গাছপাকা

গাছপাকা ☘️ Our WhatsApp Group --> https://chat.whatsapp.com/Bzwexo5BA6uGKvfq3tXzLQ

Be Authentic, Money will come and go.
(322)

20/05/2026

বাগান করতে গেলে এই ট্রিকগুলো শিখে রাখুন কাজে লাগবে!

19/05/2026

যখনই মনে হবে আর পারছেন না ....এই গাছটার কথা মনে করবেন , মনে বল পাবেন ☘️

15/05/2026

আমারই বোধহয় শেষ জেনারেশন যাঁরা জোনাকি পোকার এই নাচ দেখতে পাচ্ছি....শহর থেকে তো এরা বলতে গেলে হারিয়েই গেছে...

বেশিরভাগ মানুষ আসলে একাগ্রতাকে যুদ্ধের মতো মনে করে!....অথচ জিনিসটা কিন্তু পুরোপুরি উল্টো! একাগ্রতা যুদ্ধ না , বরং wave s...
15/05/2026

বেশিরভাগ মানুষ আসলে একাগ্রতাকে যুদ্ধের মতো মনে করে!....অথচ জিনিসটা কিন্তু পুরোপুরি উল্টো! একাগ্রতা যুদ্ধ না , বরং wave surfing এর মতো ....এর ওঠা নামা আছে.. ঢেউটাকে বুঝে তালে তাল মিলিয়ে চলতে হবে, যুদ্ধ করলেই ডুবে যাবেন।

প্রবল ইচ্ছাশক্তির (Willpower) মাধ্যমে জোর করে মনোযোগ ধরে রাখার চেষ্টা করা ভীষণভাবে আপনাকে ক্লান্ত করে তুলবে ....এবং তোলে। ভেবে দেখুন...মিল পাবেন।

আমি বহু স্টুডেন্টসকে দেখেছি প্রতিদিন প্রতিনিয়ত নিজের মধ্যেই নিজে এই একাগ্রতা আনার যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে ... সামনে বই নিয়ে বসে থাকে ...জোর করে মনোযোগ আনার চেষ্টা করে , কিন্তু মন শুধু বাইরের দিকে ছুটে যায়। টেনে আনে..আবার মন দৌড়ে পালায়..... দড়ি টানাটানি চলতেই থাকে।

যখনই মন অন্য দিকে চলে যায়, তারা হতাশ হয়ে পড়ে এবং আরও বেশি জোর খাটায়...

এই করে করে ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং সবথেকে বড় কথা—এটি কাজ করে না, কারণ.....মস্তিষ্ক জোর খাটালে সাড়া দেয় না; এটি সঠিক পরিবেশ বা অবস্থার (Conditions) ওপর সাড়া দেয়।

"সঠিক পরিবেশ বা অবস্থা"....বুঝতে না পারলে পড়তে থাকুন , খানিকটা হলেও বুঝতে পারবেন।

তবে প্রথমেই বলে রাখি একাগ্রতা অনেকটা কঠিন জিনিস, সহজ করে বলার চেষ্টা করছি.....বিশেষ করে বাচ্চারা পড়ার সময় কীভাবে একাগ্রতা আনার চেষ্টা করবে।
আপনার বাচ্চার মনোযোগের সমস্যা থাকলে পুরোটা পড়ুন, একবার নয় অন্তত দু তিনবার পড়ুন...পড়ে বুঝুন , তারপর নিজের বাচ্চাকে শেখান।

একাগ্রতা ছাড়া কোনো জিনিসেই খুব ভালো করা সম্ভব না...সত্যি সম্ভব না , সে আপনি যতো ভালো জায়গাতেই বাচ্চাকে শিখতে পাঠান না কেন।

শেষবার যখন আপনি কোনো কাজে পুরোপুরি ডুবে গিয়েছিলেন, সেই সময়ের কথা ভাবুন।
হতে পারে আপনি একটি বই পড়ছিলেন এবং মাথা তুলে দেখলেন যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে গেছে,বা কোনো সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে আপনি খাওয়ার কথাও ভুলে গেছেন।

মনে করার চেষ্টা করুন ...সেই অবস্থাটি কিন্তু জোর করে আসেনি; বরং অন্য কিছু ঘটেছিল। প্রশ্ন হলো, সেই 'কিছু'টা কী? এবং আমরা কি ইচ্ছে করে সেই পরিবেশ তৈরি করতে পারি?

উত্তর হলো—হ্যাঁ।

তবে তার আগে আমাদের বুঝতে হবে বইয়ে মনোযোগ দেওয়া কেন এত কঠিন।

সাধারণত যা ঘটে সেটা হলো...আপনি স্থির করলেন যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজে মনোযোগ দেবেন—ধরা যাক একটি কঠিন বইয়ের অধ্যায় বা কোনো জটিল সমস্যার সমাধান করবেন।

প্রথম এক বা দুই মিনিট আপনি যুক্ত থাকেন। তারপর ধীরে ধীরে মনোযোগ সরতে থাকে।

আপনি পরে কী করবেন তা ভাবতে শুরু করেন; পাশের ঘরের কোনো শব্দ আপনার কানে আসে; অথবা আগে ঘটে যাওয়া কোনো কথোপকথন মনে পড়ে যায়।

প্রতিবার আপনি নিজেকে ফিরিয়ে আনেন, কিন্তু এটি ক্রমেই কঠিন হতে থাকে।

বারবার মনোযোগ ফিরিয়ে আনার এই মানসিক পরিশ্রম আসল কাজের চেয়েও বেশি ক্লান্তিকর হয়ে দাঁড়ায়।

বেশিরভাগ মানুষ তখন সিদ্ধান্ত নেয় যে তাদের মনোযোগের সমস্যা আছে। আসলে তা নয়; তাদের সমস্যাটি হলো প্রস্তুতির বা সেটআপের (Setup)।

তারজন্য খুব সহজভাবে attention কীভাবে কাজ করে আপনাকে বুঝতে হবে।

মস্তিষ্ক এমনভাবে তৈরি যে কোনো বিরক্তিকর বা বিভ্রান্তিকর জিনিসে দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখে না । এটি কোনো ত্রুটি নয়; এটি আমাদের মস্তিষ্কের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। Evolutionary biology।

প্রকৃতিতে যদি কোনো প্রাণী ভুল জিনিসের ওপর দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ দিত, তবে সে হয় না খেয়ে মরবে অথবা অন্য কোনো শিকারি প্রাণীর হাতে মারা পড়বে । আমাদের মনোযোগ ব্যবস্থাটিই বিবর্তিত হয়েছে সবসময় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো খুঁজে বের করার জন্য।

যদি আপনার মন বারবার কাজ থেকে সরে যায়, তবে এটি আপনাকে বলছে যে কাজের পরিবেশটি এখনও সঠিক হয়নি।

তাহলে সঠিক পরিবেশগুলো কী কী?

