Plant dot com

Plant dot com সবুজ প্রেমিদের স্বাগতম

দুনিয়ার মানুষ হয়তো চোখের ভাষা বোঝে,কিন্তু আমাদের রব তো চোখের জলের ভাষাও বোঝে।
05/08/2023

দুনিয়ার মানুষ হয়তো চোখের ভাষা বোঝে,
কিন্তু আমাদের রব তো চোখের জলের ভাষাও বোঝে।

Yesterday is gone and can't be undone.So focus on today for a better tomorrow.
13/01/2023

Yesterday is gone and can't be undone.
So focus on today for a better tomorrow.

দীর্ঘ পাঁচ বছরের গবেষণায় রাবি অধ্যাপকের নতুন জাতের কলার উদ্ভাবনপাকা কলার প্রতি লোভ নেই, বাংলাদেশে এমন মানুষের সংখ্যা বির...
12/01/2023

দীর্ঘ পাঁচ বছরের গবেষণায় রাবি অধ্যাপকের নতুন জাতের কলার উদ্ভাবন
পাকা কলার প্রতি লোভ নেই, বাংলাদেশে এমন মানুষের সংখ্যা বিরল। তবে দিন দিন দুষ্প্রাপ্য হয়ে উঠছে কলা। সেই সঙ্গে বাড়ছে কলাম দাম। এমন সময়ে ফুল থেকে টিস্যু কালচার পদ্ধতি ব্যবহার করে পাঁচ ধরনের উন্নত জাতের কলা উদ্ভাবন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন। দীর্ঘ পাঁচ বছরের গবেষণায় এই সফলতা পেয়েছেন বলে জানান তিনি।
তিনি জানান, উদ্ভাবিত নতুন জাতের কলা অধিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন। উচ্চ ফলনশীল ও কম সময়ে ফলন পাওয়া যায়। ইতিমধ্যে দেশজুড়ে রাবির এই গবেষকের চারা নিয়ে চাষাবাদ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট চাষিরা বলছেন, প্রচলিত সাধারণ কলার চেয়ে নতুন জাতের কলা চাষে ৩০-৪০% বেশি লাভ পাওয়া যায়।
এছাড়া টিস্যু কালচার চারা লাগালে সনাতন পদ্ধতির চেয়ে ২-৩ মাস আগে কলা সংগ্রহ করা যায়। টিস্যু কালচার কলা দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ এবং রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব।
অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘২০১৭ সালে টিস্যু কালচারের মাধ্যমে কলার চারা উদ্ভাবনের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেন। গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও রাবি প্রশাসন তাদের ৪ লাখ টাকা দেয়। তারা কলার স্যুট টিপ বা ফুলের টিস্যু নিয়ে প্রথমে জীবাণুমুক্ত করেন। পরে ল্যামিনার ফ্লো-র ভেতর নিয়ে টিস্যুকে কাচের পাত্রে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে উদ্ভিদের বিভিন্ন রকমের হরমোন ও প্রয়োজনীয় কৃত্রিম খাবার ব্যবহার করে ৫-৬ মাস ধরে মাইক্রোস্যুট তৈরি করেন। পরে ওই মাইক্রোস্যুটগুলোতে হরমোন ব্যবহার করে শিকড় তৈরি করেন। এরপর ল্যাব থেকে বের করে পলি হাউজের ভিতর সিডলিং ট্রে-তে কোকোপিট ভরে তার উপর বসানো হয়। এর এক মাস পরে চারাগুলোকে মাটির পলিব্যাগে স্থানান্তর করা হয়। পলি হাউজের ভিতরে মাটির ব্যাগে চারাগুলোকে ২-৩ মাস ধরে বিশেষ পদ্ধতিতে বাইরের আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাওয়ানো হয়। একপর্যায়ে মাঠে রোপনের উপযুক্ত হলে সেগুলো চাষিদের নিকট হস্তান্তর করা হয়। অর্থাৎ, ইন-ভিট্রো মাইক্রোপ্রোপাগেশন পদ্ধতিতে বিভিন্ন জাতের কলার টিস্যু কালচার চারা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করেছেন তারা।
জানা যায়, পৃথিবীর গ্রীষ্ম ও উপ-গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দেশে কমবেশি কলার চাষ হয়। খাদ্য শস্যের মধ্যে উৎপাদনের দিক থেকে বিশ্বে কলার অবস্থান চতুর্থ। দক্ষিণ আমেরিকার দেশসহ ভারত ও ফিলিপিন শীতপ্রধান দেশে কলা রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। কিন্তু বাংলাদেশের কলা ফেটে যাওয়া, কলার গায়ে কালো দাগ পড়া, কলার ইউনিফরমিটি না থাকা, কলা এক ব্যাসের না হওয়ায় একসঙ্গে না পাকা, কলাতে মাত্রারিক্ত কীটনাশকের উপস্থিতির কারণে রপ্তানির শর্তপূরণ করতে পারে না। তবে রাবিতে উদ্ভাবিত টিস্যু কালচার পদ্ধতির কলা ল্যাবরেটরীতে তৈরি বলে ১০০% রোগ-জীবাণু মুক্ত হয়। কীটনাশক কম ব্যবহার হয়।
অধ্যাপক আনোয়ার বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য- অল্প খরচে দেশের ১৮ কোটি মানুষকে স্বল্প মূল্যে অধিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন নির্ভেজাল কলা খাওয়ানো। এ জন্য সারা দেশের কৃষকদের পাঁচ জাতের চারা স্বল্পমূল্যে-বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে কৃষকদের কাছ থেকে অভাবনীয় সাড়া মিলেছে। বেসরকারি উদ্যোগে দেশজুড়ে টিস্যু কালচার ল্যাবে চারা উৎপাদন করা সম্ভব। তবে টিস্যু কালচার চারা তৈরির পদ্ধতিসমূহ এখনো প্যাটেন্ট হয়নি।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোজদার হোসেন বলেন, ‘টিস্যু কালচারের মাধ্যমে রাবির গবেষকদের উদ্ভাবিত উন্নত জাতের কলার চারা ইতিমধ্যেই সারাদেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় এই কলার চাষ হচ্ছে। এই কলার প্রধান বৈশিষ্ট্য কলার মোচা একসঙ্গে বের হওয়ায় উচ্চ ফলনশীল ও স্বাভাবিকের চেয়ে পরিপক্ব হতে সময় কম লাগে। সারা বছর এই কলার চারা রোপন করা যায়। সারাদেশে টিস্যু কালচার চারা সরবরাহ সম্ভব হলে দেশে কলা চাষে বিপ্লব ঘটবে।
Source: Zoom Bangla

