ৩ মুঠা গুঁড়া গোবর সার ও ১ মুঠা স্টিমড হাড়ের গুঁড়া বা স্টেরামিল প্রয়োগ করিতে হইবে। পরবর্তীতে পুরো শীতকালে ১ মাস পর পর ১ মুঠা করে স্টিমড্ বোন মিল বা স্টেরামিল প্রয়োগ করতে হবে।

গোলাপ গাছে বেশি ফুল উৎপাদনের জন্য পাতার সার ও ফলিয়ার স্প্রের জনপ্রিয়। কয়েকটি রাসায়নিক সার মিশিয়ে এই সার প্রস্তুত করতে হয়। শীতকালে সকাল ৮টার মধ্যে ফলিয়ার স্প্রে করতে হয়। দুই প্রকারের পাতা সার গাছে ব্যবহার করা হয়, ১টি গাছের স্বাস্থ্য ও ফুল ভাল করার জন্য অপরটি ট্রেস এলিমেন্টের জোগান দেয়ার জন্য, যেমন- ইউরিয়া, ডাই-অ্যামোনিয়াম সালফেট ও ডাই-পটাশিয়াম ফসফেট প্রতিটি ১০ গ্রাম করে ১০ লিটার পানিতে গুলে স্প্রে দ্রবণ তৈরি করতে হবে। ট্রেস এলিমেন্টের জন্য ম্যাগনেশিয়াম সালফেট ২০ গ্রাম, ম্যাঙ্গানিজ সালফেট ১৫ গ্রাম, ফেরাস সালফেট ১০ গ্রাম, বোরাক্স ৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে প্রতি লিটার পানিতে উল্লেখিত মিশ্রণটির ২ গ্রাম করে গুলিয়ে স্প্রে করতে হবে। দুইটি পাতা সারের সাথেই কীটনাশক বা বালাইনাশক মিশিয়ে স্প্রে করা যায় কিন্তু দুটি সার এক সাথে মিশিয়ে স্প্রে করা যাবে না।

পাতার সার টবের গোলাপের জন্য অপরিহার্য এবং জমির গোলাপের জন্য উপকারী। পাতার দু’দিকেই ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে। রাসায়নিক তরল সারের পরিবর্তে গোবর ও সরিষার খৈল ৪/৫ দিন পানিতে পচিয়ে তরল করে সপ্তাহে ২ দিন করে ব্যবহার করা যাবে। গাছের নতুন ডাল-পালা বাড়াতে ও ফুলের আকার বড় করতে এ ধরনের তরল সার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তরল সারের অভাবে ছোট মাছপঁচা পানি গাছের গোড়ায় দেওয়া যাবে। দুর্বল গাছে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম করে ইউরিয়া মিশিয়ে সকাল বিকাল পাতায় স্প্রে করলে গাছ তাজা থাকে।

চুন-পানি প্রয়োগঃ প্রতি লিটার পানিতে ১ চামচ গুড়ো চুন পরিস্কার পানিতে ভালোভাবে গুলে পাতলা ন্যাকড়ায় ছেঁকে প্রতি ৩ মাস পর পর দিতে হয়। চুন-পানি দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে অন্য কোন সার না দিয়ে শুধু পানি দিতে হবে।

গাছ ছাঁটাইঃ মৃত ও রোগআক্রান্ত ডাল অপসারনের জন্য, গাছের উপযুক্ত আকৃতি প্রদানের জন্য, প্রতিটি ডালে ফুল আসার জন্য এবং প্রয়োজনীয় রোদ্র পাওয়ার জন্য নিয়মিত গাছ ছাটাই করতে হয়। গোলাপ হলো প্রচুর শাখা বিস্তারকারী গুল্ম জাতীয় গাছ। গাছের ফুল দেওয়া শেষ হলেই গাছ ছেঁটে দিতে হবে। নিয়মিত গাছ ছাঁটাই করলে বেশি ও বড় আকারের ফুল পাওয়া যায়। বর্ষার পর অক্টোবর-নভেম্বর মাস ছাঁটাইয়ের জন্য উপযুক্ত সময়। সাধারণত ২০-২৫ সেমি (৮-১০ ইঞ্চি) বড় রেখে ডাল ছেঁটে দিতে হয়। ডাল এমনভাবে কাটতে হবে যাতে থেঁতলে বা ছিঁড়ে না যায়। এ জন্য ধারালো ছুরি ব্যবহার করতে হয়। সাদা, হলুদ, হালকা হলুদ ও দো-রঙা জাতের গোলাপ গাছ খুব হালকা ছাঁট আর লাল জাতের গোলাপ গাছে শক্ত ছাঁট দিতে হবে।

গাছ ছাঁটাইয়ের পর ডাইব্যাক রোগের আক্রমণ হতে পারে। সুতরাং গাছ ছাঁটাইয়ের আগে ও পরে কীটনাশক ও ছত্রাক নাশক দুটোই প্রয়োগ করতে হবে।

রোগ-পোকা দমনঃ শুঁয়ো পোকা বা অনিষ্টকারী অন্য যে কোন পোকা দেখা মাত্র ধরে মেরে ফেলতে হবে। লাল মাকড়সার আক্রমণ ও ডাইব্যাক রোগই বেশ মারাত্মক। গোলাপ গাছের নানা অংশ কালো হয়ে মরে যাওয়া। এ রোগটিকেই ডাইব্যাক বলে। গাছের রোগাক্রান্ত অংশটি কেটে ফেলে ডাইথেন এম-৪৫ ২ গ্রাম/ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