প্রথম টেকনিকটি হলো: মনোযোগ কৌতূহলকে অনুসরণ করে, শাসনকে নয়। আপনি এমন কোনো বিষয়ে গভীর মনোযোগ ধরে রাখতে পারবেন না যা আপনার কাছে অর্থহীন বা দুর্বোধ্য মনে হয়। মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করার আগে আপনার আগ্রহকে জাগিয়ে তুলতে হবে।

এটি অনেকের কাছে উল্টো মনে হতে পারে যারা ভাবেন যে মনোযোগ আগে আসে। কিন্তু পদ্ধতিটি উল্টে দিয়ে দেখুন কী ঘটে। বই খুলে জোর করে পড়ার চেষ্টা না করে, প্রথম কয়েক মিনিট ব্যয় করুন কৌতূহল জাগানিয়া কিছু খুঁজে বের করতে।

এমন কিছু নয় যা আপনার পড়া 'উচিত', বরং এমন কিছু যা আপনাকে সত্যিই অবাক করে। বা ...জানতে ইচ্ছা করে।

অধ্যায়ের শিরোনামটি দেখে নিজেকে প্রশ্ন করুন, "এই অধ্যায়টি আসলে কোন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছে?" পাতা উল্টে দেখুন এমন কিছু আছে কি না যা আপনার কাছে অদ্ভুত বা বিস্ময়কর মনে হয়।

লক্ষ্য এখনই সব বুঝে ফেলা নয়, বরং এমন কিছু খুঁজে বের করা যা আপনার মস্তিষ্ক সমাধান করতে চায়। এটি করতে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে।

কিন্তু এটি সবকিছু বদলে দেয়।

এখন যখন আপনি পড়তে বা কাজ করতে শুরু করবেন, আপনাকে জোর করতে হবে না; আপনার মস্তিষ্ক নিজেই সেই তথ্যটি জানতে চাইবে।

দ্বিতীয় টেকনিক : মনোযোগের জন্য একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য প্রয়োজন। অস্পষ্ট উদ্দেশ্য মনোযোগকে বিক্ষিপ্ত করে দেয়।

"আমাকে ফিজিক্স পড়তে হবে"—এটি অনেক বড় এবং অস্পষ্ট লক্ষ্য; মস্তিষ্ক জানে না কোথায় শুরু করতে হবে।

কিন্তু "আমাকে বুঝতে হবে এই সমীকরণটি কেন এই বিশেষ আকারে আছে" অথবা "আমি দেখতে চাই এই তিনটি ধারণা কীভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত"—এমন লক্ষ্য আপনার মনোযোগ ব্যবস্থাকে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে আটকে দেয়।

আপনি একটি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন: যেকোনো কঠিন বিষয় যা আপনি এড়িয়ে চলছেন সেটি নিন। শুরু করার আগে, একটি নির্দিষ্ট প্রশ্ন লিখে ফেলুন যার উত্তর আপনি এখান থেকে পেতে চান।

এটি সিলেবাসের প্রশ্ন নয়, বরং আপনার নিজের কৌতূহল থেকে আসা প্রশ্ন। তারপর সেই প্রশ্নটি মাথায় রেখে পড়তে শুরু করুন। আপনি লক্ষ্য করবেন আপনার মনোযোগ অনেক বেশি Selective হয়ে গেছে।

আপনার প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো আপনার চোখে পড়বে; বাকি অপ্রয়োজনীয় তথ্যগুলো পেছনে চলে যাবে। এটি কোনো জাদু নয়; মনোযোগ এভাবেই কাজ করে।
মনোযোগকে লক্ষ্য না দিলে এটি সবসময় নতুন কিছু খুঁজতে থাকবে।

তৃতীয় টেকনিকটি সহজ মনে হতে পারে, কিন্তু একশো জনের মধ্যে নব্বই জন এটি মেনে চলে না ।

শুরু করার আগেই Friction দূর করুন। কাজের পথে প্রতিটি ছোট বাধা একটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার মুহূর্ত তৈরি করে, আর সিদ্ধান্ত নেওয়া মনোযোগকে ক্ষয় করে।

যদি আপনাকে পেন্সিল খুঁজতে উঠতে হয়, তবে সেটি একটি বাধা।

যদি আপনাকে খুঁজতে হয় গতদিন কোথায় পড়া শেষ করেছিলেন, সেটিও একটি বাধা।

যদি আপনার টেবিল অগোছালো থাকে, সেটিও মনোযোগ নষ্ট করে।

এই প্রতিটি বিষয় আলাদাভাবে সামান্য মনে হতে পারে, কিন্তু একসাথে মিলে এগুলো অনেক বড় হয়ে দাঁড়ায়।

আপনার মস্তিষ্ক তখন ভাবতে শুরু করে যে কাজ শুরু করাটা অনেক কষ্টের ব্যাপার, এবং সে বাধা দিতে থাকে।

সমাধান হলো সবকিছু আগে থেকে গুছিয়ে রাখা। আপনার পড়ার উপকরণগুলো সাজিয়ে রাখুন, সঠিক পাতাটি খুলে রাখুন, কাগজ ও কলম সাথে রাখুন, টেবিল পরিষ্কার করুন।