গাছ দাদুপ্রকৃত বৃক্ষ প্রেমিমেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বাঁশবাড়িয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আজিজুল হক মাস্টার (৮৩) এলাকায় ...
09/09/2022

গাছ দাদু
প্রকৃত বৃক্ষ প্রেমি

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বাঁশবাড়িয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আজিজুল হক মাস্টার (৮৩) এলাকায় ‘গাছ দাদু’ নামে পরিচিত। দীর্ঘ ৬০ বছর এলাকার রাস্তার দু’পাশে, পতিত জমিতে ফলজ, বনজ এবং ঔষধি গাছ লাগিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এই বৃক্ষপ্রেমী।

মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের গাংনী থেকে গাঁড়াডোব পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার রাস্তার দু’পাশে চোখে পড়বে আম, কাঁঠাল, বেল, কদবেল, পেয়ারা, আমড়া, বাতাবি লেবুসহ নানা ধরনের মৌসুমী ফলের গাছ। প্রতিটি গাছই আজিজুল হকের রোপণ করা। তার রোপণ করা অনেক গাছ দীর্ঘ ৪৫ বছর ফল দিচ্ছে। এলাকার হতদরিদ্র মানুষ বিনামূল্যে এসব পুষ্টিকর ফল খাচ্ছেন।

শুধু গাছ রোপণ করেই দায়িত্ব শেষ করেননি আজিজুল হক, গাছের নিয়মিত যত্ন নেন তিনি; রাখেন খোঁজখবর। বয়সের ভারে ন্যূজ এই বৃক্ষপ্রেমী ফজরের নামাজ পড়েই বেরিয়ে পড়েন গাছের পরিচর্যা করতে। কোনো গাছ মারা গেলে সেখানে নতুন চারা রোপণ করেন। নিজের ঝাড়ের বাঁশ কেটে খাঁচা বানিয়ে লাগিয়ে দেন গাছের নিরাপত্তায়। নিজ হাতে পরিষ্কার করেন আগাছা। এমনকি কোনো জায়গা যদি নিচু মনে করেন তাহলে মাটি ভরাট করে তারপর চারা রোপণ করেন তিনি।

আজিজুল হকের পেনশনের টাকার সিংহভাগ চলে যায় চারা কেনা, গাছ পরিচর্যা এবং শ্রমিকদের পেছনে। এতে তার দুঃখ নেই, নেই কোনো অভিযোগ। গাছের নিচে বসে মানুষ যদি একটু বিশ্রামের সুযোগ পায় এতেই তার সুখ। আজিজুল হক বলেন, পরিবেশ রক্ষায় গাছের কোনো বিকল্প নেই। এলাকার অসংখ্য অসহায় মানুষ গাছের ফল খেয়ে উপকৃত হচ্ছে। গাছ পশুপাখিরও আশ্রয়স্থল।

