Bengali Kitchen

Bengali Kitchen Bengali traditional cuisines are going to disappear today. We have come to this page to keep these traditional recipes.

Here you will know about Bengali bahari cuisine.

02/01/2024

Happy New Year
All Friends

এলাচ খান সুস্থ্য থাকুন!!!!! এলাচের উপকারিতাঃ –  ১) হৃদযন্ত্রের জন্যঃ- এলাচের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান হার্টে...
21/09/2023

এলাচ খান সুস্থ্য থাকুন!!!!!

এলাচের উপকারিতাঃ –
১) হৃদযন্ত্রের জন্যঃ- এলাচের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান হার্টের জন্যে ভালো। কোলেস্টেরল কম করতে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপেও দারুণ একটি ওষুধ এলাচ।

২)শ্বাসকষ্টেঃ- এলাচ বিভিন্ন রকমের সমস্যা যেমন সর্দি, কাশি, ফুসফুসের সমস্যা ও রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা ইত্যাদি থেকে মুক্তি দেয়। ব্রঙ্কাইটিস বা শ্বাসপ্রশ্বাসের কোনো রকম সমস্যা থাকলে এলাচ খাওয়া ভালো।

৩) রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেঃ- উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় এলাচ খুব উপকারী। ওষুধের কাজ করে এটি। স্যুপ বা স্টু-এর মধ্যে এলাচ মিশিয়ে খেলে খুব সহজেই কিছু দিনের মধ্যে রক্তচাপ নীচে নামতে শুরু করে।

৪)ডিপ্রেশনেঃ- ডিপ্রেশনের মতো মানসিক সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে এলাচ দারুণ সাহায্য করে। প্রতি দিন চায়ের মধ্যে কয়েক দানা এলাচ ফেলে ফুটিয়ে পান করা ভালো।

৫) হজমের কাজেঃ- এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান যা বিপাকের ব্যাধি থেকে শরীরকে মুক্তি দেয়। যকৃৎ ও অগ্ন্যাশয়ের উন্নতি ঘটায়। ফলে হজম ভালো হয় ফলে বুকে জ্বালা বা পেট খারাপ এবং অম্বলের মত সমস্যা থেকেও অনায়াসে রেহাই পাওয়া যায়।

৬)ডিটক্সিফিকেশনঃ- শরীরে যত বেশি পরিমাণ ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রবেশ করে, ভেতর থেকে তত বেশি পরিষ্কার ও সতেজ থাকে। এলাচ শরীরে বাইরে থেকে আসা যে কোনো বিষক্রিয়া থেকে মুক্তি দেয় ও ডিটক্সিফাই করে।

৭) হেঁচকির হাত থেকে রেহাইঃ- শরীরের যে কোনো মাংসপেশিকে শান্ত করতে এলাচের উপকারিতা অনেক। তাই কোনো কারণে যদি হেঁচকির সমস্যায় পড়েন, তাহলে এক কাপ গরম জলে এক চা চামচ এলাচ মিশিয়ে ১৫ মিনিট রেখে সেটি আসতে আসতে পান করলে উপকার হয়।

৮) ক্ষুধা বৃদ্ধিতেঃ- এলাচ খিদে বাড়াতে সাহায্য করে। এলাচের তেল ব্যবহার করলে খাওয়ার প্রতি ইচ্ছে বাড়ে ও খিদেও বাড়ে।

৯) দাঁত ও মুখের জন্যেঃ- এলাচের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান মুখের ভেতরের অংশের অর্থাৎ মাড়ি ও দাঁতের খুব উপকার করে। এলাচের ঝাঁঝালো স্বাদ নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর করে ও তরতাজা ভাব আনে।

১০) ক্যানসারেঃ- এলাচের খাদ্যগুণের কারণে অনেক ধরনের ক্যানসারের টিউমার বা কোষগুলি বাড়তে পারে না। কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ক্ষেত্রে এলাচের গুনাগুণ বিশেষ ভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

১১) স্মৃতিশক্তি প্রখর করেঃ- এলাচে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মস্তিষ্ককে শান্ত করে ও স্মৃতিশক্তি প্রখর করে তুলতে সাহায্য করে। প্রতি দিন দুধের সঙ্গে দু’টি এলাচ ফুটিয়ে সেটি পান করুন। ফল অবশ্যই পাবেন।

১২)যৌন স্বাস্থ্যঃ- এলাচের মধ্যে নানান খাদ্য উপাদানের কারণে এটি স্নায়ুকে শান্ত করে ও যৌনইচ্ছাকে বাড়িয়ে তোলে। এ ছাড়া, বন্ধ্যাত্ব থেকে মুক্তি পেতেও এলাচ সাহায্য করে।

১৩) উজ্জ্বল ত্বকেঃ- ত্বকের ফর্সাভাব ও ঔজ্জ্বল্যের জন্যে এলাচ দারুণ কাজ করে। ত্বকে ব্রণ ও কালচে ভাব দূর করে। মধু ও এলাচের প্যাক বানিয়ে মুখে লাগিয়ে ফল পেতে পারেন।

১৪) ত্বকের এলার্জিঃ- এলাচে অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল উপাদান ভরপুর। এটি খুব ভালো অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি। ফলে ত্বককে মোলায়েম করে, ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। তাই এলাচ ত্বকের জন্যে একটি ওষুধও। মধু এবং কালো এলাচের মিশ্রণ এলার্জি হওয়া অংশে লাগালে খুব তাড়াতাড়ি ফল পাবেন।

১৫) রক্ত সঞ্চালন উন্নত করেঃ- এলাচে রয়েছে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এগুলি ত্বকে রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে ও ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো করে।

১৬) ঠোঁটের জন্যেঃ- এলাচ দিয়ে ঠোঁটের নানা রকমের বাম, গ্লস বা তেল তৈরি হয় যা ঠোঁটের কোমলভাব ফুটিয়ে তোলে। গোলাপি ভাব বজায় রাখে। ঘরেও প্যাক তৈরি করে সারা রাত ঠোঁটে লাগিয়ে রাখা যায়। এই প্যাক করতে লাগে এলাচের গুঁড়ো, অলিভ অথবা আমন্ড অয়েল এবং একটুখানি অ্যালোভেরা জেল। প্রতি দিন এটি ঠোঁটে লাগিয়ে রেখে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

১৭)চুলের যত্নেঃ- মাথার ত্বক পরিষ্কার থাকলে চুলের গোড়া মজবুত হয় ও চুল পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এলাচের মধ্যে থাকা পুষ্টিকর উপাদান চুলের গোড়া মজবুত করে চুলকে ঝলমলে ও লম্বা করতে সাহায্য করে।

১৮) মাথার ত্বকের জন্যেঃ- অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার ফলে মাথার ত্বক ভালো রাখে। এলাচ চুলের ফলিকলগুলিকে মজবুত করে। এলাচ ভেজানো জল দিয়ে চুল ধুলে বা এলাচের গুঁড়ো চুলে লাগানোর পর শ্যাম্পু করলে সব থেকে ভালো ফল পাওয়া যায়। এলাচের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান মাথার ত্বকের ইনফেকশনকে দ্রুত সারিয়ে তোলে।