এমনভাবে তৈরি থাকুন যাতে আপনি যখন বসবেন, আপনার এবং আপনার কাজের মাঝে আর কোনো বাধা না থাকে। এটি ছোট বিষয় মনে হলেও, এটিই ঠিক করে দেয় আপনার মস্তিষ্ক কাজ শুরু করতে বাধা দেবে নাকি স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ শুরু করবে।

এখন এখানে একটি মজার বিষয় আছে। এই তিনটি বিষয়—কৌতূহল, নির্দিষ্ট লক্ষ্য এবং বাধা দূর করা—এগুলো আসলে সরাসরি মনোযোগের বিষয় নয়। এগুলো হলো মনোযোগের আগের একটি ধাপ, যাকে আমরা বলতে পারি Momentum।

মস্তিষ্ক যা করছে সেটি চালিয়ে যেতে খুব দক্ষ। কঠিন কাজটা মনোযোগ ধরে রাখা নয়; কঠিন কাজটা হলো প্রথমবার মনোযোগের ভেতরে প্রবেশ করা।

একটি ভারী দরজার কথা ভাবুন; এটি প্রথমবার ধাক্কা দিতে অনেক শক্তি লাগে, কিন্তু একবার যখন এটি নড়তে শুরু করে, তখন একে সচল রাখা খুব সহজ। আপনার মনোযোগও একইভাবে কাজ করে।

শুরু করতে শক্তি বেশি লাগে, কিন্তু একবার ডুবে গেলে সেটি বজায় রাখা খুব স্বাভাবিক।

এই কারণেই প্রথম পাঁচ মিনিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি প্রথম পাঁচ মিনিট মনোযোগের সাথে কাটাতে পারেন—জোর করে নয়, বরং আগ্রহ নিয়ে—তবে পরবর্তী এক ঘণ্টা খুব সহজ হয়ে যাবে।

কিন্তু আপনি যদি ভুলভাবে শুরু করেন, যদি শুরু থেকেই জোর খাটান, তবে আপনি কখনও সেই গতিবেগ পাবেন না। পুরোটা সময় আপনাকে শুধু ঠেলেই যেতে হবে।

তবে এর গভীরে আরও কিছু ঘটে—আপনাকে বুঝতে হবে মস্তিষ্ক কীভাবে কঠিন বিষয়গুলো প্রসেস করে।

বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন মনোযোগ মানে কোনো বিষয়ের দিকে ততক্ষণ তাকিয়ে থাকা যতক্ষণ না সেটি বোঝা যায়।

কিন্তু শেখা এভাবে কাজ করে না।

আসল মনোযোগ হলো সক্রিয় (Active), নিষ্ক্রিয় (Passive) নয়। এটি হলো প্রশ্ন করা, সংযোগ স্থাপন করা এবং আপনার যা জানা আছে তার সাথে নতুন ধারণার তুলনা করা।

যখন আপনি সত্যিই কিছু বোঝার জন্য মনোযোগ দেন, আপনার মস্তিষ্ক অনবরত কাজ করে। সে প্রশ্ন করে, "এটার কি কোনো মানে হয়? আগে যা শিখেছি তার সাথে এর মিল কোথায়? যদি এই অংশটা অন্যরকম হতো তবে কী হতো? আমি কি এটি অন্য কাউকে বুঝিয়ে বলতে পারব?"

এই সক্রিয় প্রশ্নগুলোই মনোযোগকে আটকে রাখে। নিষ্ক্রিয়ভাবে পড়া বা শোনা সবসময় কষ্টের কাজ মনে হয়, কারণ আপনার মস্তিষ্ক জানে সে আসলে কিছুই প্রসেস করছে না।

নিজেকে প্রশ্ন করুন ঠিক কোন জায়গাটা আপনি বুঝতে পারছেন না। সমস্যাটি নিজের ভাষায় বলার চেষ্টা করুন, একটি খসড়া ডায়াগ্রাম আঁকুন, অথবা সহজ কোনো উদাহরণ দিয়ে পরীক্ষা করুন। যখনই আপনি এটি করবেন, মনোযোগের মোড় ঘুরে যাবে।

আপনার মনোযোগ আর পালিয়ে যেতে চাইবে না কারণ এখন তার সামনে লড়াই করার মতো নির্দিষ্ট কিছু আছে। আপনি শুধু তথ্য গিলছেন না; আপনি ধারণাগুলো নিয়ে কাজ করছেন। মস্তিষ্ক এটি পছন্দ করে।

চলুন বাস্তবে এটি প্রয়োগ করি। ধরুন আপনি খুব কঠিন একটি কাজ করছেন—বইয়ের একটি জটিল অধ্যায় বা কোনো টেকনিক্যাল ম্যানুয়াল।

সাধারণ পদ্ধতি হলো শুরু থেকে পড়া এবং শেষ পর্যন্ত যাওয়ার চেষ্টা করা। সহজ জিনিসের জন্য এটি কাজ করলেও কঠিন জিনিসের জন্য এটি ব্যর্থ হয়।

এর বদলে এটি চেষ্টা করে দেখুন: অধ্যায়ের মাঝখানের কোনো একটি ছবি বা সমীকরণ দেখুন। এখনই সেটি বোঝার দরকার নেই, শুধু দেখুন এবং প্রশ্ন করুন, "এই বিষয়টি বোঝার জন্য আমার আর কী কী জানা দরকার?"

আপনার যা মনে হয় তা লিখে ফেলুন, তারপর আগের পাতাগুলোতে গিয়ে সেই তথ্যগুলো খুঁজুন। আপনি আসলে পড়ার আগেই একটি মানসিক কাঠামো তৈরি করছেন। এখন আপনার মস্তিষ্কের কাছে কিছু প্রশ্ন আছে যার উত্তর সে চায়।

যখনই আপনি কোনো প্রাসঙ্গিক তথ্য পাবেন, সেটি আপনার মাথায় চট করে গেঁথে যাবে কারণ আপনি আগে থেকেই তার জন্য একটি জায়গা তৈরি করে রেখেছিলেন। এভাবে পড়তে মনোযোগ অনেক কম লাগে ...এটাকে বলে nonlinear readimg

আরেকটি চমৎকার কৌশল: কোনো বিষয় পড়ার আগে বই বন্ধ করে সেই বিষয়ে আপনি যা যা জানেন সব লিখে ফেলুন, তা যত সামান্যই হোক না কেন।

