17/04/2026
ভয়াবহ পাগলামি!!!
কোথায় গিয়ে থামবেন তিনি? তিনি তো নকলের দু:স্বপ্ন থেকে বেরিয়ে আসতেই পারছেন না। তিনি ট্রমাক্রান্ত এক মানসিক রোগী। ছাত্র ছাত্রীদের সাথে এক মরণ খেলায় অবতীর্ণ হতে যাচ্ছেন!
তাঁর পাগলামি বর্ণনা করার ভাষা আমার কলমের নেই। সব সিদ্ধান্তই কি তাঁর রোগাক্রান্ত এবং একক মস্তিষ্ক থেকে নির্গত? মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব, বোর্ডের চেয়ারম্যান, কন্ট্রোলার, শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সবাই মিলেই তো সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা। নাকি তাঁরা তাঁর পাগলামির কাছে চরম অসহায়? নাকি সবাই মিলে জাতির ভবিষ্যৎ ঝরঝরে করার একটা মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন?
প্রতিদিনই পাগলামির নতুন নতুন উপকরণ দিয়ে পরীক্ষা নামক ডাল বাগারের আয়োজন চলছে।ছাত্র ছাত্রীদের সামনে কি পরীক্ষা? নাকি কিশোর কিশোরী নির্যাতনের অমানবিক ফাঁদ পাতা হচ্ছে? রাষ্ট্রীয় অত্যাচারের এই ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরির প্রেক্ষিতে যদি ছাত্র ছাত্রীদের মানসিক বৈকল্য ঘটে, তারা যদি কেউ আত্মহননের পথ বেছে নেয় তাহলে অবস্থাটা কী দাঁড়াবে?
সংশয়ে জিজ্ঞেস করি নকল করেই কি তিনি পাশ করেছেন(!) নইলে এমন নকল বিশেষজ্ঞ তিনি কেমন করে হলেন? ভাবতে অবাক লাগে এমন বিকারগস্ত মানুষ কী করে শিক্ষা নামক এক মহত্তম তরণীর কর্ণধার হয়! রীতিমতো নিষ্ঠুর তামাশা শুরু করেছেন।
সেই সিসি ক্যামেরা, শিক্ষকদের হুমকি ধামকি, বেতন বন্ধ, চাকরি থেকে বরখাস্ত ইত্যাদি বলেই যাচ্ছেন। আর এখন যেটি বলছেন সেটি তো রীতিমতো শরীরের লোম খাড়া হয়ে যাবার ব্যাপার। ছাত্র ছাত্রীরা নাকি পরীক্ষার হলে গিয়ে জানতে পারবে তাঁদের পরীক্ষার বিষয়! এ কেমন চাতুরী!
বরাবর একটি বিষয়ে পরীক্ষার আগে বেশ একটা সময় গ্যাপ থাকে প্রস্তুতি নেয়ার জন্য। এখন তো আর বিষয় ভিত্তিক প্রস্তুতির কোনো অবকাশই থাকবে না।
এডুকেশন সিস্টেম না পাল্টিয়ে যদি হঠাৎ করে কেবল পরীক্ষা পদ্ধতি পাল্টানো হয় তাহলে ছোটো ভাইয়ের জামা বড় ভাইয়ের গায়ে লাগবে কি মন্ত্রী মহোদয়?
প্রতিদিন ক্লাস, প্রতিদিন পরীক্ষা এমন সিস্টেম পৃথিবীর অনেক দেশেই আছে। সেখানে পরীক্ষা ভীতি বলতে কিছুই নেই। সেখানে ক্লাসগুলোও যেমন আনন্দের, পরীক্ষাও তেমনি ভয়শূন্য। আগে সেই ব্যবস্থা করুন।
চিত্ত যেথা ভয়শুন্য উচ্চ যেথা শির
এমন পরিবেশ না হলে কি শিক্ষা পরিপূর্ণ হয়? শিক্ষা মানে হচ্ছে ক্রমাগত ভুল শুদ্ধের ভেতর দিয়ে জ্ঞানের দরজা উন্মোচন করা। সেখানে থাকবে আব