এলাচের অপকারিতাঃ-
১) গর্ভাবস্থায় এলাচ খাওয়া উচিত নয়।গর্ভাবস্থায় অনেক খাবার নিয়ম করে খেতে হয় এবং সচেতনভাবে খেতে হয়। আর গর্ভবস্থায় এলাচ খাওয়া উচিত নয়। যদি এলাচ হয় তাহলে গর্ভপাত হতে পারে।

২) গলব্লাডার বা কিডনিতে স্টোনের সমস্যা থাকলে এলাচ তাদের জন্য ক্ষতিকর।যেসব ব্যক্তির গলব্লাডার বা কিডনিতে স্টোন আছে তারা এলাচ থেকে দূরে থাকবেন। তারা যদি এলাচ খান তাহলে ক্ষতি হতে পারে। এলাচের বীজ শরীরে পাথর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তাই তারা এলাচ থেকে দূরে থাকবেন।

৩) এলাচ খেলে অ্যালার্জি হতে পারে। যেসব ব্যক্তি অ্যালার্জির সমস্যা আছে। তারা এলাচ থেকে দূরে থাকবেন। সেসব ব্যক্তির যদি এলাচ খান তাহলে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। এছাড়াও অ্যালার্জি জনিত সমস্যা হতে পারে।

৪) অতিরিক্ত এলাচ খেলে কাশি এবং বমি হতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রায় এলাচ খাওয়ার ফলে কাশি এবং বমি বমি ভাবও হতে পারে। এলাচ স্বাদে ঠান্ডা, তাই অতিরিক্ত মাত্রায় এলাচ খাওয়ার ফলে কাশি হতে পারে।

**বি.দ্র: প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। #মশলা #উপকারিতাঃ- #ত্বকের #কমওজন #সুস্বাস্থ্য #চুলের #স্বাস্থ্যের #স্বাস্থ্য #এলাচ

দারুচিনির উপকারিতাঃ-   ১)হেঁচকি সমস্যায় দারুচিনির উপকারিতাঃ- হেঁচকি একটি খুব সাধারণ বিষয়, তবে এমন অনেক লোক আছেন যারা স...
20/09/2023

দারুচিনির উপকারিতাঃ-


১)হেঁচকি সমস্যায় দারুচিনির উপকারিতাঃ- হেঁচকি একটি খুব সাধারণ বিষয়, তবে এমন অনেক লোক আছেন যারা সবসময় হেঁচকির অভিযোগ করেন। এই ধরনের মানুষ দারুচিনি ব্যবহার করতে পারেন। 10-20 মিলি দারুচিনির ক্বাথ পান করুন। এটি স্বস্তি দেয়।

২)গাঁটের ব্যথায়ঃ- অনেকেই গাঁটের সমস্যায় ভুগছেন। এ ক্ষেত্রে দারুচিনিকে জয়েন্টের ব্যথা কমানোর ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। উষ্ণ গরম পানির মধ্যে এক চামচ মধু আর দারুচিনিগুঁড়া ভালোভাবে মিশিয়ে নিন, এরপর শরীরের ব্যথা স্থানে আস্তে আস্তে মালিশ করুন। ২-৩ দিন ভালোভাবে মালিশ করুন। কিছুদিন পর দেখবেন ব্যথা কমে যাবে।

৩)ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়ঃ- ক্যানসার রোগের চিকিৎসা এবং এই রোগের ঝুঁকি কমানোর পিছনে কতটা কার্যকর দারচিনি, তা নিয়ে গবেষণা চলছে বিশ্বজু়ড়ে। ক্যানসার আক্রান্ত কোষ যাতে শরীরে ছড়িয়ে না পড়ে, তার পিছনে দারচিনির কতটা অবদান রয়েছে, তা নিয়েই পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করা হয়েছে এক গবেষণায়। দেখা গিয়েছে অন্ত্রের ক্যানসারের ক্ষেত্রে রোগ ছড়ানোর আটকাতে সক্ষম দারচিনি।

৪)ক্ষুধা বাড়ানোর জন্যঃ- 500 মিলিগ্রাম শুঁথি পাউডার, 500 মিলিগ্রাম এলাচ এবং 500 মিলিগ্রাম দারুচিনি পিষে নিন। সকাল-সন্ধ্যা খাবার আগে খেলে ক্ষুধা বাড়ে।

৫)বমি বন্ধ করতেঃ- বমি বন্ধ করতেও দারুচিনি ব্যবহার করা হয়। দারুচিনি এবং লবঙ্গের একটি ক্বাথ তৈরি করুন। 10-20 মিলি পরিমাণে খেলে বমি বন্ধ হয়।

৬)রক্তে এলডিএল হ্রাসেঃ- প্রতিদিন আধা চা–চামচ দারুচিনির গুঁড়া রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল এলডিএলের মাত্রা কমায়। প্রতিদিন ২ ইঞ্চি পরিমাণ দারুচিনি দুই কাপ পানিতে জ্বাল দিয়ে সেই পানি এক কাপে নিয়ে এসে সেই পানি গরম–গরম চায়ের মতো করে দিনে তিন বার পান করলে কোলেস্টেরলের সমস্যা সমাধান হয়ে যায়, ডায়াবেটিস না থাকলে দারুচিনির পানিতে এক চা–চামচ মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।

৭)টাইপ-২ ডায়াবেটিসেঃ- রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। প্রতিদিন ২ ইঞ্চি পরিমাণ দারুচিনি দুই কাপ পানিতে জ্বাল দিয়ে সেই পানি এক কাপে নিয়ে এসে গরম–গরম চায়ের মতো করে দিনে তিনবার খেলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের জন্য অনেক উপকারী, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর।

৮)চোখের রোগে দারুচিনির ব্যবহারঃ- অনেকে অভিযোগ করেন যে তাদের চোখ টলতে থাকে। চোখের ওপরে (চোখের পাতায়) দারুচিনির তেল লাগান। এতে চোখের পলক পড়া বন্ধ হয় এবং দৃষ্টিশক্তিও বৃদ্ধি পায়।

৯)দাঁতের ব্যথার জন্যঃ- যাঁরা দাঁতের ব্যথায় ভুগছেন, তাঁরা দারুচিনি খেতে পারেন। তুলো দিয়ে দাঁতে দারুচিনির তেল মাখুন। এটি স্বস্তি দেবে। দারুচিনির ৫-৬টি পাতা পিষে পেস্ট তৈরি করুন। এতে দাঁত পরিষ্কার ও চকচকে হয়।

১০)স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেঃ- বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাবে, এটা স্বাভাবিক নিয়ম। নিয়মিত প্রতিদিন একবেলা ২ ইঞ্চি পরিমাণ দারুচিনি দুই কাপ পানিতে জ্বাল দিয়ে সেই পানি এক কাপে নিয়ে এসে গরম–গরম চায়ের মতো করে পান করলে স্মৃতিশক্তি হ্রাস হওয়ার প্রবণতা কমে এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। এটা শিশুদের বেলায় প্রযোজ্য নয়।সারা দিনে ২ চা–চামচের বেশি দারুচিনি খাওয়া যাবে না, দারুচিনি খাওয়ার কারণে ডায়রিয়া ও মাথা ধরার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যাঁদের এমন উপসর্গ দেখা দেবে, তাঁদের দারুচিনি না খাওয়াই উত্তম। বাজারে দারুচিনির নামে অনেক ধরনের গাছের ছাল দারুচিনি বলে বিক্রি হয়ে থাকে, কেনার আগে গন্ধ এবং একটু ভেঙে মুখে দিয়ে দেখুন ঝাঁজালো স্বাদ কি না। নিশ্চিত হলেই নেবেন। প্যাকেটজাত দারুচিনি পরিহার করুন।