এটি আপনার পুরনো জ্ঞানকে সক্রিয় করে এবং আপনি বুঝতে পারেন আপনার জ্ঞানের কোথায় ফাঁক আছে। এরপর যখন আপনি পড়বেন, আপনি শূন্য থেকে শুরু করছেন না; আপনি আপনার আগের জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে নতুন কিছু যোগ করছেন।

মস্তিষ্ক শূন্য থেকে কিছু শেখার চেয়ে এভাবে শিখতে বেশি আনন্দ পায়।

এবার কথা বলা যাক মনোযোগ ভেঙে গেলে কী করবেন তা নিয়ে। কারণ মনোযোগ সবারই ভাঙবে।

কেউ ঘণ্টার পর ঘণ্টা একটানা মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না। আসল প্রশ্ন হলো মনোযোগ চলে গেলে আপনি কী করেন?

বেশিরভাগ মানুষ ভুল কাজ করে: হয় তারা রেগে গিয়ে নিজেকে জোর করে ফিরিয়ে আনে, অথবা তারা হাল ছেড়ে দেয়।

এর সমাধান হলো: মনোযোগ চলে গেলে তা স্বীকার করুন, নিজেকে দোষ দেবেন না এবং একটি নতুন প্রশ্ন দিয়ে পুনরায় শুরু করুন।

যখন দেখবেন আপনি পড়ার পর কিছু বুঝছেন না, তখন থামুন। যান্ত্রিকভাবে আবার সেই অংশটি পড়বেন না। বরং নিজেকে প্রশ্ন করুন আপনি ঠিক কী বোঝার চেষ্টা করছিলেন।

যদি উত্তর না পান, তবে পেছনে ফিরে যান যেখানে শেষবার আপনার ভালো লাগছিল এবং সেখান থেকে নতুন কোনো পয়েন্ট খুঁজে নিন।

এটা করতে বড়জোর মাত্র ৩০ সেকেন্ড সময় লাগে, কিন্তু এটি মনোযোগের পরিবেশ আবার তৈরি করে।

আপনি মনোযোগকে জোর করে টেনে আনছেন না; আপনি কৌতূহল এবং লক্ষ্য আবার তৈরি করছেন।

গভীর মনোযোগ বা ডিপ ফোকাস সম্পর্কে আরেকটি বিষয় হলো: এটি একটানা থাকে না; এটি স্পন্দনের (Pulse) মতো কাজ করে।
এমনকি যখন কাউকে দেখে মনে হয় সে পুরোপুরি মগ্ন, তখনও তার মনোযোগ আসলে বিভিন্ন মোডের মধ্যে দিয়ে যায়: কয়েক মিনিট তীব্র মনোযোগ, তারপর সামান্য শিথিলতা যেখানে মন যা শিখল তা গুছিয়ে নেয়, তারপর আবার তীব্র মনোযোগ।

এটি অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং স্বাস্থ্যকর। সমস্যা তখনই হয় যখন আপনি ওই শিথিল হওয়ার সময়টাকে 'মনোযোগ হারিয়ে ফেলা' বলে ভুল করেন এবং ভয় পেয়ে আবার জোর খাটানোর চেষ্টা করেন। এটি আপনার স্বাভাবিক ছন্দকে নষ্ট করে।

তার চেয়ে এটি মেনে নিন যে ১০-১৫ মিনিট তীব্র কাজের পর মস্তিষ্কের একটু গুছিয়ে নেওয়ার সময় প্রয়োজন। এটি দীর্ঘ বিরতি নয়, শুধু একটু দম নেওয়া। একটু ওপরের দিকে তাকান, দীর্ঘশ্বাস নিন, যা শিখলেন তা নিয়ে ভাবুন, তারপর আবার ফিরে যান।

এই স্বাভাবিক ছন্দের সাথে লড়াই না করলে দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখা সম্ভব হয়। আপনি একটানা এক ঘণ্টা তীব্র গতিতে চলার চেষ্টা করছেন না; আপনি ঢেউয়ের ওপর দিয়ে চলছেন—তীব্র মনোযোগ এবং তারপর ছোট্ট বিশ্রাম। একেই আমরা ডিপ ওয়ার্ক বলি।

একাগ্রতা সহজ জিনিস না , ভীষন কঠিন জিনিস। যে কারণে এই পর্যন্ত আসার আগেই একশো জনের মধ্যে নব্বই জন স্ক্রোল করে অন্য পোস্টে চলে গেছেন।

কিন্তু আপনি এই লাইনটা পড়ছেন মানে আপনার হবে ...মানে চান্স আছে।আপনাকে একটু চেষ্টা করতে হবে ..

দুনিয়ায় যতোরকমের ইন্দ্রিয়সুখ আছে, একাগ্রতার সুখ তাদের থেকে অন্তত হাজার গুণে বেশি। সত্যিকারের একাগ্রতার মধ্যে একটা হালকা ভারহীন শান্তি আছে....
এর স্বাদ একবার পেয়ে গেলে তখন আর মনকে একাগ্র হওয়ার কথা বলতে হবে না , মন আপনিই হাঁকপাক করবে একাগ্র হওয়ার জন্য।

যতোদিন সেটা না হয় , ততোদিন এই তিনটি টিপস মাথায় রাখবেন।

আপনার বাচ্চার একাগ্রতা কেমন? পুরোটা পড়ে কোনো উপকার হলো? নাকি আপনার মত অন্য?

আলোচনা চলুক!

