Tamanna Nursery

Tamanna Nursery গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান

জি-৯ কলা একটি উচ্চ ফলনশীল এবং জনপ্রিয় জাতের কলা। এর চাষ পদ্ধতি অন্যান্য কলার থেকে কিছুটা ভিন্ন। নিচে জি-৯ কলা চাষের কিছু...
07/04/2025

জি-৯ কলা একটি উচ্চ ফলনশীল এবং জনপ্রিয় জাতের কলা। এর চাষ পদ্ধতি অন্যান্য কলার থেকে কিছুটা ভিন্ন। নিচে জি-৯ কলা চাষের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া হলো:
জি-৯ কলার বৈশিষ্ট্য:
* এই জাতের কলা আকারে বেশ বড় হয়।
* এর ফলন খুব ভালো।
* এটি রোগ প্রতিরোধী জাত।
* একটি গাছে প্রায় ২২০-২৪০টি কলা ধরে।
* প্রতিটি কলার ওজন প্রায় ৩০-৪০ কেজি পর্যন্ত হয়।
চারা নির্বাচন:
* জি-৯ কলার চারা টিস্যু কালচারের মাধ্যমে তৈরি করা হয়।
* রোগমুক্ত এবং সুস্থ চারা নির্বাচন করা জরুরি।
জমি নির্বাচন ও প্রস্তুতি:
* উঁচু এবং মাঝারি জমি জি-৯ কলা চাষের জন্য উপযুক্ত।
* দো-আঁশ মাটি এই কলা চাষের জন্য ভালো।
* জমিতে পর্যাপ্ত আলো ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
* জমি ভালোভাবে চাষ করে আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।
চারা রোপণ পদ্ধতি:
* বছরের যেকোনো সময় জি-৯ কলার চারা রোপণ করা যায়।
* সারি করে নির্দিষ্ট দূরত্বে চারা রোপণ করতে হবে।
* চারা রোপণের পর গোড়ায় মাটি দিয়ে ভালোভাবে চেপে দিতে হবে।
* চারা রোপণের পর হালকা সেচের ব্যবস্থা করতে হবে।
পরিচর্যা:
* নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।
* গাছের গোড়ায় নিয়মিত সেচ দিতে হবে।
* গাছের ভালো বৃদ্ধির জন্য জৈব সার ব্যবহার করা যেতে পারে।
* রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে গাছকে রক্ষা করতে হবে।
* গাছের ডালপালা ছাঁটাই করে সঠিক আকৃতি দিতে হবে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
* জি-৯ কলা গাছ সাধারণত ১১-১৫ মাসের মধ্যে ফল দেওয়া শুরু করে।
* একবার চারা লাগানোর পর ৩-৪ বছর পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়।
* এই কলা চাষে লাভ বেশি।

💰বিস্তারিত জানতে বা চারা নিতে ইনবক্সে আসুন বা যোগাযোগঃ
☎️01602839624 (𝗜𝗠𝗢/𝗪𝗛𝗔𝗧𝗦𝗔𝗣𝗣)

 #প্রশ্ন : লেবু গাছের ফল দ্রুত বড় করতে করণীয় কি?  #উত্তর : লেবু গাছের ফল দ্রুত বড় করতে নিচের কিছু কার্যকর পদ্ধতি অনুসরণ ...
07/04/2025

#প্রশ্ন : লেবু গাছের ফল দ্রুত বড় করতে করণীয় কি?

#উত্তর : লেবু গাছের ফল দ্রুত বড় করতে নিচের কিছু কার্যকর পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন:---

১. সঠিক সারের প্রয়োগ:
👉প্রতি ৩ মাস অন্তর নাইট্রোজেন (N), ফসফরাস (P), পটাশ (K) সমৃদ্ধ সার দিন।

👉প্রতি গাছে ৫০০ গ্রাম ইউরিয়া, ৩০০ গ্রাম টিএসপি, ৩০০ গ্রাম এমওপি সার ব্যবহার করুন (গাছের বয়স অনুযায়ী পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে)।

👉জৈব সার (গোবর, কম্পোস্ট) দিলে ফলের বৃদ্ধি ভালো হয়।

২. সঠিক পানি ও সেচ ব্যবস্থাপনা:
👉ফুল আসার পর থেকে ফল বড় হওয়া পর্যন্ত নিয়মিত পানি দিতে হবে।

👉মাটিতে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য গাছের গোড়ায় মালচিং (খড়, শুকনো পাতা) দিন।

৩. হরমোন স্প্রে করা:(𝖈𝖆𝖏)
👉ফল সেটিং ও বৃদ্ধির জন্য জিব্রেলিক অ্যাসিড (GA3) ২০-৩০ পিপিএম স্প্রে করতে পারেন।

👉২ গ্রাম বোরিক অ্যাসিড প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করলে ফল দ্রুত বড় হয়।

সকলের জন্য শুভ কামনা-- আলামিন জুয়েল।

৪. পোকামাকড় ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ:

👉লেবুর ফলের বৃদ্ধিতে বাঁশফড়িং, সাইট্রাস মিলিবাগ, অ্যাফিড, থ্রিপস ইত্যাদি পোকার আক্রমণ কমাতে নিম তেল বা অনুমোদিত কীটনাশক ব্যবহার করুন।

👉ছত্রাকজনিত রোগ (যেমন অ্যানথ্রাকনোজ) প্রতিরোধে ব্যবস্থাপনামূলক ছত্রাকনাশক স্প্রে করুন।

