বাগান বন্ধু / Bagan Bondhu

বাগান বন্ধু / Bagan Bondhu শান্তির এক ছোট্ট জায়গা - শখের বাগান

বাগানে গাছ লাগানোর ও গাছের পরিচর্যার কয়েকটি পদ্ধতি, যেগুলো মানলে গাছের বৃদ্ধি ভালো হবে এবং সঠিক সময়ে ফুল/ ফল পাওয়া যাব...
19/07/2023

বাগানে গাছ লাগানোর ও গাছের পরিচর্যার কয়েকটি পদ্ধতি, যেগুলো মানলে গাছের বৃদ্ধি ভালো হবে এবং সঠিক সময়ে ফুল/ ফল পাওয়া যাবে।
১৷ গাছ লাগানোর বেশ কিছুদিন আগে থেকে মাটি তৈরি করে রাখতে হবে। সম পরিমাণ বালি,ভার্মি কম্পোস্ট, মাটি মিশিয়ে মাটিটাকে গাছ লাগানোর উপযুক্ত বানিয়ে রেখে যেতে হবে।
২৷ যেদিন নার্সারি থেকে গাছ কিনে আনবেন, সেদিন সঙ্গে সঙ্গেই টবে অথবা বাগানের মাটিতে গাছটাকে রোপন করবেন না। কয়েক দিন গাছটাকে আপনার বাড়ির অথবা বাগানের একটু ছায়া আছে এমন জায়গায় রাখুন। তারপর গাছটিকে রোপন করুন।
৩৷ টব অথবা মাটি যেখানে গাছ লাগাবেন লাগানোর আগে ভালো মতন জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখবেন। নইলে নতুন গাছটি লাগানোর পর জল চাপা লেগে কচি শিকড়ের ক্ষতি হতে পারে। পুরো গাছটি মারা যেতে পারে।
৪৷গাছ লাগানোর পর সপ্তাহে অন্তত একবার করে গাছের গোড়া পরিষ্কার করবেন। কত ছোট ঘাসই হোক না কেন তুলে ফেলবেন।আর গাছে পুরনো শুকিয়ে যাওয়া যত ফুল ডাল আছে সেগুলো কেটে ফেলে দেবেন ।
৫৷ সর্বোপরি গাছের খাওয়ার দিতে ভুলবেন না মানে সার। গাছটা যখন বৃদ্ধির সময় থাকবে তখন তাতে নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ যেকোনো সার ব্যবহার করতে পারেন রাসায়নিক অথবা জৈব। আর কাছে যখন ফল ফুল আসার সময় হবে তখন ফসফরাস এবং পটাশ সমৃদ্ধ সার ব্যবহার করবেন।

16/07/2023

টবের মাটি কিভাবে তৈরি করতে হয় তার ধাপ গুলি ছোট একটা video আকারে দিলাম।

মূলত আমরা যারা টবে ফুল, ফল, সব্জির চাষ করি একটা সাধারণ ভুল করেই থাকি তা হল পুরনো শুকিয়ে যাওয়া গাছ তুলে সেখানেই নতুন গাছ লাগাই। যার কারণ বশত পুরনো গাছ থেকে রোগের জীবাণু বা পোকার ডিম নতুন গাছের মধ্যে এসে পরে। তাই কিছু সহজ পদ্ধতিতে তাদের দমন করতে হবে।

১। টবের থেকে মাটিটাকে বের করে ভালো করে মাটির জট ভাঙ্গতে হবে।
২৷ তারপর পুরনো গাছের শেকড় সড়িয়ে কিছুটা ছত্রাকনাশক ছড়িয়ে দিতে হবে। চাইলে কীটনাশক ও ব্যবহার করতে পারেন।
৩৷মাটিটাকে এরপর হালকা ছায়া হালকা রোদ লাগে এরকম জায়গায় ছড়িয়ে দিন ২-৩ দিনের জন্য।
৪৷ অন্যদিকে টবের থেকেও পুরনো শুকিয়ে থাকা মাটি, পিপড়ের বাসা ভেঙে টবটা ধুয়ে দিন ।
৫৷ টব শুকিয়ে যাওয়ার পর সেই শোধন করা মাটি, ভার্মি কম্পোস্ট বা গোবরসার আর কিছুটা অনুখাদ্য মিশিয়ে নিন। তারপর পছন্দের গাছ লাগিয়ে দিন।