পরিবেশ এবং মানুষের উপকারের কথা ভেবেই আজিজুল হক নিঃস্বার্থ শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। এর শুরু ১৯৬১ সালে, ছাত্রজীবনে। এখন তার অবসর জীবন। শরীর অতোটা সায় না দিলেও মনের শক্তিতে তিনি বলীয়ান। তার এমন কাজে ৮ সন্তানও গর্বিত। প্রতিবেশীরাও তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। ওয়ালিদ হোসেন বলেন, আমরা শিশুকাল থেকে দেখে আসছি গাছ দাদু রাস্তার দু’পাশসহ অন্যের বাড়িতে খালি জায়গা পেলেই গাছ লাগিয়ে দেন। এই এলাকার অধিকাংশ বাড়ি ও রাস্তার পাশে যে গাছগুলো শোভা পাচ্ছে সবই তার লাগানো।

প্রতিবেশী আলেয়া খাতুন বাড়ির পাশের একটি কাঁঠাল গাছ দেখিয়ে বলেন, সব গাছ মাস্টার সাহেবের লাগানো। আমরা ফল খাই। তবে তিনি গাছের পাতা কেটে ছাগলকে খাওয়াতে নিষেধ করেন। মাঝেমধ্যে এসে দেখে যান। গাছে লতা-পাতা উঠলে লাঠি দিয়ে নিজেই ছড়িয়ে দেন।

এমন আদর্শবান শিক্ষক আজ আমাদের সমাজে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বলে মনে করেন, গাংনী সরকারি ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক এনামুল আজিম। মেহেরপুর বনবিভাগের উপ-পরিচালক মো. জাফর উল্লাহ বলেন, সত্যিকারের বৃক্ষপ্রেমী খুঁজতে হলে গাছ দাদু হলেন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি কারো সহায়তা চান না। তারপরও সরকারের পক্ষ থেকে এই মহানুভব ব্যক্তিকে সম্মাননা দেওয়ার জন্য বনবিভাগ থেকে নাম প্রস্তাব করেছি।

যদি একদিন পৃথিবীর সব গাছ উজাড় হয়ে যায়?২০১৯ সালের আগস্টে যখন ব্রাজিলে আমাজন বন জ্বলছিল, তখন চিন্তিত দেখা গেছে হাজার কিলোম...
13/01/2022

যদি একদিন পৃথিবীর সব গাছ উজাড় হয়ে যায়?

২০১৯ সালের আগস্টে যখন ব্রাজিলে আমাজন বন জ্বলছিল, তখন চিন্তিত দেখা গেছে হাজার কিলোমিটার দূরের অনেক মানুষকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাজনের জন্য লাখ লাখ মানুষ প্রার্থনাও করেছেন।

ব্রাজিলের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্পেস রিসার্চের তথ্যমতে, চলতি বছর আগের তুলনায় আমাজনে আগুন লাগার ঘটনা ৮৪ শতাংশ বেশি ছিল। একই সাথে গত বছরের মতো একই সময়ে আমাজনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।

আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। সেই ফুসফুসকে জ্বলতে দেখে বিশ্বনেতাসহ সাধারণ মানুষ সকলেই চিন্তায় পড়ে যান।

চিন্তার অবশ্য বেশ কারণ রয়েছে৷ কেননা বিশ্ব জুড়ে বনভূমি উজাড়ের হার উদ্বেগজনক। আজ থেকে ১২ হাজার বছর আগে মানবজাতি যখন কৃষি কাজ করা শুরু করে, তখন পৃথিবীর অর্ধেক জুড়ে গাছ ছিল প্রায় ৫.৮ ট্রিলিয়ন।

বর্তমান পৃথিবীতে গাছের সংখ্যা কত জানেন? ২০১৫ সালে ন্যাচার সাময়িকীতে প্রকাশিত এক জার্নালের তথ্যমতে, পুরো পৃথিবীতে গাছের সংখ্যা তিন ট্রিলিয়ন।

কিন্তু এই তিন ট্রিলিয়ন গাছ যে নিরাপদে আছে- তা বলার সুযোগ নেই৷ ন্যাচারের গবেষণা অনুযায়ী, প্রতি বছর সারা পৃথিবীতে ১৫ বিলিয়ন গাছ কাটা পড়ছে। শিল্পের প্রসার হওয়ার পর থেকে সারা পৃথিবীতে প্রায় ৩২ শতাংশ বনভূমি কমেছে, যা ক্রমাগত হারে বেড়েই চলছে।

প্রশ্ন হচ্ছে, যদি কোনো এক সময় পৃথিবীর সব বনভূমি উজাড় হয়ে যায়, তাহলে কী ঘটবে? বাস্তবিক অর্থে পৃথিবীর সকল গাছ কখনোই উজাড় হবে না, কিন্তু বনভূমির পরিমাণ কমতে কমতে বিপদসীমার কাছাকাছি চলে আসতে পারে। যদি আমরা তর্কের খাতিরে মেনে নিই যে, কোনো কারণে এক রাতের ব্যবধানে পৃথিবীর সব গাছ উজাড় হয়ে গেছে- তখন আসলে আমাদের এই পৃথিবীতে কী ঘটবে? মানুষসহ অন্যান্য প্রজাতি কতদিন কোনো গাছ ছাড়া টিকে থাকতে পারবে?