১১)মাথাব্যথা উপশমেঃ- মাথা ব্যাথা হলে দারুচিনি খান। 8-10টি দারুচিনি পাতা পিষে একটি পেস্ট তৈরি করুন। দারুচিনির পেস্ট মাথায় লাগালে ঠাণ্ডা বা গরমে মাথাব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায়। উপশম পাওয়ার পরে, পেস্টটি ধুয়ে ফেলুন।দারুচিনি তেল দিয়ে আপনার মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এটি ঠান্ডাজনিত মাথাব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। সমান পরিমাণে দারুচিনি, তেজপাতা এবং চিনি মিশিয়ে নিন। চাল ধোয়া পানির সাথে পিষে একটি সূক্ষ্ম গুঁড়ো তৈরি করুন। নাক দিয়ে নিন। এরপর দুধের গরুর ঘিও নাক দিয়ে নিন। এটি মাথা ব্যাথা সংক্রান্ত রোগে উপশম দেয়।

১২)শরীরের ছত্রাকজনিত সমস্যায়ঃ- অনেকে শরীরের নানান স্থানে ছত্রাকজনিত সমস্যা ভুগে থাকেন। তাঁদের জন্য দারুচিনি একটি আদর্শ সমাধান। ইস্ট ছত্রাকজনিত ইফেকশন প্রতিরোধ করতে প্রতিদিন ২ ইঞ্চি পরিমাণ দারুচিনি দুই কাপ পানিতে জ্বাল দিয়ে সেই পানি এক কাপে নিয়ে এসে গরম–গরম চায়ের মতো করে দিনে তিনবার পান করলে দারুচিনির গুণাবলি চমৎকারভাবে কাজ করে। ছত্রাকজনিত সমস্যা সমাধান হয়, বিশেষ ক্ষেত্রে ছত্রাকে উষ্ণ গরম পানির মধ্যে এক চামচ মধু আর দারুচিনিগুঁড়া ভালোভাবে মিশিয়ে নিন, এরপর শরীরের ছত্রাক স্থানে আস্তে আস্তে মালিশ করুন। ২-৩ দিন ভালোভাবে মালিশ করুন। কিছুদিন পর দেখবেন ছত্রাক কমে যাবে।

১৩)হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধেঃ- হৃদ্‌রোগের অনেক ধরন রয়েছে, তার মধ্যে অনেকের বুকে চিনচিন ব্যথা, হাঁটতে কষ্ট হয়, সিঁড়ি বেয়ে উঠতে কষ্ট হয়, তাঁদের জন্য দারুচিনি বেশ উপকারী। ১০০ গ্রাম জিরার গুঁড়া, ১০০ গ্রাম ধনিয়ার গুঁড়া, ৫০ গ্রাম দারুচিনির গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে এই মিশ্রণ এককাপ গরম পানিতে এক চা–চামচ মিশিয়ে চায়ের মতো পান করলে হৃদ্‌রোগীদের জন্য দারুণ উপকারী। এটি রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে, উচ্চরক্তচাপ ও কোলেস্টেরেলের সমস্যাও দূরে রাখে।

১৪)লিম্ফোসাইটিক লিউকেমিয়া প্রতিরোধেঃ- মরণব্যাধি লিম্ফোসাইটিক লিউকোমিয়ার বিস্তার রোধ করে দারুচিনি। রক্ত জমাট না বাঁধার অসুখ হিমোফিলিয়া প্রতিরোধ করতে দারুচিনি বিশেষ ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন ২ ইঞ্চি পরিমাণ দারুচিনি দুই কাপ পানিতে জ্বাল দিয়ে সেই পানি এক কাপে নিয়ে এসে গরম–গরম চায়ের মতো করে দিনে তিনবার অথবা ১০০ গ্রাম জিরার গুঁড়া, ১০০ গ্রাম ধনিয়ার গুঁড়া, ৫০ গ্রাম দারুচিনির গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে এই মিশ্রণ এক কাপ গরম পানিতে এক চা–চামচ মিশিয়ে চায়ের মতো করে পান করলে লিম্ফোসাইটিক লিউকেমিয়ার জন্য খুবই উপকারী। এটি রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে, যার ফলে লিম্ফোসাইটিক লিউকেমিয়ার প্রকোপ কমে যায়, প্রোটিন–জাতীয় খাদ্য পরিহার করে প্রাকৃতিক খাদ্যবিধি মেনে চললে এই ব্যাধি ভালো হয়ে যায়।

১৫)বাতের ব্যথা ও শরীরের হাড়ের ব্যথায়ঃ- বাতের ব্যথা ও শরীরের হাড়ের ব্যথায় আধা চামচ দারুচিনির গুঁড়া এক চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে ব্যথা দূর হয়। তা ছাড়া দারুচিনি–মিশ্রিত শর্ষের তেল গায়ে মালিশ করলে ব্যথা ভালো হয়। এ ক্ষেত্রে পানি পানের বিষয়টি খুব ভালোভাবে খেয়াল করতে হয়, পানি কমও পান করা যাবে না, বেশিও পান করা যাবে না। তাই পরিমাণের ক্ষেত্রে সচেতন হয়ে পানি পান করতে হবে। কোনো অবস্থাতে পানিশূন্যতায় ভোগা যাবে না।

১৬)গলাব্যথা ও খুশখুশে কাশিতেঃ- ঠান্ডায় গলাব্যথা বা খুশখুশে কাশিতে এককাপ গরম পানিতে দারুচিনি, মধু মিশিয়ে সারা দিনে ৬ বার চায়ের মতো করে খেলে গলায় আরাম পাওয়া যায় ও খুশখুশে কাশি কমে যায়।

১৭)সাধারণ সর্দি-কাশির জন্য দারুচিনির ব্যবহারঃ- পানিতে দারুচিনি পিষে, গরম করে পেস্ট হিসেবে লাগান। এটি ঠান্ডায় উপকারী। দারুচিনির রস বের করে মাথায় লাগালেও উপকার পাওয়া যায়।

১৮)কাশি রোগে দারুচিনির ব্যবহারঃ- কাশি নিরাময়ে দারুচিনি ব্যবহার উপকারী। কাশিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সকাল-সন্ধ্যা আধা চা চামচ দারুচিনির গুঁড়া ২ চামচ মধুর সঙ্গে খেতে হবে। এটি কাশি থেকে মুক্তি দেয়। দারুচিনি পাতার একটি ক্বাথ তৈরি করুন। 10-20 মিলি খেলে কাশি সেরে যায়। এক চা চামচ মধুর সাথে এক চতুর্থাংশ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি দিনে তিনবার খেলে কাশি ও ডায়রিয়ায় উপশম হয়।