৫. গাছের সঠিক ছাঁটাই করা:(𝖈𝖆𝖏)
👉বেশি শাখা ও পাতার কারণে গাছের পুষ্টি ভাগ হয়ে যায়, ফলে ফলের বৃদ্ধি ধীর হয়।

👉ফল ধরা মৌসুমের আগে ও পরে অপ্রয়োজনীয় ডালপালা ছেঁটে দিন।

↗️ এই নিয়মগুলো মেনে চললে লেবুর ফল দ্রুত বড় হবে এবং গাছ থেকে ভালো ফলন পাবেন।

সকলের জন্য শুভ কামনা -- চাষা আলামিন জুয়েল।

#লেবু #অর্গানিকফার্মিং

নারিকেল গাছের সার ব্যবস্থাপনা।যেকোন বয়সের নারিকেল গাছের জন্যে দুই কিস্তিতে সার প্রয়োগ করতে হবে। প্রথম কিস্তিতে নিচের উল্...
03/04/2025

নারিকেল গাছের সার ব্যবস্থাপনা।

যেকোন বয়সের নারিকেল গাছের জন্যে দুই কিস্তিতে সার প্রয়োগ করতে হবে। প্রথম কিস্তিতে নিচের উল্লেখিত সারের অর্ধেক পরিমাণ বৈশাখ- জৌষ্ঠ মাসে এবং দ্বিতীয় কিস্তিতে বাকি অর্ধেক সার আশ্বীন মাসে গাছের গোড়া থেকে চতুর্দিকে ১ মিটার বাদ দিয়ে ১.০-২.৫ মিটার দূর পর্যন্ত মাটিতে ২০-৩০ সে.মি গভীরে প্রয়োগ করতে হবে। সার দেয়ার পর মাটি কুপিয়ে দিতে হবে।এ সময় মাটিতে রস কম থাকলে অবশ্যই সেচ দিতে হবে। বেশি শুষ্কতা ও বেশি বৃষ্টিপাতের সময় সার প্রয়োগ করা ঠিক হবেনা।

গাছ লাগানোর পর প্রতিবছর নিম্নলিখিত হারে সার প্রয়োগ করতে হবেঃ

১-৪ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্যে-

পঁচা গোবর/ভার্মি কম্পোস্টঃ ১০ কেজি
ইউরিয়াঃ ২০০ গ্রাম
টিএসপিঃ ১০০ গ্রাম
এমওপিঃ ৪০০ গ্রাম
জিপসামঃ ১০০ গ্রাম
জিংক সালফেটঃ ৪০গ্রাম
বোরিক এসিডঃ ১০ গ্রাম

৫-৭ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্য

পঁচা গোবর/ভার্মি কম্পোস্টঃ ১৫ কেজি
ইউরিয়াঃ ৪০০গ্রাম
টিএসপিঃ ২০০গ্রাম
এমওপিঃ ৮০০গ্রাম
জিপসামঃ ২০০গ্রাম
জিংক সালফেটঃ ৬০গ্রাম
বোরিক এসিডঃ ১৫ গ্রাম

৮-১০ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্যে-

পঁচা গোবর/ভার্মি কম্পোস্টঃ ২০ কেজি
ইউরিয়াঃ ৮০০গ্রাম
টিএসপিঃ ৪০০গ্রাম
এমওপিঃ ১৫০০ গ্রাম
জিপসামঃ ২৫০গ্রাম
জিংক সালফেটঃ ৮০গ্রাম
বোরিক এসিডঃ ২০ গ্রাম

১১-১৫ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্যে-

পঁচা গোবর/ভার্মি কম্পোস্টঃ ২৫ কেজি
ইউরিয়াঃ ১০০০গ্রাম
টিএসপিঃ ৫০০ গ্রাম
এমওপিঃ ২০০০গ্রাম
জিপসামঃ ৩৫০গ্রাম
জিংক সালফেটঃ ১০০গ্রাম
বোরিক এসিডঃ ৩০ গ্রাম

১৬-২০ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্যে-

পঁচা গোবর/ভার্মি কম্পোস্টঃ ৩০ কেজি
ইউরিয়াঃ ১২০০গ্রাম
টিএসপিঃ ৬০০গ্রাম
এমওপিঃ ২৫০০গ্রাম
জিপসামঃ ৪০০গ্রাম
জিংক সালফেটঃ ১৫০গ্রাম
বোরিক এসিডঃ ৪০গ্রাম

২০ বা তার ঊর্ধ্ব নারিকেল গাছের জন্যে-

পঁচা গোবর/ভার্মি কম্পোস্টঃ ৪০ কেজি
ইউরিয়াঃ ১৫০০গ্রাম
টিএসপিঃ ৭৫০গ্রাম
এমওপিঃ ৩০০০গ্রাম
জিপসামঃ ৫০০গ্রাম
জিংক সালফেটঃ২০০গ্রাম
বোরিক এসিডঃ ৫০ গ্রাম

মনে রাখতে হবেঃ

একটা সুস্থ নারিকেল গাছের পাতা লম্বায় জাতভেদে ২.৫-৩.৫ মিটার হতে পারে। সুস্থ, সবল একটা গাছের পাতার সংখ্যা ৩২-৪০টা পর্যন্ত হবে।

পাতাগুলো যত উপরমুখী হবে এবং সংখ্যায় তা যত বেশি হবে, গাছ সাধারণত তত বেশি ফুল-ফল দানে সক্ষম হবে।