পৃথিবীর জন্য গাছ হলো আয়ুরেখার মতো। গাছ ছাড়া পৃথিবীর অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। অন্য গ্রহগুলোর সাথে পৃথিবীর মূল পার্থক্য হলো, এখানে মানুষের বসবাস উপযোগী পরিবেশ রয়েছে। আর সেই পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে একমাত্র গাছের জন্য। গাছ ছাড়া আমরা যে পৃথিবী কল্পনা করতে পারি, সেখানে মানবজাতিসহ অন্যান্য প্রজাতির কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।

ইতোমধ্যে বনভূমি উজাড় হওয়ার ফলে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হওয়া শুরু করেছে। এর মধ্যে যদি কোনো কারণে পৃথিবীর বাকি সব গাছ হারিয়ে যায়, তা হবে সকল প্রজাতির প্রাণীর জন্য সর্বনাশা এক পরিস্থিতি।

যেসব স্থানে বনভূমি উজাড় হবে, সেখানে সর্বাধিক প্রভাব পড়বে। সেই সাথে বিপদে পড়তে হবে বনভূমি থেকে দূরে থাকা অঞ্চল সমূহকেও। তবে যেসব প্রজাতির প্রাণী সরাসরি একক কোনো গাছ অথবা গাছের কোনো অংশের ওপর নির্ভরশীল, তাদের বিলুপ্তি ঘটবে সবার প্রথমে।

২০১৮ সালে এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব অঞ্চলে গাছের পরিমাণ বেশি, সেখানে মুক্ত এলাকার চেয়ে ৫০-১০০ শতাংশ বেশি প্রজাতির প্রাণীর বসবাস। এমনকি কোনো ফাঁকা স্থানের একটি গাছও জীববৈচিত্র্যকে চুম্বকের মতো আকর্ষণ করে। সেগুলো বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করার পাশাপাশি তাদের খাবার ও আশ্রয় দিয়ে থাকে।

এর অর্থ হলো, একক কোনো গাছের বিলুপ্তিও প্রাণী জগতে অনেক বড় প্রভাব সৃষ্টি করে। একটি গাছ কাটা মানে অনেকগুলো প্রাণীর আহার ও বাসস্থান ধ্বংস করা।

গাছ প্রকৃতিতে প্রাকৃতিক পাম্প হিসেবে কাজ করে। মাটির নিচ থেকে পানি শোষণ করে প্রস্বেদনের মাধ্যমে প্রকৃতিতে বাষ্প আকারে ছড়িয়ে দেয়, যা আবার বৃষ্টি আকারে ঝরে পড়ে। আমরা এটিকে পানিচক্র হিসেবে জানি।

আর পানিচক্র প্রকৃতির জন্য কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ, সে বিষয়ে আমরা স্কুলের বই পাঠ করেই জেনে এসেছি। যদি গাছ না থাকে, তাহলে এই পানিচক্রে স্বাভাবিকভাবেই ব্যাঘাত ঘটবে।

গাছ শুধু যে বৃষ্টি হতে সাহায্য করে, সেটা নয়। বৃষ্টি ও বন্যার পানিকে আটকে ভূমিধ্বসে বাধাও দিয়ে থাকে। পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলে বড় বড় ঝড় আটকাতে বড় ভূমিকা পালন করে গাছপালা। যার প্রমাণ সুন্দরবন কিছুদিন আগেই দিয়েছে। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলকে বুক চিতিয়ে বাধা দিয়ে উপকূলের মানুষকে বড় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করেছে দেশের সর্ববৃহৎ এই বন।

যদি সব বনভূমি উজাড় হয়ে যায়, তাহলে স্বাভাবিকভাবে সেসব অঞ্চল শুষ্ক হতে হতে মরুভূমিতে পরিণত হবে। এর আগে যদি কখনো ভারি বৃষ্টি হয়, তাহলে সেখানে বড় ধরনের ভূমিধ্বস হবে। কারণ বৃষ্টির পানিকে বাধা দেওয়ার মতো কোনো কিছু তখন থাকবে না। এতে করে সমুদ্র উপকূল ও নদীর পাশ্ববর্তী বিভিন্ন অঞ্চলের বড় একটি অংশ পানির মধ্যে চলে যাবে। পাশাপাশি বড় ধরনের ভূমিধ্বস সমুদ্রে বসবাসকারী জলজ প্রাণীদের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে।

