Tanmoy's Garden Luxury

Tanmoy's Garden Luxury keep gardening,heal yourself

06/09/2021
বারি মাল্টা -১
06/09/2021

বারি মাল্টা -১

চায়না -৩ লিচু
19/08/2021

চায়না -৩ লিচু

নদীর মাছ
19/08/2021

নদীর মাছ

আমরা
19/08/2021

আমরা

কাঠবাদাম গাছ
19/08/2021

কাঠবাদাম গাছ

কাজুবাদাম গাছ
19/08/2021

কাজুবাদাম গাছ

নারিকেল বাংলাদেশের অন্যতন প্রধান অর্থকারী ফসল। এটির প্রতিটি অংশই কোন না কোন কাজে লাগে। ভালো ফলন পেতে সঠিকভাবে  যত্ন নিতে...
06/08/2021

নারিকেল বাংলাদেশের অন্যতন প্রধান অর্থকারী ফসল। এটির প্রতিটি অংশই কোন না কোন কাজে লাগে। ভালো ফলন পেতে সঠিকভাবে যত্ন নিতে হবে। সঠিক পরিমাণে সার দিতে হবে।

💠নারিকেল চাষে কেমন মাটি প্রয়োজন?

নারিকেল গাছের জন্যে নিকাশযুক্ত দোআঁশ থেকে বেলে দোআঁশ মাটি উত্তম।

💠নারিকেল চারা কখন রোপন করবেন?

জুন মাস(মধ্য জৈষ্ঠ)থেকে সেপ্টেম্বর (মধ্য আশ্বিন) মাস পর্যন্ত চারা রোপণের উপযুক্ত সময়।

✳️নারিকেল গাছে পূর্নাঙ্গ সার ব্যবস্থাপনা ও প্রয়োগ পদ্ধতিঃ

⛔নারিকেল গাছের চারা রোপনের পূর্বে গর্ত প্রস্তুত করতে হবে। গর্তের পরিমাপ হবে(১×১× ১ মিটার)।

💠গর্তে কি কি সার কি পরিমাণে প্রয়োগ করবেন-

👁️গোবর --- ৮-১০ কেজি
👁️টি এস পি-২৫০ গ্রাম
👁️এমওপি-৪০০ গ্রাম
👁️জিংক সালফেট-১০০ গ্রাম
👁️বোরন সার-৫০ গ্রাম

🌴নারিকেল গাছ লাগানোর পর থেকে প্রতিবছর নিম্নলিখিত হারে সার প্রয়োগ করবোঃ-

🔻১-৪ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্যে সারের পরিমাণ;-

🔸গোবর সারঃ-১০ কেজি
🔸ইউরিয়াঃ-২০০ গ্রাম
🔸টিএসপিঃ-১০০ গ্রাম
🔸এমওপিঃ-৪০০ গ্রাম
🔸জিপসামঃ-১০০ গ্রাম
🔸জিংক সালফেটঃ-৪০গ্রাম
🔸বোরিক এসিডঃ-১০ গ্রাম

🔻৫-৭ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্যে সারের পরিমাণ;

🔹গোবর সারঃ-১৫ কেজি
🔹ইউরিয়াঃ-৪০০গ্রাম
🔹টিএসপিঃ-২০০গ্রাম
🔹এমওপিঃ-৮০০গ্রাম
🔹জিপসামঃ-২০০গ্রাম
🔹জিংক সালফেটঃ-৬০গ্রাম
🔹বোরিক এসিডঃ-১৫ গ্রাম

🔻৮-১০ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্যে সারের পরিমাণ;

🔸গোবর সারঃ-২০ কেজি
🔸ইউরিয়াঃ-৮০০গ্রাম
🔸টিএসপিঃ-৪০০গ্রাম
🔸এমওপিঃ-১৫০০ গ্রাম
🔸জিপসামঃ-২৫০গ্রাম
🔸জিংক সালফেটঃ-৮০গ্রাম
🔸বোরিক এসিডঃ-২০ গ্রাম