১৯)নাকের রোগের চিকিৎসায়ঃ- 3½ গ্রাম দারুচিনি, 600 মিলিগ্রাম লবঙ্গ, 2 গ্রাম শুকনো আদা এক লিটার পানিতে ফুটিয়ে নিন। যখন এই পানি 250 মিলি থাকে তখন এটি ছেঁকে নিন। এটি দিনে তিনবার খেলে নাকের রোগে উপকার পাওয়া যায়। আপনাকে এটি 50 মিলি পরিমাণে নিতে হবে।

২০)পেট ফাঁপাতেঃ- পেট সংক্রান্ত অনেক রোগে দারুচিনি খুবই উপকারী। 5 গ্রাম দারুচিনির গুঁড়ার মধ্যে 1 চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এটি দিনে 3 বার সেবন করুন। পেট ফাঁপা নিরাময় হয়।

২১)কোলেস্টেরল বা ওজন কমানোর জন্যঃ- যাদের শরীরের ওজন বাড়তি, তারা ওজন কমাতে নানা ব্যবস্থা নিয়ে থাকেন। আপনিও স্থূলতা কমাতে দারুচিনির ব্যবহার করতে পারেন। এক কাপ পানিতে দুই চামচ মধু এবং তিন চামচ দারুচিনির গুঁড়া মিশিয়ে নিন। এটি প্রতিদিন 3 বার সেবন করুন। এটি কোলেস্টেরল কমায়।

২২)ডায়রিয়া বন্ধ করতেঃ- 5 গ্রাম দারুচিনির গুঁড়ার মধ্যে 1 চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এটি দিনে 3 বার সেবন করুন। এটি ডায়রিয়ায় উপকারী। 750 মিলিগ্রাম দারুচিনি পাউডারে 750 মিলিগ্রাম ক্যাচু পাউডার মেশান। দিনে তিনবার পানির সাথে পান করুন। এতে ডায়রিয়া বন্ধ হয়। একইভাবে 4 গ্রাম দারুচিনি, 10 গ্রাম ক্যাচু একসাথে পিষে নিন। এতে 250 মিলি ফুটন্ত পানি দিন এবং এটি ঢেকে দিন। দুই ঘণ্টা পর ফিল্টার করে দুই ভাগ করে পান করুন। এতে ডায়রিয়া বন্ধ হয়।বেলগিরির শরবতে 2-5 গ্রাম দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি সকালে ও সন্ধ্যায় পান করলে ডায়রিয়ার সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়। 10-20 মিলি দারুচিনির ক্বাথ পান করলে পেট সংক্রান্ত রোগে উপকার পাওয়া যায়। দারুচিনির মূল এবং বাকলের একটি ক্বাথ তৈরি করুন। এটি 10-20 মিলি পরিমাণে পান করুন। এটি পেটের অসুখ, ডায়রিয়ায় উপকারী।

২৩)পেটের সমস্যায়ঃ- দারুচিনি , এলাচ এবং তেজপাতা সমান পরিমাণে নিয়ে একটি ক্বাথ তৈরি করুন। এর সেবনে পেটের খিঁচুনি সেরে যায়। দারুচিনির 5-10 মিলি তেল 10 গ্রাম চিনির সাথে মিশিয়ে খেলে পেটের ব্যথা ও বমি উপশম হয়।

২৪)অন্ত্রের রোগেঃ- অন্ত্র সুস্থ রাখতে দারুচিনি ব্যবহার করলেও ভালো ফল পাওয়া যায়। সিনামন (দারুচিনি) তেল পেটে মালিশ করলে অন্ত্রের চাপ দূর হয়।

২৫)গর্ভাবস্থার পরে দারুচিনির উপকারিতাঃ- ত্রিকটু, পিপ্রমূল, দারুচিনি, এলাচ, তেজপাতা এবং আকরকরা নিন। এর গুঁড়া ১-২ গ্রাম মধুর সাথে চেটে নিন। এর ফলে মা হওয়া মহিলাদের রোগ সেরে যায়।

২৬)চর্মরোগের সাথে লড়াইয়েঃ- চর্মরোগ সারাতে মধু ও দারুচিনি মিশিয়ে রোগাক্রান্ত অংশে লাগান। দেখবেন চুলকানি, এলার্জি, ফোঁড়া কয়েকদিনের মধ্যেই ভালো হতে শুরু করবে।

২৭)জ্বরে দারুচিনির উপকারিতাঃ- ১ চা চামচ মধুতে ৫ গ্রাম দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। সকাল, বিকাল ও সন্ধ্যায় খেলে সর্দি-কাশির সঙ্গে আসা সংক্রামক জ্বর সেরে যায়।

২৮)বধিরতা সমস্যায়ঃ- বধিরতা এমন একটি রোগ যা জীবনকে কঠিন করে তোলে। বধিরতার চিকিৎসায়ও দারুচিনি উপকারী। এর জন্য কানে ২ ফোঁটা দারুচিনি তেল দিন। বধিরতায় উপকার পাবেন।

২৯)দারুচিনি ব্যবহার করে রক্তপাত বন্ধ করুনঃ- ফুসফুস বা জরায়ু থেকে রক্তপাত হলে 10-20 মিলি দারুচিনির ক্বাথ পান করুন। সকালে, বিকেলে এবং সন্ধ্যায় ক্বাথ পান করতে হবে। এতে উপকার হয়। শরীরের কোন অংশ থেকে রক্তপাত হলে এক চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো এক কাপ পানির সাথে খান। এটি 2-3 বার খেতে হবে।

৩০) সাইনাসের চিকিৎসায়ঃ- দারুচিনি, কালো দুধ এবং বারবেরি একটি পেস্ট তৈরি করুন। এটির একটি পেস্ট তৈরি করুন। নাকের ভিতরে সাইনাসে একটি ক্ষত তৈরি হয়, সেই ক্ষতের উপর লাগান। এটি দিয়ে ক্ষতটি পূরণ করুন। এটি সাইনাসে উপকারী।

৩১)টিবি রোগে দারুচিনির উপকারিতাঃ- যক্ষ্মা একটি মারাত্মক রোগ যা সারা দেশে বহু মানুষকে আক্রান্ত করে। দারুচিনি টিবি চিকিৎসায় উপকারী। যক্ষ্মা রোগীকে অল্প পরিমাণে দারুচিনির তেল পান করতে হবে। এটি টিবির জীবাণুকে মেরে ফেলে।

৩২)আর্থ্রাইটিস চিকিৎসায়ঃ- 10-20 গ্রাম দারুচিনির গুঁড়ার সঙ্গে 20-30 গ্রাম মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। বেদনাদায়ক জায়গায় আলতো করে ম্যাসাজ করুন। এতে উপকার হবে। এর সাথে এক কাপ হালকা গরম পানিতে ১ চা চামচ মধু এবং ২ গ্রাম দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি সকালে, বিকেলে এবং সন্ধ্যায় সেবন করুন। গাউটে উপকার দেয়। দারুচিনি পাতার তেল লাগালে আর্থ্রাইটিসেও আরাম পাওয়া যায়।


দারুচিনির অপকারিতাঃ- যেকোন কিছু যেমন কারো জন্য উপকারী, তবে তা থেকে সবাই উপকৃত হবে এমন নয়। এটি অন্য ব্যক্তিরও ক্ষতি করতে পারে। একইভাবে, দারুচিনিরও অপকারিতা রয়েছে, যা নিম্নরূপ:-

১) অতিরিক্ত পরিমাণে দারুচিনি খেলে মাথাব্যথা হতে পারে।
২) গর্ভবতী মহিলাদের দারুচিনি দেওয়া উচিত নয়, কারণ এটি গর্ভপাত ঘটাতে পারে।

অতএব, দারুচিনির অপকারিতা থেকে বাঁচতে, ব্যবহারের আগে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।


দারুচিনি কত পরিমাণে খাবেন?

