12/10/2024
এটি একটি ম্রা খাওয়ার গল্প।
সাপ্তাহিক ছুটির দিন টা সারাদিন রেস্ট করতে করতেই কাটালাম।
মাঝখানে প্ল্যান করলাম অনেকদিন ধরে দেখা না হওয়া বন্ধুর দেখা করা যায়।
সন্ধ্যার দিকে রেডি হয়ে বের হলাম।
প্ল্যান ছিলো ফুড কোর্টে বসা যায়, কারন সেখানে আমরা রিজনেবল প্রাইসে খাবার আর গিলটি ফিল ছাড়াই অনেক্ষন বসে আড্ডা দেয়া যাবে।কিন্তু গরমের চোটে ভাব্লাম এসি তে বসি।
তো গেলাম মিরপুর ১২ নম্বরের গ্লাস বিল্ডিং এর রেস্টুরেন্টে।
খানাস কিচেনে ঢুকলাম, সিট ও পেলাম...।কিন্তু এত্ত বেশি চেচামেচি আর ভীর আর খাবারের সিরিয়াল। পরে বের হয়ে আস্লাম...।।ঐ বিল্ডিং এই অনেক রেস্টুরেন্ট ...।তাই অন্য কয়েকটা রেস্টুরেন্টে দেখলাম , সেম ভীর।।সবাই ই আমাদের মত বের হয়েছে...
এবার আমাদের গল্পের হিরো এন্ট্রি করে। একটা ফাকা আর এস্থেটিক রেস্টুরেন্ট...।এসি ও আছে.. ...ভীর ও তেমন নাই.........।।তেমন কাস্টমার ও নেই...তাই ভাবলাম এই তো আমাদের আকাংখিত রেস্টুরেন্ট...
অন্য ভীর ওয়ালা রেস্টুরেন্টে খাওা মজা হবে , এখানে হয়তো হবে না...বাট মজা করে আড্ডা তো দিতে পারবো...।
অর্ডার দিলাম মোমোর স্যুপ আর রামেন।
একটা জাপানিস, আরেকটা কোরিয়ান ফুড...।জীবনেও যখন খাই নাই আজকে একটু খেয়েই দেখি কেমন লাগে।
প্রথমে মোমোর স্যুপ...স্যুপ বলতে গরম পানিতে হয়তো সয়াসস, তেল, মোমো, একটা মাশ্রুম দিসে...।কেমন যেন টেস্ট...।তবে জাস্ট মমো টা ভালো ছিলো ...।কিন্তু প্রাইস অনুসারে ভালো না...
[ প্রাইস বললে আব্বু আম্মু বকা দিবে ]
আশা , রামেন টা ভালো হবে। সেই আশায় থাকতে থাকতে রামেন আসলো>>>
শক্ত সামর্থ্য মানুষ বলে হয়তো বমি টা করে ফেলি নাই...
চিংড়ি মাছের ঘিলু, চিংড়ি মাছ, মাশরুম, লেমন গ্রাস , আর কি কি সস, তেল ইত্যাদির স্মেল মিলে কি বিছরি টেস্ট । এখনো ঘ্রান আসলে এমন শরীর ঝাকি দিতাসে।
যখন বন্ধু ট্রাই করতাসিলো...দোয়া করতাসিলাম যেন ওর একটু হইলেও ভালো লাগে...।অন্তত টাকা উশুল হোক...।বাট ওর ও বিধি বাম...
টাকার মায়ায় আস্তে আস্তে জোর করতে করতে খাইসি ভাই...।আর শপথ করসি...।নতুন খাবার ট্রাই করার নামে এমন মারা আর খাবো না...।।এই শিক্ষাটার দাম হিসাবে দিয়ে দিলাম ওইটাকা।
দুইজন শেয়ার করে বিল দিসি বলে কষ্ট টাও ভাগ হয়ে গেছে...
আপনাদের ও শিক্ষা টা দেই, নতুন কিছু ট্রাই করার আগে ভেবে চিনতে করবেন যে এইটা যে ভালোই হবে এমন টা ভাবার কারন নাই...।