ভালো যত্ন ও সঠিক ব্যবস্থাপনায় কাণ্ড থেকে প্রতি মাসে একটা করে ঊর্ধ্বমুখী হয়ে পাতা বের হয় এবং সে পাতার গোড়ালি থেকে বয়স্ক গাছে ফুল-ফলের কাঁদি বের হয়।

নারিকেল গাছের ডালা কখনোই কাটা যাবে না। এ পাতা হলুদ হয়ে শুকানোর আগ পর্যন্ত কোনো মতেই কেটে ফেলা যাবে না। এ গাছ ঠিক কলা গাছের মতো 'রুয়ে কলা না কেটো পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত' খনার বচনটা এ গাছের জন্য একেবারে প্রযোজ্য।

যেহেতু একটা সুস্থ গাছে প্রতি মাসে একটা করে পাতা বের হয় এবং তা প্রায় তিন বছরের মতো বাঁচে সে হিসাব করলে একটা ফলন্ত, সুস্থ, সবল গাছে ৩২-৪০টা পাতা থাকার কথা। গাছে এ সংখ্যা ২৫ টার নিচে থাকলে ধরে নিতে হবে গাছটা খাবার ও যত্নের অভাবে বড় কষ্টে আছে। পাতার সংখ্যা ২০ টার নিচে নেমে গেলে গাছে ফুল ফল ধরা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর্যায়ে চলে যাবে।

বস্তায় আদা চাষের জন্য মার্চের শেষ সপ্তাহ বীজ লাগানোর উপযুক্ত সময়বস্তায় আদা চাষ পদ্ধতি:-কোন ধরণের পরিশ্রম ছাড়াই নিজের বা...
20/03/2025

বস্তায় আদা চাষের জন্য মার্চের শেষ সপ্তাহ বীজ লাগানোর উপযুক্ত সময়

বস্তায় আদা চাষ পদ্ধতি:-
কোন ধরণের পরিশ্রম ছাড়াই নিজের বারান্দা, ছাদ, রান্নাঘর, এমনকি জানালার ধারেও চাষ করতে পারবেন আদা। চলুন জেনে নিই আদা চাষ পদ্ধতি।

👉ধাপ-১

আদা থেকে গাছ গজাতে হবে প্রথমে। এই কাজটি করার জন্য আদাকে প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। কিছুদিন পর দেখতে পাবেন যে আলুতে যেমন গাছ বা “চোখ” গজায়, তেমনই গাছ গজিয়েছে। প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত করতে পানি ও পটাশিয়াম পারমাঙ্গানেটের (ফার্মেসিতে কিনতে পারবেন) পাতলা দ্রবনে আদাকে কয়েক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ফ্রিজে রাখুন।

👉ধাপ-২

গাছ গজিয়ে গেলে আদাকে টুকরো করে নিন। প্রত্যেক টুকরোয় কমপক্ষে একটি গাছ যেন থাকে, সেটি খেয়াল রাখবেন।

👉ধাপ- ৩

এবার লম্বাটে টবে বা পাত্রে আদা রোপন করুন। পানি বা তেলের ৩-৫ লিটারের বোতলগুলো বেশ ভালো কাজে আসবে। সমান সমান পরিমাণ মাটি ও জৈব সারের সাথে অর্ধেক পরিমাণ বালু মিশিয়ে আদার জন্য মাটি তৈরি করুন। কিংবা আপনার ঘরে ভালো মাটি থাকলে সেটাটেই সার মিশিয়ে রোপন করুন। একটি পাত্রে একাধিক আদার টুকরো রোপণ করুন। পাতলা প্লাস্টিক দিয়ে ঢেকে দিন। গাছ মাটির ওপরে বেরিয়ে আসলে প্লাস্টিক সরিয়ে দেবেন।

👉ধাপ-৪

নিয়মিত পানি দেবেন, তবে খুব বেশী নয়। ২/৩ দিন পরপর। বেশী পানি দিলে আদা পচে যাবে। পর্যাপ্ত আলো-বাতাসে রাখুন।

👉ধাপ-৫

আদা রোপণের জন্য ভালো সময় ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ-এপ্রিল পর্যন্ত। রোপণের ২/৩ মাসের মাঝেই গাছ গজাবে। ভালো অবস্থায় গাছ ১ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। হেমন্তে গাছ যখন শুকিয়ে যাবে, তখন মূল টেনে তুলে নিন। এই মূলটিই হচ্ছে আদা। গাছটা মোটামুটি বেড়ে উঠলেই বুঝবেন যে আদা তোলা যায়। আদা ম্যাচিউর হয়ে গেলে আপনি গাছ টেনে তুলে প্রয়োজনমত খানিকটা আদা নিয়ে আবার লাগিয়ে রাখতে পারেন। যতদিন গাছ মরে না যাচ্ছে, আদা বড় হবে। পরিষ্কার করে সংরক্ষন করুন। বেশ কয়েক মাস পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন। গুঁড়ো করে রাখলে সারা বছর থাকবে।মসলাপাতির মাঝে আদার দামটা একটু চড়াই বটে। তবে দামের চাইতেও জরুরী কীটনাশকমুক্ত, সতেজ আদা পাওয়া। হরেক রকম মরিচ থেকে শুরু করে ক্যাপসিকাম, আজকাল অনেকেই এসব লাগান নিজের বারান্দায়। কিন্তু কখনো আদা চাষের কথা ভেবেছেন কি? কোন ধরণের পরিশ্রম ছাড়াই নিজের বারান্দা, ছাদ, রান্নাঘর, এমনকি জানালার ধারেও চাষ করতে পারবেন আদা।

