WE CAN Enterprise

WE CAN Enterprise Building and Restoration, Quality Service We Trust.

যাবতীয় নির্মাণ সামগ্রী বিক্রয়ের একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

এখানে রড, সিমেন্ট, ইট, বালু, টাইলস ও অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী খুচরা বিক্রয় করা হয়।

Construction Materials Like Rod, Cement, Brick, Sand, Tiles & Others Are Available Here.

Life is better............
04/02/2022

Life is better............

++++ সিঁড়ি নিয়ে প্রশ্ন++++ভবনের এক তলা থেকে অন্য তলায় নিরাপদে ও অনায়সে যাতায়াতের জন্য কতগুলো ধাপের সাহায্যে যে পথ নির্মা...
29/10/2019

++++ সিঁড়ি নিয়ে প্রশ্ন++++
ভবনের এক তলা থেকে অন্য তলায় নিরাপদে ও অনায়সে যাতায়াতের জন্য কতগুলো ধাপের সাহায্যে যে পথ নির্মাণ করা হয় তাকে সিঁড়ি বা স্টেয়ার বলে।...
2.একটি উত্তম সিঁড়ির কি কি বৈশিষ্ট্য থাকা প্রয়োজন?
উ: একটি উত্তম সিঁড়ির নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক-
১। অবস্থান
২। সিঁড়ির প্রস্থ
৩। ফ্লাইটের দৈর্ঘ্য
৪। সিঁড়ির ঢাল
৫। হেড রুম
৬। নির্মাণ সামগ্রী
৭। ব্যালাস্ট্রেড ও হ্যান্ড রেইল
৮। স্টেপ আকার
৯। ল্যান্ডিং..
3.ট্রেড এবং রাইজার সংখ্যা নির্ণয়ে পদ্ধতি গুলো কি?
উ: ১.রাইজারের সংখ্যা =প্রতি ফ্লাইটের উচ্চতা/রাইজারের উচ্চতা
২.ট্রেডের সংখ্যা=প্রতি ফ্লাইটের রাইজারের সংখ্যা-১...
4.১টি ফ্লাইটে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন কতটি ধাপ থাকা উচিত?
উ: প্রতি ফ্লাইটে ধাপের সংখ্যা ১০ থেকে ১২ টি তবে সর্বোচ্চ ১৫ টি এবং সর্বনিম্ন ৩ টির কম হবে না।..
5. সিঁড়ির অবস্থান কোথায় হওয়া উচিত?
উ: আবাসিক দালানের ক্ষেত্রে সিঁড়ির অবস্থান কেন্দ্রস্থলে এবং পাবলিক বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে সিঁড়ির অবস্থান রাস্তার দিকে হওয়া উচিত।..
6.সিঁড়ির বিভিন্ন অংশগুলোর নাম লিখ।
উ:বিভিন্ন অংশের নাম গুলো হল-
১.স্টেপ বা ধাপ
২.ট্রেড
৩.রাইজার
৪.ফ্লাইট
৫.নোজিং
৬.ল্যান্ডিং
৭.সফিট
৮. ঢাল
৯.হ্যান্ড রেইল
১০.হেড রুম ইত্যাদি।..
7.ট্রেড ও রাইজার কাকে বলে?সিঁড়ির ট্রেড ও রাইজার সাধারণত কত ধরা হয়?
উ:সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামা করার সময় সিঁড়ির যে সমতলে পা রেখে ওঠানামা করা হয় তাকে ট্রেড বলে।
ধাপের লম্ব অংশ এবং যা ট্রেড কে সাপোর্ট প্রদান করে তাকে রাইজার বলে।
ট্রেড ১০" এবং রাইজার ৬"।..
