RUMIS HOME DECOR

RUMIS HOME DECOR We are providing home decorating services.

20/03/2026

"ইয়া বাদিউস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ" (يَا بَدِيعَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ) হলো আল্লাহর একটি বিশেষ গুণবাচক জিকির বা দোয়া, যার অর্থ—"হে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর অপূর্ব সৃষ্টিকর্তা"। এটি আল্লাহর অনন্য সৃষ্টি ক্ষমতাকে নির্দেশ করে এবং এটি ইসমে আজমের অন্তর্ভুক্ত, যা দ্বারা দোয়া করলে আল্লাহ কবুল করেন এবং মনের আশা পূরণ করেন বলে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।
ফজিলত ও আমল:
হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর স্বীকৃতি: এক সাহাবী এই শব্দগুলো দ্বারা দোয়া করলে রাসূল (সা.) বলেন, তিনি আল্লাহর এমন নাম বা ইসমে আজমের মাধ্যমে দোয়া করেছেন যা দিয়ে ডাকলে তিনি সাড়া দেন।
মনের আশা পূরণ: যে কোনো বৈধ ও উত্তম হাজত বা মনের আশা পূরণের জন্য এই জিকিরটি অত্যন্ত কার্যকর।
ঋণ মুক্তি: কিছু বর্ণনায় রয়েছে, কোনো ফরয নামাজের পর ৪১ বার বা নিয়মিত আমল করলে ঋণ মুক্তি ও রিজিক বৃদ্ধি পায়।
বিস্ময়কর সৃষ্টি: "বাদীউ" অর্থ যিনি পূর্বনমুনা ছাড়াই নতুনভাবে সৃষ্টি করেন। এই নামের উসিলা দিলে আল্লাহ কঠিন কাজ সহজ করে দেন।
সাধারণত, 'আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বি-আন্না লাকাল হাম্দ, লা ইলাহা ইল্লা আনতাল হান্নানুল মান্নান, বাদিউস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ, ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম, ইয়া হাইয়ু, ইয়া কাইয়ুম'—এই পুরো দোয়াটি আমল করার বিধান পাওয়া যায়।

11/03/2026

মাসজিদ আল-হারামের ইমাম শাইখ আব্দুর রহমান আস সুদায়স রমজানের শেষ দশ দিনের জন্য চমৎকার এক আমলের ফর্মুলা দিয়েছেন।
[১] প্রতিদিন এক দিরহাম (এক টাকা) দান করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর বা ১০০০ মাস পর্যন্ত প্রতিদিন এক টাকা দান করার সাওয়াব পাবেন।

[২] প্রতিদিন দুই রাকা'আত নফল সালাত আদায় করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন দুই রাকা'আত নফল সালাত আদায় করার সাওয়াব পাবেন।

[৩] প্রতিদিন তিনবার সূরা ইখলাস পাঠ করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন এক খতম ক্বুর'আন পাঠের সাওয়াব পাবেন।

তিনি আরো বলেন, এ কথাগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিন, যারা আপনার এ কথা শুনে আমল করবে, আপনিও তাদের আমলের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ্। কারণ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "ভালো কাজের পথপ্রদর্শনকারী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, কিন্তু আমলকারীর সাওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।
(মুসলিম, ২৬৭৪)

আল্লাহ পাক যেন সবাইকে বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করেন , আমিন।

09/03/2026

পুরো রমজান মাস জুড়ে এই আমল করুন—ইনশাআল্লাহ বিয়ে, চাকরি, মনের শান্তি ও জীবনের কল্যাণ পাবেন!

রমজান এসেছে—রহমত, মাগফিরাত ও দোয়া কবুলের সোনালি মাস! এ মাসে গুনাহ মাফ হয়, রহমতের দরজা খোলে, রিজিক বাড়ে এবং আল্লাহ বান্দার নেক চাহিদা পূরণ করেন। অনেকের জীবনে আজ বিয়ের অপেক্ষা, চাকরির চিন্তা, মনের অস্থিরতা—এসবের সমাধান আল্লাহর কাছে। রোজা, নামাজ, কুরআন ও ইস্তেগফার দিয়ে গুনাহ দূর করলে আল্লাহ সবকিছু সহজ করে দেন।

এখানে সংক্ষিপ্ত কিন্তু খুবই কার্যকর আমলগুলো দিলাম কুরআন-হাদিসের আলোকে, সহজে করা যায় এবং অনেকে আমল করে আল্লাহর রহমতে ফল পেয়েছেন।

প্রধান আমলগুলো (পুরো রমজান জুড়ে):