গাছ মানুষকে যে ছায়া প্রদান করে, তা এককথায় অমূল্য। সূর্যের আলো থেকে মাটি যে তাপ শোষণ করে, গাছের ছায়ার মাধ্যমে তা আবার কমে যায়। কারণ গাছ পরিবেশ থেকে তাপ শোষণ করে।

এছাড়া গাছ পরিবেশ থেকে কার্বন ডাই অক্সাইডও শোষণ করে। সেই গাছই যদি না থাকে, পরিবেশে কার্বনের পরিমাণ বেড়ে যাবে। এবং সেইসাথে তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পাবে। মাত্র ২৫ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি উজাড় করার কারণে গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলে বছরে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে বাড়ে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বৈশ্বিকভাবে গাছ ইতোমধ্যে উষ্ণায়নের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। তাদের প্রতি বছর পরিবেশ থেকে বিপুল পরিমাণ কার্বন শোষণ করতে হচ্ছে। কিন্তু এরপরও তাদের কাটা পড়তে হচ্ছে৷ যার ফলে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে৷

জাতিসংঘের ইন্টার গভর্নমেন্ট প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জের তথ্যমতে, পুরো বিশ্বের মোট কার্বন নির্গমনের ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে অরণ্যের বিনাশের কারণে।

যদি সারাবিশ্বে কোনো গাছের অস্তিত্ব না থাকে, তাহলে ধারণা করা হচ্ছে, তখন পরিবেশে মোট কার্বনের পরিমাণ দাঁড়াবে ৪৫০ গিগাটনে, যা এতদিন মানুষ যে পরিমাণ কার্বন ত্যাগ করেছে তার দ্বিগুণ।

এর প্রভাব পড়বে ছোট ছোট উদ্ভিদের উপর, বিশেষ করে ঘাস। ছোট প্রজাতির উদ্ভিদ যখন বড় বড় উদ্ভিদের তুলনায় অধিক হারে কার্বন গ্রহণ করবে, তখন তারা তা পুরোপুরি নিজেদের মধ্যে ধারণ করতে পারবে না। একসময় তারা আবার প্রকৃতিতে কার্বন ত্যাগ করবে। এবং কয়েক দশকের মধ্যে এসব উদ্ভিদও হারিয়ে যাবে। ফলে পরিবেশ থেকে কার্বনের পরিমাণ কমার কোনো সুযোগ তখন থাকবে না৷
প্রকৃতিতে একবার যখন কার্বনের পরিমাণ বাড়তে থাকবে, তখন তা বোমায় পরিণত হবে। বলা যায়, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বোমা হবে সেটি। আকারেও হবে বিশাল। কেননা, পুরো পৃথিবীই তখন একটি একক বোমায় পরিণত হবে।

পৃথিবী তার স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকশত গুণ উষ্ণ হয়ে উঠবে। এমনকি সাগরের পানিতে কার্বন মিশে যাবে। এতে করে অতিরিক্ত অম্লীকরণ ঘটে সাগরে বসবাস করা সকল প্রাণীর মৃত্যু ঘটবে।

বৈশ্বিক উষ্ণতা বিপদসীমা অতিক্রম করার আগেই মানুষের ভোগান্তি শুরু হবে। অতিরিক্ত তাপমাত্রার এবং গাছের অভাবে পানিচক্র ভেঙে পড়বে। একইসাথে ছায়ার অভাবে কয়েক বিলিয়ন মানুষ ও পশুপাখির মৃত্যু ঘটবে।

বর্তমানে প্রায় ১.৬ বিলিয়ন মানুষ সরাসরি গাছের ওপর নির্ভরশীল। যাদের অনেকে খাবার ও ঔষধ উৎপাদনের সাথে জড়িত। গাছ হারিয়ে গেলে তাদের মধ্যে দরিদ্রতা ও মৃত্যু হানা দেবে। বিশ্ব জুড়ে লাখ লাখ কাঠুরে, কাগজ নির্মাতা, কাঠমিস্ত্রী ও ফল উৎপাদনকারীরা হঠাৎ করেই কর্মহীন হয়ে যাবেন। যার প্রভাব পড়বে বিশ্ব অর্থনীতিতে।

