Kazi Bari কাজী বাড়ী

Kazi Bari কাজী বাড়ী হযরত কাজী আব্দুল আজিজ আল
নক্সবন্দী:রহ:

ইসলামী রাষ্ট্রে অমুসলিম নাগরিকদের ধর্ম পালন ও পূর্ণ নিরাপত্তায় বসবাসের অধিকার ধর্ম পালনের অধিকারঃ মুসলিম রাষ্ট্রে অমুসলি...
14/10/2018

ইসলামী রাষ্ট্রে অমুসলিম নাগরিকদের ধর্ম পালন ও পূর্ণ নিরাপত্তায় বসবাসের অধিকার

ধর্ম পালনের অধিকারঃ মুসলিম রাষ্ট্রে অমুসলিম নাগরিকদের ধর্ম পালনের অধিকার স্বীকৃত। সুতরাং কোনো মুসলিম তাদেরকে ধর্ম পালনে বাধা দিতে পারবেনা। কিন্তু মুসলিমদের জন্য তাদের পূজা পার্বনে সাহায্য করা ইসলাম ধর্মমতে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। কেননা, কুফর ও শিরকে সহায়তা বা সমর্থন দেয়াও কুফরি ও শিরক। এমনকি কুফর ও শিরক কর্মে বাহবা বা অভিনন্দন দেওয়াও কুফরি ও শিরক। শিরক ও কুফর এমন দু'টি গুনাহ যা ইমান ও নেক আমলকে সমূলে ধ্বংস করে দেয়। এ থেকে তাওবা করে পুনরায় ইমান আনা পর্যন্ত মুসলিম হিসেবে গণ্য হবে না। তবে হ্যাঁ, তাদেরকে মানবিক কারণে সাহায্য করা বৈধ ও সওয়াবের কাজ। উল্লেখ্য ব্যবসায়িক কারণ, সামাজিক ভদ্রতা বা চক্ষুলজ্জার কথা বলেও শিরক-কুফরে সহযোগিতা করা যাবে না। যেমন মুসলিমদের অনুষ্ঠানে কোনো ইহুদি যদি উটের গোশত না খায় এবং হিন্দু যদি গরুর গোশত না খায় আমরা তাদেরকে অভদ্র বলতে পারিনা। কারণ এগুলো তাদের ধর্মে নিষিদ্ধ। বরং তাদেরকে এগুলো পরিবেশন করা চরম অভদ্রতা। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে খেতে বাধ্য করা নির্যাতনের শামিল। তদ্রুপ মুসলমানদের উচিৎ ইমানের ব্যাপারে কোনো ধরনের আপোষ না করা। কারণ জীবনের সবকিছু বিসর্জন দিয়ে হলেও ইমান রক্ষা করা ফরয।এ ব্যাপারে চাদা চাইলে বলুন অামাদের ধর্মে নিষেধ অাছে বা ওপরের মাছয়ালাটি জানিয়ে দিন।

মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, "তোমরা সৎকাজ ও তাকওয়ায় পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালঙ্ঘনে একে অপরকে সাহায্য করবে না। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা কঠিন শাস্তি প্রদানকারী।"(সূরা মায়েদা আয়াত নং ২, আল কুরআন)