১. বেশি বেশি ইস্তেগফার
সারাদিন, ইফতার-সেহরি, নামাজের পর "আসতাগফিরুল্লাহ" জারি রাখুন। হাদিসে আছে—ইস্তেগফার দুশ্চিন্তা দূর করে, রিজিক বাড়ায় এবং বন্ধ দরজা খোলে। গুনাহ মাফ হলে দোয়া কবুলের পথ সহজ হয়।

২. সূরা ফুরকানের ৭৪ নম্বর আয়াত (চোখের শীতলতার দোয়া)
প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর গভীর মনোযোগ সহকারে পড়ুন:

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

উচ্চারণ: রাব্বানা হাব লানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া যুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ'ইউনিঁ ওয়াজআলনা লিলমুত্তাকীনা ইমামা।

অর্থ: হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী-সন্তানদের মধ্য থেকে চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদের মুত্তাকীদের জন্য ইমাম বানিয়ে দিন।

এ দোয়া নেক জীবনসঙ্গী ও পরিবারের শান্তির জন্য সরাসরি কুরআনি দোয়া।

৩. হজরত মুসা (আ.)-এর দোয়া (সূরা কাসাস ২৪) সেজদায় বা যেকোনো সময় বেশি পড়ুন:

رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ

উচ্চারণ: রাব্বি ইন্নী লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাকীর।
অর্থ: হে আমার রব! তুমি আমার প্রতি যে কোনো কল্যাণ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।

এ দোয়া বিয়ে, চাকরি, রিজিক—সব খায়রের জন্য অসাধারণ।

৪. দোয়া কবুলের সময়গুলোতে দোয়া।
তাহাজ্জুদ (শেষ রাতে উঠে), সেজদায়, ইফতারের মুহূর্তে, তারাবীহর পর—এসব সময় নিজের চাহিদা বলুন:
"ইয়া আল্লাহ! আমাকে নেক জীবনসঙ্গী দান করুন, হালাল চাকরি দান করুন, মনের শান্তি দান করুন।

৫. সদকা ও অন্যের জন্য দোয়া।
প্রতিদিন অল্প হলেও সদকা দিন—সদকা বিপদ দূর করে। যারা বিয়ে-চাকরির অপেক্ষায়, তাদের জন্য দোয়া করুন; ফেরেশতারা আপনার জন্য দোয়া করবেন।

৬. নিয়মিত নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত ও রুকইয়াহ।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ (জামাতে পড়বেন পুরুষ হলে) তারাবীহ ছাড়বেন না। বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করুন। সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক-নাস, আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পড়ে নিজেকে হেফাজত করুন।

ভাই-বোনেরা, এ আমলগুলো সহজ, কিন্তু ইখলাস ও ভরসা নিয়ে করলে আল্লাহ পরিবর্তন করে দেন। রমজান হলো পরিবর্তনের মাস—আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে নেক জীবনসঙ্গী, হালাল রিজিক ও মনের শান্তি দান করেন। এবং রমজানের সকল রহমত দান করেন.. আমীন।

এ পোস্ট শেয়ার করুন, অন্যদেরও উপকার হোক। আল্লাহ আমাদের কবুল করুন!

#রমজানেরআমল #দোয়াকবুল #বিয়েরদোয়া #চাকরিরদোয়া #ইস্তেগফার #কুরআনিদোয়া #ইনশাআল্লাহ #আল্লাহররহমত
(সংগৃহীত)

05/03/2026
`📚 সহীহ বুখারী হাদীস নং ৩৪৯`*আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ*তিনি বলেনঃ আবূ যার (রাঃ) রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আ...
05/03/2026

`📚 সহীহ বুখারী হাদীস নং ৩৪৯`

*আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ*

তিনি বলেনঃ আবূ যার (রাঃ) রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ আমি মক্কায় থাকা অবস্থায় আমার গৃহের ছাদ উন্মুক্ত করা হ’ল। অতঃপর জিব্‌রীল (‘আঃ) অবতীর্ণ হয়ে আমার বক্ষ বিদীর্ণ করলেন। আর তা যমযমের পানি দ্বারা ধৌত করলেন। অতঃপর হিকমাত ও ঈমানে ভর্তি একটি সোনার পাত্র নিয়ে আসলেন এবং তা আমার বুকের মধ্যে ঢেলে দিয়ে বন্ধ করে দিলেন। অতঃপর হাত ধরে আমাকে দুনিয়ার আকাশের দিকে নিয়ে চললেন।