8.সিড়ির দৈর্ঘ্য= ১৫'-৬",প্রস্থ = ৮'-০",সিড়ির মেন রড ১২ মিমি ৪ C/C,সিড়ির এক্সটা টপ ১২ মিমি ৪" C/C,সিড়ির এক্সটা টপ দৈর্ঘ্য = ল্যান্ডি+L/4,সিড়ির বাইন্ডার ৮" C/C,সিড়ির ওয়েষ্ট স্ল্যাবে পুরুত্ব = ৬",সিড়ির ট্রেড ১০",সিড়ির রাইজার ৬",সিড়ির মাঝের ল্যান্ডিং এর নীচে টি বীম আছে সাইজ ১০"x১৮" উপরে ছাদের বীম সিড়ির ভিতরে আসবে না।বীমের রড ৬-২০ মিমি,বীমের রিং ১০ মিমি,বীমের রিং ৬" C/C,বীমের এল বা মাটাম ৬"।.....সিড়ির দৈর্ঘ্য = (৪'-০''+৯ টা ট্রেড+৪'-০")
= (৪'-০"+৯x১০"+৪'-০")
= ১৫'-৬''
প্রস্থ= (৩'-১০"+৪"+৩'-১০")
= ৮'-০"...
সিড়ি ওয়েষ্ট স্ল্যাবের দৈর্ঘ্য
পিথাগোরাসের সুত্র মতে
= রুট অভার (৪'-৬")^২+(৮'-৪")^২
= ৯'-৬''
এখনে উচ্চতা ৪'-৬"
ভূমি = ১০x০'-১০"
= ৮'-৪"
ঢালায়
বীম = ৮'-০"x০'-১০"x১'-০"= ৬.৬৪
ল্যান্ডিং = ৮'-০"x৪'-০"x০'-৬"x২ = ৩২.০০
ওয়েষ্ট স্ল্যাব
= ৯'-৬''x৩'-১০"x০'-৬"x২ = ৩৬.৩৯
ধাপ = ১/২"x০'-৬'x০'-১০"x৩'-১০"x১৮
= ১৫.১০
মোট = ৯০.১৩ ঘনফুট...
মালামাল
শুকনা " = ৯০.১৩x১.৫
= ১৩৫.২০ ঘনফুট
অনুপাত ১:২:৪
অনুপাতের যোগফল = (১+২+৪)= ৭
মালামাল
সিমেন্ট = ( ১৩৫.২০x১÷৭)÷১.২৫
= ১৫.৪৫ ব্যাগ
[যেহেতু ১ ব্যাগ সিমেন্ট = ১.২৫ ঘনফুট]
বালি = ১৩৫.২০x২÷৭ = ৩৮.৬৩ ঘনফট
খোয়া= ১৩৫.২০ x৪÷৭ = ৭৭.২৬ ঘনফুট.
মেন রডের দৈর্ঘ্য
= [(৪'-০"+৯'-৬"+৪'-০")-{(৩/৪"x২)÷১২}]
= ১৭'-৬"
বাইন্ডার রডের দৈর্ঘ্য
= [৩'-১০"-{(৩/৪"x২)÷১২}]
= ৩'-৯"
এক্সটা টপ দৈর্ঘ্য
= -৩/৪"+৪'-০"+(৯'-৬"÷৪)
= ৫'-১৭"
ল্যান্ডিং বাইন্ডার দৈর্ঘ্য
= ৮'-০"-(৩/৪"x২÷১২)
= ৭'-১১"
বীমের মেন রডের দৈর্ঘ্য
= (৮'-০")-(১.৫"x২)+(৬"x২)
= ৮'-৯"
রিং রডের দৈর্ঘ্য
= {(১০-১.৫x২)+(১৮-১.৫x২)}x২+(৩x২)
= ৪'-২"
মেন রডের পরিমান
= {(৩'-১০"x১২-৩/৪"x২)÷৪}+১
= ১২.১৩ টি
~ ১৩ টি
মোট = ১৩x২= ২৬ টি
এক্সটা টপ = ১৩x৪= ৫২ টি
ল্যান্ডিং বাইন্ডার পরিমান
= [{৪'-০"x১২-(৩/৪"x২)}÷৮]+১
= ৬.৮১
~ ৭ টি
মোট ৭x২= ১৪ টি
ল্যান্ডিং এ ডাবল জালি এখানে ৮" করে হিসাব করে
বাইন্ডার পরিমান
= (৯'-৬"x১২÷৮)-১
= ১৩.২৫
~ ১৪ টি
মোট ১৪x২=২৮ টি
মোট রিং এর পরিমান
= [{(৮'-০")-(১.৫"x২)}÷৬"]+১
= ১৬.৫০
~ ১৭ টি
রডের পরিমান
মেন রড
১২মিমি = ১৭'-৫"x২৬x০.২৭ = ১২২.২৯
এক্সটা টপ
১২ মিমি = ৬'-১"x৫২x০.২৭= ৮৫.৩৬
ল্যান্ডিং বাইন্ডার
১২ মিমি = ৭'-১১"x১৪x০.২৭= ২৯.৯৪
বাইন্ডার
১০ মিমি = ৩'-৯"x২৮x০.১৯ = ১৯.৯৫
বীম মেন রড
২০ মিমি = ৮'-৯"x৬x০.৭৫= ৩৯.৩৮
বীমের রিং
১০ মিমি = ৪'-২"x১৭x০.১৯ = ১৩.৪৭
মোট রডের পরিমান = ৩১০.৩৯ কেজি....
মোট সাটারিং
বীম সাইড
৮'-০"x১'-০"x২= ১৬.০০
ল্যান্ডিং তলা
৪'-০"x৮'-০"x২= ৬৪.০০
ল্যান্ডিং সাইড
= {(৪'-০"+৮'-০"+৪'-০")x০'-৬"}x২= ১৬.০০
ওয়েষ্ট স্ল্যাব তলা
= ৯'-৬"x৩'-১০"x২= ৭২.৭৭
ওয়েষ্ট স্ল্যাব সাইট
= ৯'-৬"x১'-০"x৪= ৩৮.০০
ধাপ
= ৩'-১০"x০'-৬"x১০x= ৩৮.৩০
= ২৪৫.০৭ বর্গফুট...