বিশ্ব ব্যাংকের তথ্য বলছে বর্তমানে ১৩.২ মিলিয়ন মানুষ সরাসরি কাঠশিল্পের উপর নির্ভরশীল, যারা প্রতি বছর ৬০০ বিলিয়ন ডলার উৎপাদন করছে।
গাছের অভাবে কৃষি ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। যে সকল ফসল ছায়ায় উৎপন্ন হয়, সেসবের উৎপাদন বহুলাংশে কমে যাবে। অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের অভাবে অধিকাংশ ফসলের উৎপাদন কমে যাবে। যে সকল ফসল বর্তমানে চাষ করতে সমস্যা হচ্ছে, সেগুলো তখন একেবারে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। মাটি অতিরিক্ত শুষ্ক হওয়ার কারণে ফসল চাষের জন্য মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু একসময় সেসবও অকার্যকর হয়ে পড়বে। তখন পৃথিবীর অধিকাংশ ভূমি চাষ ও বসবাসের জন্য অযোগ্য হয়ে পড়বে।

পৃথিবীর সকল গাছের বিলুপ্তি মানুষের স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। গাছ পরিবেশ থেকে বিভিন্ন প্রকার দূষণকারী পদার্থ শোষণ করে এবং বিভিন্ন বস্তুকণা তার পাতা ও ডালের মাধ্যমে আটকে রাখে, যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর৷

ইউএস ফরেস্ট সার্ভিসের হিসাবমতে, শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের গাছগুলো প্রতি বছর ১৭.৪ মিলিয়ন টন দূষণকারী পদার্থ পরিবেশ থেকে শোষণ করে, যা পরিষ্কার করতে গেলে ব্যয় হবে ৬.৮ বিলিয়ন ডলার। শুধু তা-ই নয়, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর গাছের এই ভূমিকা ৮৫০ মানুষের জীবন রক্ষা করে। পাশাপাশি ৬ লাখ ৭০ হাজার মানুষের তীব্র শ্বাসকষ্টের সমস্যা থেকে দূরে থাকতে সহায়তা করে।

গাছের অভাবে বিরল ও নতুন নতুন রোগের বিস্তার ঘটে। ইবোলা ভাইরাস এর বড় উদাহরণ। যদি হঠাৎ করে পৃথিবীর সব গাছ হারিয়ে যায়, তাহলে ইবোলা, নিপাহ এবং ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসের দ্রুত বিস্তার ঘটবে। পাশাপাশি মশার মাধ্যমে ছড়ানো ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাবও বেড়ে যাবে।

তবে গাছের অভাব শুধুমাত্র শারীরিকভাবে নয়, মানসিকভাবেও আঘাত করবে। উদ্যান ও বনভূমি মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

নিউ ইয়র্কের স্টেট ডিপার্টমেন্ট অভ এনভায়রনমেন্টাল কনজসরভেশন দুশ্চিন্তা কমিয়ে এনার্জি লেভেল ও ঘুমের উন্নতির জন্য উদ্যানে হাঁটার পরামর্শ দিয়েছেন।

স্বাস্থ্যসেবায় গাছের ভূমিকা আরো গভীর। ১৯৮৪ সালে এক গবেষণায় জানা যায়, কোনো অস্ত্রোপচারের পর যদি রোগীকে চার দেয়ালে বন্দী রাখা হয়, তাহলে তার সুস্থ হতে সময় বেশি লাগে। বিপরীতে তার কক্ষের পাশে যদি সবুজ কোনো প্রকৃতির দৃশ্য থাকে, তাহলে রোগী অল্পদিনেই সুস্থ হয়ে উঠেন। সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় জানা গেছে, বাচ্চারা যদি সবুজ প্রকৃতির মধ্যে খেলাধুলা করে, তাহলে তাদের মধ্যে ইতিবাচক মানসিকতা গড়ে ওঠে। পাশাপাশি তারা পড়াশোনায় অধিক মনোযোগী হয়।

গাছের গুণকীর্তন এখানেই শেষ করা সম্ভব নয়। গাছ অপরাধ কমাতেও সাহায্য করে!

যুক্তরাষ্ট্রের বাল্টিমোরে ১০ শতাংশ গাছের বৃদ্ধি ঘটার ফলে ১২ শতাংশ অপরাধ হ্রাস পেয়েছে। এমনকি জাপানের চিকিৎসকরা বর্তমানে রোগ নিরাময়ের জন্য 'ফরেস্ট বাথ' এর পরামর্শ দিচ্ছেন।

গাছের বিলুপ্তি পরিবেশ, স্বাস্থ্য কিংবা অর্থনীতি ছাড়াও সংস্কৃতিতেও আঘাত হানবে। গাছ বিশ্বের প্রতিটি দেশের শিল্প, সাহিত্য, কাব্য, গান ও আরো অনেক অংশে জুড়ে রয়েছে। গাছের বিলুপ্তি মানে এসবও হারিয়ে যাবে। বহু কবিতা কিংবা গানের কথা তার বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে। এছাড়া, গাছ বিভিন্ন ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের সাথেও জড়িত। গাছের অভাবে অনেক এসব ধর্মীয় অনুষ্ঠানও হারিয়ে যাবে।

