23/02/2022
🍈কৎবেল বা ‘কদবেল’ এক ধরনের ফল। এর খোলস শক্ত ও ছাছি বেলের মত খসখসে। 🥦গাছ ২০-৫০ ফুট উঁচু হয়। কাঠ শক্ত ও পর্ণমোচীি বা পাতা ঝরা বৃক্ষ। পাতা কামিনি ফুলের পাতার মত। পত্রদন্ডের ২ দিকে ৫-৭ পাতা থাকে। ২-৫ইঞ্চি ব্যাস বিশিষ্ট টেনিস বলের আকারের কৎবেল টক স্বাদের ফল।
কৎবেল সাধারণত এশিয়া মহাদেশের মধ্যেই পাওয়া যায়, পরিপূর্ণ কৎবেল গাছ বড় ধরনের বৃক্ষ যার উচ্চতা প্রায় ১০-৩০ হয়ে থাকে।
🍈পাকা কৎবেল থেকে সুগন্ধ বের হয়। পাকা কৎবেল গাছ থেকে ঝরে পড়ে। গাছ যখন ছোট থাকে তখন তাতে অনেক শক্ত ও তীক্ষ্ণ কাঁটা থাকে। গাছ বড় হলে কাঁটা কমে যায়। খাদ্য হিসাবে বেল অসাধারণ উপকারী । তবে বেল গাছ প্রচুর পরিমাণে কমে যাওয়ায় এখন চাহিদার তুলনায় তা অপ্রতুল। বাজারে পাকা বেল খুব চড়া দামে বিক্রি হয়।
🍈গাছে ছোট কাঁটা থাকে। আগস্ট-নভেম্বর মাসে ফল পাকে। কাঠ শক্ত; ঘরবাড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা যায়। সংস্কৃত ভাষায় এর নাম কপিত্থ। সাদা রঙের ফুল হয়। পাকা কতবেলে পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে আমিষ, শর্করা, চর্বি, ক্যালসিয়াম , ভিটামিন বি ও সি। লঙ্কা, লবণ ও চিনি দিয়ে মেখে সুস্বাদু আচার বানিয়ে খাওয়া হয়। প্রতি একশো গ্রাম মন্ডে ৪৯ ক্যালোরি শক্তি বিদ্যমান।
ফল, পাতা, ছাল ও শাঁস ঔষধি হিসেবে ব্যবহার হয়।
পিত্ত পাথুরিতে কচি পাতার রস ব্যবহার হয়।
শাঁস কাশি, সর্দি, হাঁপানি, ও যক্ষ্মা রোগের উপকার হয়।
উদ্দীপক, মূত্রবর্ধক, বলকারক ও যৌনশক্তি বর্ধক গুণ রয়েছে।
ফলের বীজ হৃদরোগ নিরাময় করে
মাড়ী ও গলার ঘায়ে ব্যবহৃত হয়।
পেটের অনেক পুরনো দিনের সমস্যা কদবেল খেলে দুর হতে যায়।