গোলাপের বট্রাইটিস্ ব্লাইট।নামটির সাথে পরিচিত না হলেও যাদের বাড়িতে গোলাপ গাছ আছে তারা এই প্রাক বর্ষার আবহাওয়ায় গাছে অব...
08/04/2023

গোলাপের বট্রাইটিস্ ব্লাইট।

নামটির সাথে পরিচিত না হলেও যাদের বাড়িতে গোলাপ গাছ আছে তারা এই প্রাক বর্ষার আবহাওয়ায় গাছে অবশ্যই এ রোগের লক্ষণগুলো দেখেছেন। লক্ষ্য করেন দেখবেন যে প্রথমদিকে গাছের ডগার যে কচি পাতাগুলো আছে সেগুলো হালকা কুঁকড়ে যাচ্ছে,আর গাছে যখন ফুলের কলি আসছে সেইকলি থেকে ফুল ফুটতে ও দীর্ঘদিন লাগছে।কলির বাইরের দিক কালো হয়ে মরচে ধরার মতো দেখাবে এবং যখন ফুল ফুটবে ফুলটাও অনেকটা দুমড়ে মুছরে ফুটবে।
নিচে ছবিতেও দিলাম যে গাছের লক্ষণ টা কি রকমের হয় প্রথমদিকে।

এবার আসছি প্রতিকারে । ঘরোয়া পদ্ধতি বলতে গেলে,যখনই দেখবেন যে গাছে কোন একটা ডালের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি হচ্ছে,এবং তার উপর দিকের পাতাগুলো কুঁকড়ে যাচ্ছে, সাথে সাথে ওই ডালটাকে গোড়া থেকে কেটে নির্মূল করে দেবেন। যদি গাছের ডগার দিকে পাতাগুলো কুঁকড়ে যায় শুধু, সেই পাতাগুলোকে ডগাসহ কেটে দূরে কোথাও ফেলে দিন, অন্য গাছের সংস্পর্শেও রাখবেন না। যে ছত্রাক থেকে এই রোগটি হয় তা অতিসহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং রোগবিহীন গাছগুলোকেও আক্রান্ত করে ফেলতে পারে। কাটা জায়গায় সাথে সাথেই ছত্রাকনাশক স্প্রে করে দেবেন। অনেক সময়ই এই রোগের প্রকোপ এত তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়ে যে উপায়ে নির্মূল করতে হয়। Chlorothionil রাসায়নিকটি এই রোগের জন্য বিশেষ কার্যকরী।
Kavvach (Syngenta)
Jatayu (Coromondel )এই ওষুধ গুলোর মধ্যে যে কোন একটা ব্যবহার করতে পারেন। প্রতি সাত দিন অন্তর স্প্রে করবেন। রোগের আক্রমণ বেড়ে গেছে বলে ধৈর্য হারিয়ে অতিরিক্ত ওষুধ স্প্রে করবেন না। তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে গাছের মধ্যে যে ছত্রাক আক্রমণ করেছে তার সহ্য ক্ষমতাও বেড়ে যাবে।

আজকের বিষয়টা হলো নেটপট (Netpot)। আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন না যে নেটপট  জিনিসটা কি? আপনারা যখন কোন নার্সারি থেকে গাছ কে...
20/03/2023

আজকের বিষয়টা হলো নেটপট (Netpot)।
আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন না যে নেটপট জিনিসটা কি?