ছালের গুঁড়া – 1 থেকে 3 গ্রাম
পাতার গুঁড়া – 1 থেকে 3 গ্রাম
তেল – 2 থেকে 5 ফোঁটা


#দারুচিনি কি ওজন কমাতে সাহায্য করে?-------
আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞদের মতে, দারুচিনি মেটাবলিজমকে উন্নত করে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। আপনি যদি ওজন বাড়ার জন্য বিরক্ত হন, তাহলে নিয়মিত দারুচিনির গুঁড়া বা এটি থেকে তৈরি একটি ক্বাথ ব্যবহার করুন। মনে রাখবেন বেশি উপকার পাওয়ার জন্য কখনই বেশি পরিমাণে দারুচিনি খাবেন না।

**বি.দ্র: প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। #উপকারিতাঃ- #চুলের #সুস্বাস্থ্য #স্বাস্থ্যের #মশলা #ত্বকের #কমওজন #স্বাস্থ্য #দারুচিনি

কাঁচা মরিচ খান শরীর ফিট রাখুনঃ-পুষ্টিগুণঃ- কাঁচা মরিচে রয়েছে প্রচুর ডায়াটারি ফাইবার, সোডিয়াম, থিয়ামিন, রাইবোফ্লবিন, নিয়া...
15/09/2023

কাঁচা মরিচ খান শরীর ফিট রাখুনঃ-

পুষ্টিগুণঃ- কাঁচা মরিচে রয়েছে প্রচুর ডায়াটারি ফাইবার, সোডিয়াম, থিয়ামিন, রাইবোফ্লবিন, নিয়াসিন, ফলেট, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন এ, সি, কে, বি৬, পটাসিয়াম, কপার এবং ম্যাঙ্গানিজের মতো উপাদান যা নানাভাবে শরীরের উপকারে লাগে থাকে।

ভেষজ গুণঃ- নিয়মিতভাবে কাঁচা মরিচ খেলে মুখে ‘ঘা’ হয় না।

ব্যবহারঃ- রান্না-বান্না ও মুখরোচক খাবার তৈরি ছাড়াও মরিচ বিভিন্ন ধরনের আচার তৈরির উপাদান হিসেবে ব্যবহার হয়। অনেকে মরিচের আচারও করে থাকেন।

উপকারিতাঃ-

১)চোখ ভালো রাখেঃ- ভিটামিন এ থাকায় এটি সব বয়সী ব্যক্তির দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে ও চোখব্যথা দূর করে।

২)ত্বক উজ্জ্বল করেঃ- কাঁচা মরিচের অণুজীব–প্রতিরোধক্ষমতা শরীরে জীবাণু সংক্রমণ রুখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। ফলে তা ত্বককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখে।

৩)ফুসফুস সুস্থ রাখেঃ- প্রতিদিন কাঁচা মরিচ খেয়ে ঠান্ডা, কাশি এমনকি ফুসফুসের ক্যানসার প্রতিরোধ করা সম্ভব।

৪) হাড় শক্তিশালী করেঃ- কাঁচা মরিচ টিস্যু পুনর্গঠন করে, নতুন রক্তকোষ তৈরি করে, হাড়কে সুস্থ ও শক্তিশালী করে।

৫) বয়স ধরে রাখেঃ- যাঁরা নিয়মিত কাঁচা মরিচ খান,তাঁদের ত্বক থাকে বলিরেখামুক্ত। এটি বয়স ধরে রাখতে জাদুকরি একটি উপাদান।

৬)পাকস্থলীর ক্যানসার রোধ করেঃ- এতে ক্যাপসাইসিন রয়েছে। তাই এটি পাকস্থলীর ক্যানসার ও পাকস্থলীর যেকোনো রোগ নিরাময় করে।

৭) লালা গ্রন্থিকে সক্রিয় রাখেঃ- কাঁচা মরিচ খেলে লালা উৎপন্ন হয়, যা খাবার ভালোভাবে চিবানোতে ও হজমে সাহায্য করে।

৮) ফ্রি র্যাডিকেলস কমায়ঃ- কাঁচা মরিচে প্রচুর অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট থাকায় এটি রক্তে ফ্রি র্যাডিকেলস কমায়। বিটা ক্যারোটিন নামের অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট হৃদ্যন্ত্র কর্মক্ষম রাখে।

৯) হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটেঃ- কাঁচা মরিচ খাওয়া মাত্র শরীরে ভিটামিন সি-এর মাত্রা যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি স্যালাইভার উৎপাদনও বৃদ্ধি পায়, যে কারণে হজম ক্ষমতার এত মাত্রায় উন্নতি ঘটে যে গ্যাস, অম্বল এবং বদহজমের মতো সমস্যা দূরে পালায় চোখের পলকে। ডায়েটারি ফাইবারে পরিপূর্ণ হওয়ার কারণে কাঁচা মরিচ হজমের জন্য খুবই উপকারী। এ ছাড়া ঠাণ্ডার সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে কাঁচা মরিচ। হঠাৎ ঠাণ্ডা সমস্যা ও সাইনাসের সমস্যা থেকে বাঁচায় কাঁচা মরিচের থাকা ক্যারাসাসিন।

১০) মন-মেজাজ চাঙ্গা হয়ে ওঠেঃ- কাঁচা মরিচ খাওয়া মাত্র শরীরে এন্ডোরফিন নামক একটি হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে স্ট্রেসের প্রকোপ যেমন কমতে শুরু করে, তেমনি মন-মেজাজও চাঙ্গা হয়ে ওঠে। ফলে মানসিক অবসাদের মতো সমস্যার খপ্পরে পরার আশঙ্কা যায় কমে।

১১) সাইনাসের মতো রোগ দূরে পালায়ঃ- মরিচে থাকা ক্যাপসিসিন মিউকাস মেমব্রেনের অন্দরে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। ফলে ঠাণ্ডা লাগার কারণে হওয়া নানবিধ শারীরিক সমস্যা যেমন কমে যায়, তেমনি সাইনাস ইনফেকশনের কষ্ট কমতেও সময় লাগে না।

১২)ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসেঃ- প্রতিদিন কাঁচা মরিচ খেলে হজম ক্ষমতা এত মাত্রায় বৃদ্ধি পায় যে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে শরীরে জমে থাকা ফ্যাট সেলেরা এত মাত্রায় গলতে শুরু করে যে ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে একেবারেই সময় লাগে না।

১৩) রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকেঃ- নিয়মিত কাঁচা মরিচ খাওয়া শুরু করলে ইনসুলিনের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার সুযোগই পায় না। ফলে ডায়াবেটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে।