© গাছপাকা

রুডজিনা .... খুব আনকমন একটা রাতে ফোটা ওয়াটার লিলি। স্পিসিস ভ্যারাইটি। ফুলে সুন্দর একটা মিষ্টি সুগন্ধ আছে। বেশ ভালো ব্লু...
11/05/2026

রুডজিনা .... খুব আনকমন একটা রাতে ফোটা ওয়াটার লিলি। স্পিসিস ভ্যারাইটি। ফুলে সুন্দর একটা মিষ্টি সুগন্ধ আছে। বেশ ভালো ব্লুমার।
ফুলটা পেরু পুয়ের্তো মালডিনাডো এর মতোই...তবে এর ভিতরটা হলুদ। পাতাগুলোও বেশ সুন্দর ।

রাতেই ফোটে আর সকাল হলেই বুঝে যায়। খুব পছন্দের একটা গাছ।

বাচ্চাদের অঙ্কে ভীতি! ....খুব খুব কমন একটা জিনিস ...অথচ খুব সহজেই এটাকে কাটানো যায় যদি... সঠিক সময়ে সঠিকভাবে আপনার বাচ...
08/05/2026

বাচ্চাদের অঙ্কে ভীতি! ....খুব খুব কমন একটা জিনিস ...অথচ খুব সহজেই এটাকে কাটানো যায় যদি... সঠিক সময়ে সঠিকভাবে আপনার বাচ্চাকে গাইড করতে পারেন।

প্রথমেই বলে রাখি , অঙ্কে ভীতি জিনিসটা নতুন কিছু না । আজ থেকে একশো বছর আগেও ছিলো, আজ থেকে একশো বছর বাদেও থাকবে। তাই সবার আগে বুঝতে হবে কেন অঙ্কে বাচ্চাদের ভীতি চলে আসে।

কারণ জানলে তবেই না কারেকটিভ একশন নেবেন!

আপনার বাচ্চার অঙ্কে ভীতি থাকলে বা আপনার চেনাশোনা কোনো বাচ্চার অঙ্কে ভীতি থাকলে কয়েকটি জিনিস বলছি ভালো করে খেয়াল করে দেখুন মিলছে কিনা !

১) বাচ্চার বাবা বা মা এই দুজনের কারো বাচ্চাবেলায় অঙ্কে ভীতি থাকলে অনেকসময় বাচ্চারও অঙ্কে ভীতি চলে আসে। কারণটা হচ্ছে বডি ল্যাংগুয়েজ!
আপনার নিজের অঙ্কে ভীতি থাকলে ম্যাথমেটিক্স শব্দটা আপনার কানে গেলেই আপনার বডি ল্যাংগুয়েজে সেটা ফুটে উঠবে...আর আপনার বাচ্চা রেডি হয়ে বসে আছে সেটা ধরে ফেলার জন্য!

কিছুদিন আগে একটা রিসার্চ পেপার পড়ছিলাম গুগল স্কলার থেকে ... ওই গবেষণায় কুড়িটা পাঁচ বছরের বাচ্চাকে দিয়ে লাই ডিটেক্টর এর কাজ করানো হয়েছিল। কোনো কনটেক্সট ছাড়াই কে সত্যি বলছে আর কে মিথ্যে বলছে সেটা আইডেন্টিফাই করতে বলা হয়েছিল।

চমকে যাওয়ার মতো রেজাল্ট! প্রায় সব বাচ্চাই খুব এফিশিয়েন্টলি মিথ্যে ধরে ফেলতে পারছে ...শুধুমাত্র বডি ল্যাংগুয়েজ রিড করে!

তাই আপনার অঙ্কে ভীতি থাকলে আপনি মুখে কিছু না বললেও আপনার বাচ্চা আপনার বডি ল্যাংগুয়েজ থেকে বুঝে নেবেন "অঙ্ক জিনিসটা সহজ জিনিস না "

তাই আপনার নিজের অঙ্কে ভীতি থাকলে আগে সেটা দূর করুন , তারপর বাচ্চার অঙ্কে ভীতি দূর করবেন।

শুনতে কঠিন মনে হলেও এটাই কিন্তু অনেক বাচ্চার অঙ্কের ভীতির মূল কারণ ।

২) ম্যাথমেটিক্স এর অনেকটা অংশ জুড়ে abstract reasoning... সহজ করে বলতে গেলে এমন একটা জিনিস নিয়ে ভাবা যাঁর সাথে আমাদের everyday এক্সপেরিয়েন্স মেলে না।
একটা এক্সাম্পল দিলে বুঝতে সুবিধা হবে। যেমন ধরুন আমরা আমাদের চারিপাশের জগতটাকে থ্রী ডাইমেনশনে দেখি...এবার অঙ্ক করতে গিয়ে ফোর্থ বা ফিফথ ডিগ্রী তে চলে গেলেই ব্যাস আর আমাদের everyday এক্সপেরিয়েন্স এর সাথে আর কিছুই মিলবে না।

বাচ্চাদের কিন্তু একটা বয়সের আগে এই abstract reasoning জিনিসটাই তৈরি হয় না। এই abstract reasoning এর জন্য মানুষের ব্রেনের যে অংশটা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সেই prefrontal cortex একটা পাঁচ বছরের বাচ্চার ক্ষেত্রে under developed!

তাই বাচ্চাকে 2+2=4 হয় মুখস্ত করলে কোনোদিনই অঙ্ক জিনিসটাকে ভালোবাসতে পারবে না। বাচ্চাদের অঙ্ককে ভালোবাসতে শেখাতে গেলে যাই শেখান সেটা যেনো সে তার লাইফ এক্সপেরিয়েন্স এর সাথে corelate করতে পারে।
যেমন ধরুন বাজারে গেছেন ...সাথে বাচ্চাকেও নিয়ে যান। গিয়ে অর্ডার করুন পাঁচটা গাজর দিন ...বাচ্চাকে বলুন ভালো করে কাউন্ট করে নে ....কাউন্ট করা হয় গেলে সবজিওয়ালা কে বলুন "দাদা , আরও দুটো গাজর দিন " , এবার বাচ্চাকে বলুন পাঁচ এর পর থেকে কাউন্ট করে আরও দুটো গাজর নিতে....

এইভাবেই দৈনন্দিন জীবনের ছোটো ছোটো মুহূর্ত থেকে বাচ্চাকে অঙ্ক শেখান.... সন্ধে হলেই রাজার শাসনের মতো বাচ্চাকে জোর জবরদস্তি প্রাইভেট টিউটর এর কাছে বসিয়ে 5+2=7 শেখালে ধীরে ধীরে অঙ্ক জিনিসটাকেই বাচ্চা ভয় পেতে শুরু করবে ।

বাচ্চাদের কখনও জোর করে অঙ্ক শেখাতে যাবেন না। বাচ্চাকে সঙ্গে নিয়ে একটা কাঠের ঘর বানান। ঘর বানাতে গিয়ে কীভাবে মাপ নিতে হয় সেটা দেখান , মাপ নেওয়ার পর কীভাবে খাতায় এরিয়া বের করে দেখান ....