🔻১১-১৫ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্য সারের পরিমাণ;

🔹গোবর সারঃ-২৫ কেজি
🔹ইউরিয়াঃ-১০০০গ্রাম
🔹টিএসপিঃ-৫০০ গ্রাম
🔹এমওপিঃ-২০০০গ্রাম
🔹জিপসামঃ-৩৫০গ্রাম
🔹জিংক সালফেটঃ-১০০গ্রাম
🔹বোরিক এসিডঃ-=৩০ গ্রাম

🔻১৬-২০ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্যে সারের পরিমাণ;

🔸গোবর সারঃ-৩০ কেজি
🔸ইউরিয়াঃ-১২০০গ্রাম
🔸টিএসপিঃ-৬০০গ্রাম
🔸এমওপিঃ-২৫০০গ্রাম
🔸জিপসামঃ-৪০০গ্রাম
🔸জিংক সালফেটঃ-১৫০গ্রাম
🔸বোরিক এসিডঃ-৪০গ্রাম

🔻২০ বা তার ঊর্ধ নারিকেল গাছের জন্যে সার প্রয়োগ মাত্রা;

🔹গোবর সারঃ-৪০ কেজি
🔹ইউরিয়াঃ-১৫০০গ্রাম
🔹টিএসপিঃ-৭৫০গ্রাম
🔹এমওপিঃ-৩০০০গ্রাম
🔹জিপসামঃ-৫০০গ্রাম
🔹জিংক সালফেটঃ-২০০গ্রাম
🔹বোরিক এসিডঃ-৫০ গ্রাম

✴️ নারিকেল গাছে সার প্রয়োগ পদ্ধতিঃ-

যেকোন বয়সের নারিকেল গাছের জন্যে দুই কিস্তিতে সার প্রয়োগ করতে হবে।প্রথম কিস্তিতে উপরের উল্লেখিত সারের অর্ধেক পরিমাণ মে মাসে এবং দ্বিতীয় কিস্তিতে বাকি অর্ধেক সার সেপ্টেম্বর মাসে গাছের গোড়া থেকে চতুর্দিকে ১ মিটার বাদ দিয়ে ১.০-২.৫ মিটার দূর পর্যন্ত মাটিতে ২০-৩০ সে.মি গভীরে প্রয়োগ করতে হবে।সার দেয়ার পর মাটি কুপিয়ে দিতে হবে।এ সময় মাটিতে রস কম থাকলে অবশ্যই সেচ দিতে হবে।বেশি শুষ্কতা ও বেশি বৃষ্টিপাতের সময় সার প্রয়োগ করা ঠিক হবেনা।

⛔অন্যান্য সারের তুলনায় নারিকেল গাছে পটাশ সারের মাত্রা বেশি লাগে।পটাশ সারের অভাব হলে ফল দেরিতে আসে,ফুল ঝড়ে যায় ও রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়।

✴️✴️✴️জেনে রাখা ভালোঃ-

💠একটা সুস্থ নারিকেল গাছের পাতা লম্বায় জাতভেদে ২.৫-৩.৫ মিটার হতে পারে। সুস্থ, সবল একটা গাছের পাতার সংখ্যা ৩০-৪০টা।

💠পাতাগুলো যত উপরমুখী হবে এবং সংখ্যায় তা যত বেশি হবে,গাছ তত বেশি ফুল-ফল দানে সক্ষম হবে।

💠ভালো যত্ন ও সঠিক ব্যবস্থাপনায় কাণ্ড থেকে প্রতি মাসে একটা করে ঊর্ধ্বমুখী হয়ে পাতা বের হয় এবং সে পাতার গোড়ালি থেকে বয়স্ক গাছে ফুল-ফলের কাঁদি বের হয়।

💠গাছের কচি পাতা বের হয় আকাশমুখী হয়ে, একবারে খাঁড়াভাবে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পাতাগুলো নিচের দিকে হেলে পড়তে থাকে।

