Leaves & Nature

Leaves & Nature গাছ লাগাই পরিবেশ বাচাই

শুভ সকাল
17/09/2024

শুভ সকাল

02/07/2024

কিভাবে বুঝবেন গাছের রিপটিং করা জরুরি!

রিপটিং কি?
প্রয়োজন অনুসারে গাছকে নতুন পটে স্থানান্তর করা বা লাগানোকে রিপটিং বলে। মূলত গাছের বৃদ্ধির জন্য রিপটিং করা হয়ে থাকে।

রিপটিং কখন করবেন?
গ্রীষ্ম ও বসন্ত কাল রিপটিং এর উত্তম সময়। এই সময় রিপটিং করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। তবে প্রচণ্ড গরমে রিপটিং করা উচিত নয়৷ এছাড়া নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের ক্ষেত্রে সারাবছরই হাউজপ্লান্ট বা ইনডোর প্লান্ট রিপটিং করা যায়।

কিভাবে বুঝবেন রিপটিং প্রয়োজন?
গাছের রিপটিং এর প্রয়োজন হলে কিছু উপসর্গ দেখে সহজে বোঝা যায়। এগুলো হলো:
-গাছের শেকড় পটের নিচ দিয়ে বা ড্রেইনেজ হোল দিয়ে বেরিয়ে আসে।
-গাছে বারবার পানি দেয়ার প্রয়োজন হয় বা পানি দিলেও পানি সহজে বেরিয়ে যায়।
-গাছে পানি দিলেও গাছ আন্ডার ওয়াটারিং ই থাকে। পানি দেয়ার সাথে সাথে মিডিয়া শুকিয়ে যায়।
- মাটি থেকে শেকড় বেশি হয়ে প্লান্ট পট পুরোপুরি হালকা হয়ে যায়, অর্থাৎ প্লান্ট রুট বাউন্ড হয়ে যায়।
-গাছের পাতা হলুদ হয়ে যায় এবং নতুন গ্রোথ হয়না। আর গ্রোথ হলেও পাতার সাইজ ছোট হয়ে যায়।
-পটের তুলনায় গাছ যখন বেশি বড় হয়ে যায়।
-ইনডোর প্লান্টের মাটি কম্প্যাক্ট বা আঁটসাঁট (শক্ত) হয়ে যায়।

রিপটিং কিভাবে করবেন:
প্রথমেই উপযুক্ত পট নিতে হবে। তারপর নির্দিষ্ট পটিং মিক্স এর মাধ্যমে সাবধানতার সাথে গাছ ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে। এক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয়, পঁচা ও মরা শেকড় কেটে ফেলা জরুরি। তারপর পর্যাপ্ত পানি দিয়ে ছায়াযুক্ত স্থানে রেখে দিলেই ১-৪ সপ্তাহের মধ্যে গাছ স্বাভাবিক অবস্থানে ফিরে আসবে।

খেয়াল রাখবেন:
-গাছের রিপটিং তখনই করবেন যখন প্রয়োজন হবে।
-দুর্বল বা অসুস্থ গাছ রিপটিং করবেন না। এতে গাছের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
-প্রচণ্ড গরমে গাছ রিপটিং করা থেকে বিরত থাকুন।

গাছের নিচে বা রাস্তায় পড়ে না থাকলে বা খুব প্রয়োজনীয় ঔষুধী কাজে দরকার না হলে কদম ফুল সহজে ছিঁড়বেন না, কারণ প্রতি কদমফুলে ...
29/06/2024

গাছের নিচে বা রাস্তায় পড়ে না থাকলে বা খুব প্রয়োজনীয় ঔষুধী কাজে দরকার না হলে কদম ফুল সহজে ছিঁড়বেন না, কারণ প্রতি কদমফুলে প্রায় ৮ হাজার বীজ থাকে। যা পাকলে পাখি, বাদুড় ও কাঠবিড়ালির খুব প্রিয় খাবার হয়৷