♦️চলুন জেনে নিই আদা চাষ পদ্ধতি।

👉১.মিশ্রণ
প্রথমে একটি বস্তায় ৩ ঝুড়ি মাটি, ১ ঝুড়ি বালি, ১ ঝুড়ি গোবর সার ও দানাদার কীটনাশক ফুরাডান ৫জি ২৫ গ্রাম নিতে হবে। মাটির সঙ্গে গোবর, বালি ও ফুরাডান ভালোভাবে মিশিয়ে সিনথেটিক বস্তায় ভরে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে। সম্ভব হলে ১ চা চামচ পটাশ সার মিশিয়ে নেয়া যেতে পারে।

👉২.চারা তৈরি
এবার একটি বালিভর্তি টবে তিন টুকরো অঙ্কুরিত আদা পুঁতে দিতে হবে। আদার কন্দ লাগানোর আগে ছত্রাকনাশক অটোস্টিন ২ গ্রাম বা লিটার পানিতে দিয়ে শোধন করে নিতে হবে। অন্য ছত্রাকনাশকও ব্যবহার করা যাবে। যা হোক, শোধনের পর কন্দগুলো আধাঘণ্টা ছায়ায় রেখে শুকিয়ে নিতে হবে।

👉৩. চারা রোপণ
২০ থেকে ২৫ দিন পর বপনকৃত আদা থেকে গাছ বের হবে। তখন আদার চারা সাবধানে তুলে বস্তার মুখে ৩ জায়গায় বসিয়ে দিতে হবে। দিনের বেশিরভাগ সময় রোদ পায় এমন স্থানে বস্তাটি রাখতে হবে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আদা গাছ বড় হতে থাকবে।

👉৪. সার প্রয়োগ
চারা লাগানোর দু’মাস পরে ৪ চা চামচ সরিষার খোল ও আধা চামচ ইউরিয়া মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। বস্তার মাটি মাঝে মাঝে খুঁড়ে একটু আলগা করে দিতে হবে।

👉৫. উত্তোলন
জুন-জুলাই মাসে আদা লাগালে ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে তোলা যায়। এছাড়া অন্য সময়ও আদা চাষ করতে পারেন। এই পদ্ধতিতে একেকটি বস্তায় তিনটি গাছ থেকে এক-দেড় কেজি পর্যন্ত আদা পাওয়া যায়।

#আদা #বস্তায় #চাষাবাদ #কৃষি
#ভাইরালভিডিওシভিডিও

পেঁপে চারা রোপণের সময় ও রোপণ পদ্ধতি-১. মৌসুমের শুরুতে অর্থাৎ - ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসে চারা রোপণের উত্তম সময়। এসম...
20/03/2025

পেঁপে চারা রোপণের সময় ও রোপণ পদ্ধতি-

১. মৌসুমের শুরুতে অর্থাৎ - ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসে চারা রোপণের উত্তম সময়। এসময় গাছ খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়। অল্প দিনেই কাঁচা ফল পাওয়া যায়।
২. মৌসুমের শেষে অর্থাৎ সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাসেও রোপণের ভালো সময়।‌

*যেভাবে পেঁপে চারা রোপণ করলে অধিক ফলন পাওয়া যাবে-

পেঁপে চারা সোজা করে রোপণ না করে দক্ষিণমুখী করে কিছুটা বাঁকা করে (৪৫° কোণের মতো) রোপণ করতে হয়। যদিও কিছু দিন পর চারার মাথাটি সোজা হয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।
ফলাফল স্বরূপ -
• চারার গোড়া অধিক মোটা হয়
• গাছ দ্রুত লম্বা লিকলিকে না হয়ে খাঁটো থাকে আর গঠন কাঠামো শক্তিশালী হয়
• গাছ খাঁটো অবস্থায় ফুল ফল দেয়
• গাছের গোড়া থেকে অধিক পরিমাণে শিকড় বের হয়

#পেঁপে_চাষ #পেপে

পেঁপে গাছের চারা দ্রুত বৃদ্ধি এবং সঠিকভাবে বৃদ্ধির জন্য নিচে উল্লেখিত সার এবং কীটনাশকের ব্যবহার এবং যত্নের পরামর্শ দেওয়া...
28/01/2025

পেঁপে গাছের চারা দ্রুত বৃদ্ধি এবং সঠিকভাবে বৃদ্ধির জন্য নিচে উল্লেখিত সার এবং কীটনাশকের ব্যবহার এবং যত্নের পরামর্শ দেওয়া হলো:

১. সারের ব্যবহার:

জৈব সার: চারা লাগানোর ২-৩ সপ্তাহ পর প্রতি গাছের গোড়ায় ১-২ কেজি পচা গোবর বা কম্পোস্ট সার দিন।

নাইট্রোজেন সার (ইউরিয়া): চারা বড় হওয়ার সময় প্রতি মাসে ২৫-৩০ গ্রাম ইউরিয়া ব্যবহার করুন। গাছের চারপাশে গোল করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিন।

ফসফেট সার (টিএসপি): প্রতি গাছের জন্য ২০-২৫ গ্রাম প্রয়োগ করুন। এটি শিকড়ের বিকাশে সাহায্য করে।