পরে যখন দুনিয়ার আকাশে আসলাম জিব্‌রীল (‘আঃ) আসমানের রক্ষককে বললেনঃ দরজা খোল। আসমানের রক্ষক বললেনঃ কে আপনি? জিব্‌রীল (‘আঃ) বললেনঃ আমি জিব্‌রীল (‘আঃ)। (আকাশের রক্ষক) বললেনঃ আপনার সঙ্গে কেউ রয়েছেন কি? জিব্‌রীল বললেনঃ হাঁ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রয়েছেন। অতঃপর রক্ষক বললেনঃ তাকে কি ডাকা হয়েছে? জিব্‌রীল বললেনঃ হাঁ। অতঃপর যখন আমাদের জন্য দুনিয়ার আসমানকে খুলে দেয়া হল আর আমরা দুনিয়ার আসমানে প্রবেশ করলাম তখন দেখি সেখানে এমন এক ব্যক্তি উপবিষ্ট রয়েছেন যার ডান পাশে অনেকগুলো মানুষের আকৃতি রয়েছে আর বাম পাশে রয়েছে অনেকগুলো মানুষের আকৃতি। যখন তিনি ডান দিকে তাকাচ্ছেন হেসে উঠছেন আর যখন বাম দিকে তাকাচ্ছেন কাঁদছেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ স্বাগতম ওহে সৎ নবী ও সৎ সন্তান। আমি (রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) জিব্‌রীল (‘আঃ)-কে বললামঃ কে এই ব্যক্তি? তিনি জবাব দিলেনঃ ইনি হচ্ছেন আদম (‘আঃ)। আর তাঁর ডানে বামে রয়েছে তাঁর সন্তানদের রূহ। তার মধ্যে ডান দিকের লোকেরা জান্নাতী আর বাম দিকের লোকেরা জাহান্নামী। ফলে তিনি যখন ডান দিকে তাকান তখন হাসেন আর যখন বাম দিকে তাকান তখন কাঁদেন।

অতঃপর জিব্‌রীল (‘আঃ) আমাকে নিয়ে দ্বিতীয় আসমানে উঠলেন। অতঃপর তার রক্ষককে বললেনঃ দরজা খোল। তখন এর রক্ষক প্রথম রক্ষকের মতই প্রশ্ন করলেন। পরে দরজা খুলে দেয়া হল। আনাস (রাঃ) বলেনঃ আবূ যার (রাঃ) উল্লেখ করেন যে, তিনি [রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] আসমানসমূহে আদম, ইদরীস, মূসা, ‘ঈসা এবং ইব্‌রাহীম (‘আলাইহিমুস সালাম)-কে পান। কিন্তু আবূ যার (রাঃ) তাদের স্থানসমূহ নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেননি। তবে এতটুকু উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আদম (‘আঃ)-কে দুনিয়ার আকাশে এবং ইব্‌রাহীম (‘আঃ)-কে ষষ্ঠ আসমানে পান।

আনাস (রাঃ) বলেনঃ জিব্‌রীল (‘আঃ) যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে নিয়ে ইদরীস (‘আঃ) নিকট দিয়ে অতিক্রম করেন তখন ইদরীস (‘আঃ) বলেনঃ মারহাবা ওহে সৎ ভাই ও পুণ্যবান নবী। আমি (রসূলুল্লাহ্‌) বললামঃ ইনি কে? জিব্‌রীল বললেনঃ ইনি হচ্ছেন ইদরীস (‘আঃ)। অতঃপর আমি মূসা (‘আঃ)-এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করাকালে তিনি বলেনঃ মারহাবা হে সৎ নবী ও পুণ্যবান ভাই। আমি বললামঃ ইনি কে? জিব্‌রীল বললেনঃ ইনি মূসা (‘আঃ)। অতঃপর আমি ‘ঈসা (‘আঃ)-এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করাকালে তিনি বলেনঃ মারহাবা হে সৎ নবী ও পুণ্যবান ভাই। আমি বললামঃ ইনি কে? জিব্‌রীল বললেনঃ ইনি হচ্ছেন ‘ঈসা (‘আঃ)। অতঃপর আমি ইব্‌রাহীম (‘আঃ)-এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করলে তিনি বলেনঃ মারহাবা হে পুণ্যবান নবী ও নেক সন্তান। আমি বললামঃ ইনি কে? জিব্‌রীল (‘আঃ) বললেনঃ ইনি হচ্ছেন ইব্‌রাহীম (‘আঃ)।