১৪) শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় থাকেঃ- কাঁচা মরিচের স্বাদ কেন ঝাল হয় জানা আছে? এর মধ্যে ক্যাপসিসিন নামক উপাদান এক্ষেত্রে নিজের খেল দেখিয়ে থাকে। এই উপাদানটি স্বাদ গ্রন্থিকে অ্যাকটিভ করে তোলার পাশাপাশি মস্তিষ্কের হাইপোথেলামাস অংশকে অতি মাত্রায় সচল করে তোলে। ফলে শরীরের তাপমাত্র এতটা কমে যায় যে গরমের খারাপ প্রভাব দেহের উপর পরার আশঙ্কা একেবারেই থাকে না।

১৫)ব্যথা কমেঃ- কাঁচা মরিচে থাকা একাধিক উপকারি উপাদান দেহে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখাতে শুরু করে যে কোনও ধরনের যন্ত্রণা কমতে সময়ই লাগে না। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতার উন্নতিতে এবং আলসারের মতো রোগকে দূরে রাখতেও কাঁচা মরিচ বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

১৬) হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়ঃ- কাঁচা মরিচে থাকা একাধিক উপাকির উপাদান রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে ফেলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে ফাইব্রিনোলেটিক অ্যাকটিভিটিকে বাড়িয়ে দিয়ে মস্তিষ্কে যাতে ব্লাড ক্লট না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে মরিচ। ফলে স্ট্রোকের আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

১৭)রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়েঃ- প্রতিদিন অন্তত দু’টি কাঁচা মরিচ খেলে কোনো রোগই কাছে ঘেঁষতে সাহস পাবে না। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি, বিটা ক্যারোটিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে তোলে যে কোনো রোগ-জীবাণুই শরীরের ক্ষতি করে উঠতে পারে না। ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শুধু ইমিউনিটি বাড়ায় না, সেইসঙ্গে দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটাতে এবং ত্বককে সুন্দর করে তুলতেও সাহায্য করে।

১৮) খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়ঃ- কাঁচা মরিচ শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। মরিচের বীজ একাজে খুবই কার্যকর। তাই উচ্চরক্তচাপ ও কোলেস্টেরলে ভুগতে থাকা রোগীদের পাতে মরিচ রাখুন।

১৯) ডায়াবেটিস দূরে রাখেঃ- কাঁচা মরিচের বিভিন্ন উপকারী উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ডায়াবেটিসের মতো রোগ ধারে কাছে ঘেঁষার সুযোগই পায় না।

এছাড়াও আরও কিছু কাজ করে যেমনঃ-

১) গ্রীষ্ম কালে মসলা জাতীয় খাবারের সাথে কাঁচা মরিচ খেলে তা ঘামের সাথে বেড়িয়ে যায় ফলে শরীর ঠাণ্ডা থাকে।

২) চর্বি জাতীয় খাবারের সঙ্গে কাঁচা মরিচ খেলে মোটা হওয়ার কোনা ভয় থাকে না। কারণ কাঁচা মরিচ খাদ্যের সঙ্গে থাকা চর্বিকে ধ্বংস করে । ফলে স্লিম থাকা যায়।

৩) এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন আছে যা কার্ডোভাস্ক্যুলার সিস্টেম কে কর্মক্ষম রাখে।

৪)ত্বক ও চুল ভালো রাখতে কাঁচা মরিচে বিদ্যমান অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট দারুণ উপকারি। তাছাড়াও রক্তনালী আর তরুনাস্থি গঠনে সাহায্য করে।

৫) এতে আছে ভিটামিন এ যা হাড়, দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখতে সহায়তা করে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যা মাড়ি ও চুলের সুরক্ষা করে।

৬) নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে নার্ভের বিভিন্ন সমস্যাও কমে যায়। প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটি করে কাঁচা মরিচ রাখলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না।

৭) কাঁচা মরিচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি শরীরকে জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে। ও যে কোনো ধরণের কাটা-ছেড়া কিংবা ঘা শুকানোর জন্য খুবই উপকারী

আরও কিছু তথ্যঃ- কাঁচা মরিচের ঝালের কারনে অনেকেই একে কাঁচা খেতে সাহস পায় না। তাই সবার মনেই প্রশ্ন জাগে, কাঁচা মরিচ কাঁচা খাওয়া ভালো, নাকি রান্নার সাথে খাওয়া ভালো। এর উত্তর হল, কাঁচা মরিচ কাচা খাওয়া ভালো। ৩৭০ ডিগ্রি তাপমাত্রার বেশি তাপমাত্রায় কাঁচামরিচ সেদ্ধ করলে কিংবা ভেজে খেলে, তাতে বিদ্যমান ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যায়। তাই এর আসল উপকারিতা পেতে প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে কাঁচা মরিচ কাঁচা খেতে অভ্যাস করুণ।

**বি.দ্র: প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। #সুস্বাস্থ্য #ত্বকের #স্বাস্থ্যের #স্বাস্থ্য #ফল #চুলের #কমওজন #উপকারিতাঃ- #মশলা #কাঁচামরিচ

লটকনের স্বাস্থ্য উপকারিতাঃ-১) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ-রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি’র জুড়ি নেই। একইভাবে মন-মে...
14/09/2023

লটকনের স্বাস্থ্য উপকারিতাঃ-

১) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ-রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি’র জুড়ি নেই। একইভাবে মন-মেজাজ প্রফুল্ল রাখতেও ভিটামিন সি’র ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভিটামিন সি’য়ে ভরপুর লটকন খেলে রোগ-বালাই যেমন দৌড়ে পালাবে, তেমনি শরীরে নতুন রোগও বাসা বাঁধতে দেবে না। তাই সুস্থ্য, নিজেকে ফিট রাখতে নিয়মিত খেতে হবে স্বাস্থ্যকর এই ফলটি। দৈনিক মাত্র ২-৩ টি লটকন খেলে প্রতিদিনের ভিটামিন সি’র অভাব পূরণ হয়ে যাবে বলে মনে করেন পুষ্টিবিদরা। এছাড়াও প্রতি ১০০ গ্রাম লটকনে রয়েছে ১.৪২ গ্রাম প্রোটিন ও ০.৪৫ গ্রাম ফ্যাট। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

২) খনিজ উপাদানে ভরপুরঃ-লটকন ফলটি আকারে ছোট হলেও এতে রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্রোমিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামসহ নানা খনিজ উপাদান। প্রতি ১০০ গ্রাম লটকনে ৯ গ্রাম ক্যালসিয়াম,
ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম ও ক্রোমিয়াম থাকে। আর এইসব উপাদান শরীরকে সুস্থ রাখতে বেশ উপকারী। এছাড়া রক্ত ও হাড় গঠনের জন্য আয়রন বিশেষ উপকারী। প্রতি ১০০ গ্রাম লটকনে আয়রনের উপস্থিতি ৫.৩৪ মি.গ্রা।

৩) ভিটামিন বি সমৃদ্ধ ফলঃ-ভিটামিন বি-১ এবং ভিটামিন বি-২ সমৃদ্ধ ফল লটকন। লটকনে ভিটামিন বি-১ এর পরিমাণ হল ১০.০৪ মিলিগ্রাম এবং ভিটামিন বি-২ আছে ০.২০ মিলিগ্রাম। বেরিবেরি রোগ থেকে দূরে রাখে লটকন। শারীরিক দূর্বলতা, বুক ধড়ফড় করা, হাত-পায়ে ব্যথা, ঠোঁট এবং পায়ের তালু ফাটা, ঠোঁট ও মুখের ঘা এবং বারবার গলা শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যায় যারা ভুগছেন লটকন তাদের জন্য আদর্শ একটি পথ্য।

