Saaj Garden

Saaj Garden This is a helpful solution centre for gardeners.

"প্রুনিং পূর্ব-প্রস্তুতি"সংক্ষিপ্ত আকারে বলি- আপনার গাছের বয়স কত? কারণ আঙ্গুর চাষে গাছের বয়স জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপন...
15/12/2022

"প্রুনিং পূর্ব-প্রস্তুতি"

সংক্ষিপ্ত আকারে বলি-
আপনার গাছের বয়স কত? কারণ আঙ্গুর চাষে গাছের বয়স জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার গাছের বয়স যদি হয় ৬ থেকে ৯ মাস, তাহলে ছবিতে উল্লেখিত প্রুনিং সিস্টেম আপনার জন্য।
আমাদের সকলেরই জানা দরকার- একটি আঙ্গুর গাছ থেকে ভাল রেজাল্ট পেতে হলে নূন্যতম ৩ বছর অপেক্ষা করতে হবে। আপনি হয়ত প্রথম বছরেই ফুল/ফল উৎপাদন করতে পারবেন, তবে তার মিষ্টতা- আকৃতি এবং কালারে সম্পূর্ণ সেটিসফাই হতে পারবেন না। জাত ভেদে ৪ বছরও লাগতে পারে। তাই এই সময়ে আমাদের উচিত- গাছটিকে সুন্দর এবং সুষ্ঠু গঠন আকৃতি দেয়ার চেষ্টা করা।

*** ফল উৎপাদনের জন্য আপনাকে প্রুনিংয়ের অন্তত ১ সপ্তাহ আগে গাছে ছত্রাক নাশক স্প্রে করতে হবে। আমাদের মধ্যে অনেকেই ফল উৎপাদনের পাশাপাশি চারা উৎপাদন করতে ইচ্ছুক, তাদেরকে অন্তত ২ সপ্তাহ আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। গাছের রোগ বালাই নির্মূল করে তারপরেই চারা উৎপাদন করা উচিত। এজন্য প্রয়োজনীয় ছত্রাক নাশক, মাকড় নাশক স্প্রে করে ২ সপ্তাহ আগে থেকেই আপনাকে প্রস্তুতি নিতে হবে। কারন- সায়ন/কাটিং সুস্থ সবল না হলে তার থেকে ভাল চারা আশা করা বোকামি। একটি চারাগাছ মাতৃগাছের গুনাগুনের পাশাপাশি রোগ বালাইও পেয়ে থাকে। তাই চারা উৎপাদনের পূর্বেই এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যাবস্থা নিতে হবে।

আর- আপনার চারা গাছের বয়স ২ মাস+ হলে তার মেইন ডালটি রেখে বাকি সব পার্শ কুড়িগুলো কেটে দিবেন। বাড়ন্ত মৌসুমে, অর্থাৎ শীতের পর মেইন ডালটিকে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী উচ্চতায় নিয়ে গিয়ে কেটে দিবেন- যাতে সেখান থেকে ২ নতুন শাখা বের হতে পারে।

বিঃদ্রঃ- আপনাদের গাছের অবস্থা বুঝে- প্রিপারেশন নেয়া থাকলে এখনও প্রুনিং শুরু করতে পারেন।

স্কুল লাইফে পড়েছিলাম "প্রকৃতি তার নিজস্ব নিয়মে ব্যাতিক্রম"। অথচ প্রকৃতি নিজ গতিতে খুবই সুশৃঙ্খল, সংবিধিবদ্ধ ও ক্রিয়াশীল।...
10/12/2022

স্কুল লাইফে পড়েছিলাম "প্রকৃতি তার নিজস্ব নিয়মে ব্যাতিক্রম"। অথচ প্রকৃতি নিজ গতিতে খুবই সুশৃঙ্খল, সংবিধিবদ্ধ ও ক্রিয়াশীল। তার চিরন্তন নিয়মে কখনো ব্যাতিক্রম ঘটে না।