ইব্‌নু শিহাব বলেনঃ ইব্‌নু হায্‌ম (রহঃ) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইব্‌নু ‘আব্বাস ও আবূ হাব্বা আল-আনসারী উভয়ে বলতেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর আমাকে আরো উপরে উঠানো হল অতঃপর এমন এক সমতল স্থানে এসে আমি উপনীত হই যেখানে আমি লেখার শব্দ শুনতে পাই। ইব্‌নু হায্‌ম ও আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) বলেনঃ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর আল্লাহ আমার উম্মাতের উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করে দেন। অতঃপর তা নিয়ে আমি ফিরে আসি। অবশেষে যখন মূসা (‘আঃ)-এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করি তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা আপনার উম্মাতের উপর কি ফরয করেছেন?

আমি বললামঃ পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। তিনি বললেনঃ আপনি আপনার পালনকর্তার নিকট ফিরে যান, কেননা আপনার উম্মাত তা পালন করতে পারবে না। আমি ফিরে গেলাম। আল্লাহ তা’আলা কিছু অংশ কমিয়ে দিলেন।

আমি মূসা (‘আঃ)-এর নিকট পুনরায় গেলাম আর বললামঃ কিছু অংশ কমিয়ে দিয়েছেন। তিনি বললেনঃ আপনি পুনরায় আপনার রবের নিকট ফিরে যান। কারণ আপনার উম্মাত এটিও আদায় করতে পারবে না। আমি ফিরে গেলাম। তখন আরো কিছু অংশ কমিয়ে দেয়া হল। আবারো মূসা (‘আঃ)-এর নিকট গেলাম, এবারো তিনি বললেনঃ আপনি পুনরায় আপনার প্রতিপালকের নিকট যান। কারণ আপনার উম্মত এটিও আদায় করতে সক্ষম হবে না। তখন আমি পুনরায় গেলাম, তখন আল্লাহ বললেনঃ এই পাঁচই (নেকির দিক দিয়ে) পঞ্চাশ (বলে গণ্য হবে)। আমার কথার কোন রদবদল হয় না।

আমি পুনরায় মূসা (‘আঃ)-এর নিকট আসলে তিনি আমাকে আবারও বললেনঃ আপনার প্রতিপালকের নিকট পুনরায় যান। আমি বললামঃ পুনরায় আমার প্রতিপালকের নিকট যেতে আমি লজ্জাবোধ করছি। অতঃপর জিব্‌রীল (‘আঃ) আমাকে সিদরাতুল মুনতাহা [১] পর্যন্ত নিয়ে গেলেন। আর তখন তা বিভিন্ন রঙে আবৃত ছিল, যার তাৎপর্য আমি অবগত ছিলাম না। অতঃপর আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হলে আমি দেখতে পেলাম যে, তাতে রয়েছে মুক্তোমালা আর তার মাটি হচ্ছে কস্তুরী। (১৬৩৬, ৩৩৪২; মুসলিম ১/৭৪, হাঃ ১৬৩, আহমাদ ২১১৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪২)

17/02/2026

পুরো রমজান মাস জুড়ে এই আমল করুন—ইনশাআল্লাহ বিয়ে, চাকরি, মনের শান্তি ও জীবনের কল্যাণ পাবেন!
রমজান এসেছে—রহমত, মাগফিরাত ও দোয়া কবুলের সোনালি মাস! এ মাসে গুনাহ মাফ হয়, রহমতের দরজা খোলে, রিজিক বাড়ে এবং আল্লাহ বান্দার নেক চাহিদা পূরণ করেন। অনেকের জীবনে আজ বিয়ের অপেক্ষা, চাকরির চিন্তা, মনের অস্থিরতা—এসবের সমাধান আল্লাহর কাছে। রোজা, নামাজ, কুরআন ও ইস্তেগফার দিয়ে গুনাহ দূর করলে আল্লাহ সবকিছু সহজ করে দেন।

এখানে সংক্ষিপ্ত কিন্তু খুবই কার্যকর আমলগুলো দিলাম কুরআন-হাদিসের আলোকে, সহজে করা যায় এবং অনেকে আমল করে আল্লাহর রহমতে ফল পেয়েছেন।

✅ প্রধান আমলগুলো (পুরো রমজান জুড়ে):

১. বেশি বেশি ইস্তেগফার
সারাদিন, ইফতার-সেহরি, নামাজের পর "আসতাগফিরুল্লাহ" জারি রাখুন। হাদিসে আছে—ইস্তেগফার দুশ্চিন্তা দূর করে, রিজিক বাড়ায় এবং বন্ধ দরজা খোলে। গুনাহ মাফ হলে দোয়া কবুলের পথ সহজ হয়।