আপনারা যখন কোন নার্সারি থেকে গাছ
কেনেন,বিশেষ করে জবা ফুল,গন্ধরাজ ফুল ইত্যাদি দেখা যায় যে গাছটা কিনে এনে বাড়িতে নতুন পটে রিপর্টিং করার পরেও গাছটা ডালপালার মধ্যে তেমন বিশেষ কোন বৃদ্ধি দেখা যায় না। অনেক সময় দেখা যায় ৫-৬ মাস হয়ে গেছে গাছটা সেইম সাইজেরই থেকে যায়,হয়তো ফুল দিতে থাকে কিন্তু আস্তে আস্তে কিছু সময় পড়ে ফুলের আকার ছোট হতে থাকে। যেহেতু গাছটা বৃদ্ধি পাচ্ছে না ঠিকমত তার জন্য ফুল ফলের আকার ও কমে যাবে এটাই স্বাভাবিক।।

নার্সারিতে যারা চারাগুলোকে বসান তারা এই নেটপটের ব্যবহার করে থাকেন। সাধারণত যখন চারা করার পরে নতুন শেকড় বের হয়। সেই শেকড়গুলো যাতে আস্ত থাকে এবং তাকে যাতে কোন রকমের চোট না লাগে কারণে নার্সারিতে ওই চারা গুলোকে একটা পটের মধ্যে বসানো হয়। আমরা অনেকেই জানিনা বলে বাড়িতে এনে, সেই পট সহই গাছটাকে রিপর্টিং করি। কিছুদিন বাদে শেকড় বড় হতে থাকলে ওই নেটপটে আটকে যায় তার কারণে গাছের বৃদ্ধি ও আটকে যায়।

তাই চারাগাছ বাড়িতে এনে অবশ্যই গোড়ার মাটিটা হালকা হাতে খুড়ে দেখে নেবেন যে নেটপট আছে কিনা। যদি নেটপট থাকে তাহলে হালকা হাতে শেকঢড় গুলোকে বাঁচিয়ে নেটপটটা কেটে দেবেন। তাতে হয়তো রিপর্টিং করার পর গাছটা একটু ঝিমিয়ে থাকবে কয়েকদিন। কিন্তু আস্তে কাছে শেকড় নতুন মাটিকে আঁকড়ে ধরবে।

নিচে নেটপট কি রকমের হয় এবং তা কি করে শেকর আটকে থাকে তার একটি ছবি দিলাম।

ছবি সৌজন্যে:- Rajesh Banik

বিভিন্ন জায়গাতেই এখন কম বেশি হালকা বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে এবং এই বৃষ্টিটা গাছের জন্য  খুব একটা উপকারী নয়। কারণ বর্ষাকাল...
17/03/2023

বিভিন্ন জায়গাতেই এখন কম বেশি হালকা বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে এবং এই বৃষ্টিটা গাছের জন্য খুব একটা উপকারী নয়। কারণ বর্ষাকালের মত সময় ধরে বৃষ্টিটা হচ্ছে না আর বৃষ্টি থেমে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে আবার রোদের আভা দেখা দিচ্ছে।

মরশুমের আগে এই যে বৃষ্টি হচ্ছে তা গাছে বিভিন্ন ধরনের রোগ পোকার আক্রমণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। যাদের বাগানে বিভিন্ন গাছ আছে অথবা মাটিতে লাগানো,সময়টা একটু বাঁচিয়ে রাখুন। বৃষ্টি থেমে গেলে তারপরের দিন গাছটাকে ভালো করে ধুইয়ে দিন। তারপর একদিন রোদের আলো খাওয়ার পর তাতে ভালো করে ছত্রাকনাশক স্প্রে করুন।