***** আমরা প্রতিনিয়ত প্রকৃতির অনেক সুক্ষ্ম নিয়ম পর্যবেক্ষন করছি অথচ এর ব্যাখ্যা আমাদের জানা নেই। যেমন শীতে কিছু গাছের গ্রোথ কমে যায়, আবার কিছু গাছের বৃদ্ধি হয় খুব দ্রুত।
আবার শীতের সময় মাছের খাদ্যগ্রহন কমে যায় এবং বাড়েও কম। অনেক সময় বৃষ্টিতেও মাছের খাদ্য গ্রহন কমে যায়।
বর্ষার পর যখন শুষ্ক মৌসুম চলে আসে, খাল বিলের পানি শুকিয়ে যায়। মাটি শুকিয়ে খটখটে অবস্থা- তখনও কিন্তু কিছু মাছ এবং কোলা ব্যাঙ মাটির নিচেই চুপচাপ পরে থাকে। বিশেষ করে ক্যাট ফিশ প্রজাতির মাছ এবং ব্যাঙ। অবাক হলেও সত্যি- তখন তাদের খাদ্যগ্রহনের প্রয়োজন হয়না। রেচন প্রক্রিয়াও সম্পূর্ণ বন্ধ। প্রশ্ন আসে মনে " তখন তারা বেঁচে থাকে কিভাবে ? "......... তাদের সেই অবস্থাকেই বলা হয় "সুপ্ত হওয়া" ( না ঘুম না জাগ্রত )। মানব শিশু তার মায়ের গর্ভে যেভাবে থাকে- অথবা একটি ডিমের ভিতর সুপ্ত ভ্রুন... যা ভবিষ্যতে একটি পূনাঙ্গ প্রানী হয়ে বিকশিত হয়।

❄️❄️ ডরমেন্সী" / সুপ্ত অবস্থা - ❄️❄️

সাধারণ শীত এবং প্রচন্ড ঠান্ডা কিন্তু এক নয়। সহনীয় তাপমাত্রায় মানুষসহ পৃথিবীর সকল প্রানী বেঁচে থাকতে পারে। কিন্তু তাপমাত্রা যখন মাইনাস ( ০ থেকে -৩০/৪০/৫০ ) ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে পৌঁছে যায়- তখনই আমাদের প্রয়োজন হয় কৃত্রিম তাপের। আমরা মানুষ খুব সহজেই তার ব্যাবস্থা করে ফেলি। গরম কাপড়- অথবা বৈদ্যুতিক হিটার... কিন্তু যাদের এই সুবিধা নেই তারা কি করবে? প্রকৃতি তাদেরকেও বাঁচতে শিখিয়েছে। তারাও বেঁচে আছে হাজার হাজার বছর ধরে। তারা যখনই বুঝতে পারে শীত চলে এসেছে- অদুর ভবিষৎ প্রচন্ড ঠান্ডা, যে ঠান্ডায় তাদের বেঁচে থাকা সম্ভব নয়,- তখনই তারা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় সুপ্ত অবস্থায় চলে যায়। যাকে আমরা নাম দিয়েছি "ডরমেন্সী"।
🍇🍇 আঙ্গুর মূলত মরুভূমির ফল হলেও সময়ের পরিক্রমায় হাজার হাজার বছর ধরে তা শীত প্রধান দেশ গুলোতে ওয়াইন তৈরীর মূল উপাদান। তাই খুব স্বাভাবিক ভাবেই তারা প্রচন্ড ঠান্ডায় নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লাড়াইয়ে এবং নিজের বংশধারা অব্যাহত রাখার জন্য বরফের মধ্যে জমে গিয়েও বেঁচে থাকার কৌশল শিখে নিয়েছে। আর তা হচ্ছে ডরমেন্সী বা সুপ্ত অবস্থা। এই সময় গাছের যথেষ্ট ক্ষতি হয়। কোন কোন গাছের প্রায় ৮০ শতাংশও মরে যায়। তাদের সকল ডালপালা মৃত সদৃশ্য মনে হলেও শীত শেষে তারা আবার ঠিকই নতুন করে জেগে ওঠে, নতুন কুশিতে ফুল ফলের পশরা সাঁজায়। 🥰