শ্রাবণ-ভাদ্র মাস থেকে যখন গাছে গাছে ফল কমতে শুরু করে তখন পাখিদের প্রাণীদের খাবারের আকাল শুরু হয়। কদম তখন প্রধান খাবার হয়ে ওঠে পাখি, বাদুড় ও কাঠবিড়ালির জন্য। পাশাপাশি ওরা কদমের বীজ ছড়ানোরও প্রধান বাহন। আবার কদম ফল পরিপক্ক না হলে বীজের অঙ্কুরোদগমও হয় না। কদম তিনবার পুষ্পিত হয় ফলে তাকে ফুটতে দিতে হবে। কদম ফল পরিকক্ক হলে এটা ফেটে যায় এবং এসময় বাতাস অথবা বৃষ্টির পানির মাধ্যমেও বীজের বিস্তার ঘটে।’ ফলে ফুল যদি আগেই ছিঁড়ে ফেলা হয় তাহলে পাখিরা খাদ্য বঞ্চিত হবে। পাখ-পাখালি না খেলে কদম বীজ থেকে নতুন গাছ হবে না। ফলে কদম বাঁচাতে-পাখিদের বাঁচাতে অপ্রয়োজনে কদম ফুল যাতে না ছেঁড়া হয় এ বিষয়ে আরো সতর্কতা ও জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরী।
Cp
(প্রদেয় তথ্য সমর্থিত উৎসসমুহ হতে প্রাপ্ত)

Cp
22/06/2024

Cp

🛑 বটবৃক্ষের বীজ মাটিতে পড়লেই চারা হয় না ।বট,অশত্থ এই ধরনের গাছের ফল পাখিরা খেলে পাখির পাকস্থলীতে কয়েক ঘন্টা থাকার পর( নি...
19/06/2024

🛑 বটবৃক্ষের বীজ মাটিতে পড়লেই চারা হয় না ।
বট,অশত্থ এই ধরনের গাছের ফল পাখিরা খেলে পাখির পাকস্থলীতে কয়েক ঘন্টা থাকার পর( নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ও উৎসেচকের উপস্থিতিতে ) ওই বীজ অঙ্কুরোদগমের উপযোগী হয়। পরে মলের সাথে ওই জারমিনেটেড বীজ বাইরে আসলে তা থেকে চারা বেরোয়। বাইরের স্বাভাবিক পরিবেশে কোন ভাবেই এটা হয় না। তাই পাখি ফল না খেলে এই ধরনের গাছের চারা হওয়া সম্ভব নয়। প্রসঙ্গত এটাও জানা দরকার যে ওই গাছের ফল খায়,টিয়া জাতীয় এমন পাখি যদি পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়,তবে বট,অশত্থ গাছ ও পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।এ ভাবেই আফ্রিকার ডোডো পাখি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ায় ওখানকার একশ্রেণীর গাছও একই নিয়মে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। তাই সকলের কাছে অনুরোধ জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় উদ্যোগী হোন। কারন ছোট ছোট কীট পতঙ্গের উপরেও অনেক বড় জীব প্রজাতি নির্ভরশীল আমরা হয়তো সেটা জানিই না।
©️ অপূর্ব গুহ

cp
28/05/2024

cp

কার বাগান জানিনা কবে যে নিজে এত গুছানো হবে😭😭😭 cp
16/05/2024

কার বাগান জানিনা কবে যে নিজে এত গুছানো হবে😭😭😭
cp

ভিমরুলের মতো এক ধরনের পোকা ঘুরে বেড়ায় ঘরময়। অতি চঞ্চল। দ্রুত আসে, ঘরের এককোণের দেয়ালে কী যেন রেখে আবার পালিয়ে যায়। কিছুক...
15/05/2024