9.ACI কোড অনুযায়ী ট্রেড ও রাইজারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন মান কত?
উ: আবাসিক দালানের সিঁড়ির রাইজারের পরিমান ১৫ সে.মি থেকে ১৮ সে.মি এবং ট্রেডের পরিমান ২৩ সে.মি থেকে ২৭ সে.মি রাখা হয়।
পাবলিক বিল্ডিং এ রাইজার ১৪ থেকে ১৫ সে.মি এবং ট্রেড ২৫ থেকে ৩০ সে.মি রাখা হয়।...
10.আবাসিক দালানের জন্য সিঁড়ির ফ্লাইটের প্রস্থ ও হেডরুম এর ন্যুনতম পরিমাপ কত হওয়া উচিত?
উ: প্রস্থ ৯০ সে. মি বা ৩ ফুট এবং হেডরুম ২.১০ মি বা ৭ ফুট হওয়া উচিত।...
11.বিভিন্ন প্রকার সিঁড়ির নাম লিখ।
উ: ১.একমুখী সিঁড়ি
২.ডগ-লেগড সিঁড়ি
৩.ওপেন নিউয়েল সিঁড়ি
৪.জিওমেট্রিক্যাল সিঁড়ি
৫.বৃত্তাকার সিঁড়ি
৬.বাইফারকেটেড সিঁড়ি...
12.র্যাম্প কাকে বলে? লিফট কোর কাকে বলে?
উ: দালানের বিভিন্ন তলায় গমনাগমনের জন্য ধাপবিহীন যে সিঁড়ি ব্যবহার করা হয় তাকে র্যাম্প বলে।
বহুতল ভবনে যে কক্ষে লিফট স্থাপন করা হয় তাকে লিফট কোর বলে।..
13. সিঁড়িরর ঢাল কি?ঢালের পরিমান কত?
উ: ল্যান্ডিং বা মেঝের সাথে লাইন অব নোজিং যে কোণ করে থাকে তাকে সিঁড়ির ঢাল বলে।
ঢাল ৩০° থেকে ৪০° এর মধ্যে হয়ে থাকে।....
14.বসতবাড়িতে কোন প্রকার সিঁড়ি ব্যবহার হয়ে থাকে?
উ:বসতবাড়িতে Dog-legged সিঁড়ি বেশি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।..
15.দালানের সিঁড়ির অবস্থান কেমন হওয়া উচিত?
উ: সিঁড়ির অবস্থান নিম্নরুপ-
ক.ভবনের আবাসিকবৃন্দ স্বাচ্ছন্দে প্রবেশ এবং বের হতে পারে।
খ.সিঁড়িতে পর্যাপ্ত পরিমান আলো বাতাস পাওয়া যাবে
গ.সিঁড়ির প্রবেশ পথে সুবিধা জনক বিস্তৃত এলাকা পাওয়া যাবে।
ঘ. সিঁড়ির অবাস্থান রাস্তার দিকে হওয়া উচিত,যেন সহজেই লোকজন রাস্তা হতে বিভিন্ন তলায় যেতে পারে।...
16.আদর্শ সিঁড়িরর ট্রেড ও রাইজারের সম্পর্ক লেখ।
উ:
১.ট্রেড+রাইজার=৪০ থেকে ৪৫ সে.মি বা ১৬" থেকে ১৮ "
২.ট্রেড ×রাইজার=৪০০ থেকে ৪৫০ ব:সে.মি
৩.ট্রেড+২ ×রাইজার=৬০ সে.মি বা ২ ফুট।...
17.সিঁড়ির স্ল্যাবে টপ ও বটমে ক্লিয়ার কভার কত?
উ: ১ ইঞ্চি।...
18. সিঁড়ির ধাপের ওজন নির্ণেয় সূত্রটি কী?
উ: W= 12R kg/m². R এখানে রাইজার এবংW ওজন।...
19.সিঁড়ি নির্মানের জন্য উত্তম মালামাল কোনটি?
উ: সবচেয়ে উত্তম মালামাল হল কংক্রিট। কারণ এই জাতীয় মালামালে অগ্নি নিরোধক ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি এবং যে কোন আকারে দেওয়া যায়।...
20.ল্যান্ডিং কি? ল্যান্ডিং কী কাজে ব্যবহার করা হয়?
উ:দুটি ফ্লাইটের মধ্যবর্তী স্থানে চওড়া যে প্লাটফর্ম নির্মান করা হয় তাকে ল্যান্ডিং বলে।
সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করার সময় দিক পরিবর্তন এবং মধ্যবর্তী স্থানে সামান্য বিশ্রামের জন্য ল্যান্ডিং ব্যবহার করা হয়।