📣 " চিলিং আওয়ার"-
আঙ্গুর বা যেকোন গাছ ইচ্ছা করলেই যখন তখন বা হঠাৎ করেই সুপ্ত অবস্থায় চলে যেতে পারেনা। তার আগে তাদের ব্যাপক প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়। গাছের পাতা থেকে শুরু করে সমস্ত কান্ডের বিশেষ কিছু খাদ্য উপাদান নিজের শিকড়ে সঞ্চয় করে রাখতে হয়। এর ফলে পাতাগুলো ঝরে যেতে থাকে এবং কান্ডের আগা থেকে শুকিয়ে মরে যেতে থাকে। যখনই তার প্রয়োজনীয় খাদ্য উৎপাদন শিকড়ে মজুদ করা হয়ে যায় তখনই সে সুপ্ত অবস্থা বা ডরমেন্সীতে চলে যায়। শিকড়ে খাদ্য মজুদের এই প্রক্রিয়ার সময় তার প্রয়োজন হয় ০ থেকে ৭.৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা এবং এভারেজ সময় লাগে প্রায় ১৫০ থেকে ২৫০ ঘন্টা। কোন কোন আঙ্গুরের ভ্যারাইটিতে ৩৯ ঘন্টা থেকে শুরু করে ১০০০ ঘন্টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। আবার আঙ্গুরের কিছু ভ্যারাইটি আছে যাদের সুপ্ত অবস্থায় যাওয়ার প্রয়োজনই হয়না। ( আঙ্গুরের পূবপুরুষেরা এমনই ছিল, তাদের সুপ্ত অবস্থায় যাওয়ার কোন প্রয়োজনই ছিলনা )। সুপ্ত অবস্থা বা ডরমেন্সীতে যাওয়ার জন্য যে সময়ের প্রয়োজন হয় বা যতঘন্টা সময়ের প্রয়োজন হয়- তাকেই আমারা বলি "চিলিং আওয়ার"। 🥰🥰 ( চলবে... )

সকলের আঙ্গুর গাছের পরিচর্যায় আমার এই ছোট্ট প্রচেষ্টা। আমি কোন বিশেষজ্ঞ নই, ভূল হলে ধরিয়ে দিবেন, সংশোধন করে দিবেন। সবার জন্য শুভ কামনা রইল।..........

"গ্রেপস্ স্টীম বোরার্র" 🪳 ( ৬ষ্ঠ ধাপের ১ম সমস্যা ) ( আঙ্গুর গাছের কান্ড ছিদ্রকারী পোকা ) স্টীম বোরার্রকে বাংলায় মাজরা পো...
01/12/2022

"গ্রেপস্ স্টীম বোরার্র" 🪳 ( ৬ষ্ঠ ধাপের ১ম সমস্যা )
( আঙ্গুর গাছের কান্ড ছিদ্রকারী পোকা )

স্টীম বোরার্রকে বাংলায় মাজরা পোকা বলতে পারেন। তবে এটি কিন্তু ধানের মাজরা পোকা নয়- এটি আঙ্গুরের কান্ড ছিদ্রকারী পোকা। এর নামই "গ্রেপস্ স্টীম বোরার্র"।
সাধারনত বর্ষার শেষে বা শীত শুরু হওয়ার আগে এই গ্রেপস্ স্টীম বোরার্রের আক্রমণ বেশি হয়ে থাকে। এরা আঙ্গুর গাছের কচি কান্ড বা অপেক্ষাকৃত কম শক্ত কান্ডকে ছিদ্রকরে ভিতরে ঢুকে গিয়ে ডিম দেয়।
আমাদের শরীরের অস্থি বা হাড্ডির ভেতরে যেমন বোনমেরু বা মজ্জা অবস্থিত, যা রক্ত উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ঠিক তেমনি গাছের কান্ডের ঠিক মধ্যবর্তী স্থানে অনেকটা বোনমেরুর মতোই নরম সবুজাভ স্পঞ্জি অংশ থাকে যার মাধ্যমে উদ্ভিদের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান উদ্ভিদ দেহে সরবরাহ হয়ে থাকে। গ্রেপস্ স্টীম বোরার্রের ডিম থেকে বের হওয়া লার্ভাগুলো খুব দ্রুত এই নরম অংশ খেতে থাকে। কান্ডের ভিতরেই তারা বৃদ্ধি পেয়ে আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে এবং শীত শেষে এরা পূর্নাঙ্গ রুপে কান্ড থেকে বেরিয়ে উড়ে চলে যায়। এর ফলে আক্রান্ত গাছের খাদ্য উৎপাদন এবং সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। গাছের গ্রোথ থেমে যায়। আক্রান্ত স্থান থেকে শুরু করে ধীরে সম্পূর্ণ গাছ শুকাতে থাকে। আক্রমণ বেশি হলে আঙ্গুর গাছ মারাও যেতে পারে।
অনেকসময় একডালের ছোট্ট লার্ভা বেরিয়ে অন্যকোন ডালে/ একদম কচি ডালেও ঢুকে যায়, ছিদ্রপথে স্বচ্ছ/অস্বচ্ছ চিকন সুতার মতো আঠালো পদার্থ বের হতে দেখা যায়। ফলাফল একই।