সবশেষে প্রশ্ন হলো, মানুষ কি গাছ ছাড়া টিকতে পারবে? উত্তর হচ্ছে- না। পৃথিবীতে যদি কোনো গাছ না থাকে, তাহলে পৃথিবীতে কোনো মানুষের অস্তিত্বও থাকবে না। কেননা গাছের অভাবে বাতাস বিষাক্ত হয়ে যাবে। চাষযোগ্য কোনো জমি থাকবে। উদ্ভিদ ও প্রাণীজ কোনো খাবারই থাকবে না৷ এছাড়া পরিবেশ শুষ্ক হতে হতে বিশ্বের প্রায় সকল ভূমি মরুভূমিতে পরিণত হবে। ফলে তীব্র পানির সংকট দেখা দেবে। পানি, অক্সিজেন ও খাবার ছাড়া কোনো মানুষের পক্ষে টিকে থাকা সম্ভব? অবশ্যই না। তবে সব মানুষ একদিনে মারা যাবে এমন না। তবে পর্যায়ক্রমে সব মানুষেরই মৃত্যু হবে।

তবে এর সমাধান অবশ্যই আছে। আর তা হলো, এখন থেকেই প্রচুর পরিমাণে গাছ লাগানো। কারণ একমাত্র গাছই পারে আমাদের আগের পরিবেশকে ফিরিয়ে দিতে।

এখন সিদ্ধান্ত আমাদের। আমরা কি পরিবেশ ধ্বংস করে শিল্প গড়ে তুলবো, নাকি আমাদের পৃথিবীর আরো সুন্দর করে গড়ে তোলার জন্য বনভূমিকে টিকিয়ে রাখবো? পৃথিবী আমাদের, জীবনও আমাদের। আজ আমরা পৃথিবীর যে ক্ষতিসাধন করে যাব, তার ফল ভোগ করবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। তাই আমাদের এখনই ভাবা প্রয়োজন, আমরা সুন্দরবন কিংবা মহেশখালী ধ্বংস করব, নাকি নিজেদের জন্যই এসব টিকিয়ে রাখব?

ভালবাসা সিমাহীন
27/12/2021

ভালবাসা সিমাহীন

কাটা মুকুট
21/10/2021

কাটা মুকুট

যারা পানি দিয়ে গোসল করে তারা কাপড় বদলায়, আর যারা ন্যায়ের পথে থেকে ঘাম দিয়ে রক্ত দিয়ে গোসল করে তারা বদলায় ইতিহাস।
01/10/2021

যারা পানি দিয়ে গোসল করে তারা কাপড় বদলায়, আর যারা ন্যায়ের পথে থেকে ঘাম দিয়ে রক্ত দিয়ে গোসল করে তারা বদলায় ইতিহাস।

খুব ডিপ্রেসড তুমি তাইনা?উঠতে.. বসতে.. খাইতে ..না চাইতেই চোখ দিয়া গঙ্গার জলের মত স্রোত নাইমা আসে... মনে খুব কষ্ট তোমার!!ক...
20/09/2021

খুব ডিপ্রেসড তুমি তাইনা?
উঠতে.. বসতে.. খাইতে ..না চাইতেই চোখ দিয়া গঙ্গার জলের মত স্রোত নাইমা আসে...
মনে খুব কষ্ট তোমার!!
কারও সাথে কথা বলতে ইচ্ছা করেনা...
খাইতে ইচ্ছা করেনা ...
বাইরে যাইতে ইচ্ছা করেনা...
কাউরে ইজ্জত দিতে মন চায়না ...তাইনা?
শুধু নিজের রুমের লাইট টা অফ করে দরজা লাগায় শুয়ে থাকা আর তোমার জীবনকে কারা কারা কতভাবে জাহান্নাম বানাইতেছে এই চিন্তা কর।
অথচ একবারও চিন্তা করনা তোমার জন্মদাতা পিতা-মাতার কথা যারা জন্মের পর থেকে এতবছর আগলায় রাখল...
এতটুকু গায়ে আচর লাগতে দেয় নাই...
যে মা ছোট থাকতে তুমি বিছানা থেকে পরে যাওয়ার পর তোমার চেয়েও বেশি কাদছে ...
যে বাপ তোমার মায়ের সাথে শুধু
ঝগড়া করছে তোমার গায়ে হাত তুলছে বলে... তাদের কথা
আজকে তুমি একবারও চিন্তা করনা?
খুব বড় হয়ে গেছ ...
খুব slightsmile ইমোটিকন
আজকে তাঁরা আর তোমারে আগলায় রাখতে পারতেছে
না...তুমি তাদেরকে সুযোগটাই দিচ্ছ না।
অপরাধী বানাইতেছ উনাদের।

