GardenFact-গার্ডেনফ্যাক্ট

GardenFact-গার্ডেনফ্যাক্ট এই পেইজে ছাদ বাগানের সকল তথ্য নিয়ে ভিড

31/12/2021


#ছাদ_বাগান
ঢাকায় টবের পাইকারী ও খুচরা বাজার।

30/12/2021

একটি গাছও মরবে না। টবে গাছ লাগানোর নিয়ম-নীতি।
#ছাদ_বাগান

29/12/2021


ছাদ বাগানের সৌন্দর্য

29/12/2021

Joibo Sar Varmi Compost

28/12/2021

BEAUTIFUL😍😍😍

গাছের পেয়ারা।
18/11/2020

গাছের পেয়ারা।

নিম তেলঃশুধুমাত্র গাছের পোকামাকড় দূর করার জন্যই নয় চুল ও ত্বকের জন্য ও বেশ উপকারী নিম তেল।গাছের যত্নে নিম তেলঃনিম তেল এক...
30/10/2020

নিম তেলঃ
শুধুমাত্র গাছের পোকামাকড় দূর করার জন্যই নয় চুল ও ত্বকের জন্য ও বেশ উপকারী নিম তেল।

গাছের যত্নে নিম তেলঃ
নিম তেল একটি কার্যকরী জৈব কীটনাশক, মাকড়নাশক ও ছত্রাকনাশক। ছত্রাক, থ্রিপ্স, জাবপোকা, ম্যাপ পোকা, মিলিবাগের আক্রমণ সহ অসংখ্য রোগের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে নিম তেল।নিম তেল ব্যবহারে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। ফলবান গাছে নিশ্চিন্তে ব্যাবহার করা যায়।

নিম তেল গাছে কিভাবে ব্যবহার করতে হয়ঃ

এক লিটার নিম স্প্রে তৈরি করতে ৪/৫ ফোটা লিকুইড সাবান বা ডিস ওয়াশের সাথে ১০ মিঃ লিঃ নিম তেল মিশাতে হবে এরপর ১ লিটার পরিস্কার পানি ঐ মিশ্রনের সাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। আক্রান্ত গাছগুলোতে বিকেলে স্প্রে করুন ১৫ দিন পর পর।

ত্বকের যত্নে নিম তেলঃ
নিম তেল মাখলে মশা ও অন্যান্য পোকামাকড় কামড়ায় না।
নিম তেলের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকে সহজে বার্ধক্যেরছাপ পড়তে দেয় না।

নিম তেল ফ্যাটি এসিডে সমৃদ্ধ যার ফলে সহজে ত্বকের সাথে মিশে যায় এবং সংকোচন-প্রসারণ সহজতর হয়।

নিয়মিত নিম তেল ব্যবহার করলে ত্বকের বলিরেখা ও বার্ধক্যজনিত যাবতীয় দাগ দূর করা সম্ভব। নিম অয়েলে অ্যাসপিরিন জাতীয় উপাদান রয়েছে, যা ব্রণ হওয়ার জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ধ্বংস করে।

ত্বকের লাল ভাব ও ব্রণের ক্ষত থেকে ব্যথা হলে নিমের অয়েল তা সারিয়ে তোলে।

নিম অয়েল ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রেখে অ্যাকজিমা প্রতিকার ও প্রতিরোধ করে।

ত্বকের ছোট ছোট লালচে দাগ দূর করে। ত্বকে অতিরিক্ত মেলানিন তৈরিতে বাধা দেয়।

নারিকেল তেল ও নিমতেল একসাথে মিক্সড করে ত্বকের জন্য বেশ কার্যকরী।

ড্রাই স্কীনের জন্য খুব ভালো ময়েশ্চার হিসেবে কাজ করে।

শরীরে নিমের তেল মাখলে প্রায় ৬/৭ ঘণ্টা পর্যন্ত মশা কামড়ায় না।

সতর্কতাঃ
নিমতেল সরাসরি ত্বক / চুলে ব্যবহার করা যাবে না। কোন কিছুর সাথে মিক্সড করে দিতে হবে। নারিকেল তেলের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করা যাবে।

চুলের যত্নে নিম তেলঃ
চুলে ও মাথার ত্বকে নিয়মিত নিম অয়েল ব্যবহারের মাধ্যমে খুশকি থেকে দূরে থাকা সম্ভব। আপনার ব্যবহার করা শ্যাম্পুতে কয়েক ফোঁটা নিম অয়েল মিশান। এবার চুলে শ্যাম্পু মেখে ২-৩ মিনিট অপেক্ষা করুন। এভাবে আপনার উসকো-খুসকো ও প্রাণহীন চুলে উজ্জ্বল্য ফিরে পাবেন।

নিয়মিত নিম অয়েল ব্যবহারে উকুন তাড়ানো সম্ভব।

নিম অয়েল চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে এবং চুল ভাঙা রোধ করে।