 #রুমের সর্বনিম্ন মাপ এবং অবস্থান । #বেড রুম : নয় ফিট বাই দশ ফিটঅবস্থান : যেদিকে সর্বোচ্চ ন্যাচারাল গিফট পাওয়া যাবে । ...
26/10/2019

#রুমের সর্বনিম্ন মাপ এবং অবস্থান ।

#বেড রুম : নয় ফিট বাই দশ ফিট
অবস্থান : যেদিকে সর্বোচ্চ ন্যাচারাল গিফট পাওয়া যাবে । অর্থাৎ পর্যাপ্ত আলো বাতাস । ব্যালকনি তে বসলে দক্ষিণা বাতাস । তবে সাধারণত একটা বিল্ডিং এর কর্ণার সাইডে বেড রূম দেয়া হয় । এক বেড রুম থেকে আরেক বেড রুমের দূরত্ব বা অবস্থান এমন হবে যেন সম্পূর্ণ প্রাইভেসী বজায় থাকে । অর্থাৎ এক রূমের থেকে অন্য রুমের আভ্যান্তরীন দৃশ্য সহজেই দৃষ্টি গোচর হবে না ।

#গেষ্ট রুম : আট ফিট বাই নয় ফিট
অবস্থান : সিঁড়ির কাছাকাছি ।

#ডায়নিং : আট ফিট বাই দশ ফিট
অবস্থান :রান্না ঘরের পাশে হলে ভাল হয় ।

#বাথরুম +টয়লেট : ছয় ফিট বাই চার ফিট ।
অবস্থান : কমন বাথরুম হলে সবাই যাতে সহজেই ব্যাবহার করতে পারে এমন স্থানে ।
টয়লেটে অবশ্যই এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করবেন । এটা এয়ার ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে টয়লেটের দূর্গন্ধ দূর করার পাশাপাশি আপনার টয়লেট এর ফ্লোর শুকনা রাখবে ।

#টয়লেট : তিন ফিট বাই চার ফিট ।

#কিচেন : আট ফিট বাই সাত ফিট
অবস্থান : কিচেনে রান্নার সময় রান্নার গ্যাস বা ধোয়া যেন অন্য রুমে প্রবেশ না করতে পারে ।
রান্না ঘরের পরিবেশ ফ্রেস রাখার জন্য, কিচেনেও এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করা উচিত ।

#ব্যালকনি : চওড়া তিন ফিটের কম নয় ।

#সিড়ি : আট ফিট চওড়া হলে ভাল হয় অবস্থান : মেইন রাস্তার পাশে অথবা রাস্তা থেকে সর্বনিম্ন দূরত্বে ।

আমাদের আজকের বিষয় হচ্ছে সিমেন্ট। ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভাষায় একে বাইন্ডিং মাটেরিয়ালস বলা হয়। টেকনিক্যাল ভাষায় বলা হয়ে থাকে বাল...
26/08/2019

আমাদের আজকের বিষয় হচ্ছে সিমেন্ট। ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভাষায় একে বাইন্ডিং মাটেরিয়ালস বলা হয়। টেকনিক্যাল ভাষায় বলা হয়ে থাকে বালি এবং কোর্স এগ্রিগ্রেট এর পরে এই উপাদানটি কংক্রিটের ফাকাস্থানগুলো পুরোন করে। মুলত কংক্রিটে অবস্থিত পাথর অথবা খোয়া এবং বালুকে রডের সাথে একত্রে মজবুত ভাবে ধরে রাখার জন্য সিমেন্ট কাজ করে থাকে। আসুন জানি সিমেন্ট সম্পর্কিত কিছু খুটিনাটি বিষয়াদি

সিমেন্ট:-
বস্তার গায়ের লেখা দেখে OPC ও PCC সিমেন্ট চিনার উপায় -

1.ক) OPC = ordinary portland cement
(a) ক্লিংকার ৯৫% - ১০০% ।
(b) জিপসাম ০% - ০৫% ।

2.ক) PCC = portland Composite cement

(a) ক্লিংকার ৬৫% - ৭৯%।
(b) স্লাগ,ফ্লাই এ্যাশ ও লাইম স্টোন ২১% - ৩৫%।
( c) জিপসাম ০% - ০৫% ।

সিমেন্ট বলতে অনেক কিছুই বোঝায় কিন্তু আমরা যেগুলো বাজারে সাধারনত দেখি এবং আমরা ব্যাবহার করি সেটাকে বলা হয় পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট। সাধারনত দুই ধরনের পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট বাংলাদেশে পাওয়া যায়। অর্ডিনারি পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট (OPC) এবং পোর্টল্যান্ড কম্পোজিট সিমেন্ট (PCC) হচ্ছে এর শর্ট ফর্ম।

পোর্টল্যান্ড কম্পোজিট সিমেন্ট (PCC) মুলত ব্যাবহার করা হয় মাটি কন্ডিশন যেখানে সাধারন থাকে এবং যেখানে ক্যামিক্যাল হ্যাযার্ড এর সমস্যা না থাকে অথবা যেখানে খুব দ্রুততার সাথে শক্ত হবার প্রয়োজন হয় না সেখানে PCC ব্যাবহার করা যায়কে। ছোট বিল্ডিং গুলোতে নিশ্চিন্তে PCC ব্যাবহার করা যায়।
এছারা যেখানে কংক্রিট এর ঢালাই এর সময় উৎপন্ন তাপমাত্রা হিসেবে ধরা হয় না সেখানে PCC ব্যাবহার করা যায়। এছারা প্লাস্টার কাজে সবত্র PCC ব্যাবহার করা হয়ে থাকে।