পটাশ সার (এমওপি): প্রতি মাসে ১৫-২০ গ্রাম প্রয়োগ করুন। এটি ফল ধরার আগে প্রয়োজন।

ডোলোমাইট বা চুন: মাটির পিএইচ সঠিক রাখার জন্য প্রয়োগ করতে পারেন। এটি রোগ প্রতিরোধেও সহায়তা করে।

২. কীটনাশকের ব্যবহার:

পোকামাকড় প্রতিরোধে:

ইমিডাক্লোপ্রিড: এফিড বা সাদা মাছি দমন করতে পাতায় স্প্রে করুন (প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি)।

ক্লোরপাইরিফস: কাণ্ডের আশেপাশে মাটিতে পোকা দমনে প্রয়োগ করুন।

ছত্রাকনাশক:

ম্যানকোজেব বা কার্বেন্ডাজিম: প্রতি ১০-১২ দিনে একবার স্প্রে করুন। এটি ছত্রাকজনিত রোগ প্রতিরোধ করবে।

৩. অতিরিক্ত যত্ন:

সেচ: নিয়মিত পানি দিন, তবে জমে থাকা পানি এড়িয়ে চলুন।

আগাছা পরিষ্কার: গাছের চারপাশ পরিষ্কার রাখুন।

গোড়া মালচিং: মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং আগাছা কমাতে মালচ ব্যবহার করুন।

৪. রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা:

পেঁপে গাছে পাউডারি মিলডিউ বা ভাইরাস আক্রমণ হলে গাছ দুর্বল হয়ে যায়। এমন ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধে উপযোগী কীটনাশক বা ছত্রাকনাশক ব্যবহার করুন।

নিয়মিত এসব উপাদান সঠিকভাবে প্রয়োগ করলে গাছ দ্রুত বেড়ে উঠবে।

নতুন চাষী ভাইদের জন্য ভুট্টা চাষ পদ্ধতি (A-Z)🌽ভুট্টা চাষে বীজ বপন হতে শেষ পর্যন্ত করণীয়ঃ⬛উপযুক্ত জমি/মাটি: বেলে ও ভারি এ...
13/01/2025

নতুন চাষী ভাইদের জন্য ভুট্টা চাষ পদ্ধতি (A-Z)

🌽ভুট্টা চাষে বীজ বপন হতে শেষ পর্যন্ত করণীয়ঃ

⬛উপযুক্ত জমি/মাটি:
বেলে ও ভারি এটেল মাটি ছাড়া সব ধরনের মাটিতে ভুট্টা আবাদ করা যায়। তবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা যুক্ত বেলে দোআঁশ ও দোআঁশ মাটি ভূট্টা আবাদের জন্য উত্তম। নিচু রসালো জমিতে ভূট্টা আবাদ না করাই ভালো।

🌽বীজব পনের সময়ঃ
মধ্যে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ। ভুট্টার বীজ বপনের উপযুক্ত সময়।

🌽জাত নির্বাচনঃ
বর্তমানে কৃষক পর্যায়ে আবাদকৃত সর্বাধিক উচ্চ ফলনশীল জনপ্রিয় ভুট্টার জাত সমূহ

বিঘা প্রতি ৩৩ শতকে শুকনো গড় ফলন। (পরিচর্যার উপর ভিত্তি করে ফলন কম বেশি হতে পারে)

🌽পেট্রোকমঃ
পায়োনিয়ার-৩৩৫৫ বিঘা প্রতি ফলন: ৪২-৪৫ মন)
পায়োনিয়র-৩৩৭৬ (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪২ মন)

🌽রাফিদ সীডসঃ
বিজয়-৭১ (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪৫ মন)
মহান-২১(বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪২ মন)
পদ্মা-৫৫ (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪৫ মন)

🌽রাসেল সীডসঃ
সম্রাট (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪২ মন)

🌽তিস্তা_সীডসঃ
ডালিয়া-৪৪৫৫ (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪১ মন)
সিভাম-২৩৯ (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪২ মন)

🌽জামাল_সীডসঃ
মন্ডল- ৩৫ বি ৫৫ (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪৩ মন)
পারফেক্ট ৩০ বি ৫১ (বিঘা প্রতি ফলন: ৪২-৪৫ মন)

🌽ব্রাদার্স_সীডসঃ
রূপসী বাংলা-৬৬৫৫ (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০ মন)

🌽বিজোতা_সীডসঃ
বিরাট-৫৫৫ (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪২ মন)

🌽ব্রাক_সীডসঃ
যুবরাজ (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪৫ মন)

🌽আলফা_সীডসঃ
রকেট_৫৫ (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪২ মন)

🌽ব্যবিলনঃ
সুপার-৫৫ (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০ মন)
বাজিমাত (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪২ মন)

🌽বায়ারঃ
ডিকাল্ব ৯২১৭ (বিঘা প্রতি ফলন: ৩৮-৪০ মন)
ডিকাল্ব- ৯১৬৫ (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০ মন)

🌽ইস্পাহানিঃ
লাকী-৭ (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪৫ মন)

🌽এসিআইঃ
ডন-১১১ (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪২ মন)
ডিসকোভার-৫৫৫ (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০ মন)
ডিসকোভার-৭৭৭ (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪১ মন)

🌽অটো_ক্রপ_কেয়ারঃ
আলাস্কা (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪৫ মন)
ফ্যালকন (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪২ মন)

🌽ইউনাইটেডঃ
ইউরেকা (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪২ মন)
ইউনাইটেড-৫৫ (বিঘা প্রতি ফলন: ৪০-৪