যেসব গাছে দেখবেন যে পাতায় ঝলসানোর ভাব দেখা দিচ্ছে দেখা দিচ্ছে,সাথে সাথে সেই সব পাতাগুলো বা কান্ডটা ছিড়ে ফেলে দিন এবং ভালো করে ছত্রাক নাশ কই কাটা জায়গাটায় মাখিয়ে দিন। আর এক সমস্যা হল এই সময় ছোট ছোট মাকর বা বিভিন্ন ধরনের ছোট পোকার আক্রমণ হয়। তাই গাছকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য প্রতি সাত থেকে ১০ দিন অন্তর অন্তর ভালো যে কোন একটা কীটনাশক প্রয়োগ করুন।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে চাইলে নিমের পাতা সেদ্ধ করে জলটা স্প্রে করতে পারেন। তবে হ্যাঁ অবশ্যই আপনার যদি বাগানে কোন ফল গাছ থাকে,যেমন ধরুন আম, মুসম্বি, লেবু ইত্যাদি তাহলে অবশ্যই তাদের ফুল এবং ফলকে বাঁচিয়ে স্প্রে করবেন যাতে ছত্রাক নাশকটা ফুলগুলোকে ক্ষতি করতে না পারে।

গাছের গোড়ায় এই সময় রাসায়নিক সার ব্যবহার করার চেয়ে,যদি সুবিধামতো পান তাহলে পাতা পচা সার বা গোবর সার ব্যবহার করুন।

নয়ন তারা আমাদের খুব পরিচিত একটি ফুল। ছোটবেলা থেকে আমরা বেগুনি এবং সাদা এই দুই রঙের নয়নতারা ফুল দেখেই বড় হয়েছি । তবে ...
15/03/2023

নয়ন তারা আমাদের খুব পরিচিত একটি ফুল। ছোটবেলা থেকে আমরা বেগুনি এবং সাদা এই দুই রঙের নয়নতারা ফুল দেখেই বড় হয়েছি । তবে অনেকেই হয়তো লক্ষ্য করেছেন যে আজকাল বাজারে বেশ কয়েক রঙের নয়ন তারা ফুল দেখতে পাওয়া যায়। আর রং গুলো এতটাই মিষ্টি যে দেখলে কিনতে ইচ্ছে করে। আমিও ব্যতিক্রম হই কি করে? প্রথম যেবার দেখলাম সাহস করে একটি গোলাপি রঙের নয়ন তারা কিনে আনলাম। কয়েক মাস খুব ভালো ফুল দিল,তারপর একদিন দেখলাম হঠাৎ গাছটা শুকিয়ে যাচ্ছে গোড়া থেকে। সব পাতাগুলো আস্তে আস্তে হলুদ হয়ে ঝরে পড়ে যাচ্ছে। ভাবলাম আমার অজান্তে কোন রোগের আক্রমণ হয়েছে। কিন্তু কয়েক মাস পরে হঠাৎ এক নার্সারি থেকে জানতে পারলাম যে এই নতুন যতগুলো রঙের নয়ন তারা পাওয়া যাচ্ছে সেগুলি আসলে হাইব্রিড। Vinca নামে পরিচিত। এই গাছগুলি আমাদের পরিবেশে খুব ভালো ফুল দেয় কিন্তু ওরা বৃষ্টির জল সহ্য করতে পারে না। যদি এদের গোড়ায় বৃষ্টির জল জমে যায় তাহলে সাথে সাথে গাছটি মরে যায়। তা জানার পর থেকে আমি আরো দুতিন রঙের কিনলাম এবং তাদেরকে আমি চেষ্টা করলাম বর্ষাকালে একটু আগলে আগলে বাঁচিয়ে রাখার। এখন মোটামুটি আমি সারা বছর ফুল পাই। তাই আপনারা যারা নতুন রঙের নয়নতারা বা Vinca এর চারা কিনে এনে লাগিয়েছেন,তারা অবশ্যই বর্ষাতে একটু সতর্ক থাকবেন আর গাছগুলোকে বৃষ্টির জল থেকে বাঁচিয়ে রাখবেন। যদি মাটিতে লাগান তাহলে অবশ্যই গোড়ায় যাতে জল না জমে সেদিকে নজর দেবেন, ভালো নিস্কাষনের ব্যাবস্থা করবেন আর যদি টবে বা Growbag এ লাগিয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই চেষ্টা করবেন যে বর্ষাকালে গাছগুলোকে যেকোনো একটা আচ্ছাদনের নিচে রাখতে।