এখানেই শেষ নয়- পূর্নাঙ্গ রুপ ধারণ করা গ্রেপস্ স্টীম বোরার্র ঘুরে ফিরে বেড়ায়।.... ডেটিং সেটিং সম্পন্ন করে একসময় আবার ফিরে আসে এবং ডিম পারার জন্য আবার আঙ্গুর গাছের কান্ড ছিদ্র করে ভিতরে ঢুকে যায়।
এখন কথা হচ্ছে আমাদের করনীয় কি? :)

🍇🍇 প্রতিরোধ ব্যাবস্থা খুবই সিম্পলঃ-
প্রথমত আঙ্গুরের গাছ রোগমুক্ত রাখতে হবে।
দ্বিতীয়ত বাগানকে সবসময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
প্রতিকার ব্যাবস্থাও খুব জটিল নয়ঃ-
🪳জৈব উপায়-
১। বেবি অয়েল এর সাথে কেরোসিন মিক্স করে ফাঁদ পেতে পুরুষ পোকা ধ্বংস করা। এতে অবশ্য স্ত্রী গ্রেপস্ স্টীম বোরার্র কান্ড ছিদ্র করবেই এবং কান্ডের ভিতরে গিয়ে ডিম পারবেই, তবে সেই ডিম থেকে বাচ্চা হবে না।
২। আক্রান্ত স্থানে অর্থাৎ যেখানে ছিদ্র করা হয়েছে- সেখানে যতটুকু সম্ভব বোর্দোমিক্স ( চুন এবং তুতের মিশ্রনে তৈরী বিশেষ ) ঢুকিয়ে দিতে হবে।
🪳রাসায়নীক উপায়-
১। কান্ডের সকল ছিদ্র খুঁজে- ছিদ্র পথে ইঞ্জেকশন সিরিঞ্জের মাধ্যমে কীটনাশক ( সাইপারমেথ্রিন/রিপকর্ড বা অন্য কোন কীটনাশক ) প্রতি লিটার পানিতে ২.৫/৩ এম এল হারে ঢুকিয়ে দিতে হবে। ( এই পরিমান পাতায় স্প্রে করা যাবেনা )।
🍇🍇🍇 এখনই সময় সতর্ক হওয়ার। আপনার বাগানের সমৃদ্ধি কামনা করছি। ধন্যবাদ সবাইকে।
🥰🥰

01/12/2022

__ ৷৷ __ আমার সময় লেগেছে প্রায় ৫ ঘন্টা, আর আপনাদের জন্য তার সারমর্মটা নিয়ে এসেছি মাত্র ২ মিনিট ৪২ সেকেন্ডের। সাড়ে পাঁচ মাস আগে আঙ্গুর বাগানের মাটি তৈরির ভিডিও দিয়েছিলাম, এর পর বহুবার খোঁচাখোচি করলেও গতকাল ভোর থেকে এই সিজনের শেষ খোঁচাখুঁচিটা সমাপ্ত করলাম। মাটির গুনগত মান পরিক্ষা করলাম। মাটিতে জৈব পদার্থের আনুপাতিক হার, পি এইচ, আদ্রতা সবকিছুই ঠিক আছে আলহামদুলিল্লাহ। মাটির আদ্রতা ঠিক রাখতে পারলে মাটিতে বসবাসকারী ক্ষতিকর পোকামাকড় এবং বহুধরনের রোগ থেকে গাছকে রক্ষা করা সম্ভব। বিশেষ করে আঙ্গুরের ক্ষেত্রে এর কোন বিকল্প নেই। আশা করছি আপনারা কিছুটা হলেও ধারণা পাবেন।
!....