পূর্ণনিরাপত্তায় বসবাসের অধিকারঃ মুসলিম রাষ্ট্রে অমুসলিম নাগরিকদের নির্যাতনকারীর ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
مَنْ قَتَلَ مُعَاهِدًا لَمْ يَرِحْ رَائِحَةَ الجَنَّةِ، وَإِنَّ رِيحَهَا تُوجَدُ مِنْ مَسِيرَةِ أَرْبَعِينَ عَامً
“যে ব্যক্তি কোন মুয়াহিদ অর্থাৎ মুসলিম দেশে বৈধভাবে অবস্থান/বসবাসকারী অমুসলিমকে(অন্যায়ভাবে) হত্যা করবে, সে জান্নাতের সুঘ্রাণও পাবে না। অথচ চল্লিশ বছরের পথের দূরত্ব থেকে জান্নাতের সুঘ্রাণ পাওয়া যায়।”(বুখারী শরীফ,খ. ৪, পৃ.৯৯, হা.নং-৩১৬৬) মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্যত্র ইরশাদ করেন-
مَنْ قَتَلَ مُعَاهِدًا فِي غَيْرِ كُنْهِهِ حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْجَنَّةَ
“যে ব্যক্তি কোন মুয়াহিদ অর্থাৎ মুসলিম দেশে বৈধভাবে অবস্থান/বসবাসকারী অমুসলিমকে অন্যায়ভাবে হত্যা করবে, আল্লাহ তায়ালা তার ওপর জান্নাত হারাম করে দেবেন।”(আবু দাউদ শরীফ, খ.৩, পৃ.৮৩, হা.নং-২৭২৬) মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো ইরশাদ করেন-
أَلَا مَنْ ظَلَمَ مُعَاهِدًا، أَوِ انْتَقَصَهُ، أَوْ كَلَّفَهُ فَوْقَ طَاقَتِهِ، أَوْ أَخَذَ مِنْهُ شَيْئًا بِغَيْرِ طِيبِ نَفْسٍ، فَأَنَا حَجِيجُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
“সাবধান! যদি কোন ব্যক্তি কোন মুয়াহিদ অর্থাৎ মুসলিম দেশে বৈধভাবে অবস্থান/বসবাসকারী অমুসলিমকে নির্যাতন করবে বা তার অধিকার খর্ব করবে বা সাধ্যের বাইরে তাকে কোন কিছু চাপিয়ে দিবে অথবা তার সম্মতি ছাড়া তার থেকে কোন কিছু (অন্যায়ভাবে) হস্তগত করবে, কিয়ামতের দিন আমি তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।” [আবু দাউদ শরীফ, খ.৩, পৃ. ১৭০, হা.নং- ৩০৫২)
যেখানে মহামান্য সাহাবায়ে কেরাম, শোহাদায়ে কেরাম ও আউলিয়ায়ে কিরাম রিদওয়ানুল্লাহি তায়ালা আলাইহিম আজমাঈন অগণিত সওয়াবের অধিকারী হওয়ার পরও মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র সুপারিশের মুখাপেক্ষী হবেন। কেউ পর্বতসম সওয়াবের অধিকারী হলেও মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র অনুমোদন ছাড়া কোন ভাবেই জান্নাত ও মুক্তি লাভ করতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন, তাদেরকে কী ধরণের ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে তা আমাদের জ্ঞানের বাইরে, আল্লাহই ভাল জানেন। উল্লেখ্য মিয়ানমারের সন্ত্রাসী বৌদ্ধদের অপরাধে এ দেশের নিরীহ বৌদ্ধ এবং ভারতের সন্ত্রাসী হিন্দুদের অপরাধে এ দেশের নিরীহ হিন্দু নাগরিকরা দায়ী নয়। সুতরাং বর্মী এবং হিন্দী সন্ত্রাসী বা এদেশের অমুসলিমদের বিশেষ ব্যক্তির অপরাধের কারণে যারা এ দেশের নিরীহ অমুসলিম নাগরিকদের শারীরিক বা মানসিকভাবে কষ্ট দেবে, তারাও পরকালে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করবে। কেননা কুরআনুল করীমের সূরা আনআমের ১৬৪ নং আয়াতের সারমর্ম হল, একজনের অপরাধের শাস্তি অন্যজনকে দেয়া যাবে না। হিজরতকারী নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলিমদের সহায়তা প্রদান করা যেমন এ দেশের সরকার ও জনগণের ঈমানী ও মানবিক দায়িত্ব। পাশাপাশি রোহিঙ্গা ইস্যুতে যেন এ দেশের নিরাপরাধ বৌদ্ধ নাগরিকরা কোন ধরণের শারীরিক বা মানসিক নির্যাতনের শিকার না হয়। এ ব্যাপারে সজাগ থাকাও এ দেশের সরকার ও জনগণের ঈমানী ও মানবিক দায়িত্ব। copy

Address

হযরত কাজী আব্দুল আজিজ আল নক্সবন্দী:রহ:এর বাড়ী
Raozan
22.485843,91.949636

Telephone

01876733837

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kazi Bari কাজী বাড়ী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share