আজ সুইসাইড করে দেখো,
তোমার বয়/গার্ল ফ্রেন্ড বলবো, যাক বাবা বাচলাম,
সুইসাইড নোটে আমার নাম লিখে নাই।
লিখলে ভেজালে পরতাম।

মেয়ে ! তুমি জীবনের কতটুকু দেখছ? কয়টা বাজে কথা শুনতেছ ...
মেজাজ ঠিক রাখতে পারিনা যখন দেখি
বয়ফ্রেন্ড ছাইড়া চলে গেছে বলে জীবন রাখতে মন চায়না তাদের...
নাক চিপ দিলে দুধ বের হবে অথচ ভাবসাব
কি expressionless ইমোটিকন তোমাদের বয়সে সন্ধ্যা হইলে মোবাইল নিয়ে বসার সময় ছিল না ইভেন মোবাইলই ছিল না।
ম্যাথ খাতা নিয়ে বসতাম প্রতিদিন...
স্কুলের Home Work করতে আর রাতের বেলায় ত গভীর ডিপ্রেশন এ যাওয়ার সময়ই নাই !!! পরের দিন সকাল সাতটায় কোচিং..এই টেনশনেই ঘুমায় যাইতাম।
সত্যি কথা বলতে লজ্জা নাই , Depression নামে যে একটা
শব্দ আছে এইটাই জানলাম কয়েকদিন আগে... এগুলার
কন্সেপ্টই আমাদের সময় ছিল না। আমরাও কষ্ট পাইছি।
কয়েকটা দিন খারাপ গেছে ।
কিন্তু তাই বলে জীবন ছেড়েছুড়ে দিয়ে বসে পড়ি নাই ।

ছেলে !
লজ্জা করেনা? গর্ভধারিণী মা একটা প্যারাসিটামল এনে দিতে বললে যেখানে কষ্ট হয়
তোমার সেখানে তুমি দুইদিনের পরিচয়ের একটা মেয়ের জন্য সারপ্রাইজ প্ল্যান বানাও ... হাজার হাজার টাকার গিফট দাও ...
ড্রেস কিনে দাও ...
পারলারের খরচ বহন কর...
আবার দুইদিন পর যখন তোমার চেয়ে পয়সাওয়ালা ছেলে পায়া চলে যায় তখন আবার ঐ মেয়ের জন্যই
ডিপ্রেশনে চইলা যাও...
হাত কাটাছিড়া কর ...
ব্যাকগ্রাউন্ডে "হাম তেরে বিন আব রেহে নেহি ছাকতে"
ছাইড়া ক্যামেরার সামনে মাইয়া মানুষের মত কাইন্দা
ভিডিও আপ্লোড দেও...
লজ্জা নাই... না?
জীবনে কষ্ট কি জিনিস ...
লড়াই করে বেঁচে থাকা কি জিনিস...
সেটা একদিন পঙ্গু হাসপাতালে একটা ভিজিট
করে আসার পর বুঝতে পারবা...
কারও হাত নাই , কারও পা ঝুলাই রাখছে ...কারও আবার পা'ই নাই , কারও আংগুল নাই , কারও কান নাই ...
অথচ দিনশেষে এই মানুষগুলাও বেঁচে থাকার আশা হারায় না !
এই মানুষগুলাও এই লিমিটেশনগুলা নিয়েই আবার যান্ত্রিক জীবনে ফিরে যাবে আবার সাধারণ মানুষগুলার সাথে পাল্লা দিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই করে যাবে ...!
আমার ডিপ্রেসড জেনারেশন , তোমরা কত লেইম একবার
চিন্তা করছ?
ডিপ্রেশন কি জিনিস !
ঐ বেকার ছেলেটাকে গিয়ে
জিজ্ঞেস কর যার দিকে পুরো একটা পরিবার তাকিয়ে
অথচ মাসের পর মাস রিজেক্ট হয়েই যাচ্ছে ...!
হায়রে আমার ডিপ্রেসড জেনারেশন !
হাস্যকর!

কাটা সুন্দরী
18/09/2021

কাটা সুন্দরী

এগ্লাওনিমা সুন্দরীরা
14/09/2021

এগ্লাওনিমা সুন্দরীরা

মাশাআল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ এত ছোট মালবেরি কাটিং থেকে চারা হয়েছে।সাথে গিফট হিসেবে ফলও ধরেছে
13/09/2021

মাশাআল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ
এত ছোট মালবেরি কাটিং থেকে চারা হয়েছে।
সাথে গিফট হিসেবে ফলও ধরেছে

Address

Narayanganj

Telephone

+8801406990167

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Plant dot com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Plant dot com:

Share

Category