২. সূরা ফুরকানের ৭৪ নম্বর আয়াত (চোখের শীতলতার দোয়া)
প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর গভীর মনোযোগ সহকারে পড়ুন:

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

উচ্চারণ: রব্বানা হাব লানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া যুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ'ইউনিঁ ওয়াজআলনা লিলমুত্তাকীনা ইমামা।

অর্থ: হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী-সন্তানদের মধ্য থেকে চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদের মুত্তাকীদের জন্য ইমাম বানিয়ে দিন।

এ দোয়া নেক জীবনসঙ্গী ও পরিবারের শান্তির জন্য সরাসরি কুরআনি দোয়া।

৩. হজরত মুসা (আ.)-এর দোয়া (সূরা কাসাস ২৪) সেজদায় বা যেকোনো সময় বেশি পড়ুন:

رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ

উচ্চারণ: রব্বি ইন্নী লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাকীর।
অর্থ: হে আমার রব! তুমি আমার প্রতি যে কোনো কল্যাণ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।

এ দোয়া বিয়ে, চাকরি, রিজিক—সব খায়রের জন্য অসাধারণ।

৪. দোয়া কবুলের সময়গুলোতে দোয়া।
তাহাজ্জুদ (শেষ রাতে উঠে), সেজদায়, ইফতারের মুহূর্তে, তারাবীহর পর—এসব সময় নিজের চাহিদা বলুন:
"ইয়া আল্লাহ! আমাকে নেক জীবনসঙ্গী দান করুন, হালাল চাকরি দান করুন, মনের শান্তি দান করুন।

৫. সদকা ও অন্যের জন্য দোয়া।
প্রতিদিন অল্প হলেও সদকা দিন—সদকা বিপদ দূর করে। যারা বিয়ে-চাকরির অপেক্ষায়, তাদের জন্য দোয়া করুন; ফেরেশতারা আপনার জন্য দোয়া করবেন।

৬. নিয়মিত নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত ও রুকইয়াহ।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ (জামাতে পড়বেন পুরুষ হলে) তারাবীহ ছাড়বেন না। বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করুন। সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক-নাস, আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পড়ে নিজেকে হেফাজত করুন।

ভাই-বোনেরা, এ আমলগুলো সহজ, কিন্তু ইখলাস ও ভরসা নিয়ে করলে আল্লাহ পরিবর্তন করে দেন। রমজান হলো পরিবর্তনের মাস—আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে নেক জীবনসঙ্গী, হালাল রিজিক ও মনের শান্তি দান করেন। এবং রমজানের সকল রহমত দান করেন.. আমীন।
(সংগৃহীত)

12/02/2026

আমি যখন থেকে প্রতিরাতে সূরা আল-ওয়াকিয়াহ তিলাওয়াত শুরু করলাম, শুরুতে ভাবতাম—এটা বুঝি সম্পদের জন্য। মনে হতো, হঠাৎ করে অনেক টাকা আসবে, রাতারাতি সফলতা মিলবে, জীবনে কোনো বড় পরিবর্তন ঘটে যাবে। কিন্তু এরপর যা হলো… তা আমাকে নীরব করে দিয়েছে।

আমি হঠাৎ ধনী হয়ে যাইনি। ঘুম থেকে উঠে টাকার পাহাড় দেখিনি, কিংবা কোনো তাৎক্ষণিক সাফল্যও আসেনি। বরং এর চেয়েও অনেক বেশি মূল্যবান কিছু ঘটেছে। আমি টাকা নিয়ে দুশ্চিন্তা করা বন্ধ করে দিয়েছি। বিল, ডেডলাইন, ভবিষ্যৎ নিয়ে অকারণ ভয়—সব ধীরে ধীরে কমে গেছে। অন্যদের তথাকথিত “সাফল্য”র সঙ্গে নিজেকে তুলনা করাও ছেড়ে দিয়েছি। আমি শান্তিতে ঘুমাতে শুরু করেছি। আমার হৃদয় হালকা হয়ে এসেছে।
প্রতিটি সকাল শুরু হয় এক অচেনা প্রশান্তি নিয়ে। চ্যালেঞ্জ আসলেও এখন আমি তা মোকাবিলা করি দৃঢ় বিশ্বাস, ধৈর্য এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা নিয়ে। তখনই আমি বুঝেছি— বারাকাহ আসলে কী। এটা সবসময় বস্তুগত লাভ নয়। অনেক সময় সবচেয়ে বড় নিয়ামত হলো— আল্লাহ যা দেন আমাদের হৃদয়কে: শান্তি, সন্তুষ্টি আর নির্ভরতা। তাই আজ রাতে যখন তুমি সূরা আল-ওয়াকিয়াহ তিলাওয়াত করবে— করো তোমার হৃদয়ের জন্য। করো সেই শান্তির জন্য, যেটার পেছনে তুমি ছুটছো। করো সেই ভরসার জন্য, যা অনিশ্চয়তার পথে তোমাকে বহন করবে। নিয়ত নিয়ে, মনোযোগ দিয়ে, আশার সাথে তিলাওয়াত করো।

