07/06/2026
মানুষের বাচ্চা পেটের মধ্যে নাকি ২,৪ঘন্টা নড়াচড়া না করলেই অনেক কিছু ঘটে যায়, সেখানে আমার বাচ্চাটা পেটে ১২ঘন্টারও বেশি কোনো রকম নড়াচড়া করে নি,, ছিল না কোনো অক্সিজেন সাপোর্ট, ছিল না আলাদা কোনো ট্রিটমেন্ট রংপুর সদর হাসপাতালে। ওই মুহূর্তে না ছিল কোনো ভালো চিকিৎসক। দায়িত্বরতদের কাছে নরমাল ডেলিভারি ছিল মূখ্য বিষয়, মা ও বাচ্চার জীবনের কোনো মূল্য ছিল না সেই মুহূর্তে। 🙂 শোয়ার মতো কোনো বেড ছিল না সেখানে। নরমাল ডেলিভারি রুমে অগনিত পুরুষের যাওয়া আসা চলমান ছিল সেখানে।চার ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন ছিল।তারা রিলিজও দিতে চাচ্ছিল না। দীর্ঘ অপেক্ষার পরে হতাশ হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয় আমাকে। এমার্জেন্সি সি সেকশনের মাধ্যমে আল্লাহর রহমতে আমার মেয়ে হয় এবং অনেকটা দেরি হওয়ার ফলে এবং ৩৪সপ্তাহে জন্ম নেওয়া কম ওজনের বাচ্চাকে NICU তে রাখা হয়, দশদিন চলে ওর ট্রিটমেন্ট সেখানেই। স্মৃতির পাতা যখন আওড়াতে যাই তখন মনে হয় যে সঠিক চিকিৎসা ও ডাক্তারের অভাবে না জানি কতো মানুষ মারা যায় এই সরকারি হাসপাতালে, যাদের কোনো উপায় থাকে না।