বাচ্চাকে দেখান যে অঙ্কটা কোনো abstract জিনিস না । আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কাজে একে লাগানো যায়।

এটা করতে পারলে তবেই বাচ্চা অঙ্ক জিনিসটাকে বুঝতে পারবে আর বুঝতে পারলে তবেই ভালোবাসবে। যে জিনিস মানুষ বুঝতে পারে না , সেই জিনিসেই মানুষ ভয় খায়.... যেমন ভূত , ভগবান , আর অঙ্ক!

অঙ্ক একটা দারুণ ইন্টারেস্টিং সাব্জেক্ট ...যদি সাবজেক্ট টাকে বোঝার চেষ্টা করা যায়। এতোটাই ইন্টারেস্টিং যে ..কেউ একবার এর মজাটা টের পেয়ে গেলে সারা জীবনেও অঙ্কের ভূত ঘাড় থেকে নামাতে পারবে না ।

একটা বাচ্চার অঙ্কে ভীতি আরও অনেকগুলো কারণে হতে পারে , সামনের সপ্তাহে আরও এরকম আরও কিছু কারণ নিয়ে আলোচনা করবো ।

পোস্টটা শেয়ার করুন। অজস্র বাচ্চা আজকের দিনে অঙ্কে ভীতি নিয়ে বড়ো হচ্ছে। তাদের বাবা/মা এই পোস্টটা থেকে যদি কিছুটা হলেও হেল্প পান সেটাই অনেক।

আমাদের একটা Parenting WhatsApp গ্রুপ আছে।আপনি চাইলে সেটাতেও জয়েন করতে পারেন। এইরকম বাচ্চাদের সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয় ওখানে ।

আপনার বাচ্চা কী অঙ্ক জিনিসটাকে ভয় খায় নাকি ভালোবাসে? আপনার বাচ্চা বড়ো হয়ে গেলে আপনার এই ব্যাপারে মতামত জানতে চাই..কমেন্টে জানান। সুস্থ্য আলোচনা চলুক!

ভালো থাকবেন 🙏

~ গাছপাকা (ফেসবুক পেজ)

যাঁরা এখনও রেজিষ্ট্রেশন করেননি ...কিন্তু করতে চান WhatsApp করুন +916295614885 এই নাম্বারে।
03/05/2026

যাঁরা এখনও রেজিষ্ট্রেশন করেননি ...কিন্তু করতে চান WhatsApp করুন +916295614885 এই নাম্বারে।

ব্যাপারটা হচ্ছে ... বাচ্চাদের হাজারবার বই সামনে রেখে ব্যাঙের জীবনচক্র বোঝান,  ব্যাঙ কীভাবে জিভ উল্টে পোকা ধরে বোঝান .......
30/04/2026

ব্যাপারটা হচ্ছে ... বাচ্চাদের হাজারবার বই সামনে রেখে ব্যাঙের জীবনচক্র বোঝান, ব্যাঙ কীভাবে জিভ উল্টে পোকা ধরে বোঝান ....আজ বুঝবে , কাল ভুলে যাবে।

কিন্তু ধরুন , এইভাবে যদি ব্যাপারটা বোঝাতে পারেন...কাল কেন, সারাজীবনেও ভুলবে না।

শিক্ষাকে দৈনন্দিন জীবনে ইন্টিগ্রেট না করলে জ্ঞানও আসে না ,স্কিলও তৈরি হয় না। এটা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা বোঝে না....এমনকি অর্ধেক বাবা মা ও বোঝে না।

সামনের দুনিয়াটা ভীষণভাবে স্কিল নির্ভর দুনিয়া। থোর বড়ি খারা...খারা বড়ি থোর ...এরকম কাজ AI করে দিচ্ছে।

যেদিন বাচ্চা বুঝবে অঙ্ক ছাড়া , বিজ্ঞান ছাড়া আশেপাশের ঘটে যাওয়ার ঘটনাগুলোকে ব্যাখ্যা করা যাবে না। বাচ্চা যেদিন বুঝবে সাহিত্য চর্চার উদ্দেশ্য মনের খোরাক জোগানো, শুধু নাম্বার তোলা না ....সেইদিন বাচ্চাকে পড়তে বোস রে বলে বাড়ি মাথায় তোলার দরকার পড়বে না।

বাচ্চাকে খেলতে দিন , বদমাইশি করতে দিন ... আশেপাশের জগতটাকে এক্সপ্লোর করতে দিন ... সারাক্ষণ সিসি টিভির মতো বাচ্চার মাথার ওপর চেপে বসে থাকবেন না।

ফ্রি টাইম মানে টাইম জলাঞ্জলী দেওয়া না । Art of doing nothing বাচ্চাদের জন্য ভীষণ প্রয়োজনীয় একটা জিনিস। এই উইন্ডো গুলোতেই বাচ্চাদের ব্রেনের ডেভেলপমেন্ট হয় ।

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বাচ্চাদের কড়া শিডিউল এর মধ্যে বেঁধে ফেলবেন না। তাতে বড়ো হয়ে সেই বাচ্চা এভারেজ বাচ্চা হবে।

আমার পুত্রের বয়স পাঁচ বছর। এই বয়সেই এইভাবেই অনেক কিছু শিখে গেছে...

এই বয়সটা খেলতে খেলতে শেখার বয়স। বই সামনে রেখে সারাক্ষণ পড়তে বসাচ্ছেন মানে ভবিষ্যত ঝরঝরে করে দিচ্ছেন।

মানতে কষ্ট হলেও এটাই নির্মম সত্যি কথা ..

এইরকম চিমটি দেওয়া বিষয় নিয়ে আরও শুনতে চাইলে কমেন্টে জানাতে পারেন। উল্টো মত থাকলে সেটাও কমেন্টে লিখতে পারেন।

আলোচনা হোক...