পুরোপুরি খুশকি দুর করতে নিমতেল একাই যথেষ্ট।

নারিকেল তেলের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করা যাবে।

নখের যত্নে নিম অয়েলঃ
নখ ভেঙ্গে যাওয়া, বাঁকা হয়ে যাওয়া রোধে নীম অয়েল বিশেষ উপকারি।
নখের কোণের ফাঙ্গাস প্রতিরোধেও নীম অয়েল কাজ করে।

ঘরের পোকা মাকড় দূর কর করতে নিম তেল।

বাড়িতে মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে পানির সাথে নিম অয়েল মিশিয়ে স্প্রে করুন।

বাড়িতে পিঁপড়া, তেলাপোকা এবং অন্যান্য পোকামাকড়ের হাত থেকে রেহাই পেতে নিম অয়েল ব্যবহার করুন।

ঘরের মেঝে জীবাণুমুক্ত রাখতে সাবান পানিতে নিম অয়েল মিশিয়ে মুছে নিন।

নিমের ফল থেকে নিম তেল সংগ্রহ করা হয়।

প্রতি কেজি ১২০০টাকা
প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন
০১৯১১০২৬৬৮০

ছাদবাগানে ইপসম সল্টের সেরা ১০টি ব্যবহার। গাছের প্রাণ এপসম লবন। ম্যগনেশিয়াম সালফেট। খনিজ লবন। এপসম সল্ট বা ইপসম লবণ, রাসা...
11/10/2020

ছাদবাগানে ইপসম সল্টের সেরা ১০টি ব্যবহার। গাছের প্রাণ এপসম লবন। ম্যগনেশিয়াম সালফেট। খনিজ লবন।

এপসম সল্ট বা ইপসম লবণ, রাসায়নিক নাম হাইড্রেট ম্যাগনেশিয়াম সালফেট, আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন ঘরোয়া সমস্যা সমাধানে খুবই সুপরিচিত একটি খনিজ লবণ। অনেকেই আমরা জানি এই ইপসম লবণ বাগান করার জন্যে খুবই প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। এর অনেক উপকারি দিক আছে যা বলে শেষ করা সময় সাপেক্ষ। অর্গানিক ফার্মারদের কাছে এই ইপসম লবণের চাহিদা যুগ যুগ ধরেই ছিল।


ইপসম লবণ কি?
ইপসম লবণ আমাদের প্রচলিত খাবার লবণ থেকে আলাদা, এর গাঠনিক উপাদানের মধ্যে রয়েছে খনিজ ম্যাগনেশিয়াম ও সালফেট, তাই এটি ম্যাগনেশিয়াম সালফেট নামে পরিচিত। এটি দেখতে ক্ষুদ্র ও বর্ণহীন। আমাদের মানব শরীরে ম্যাগনেশিয়াম সালফেটের ব্যাপক চাহিদা আছে।

আপনি যদি বাগানে শিম বা পাতাযুক্ত শাক সবজি, ফুল ও ফলের চাষ করতে চান তাহলে এই এপসম সল্ট আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ আজকের ভিডিওটা আপনার জন্যই বানানো হয়েছে।

ইপসম লবণের ব্যবহার
যুগ যুগ ধরে বাগানীদের কাছে প্রিয় এই খনিজ লবণটি শাকসবজি ও ফলকে মিষ্টি ও সুস্বাদু করার জন্যে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এছাড়াও গোলাপকে আরও আকর্ষণীয় করতেও এর ব্যবহার বেড়েছে।
ইপসম লবণ বীজের সফল অঙ্কুরোদগমের জন্যে ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও ঘরোয়াভাবে স্যালাইন প্রস্তুতি ও বেদনা নাশক হিসেবে এটিকে একটি কার্যকরী ঔষুধের মতোই বলা চলে।

যে মাটিতে ম্যাগনেশিয়ামের অভাব দেখা দেয় কিংবা ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে, সেসব মাটিতে বেশ জোরালো ভূমিকা পালন করে এপসম সল্ট।

টমেটো, গোলাপ গাছ কিংবা মরিচ গাছে ম্যাগনেশিয়ামের চাহিদা ব্যাপক। এজন্যে এসব গাছে ইপসম লবণযুক্ত করে পানি দিতে হয়। এছাড়াও পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করে দিলেও গাছ খুব সহজেই ইপসম লবণ গ্রহণ করতে পারে।
সবরকম সবজি ও ফলের গাছে এপসম সল্ট ব্যাবহার করা যায়। প্রথম বার প্রতি গ্যালন পানিতে ২ টেবিল চামচ ইপসম লবণ মিশিয়ে সেচ দিতে হয়। এর পর মাসে একবার প্রতি গ্যালনে ১ টেবিল চামচ করে দিলেই হয়।

বীজের অঙ্কুরোদগমে এর সল্যুশন মাটির একটি অংশ হিসেবে কাজ করে। এপসম সল্ট এর ব্যবহার অঙ্কুরিত বীজকে দ্রুত সময়ের মধ্যে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে।