চারা সংগ্রহঃ চারা সংগ্রহের সময় সুস্থ ও ভালো চারা সংগ্রহ করা উচিত। চারা সংগ্রহের সময় এর গোড়ার মাটির গোল্লাটি অবিকল আছে কিনা তা ভালো করে দেখে নিতে হবে। মাটির গোল্লাসহ চারার গোড়ার শিকড় বেরিয়ে থাকা অবস্থার চারা গাছ না নেওয়াই ভালো। অভিজ্ঞ লোকের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্বস্ত ও পরিচিত নার্সারি থেকে চারা সংগ্রহ করা উত্তম।

(লেখা: সংগৃহীত-Agriculture Learning)
মোঃ মাশরেফুল আলম, উপজেলা কৃষি অফিসার, জামালগঞ্জ



11/01/2025

ড. আফিয়া সিদ্দিকীর মুক্তির দাবিতে পিটিশন করা হয়েছে। ১০ লক্ষ স্বাক্ষরের টার্গেট পূরণ করতে আরও ১ লাখ ৭৫ হাজার স্বাক্ষর দরকার, রবিবারের মধ্যে। পিটিশনের লিংক কমেন্টে। সবাই মিলে চেষ্টা করলে কাজটা খুব একটা কঠিন হবে না ইন শা আল্লাহ। লিংক কমেন্টে:

আমাদের দেশে দাওয়াত দেয়াটা খুবই স্প'র্শ'কা'ত'র একটা ব্যাপার। একটু এদিক-সেদিক হলেই মুহূর্তেই যে-কারও অনুভূতি আ'ঘা'ত প্রাপ্...
22/12/2024

আমাদের দেশে দাওয়াত দেয়াটা খুবই স্প'র্শ'কা'ত'র একটা ব্যাপার। একটু এদিক-সেদিক হলেই মুহূর্তেই যে-কারও অনুভূতি আ'ঘা'ত প্রাপ্ত হতে পারে।

আর এদিকে একটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আপনি থাকবেন মহা টে'ন'শ'নে।

ধরেন, আপনার ভাইয়ের বিয়ে।
পনেরো দিন আগে দাওয়াত দিয়ে পরে আর ফোন দেননি বলে আপনার খালা-খালু আসবে না।

ফুফুরা আসবে না দু'দিন আগে দাওয়াত দিয়েছেন বলে। আপনার বাবা না গিয়ে আপনি গিয়ে দাওয়াত দিয়েছেন বলে মামারা আসবে না।

বাসায় না গিয়ে ফোনে বলেছেন বলে আসবে না আপনার ভগ্নিপতিরা।
ফুল: চন্দ্রমল্লিকা

(পোষ্টটি সংগৃহীত হলেও Believe it or not, ঘটনাটা একেবারেই বাস্তব)

অনলাইন কেনাকাটার বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম বৃক্ষনগরী-Plant valley

অনেক সময় সবজি ক্ষেতে বিশেষ করে টমেটোতে সাপ কামড় দিয়ে থাকে। রাসেল্স ভাইপার সহ কিছু বিষাক্ত সাপ কামড় দিয়ে নিজের বিষ নিঃসরণ...
27/11/2024

অনেক সময় সবজি ক্ষেতে বিশেষ করে টমেটোতে সাপ কামড় দিয়ে থাকে। রাসেল্স ভাইপার সহ কিছু বিষাক্ত সাপ কামড় দিয়ে নিজের বিষ নিঃসরণ করে থাকে এক্ষেত্রে
টমেটো খাওয়ার সময় সাপের কামড়ের বিষ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত:

1. **ভালোভাবে ধোয়া**: টমেটো খাওয়ার আগে ভালোভাবে ধুয়ে নিন। পরিষ্কার পানিতে টমেটো ধুয়ে নিলে বিষাক্ত পদার্থ দূর হতে পারে।

2. **পরীক্ষা করা**: টমেটোতে কোনো ফাং বা কামড়ের চিহ্ন আছে কিনা তা ভালোভাবে পরীক্ষা করুন। যদি কোনো চিহ্ন পান, তাহলে সেই টমেটোটি ফেলে দিন।

3. **কাটা এবং পরিষ্কার করা**: টমেটো কাটার সময় ভিতরের অংশ ভালোভাবে পরীক্ষা করুন। যদি কোনো অস্বাভাবিকতা বা বিষাক্ত পদার্থের চিহ্ন পান, তাহলে সেই অংশটি ফেলে দিন।

4. **সঠিক সংরক্ষণ**: টমেটো সংরক্ষণের সময় সঠিকভাবে ঢেকে রাখুন এবং সাপ প্রবেশ করতে পারে এমন জায়গা থেকে দূরে রাখুন।

5. **সতর্কতা অবলম্বন**: ক্ষেত থেকে টমেটো সংগ্রহ করার সময় সতর্ক থাকুন এবং সাপের উপস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকুন।

এই সাবধানতাগুলো মেনে চললে টমেটো খাওয়ার সময় সাপের বিষ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। সবসময় সতর্ক থাকুন এবং নিরাপদে থাকুন।

গিফট লাগবে নাকি?? ঘরে বসেই গিফট!!! ৫০ জনকে গিফট দেয়া হবে।শর্ত:আপনার ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে যে কয়জনকে পেইজে ইনভাইট করবেন সেইপর...
25/11/2024

গিফট লাগবে নাকি??

ঘরে বসেই গিফট!!!

৫০ জনকে গিফট দেয়া হবে।

শর্ত:

আপনার ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে যে কয়জনকে পেইজে ইনভাইট করবেন সেইপরিমাণ করে বীজ পেয়ে যাবেন।

ইনভাইট করে অবশ্যই ইনবক্সে স্ক্রিনশট দিতে হবে।

এবার আপনি ডিসাইড করুন আপনি কতটি বীজ পেতে চান? 😊

Address

Kalai
Joypurhat
5930

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বৃক্ষনগরী-Plant valley posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to বৃক্ষনগরী-Plant valley:

Share