ভালো লাগলে পোস্টটা শেয়ার করতে পারেন। চাইলে আমাদের WhatsApp গ্রুপেও জয়েন করতে পারেন।

~ গাছপাকা( ফেসবুক পেজ)

২৬. দেখে ভালো লাগলো , উঠিয়ে নিয়ে চলে এলাম...এইভাবে গাছ কিনলে কোনোদিনও ভালো গাছ করতে পারবেন না। ২৭. যে গাছটা আপনার দিদি...
28/04/2026

২৬. দেখে ভালো লাগলো , উঠিয়ে নিয়ে চলে এলাম...এইভাবে গাছ কিনলে কোনোদিনও ভালো গাছ করতে পারবেন না।

২৭. যে গাছটা আপনার দিদির বাড়িতে দুর্দান্ত হচ্ছে , সেই একই গাছ আপনার বাড়িতে হাড় কঙ্কাল বের করে থাকতে পারে....কারণ আপনার দিদির বাড়ির মাইক্রো ক্লাইমেট আর আপনার বাড়ির মাইক্রো ক্লাইমেট সম্পূর্ণ আলাদা হতেই পারে।

২৮. আগে ভাবুন কোথায় গাছ রাখবেন , তারপর ভাবুন সেই জায়গার মাইক্রো ক্লাইমেট ঠিক কেমন , তারপর ভাবুন সেই মাইক্রো ক্লাইমেট এর সাথে কোন কোন গাছের ন্যাচারাল হ্যবিট্যাট অন্তত খানিকটা হলেও মেলে...তারপর ভেবেচিন্তে গাছ কিনুন!

২৯. যেকোনো গাছ কেনার আগে একটু হলেও সেই গাছটার ন্যাচারাল হ্যবিট্যাট স্টাডি করুন ....এইটুকু স্টাডি করলেই অন্তত পিসির ভুলভাল হিন্দি বলার মতো ভুলভাল গাছের যত্ন নেবেন না।

৩০. ভুল জায়গায় ভোট দিলে আর ভুল গাছ কিনে ঘরে আনলে আপনার বাগানের দশা পশ্চিমবঙ্গের মতোই হবে। সর্বত্র সমস্যা আর সমস্যা!

আপনার অভিজ্ঞতা, মতামত কমেন্টে জানান। প্রশ্ন থাকলেও জানাতে পারেন, স্বল্প পরিসরে উত্তর দেওয়া সম্ভব হলে অবশ্যই রিপ্লাই করবো.... বা প্রতি শনিবার,রবিবার রাত ৯টা থেকে ১০.৩০টা পর্যন্ত গাছ নিয়ে আমাদের অনলাইন ওয়ার্কশপেও জয়েন করতে পারেন।

এই পেজের শ্রীবৃদ্ধি চাইলে পোস্টটা শেয়ার করতে পারেন, মোটিভেশন বাড়বে ! 🙏

ব্যাস ..! আজকের পর্ব এখানেই শেষ !
আবার কাল ..ঠিক রাত দশটায়।

~ গাছপাকা(ফেসবুক পেজ)

পুনশ্চ: যাঁরা অলরেডি আমাদের গার্ডেনিং WhatsApp গ্রুপে যুক্ত হয়ে আছেন আপনারা ওখানেই প্রতিদিন নতুন পোস্টের লিংক পেয়ে যাবেন, আপনাদের খোঁজাখুঁজি করতে হবে না।

#গাছপাকা
#হোমগার্ডেনিং
#ইনডোরগার্ডেনিং

২১. কেউ গাছকে কোনো খাবার দিতে পারে না...কারণ গাছ Autotroph! মানে নিজের খাবার নিজেই তৈরি করে নেয় ... সালোকসংশ্লেষ এর মাধ...
27/04/2026

২১. কেউ গাছকে কোনো খাবার দিতে পারে না...কারণ গাছ Autotroph! মানে নিজের খাবার নিজেই তৈরি করে নেয় ... সালোকসংশ্লেষ এর মাধ্যমে! যে নিজেই নিজের খাবার তৈরী করে নেয় , তাকে আবার বাইরে থেকে কী দেবেন!

২২. আমরা বাইরে থেকে গাছে কম্পোস্ট , npk এইরকম যা কিছু সার দিই সেগুলো গাছকে আসলে এসেন্সিয়াল মিনারেল সাপ্লাই করে।
অনেকটা মানুষের ক্ষেত্রে ভাত ডাল বিরিয়ানি আর জিঙ্ক এর মতো ! প্রথম তিনটে জিনিস আমাদের খাবার , আর জিঙ্ক হচ্ছে এসেনশিয়াল নিউট্রিএন্ট ।

২৩. ভাত ডাল বিরিয়ানি একদিন একটু বেশি খেয়ে নিলে মানুষের সেইভাবে কোনো ক্ষতি হয় না , অন্যদিকে জিঙ্ক প্রয়োজনের অতিরিক্ত মানুষের দেহে চলে গেলে কেলোর কীর্তি হয়ে যায়.... বমি করে , পটি করে একদম একাকার করে ফেলে।
গাছের ক্ষেত্রেও তাই ! প্রয়োজনের অতিরিক্ত সার গাছের চরম ক্ষতি করে ।

২৪. মাটিতে মাইক্রো অর্গানিজম না থাকলে মাটিতে জৈব কিছু দেওয়া মানে ভস্ম তে ঘি ঢালা .... এই মাইক্রো অর্গানিজম গুলোই জৈব পদার্থ গুলোকে ব্রেকডাউন করে এসেনশিয়াল নিউট্রিএন্ট গুলোকে গাছের রুট হেয়ার এর কাছে সাপ্লাই দেয় ।

২৫. ওয়াটার soluble কোনো কেমিক্যাল ফার্টিলাইজার মাটিতে দেওয়া মানে মাটির মাইক্রো অর্গানিজম গুলোকে গলা টিপে মেরে ফেলা।
তাই মাটি মিডিয়াতে কোনো গাছ করলে মাটিতে exces কেমিকাল ফার্টিলাইজার , SAAF এগুলো দেওয়া বন্ধ না করলে আদতে গাছের ক্ষতিই হয় ।