৪) প্রচুর ক্যালরি আছেঃ-১০০ গ্রাম লটকনে ক্যালরির পরিমাণ ৯২। যেখানে ১০০ গ্রাম কাঁঠালে ক্যালরি পাওয়া যায় ৪৬। অর্থাৎ কাঁঠালের দ্বিগুণ ক্যালরি আছে ছোট্ট এই লটকনে। যারা প্রচুর পরিশ্রমের কাজ করেন কিংবা দুর্বলতায় ভোগেন তারা নিয়মিত লটকন খেলে শরীরে শক্তি পাবেন।

৫) ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়ঃ-ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, ক্যালশিয়াম, পটাশিয়াম প্রচুর পরিমাণে থাকে লটকনে। এসব উপাদান মানবদেহে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় বলে নিশ্চিত করেছেন গবেষকরা। তাই বর্ষার এই ফলটি খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে।

৬) বীজ ও পাতা ওষুধের কাজ করেঃ-গনোরিয়া' রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে লটকনের বীজ। এছাড়াও ডায়রিয়া দূর করতে লটকন গাছের পাতার গুঁড়া বেশ কাজে দেয়। ফলের পাশাপাশি লটকনের পাতা ও শিকড় খেলে পেটের নানা অসুখ ও জ্বর ভালো হয়ে যায়।

৭) অ্যানিমিয়া রোধেঃ- আয়রনের স্বল্পতার কারণে অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা তৈরি হয় শরীরে। লটকনে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। এ কারণে এটি রক্তশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে।

৮) ডিহাইড্রেশন কমায়ঃ- ডিহাইড্রেশন কাটিয়ে উঠতে লটকন ফলের প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে। পানি ছাড়াও আপনি তৃষ্ণা নিবারণের জন্য এই ফল খাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

৯) লাল চোখ নিরাময় করেঃ- লাল চোখ আসলে অনেক কারণের দ্বারা সৃষ্ট চোখের ব্যাধিগুলোর একটি ইঙ্গিত, চুলকানি থেকে শুরু করে। চোখ লাল কমানোর জন্য লটকন খুব কার্যকর।

১০) পরিপাকতন্ত্রে সাহায্য করেঃ- লটকনের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার উপাদান পরিপাকতন্ত্রের সঠিক কাজ করতে সাহায্য করে। এটি যথেষ্ট পরিমাণে ফাইবারযুক্ত একটি ফল। এই ফল অন্ত্র ও পাকস্থলীর মতো পরিপাক অঙ্গগুলোর কার্যকারিতা উন্নত করবে। একটি সুস্থ পরিপাক অঙ্গ আপনার পরিপাকতন্ত্রকেও সুস্থ করে তুলবে।

১১) রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখুনঃ- রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে লটকন ফল বেশ উপকারী। ফলটিতে অতিরিক্ত চিনির উপাদান নেই, তাই এটি আপনার শরীরে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াবে না।

১২) কিছু চর্মরোগ নিরাময়ঃ-বাহ্যিক রোগের জন্য, লটকনকে খুব শক্তিশালী বলে মনে করা হয়। ফলটি বিভিন্ন চর্মরোগ যেমন চুলকানি, পানু, খোসপাঁচড়া ও দাদ সারাতে সক্ষম। কৌশলটি খুবই সহজ, শুধু এই ফলটি বেটে অসুস্থদের ত্বকে লেপে দিতে হয়।

১৩) শরীরের জন্য শক্তির উৎসঃ-শরীরে শক্তি বাড়াতে লটকন একটি ফল। ফলটিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ এবং প্রোটিন থাকে, যা খাওয়া হলে শক্তিতে পরিণত হয়। আপনি যদি এটি আপনার নিয়মিত ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করেন তবে আপনি সারা দিন সক্রিয় থাকবেন।

১৪) স্নায়ুর দুর্বলতা কমায়ঃ- লটকনে কলার মতোই পর্যাপ্ত পটাশিয়াম থাকে, যা স্নায়ুর দুর্বলতা কমায়। উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে এটি হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও কমায়।

১৫)হাড় সুরক্ষায়ঃ- লটকন ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস। এ কারণে লটকন হাড় সুরক্ষায়ও ভূমিকা রাখে। সঙ্গে থাকে আয়রন, যা রক্ত ও হাড়ের জন্য বিশেষ উপকারী।

১৬)ভিটামিন সির চাহিদা পূরণ করেঃ- লটকনে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। দিনে দুই-তিনটি লটকন খেলে শরীরের ভিটামিন সির চাহিদা পূরণ হয়। ভিটামিন ‘সি’ ত্বক, দাঁত ও হাড় সুস্থ রাখে। লটকনে ভিটামিন ‘সি’ বেশি থাকায় দিনে দুই-তিনটি লটকন ভিটামিন ‘সি’র সার্বিক চাহিদা পূরণ করতে পারে।লটকনে রয়েছে অ্যামাইনো অ্যাসিড ও এনজাইম, যা দেহ গঠন ও কোষকলার সুস্থতায় কাজে লাগে। এসব উপাদান রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। নানা রকম পুষ্টি উপাদান যা শরীরকে সুস্থ রাখে ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করে। রুচি বাড়াতে লটকন বেশ উপকারী।

**বি.দ্র: প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। #স্বাস্থ্যের #স্বাস্থ্য #সুস্বাস্থ্য #ত্বকের #ফল #লটকন

28/06/2023

পেজের সকল সদস্যকে জানায় ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা, ”ঈদ মোবারক”।

শাপলা ফুলের বিভিন্ন গুণাগুণঃ-১) আমাশয় ও পেট ফাঁপায়ঃ- শাপলা আমাশয় ও পেট ফাঁপায় দারুন কাজ করে থাকে। শাপলা শরীরকে শীতল রাখে...
23/06/2023

শাপলা ফুলের বিভিন্ন গুণাগুণঃ-

১) আমাশয় ও পেট ফাঁপায়ঃ- শাপলা আমাশয় ও পেট ফাঁপায় দারুন কাজ করে থাকে। শাপলা শরীরকে শীতল রাখে, হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায় ও পিপাসা দূর করে। প্রসাবের জ্বালা পোড়া, আমাশয় ও পেট ফাঁপায় শাপলার গুরুত্বপূর্ণ্য ভূমিকা রয়েছে।

২) ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করেঃ-শাপলায় প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। একটা আলুর চেয়ে অন্তত সাত গুণ বেশি ক্যালসিয়াম থাকে শাঁপলা ফুলে।শরীরের হাড় এবং দাঁত মজবুত করতে সহায়তা করে।

৩) আয়ুর্বেদিক ঔষধ হিসাবেঃ- আয়ুর্বেদিক ঔষধ বানাতে শাপলার ব্যবহার রয়েছে। এই ঔষধ অপরিপাকজনিত রোগের পথ্য হিসেবে কাজ করে।

৪) ডায়াবেটিক রোগের জন্যঃ- সাম্প্রতিক গবেষণায় পাওয়া গেছে, শাপলা ফুল-এ ডায়াবেটিক রোগের জন্য প্রয়োজনীয় ঔষুধি গুণাগুন রয়েছে।