অর্ডিনারি কম্পোজিট সিমেন্ট (OPC) মুলত ব্যাবহার করা হয় হাইরাইজ ভবনগুলোতে। এছারা পাইলিং, পানির নিচে কংক্রিটর এর কাজে, ব্রিজ এর কাজে এটি ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। যখন কোন মাটির সয়েল টেস্ট এর রিপোর্টে মাটিতে সালফার সহ কংক্রিটের জন্য বিভিন্ন ক্ষতিকর ক্যামিক্যাল এর উপস্থিতি পাওয়া যায় তখন এই OPC সিমেন্ট সবচেয়ে কার্যকরি। এই সিমেন্ট খুবই দ্রুত সেট হয় এবং খুব সহবে ক্রাক করে না। এর জন্য ভুমিকম্প সহনিয় ভবন নির্মান করতে গেলে অনেকেই এই সিমেন্ট ব্যাবহার করে থাকেন।

সিমেন্ট কি পরিমানে ব্যাবহার হবে তার পরিমান নির্ভর করে কংক্রিট এর রেশিও এর উপরে। যদি আপনার ভবন কোন ইঞ্জিনিয়ার ডিজাইন করে থাকেন তবে খেয়াল করবেন তিনি ডিজাইনের কংক্রিট এর একটি রেশিও এবং একটি স্ট্রেন্থ উল্লেখ করে দেন। বিভিন্ন অংশের জন্য এই রেশিও এবং সেট্রন্থ বিভিন্ন হয়ে থাকে। এবং সেই স্ট্রেন্থ আনার জন্য ঠিক কেমন রেশিওর ঢালাই লাগবে।
প্রজেক্ট এর রেশিওকে আমরা ধরে নেই যেটি আছে ১:১.৫:৩ হিসেবে। এখনে রেশিওর প্রথম উপাদানটি হচ্ছে সিমেন্ট যেটিকে ১ হিসেবে ধরা হয়েছে। এর পরেই আসে বালি যেদি ১.৫ বা দের ধরা হয়েছে। মুলত এখানে বোঝানো হয়েছে সিমেন্ট যা দেয়া হবে বালি তার দেরগুন দেয়া হবে এবং ৩ বলতে বোঝানো হয়েছে পাথর বা খোয়াকে। অর্থাৎ ঠিক সিমেন্ট এর তিন গুন পাথর বা খোয়া ব্যাবহার করতে হবে। মিস্ত্রিরা এটার হিসবে বের করতে প্রায়ই তাদের মুখস্ত হিসেব করে থাকে। কিন্তু এটা ঠিক নয়।
একটা সিমেন্ট বলতে আপনি যদি এক ব্যাগ সিমেন্ট বুঝে বসেন তবে আপনি বিরাট একটি ভুল করে বসবেন। কারন এটা নির্ধারন হবে মিস্ত্রিরা ঢালাই এর সময় কি পাত্রদিয়ে বালি এবং খোয়া পরিবহন করছে তার উপরে। এক বাগ সিমেন্টকে বহন করতে সেই পাত্রটি যতবার ভরতে হবে সিমেন্ট হিসেব হবে ততটুকুন।
সাধারনত মিস্ত্রিরা যে তাওয়া ব্যবহার করে থাকে সেগুলো ৩ বার লাগে একব্যাগ সিমেন্ট টানতে। আর তাতে মোটামুটি ৫ বার বালি দিতে হয়। আর ৯ বার খোয়া লাগে। তবে অনেকেই ৮ বার ব্যবহার করে থাকেন কারন খোয়ার পরিমান প্রয়োজনের চেয়ে কিছুটা বেশি আসে। এছারা বেতের তৈরি এক ধরনের ওরা ব্যবহার করে মিস্ত্রিরা। এটার কোন নির্দিস্ট সাইজ হয় না। তাই উচিত হচ্ছে ঢালাই এর আগে সিমেন্ট পাত্রে ঢেলে মেপে তার পরেই বাকি গুলোর পরিমান নির্দিস্ট করা।
এবার আসুন সিমেন্ট কেনার আগে আমাদের দেশিয় সিমেন্ট সম্পর্কে জেনে নেই। আমাদের দেশের সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রি অত্যান্ত বৃহৎ। আমরা এখন সিমেন্টে শুধু স্বয়ংসম্পুর্নই না আমরা বিদেশে সিমেন্ট বিপুল পরিমানের এক্সপোর্ট করছি এই মুহুর্তে। কারা এই মুহুর্তে সবচেয়ে ভালো সিমেন্ট প্রোডাকশন করছে এটা বলাটা বেশ শক্ত তবে কিছু কম্পানি বুয়েট টেস্টে তাদের গ্রহনযোগ্যতা প্রমান দিয়েছে
১) হাইডেলবার্গ গ্রুপ ( স্ক্যান এবং রুবি সিমেন্ট):- জার্মান ভিত্তিক কম্পানি যারা বাংলাদেশে ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। বাংলাদেশের অত্যান্ত ভালো কোয়ালিটির সিমেন্ট এই কম্পানিটিই প্রথম প্রোডাকশন করা শুরু করে। এখন পর্যন্ত এরাই বাজারে সবোর্চ্চ কোয়ালিটির সিমেন্ট বাজারে সরবরাহ করা অব্যাহত রেখেছে। বাজারে যেকোন সিমেন্টের চেয়ে এদের দামটা একটু বেশিই থাকে। তাই মানের দিক দিয়েও এরা সম্পুর্ন আপোষহিন থাকে।
২) হোলসিম গ্রুপ ( হোলসিম সিমেন্ট):- সুইৎজারল্যান্ড ভিত্তিক কম্পানি। এরা বাংলাদেশে ২০০০ সালে কার্যক্রম শুরু করে। অসাধারন কোয়ালিটির সিমেন্ট প্রোডাকশন করে থাকে এই কম্পানিটি। হোলসিম কম্পানির সিমেন্টের ব্যাগ এর কোয়ালিটি সবচেয়ে উৎকৃষ্ট। এজন্য দেখবেন কাচা বাজরের দোকনে বাজার টানার জন্য হোলসিম সিমেন্ট এর ব্যাগ বেশি দেখতে পাবেন। কারন এদের ব্যাগ এর কোয়ালিটি খুবই চমৎকার তাই সিমেন্ট অনেক দিন পর্যন্ত ফ্রেশ এবং সুরক্ষিত থাকে।