বিজ্ঞানটা বুঝে গাছ করলে ভুলটা কম হবে। ভুল কম হলেই গাছ ভালো থাকবে। গাছ অনেক যত্ন মোটেও চায় না, কিন্তু সঠিক যত্নটা চায়।

আপনার অভিজ্ঞতা, মতামত কমেন্টে জানান। প্রশ্ন থাকলেও জানাতে পারেন, স্বল্প পরিসরে উত্তর দেওয়া সম্ভব হলে অবশ্যই রিপ্লাই করবো.... বা প্রতি শনিবার,রবিবার রাত ৯টা থেকে ১০.৩০টা পর্যন্ত গাছ নিয়ে আমাদের অনলাইন ওয়ার্কশপেও জয়েন করতে পারেন।

এই পেজের শ্রীবৃদ্ধি চাইলে পোস্টটা শেয়ার করতে পারেন, মোটিভেশন বাড়বে ! 🙏

ব্যাস ..! আজকের পর্ব এখানেই শেষ !
আবার কাল ..ঠিক রাত দশটায়।

~ গাছপাকা(ফেসবুক পেজ)

পুনশ্চ: যাঁরা অলরেডি আমাদের গার্ডেনিং WhatsApp গ্রুপে যুক্ত হয়ে আছেন আপনারা ওখানেই প্রতিদিন নতুন পোস্টের লিংক পেয়ে যাবেন, আপনাদের খোঁজাখুঁজি করতে হবে না।

#গাছপাকা
#হোমগার্ডেনিং

বেশ কয়েকটি অপ্রিয় সত্যি কথা বলছি, নিতে পারলে বাকিটা পড়তে পারেন।১) ভালো স্কুলের পিছনে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ না করে কী...
24/04/2026

বেশ কয়েকটি অপ্রিয় সত্যি কথা বলছি, নিতে পারলে বাকিটা পড়তে পারেন।
১) ভালো স্কুলের পিছনে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ না করে কীভাবে ফ্রি AI টুলগুলোকে কাজে লাগিয়ে পড়াশোনা করতে হয় শেখান .... টাকাও বাঁচবে , পড়াশোনাও শিখবে। স্কিল ডেভেলপ হবে।
আজকের দুনিয়ায় নতুন কোনো কিছু শেখার চেয়েও কীভাবে শিখতে হয় সেটা শেখাটা আরও বেশি জরুরি।

২) বাচ্চাকে শেখানোর আগে নিজে শিখুন ... নাহলে আপনার সাথে আপনার বাচ্চার জেনারেশন গ্যাপ আকাশ পাতাল হয়ে যাবে। আর নিজের বাচ্চাকে আপনি নিজে যতোটা যত্ন নিয়ে শেখাতে পারবেন , দুনিয়ায় আর কেউ সেই যত্নটা নিতে পারবে না।

৩) আজকাল বাচ্চারা মনের আনন্দে পড়ছে না , পড়তে হয় বলে পড়ছে। এই জিনিসটা বদলানো দরকার। নাহলে যা পড়ছে সব ভষ্মতে ঘি ঢালা হচ্ছে।
পড়াশোনা ভালোবাসে এরকম করো সংস্পর্শে আপনার বাচ্চাকে রাখুন ....লং রানে এটাই কাজে দেবে।

৪) চেষ্টা করুন বাড়ির কাছাকাছি কোনো একটা চলনসই স্কুলে বাচ্চাকে ভর্তি করতে । যাতায়াত করতেই যদি অনেকটা সময় চলে যায় বাচ্চারা ক্লান্ত হয়ে পড়বে।

৫) গান, নাচ , ক্যারাটে...এগুলো এক্সট্রা কারিকুলামে একটিভিটি । বাচ্চার ভালো লাগলে করবে ,ভালো না লাগলে করবে না। জোর করবেন না।

৬) সামনের দুনিয়ায় কল্পনাশক্তি মানুষের একটা খুব দরকারী স্কিল হবে, কারণ বেশীরভাগ ম্যানুয়াল কাজ মেশিনে করে দেবে / দিচ্ছে।
বাচ্চাকে আঁকতে উৎসাহ দিন। আঁকাতে বাচ্চাদের কল্পনাশক্তির বিকাশ ঘটে । পড়াশোনার মতোই আঁকতে বাচ্চাকে সমান উৎসাহ দিন ।

৭) এবাকাস এর মতো মেকানিকাল জিনিসের পিছনে দৌড়ে বেড়িয়ে বাচ্চার খেলার সময়টা খেয়ে ফেলবেন না। বাচ্চাকে খেলতে দিন.....যতো খেলবে ততো ভালোভাবে বড়ো হবে । খেলার মাঠেই মানুষের চরিত্র গঠন হয়।

৮) প্রাইভেট অলিম্পিয়াডগুলো স্রেফ আপনাকে মুরগি বানানোর জন্য। টাকা নেবে সার্টিফিকেট দেবে....এর বেশি কিছু না। সার্টিফিকেট ফেসবুকে দিলে বেশ কিছু লাইক পাওয়া যায় , সেটা অন্য ব্যাপার ।

৯) বাংলা স্কুল , ইংরাজি স্কুল .. পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ স্কুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অনেক দিনের পুরানো নামী স্কুল পেলে অন্য ব্যাপার নাহলে সবই প্রায় সমান। কোথাও সেইভাবে কিছু শেখানো হয় না। দোষটা সামগ্রিক...শুধু টিচারদের দোষ দিয়ে লাভ নেই।

১০) বাচ্চা একটু বড়ো হলেই ওপেন কোর্সওয়ারগুলোর কথা জানান। MIT, STANFORD, IIT র মতো দুনিয়ার তাবড় তাবড় ইনস্টিটিউটগুলোর লেকচার একদম ফ্রিতে ইন্টারনেটে পেয়ে যাবেন।

ভালো লাগলে জানাবেন , আরও দশটা চিমটি কাটা সত্যি কথা জানাবো!

~ গাছপাকা (ফেসবুক পেজ)

Address

Narasingha Medical Golly , Padmapukur, Hooghly
Tarakeswar
712410

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গাছপাকা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to গাছপাকা:

Share