মাটি শোধন কৃষিকাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।চাষিরা যারা সারা বছর বিভিন্ন শাকসবজি অথবা ফসল উৎপাদন করেন তাদের ক্ষেত্রে মাটি ...
13/03/2023

মাটি শোধন কৃষিকাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।চাষিরা যারা সারা বছর বিভিন্ন শাকসবজি অথবা ফসল উৎপাদন করেন তাদের ক্ষেত্রে মাটি শোধন যতটা প্রয়োজনীয়, আমরা যারা টবে গাছ লাগাই তাদের জন্য এটি সমানভাবে প্রয়োজনীয়। টবে গাছ লাগালে অনেক সময় যখন গাছটা মরে যায়, আমরা আমরা সেই মাটিটাতেই দেখা যায় একটু খুড়ে অন্য নতুন গাছ লাগিয়ে দি। যা গাছের জন্য একদমই স্বাস্থ্যকর নয়। অনেক সময় পুরনো যে গাছটি থাকে তার অবশিষ্টাংশ মাটিতে থেকে যায় বা সেই মাটিতে কিছু এরকম জীবাণু থাকতে পারে যা আমার নতুন গাছটির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। তাই কোন গাছ মরে গেলে বা তার ফুল ফল দেওয়ার মৌসুম শেষ হয়ে গেলে,টব থেকে চারা গাছ থেকে তোলার পর অবশ্যই মাটিটাকে শোধন করতে হবে। প্রথমত দেখা যায় যে তবে মাটিটা শক্ত হয়ে থাকে। এই মাটিটাকে বের করে ভেঙে ভালো করে গুড়োকরে নিতে হবে। তারপর এই মাটিতে কার্বেন্ডাজিম অথবা যেকোনো ছত্রাকনাশক এবং কীটনাশক ভালো করে মিশিয়ে মাটিটাকে বেশ কয়েকদিন একটু হালকা ছায়ায় রেখে দিতে হবে। এমনি পাঁচ থেকে সাত দিন রাখার পর এই মাটিতে ভালো করে শুকনো গোবর,ভার্মি কম্পোস্ট এসব মিশিয়ে আবার মাটিটাকে পুনরায় ব্যবহার করতে হবে। এমনি করে মাটিটাকে তৈরি করলে মাটির স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং পরবর্তীতে যদি নতুন কোন চারা ঐ মাটিতে লাগানো হয় তার স্বাস্থ্যের জন্য ও ভালো হবে।

পিটুনিয়া ফুলটার সাথে হয়তো আপনারা অনেকেই পরিচিত। বাগান প্রেমীরা ঠান্ডায় কমবেশি সবার বাড়িতেই এদের আমরা লাগাই আজকাল। এক...
12/03/2023