৩) সেভেন সার্কেল বিডি( সেভেন রিংস সিমেন্ট):- এটি চাইনিজ কম্পানি শুন শিন গ্রুপ এর একটি প্রতিষ্ঠান। চায়না মাল বলে যারা মুখ বাকান তারা এই কম্পানির সিমেন্টর এর উপর পূর্ন আস্থা রাখতে পারেন। কারন তার বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রজেক্ট পদ্মার সেতুর প্রধান সিমেন্ট সাপ্লায়ার। এছারা এই কম্পানি বর্তমানে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পরিমান সিমেন্ট উৎপাদন করে থাকে। তাছারা কোয়ালিটি অনুসারে এই সিমেন্টের দামও অনেকটা সাশ্রয়ি।
৪) এম আই সিমেন্ট লি:( ক্রাউন সিমেন্ট):- সম্পুর্ন দেশিয় কম্পানি কিন্তু মানের দিকে থেকে বিদেশিগুলোর থেকে মোটেই কম না। এরা বাংলাদেশের সিমেন্ট যারা বিদেশে প্রচুর পরিমানে এক্সপোর্ট করে থাকে। কোয়ালিটি ভালো থাকার কারনেই এটা সম্ভবপর হয়েছে। এছারা সিমেন্টর এর বাই প্রোডাক্ট যেমন রেডিমিক্স সহ বিভিন্ন সার্ভিস এরা দিয়ে থাকে। সিমেন্ট সংক্রান্ত এত সুন্দর সার্ভিস দেয় এই কম্পানি যা বাংলাদেশে অদ্বিতিয়।
৫) আবুল খায়ের গ্রুপ( শাহ সিমেন্ট):- এটা হয়ত অনেকেই জানেন না যে শাহ সিমেন্ট আবুল খায়ের গ্রুপ এর একটি সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান। আবুল খায়ের বাংলাদেশের অত্যান্ত পুরনো এবং প্রতিষ্ঠিত একটি কম্পানি। তাদের এই সিমেন্ট ব্যান্ডটি বার বার নির্বাচিত সেরা ব্রান্ড হিসেবে পরিচিত। শাহ সিমেন্ট এর কোয়ালিটি অত্যান্ত ভালো এবং এদের সাপ্লাই চেইন সিস্টেম খুবই চমৎকার। দেশের যেকোন স্থানে নিশ্চিন্তে শাহ সিমেন্ট পাওয়া যায়। এছারা এদের রেডিমিক্স এর সর্ভিসটাও ভালো।
এছারাও বাজারে বেশ কিছু সিমেন্ট কম্পানি আছে যাদের সিমেন্ট ব্যাবহার করতে পারেন
৬) প্রিমিয়ার সিমেন্ট
৭) বসুন্ধরা সিমেন্ট
৮) টাইগার সিমেন্ট
৯) ফ্রেস সিমেন্ট
১০) মীর সিমেন্ট
১১) লাফার্জ সিমেন্ট
সিমেন্ট কেনার সময় দুই ভাবে কিনতে পারেন। সরসরি কম্পানির কাছ থেকে অথবা লোকাল ডিলারের কাছ থেকে। এখানে একটা বিষয় নিশ্চিৎ হবেন ডিলার ছারা সিমেন্ট না কেনাটা উত্তম। কারন যারা লোকালি সিমেন্ট বিক্রয় করে তাদের কাছে সবসময় সিমেন্ট এর সরবরাহ থাকে না। যার জন্য তারা সবসময় একই সিমেন্ট ডেলিভারি দিতে পারে না। আপনি যে সিমেন্ট দিয়ে বাড়ির কন্সট্রাকশন শুরু করবেন চেস্টা করুন সেটি দিয়েই সম্পন্ন করার জন্য। বার বার সিমেন্ট পরিবর্তন কংক্রিট এর শক্তিমত্তাতে পরিবর্তন ঘটাতে পারে যা কাংখিত শক্তি অর্জন নাও হতে পারে। এটা বিল্ডিং এর জন্য মোটেই ভালো ব্যাপার না।
সিমেন্ট কখনোই খোলা আকাশের নিচে ফেলে রাখবেন না। মনে রাখবেন সিমেন্ট এর বিভিন্ন ধরনের ক্যামিক্যাল থাকে যা বাতাসে থাকা জলিয়বাস্প এবং পানির সাথে বিক্রিয়া করে। এছারা সরাসরি মাটিতে সিমেন্ট ফেলে রাখবেন না। এতে একেবারে নিচে থাকা বস্তাগুলো মাটিতে থাকা পানি চুষে নিয়ে একেবারে নস্ট হয়ে যাবে। তাই মাটিতে ইট বিছিয়ে হালকা সিসি ঢালাই বা কাঠের পাটাতন করে তার উপরে প্লাস্টিকে পলিথিন বিছিয়ে রাখতে পারেন।
সিমেন্টে কৌতুহল বশত কখনোই হাত ঢুকিয়ে দেবেন না। সিমেন্টে মানুষের জন্য ক্ষতিকারন কিছু রাসায়নিক ব্যাবহার হয়ে থাকে। পুরোনো সিমেন্টে এভাবে হাত ঢুকিয়ে দিলে আপনার হাতে চামরার ক্ষতি হতে পারে। মিস্ত্রিদের দোহাই দিয়ে এই কাজ করবেন না। কারন মিস্ত্রিরা বছরের পর বছর এই কাছাকাছি থাকতে থাকতে অভ্যাস্ত হয়ে গেছে। কিন্তু আপনি হঠাৎ এতে হাত দিয়ে গেলে সমস্যায় পরে যাবেন। এছারা যাদের এজমা বা শ্বাস কস্টের সমস্যা আছে তারা সিমেন্টের আসে পাশে না যাওয়াই উত্তম। কারন সিমেন্টে ফ্লাই এশ নামক একটি দ্রব্য থাকে যা বাতাসে ধুলোর মতন উরে আপনার শ্বাস কস্টের কারন হতে পারে।
পরবর্তি পর্বগুলো আরো ১৩ টি আইটেম থাকছে। তাই আমাদের এই সিরিজের সাথেই থাকুন নিয়মিত এবং জেনে নিন নির্মান জগতের খুটিনাটি সম্পর্কে।
৩) লোকাল বালু
৪) লাল বালু/সিলেট বালু
৫) ইটের খোয়া/পাথর এর বোল্ডার ভাঙ্গা
৬) এক নম্বর ইট
৭) টাইলস
৮) প্লাম্বিং বা স্যানিটারি সম্পর্কিত সকল মালামাল
৯) ইলেকট্রিক সংশ্লিষ্ট মালামাল
১০) জানালার থাই এবং গ্লাস
১১) কাঠের দরজা এবং চৌকাঠ
১২) জানালার গ্রিল
১৩) সকল প্রকারের রঙের মালামাল
১৪) সিড়ি এবং ছাদের সকল প্রকার রেইলিং
১৫) বাথরুমের ফিটিংস এবং ফিক্সার।