ভিমরুলের মতো এক ধরনের পোকা ঘুরে বেড়ায় ঘরময়। অতি চঞ্চল। দ্রুত আসে, ঘরের এককোণের দেয়ালে কী যেন রেখে আবার পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর আবার ফিরে আসে। কয়েকদিন একটানা খেয়াল রাখলাম। এক তাল কাদার স্তূপ জড়ো হয়েছে দেয়ালের সেই কোণে। খুব ভালো করে তখন পোকাটাকে লক্ষ করলাম। মুখে খুব সামান্য একফোঁটা কাদা। বাইরে থেকে বার বার আনে। সেই কাদাই এক সময় স্তূপে রূপ নেয়। কাদার সেই স্তূপটা হলো ওই ভিমরুলের বাসা।
গ্রামে একে কুমরে পোকা বলে, কাদা দিয়ে বাসা বানায় কী-না! আসলে এটাও একধরনের ভিমরুল। যে সে কাদা কিন্তু ঘর তৈরিতে ব্যবহার করে না। রীতিমতো চারপাশে ভালো করে দেখে উপযুক্ত কাদা খুঁজে বের করে। তারপর কাদার সঙ্গে নিজেদের লালা মিশিয়ে আঠালো করে বাসা তৈরি করে।
কাদার সেই স্তূপের ভেতরটা ফাঁপা। বাইরের দেয়ালগুলো যতটা এবড়ো-খেবড়ো, ভেতরটা ঠিক ততটাই মসৃণ। বাইরে থেকে দেখলে পোকাদের সেই ঘরের মুখ খুঁজে পাওয়া যায় না।
তাহলে পোকা ভেতরে ঢোকে কী করে? শ্বাসই বা নেয় কীভাবে?
তখন জানতাম না, বড় হয়ে জেনেছিলাম। এ ঘর পোকা নিজের জন্য বানায় না। বানায় তার সন্তান-সন্তানাদির জন্য।
ঘরের ভেতরটা যেমন মসৃণ, ঠিক ততটাই ঠাণ্ডা। দরজা না থেকেও ঠান্ডা।
কীভাবে?
কাদার সেই ঘর তৈরির সময় দেওয়ালে অসংখ্য ছিদ্র রাখে মা ভিমরুল। খালি চোখে সেই ছিদ্র আমাদের চোখে পড়ে না। সে সব ছিদ্র দিয়ে প্রচুর বাতাস ঢোকে। ভেতরের পরিবেশ রাখে ঠান্ডা। এর ফলে ভেতরে অক্সিজেনেরও অভাব হয় না।
বাসা তৈরি হয়ে গেলে এরা শুঁয়োপোাকা, মাকড়াশা জাতীয় পোকার খোঁজে বেরিয়ে যায়। কাউকে সুযোগ মতো পেলেই তার পিঠে ফুটিয়ে দেয় হুল, দক্ষ শিকারির মতো করে।
বোলতার হুলে বিষাক্ত পদার্থ থাকে। বিষ আক্রান্ত পোকাদের অবশ করে দেয়। প্যারালাইজড রোগীদের মতো করে। বেঁচে থাকে, কিন্তু নট নড়ন-চড়ন।
অবশ সেই পোকাদের ঘরের ভেতর সাজিয়ে রাখে সুন্দর করে। তারপর বাসার ভেতর ডিম পাড়ে মা কুমরে পোকা। সবশেষে মা পোকা বেরিয়ে এসে ঘরের মুখ বন্ধ করে দেয়।
কয়েক দিন বাদে ডিম ফুটে ছানা বেরোয়। ততোদিনে অবশ্য বাসা শুকিয়ে সম্পূর্ণ শক্ত হয়ে গেছে।
মা আশপাশে নেই। অথচ খাওয়ার, আরাম-আয়েশের জন্য কোনো চিন্তাই করতে হয় না ছানাদের। অবশ ও আস্ত কিছু জীবীত পোকা রয়েছে খাবার হিসেবে।
খাবারের সেই ভাণ্ডার শেষ হতে না হতেই ছানারা বড় হয়ে যায়। নিজেরাই তখন ঘরের দেয়াল ছিদ্র করে বেরিয়ে আসে। কিন্তু যে মা অত পরিশ্রম করল, তার দেখা ছানারা কখোনই পায় না। ততক্ষণে মা বেচারি হয়তো কোনো পোকাশিকারি পাখি কিংবা গিরগিটির পেটে চলে গেছে।
আর যদি বেঁচেও থাকে, নিজের সন্তানদের দেখলে সে-ও যেমন চিনবে না, সনন্তানেরাও মাকে চিনবে না। অথচ মা তাদের জন্য জীবনের শেষ পর্যায়ে কতটা কষ্ট করেছে! মায়েরো আসলে এমনই! জাতপাত, এমনকী প্রাণীভেদেও মায়ের রূপ বদলায় না।
*ছবি: চ্যাটজিপিটি
#মাতৃস্নেহ
#কীটপতঙ্গের_আজব_দুনিয়া

Cp

ডাবল পেটাল মধুমঞ্জুরী গিফট Shyamal Singha মামা
21/04/2024

ডাবল পেটাল মধুমঞ্জুরী গিফট Shyamal Singha মামা

Address

Alamdanga, Chuadanga
Khulna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Leaves & Nature posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category