পিটুনিয়া ফুলটার সাথে হয়তো আপনারা অনেকেই পরিচিত। বাগান প্রেমীরা ঠান্ডায় কমবেশি সবার বাড়িতেই এদের আমরা লাগাই আজকাল। একেকটা চারা মোটামুটি কুড়ি টাকা থেকে দাম শুরু হয়। লাগানোর দিন পনেরোর পরে থেকে ফুল দেওয়া শুরু হয়ে যায় আর পুরো শীতের মরসুম ধরে প্রচুর পরিমাণে ফুল দেয়। মরসুমের শেষে ধীরে ধীরে গাছটা শুকিয়ে যায়। তখন গাছটা ফেলে দেই আবার পরের বছর নতুন চারা কিনে লাগাই। তো অনেকেই হয়তো জানেন না যে পিটুনিয়া ফুলের চারা আমরা নিজেরাই চাইলে তৈরি করতে পারি। ফুল ফুটে যাওয়ার পর যদি ভালো করে দেখেন, সেখানে একটা ক্যাপসুল এর মত তৈরি হয়েছে। আর ধীরে ধীরে তা শুকিয়ে গেলে তার মধ্যে আপনি বীজ পাবেন। তারপর সে ক্যাপসুল টা পাঠিয়ে বীজটা একটা পাত্রে নিয়ে নেবেন। শুকনো সেই বীজটাকে আপনি চাইলে পরের বছর চারা তৈরির জন্য ব্যবহার করতে পারবেন। ফুলটা যেহেতু শীতে হয় তাই বীজগুলোকে আপনি চাইলে ফ্রিজের নরমাল টেম্পারেচারে রাখতে পারেন। পরের বছর বীজ বপনের কিছুদিন আগে ফ্রিজ থেকে নামিয়ে নেবেন এবং সময়মতো বপন করবেন।। বীজটা যখন সংগ্রহ করবেন তখন দেখবেন যাতে বীজটা না গাছে বেশি শুকিয়ে যায় তাহলে বীজটা ঝরে পড়ে যেতে পারে। আমিও প্রতিবার নতুন চারা কিনেই করি। এই কিছুদিন আগেই এই পদ্ধতিটা জানলাম এবং দেখলাম এটা বিজ্ঞানসম্মতই। তাহলে চলুন আপনারাও ট্রাই করুন আমিও এবার ট্রাই করে দেখি পরের বছর চারা না কিনে চালানো যায় কিনা।

সাদা পোকা বা Mealybug কে আমরা অনেকেই চিনি। স্পেশালি যাদের বাড়িতে জবা ফুল বা স্থলপদ্দ ফুল গাছ আছে তাদের তো না চিনে কোন উ...
08/03/2023

সাদা পোকা বা Mealybug কে আমরা অনেকেই চিনি। স্পেশালি যাদের বাড়িতে জবা ফুল বা স্থলপদ্দ ফুল গাছ আছে তাদের তো না চিনে কোন উপায় নেই। আকারে অনেক ছোট কিন্তু যদি গাছে একবার লেগে যায় তো কাছে শেষ করে ছাড়ে। হ্যাঁ, তবে যদি সঠিক সময় আমরা প্রতিকারের রাস্তাগুলো ধরে নিই, তাহলে তেমন বিশেষ ক্ষতি করতে পারেনা। সাধারণত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ থেকে এদের বিচরণ শুরু হয়। মোটামুটি বর্ষা আসার আগ অব্দি চলতেই থাকে। তো তাকে দূর করার কয়েকটা ছোট্ট টিপস আজকে শেয়ার করছি।

যদি জৈবিকভাবে তার প্রতিকার করতে হয় তাহলে নিম পাতার চেয়ে ভালো কিছু নেই। ১ লিটার জলে ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রাম নিম পাতা সেদ্ধ করে সেই জলটা সারারাত ঢেকে রেখে দিতে হবে। তার পরদিন সেই পাতা থেকে জলটা ছেকে তাতে আরও বেশ খানিকটা জল মিশিয়ে অল্প একটু ডিটারজেন্ট পাউডার খুলে প্রে করতে হবে। মোটামুটি দু-তিন দিন পর পর স্প্রে করে যেতে হবে।

অনেক সময় ওদের আক্রমণ এতটাই বেড়ে যায় যে গাছের অবস্থা দেখে আমাদের তখন রাসায়নিক উপায়ে ওদের প্রতিকার করতে হয়। যে কয়েকটাবহু পরিচিত ওষুধের নাম দিচ্ছি তাদের মধ্যে থেকে যেকোনো একটা আপনার ব্যবহার করতে পারেন। প্রতি সাত থেকে ১০ দিন পর পর ২ গ্রাম প্রতি লিটার
জলে গুলি স্প্রে করতে হবে।
1. Oberon
2. Pegasus
3. Ekka
4. Chakka
তাই ছোট বলে ওদের অবহেলা না করে ওদেরথেকে গাছকে বাঁচানোর ব্যবস্থা সাথে সাথেই নিয়ে নেবেন।