ROOF TILE..........
28/03/2019

ROOF TILE..........

একটা বিল্ডিং এর সকল আইটেম মিলে ১০০% কিভাবে ভাগ করা হয়।তার সম্ভাব্য নমুনা।1. Structure = 35%2. Brick work = 6%3. Wood ...
14/03/2019

একটা বিল্ডিং এর সকল আইটেম মিলে ১০০% কিভাবে ভাগ করা হয়। তার সম্ভাব্য নমুনা।

1. Structure = 35%
2. Brick work = 6%
3. Wood work = 5%
4. Metal work = 2%
5. Plambing and Sanitary = 6%
6. Electrical work = 7%
7. Plaster work = 4%
8. General Floor Tiles work = 6%
9. Toilet & Kit wall Tiles work = 3%
10. Aluminium work = 4%
11. EME (Lift, Generator, Substation) = 10%
12. Paint work = 3%
13. Others civil work = 6%
14. Utility connection & Bill = 3%
Total = 100%

STRUCTURE 35%
- Footing & Column Padestal = 20%
- Grade Beam, UGWR top Slab = 5%
- GF Column, Stair etc = 4%
- 1st Floor Slab = 9%
- Typical Floor Column (5x3%) = 15%
- 2nd floor slab to roof slab (5x8) = 40%
- Roof top = 7%
TOTAL = 100% (৩৫% যেভাবে আসবে।)

BRICK WORK 6%
- GF Brick work = 6%
- 1st floor Brick work = 18%
- 2nd floor Brick work = 18%
- 3rd floor Brick work = 18%
- 4th floor Brick work = 18%
- 5th floor Brick work = 18%
-Roof Top Brick work = 4%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

WOOD WORK 5%
- Door frame = 40%
- Main Door Shutter = 15%
- Partex Door Shutter = 35%
- Cat Door & Accessories = 10%
TOTAL = 100% (৫% যেভাবে হবে।)

METAL WORK 2%
- Window grill = 55%
- Verandah Railling = 20%
- Stair Railling = 10%
- Main gate, Gen-Sub, safety grill = 15%
TOTAL = 100% (২% যেভাবে হবে।)

PLAMBING & SANITARY 6%
- uPVC vertical line thru duct = 25%
- GI line work = 30%
- Fixture & Fittings = 40%
- Ground Floor = 5%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

ELECTRICAL - 7%
- Conduiting inside slab = 10%
- Conduiting on wall i/c MK box=15%
- Cabling work = 55%
- Switch-Socket = 20%
TOTAL = 100% (৭% যেভাবে হবে।)