22/11/2022

"আঙ্গুর চাষ"

আস্ সালামু আলাইকুম।

আঙ্গুরের চাষাবাদ আমাদের দেশীয় সবজির মতো সহজ নয়। কারন আমাদের দেশীয় সবজিগুলো শত বছর ধরে আমাদের দেশের আবহাওয়ার সাথে খাপ খাইয়ে টিকে আছে। আমাদের দেশীয় গাছপালা আমাদের দেশের তাপমাত্রা, ময়েশ্চার, ঝড়-ঝঞ্ঝা- কুয়াশা বিভিন্ন প্রতিকূলতায় নিজেদের ভেতর প্রতিরোধ ব্যাবস্থা গড়ে নিয়েছে। তাই বিদেশী আঙ্গুরের ভাল ফলন পেতে হলে আঙ্গুরের চাষাবাদ সম্পর্কে জানতেই হবে। সঠিক তথ্য আয়ত্ত করতে না পারলে আর যাই হোক- আঙ্গুরের ধারাবাহিক সফলতা কখনোই সম্ভব নয়। প্রথমত- ( সীডলেস/সীডেড ) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন এবং মিষ্টি জাতের আঙ্গুরের কোন বিকল্প নেই। এর পর বাকি ব্যাবস্থাপনা-
🍇 আঙ্গুরের চাষাবাদ সম্পর্কে আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানের অভিজ্ঞতাকে থেকে আপনাদের সাথে কিছু শেয়ার করতে চাই। আমার জানার পরিধি হয়ত খুব বেশি নয়, তবুও আজকে চেষ্টা করলে হয়ত ভবিষ্যতে আপনাদের মধ্য থেকেই আপডেট তথ্য বেড়িয়ে আসবে। আমি নতুন কে সাদরে গ্রহন করতে সর্বদা প্রস্তুত। :)
আঙ্গুর চাষাবাদকে সহজ করতে বিভিন্ন সমস্যা এবং তার সমাধান নিয়ে ১০ টি আলাদা ধাপ নির্ণয় করেছি। প্রতিটি ধাপ আঙ্গুর চাষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
১, চারা গাছের গ্রোথ না হওয়া।
২, পাতায় ছিদ্র হওয়া।
৩, পাতার কিনার জ্বলে যাওয়া।
৪, পাতা হলুদ হয়ে যাওয়া বা গ্রেপ লিফ রাস্ট।
৫, পাউডারি মিলিডিউ এবং ডাউনি মিলিডিউ।
৬, কিছু কমন রোগ বালাই।
৭, সঠিক প্রুনিং না জানা।
৮, ফুল না হওয়া।
৯, ফুল ঝরে যাওয়া এবং
১০, প্রথমবার ফলনের পর আর ফল না হওয়া।

আমার মনে হয় এই ব্যাপারগুলো সম্পর্কে যে সঠিক ভাবে জানতে পারবে- তার জন্য আঙ্গুর চাষ অনেকটাই সহজ হবে।
পরবর্তী পোস্টে এর যেকোন একটি বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ । আপনারা আপনাদের আগ্রহের/জানার বিষয় সম্পর্কে মন্তব্য করতে পারেন। ধন্যবাদ। 🥰

"Golden rust"  ( 04 ) (পাতার নিচে হলুদ পাউডার ) আঙ্গুরের বিভিন্ন মারাত্মক রোগের মধ্যে অন্যতম "গোল্ডেন রাস্ট"। একে "গ্রেপ...
10/11/2022

"Golden rust" ( 04 )
(পাতার নিচে হলুদ পাউডার )