অ্যাডেনিয়াম যাকে বাংলায় আমরা মরু গোলাপ বলে থাকি জানিনা  সবাই দেখেছেন কিনা । এটি এমন একটি ফুল গাছ যা খুব কম পরিচর্যায় ...
05/03/2023

অ্যাডেনিয়াম যাকে বাংলায় আমরা মরু গোলাপ বলে থাকি জানিনা সবাই দেখেছেন কিনা । এটি এমন একটি ফুল গাছ যা খুব কম পরিচর্যায় আমাদের আবহাওয়া ভালো থাকে আর বছরের কয়েক মাস ছাড়া মোটামুটি সারা বছর ফুল দেয়।

একেকটা চারার দাম শুনলে হয়তো বা বলবেন এত দাম কেন? হ্যাঁ, আমাদের ত্রিপুরায় মোটামুটি এই গাছগুলোর দাম ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা নেয়। ছোট থেকে ছোট চারাগুলোর দামও আড়াইশো টাকা থেকেই মোটামুটি শুরু হয়।হ্যাঁ, তবে অনলাইনে মানে কিছু নার্সারি আছে যারা সারা বছর শুধু এডেনিয়াম চারা বিক্রি করে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছেদেয়। তাদের থেকে আপনি যদি বেশ কয়েকটা কেনেন তাহলে মোটামুটি ১০০ টাকা করে বা ১২০ টাকা করে পেয়ে যাবেন একটা চারা ।

এবার আসি পরিচর্যায়, পরিচর্যা তাতে তেমন কিছুই লাগেনা। প্রথমেই বললাম মরু গোলাপ হ্যাঁ, মরুভূমির কিছুটা বৈশিষ্ট্য তো আছেই। প্রতি দু-তিন দিনে একবার জল দিলেই হয়ে যায়। শুরুর এক বছর গাছটা হয়তো ফুল দেবে না, ওই সময়ের মূল উদ্দেশ্য হবে গাছের গোড়ায় মাটি, বালি, ভার্মি কম্পোস্ট ও কোকোপিট আর অল্প ছত্রাক নাশক দিয়ে গাছের cortext মানে যেটা শেকর বলতে গেলে তাকে অল্প পুষ্টিকর করা। তারপর এক বছর পর থেকে আপনি ফুল পেয়ে। তেমন আহামরি গন্ধ নেই বটে কিন্তু সৌন্দর্য আপনার চোখ ধাধিয়ে দেবে। সার ওষুধ লাগে না বললেই চলে। প্রতি মাসে একবার করে যে কোন একটা ছত্রাকনাশক স্প্রে করলে ভালো আর পোকার আক্রমণ বলতে সেই এক লাল মাকর ।মাকরের আক্রমণ হলে তখন প্রতি ১০ দিনে একবার Rogor বা কোনো Bio- insecticide ২ মিলি প্রতিলিটার জলে গুলে স্প্রে করবেন।

কোথাও ঘুরতে গেলে তখন কয়েক দিনের জন্য ঘরেও রেখে যেতে পারবেন এই গাছ। এডেনিয়াম লাগানোরও শ্রেষ্ঠ সময় হলো শীতের শেষ বা বসন্তের শুরু। তাহলে দেরি না করে লাগিয়ে ফেলুন একটা কি দুটা এডেনিয়াম এই মরশুমে ।

নিচে আমার দুটো অ্যাডেনিয়ামের ফটো দিলাম যেগুলো আমি 400 টাকা করে অনলাইনে নিয়েছিলাম প্রায় 4 বছর আগে কেরালার একটা নার্সারি থেকে।

"Portulaca/ পর্তুলাকা"অনেকেই হয়তো কারো না কারো বাড়িতে এই সুন্দরীদের দেখেছেন। ইনি পর্তুলাকা/Moss-rose/purslane/10 O' cl...
05/03/2023