PLASTER 4%
- Ceiling plaster = 20%
- Internal wall plaster = 50%
- Outside plaster/facing bricks = 30%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)

GENERAL FLOOR TILES 6%
- General floor & Verandah = 75%
- Stair, typical lobby & lift wall = 20%
- GF lift lobby, wall, reception = 5%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

TOILET & KIT WALL TILES = 3%
- Bath wall = 60%
- Kitchen wall = 20%
- Bath floor = 9%
- Bath counter top = 4%
- Kitchen floor = 3%
- Kitchen counter top =4%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

ALUMINIUM WORK 4%
- Outer framing-window sliding= 40%
- Glass shutter-window sliding = 30%
- Verandah sliding = 20%
- Toilet high window = 5%
- Comnon area = 5%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)

EME 10%
- Lift = 50%
- Generator = 25%
- Substation = 20%
- PABX, Fire extinguisher etc = 5%
TOTAL = 100% (১০% যেভাবে হবে।)

PAINT WORK = 3%
- Upto putty = 40%
- Internal wall&ceiling 1st coat= 20%
- Internal wall&ceiling 2nd coat= 15%
- Outside paint/ceramic Tites = 25%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

OTHERS CIVIL WORK = 6%
- Boundary wall = 30%
- Line terracing/Roof top paver= 15%
- LOGO, Gardening & others = 4%
- GF BBC = 14%
- GF pavement & footpath dev = 10%
- Lintel, F/slab, drop wall, counter slab = 20%
- Cable tray = 1%
- Sanitary duct cover, ceiling etc= 4%
- Reception desk, letter box = 2%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

UTILITY CONNECTION & BILL = 3%
- DESA/DESCO = 35%
- TITAS = 20
- WASA = 15%
- Utility bills = 30%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

সংগৃহীত ----------
শেয়ার করে সংগ্রহ করুন, ধন্যবাদ।

New idea..... ঃ-)
01/06/2018

New idea..... ঃ-)

12/03/2018

জেনে নিন মনের মতো ছোট্ট সুন্দর বাড়ি তৈরিতে রড সিমেন্ট আর ইটের যাবতীয় হিসাব নিকাশ
১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে।
০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়।
নিচের ছলিং এ প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়।
০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়।সিএফটি অর্থাৎ ঘনফুট।
এসএফটি অর্থাৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে।কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়।
ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।* ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ওজন ১৯২০ কেজি।
* ১ ব্যাগ সিমেন্টে পানি লাগে ২১ লিটার।
* ১০০ এস,এফ,টি প্লাষ্টারে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়। সিলিং প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়।
* প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে = ০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।
* মসলা ছাড়া ১ টি ইটের মাপ = (৯ ১/২”*৪ ১/২”*২ ৩/৪”)
মসলাসহ = (১০”*৫”৩”)10 mm =1 cm
100 cm = 1 m (মিটার)Convert
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
রডের পরিমান নির্ণয় করার পদ্ধতি
10 mm = 0.616 kg/m = 3 suta
12 mm = 0.888 kg/m = 4 suta
16 mm = 1.579 kg/m = 5 suta
20 mm = 2.466 kg/m = 6 suta
22 mm = 2.983 kg/m = 7 suta
25 mm = 3.854 kg/m = 8 suta
রডের ওজন
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭৪৭ কেজি।
উপরে যে কনভার্ট সিস্টেম দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ।আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখুন . . . .
8 mm -7 feet -1 kg
10 mm -5 feet -1 kg
128 mm -7 feet -1 kg
10 mm -5 feet -1 kg
12 mm -3.75 feet – 1 kg
16 mm -2.15feet -1kg
20 mm -1.80feet -1kg
22mm -1.1feet -1kg
রডের মাপ ফিট মেপে kg বের করা হয় ………
এই সুত্রটি মনে রাখুন ( রডের ডায়া^2 / 531,36 ) যেকোনো ডায়া রডের এক ফিটের ওজন বাহির হবে . এখনে অবশ্যই রডের ডায়া মিলি মিটারে উল্লেখ করতে হবে।
খোয়ার হিসাব
* ১ টি ইটে = ০.১১ cft খোয়া হয়।
* ১০০ টি ইটে = ১১ cft খোয়া হয়।
* ১০০০ টি ইটে = ১১১.১১ cft খোয়া হয়।
বালির হিসাব
* ১০৯ ফিট = ১২.২৫cft,
* ১০০ sft ৫” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
*

30/01/2018
Building and restoration's quality services we trust..............
26/01/2018

Building and restoration's quality services we trust..............

Address

Natun Gaon (Opposite Side Of Mosque), General Hospital Road, Munshigonj
Munshiganj
1500

Opening Hours

Monday 08:00 - 19:00
Tuesday 08:00 - 19:00
Wednesday 08:00 - 19:00
Thursday 08:00 - 19:00
Friday 08:00 - 12:00
Saturday 08:00 - 19:00
Sunday 08:00 - 19:00

Telephone

01798885888

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when WE CAN Enterprise posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to WE CAN Enterprise:

Share