💠পাতা গজানো থেকে আরম্ভ করে পরে তা একেবারে নিচে হেলে পড়ে গাছের কাণ্ডকে স্পর্শ করে। এ পথ পাড়ি দিতে একটা পাতার সময় লাগে প্রায় ৩ বছর। ঘন, সবুজ গজানো পাতাটা শেষ বয়সে হলুদ রঙ ধারণ করে, পরে তা শুকিয়ে যাওয়ার পূর্ব ঘোষণা দেয়।

💠এ পাতা হলুদ হয়ে শুকানোর আগ পর্যন্ত কোনো মতেই কেটে ফেলা যাবে না।

💠যেহেতু একটা সুস্থ গাছে প্রতি মাসে একটা করে পাতা বের হয় এবং তা প্রায় তিন বছরের মতো বাঁচে সে হিসেব করলে একটা ফলন্ত, সুস্থ, সবল গাছে ৩৫-৪০টা পাতা থাকার কথা। গাছে এ সংখ্যা ২৫টার নিচে থাকলে ধরে নিতে হবে গাছটা খাবার ও যত্নের অভাবে বড় কষ্টে আছে। পাতার সংখ্যা ২০টার নিচে নেমে গেলে গাছে ফুল ফল ধরা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর্যায়ে চলে যাবে।
কৃষি তথ্য ও পরামর্শ
কপি পোস্ট

আমড়াবর্ষাকালীন একটি ফল।পুষ্টিগুণে ভরপুর আমড়া।আসুন জেনে নেই আমড়ার গুনাগুনউপকারিতাসমূহ: ফল ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ (প্রতি ১০০ গ...
31/07/2021

আমড়া
বর্ষাকালীন একটি ফল
।পুষ্টিগুণে ভরপুর আমড়া।আসুন জেনে নেই আমড়ার গুনাগুন

উপকারিতাসমূহ:

ফল ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ (প্রতি ১০০ গ্রাম আমড়ায় ২০ মিলিগ্রাম পাওয়া যায়)।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ওজন কমাতে সহায়তা করে।
রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় উপাদান থাকায় আমড়া বার্ধক্যকে প্রতিহত করে।

আমড়াতে প্রচুর আয়রন থাকায় রক্তাল্পতা দূর করতে বেশ কার্যকর।

আমড়া খেলে মুখের অরুচিভাব দূর হয়।

মুখের রুচি ফিরে আসায় ক্ষুধা বৃদ্ধি পায়।

বদহজম ও কোষ্টকাঠিন্য রোধে আমড়া উপকারী।

রক্ত জমাট বাধার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

সর্দি-কাঁশির ক্ষেত্রে এটি বেশ উপকারী।

হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখে।

প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্য উপযোগী আমড়ার পুষ্টিগুণ

প্রোটিন এর নাম পরিমাণ
শর্করা ১৫ গ্রাম
প্রোটিন ১.১ গ্রাম
চর্বি ০.১ গ্রাম
ক্যালসিয়াম ৫৫ মিলিগ্রাম
আয়রন ৩.৯ মিলিগ্রাম
ক্যারোটিন ৮০০ মাইক্রোগ্রাম
ভিটামিন বি ১০.২৮ মিলিগ্রাম
ভিটামিন সি ৯২ মিলিগ্রাম
অন্যান্য খনিজ পদার্থ ০.৬ মিলিগ্রাম
খাদ্য শক্তি ৬৬ কিলোক্যালরি
বড় সাইজের আমড়া। সম্পূর্ণ ফরমালিনমুক্ত।

অর্ডার করার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন,

আমাদের বরিশালের দেশি মাছ
31/07/2021

আমাদের বরিশালের দেশি মাছ

22/07/2021

Address

Swarupkati

Telephone

+8801737391212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tanmoy's Garden Luxury posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category