"Portulaca/ পর্তুলাকা"
অনেকেই হয়তো কারো না কারো বাড়িতে এই সুন্দরীদের দেখেছেন। ইনি পর্তুলাকা/Moss-rose/purslane/10 O' clock বিভিন্ন নামেই পরিচিত। তবে আমাদের এই অঞ্চলে পর্তুলিকা বলেই চেনে সবাই।

দারুণ সুন্দর একটি ফুল। তেমন কোনো যত্নও লাগেনা। প্রথম কদিন মাটিতে পুঁতে অল্প জল দেবেন ব্যাস হয়েগেল।সার/ ঔষধ বিশেষ লাগেনা। কখনও কখনও সাদাপোকা মানে Mealybug এর আক্রমণ হয়। সে তখন আক্রান্ত ডালপালা ছেটে দিয়ে ঠিক করা যায়। মাটিতে অল্প শেকড় ছড়ানোর পরই ম্যাজিক শুরু।

সকাল হলেই ফুলে ভর্তি টব। সাইজে যতই ছোট হোক না কেন রূপে মন ভরাবেই।

আগরতলা মেলারমাঠে কয়েকজন দোকানী চারা বিক্রি করছেন আজকাল। তবে আমি বলব চেনা কারো বাড়ি থেকেই এক দুটো ছোট ডাল চেয়ে নেবেন। কেউই অখুশি হবেন না। তারপর আর এই জীবনে এই গাছের চারা কিনতে হবেনা। নিজের থেকেই প্রচুর চারাগাছ উঠবে।

ফ্ল্যাটের ছোট ব্যালকনি থেকে শুরু করে ফাঁকা উঠোন সবজায়গায় লাগানো যায়। গরমের সময় প্রচুর ফুল দেয়। সবার ব্যাস্ত জীবনের সঙ্গে একদম মানানসই একটি ফুল গাছ।

বিগত  কয়েক বছর ধরেই গাছ লাগাই আমি। প্রথম দিকে মাটির টবই ছিল ভরসা। তারপর দেখলাম প্রতি দুমাস পরপর দাম বেড়েই চলেছে আর কোভি...
04/03/2023

বিগত কয়েক বছর ধরেই গাছ লাগাই আমি। প্রথম দিকে মাটির টবই ছিল ভরসা। তারপর দেখলাম প্রতি দুমাস পরপর দাম বেড়েই চলেছে আর কোভিডের কারণে দোকানে যাওয়ার উপায় নেই। তখনই প্রথমবার জানলাম এই "গ্রো- ব্যাগ" এর কথা। তিন বছরে বিভিন্ন ধরনের "গ্রো- ব্যাগ" ব্যাবহার করেছি। যারা মূলত ছাদে বা ছোট জায়গায় গাছ লাগান তাদের জন্য Best.

আমার সবথেকে বেশী পছন্দের দুটো "গ্রো- ব্যাগ" এর ছবি দিলাম। অনলাইন থেকেই নেওয়া। যেমন টেকশই তেমনই দামে কম। মোটামোটি 280-300 টাকার মধ্যে 5-10 পিস্ পেয়ে যাবেন।

প্রথম যে "গ্রো- ব্যাগ" টা আছে তাতে আপনারা বোগেনভেলিয়া/ করবী/ অ্যালামুন্ডা/ জবা অথবা যেকোনো ছোট থেকে মাঝারী গঠনের ফুল/ফলের গাছ লাগাতে পারেন। দ্বিতীয়টাতে ফুলকপি/ বাধাকপি/ধনেপাতা/ শাক বা ছোট শেকড়ের যেকোনো গাছ করতে পারবেন। জল নিস্কাষনের জন্য ও পরিমাণমত ছিদ্র থাকে।

লোকাল নার্সারিতেও পেতে পারেন এই "গ্রো- ব্যাগ"।

Address

Udaipur
799120

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাগান বন্ধু / Bagan Bondhu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category