আর দেখো— কীভাবে ধীরে ধীরে, নিঃশব্দে, আল্লাহ তোমার দুশ্চিন্তাগুলোকে তোমার হৃদয়ের বারাকাহতে রূপান্তর করে দেন।
(সংগৃহীত)

06/02/2026

🔖🔖এই রমাদান‌-ই আপনার জীবনের শেষ রমাদান হতে পারে 🔖🔖
- - - - - - - - - - - - - -
আপনার জীবনে আর কয়টা রমাদান বাকি?
৩০ বছর বয়সী? হয়তো ৪০টা রমাদান বাকি।
৫০ বছর বয়সী? হয়তো ২০টা।
৭০ বছর বয়সী? হয়তো ৫–৭টা।

প্রতিটা রমাদানই মূল্যবান।
এটাই হয়তো আপনার শেষ রমাদান হতে পারে।

কিন্তু আপনি কি এই রমাদানের পরিপূর্ণ প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন?

🌠গেম-চেঞ্জার কিছু টিপস
শারীরিক প্রস্তুতি
এই মাসেই ২–৩টা নফল রোজা রাখুন (সোমবার, বৃহস্পতিবার, আইয়ামে বীজ)

সাহরির অভ্যাস তৈরি করুন — ফজরের আগে উঠুন

ভারী খাবার এড়িয়ে হালকা খাবারে অভ্যস্ত হন

🌠মানসিক প্রস্তুতি
রমাদানের লক্ষ্য লিখে ফেলুন
(কুরআন শেষ করবেন? তারাবি নিয়মিত পড়বেন?)

গত রমাদানের ভুলগুলো রিভিউ করুন

এবারের জন্য একটি প্ল্যান তৈরি করুন

🌠আধ্যাত্মিক প্রস্তুতি
প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ নিয়মিত জামাতের সাথে আদায় করুন
(যদি আগে না করে থাকেন)

কুরআন তিলাওয়াতের জন্য ছোট্ট একটা টার্গেট রাখুন

গুনাহ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা শুরু করুন

⚠️ শকিং স্ট্যাটিসটিক
দুর্ভাগ্যজনকভাবে সত্য যে, আমরা বেশিরভাগ মুসলিমরাই রোজার বেসিক মাসায়েল সঠিকভাবে জানি না।

আপনি জানেন কিনা, নিজেকে পরীক্ষা করুন:
রোজা থাকা অবস্থায় ইনজেকশন নিলে রোজা ভাঙবে কি?

ভুলে কিছু খেয়ে ফেললে কী করবেন?

রোজা ভাঙার কারণগুলো কী কী?

মহিলাদের জন্য বিশেষ বিধান কী?

কাফফারা কখন দিতে হয়?

রমজান শুধু একটা মাস নয়, এটা একটা সুযোগ
🌟 নিজেকে রিসেট করার সুযোগ
🌟 আল্লাহর কাছে ফিরে আসার সুযোগ
🌟 গুনাহ মাফ করিয়ে নেওয়ার সুযোগ
🌟 জান্নাত পাওয়ার সুযোগ

এই সুযোগকে কাজে লাগান।
(সংগৃহীত)

02/02/2026

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইয়াসসির ওয়ালা তু’আসসির ওয়া তাম্‌মিম বিল খাইর ওয়া বিকা নাস্‌তা'ঈন
(اللَّهُمَّ يَسِّرْ وَلَا تُعَسِّرْ وَتَمِّمْ بِالْخَيْرِ وَبِكَ نَسْتَعِينُ)

একটি অত্যন্ত বরকতময় দুয়া।

অর্থ হলো: “হে আল্লাহ! (আমার কাজটি) সহজ করে দাও, কঠিন করো না। এবং তা কল্যাণের সাথে সম্পন্ন করো। আর তোমার নিকটই সাহায্য চাই”।