বীজ রোপননের মাটিতে ১/২ টেবিল চামচ পরিমাণ এপসম সল্ট মিসিয়ে দিতে হয়। বা ১/২ টেবিল চামচ পরিমাণ এপসম সল্ট এক গ্লাস পানিতে ভাল করে মিশিয়ে বীজ তলার মাটিতে ছিটিয়ে দিলেই হয়ে যাবে। একবার ব্যাবহার করলেই হয়।

আপনার বাগানের মাটিতে ইপসম লবণের ব্যবহার মাটির জৈব পুষ্টি শোষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় সমস্ত পুষ্টি উপাদান মাটি থেকেই গ্রহণে সহায়তা করে। এটি রাসায়নিক সারের প্রতি নির্ভরশীলতা অনেকাংশে কমায়।

ম্যাগনেশিয়ামের উপস্থিতির কারণে ইপসম লবণ গোলাপের কুড়ি তৈরিতে সাহায্য করে। গোলাপ ফুল চাষকারীদের জন্যে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উদ্যানতাত্ত্বিকরা এই বিষয়ে একমত যে ইপসম লবণ গোলাপে কুড়ির সংখ্যা ও আকার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এছাড়া এটি ক্লোরিফিলের পরিমাণ বাড়ায়, যা কিনা গোলাপের দ্রুত বৃদ্ধিতে সহায়ক।

এটি উদ্ভিদকে নতুন পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে সহায়তা করে। এছাড়াও নার্সারির বেড সীডে তৈরি চারা মাঠে স্থানান্তরের সময় ক্ষতিগ্রস্থ শেকড় দ্রুত ধাক্কা কাটিয়ে ওঠে।

তবে সতর্ক থাকতে হবে রোপিত চারার চারপাশে ইপসম লবণ দেওয়ার সময় এর মূলের সংস্পর্শে যেন না আসে। এতে চারা ক্ষতি হতে পারে। বড় গাছ হলে কোন অসুবিধা নাই।

আজকাল ছাদবাগানে অনেকেই মরিচ চাষ করি। মরিচের সাইজ ও অধিক ফলনের জন্যে দুই সপ্তাহ পর পর ম্যাগনেশিয়াম প্রয়োগ করা জরুরি। অধিক ঝালযুক্ত মরিচ পেতে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পানি দিতে হবে। আর প্রতি সপ্তাহে একবার করে প্রতিটি মরিচ গাছে ১ চামচ ইপসম লবণ ছিটিয়ে দিলেই চলবে।
এপসম সল্ট গাছের পাতার সংখ্যা ও ক্লোরফিল বৃদ্ধি করে। এর অভাবে পাতায় ক্লোরিসিস দেখা দেয়। পাতা হলুদ হয়ে যায়। টবের মাটির চারিপাশে ইপসম লবণ প্রয়োগ করলে গাছের স্বাস্থ্যবান পাতার পরিমাণ বাড়বে ও অধিক ফলের নিশ্চয়তা বেড়ে যাবে।

প্রতি গ্যালন পানিতে ২ টেবিল চামচ ইপসম লবণ মিক্স করে পাতায় সরাসরি প্রয়োগ করলে ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে হওয়া পাতা কোঁকড়ানো প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।
ইপসম লবণ ক্ষতিকর কীটপতঙ্গকে বাগানের ধারেকাছে ঘেষতে দেয় না। গাছে ইপসম লবণ ছিটিয়ে দিলে ক্ষতিকর কীটপতঙ্গের শরীর ও পায়ে আচড় কাটে ও বিরক্তির সৃষ্টি করে।

যেকোনো উদ্ভিদের জীবনচক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার ফুল হয়, সেই ফুল থেকে ফল পাওয়া যায়। ইপসম লবণ প্রয়োগে ক্লোরফিলের মান উন্নয়ন করে ফলের মিষ্টতা নিশ্চিত করে।

সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যায় যে, টমেটো ফার্মে ইপসম লবণ ব্যবহারে এর ম্যাগনেশিয়াম ঘাটতি কাটিয়ে টমেটোকে আরও বেশি সুস্বাদু করতে সাহায্য করে। একারণে অনেকেই টমেটো চাষে ইপসম লবণের ব্যবহার করে।

টমেটো গাছে নিয়মমাফিক ইপসম লবণ প্রয়োগ করলে টমেটোকে আকর্ষণীয়, সুস্বাদু ও বড় কর তোলে। এক্ষেত্রে অন্যান্য উদ্ভিদের চেয়ে টমেটো গাছে দ্বিগুণ মাত্রায় ইপসম লবণ ব্যবহার করতে হয়।

উপকারিতা পেতে এক গ্যালন পানিতে ২ টেবিল চামচ ইপস্ম লবণ মিশিয়ে প্রতি দুই সপ্তাহ পরপর গোড়ায় ঢালুন। সাথে সাথেই ফল পাবেন।

১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

আজ এপর্যন্তই এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন
০১৯১১০২৬৬৮০

Address

Savar
1347

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GardenFact-গার্ডেনফ্যাক্ট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to GardenFact-গার্ডেনফ্যাক্ট:

Share