04/01/2024
''12th fail দেইখা অনেকেই inspired, motivated বিষয় টা ঠিক আছে। motivate হইতে সমস্যা নাই। তবে ঘটনা হইলো আমাদের থ্রি ইডিয়টস দেখতে ভাল্লাগসিলো কারণ র্যাঞ্চো ফার্স্ট হইতো। ও গতানুগতিক না হয়েও যা করসে সেটাও সফলতার গল্প, বিপ্লব করে ফেলা ফুংসুক ওয়াংড়ু ছিল সে।
আমাদের 12th fail ভালো লাগতেসে কারণ মনোজ শেষ পর্যন্ত হইতে পারসে আইপিএস অফিসার। ব্যক্তিজীবনে এমন অনেক মানুষ চিনি যারা মনোজের চেয়ে অমানুষিক পরিশ্রম করেও কিছু পায় নাই। তাদের কেউ মনে রাখেনি।
দিনশেষে আমরা সফলতার গল্প শুনতে ভালোবাসি। মনোজ লাস্ট এটেম্পটেও ফেইল করলে সিনেমা হইতো না, গ্রামেও যাইতে পারতো না, এসব গল্প ও কেউ শুনতো না। -colleted''
-- আমি ব্যক্তিগত ভাবে যেটা মনে করি, সফলতা অর্জনে major minor অনেক গুলো factor কাজ করে। যখন minor fact গুলো কাজ করে, ওই স্টেজে struggle করে সামনে আগানো যায় সত্যি। তবে একটা certain time পর যখন major fact কাজ করা শুরু করে, তখন struggle আর target দুইটা parallelley টেনে target hit করা যায় না। যদিও depend করে target টা কোন level এর আর তোমার capability কতখানি।
বাংলাদেশ এর perspective থেকে যদি বলি, BCS Admin বা Foreign ইনফ্যাক্ট Professional Cadre যারা হয়েছেন, সবারই কোনো না কোনো একটা struggle ছিল। একটা 'গায় জ্বালা' ছিল। কারণ আমার মনেহয়, জ্বালা ছাড়া এই টার্গেটে আসলে হিট করা সম্ভব না। জ্বালা ও থাকতে হবে, সাপোর্ট ও থাকতে থাকতে হবে, তাহলে সফলতা আশা করা যায়। হবে কিনা sure না। তবে expect করা যায়।
12th Fail এর কথা যদি বলি, written এর আগে 'খাওয়া, ঘুম, পড়া' -এই যে একটা সাপোর্ট পেয়ে গেছে, এই সাপোর্ট টা struggle করা মানুষ গুলো maximum ই পায়না। এটার contradict হলে হতেই পারতো সিনেমাই আর তৈরী হতো না। অথবা ঘুরিয়ে অন্য কোনো সিনেমার কাহিনী হতে পারতো।
আসলে কি, support from inside or outside - এটা অনেক বড় একটা বেপার জীবনে বড় হওয়ার ক্ষেত্রে। সেটা ফিনান্সিয়াল হতে পারে, ইকোনোমিক্যাল হতে পারে, ইমোশনাল হতে পারে। আমার কেমিস্ট্রি স্যার ছিলেন যিনি, উনি BCS cadre। একদিন তিনি গল্প করেছিল 'আমি যখন রাজশাহী ভার্সিটি তে চান্স পাই, আমি সুদে টাকা তুলে গিসিলাম ভর্তি হতে। তারপরও আমি তার কাছে কৃতজ্ঞ। কারণ ওই টাকা টা না পেলে আমার রাজশাহীতে ভর্তি হওয়া হতো না।'
আমাদের পরিবার থেকে শিক্ষা দেয়া হয় গুরুজন দের থেকে দোআ নিতে। বিষয় টা আমি আমার দৃষ্টিকোণ থেকে যেভাবে দেখি,-'পরীক্ষা দিতে যাচ্ছি, দোআ করবেন- এই কথার মানে হলো, আমি একটা ঘটনা ঘটাইতে যাচ্ছি, তোমাকে concern করলাম; আর তুমি concern। তুমি আমাকে সাপোর্ট করলে, এবং তুমি যেন পরবর্তীতে এটা নিয়ে কোনো ভেটো দিও না। তোমার একটা খামখেয়ালির ভেটো আমার লাইফ তছনছ করে ছেড়ে দিতে পারে। কেননা আমি মহামানব রূপে পৃথিবীতে আসি নি।