31/01/2026

সময় নিয়ে জিকির গুলো করবেন অনেক ফজিলত পাবেন (ইনশা'আল্লহ)

১.সুবহানাল্লহ। (سُبْحَانَ اللّٰهِ)

২.আলহামদুলিল্লাহ। (اَلْحَمْدُ لِلَّهِ)

৩.লা ইলাহা ইল্লাল্লহ। (لَا اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ)

৪.আল্লহু আকবার । (اَللّٰهُ أَكْبَرُ)

৫.আস্তাগফিরুল্লাহ । (أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ)

৬.আল্লহুম্মাগফিরলি। (اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِي)

৭.ইয়া রব্বিগফিরলি। ( يَا رَبِّ اغْفِرْ لِي)

৮.আল্লহুম্মা আজিরনি মিনান-নার।
(اَللّٰهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ)

৯.লা হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
(لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ)

১০.লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনাজ জলিমীন।
(لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ)

১১.লা ইলাহা ইল্লাল্লহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ مُحَمَّدٌ رَّسُولُ اللّٰهِ ﷺ

১৩.আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযুবিকা মিনান-নার।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ)

১৪.আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আ'ফিয়াহ।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ)

১৫. রব্বি ইন্নি জলামতু নাফসী ফাগফিরলি।
(رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي)

১৬.আল্লহুম্মা হাসিবনী হিসাবাই ইয়াসীর।
(اَللّٰهُمَّ حَاسِبْنِي حِسَابًا يَسِيرًا)

১৭.ইয়া মুক্বল্লিবাল ক্বুলুব, সাব্বিত ক্বলবী আ'লা দীনিক।
(يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ)

১৮.আসতাগফিরুল্ল-হাল্লাযি লা-ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বইয়ুম ওয়াতুবু ইলাইহি।
(أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ)

১৯.আল্লহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল হুদা ওয়াস সাদা-দ।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالسَّدَادَ)

২০.হাসবুনাল্লহ ওয়া নি'মাল ওয়াকিল।
(حَسْبُنَا اللّٰهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ)

২১.আল্লহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আ'লা নাবিয়্যিনা মুহাম্মদ সাঃ।
( اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ)

২২.আল্লহুম্মারযুকনি শাহাদাতাং ফি সাবিলিক, ওয়ায'আ'ল মাওতি ফি বালাদি রসুলিকা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ।
(اَللّٰهُمَّ ارْزُقْنِي شَهَادَةً فِي سَبِيلِكَ وَاجْعَلْ
مَوْتِي فِي بَلَدِ رَسُولِكَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ)

২৪.রব্বি ইন্নি লিমা আংযালতা ইলাইয়্যা মিন খইরিং ফাক্বির।
(رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِير)

২৫.রব্বানাগ-ফিরলি ওয়ালি ওয়ালিদাইয়্যা ওয়ালিল মুমিনিনা ইয়াওমা ইয়াক্বুমুল হিসাব।’
(-رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ)

২৬ রব্বানা হাবলানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়‍্যাতিনা ক্বুররতা আ'য়ুনিউ ওয়াজ'আলনা লিলমুত্তাক্বীনা ইমামা।
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

২৭.আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল 'আ'ফওয়া ওয়াল 'আ-ফিইয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আ-খিরহ্'
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ

২৮.রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাহ, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়াক্বীনা আজাবান্নার
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً ، وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةٌ ، وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

২৯.ইয়া হাইয়ু ইয়া ক্বইয়ুম বিরহমাতিকা আস্তাগিস
يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْتُ

৩০.রব্বির হাম-হুমা কামা রব্বা ইয়ানি সগিরা”
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَـمَا رَبَّـيَانِـي صَغِيرًا

৩১.রব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন।"
رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ

অনবরত এই সমস্ত জিকির গুলোর মাধ্যমে নিজের আমলনামা ভারী করে নিন(ইনশা'আল্লহ)!
নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালার স্মরণেই অন্তর সমূহ প্রশান্তি লাভ করে। [সূরা রাদ-২৮]
‍(সংগৃহীত)

24/01/2026

✨🌿🩷এই গল্পটা পড়লে হয়তো আপনি নতুন করে বাঁচতে শিখবেন।🖇️📝🚹

১০০ বছর বেঁচে থাকা যায় না, যদি প্রতিদিনের জীবনটাই না হয় শান্ত।

শহর থেকে অনেক দূরের গ্রামের এক কোণে ছিল একটা ছোট কুঁড়েঘর।

সেখানে থাকতেন এক বৃদ্ধ-সবাই তাকে ডাকত আব্দুল কাকা নামে।

বয়স? কেউ বলে ৯০, কেউ বলে ১০৫।

কিন্তু আশ্চর্য বিষয়-তার চোখে এখনো আলো, মুখে হাসি, পায়ে শক্তি, আর মনে শান্তি।

একদিন এক তরুণ ডাক্তারকে 'Curiosity' নিয়ে গেলাম তার কাছে।

বললাম-কাকা, আপনি এত বছর কীভাবে এত তরতাজা আছেন?"