আঙ্গুরের বিভিন্ন মারাত্মক রোগের মধ্যে অন্যতম "গোল্ডেন রাস্ট"। একে "গ্রেপ ভাইন লিফ রাস্টও" বলা হয়ে থাকে। এই রোগের কারনে প্রথমে গাছের পাতার উপরিভাগে খুবই সুক্ষ্ম কালো স্পট পরতে থাকে, যা সাধারণত আমাদের চোখে পরেনা। এর পর যখন চোখে পরে তখন পাতার নিচে হলকা হলুদ বা সম্পূর্ণ হলুদ পাউডারে ভরে যায়। মখমলের মতো বিছিয়ে থাকে। দেখতে চমতকার মনে হলেও এটি গাছের জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরুপ। এর ফলে গাছের পাতা আংশিক/সম্পুর্ন হলুদ হয়ে শুকিয়ে যেতে থাকে, গাছের খাদ্য উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়, এবং একসময় গাছ দুর্বল হয়ে মারাও যেতে পারে।
***এটি একটি মারাত্নক ছোঁয়াচে রোগ। বাতাস, পানি, কীটপতঙ্গ এমনকি মানুষের পোশাক পরিচ্ছেদের মাধ্যমেও এটি ছাড়াতে পারে। সঠিক সময়ে দমন করতে না পারলে বহু শখের গাছটি মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে।
***এটি একটি ফাঙ্গাস জনিত রোগ ( ফাকোপসরা ভাইটাস )। সর্বপ্রথম ২০০১ সালে এই রোগটি আবিষ্কৃত হয় এবং ২০০৭ সালে এর প্রতিকারে সফলতা আসে।

দমন ব্যবস্থাঃ-
*** "Prevention is better than cure" প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ শ্রেয়" আমদেরকে সর্ব প্রথমে এর প্রতিরোধ ব্যাবস্থা সম্পর্কে জানা জরুরি।
***প্রতিরোধঃ- প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে আমাদেরকে রোগ মুক্ত চারাগাছ সংগ্রহ করতে হবে। যে গাছ এই রোগে আক্রান্ত- তার থেকে চারা উৎপাদন বন্ধ করতে হবে। রোগাক্রান্ত বাগান ভিজিট শেষে বাসায় এসে সর্বপ্রথমে গোছলে করে আপনার জামাকাপড় ধুয়ে ফেলতে হবে। মোটকথা ছোঁয়াচে রোগ থেকে বাচতে আমাদের যাবতীয় করনীয় ফলো করতে হবে। ( কোভিড-১৯ এর পর থেকে এ ব্যাপারে আমরা মোটামুটি সকলেই জানি)। বাগান সবসময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
***প্রতিকারঃ- ম্যানকোজেব+মেটালোক্সিল গ্রুপের ছত্রাক নাশক ( রিডোমিল গোল্ড ) এর সাথে সালফার ( কুমুলাস )/সানভিট একসাথে মিশিয়ে বিকালে স্প্রে করতে হবে।( পাতার উপরে এবং নিচে ভালকরে স্প্রে করতে হবে )। রিডোমিল গোল্ড+কুমুলাস ২ গ্রাম হারে অথবা রিডোমিল গোল্ড ২ গ্রাম +সানভিট ৪ গ্রাম হারে ব্যবহার করা যেতে পারে ( পরপর ২ সপ্তাহ)। এছাড়া প্রুনিং শেষে নতুন কুশি বের হওয়ার সময় ১ বার, এবং কুশি বের হওয়ার পর আরোও একবার স্প্রে করতে হবে।

🍇🍇আঙ্গুরের বিভিন্ন রোগ, তার প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং প্রতিকার নিয়ে নিয়মিত আলোচনা হবে ইনশাআল্লাহ। আশা করি পাশে থেকে উৎসাহ যোগাবেন। ধন্যবাদ।

09/10/2022

আসুন সবাই আস্তেধীরে একটু একটু করে মিষ্টিমুখ করি। তাড়াহুড়ো করার কিছু নাই.. 🥰...আর, এডমিন হয়েও গ্রুপে পোস্ট করতে না পারা এডমিনদের প্রতি রইল সমবেদনা। ( এ শোক সইব কেমনে.. !? 😭 ) ...
ছোট ভাগনী "সাফিহা মাশফিক শ্রাবস্তী" খুব যতন করে বানিয়েছে- চিকেন মমো এবং ফালুদা.... 😋😋

Address

Prem Road, Anyet Nogor, Fatulla
Narayanganj
1400

Opening Hours

Monday 08:00 - 17:00
Tuesday 08:00 - 17:00
Wednesday 08:00 - 13:00
Thursday 08:00 - 17:00
Friday 07:00 - 17:00
Saturday 07:00 - 17:00
Sunday 10:00 - 17:00

Telephone

+8801876280837

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Saaj Garden posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category