৫) ক্যান্সার প্রতিরোধ করেঃ-শাপলাতে রয়েছে গ্যালিক এসিড এনজাইম। শাপলার এসকল উপাদান ক্যানসার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

৬) রক্ত সঞ্চালন করেঃ- শাপলাতে রয়েছে ফ্লেভনল গ্লাইকোসাইড। এই উপাদান মস্তিষকে রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে ফলে মাথা ঠাণ্ডা থাকে।

৭) এ্যালার্জী ও রক্ত আমাশয়ের জন্যঃ- লাল শাপলাতে এ্যালার্জী ও রক্ত আমাশয়ের জন্য বেশ উপকারী। শাপলা প্রধানত এ্যাসিডিটি, এ্যানেসথেসিক, সেরোটিক, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন ধরনের মানসিক রোগে ব্যবহৃত হয়।

৮) আঁশঃ- ফাইবার বা আঁশ আমাদের শররের খুব গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ফাইবার হজম স্বাস্থ্য এবং নিয়মিত অন্ত্রের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান।

৯) প্রোটিনঃ- শরীরের ত্বক, চুল, নখ, হাড় বিকাশে প্রোটিন প্রয়োজন। ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া থেকে শরীরকে প্রতিরক্ষা করে।

১০) ভিটামিন সিঃ- ভিটামিন সি অনেক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলির মধ্যে একটি। ভিটামিন সি শরীরকে রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে।

১১) ভিটামিন বি ১ - ভিটামিন বি ১ শরীরকে কার্বোহাইড্রেটকে শক্তি হিসাবে ব্যবহার করতে সক্ষম করে। এটি গ্লুকোজ বিপাকের জন্য প্রয়োজনীয় এবং এটি স্নায়ু, পেশী এবং হার্টের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

১২) ভিটামিন বি ৭ - ভিটামিন বি ৭, যা সাধারণত বায়োটিন নামে পরিচিত, একটি জল দ্রবণীয় ভিটামিন যা শরীরের বিপাক এবং কার্যক্ষমতার জন্য অত্যাবশ্যক।

১৩) ফসফরাসঃ- দেহের বিভিন্ন ধরণের প্রয়োজনীয় কাজগুলি সম্পাদন করা প্রয়োজন।

**বি.দ্র: প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। #চুলের #সুস্বাস্থ্য #ত্বকের #স্বাস্থ্যের #স্বাস্থ্য #শাপলা

গোলাপফুল খাও ওজন কমাও!গোলাপফুল খাওয়ার উপকারিতাঃ-১) ব্যথানাশকঃ- গোলাপে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে।...
21/06/2023

গোলাপফুল খাও ওজন কমাও!

গোলাপফুল খাওয়ার উপকারিতাঃ-

১) ব্যথানাশকঃ- গোলাপে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ওজন কমাতে চান, তারা গোলাপ চা খেলে ওজন কমাতে পারেন।

২)ক্ষুধানিবারকঃ- গোলাপ চা ক্যাফেইনমুক্ত। তাই কফি বা চায়ের বিকল্প হিসেবে এটি খাওয়া যেতে পারে। এটি ক্ষুধানিবারক হিসেবে কাজ করে বলে ওজন বাড়ে না।

৩)হজমশক্তিবর্ধকঃ- শরীরে জন্য হজমশক্তিবর্ধক হিসেবে কাজ করে গোলাপ। ওজন কমানোর জন্য পরিপাকতন্ত্র ঠিকমতো কার্যকর রাখা জরুরি। গোলাপের চা পাচকতন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরিতে সাহায্য করে। দীর্ঘদিন ধরে তাই গোলাপ চা কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়া সমস্যায় হারবাল ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

৪)বিষনাশকঃ- গোলাপ চাকে বলা হয় বিষনাশক। মূত্রনালির সংক্রমণ প্রতিরোধ ছাড়াও শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান দূর করতে সাহায্য করে গোলাপ চা।

৫)রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ- গোলাপ চায়ে থাকে ভিটামিন সি। স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ওজন কমাতে আগে শরীরের সব রোগ দূর করা দরকার। শরীরের সংক্রমণ দূর করতে গোলাপের ভিটামিন সি কার্যকর।

৬)ওজন নিয়ন্ত্রণঃ-এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে কিছু গোলাপের পাপড়ি ছেড়ে দিন। পানি গোলাপি রং ধারণ করা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ওই পানিতে মধু ও দারুচিনি মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে পান করলে ওজন কমাতে সহায়ক হয়।গোলাপের পাপড়িতে থাকা যৌগ মেটাবলিজম বাড়ায়। এতে শরীরের ক্ষতিকারক পদার্থ অকার্যকর হয়ে বেরিয়ে যায়। ফলে ধীরে ধীরে ওজন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ছাড়া এই পানীয় সেন্স উন্নত করে, বিধায় প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার গ্রহণে আগ্রহ কমে যায়।

৭)ত্বকের যত্নঃ-নিয়মিত গোলাপের পাপড়ি মুখে ঘষলে ত্বকের রুক্ষতা দূর হয়। এই ফুলের রসে যেসব উপাদান থাকে সেগুলো ত্বক সতেজ রাখতে সহায়ক। এ ছাড়া গোলাপজল চেহারার তৈলাক্তভাব দূর করে ত্বককে মোলায়েম রাখে এবং ব্রণ দূর করে। মানসিক দুশ্চিন্তার ফলে চেহারায় পড়া ছাপ মুছতেও গোলাপের রস উপকারী।

৮)ডিপ্রেশন থেকে মুক্তিঃ-বেশির ভাগ সময় ডিপ্রেশন বা বিভিন্ন মানসিক চাপে থাকে মানুষ। অনিদ্রা ও পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাবে এমন হতে পারে। এসব সমস্যা সমাধানে গোলাপের পাপড়ি এবং নির্যাস খুব কার্যকর। কেননা এর ঘ্রাণ মন রাখে শান্ত ও ফুরফুরে। এ ক্ষেত্রে সাধারণভাবে ঘ্রাণ নেয়ার পাশাপাশি গরম পানিতে গোলাপের পাপড়ি ছিটিয়ে গোসল করতে পারেন।

৯)যৌন ক্ষমতা বাড়ায়ঃ-গোলাপফুল যৌন ক্ষমতা বাড়াতেও কাজ করে। প্রতিদিন কয়েকটি গোলাপের পাপড়ি খেলে মানসিক শক্তি ও সতেজতা বৃদ্ধি পায়। এতে শরীরের নার্ভস সিস্টেম ঠিকভাবে পরিচালিত হয়। ফলে যৌন সক্রিয়তা বাড়ে।

**বি.দ্র: প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। #স্বাস্থ্যের #ত্বকের #চুলের #সুস্বাস্থ্য #স্বাস্থ্য #কমওজন #গোলাপফুল

Address

Satkhira
9400

Opening Hours

Monday 09:00 - 05:00
Tuesday 09:00 - 05:00
Wednesday 09:00 - 05:00
Thursday 09:00 - 05:00
Saturday 09:00 - 05:00
Sunday 09:00 - 05:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bengali Kitchen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bengali Kitchen:

Share