🌽বীজহার/বীজের পরিমাণ:
হেক্টর: ২১ কেজি (২৪৭ শতকে)
বিঘায়: ২.৮ কেজি (৩৩ শতকে)
শতকে: ৮৫ গ্রাম

🌽বীজ_শোধনঃ
ভূট্টার ফল আর্মি ওয়ার্ম পোকা দমনে ফরটেনজা প্রতি কেজি ভূট্টার বীজে ২.৫০ মিলি হারে সাথে ১০ মিলি পানি দিয়ে বীজ
মিশিয়ে নিবেন। বীজ শোধনের ৮-১২ ঘন্টা পরে বীজ রোপন করা উত্তম।
🌽বীজ_বপনঃ
ভুট্টা বীজ সারিতে বুনতে হয়৷ সারি থেকে সারির দূরত্ব ৬০ সেন্টিমিটার বা ২৪ ইঞ্চি এবং বীজ থেকে বীজের দূরত্ব ২৫ সেন্টিমিটার বা ১০ ইঞ্চি

🌽বীজ_বপন_পদ্ধতিঃ
বীজ উত্তর দক্ষিণে রশি টেনে হাত দিয়ে টিপে বপন করতে হবে।

🌽বীজের_গভীরতাঃ
ভুট্টার বীজ ২-৩ সে: মি: গভীরতায় রোপন করতে হবে।

🌽বীজ_রোপন_পদ্ধতিঃ
সারিতে রশি টেনে হাত দিয়ে বীজ রোপন করলে সর্বোচ্চ সংখ্যক চারা গজায় এতে বীজ গজাতে মাটির ঢেলা বাধা গ্রস্ত হয় না।
🌽সার ব্যবস্থাপনাঃ
ভুট্টা গাছের পুষ্টি চাহিদা অনেক বেশি৷ এজন্য অধিক ফলন পেতে হলে ভুট্টা জমিতে সুষম সার দিতে হয়৷

🌽সারের পরিমাণ শতকে
১/ ইউরিয়া ২.০০ কেজি
২/ টিএসপি ১.৪০ কেজি
৩/ এমপি ১ কেজি
৪/ জিপসাম ৮০০ গ্রাম
৫/ জিংক সালফেট ৪৮ গ্রাম
৬/ বোরন ৪০ গ্রাম
৭/ ম্যাগনেশিয়াম সালফেট ২০০ গ্রাম
জমির ধরন অনুযায়ী কম/বেশি হতে পারে
৮/ গোবর ৪০ কেজি

🌽সারের পরিমাণ (বিঘা প্রতি = ৩৩ শতকে)
১/ ইউরিয়া ৬৬ কেজি
২/ টিএসপি ৪৬ কেজি
৩/ এমওপি ৩৩ কেজি
৪/ জিপসাম ২৬.৪ কেজি
৫/ জিংক সালফেট ১.৫০ কেজি
৬/ বোরন ১.৩০ কেজি
৭/ ম্যাগনেশিয়াম সালফেট ৬.৬০ কেজি
৮/ গোবর ১৩২০ কেজি

🌽টিএসপি সারের পরির্বতে ডিএপি সার ব্যবহার করলে ৪০% ইউরিয়া সার কম প্রয়োগ করতে হবে।

🔶💠সার প্রয়োগ পদ্ধতিঃ
এক-তৃতীয়াংশ ইউরিয়া এক তৃতীয়াংশ পটাশ এবং অন্যান্য সারের সবটুকু জমি তৈরির শেষ চাষের আগে জমিতে প্রয়োগ করতে হবে। বাকি ইউরিয়া দুই কিস্তিতে জমিতে প্রয়োগ করতে হবে

💠প্রথম কিস্তি ইউরিয়া সার ৮-১০ পাতা পর্যায়ে
দ্বিতীয় কিস্তি ইউরিয়া সার ৮০-৮৫ দিনে। পুরুষ ফুল ফোটা পর্যায়ে প্রয়োগ করতে হবে

❌আগাছাঃ
ভুট্টার জমি সবসময় আগাছা মুক্ত রাখতে ভালো। তবে বীজ বপনের ৩০-৪০ দিন পর্যন্ত ভূট্টা ক্ষেত অবশ্যই আগাছা মুক্ত রাখতে হবে।

🔶💧সেচ_ব্যবস্থাপনাঃ
💧প্রথম সেচঃ
বীজ বপনের ২০- ২৫ দিনের মধ্যে (৩-৫ পাতা পর্যায়ে)

💧দ্বিতীয়_সেচঃ
বীজ বপনের ৪৫-৫০ দিনের মধ্যে (৮-১০ পাতা পর্যায়ে)

💧তৃতীয়_সেচঃ
বীজ বপনের ৮০-৮৫ দিনের মধ্যে (পুরুষ ফুল আসার সময়)

💧চতুর্থ_সেচঃ
বীজ বপনের ১০০-১১০ দিনের মধ্যে (দানা বাঁধার পর্যায়ে) সেচ দিতে হবে৷

🦗পোকাঃ
🐛কাটুই পোকাঃ চারা অবস্থায় কাটুই পোকার আক্রমণ করে থাকে- (ক্লোরোপাইরিফস+সাইপারমেথ্রিন) গ্রুপের কীটনাশক নাইট্রো৫০৫ ইসি/সেতারা ৫৫ ইসি/ক্লোরোসাইরিন৫৫ ইসি/এসিমিক্স ৫৫ ইসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ৩ মিলি হারে মিশিয়ে সন্ধ্যায় স্প্রে করে দিবেন।