তিনি হেসে বললেন, - "বাবা, শরীর নয়, আগে মন বাঁচাতে হয়। শরীর তো মনে চালিত।"

আর দেরি না করে, আমি খাতায় লিখতে শুরু করলাম-

১. শরীর নয়, কোষকে বাঁচাও- তিনি বললেন, "আমি রাত ১০টার মধ্যে ঘুমাই, ভোরে ফজরের আজানে উঠি।
ঘুমই আমার ঔষধ।"

সপ্তাহে দুই দিন দুপুরে না খেয়ে শুধু পানি খাই-"খালি পেটে শরীর পুরনো ময়লা ফেলে দেয়," বললেন তিনি। চিনি?
চিনি মানে বিষ-আমার নাতি চিনি খায়, আমি খেজুর খাই।"

২. 'Silent killer' তিনটা এড়াও- "রাগ, চিন্তা আর ভয়-এই তিনটা জিনিস মানুষকে বুড়ো করে দেয়। রক্তচাপও তাই বাড়ে।"

৩. প্রাকৃতিক খাবারই আসল ওষুধ- তার দুপুরের খাবার: ভাত, সবজি, মাছ, জলপাই তেল, রসুন। বললেন, "খাবার যদি প্যাকেটের ভিতরে আসে, তা আমার নয়।"

৪. মানসিক শান্তি সবচেয়ে বড় চিকিৎসা-প্রতিদিন বিকেলে গাছের নিচে বসে ধ্যান করতেন। বললেন, "ক্ষমা করলেই শরীর হালকা হয়। যে রাগ পোষে, সে নিজের আয়ু কমায়।"

৫. শরীর নড়াচড়া করো- তিনি হাঁটতেন প্রতিদিন ৫-৬ কিলোমিটার, কারও সঙ্গ ছাড়াই। বললেন, "যে শরীর চলে না, সে মনেও থেমে যায়।"

৬. রক্ত পরিষ্কার রাখো- সকালে লেবুর পানি, রাতে গরম পানি। ওমেগা-৩ খাবার তার নিয়মিত। বছরে একবার করে চেকআপ করান।

৭. ভালোবাসা ও সম্পর্ক- বৃদ্ধ হলেও স্ত্রীকে "আমার জীবনের শান্তি" বলে ডাকতেন। পরিবারের সবাই তার চারপাশে হাসতো। তিনি বললেন, "যে ভালোবাসা পায় না, সে ওষুধেও বাঁচে না।"

৮. প্রকৃতির সাথে সংযোগ রাখো- প্রতিদিন ভোরে উঠেই উঠোনে গাছপালা ছুঁতেন। "প্রকৃতি আমার ডাক্তারের মতো," বললেন তিনি।

৯. শেখা বন্ধ করো না- ৯৫ বছর বয়সেও কোরআন ওষুধের মতো পড়তেন। যে শেখা থামায়, সে মরতে শুরু করে.!

১০. আত্মিক শান্তি ও কৃতজ্ঞতা- "আমি প্রতিদিন আল্লাহকে ধন্যবাদ দিই-আজও চোখে আলো আছে, পায়ে হাঁটতে পারি। তার চোখে তখন এমন এক আলো, যা শত ওষুধেও পাওয়া যায় না।

শেষে তিনি বললেন,

"মানুষ মরতে ভয় পায়, কিন্তু আমি প্রতিদিন নতুনভাবে বাঁচি।"

আমি নীরবে মাথা নোয়ালাম। বুঝলাম- দীর্ঘায়ুর রহস্য কোনো ওষুধে নয়, বরং জীবনের নিয়মে লুকিয়ে আছে।

শেষে বিদায়ে- ঘুম + প্রাকৃতিক খাবার ব্যায়াম শান্ত মন + কৃতজ্ঞ আত্মা" ১০০ বছরেরও বেশি জীবন যদি আল্লাহ পাক কবুল করেন।
(সংগৃহীত)

Address

Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RUMIS HOME DECOR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to RUMIS HOME DECOR:

Share