🐛ফল_আর্মি_ওয়ার্ম_পোকাঃ
কুশির ভিতরে পাতা খেয়ে মল ত্যাগ করে থাকে এ পোকা- ফউলিজেন/সাকসেস/বায়ো স্পিনোসেড/বায়ো বিটিকে/ যে কোন একটি কীটনাশক স্প্রে করতে পারেন।

🔶রোগঃ
পাতা_ঝলসানো_রোগ:
পাতা ঝলসে বা পুড়ে যাওয়ার মত হলে প্রপিকোনাজল গ্রুপের ছত্রাকনাশক টিল্ট/প্রোটেন্ট/প্রাউড/সাদিদ যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করে দিবেন।

🔷ফিউজেরিয়াম_স্টক_রট:
কান্ডের ভিতরে বা গোড়ায় শিকড়ে কালো দাগ পড়ে এমন হলে বিঘা প্রতি ১০-১৫ কেজি পটাশ সার দিবেন এবং কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক স্প্রে করে দিবেন

👉বিশেষ_দ্রষ্টব্যঃ
ভুট্টার ফুল ফোটা ও দানা বাঁধার সময় কোনো ক্রমেই যেন পানির স্বল্পতা এবং জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয়।

🌱বীজ রোপনের ৩০ দিনের মধ্যে জমি থেকে অতিরিক্ত চারা তুলে ফেলতে হবে।

🌱চারার বয়স ১ মাস না হওয়া পর্যন্ত আগাছা মুক্ত রাখতে হবে।
⬛💧জমি বা মাটির আদ্রতা অনুযায়ী সেচের সংখ্যা বেশি হতে পারে।

রসুনের সঠিক পরিচর্যা করার নিয়মঃ১. রসুন বীজ রোপণের ১৫ দিনে প্রথম স্প্রে রোভরাল ১ গ্রাম+ রিডোমিল গোল্ড ২ গ্রাম প্রতি লিটা...
10/01/2025

রসুনের সঠিক পরিচর্যা করার নিয়মঃ
১. রসুন বীজ রোপণের ১৫ দিনে প্রথম স্প্রে রোভরাল ১ গ্রাম+ রিডোমিল গোল্ড ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানির জন্য।
২. ১০ দিন পরে ক্যাব্রিওটপ ১ মিলি প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে সমস্ত গাছ ভিজিয়ে স্প্রে করে দিবেন।
৩. ডিএপি সার (২০ গ্রাম ১০০ লিটার পানি) মিশিয়ে ৭ দিন পর পর স্প্রে করতে দিবেন।
৪. রসুনের বয়স ৪০ দিন হওয়ার পরও যদি গাছ চিকন দূর্বল হয়,পাতার আগা শুকিয়ে সাদা বা হালকা হলুদ হয় তাহলে ‘উপশম' ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করে দিবেন।
৫. বিনা চাষে রসুনের ক্ষেত্রে যদি গাছের বৃদ্ধি স্বাভাবিক না হয় বা গাছ দুর্বল হয়ে থাকে গোড়া পঁচা রোগ দেখা দেয় এবং গোড়ায় সাদা সাদা ক্ষুদ্রাকৃতির পোকা দেখা দেয় তাহলে ২.৫, ইসি কীটনাশক ১ মিলি প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করে দিবেন।
#রসুন
মোঃ আকবর হোসেন
উপসহকারী কৃষি অফিসার
ধন্যবাদ সবাইকে, সাথেই থাকুন ❤️

জানুয়ারি থেকে শুরু করুনঃ আমের মুকুল রক্ষার সহজ উপায় জেনে রাখুন!আপনার আম গাছের মুকুল সুস্থ রাখতে সঠিক যত্ন এবং সময়মতো ...
10/01/2025

জানুয়ারি থেকে শুরু করুনঃ আমের মুকুল রক্ষার সহজ উপায় জেনে রাখুন!

আপনার আম গাছের মুকুল সুস্থ রাখতে সঠিক যত্ন এবং সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। মুকুল ঠিকঠাক থাকলে ফলন যেমন ভালো হবে, তেমনি রোগ-বালাই থেকেও গাছ থাকবে নিরাপদ। চলুন, এই যত্নের সহজ কিছু উপায় জেনে নিই।

# মুকুল আসার আগে গাছের যত্ন নিন
আম গাছ সুস্থ রাখতে এই ছোট ছোট পদক্ষেপগুলো অনেক বড় ভূমিকা রাখে:

* আগাছা পরিষ্কার করুনঃ আগাছা শুধু গাছের পুষ্টি কমায় না, রোগ-বালাইয়ের ঝুঁকিও বাড়ায়। তাই মাটির চারপাশ একদম পরিষ্কার রাখুন।

* মরা ডালপালা কেটে ফেলুনঃ মরা বা শুকনো ডাল গাছে শুধু ওজন বাড়ায়, কিন্তু কোনো কাজে আসে না। এগুলো কেটে গাছকে হালকা করুন।

* পরগাছা সরানঃ গাছের শক্তি চুরি করে নেওয়া পরগাছা দূর করুন।

* সেচ বন্ধ করুনঃ মুকুল আসার ২-৩ মাস আগে সেচ বন্ধ রাখলে গাছ আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হয়।

১. প্রথম স্প্রে: সময়মতো করলে ভালো ফল পাবেন

মুকুল যখন ৪-৬ ইঞ্চি হয়, তখন সঠিকভাবে স্প্রে করলে গাছ রোগমুক্ত থেকে।

# কী ব্যবহার করবেন?

* প্রতি ১ লিটার পানিতে ০.৫ মিলি ইমিডাক্লোপ্রিড কীটনাশক।
* প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক।
গাছের সমস্ত অংশ ভালোভাবে ভিজিয়ে স্প্রে করুন।

# মনে রাখবেন:
ফুল ফোটা অবস্থায় কোনো ধরনের স্প্রে করা যাবে না।

• প্রয়োজন হলে জানুয়ারিতে আরেকটি স্প্রে করুন

যদি জানুয়ারি মাসে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া থাকে, তবে মুকুল আসার ১৫-২০ দিন আগে স্প্রে করতে পারেন।

# কী ব্যবহার করবেন?
* প্রতি ১ লিটার পানিতে ১ মিলি সাইপারমেথ্রিন কীটনাশক।
* প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম সালফারযুক্ত ছত্রাকনাশক।

# এটি কীভাবে সাহায্য করবে?
*হপার পোকা থেকে সুরক্ষা।
*সূট্যি মোল্ড ছত্রাকের আক্রমণ কমানো।

২. দ্বিতীয় স্প্রে: যখন মুকুলে ফল আসবে
আমের মটর দানা আকৃতি তৈরি হলে দ্বিতীয় স্প্রে করতে হবে।

# কী ব্যবহার করবেন?

* প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক।
* প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক।
গাছের সম্পূর্ণ অংশ ভিজিয়ে স্প্রে করুন।

# আপনার গাছের জন্য আপনার ভালোবাসাই আসল যত্ন
আপনার আম গাছের মুকুল সুরক্ষিত রাখতে এই কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করুন। গাছের সঠিক যত্নই ভালো ফলনের চাবিকাঠি।

# কৃষি বিষয়ক পরামর্শের জন্য নিকটস্থ কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন।

 #ফসলের পোকা দমনে মেহগনি গাছের বীজ থেকে জৈব কীটনাশক তৈরির পদ্ধতি।বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। এদেশের গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্ন...
10/01/2025

#ফসলের পোকা দমনে মেহগনি গাছের বীজ থেকে জৈব কীটনাশক তৈরির পদ্ধতি।

বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। এদেশের গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম উপাদান হলো কৃষি। দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে কৃষির অবদান অপরিসীম। কৃষির উৎপাদন এখন দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। কিন্তু কৃষির উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ফসলের জমিতে নানা ধরনের কীটনাশক ব্যবহার হয়ে থাকে। এসব কীটনাশক ব্যবহারের ফলে ফসলের জমির পাশাপাশি মানব দেহেরও ক্ষতি হয়। তাই জৈব বালাইনাশক বা জৈব কীটনাশক ব্যবহার করলে বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করা যায়। আর জৈব কীটনাশক হিসেবে মেহগনির বীজ অত্যন্ত কার্যকর।

➡️জৈব কীটনাশক তৈরির পদ্ধতি :

পরিবেশবান্ধব এই ভেষজ কীটনাশক তৈরির জন্য প্রথমে ২ থেকে আড়াই কেজি মেহগনির বীজ সংগ্রহ করে কুচি কুচি করে কেটে প্রায় ১০ লিটার পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে(সিডস মার্ট)। ৩ থেকে ৪ দিন পর এটি তুলে ছেঁকে নিতে হবে। তারপর এর নির্যাসের সঙ্গে প্রায় ৫০ গ্রাম ডিটারজেন্ট পাউডার ভালোভাবে মিশ্রণ করতে হবে। এই নির্যাসের সাথে পাঁচগুণ পানি মিশিয়ে ফসলের জমিতে ব্যবহার করা যাবে।

➡️এই জৈব কীটনাশক ব্যবহারে মাজরা পোকা, পাতামোড়া রোগ, বাদামি গাছ, ফড়িং, জাব পোকা, পাতা ছিদ্রকারী পোকা দমনে ভালো ফল পাওয়া যায়। ফসলের ডগা ও ফলের মাজরা পোকা, কাঁঠালি পোকা, ঢ্যাঁড়শের জ্যাসিড, সবজিতে পোকামাকড় দমনসহ ছত্রাক নাশ ও নানা রোগব্যাধি দূর করে। পিঁপড়া ও উঁইপোকা দমনেও মেহগনি কীটনাশকের কার্যকারিতা অপরিসীম। মেহগনির কীটনাশক ছিটালে শুধু ফসলের ক্ষতিকর পোকাই দমন হয় না, মশাও বিতাড়িত হয়।

➡️তাই ফসলের জমিতে রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার না করে জৈব কীটনাশক ব্যবহার করে বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন ও পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসা উচিত।

👉জৈব কীটনাশক তৈরি করতে পরিশ্রম একটু বেশি কিন্তু খরচের পরিমাণ খুবই কম আসুন প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে রাসায়নিক কীটনাশক প্রয়োগের পরিবর্তে জৈব কীটনাশক ব্যবহার করি।

👉কৃষি বিষয়ক প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে আমাদের সাথে থাকুন অথবা নিকটস্থ উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন।

Address

Boilor
Mymensingh
2220

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tamanna Nursery posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share